M/S Alam Pharmacy

M/S Alam Pharmacy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from M/S Alam Pharmacy, Medical supply store, LSD Road debiganj, Panchagarh.

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আগামী   ২০, ৫, ২০২৪  বিসিডিএস কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তদুপলক্ষে নিম...
02/05/2024

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আগামী ২০, ৫, ২০২৪ বিসিডিএস কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তদুপলক্ষে নিম্নে তালিকাভূক্ত যারা আছেন আমরা সবাই একসঙ্গে আগামী 20,5,2024 রংপুর এ গিয়ে আমাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করব ইনশাল্লাহ, আপনারা প্রস্তুত থাকবেন।
জ্ঞাতার্থে - মো: মাহে আলম
মেসার্স আলম ফার্মেসী দেবীগঞ্জ।
সভাপতি দেবিগঞ্জ থানা বিসিডিএস দেবীগঞ্জ পঞ্চগড়।

09/10/2019
চলছে কাজ
27/08/2019

চলছে কাজ

ডেঙ্গুর প্রকোপ, দোষ কার?চলতি বছর বিশ্বজুড়ে চলছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। বাংলাদেশের পাশাপাশি অষ্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ...
27/08/2019

ডেঙ্গুর প্রকোপ, দোষ কার?

চলতি বছর বিশ্বজুড়ে চলছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। বাংলাদেশের পাশাপাশি অষ্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিংগাপুর, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনের মতো দেশেও তীব্র আকার ধারণ করেছে মশকবাহিত ভাইরাসটি। মোট ১০টি দেশের ডেঙ্গু পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায় যে বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে কম। অথচ হইচইয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে।

বিশ্বজুড়ে ক্রমেই ডেঙ্গুর বিস্তার লাভ করছে। নানা কারনে প্রথিবীর অর্ধেকের বেশি মানুষ ডেঙ্গু ঝুঁকির মধ্যে আছে। বাংলাদেশে প্রায় সমগ্র দেশেই ডেঙ্গুর আক্রমন ঘটেছে সে বিবেচনায় সবাই এখন ডেঙ্গু ঝুকিতে এবং ঈদের ছুটিতে সারা দেশব্যাপী জনসাধারণের এদিক সেদিক যাতায়াতের কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা মানুষজনের বহনকৃত জিনিস পত্রের সাথে এডিশ মশারও স্থানান্তর ঘটবে। বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ০.০১% অন্যদিকে চলতি বছরের একই সময়ে সিংগাপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ০.০৯% অর্থাৎ বাংলাদেশের চেয়ে ০.০৮% বেশি। অথচ বিশ্ব পরিবেশ সংস্থার মুল্যায়ন অনুযায়ী পরপর তিনবার সিংগাপুর বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

ঢাকা শহরের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে আমরা সবাই ওয়াকেবহাল। একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা তো বসবাসের জন্য অযোগ্য সিটির তালিকায় ঢাকাকেও অন্তভূক্ত করেছে। সিংগাপুরের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বিশ্বের জন্য মডেল আর সেখানেই কিনা ডেঙ্গুর প্রকোপ বাংলাদেশের চেয়েও বেশি। তাহলে বোঝা যায় অন্যান্য আরো অনেক কিছুই ডেঙ্গুর প্রকোপের পিছনে কাজ করে। এডিস মশা নিধনের জন্য ঔষধ ছিটালেই যে সব সমাধান হয়ে যাবে এমনটা ভাবা ঠিক হবে না। মাহাথির মোহাম্মদের দেশ মালয়েশিয়াতেও এডিশ মশা নিধনের জন্য ঔষধ কম ছিটানো হয়নি অথচ সেখানেও চলতি বছর ০.১৯% ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে অর্থাৎ বাংলাদেশের চেয়ে ০.১৮% বেশি। ইহাছাড়া যথাক্রমে কম্বোডিয়ায় ০.০২%, ফিলিপাইনে ০.০৯%, ভিয়েতনামে ০.০৮%, লাওসে ০.১১% এবং নিউ কেলিডোনিয়ায় ১.৩৩% ডেঙ্গুর আক্রমন ঘটেছে। থাইল্যান্ডে (মোট জনসংখ্যা ৬ কোটি প্লাস) চলতি বছরে লাখো মানুষ আক্রান্ত হয়েছে , মৃত্যু হয়েছে শতাধিক। বাংলাদেশে (মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি প্লাস) এ যাবত আনুমানিক ৩০০০০ আক্রান্ত হয়েছে , মৃত্যু হয়েছে ৫০-৬০ জনের। মালয়েশিয়ায় ( মোট জনসংখ্যা ৩ কোটি প্লাস) লাখো মানুষ আক্রান্ত , মৃত্যু হয়েছে প্রায় একশো জনের, ফিলিপাইনে (মোট জনসংখ্যা ১০ কোটি প্লাস) কয়েক লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে , মৃত্যু হয়েছে চার শতাধিক মানুষের।

বর্ণিত দেশগুলোতে দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ জনগণ কেউ কাউকে দোষারুপ করছে না বা কেউ নিজের দায়িত্ব পালন না করে অন্যের ঘাড়ে দায়িত্ব চাপানোর চেষ্টা করছে না, বরং সবাই একত্রে প্রত্যেকের অবস্থান থেকে দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলা করে চলেছে, দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের এখানে চলছে দায়িত্ব এড়ানোর তুমুল প্রতিযোগিতা, চলছে একে অন্যকে নসিহত করার পাল্টাপাল্টি হীনমন্যতা অথচ নিজের কি করা উচিৎ বা নিজে ডেঙ্গু মোকাবেলা করার জন্য কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে তার খতিয়ান না দিয়ে অন্যের কাজের তহবিল ঘেটে বেড়াচ্ছে। এরচেয়ে দূর্ভাগ্যজনক আর কি হতে পারে।

অভিযোগ উঠেছে ঢাকার মশার ঔষধ অকার্যকরী তাই কাজ হয়নি, মশাও মরেনি; তাই ঝাকে ঝাকে এডিশ মশা মানুষকে কামড় দিয়েছে আর তাই ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সিংগাপুরের মশার ঔষধ নিশ্চয়ই কার্যকরী ছিল, সেখানে ন্যায্যভাবে মশার ঔষধ ছিটানো হয়েছে এটিও নিশ্চিত, তাহলে সেখানে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাংলাদেশের চেয়ে বেশি হলো কি করে? পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন জাতের এডিশ মশা রয়েছে, তাদের আচার আচরণ, ডিম দেয়ার প্রয়োজনে এডিশ মশা মানুষের রক্ত সংগ্রহ করবে নাকি পশুর রক্ত সংগ্রহ করবে সে পার্থক্য, অ-প্রতিকূল পরিবেশে মশার বংশ বিস্তারের স্থান পরিবর্তনের কৌশল অবলম্বন, এডিশ মশার আচার আচরণ যেমন রক্ত সংগ্রহের সময়ানুবর্তিতা পরিবর্তন ইত্যাদি বিভিন্ন কারন থাকতে পারে। বাংলাদেশও সেই ব্যতিক্রমের উর্ধে নয়। বাতাসের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এর নিচে চলে গেলে এডিশ মশার কামড়ানোর মাত্রা অনেক কমে যায়। যে জন্য শীতকালে অর্থাৎ নভেম্বর হতে পরবর্তী বছরের ফেব্রয়ারী মাস পর্যন্ত এডিশ মশার কামড়ের মাত্রা অনেক কমে যায়। যে জন্য উক্ত সময়ে ডেঙ্গুর আক্রমনও অনেক কমে যায়। প্রতি বছর মে হতে অক্টোবর মাসে ডেঙ্গুর আক্রমন ঘটে থাকে এবং জুলাই হতে সেপ্টেম্বর উক্ত ৩ মাসে ডেঙ্গুর আক্রমন সবচেয়ে বেশি ঘটে। কেন না বাতাসের তাপমাত্রা ও আদ্রতা উক্ত ৩ মাসে সবচেয়ে বেশি থাকে।

মশা নিধনের ঔষধ বেশি বেশি প্রয়োগ করলেও তার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। মশার সাথে সাথে পরিবেশের জন্য উপকারী অন্যান্য কীট-পতঙ্গও ধ্বংস হয়ে যাবে। এত পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হবে। সে জন্য বিজ্ঞানীরা মশার বংশ বিস্তারের স্থান নির্মুলের পরামর্শ দেন, ইহাতে পরিবেশের কোন ক্ষতি হয় না। কিন্তু অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকা শহরে বিল্ডিং ও স্থাপনাগুলোা আরো বেশি ঘনত্বপূর্ণ। এসবের ভিতরে এডিশ মশার লক্ষকোটি বংশ বিস্তারের স্থান লুকিয়ে আছে যা নাগালের বাইরে যেগুলো নির্মুল করা আসলেই দূরহ। কিছু কিছু মশক নিধন ঔষধ প্রয়োগের পর পরিবেশ এর ভিতরে স্থায়ী আসন করে নেয়। যেমন ডিডিটি প্রাণীকুলের জীবন চক্রে ঢুকে যায় এবং বংশানুক্রমিকভাবে প্রাণীকুলের ভিতরে ডিডিটি এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে যাকে বলা হয় বায়োমেগনিফিকেশান। যে কারণে কিট-পতঙ্গ দমনে অত্যন্ত কার্যকরী ঔষধ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডিডিটি এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে, তবে বিশেষ অপরিহার্য্য কারনে তাদের অনুমতি সাপেক্ষে ইহা ব্যবহার করা যেতে পারে। রোগ জীবানু নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নিজ থেকে অ্যান্টিবায়োটিক অকেজোকারী পদার্থ তৈরি করে। ঠিক তেমনি মশাও নিজেদের রক্ষার জন্য নিজ থেকেই এক ধরনের পদার্থ তৈরি করে যা কীটনাশককে অকেজো করে দেয়। যেমন এসিআই এর স্প্রে এখন আর তেমন কাজ করছে না। যে কারণে অনেক কীটনাশক এখন অকার্যকরী হয়ে পড়েছে।

দৃশ্যমান এবং নাগালের ভিতরের বংশবিস্তারের স্থান ধ্বংশ করা সহজ। তবে অ-প্রতিকুল অবস্থায় নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মশা কৌশল পাল্টিয়ে ফেলে, এখন এডিশ মশা গাছ এমনকি নারিকেল গাছ, তাল গাছের ভিতরে জমে থাকা পানিতে বংশ বিস্তার করে। বার্ড ফ্লু ঠেকানোর জন্য মিলিয়ন বিলিয়ন মুরগী নিধন করা হয় , তা পরিবেশ এর ভারসাম্য ক্ষতি করে না, কিন্তু গাছ-পালা নিধন তো সম্ভব নয় ,ইহাতে পরিবেশ এর ভারসাম্য নষ্ট হবে। বংশ বিস্তারের জন্য এডিশ মশার সবচেয়ে পছন্দের দুটি জায়গা হলো যথাক্রমে ডাবের খোসা ও টায়ারের মধ্যে জমে থাকা পানি। এদিক বিবেচনায় ঢাকা শহরের হাজারো ডাব বিক্রেতা ও হাজারো ওয়ার্কশপ কর্মীদেরকে স্বাস্থ্য শিক্ষা জ্ঞ্যানদান করা যেতে পারে।

সংক্রামক ব্যাধির সবচেয়ে কার্যকরী পথ হলো ভেকসিন। যেমন ভেকসিন দ্বারা সারা পৃথিবী থেকে গুটি বসন্ত নির্মুল করা হয়েছে। ম্যালেরিয়ায় প্রতি বৎসর প্রায় ৫ লাখ মানষ মৃত্যুবরণ করে, যার শতকরা নব্বই ভাগের অধিক আফ্রিকার মানুষ। ১৮৯৭ সালে রোনাল্ড রস ম্যালেরিয়ার জীবন চক্র আবিস্কার করে, গত ১২২ বছরেও বিজ্ঞানীরা ম্যালেরিয়ার কার্যকরী ভেকসিন আবিস্কার করতে পারছে না। এইডস এর কার্যকরী ভেকসিন আবিস্কারও সম্ভব হচ্ছে না, যদিও পৃথিবীতে প্রতি বৎসর প্রায় আট লাখ মানুষ এইডসে মৃত্যুবরণ করে। ডেঙ্গুর কার্যকরী ভেকসিনও আবিস্কার সম্ভব হচ্ছে না। অদূর ভবিষ্যতে আবিস্কার হবে তার সম্ভবনাও কম। যদিও পরীক্ষামুলকভাবে ডেঙ্গু ভেকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে কিন্তু তার কার্যকারিতা হতাশাজনক। ট্যাকনিক্যাল কারণ অর্থাৎ ম্যালেরিয় , এইডস ও ডেঙ্গু উক্ত তিনটি জীবানু থেকে ভেকসিন তৈরির উপাদান বের বরা সম্ভব হচ্ছে না, যে জন্য ভেকসিন তৈরি করা যাচ্ছে না। তবে ম্যালেরিয়া ও এইডস নিয়েই মানুষ বসবাস করছে এবং আগামীতে ডেঙ্গু নিয়েও মানুষ বসবাস করবে। জাতীয় দুর্যোগের সময় দেশপ্রেমের প্রমাণ পাওয়া যায় অথচ আমরা অনেকেই নিজেরা কিছু না করে অন্যদেরকে উপদেশ দিয়ে চলেছি, অন্যদরেকে আসামি করে চলেছি। জাতীয় দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের প্রয়াস চালাচ্ছি কিন্তু জনগণ তো এখন সব বোঝে। উপদেশ আর নসিহতের পিছনে যে সময় ব্যয় করা হয়েছে সে সময়টুকু ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে ব্যয় করলে ঢাকাবাসীর অনেক লাভ হতো।

উল্লেখিত ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশে ডেঙ্গুর আক্রমন সবচেয়ে কম। তবে ইহাতে আত্মতুষ্টির কোন সুযোগ নেই। যেহেতু ডেঙ্গুর কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে কাজেই একে প্রতিরোধ করতে হবে। প্লেগ এর কথা মানুষ ভুলে গেছে। জল বসন্ত নির্মূল হয়ে গিয়েছে, পোলিও নির্মূল হওয়ার পথে। কলেরা মহামারী বিলুপ্তপ্রায়। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় ১৯১৮-১৯১৯ সালে ফ্লো মহামারীতে বিশ্বে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গত ১০০ বৎসরে ফ্লো ভাইরাস বহুবার তাদের বিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা করেছে কিন্তু মানুষের সতর্কতার কাছে পরাজয় বরণ করেছে, বিশ্বমহামারী আর ঘটাতে সক্ষম হয়নি।

জীবানুরা মহামারী আকারে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে থাকে কিন্তু পরিশেষে মানুষই জয়লাভ করে থাকে। তবে প্রতিটি যুদ্ধের পূর্বে মানুষ যেমন প্রস্তুতি গ্রহন করে থাকে তেমনি জীবাণুরাও মহামারী ঘটানোর পূর্বে প্রস্তুতি গ্রহণ করে থাকে এবং জীবানুদের সেই প্রস্তুতি পর্বকে সময়মত সনাক্ত করতে পারলে সময় উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহন করা যায়। ডেঙ্গু এবার বড় ধরনের আক্রমন করেছে বিশেষ করে ঢাকায়। ব্যাপক আক্রমনের আগে ডেঙ্গু ভাইরাসের অবশ্যই প্রস্তুতি পর্ব ছিল। কিন্তু সেই প্রস্তুতি পর্ব সময়মত সনাক্ত করতে ও তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তিরা কতটুকু সচেষ্ট ছিলেন সেটা বিশ্লেষণ করে দেখা যেতে পারে।

অনেক রোগেরই ভৌগলিক সীমারেখা থাকে যেমন পার্বত্য চট্রগ্রামে ম্যালেরিয়া কিন্তু ঢাকায় ম্যালেরিয়া নেই। ইয়োলো ফিভার আফ্রিকায় রয়েছে কিন্ত বাংলাদেশ, ভারত বা চীনে নেই। তবে অদূর ভবিষ্যতে ইয়োলো ফিভার যে বাংলাদেশে আসবে না তার কোন নিশ্চয়তা নেই কেন না আফ্রিকার ইয়োলো ফিভার আক্রান্ত দেশের লোকেরা হরহামেশা বাংলাদেশে যাতায়াত করে চলেছেন। ডেঙ্গু এক সময় ঢাকায় সীমাবদ্ধ ছিল কিন্তু এখন সারাদেশে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটে চলেছে।

দেশে অনেক রাজনৈতিক দল রয়েছে, প্রত্যেক দলেরই অসংখ্য কর্মীবাহিনী রয়েছে অনেক দলের পাড়া মহল্লা পর্যন্ত কর্মী বাহিনী রয়েছে। তারা তাদের লোকজনদেরকে নির্দেশ দিতে পারেন যাতে প্রতিটি গ্রামে/মহল্লায় তারা যেন এডিস মশার বংশ বিস্তারের স্থানগুলো নির্মূল করেন। পারস্পরিক দোষারোপের প্রতিযেগিতা না করে বরং এডিশ মশার বংশ বিস্তার বিনাশের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে কেউ বাঁধা দিবে না, বরং কোন দল বা গোষ্ঠি বা গ্রুপ কতটা এলাকায় এডিশ মশার বংশ বিস্তারের স্থান ধ্বংস করলো তার খতিয়ান দেখে জনগণ তাদের মূল্যায়ন ঠিকই করবে। ইহাই হলো জনসমক্ষে দেশ প্রেমের নজির স্থাপন করা উত্তম উপায়। মনে রাখতে হবে বংশ বিস্তার বিনাশ পদ্ধতি পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি, বিজ্ঞান সম্মত পদ্ধতি, ভেকসিনের পরই সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি। কেননা বংশ বিস্তার নেই তো এডিশ মশাও নেই, আর এডিশ মশা নেইতো তার কামড়ও নেই, আর ডেঙ্গুও নেই।

মাত্র একদিন উক্ত অভিযান পরিচালনা করলে দেশের সকল শহরের ডেঙ্গুর উৎস ¯হল ধ্বংস করা সম্ভব বলে মনে করি। সেটাই হবে দেশপ্রেমের উজ্জ¦ল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। ডেঙ্গুও এক সময় মানুষের জীবনের অংশ হয়ে যাবে এবং মানুষ জয়লাভ করবে। ভয়ের কিছু নেই। দোষারোপের কিছু নেই, রাজনীতিরও কিছু নেই।

লেখক : অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া, কমিউনিটি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, পরিচালক বিআইএইচএস জেনারেল হাসপাতাল (বারডেম এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান) ও সাবেক পরিচালক প্রশাসন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।

খেলার উন্মাদনায় "মেসার্স আলম ফার্মেসী "এ কর্মরত  সবাই
21/06/2018

খেলার উন্মাদনায় "মেসার্স আলম ফার্মেসী "
এ কর্মরত সবাই

★স্বাস্থ্য বিষয়ক কয়েকটি টিপস জেনে রাখা ভালো★• সর্বদা বাম কানে ফোন রিসিভ করুন।• ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঔষধ খাবেন না ।• বিকেল ৫ট...
23/09/2017

★স্বাস্থ্য বিষয়ক কয়েকটি টিপস জেনে রাখা ভালো★

• সর্বদা বাম কানে ফোন রিসিভ করুন।

• ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঔষধ খাবেন না ।

• বিকেল ৫টার পর ভারী খাবার খাবেন না (বিশেষ করে দুপরের খাবার) ।

• পানি সকালে বেশি পান করুন,রাতে তুলনামূলক কম ।

• ঔষধ খাওয়ার সাথে সাথেই শুয়ে পড়বেন না।

• ফোনের ব্যাটারি যখন এক দাগ তখন ফোন রিসিভ না করাই ভালো, কারন তখন ফোনের রেডিয়শন ১০০০ গুন বেশি শক্তিশালী হয় !!

Address

LSD Road Debiganj
Panchagarh
5020

Opening Hours

Monday 08:00 - 12:00
Tuesday 08:00 - 12:00
Wednesday 08:00 - 12:00
Thursday 08:00 - 12:00
Friday 08:00 - 12:00
Saturday 08:00 - 12:00
Sunday 08:00 - 12:00

Telephone

01720264554

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M/S Alam Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram