KPS Pharmacy

KPS Pharmacy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from KPS Pharmacy, Pharmacy / Drugstore, Chotoshalikha, Chatmohar, Pabna.

12/09/2020

এন্টিবায়োটিক কেন ব্যবহৃত হয়??

মেসেজ ১ঃ

"ভাইয়া , আমার বাচ্চার গতকাল রাত থেকে জ্বর।গা মুছে দিচ্ছি, নাপা খাওয়াচ্ছি কিন্তু জ্বর কিছুতেই ১০১ এর নিচে নামছে না! "

আমি উত্তর দিলাম, " এটা সিজনাল ভাইরাল ফিভার। টানা তিনদিন এরকম থাকবে, ৫-৭ দিনে কমবে। বেশী করে পানি, তরল খাওয়ান পেশাব যেন না কমে আর গা মুছে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন, নাপা চলবে! "

"ভাইয়া, সেফ থ্রি শুরু করেছি আজ দুপুরে, ওটা কি চালাবো? "

" এটা কে দিলো ১ দিনের জ্বরে? " আমি হতবাক।

" জ্বর দেখে বাচ্চার বাবা ভয় পেয়ে এনে খাওয়াইছে, আমি না করেছিলাম। "

"............ " কবি নীরব।

এখানে আমার প্রশ্নঃ

১. জ্বর কি কোন অসুখ নাকি অসুখের লক্ষণ ?

২. ভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিক কি কাজ করবে?

৩. অযথা এন্টিবায়োটিক দেয়ায় এই ঔষধ কি আর পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে কাজ করবে?

উত্তরঃ জ্বর যে কোন রোগের একটা লক্ষণ। যদি ইনফেকশন বা ঘা হতো তাহলে ব্যাাকটেরিয়া মনে করে আমরা সাথে সাথে এন্টিবায়োটিক দিতাম।

ভাইরাস কোন এন্টিবায়োটিকে মরে না। এটা সেলফ লিমিটিং, একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর এরা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। কাজেই, এখানে এন্টিবায়োটিক বরং উল্টো শরীরে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া মেরে শরীরকে বিপদে ফেলতে পারে।

বার বার এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে পরবর্তীতে একে চিনে নিয়ে ব্যাকটেরিয়া নিজেদের চরিত্র পাল্টে অন্যকোন নতুন ধরনের ব্যাকটেরিয়ায় পরিনত হয় যেন ঐ ঔষধ পরের বার কাজ না করে।

মেসেজ ২ঃ

" ভাইয়া , আমার বাচ্চার বয়স ৬ মাস। বাড়তি খাবার খিচুড়ি খেতে চায় না তাই চাররকম ডাল আর গম গুড়ো করে এরসাথে বাদাম, খেজুর, মিছরি মিশিয়ে খাওয়াচ্ছিলাম। হঠাৎ করে দুপুর থেকে আম আম পায়খানা করায় এমোডিস শুরু করেছি। ঠিক আছে কি? আর কোন ঔষধ দিবো? "

" এন্টিবায়োটিক কেন শুরু করলেন ? " আমি হতাশ।

" এমোডিস এন্টিবায়োটিক? আমি ভেবেছি আমাশয়ের ঔষধ। বাচ্চা বমি করছে , খেতেও চায় না। "

"............. " আমার বলার কিছু ছিল না।

প্রশ্নঃ

১.উল্টো পাল্টা খাবারে সমস্যা হয়ে ডায়রিয়া হলে এন্টিবায়োটিক কি করবে?

২. পায়খানায় আম যাওয়া স্বাভাবিক, এরমানেই কি আমাশয়?

৩.৬ মাসের বাচ্চার কি কৃমি হতে পারে যে বড়দের মেট্রোনিডাজল ছোটদের দিতে হবে?

৪. বদহজম কি রোগ যে ঔষধ দিতেই হবে?

উত্তরঃ

ছয় মাসের একটা বাচ্চার খাদ্যনালী লিভার কিডনি অপরিনত থাকে এবং বুকের দুধের কাছাকাছি কোন খাবার না দিলে বাচ্চা খেতে পারেনা, পেটে সহ্যও হয় না। কাজেই চাল, ডাল তেল দিয়ে রান্না খিচুড়িই এসময়ে খাওয়ার জন্য আদর্শ খাবার। চিনি, লবনও দেয়া যাবে না। সুজি, চালের গুড়া সাবু পেটে গেলে ফুলে যায় ও হজম হতে সময় নেয়। এজন্য বাচ্চার খিদে কম লাগে, খেতে চায় কম, গ্যাস হয়েনপেট ফাপে। ফলে কারো কষা পায়খানা হয় কারো পাতলা।

এছাড়া, পায়খানা কষা হলে আঁটকে যায় বা হতে কষ্ট হয়, এজন্য পিচ্ছিল থাকার জন্য পায়খানায় আম বা মিউকাস থাকতেই পারে যা শরীর খাবার থেকে তৈরি করে। এটাকে আমাশয় বলা ঠিক না।

মেট্রোনিডাজল প্রধানত বড়দের ঔষধ বিভিন্ন দাঁতের ইনফেকশন, পেলভিক অর্গানে ঘা, কৃমি এসব সমস্যায় দেয়া হয় যা ১ বছরের নিচে বাচ্চাদের জন্য তেমন প্রযোজ্য নয়। বরং এটা খেলে বাচ্চার অরুচি হয়, বমি হয়, জিহবার স্বাদ চলে যায়।

খাবারে সমস্যা তাই উল্টো পাল্টা খাবার বন্ধ করে সঠিক খাবার খাওয়ালেই পেটের সমস্যা ভালো হয়ে যাবে৷ এখানে এন্টিবায়োটিকের কোন কাজ নেই।

উল্টো এন্টিবায়োটিক খাওয়ালে বাচ্চার শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো মরে যায় এবং খাদ্যনালি আরো নাজুক হয়ে ডায়রিয়া বাড়িয়ে দেয়।

তাহলে এন্টিবায়োটিক কেন খাওয়াবো না?

১. শরীরের ছোটখাটো অধিকাংশ রোগ ভাইরাস দিয়ে হয় এবং এগুলো নির্দিষ্ট সময়ে নিস্ক্রিয় হয়ে যায়। তাই এসব ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক কোন কাজে লাগে না।

২.অপ্রয়োজনে ও অনিয়মিত এন্টিবায়োটিক খেলে শরীরের ব্যাকটেরিয়া ঐ ঔষধের কার্যকারিতা জেনে ফেলে এবং যে অনুযায়ী নিজেদেরকে পাল্টে ফেলে যাতে পরবর্তীতে ঐ ঔষধ কাজে না লাগে।

৩. এন্টিবায়োটিক শুধু ব্যাকটেরিয়াই মারে না! এরসাথে শরীরের কিছু দরকারী কোষ,রোগ প্রতিরোধ কারি শ্বেত কনিকারাও ধ্বংস হয়। ফলে শরীর খুব সহজেই আক্রান্ত হতে পারে সুযোগসন্ধানী জীবাণূদের দ্বারা।

৪. ছোটখাটো ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে এবং এদের এন্টিবায়োটিক দিয়ে না মারলে, শরীর এদের বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি করার সময় পায় যা পরবর্তীতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোগায়।

৫.এন্টিবায়োটিকের নিজেদেরই অনেক ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে বাচ্চাকে আরো দূর্বল অপুষ্ট ও রোগাক্রান্ত করতে পারে।

কাজেই,

অযথা, যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক নয়
রয়ে যায় এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের ভয়।

14/06/2020

PLEASE SHARE THIS WITH FAMILY AND FRIENDS, IT'S VERY IMPORTANT AND CAN SAVE SOMEONE'S LIFE.

A group of Japanese Doctors confirmed that warm water is 100% effective in resolving some health problems such as:-
1. Migraine
2. High blood pressure
3. Low blood pressure
4. Pain of joints
5. Sudden increase and decrease of heartbeat
6. Epilepsy
7. Increasing level of cholesterol
8. Cough
9. Bodily discomfort
10. Golu pain
11. Asthma
12. Hooping cough
13. Blockage of veins
14. Disease related to Uterus & Urine
15. Stomach problems
16. Poor appetite
17. Also all diseases related to the eyes, ear & throat.
18. Headache

HOW TO USE WARM WATER
Get up early in the morning and drink approximately 2 glasses of warm water when the stomach is empty. You may not be able to make 2 glasses at the beginning but slowly you will.
NOTE:
DO NOT eat anything 45mins after taking the water.

The warm water therapy will resolve the health problems within reasonable period such as:-
✔️ Diabetes in 30 days
✔️ Blood pressure in 30 days
✔️ Stomach problems in 10 days
✔️ All types of Cancer in 9 months
✔️ Blockage of veins in 6 months
✔️ Poor appetite in 10 days
✔️ Uterus and related diseases in 10 days
✔️ Nose, Ear, and Throat problems in 10 days
✔️ Women problems in 15 days
✔️ Heart diseases in 30 days
✔️ Headache/migraine in 3 days
✔️ Cholesterol in 4 months
✔️ Epilepsy and paralysis continuously in 9 months
✔️ Asthma in 4 months
COLD WATER IS BAD FOR YOU!!!
If cold water does not affect you at young age, it will harm you at old age.
* Cold water closes 4 veins of the heart and causes heart attack. Cold drinks are main reason for heart attack.
* It also creates problems in the liver. It makes fat stuck with liver. Most people waiting for liver transplant are victims of cold water drinking.
* Cold water affect internal walls of the stomach. It affects the large intestine and results in Cancer.

PLEASE DON'T KEEP THIS INFORMATION TO YOURSELF
Tell someone to tell someone, IT MAY SAVE SOMEONE'S LIFE.
From:
Dr. D. Mensah-Asare**

১. আগামী আরো কয়েক মাস COVID-19 এর সাথে আমাদের বসবাস করতে হবে। আসুন এটিকে অস্বীকার না করে বা আতঙ্কিত না হয়ে জীবনকে অহেত...
21/05/2020

১. আগামী আরো কয়েক মাস COVID-19 এর সাথে আমাদের বসবাস করতে হবে। আসুন এটিকে অস্বীকার না করে বা আতঙ্কিত না হয়ে জীবনকে অহেতুক কঠিন করে না তুলি। আমরা সুখী হতে চাই, চলুন সেই সত্যের সাথে বাঁচতে শিখি।

২. গ্রীষ্মে ভাইরাসের প্রভাব কমবে না। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনায় এখন গ্রীষ্মকাল। তারপরও ভাইরাসটি সেখানে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

৩. খুব বেশি জল পান করে COVID-19 ভাইরাসগুলি ধ্বংস করা সম্ভব নয়।

৪. সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়া এবং ১.৮ মিটার বা ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখাই ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার সেরা পদ্ধতি। যদি আপনার বাড়িতে COVID-19 রোগী না থাকে তবে বাড়ির সব কিছুর উপরিতল জীবাণুমুক্ত করার প্রয়োজন নেই।

৫. কার্গো প্যাকেজ, পেট্রোল পাম্প, শপিং কার্ট বা এটিএম COVID-19 সংক্রমণ সৃষ্টি করে না। তবে এগুলো ব্যবহার পর আপনার হাত সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। যথারীতি জীবন যাপন করুন।

৬. COVID-19 কোনও খাদ্য সংক্রমণ নয়। এটি ফ্লুর মতো সংক্রমণ ফোঁটাগুলির সাথে সম্পর্কিত। খাবার অর্ডার দিয়ে COVID-19 সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি কোথাও নথিভুক্ত হয় নাই।

৭. স্টিম বাথ বা উষ্ণ পানিতে গোসল করে COVID-19 ভাইরাসকে হত্যা করা যায়না যেগুলো ইতোমধ্যে আপনার শরীর কোষে প্রবেশ করেছে।

৮. আপনি অনেক ধরনের অ্যালার্জি এবং ভাইরাল সংক্রমণের পর গন্ধ শক্তি হারাতে পারেন। এটি COVID-19 এর একটি অ-নির্দিষ্ট লক্ষণ।

৯. একবার বাড়ি ফিরে আসার পরে আমাদের জরুরীভাবে জামাকাপড় পরিবর্তন করার এবং উষ্ণ সাবান পানি দিয়ে গোসল দেওয়ার দরকার নেই। শুদ্ধতা একটি পুণ্য, মস্তিষ্কের বিকৃতি নয়।

১০. COVID-19 ভাইরাসটি বাতাসে স্থির থাকে না। এটি একটি ড্রিপ সংক্রমণ, পরস্পরের ঘনিষ্ঠ সংযোগের প্রয়োজন পড়ে। যেখানের বাতাস পরিষ্কার যেমন উদ্যানগুলিতে (দূরত্ব বজায় রেখে) আপনি নিয়মিত ঘুরে আসতে পারেন।

১১. COVID-19 জাতি বা ধর্ম পৃথক করে না। এটি সমস্ত লোকের কাছে যেতে পারে। রোগাক্রান্ত করত পারে।

১২. অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার না করে COVID-19 এর বিপরীতে সাধারণ সাবান ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ভাইরাস কোনোভাবেই ব্যাকটিরিয়া নয়।

১৩. রেস্টুরেন্টে খাবারের অর্ডার সম্পর্কে চিন্তা করবেন না। আপনি চাইলে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে এটি কিছুটা গরম করে নিতে পারেন।

১৪. আপনার জুতো দিয়ে COVID-19 বাড়িতে আনার এবং অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আমি ২০ বছর ধরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছি, ড্রিপ সংক্রমণ এভাবে ছড়িয়ে পড়ে না।

১৫. ভিনেগার, স্যামাক (শতবত), সোডা এবং আদা পান করে / খাওয়ার মাধ্যমে আপনি ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে পারবেন না।

১৬. গ্লাভস পরা একটি খারাপ ধারণা। ভাইরাসটি গ্লাভসে জমে থাকতে পারে। গ্লাভস পরে আপনি আপনার মুখটি স্পর্শ করলে সহজেই সংক্রমণ হতে পারে। তাই গ্লাভস পরিধান না করে, সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে তবেই মুখে চোখে নাকে হাত দিতে পারেন।

© লিখেছেন অধ্যাপক ডাঃ ফাহিম ইউনুস, মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগীয় প্রধান সংক্রামক রোগ ক্লিনিক, আমেরিকা। বঙ্গানুবাদ করেন : ডা. মানিক মজুমদার।

👍👍👍👍

একটি ভ্যাকসিন আবিষ্কার কি এতই সহজ??আসুন একটি পরিসংখ্যান দেখি:জিকা ভাইরাসপ্রথম সনাক্ত = ১৯৪৭ সাল।ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষ...
20/05/2020

একটি ভ্যাকসিন আবিষ্কার কি এতই সহজ??
আসুন একটি পরিসংখ্যান দেখি:

জিকা ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ১৯৪৭ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৭৩ বছর গড়িয়ে গেছে, result Zero.

চিকেনপক্স
প্রথম সনাক্ত = ১৯৫৩ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ১৯৯৫ সাল।
সময়কাল = ৪২ বছর।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ১৯৬৫ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ১৯৮১ সাল।
সময়কাল = ১৬ বছর।

ইবোলা ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ১৯৭৬ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = ২০১৯ সাল।
সময়কাল = ৪৩ বছর।

এইডস
প্রথম সনাক্ত = ১৯৮১ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৩৯ বছর গড়িয়েছে, Result Zero..

সার্স ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ২০০৩ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণা স্থগিত করা হয়েছে।
সময়কাল = ১৭ বছর।

মার্স ভাইরাস
প্রথম সনাক্ত = ২০১২ সাল।
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত।
সময়কাল = ৮ বছর গড়িয়েছে, Result Zero.

কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস)
প্রথম সনাক্ত = ২০১৯ (ডিসেম্বর)
ভ্যাকসিন আবিষ্কার = গবেষণারত
সময়কাল = অনিশ্চিত।

আজ অবধী যত ভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক ভাবে ছড়ায় এই Covid19, যা প্রাণঘাতিও।

একটি ভ্যাকসিন ডেভেলপ করতে সচরাচর ৮ থেকে ২০ বছর সময় লেগে যায়।

কিন্তু আমরা কয়েক ঘন্টা পর পর ভ্যাকসিন
আবিষ্কার হয়েছে বলে ফেসবুকে,টেলিভিশনে, প্রচারমাধ্যমে নিউজফিড দেই!!
আসুন একটু সচেতন হই।। ভাবুন।।একটু ভাবতে শিখুন।।
তাই অাসুন অামরা গুজবে কান না দিয়ে সচেতন হই।


Collected

20/05/2020

Address

Chotoshalikha, Chatmohar
Pabna
1630

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KPS Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram