Cancer Specialist Dr. Md. Tousifur Rahman

Cancer Specialist Dr. Md. Tousifur Rahman FRIEND OF CANCER PATIENTS
DREAM A BETTER WORLD FOR CANCER PATIENTS
Cancer Answer Hotline for What's App Message: +8801521258664
App.

ক্যান্সারযোদ্ধাদের একটা সাধারণ প্রশ্ন থাকে কি খাবো কি খাবো না? তাদের কথা মাথায় রেখেই কষ্ট করে লেখাটি লেখলাম। দয়া করে সবা...
30/04/2026

ক্যান্সারযোদ্ধাদের একটা সাধারণ প্রশ্ন থাকে কি খাবো কি খাবো না? তাদের কথা মাথায় রেখেই কষ্ট করে লেখাটি লেখলাম।
দয়া করে সবাই পড়বেন। প্রাত্যহিক জীবনে মেনে চললে উপকার পাবেন আশা করি।

#ক্যান্সার_রোগীর_খাদ্যতালিকাঃ
ক্যান্সার রোগীদের খাবার তালিকা মূলত তাদের শরীরের শক্তি বজায় রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং চিকিৎসার (যেমন কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সামলানোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা উচিত।
​ #প্রয়োজনীয়_খাদ্য_উপাদানসমূহঃ

১। ​প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: টিস্যু মেরামত ও পেশি ক্ষয় রোধ করতে প্রোটিন খুব জরুরি।
​মাছ, মুরগির মাংস এবং ডিম।
​ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি ও বাদাম।
​দুগ্ধজাত খাবার যেমন—পনির বা ছানা (যদি হজমে সমস্যা না থাকে)।

২। ​শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট: শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে এগুলো গ্রহণ করা উচিত।
​লাল চালের ভাত, ওটস বা লাল আটার রুটি।
​মিষ্টি আলু বা সাধারণ আলু।

৩। ​ফল ও সবজি: ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জন্য প্রতিদিন রঙিন ফল ও সবজি রাখা উচিত।
পেঁপে, গাজর, পালং শাক, ব্রোকলি এবং লাউ।
​ভিটামিন-সি যুক্ত ফল যেমন—লেবু, কমলা বা পেয়ারা।

#খাবার_প্রস্তুতকরনঃ

টাটকা খাবার (সবজি, মাছ,মাংস) ভালোভাবে ধুয়ে নিবেন> তারপর বড় বড় পিস করে কাটবেন> ৭০থেকে ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ভালোভাবে সিদ্ধ করে জীবাণুমুক্ত করে খাবেন> খাবার রান্না করার পর ২ ঘন্টার মধ্যে খেয়ে নিবেন।>রান্না করা খাবার ফ্রিজে রেখে বা বার বার জ্বাল দিয়ে খাবেন না।
যাদের রক্তে লবনের পরিমান কমে যায় তারা একটু বেশি লবন দিয়ে রান্না করতে পারেন।

(উপায় না থাকলে ফ্রিজের কাচা মাছ, মাংস, সবজি রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। খাবারে যথাসম্ভব কম তেল ও মসলা ব্যবহার করলে ভালো হয়। তবে রুচিকর করে তোলার জন্য ক্যান্সার রোগীর পছন্দ ও শারীরিক কন্ডিশন অনুযায়ী কিছু পরিবর্তন করা যেতে পারে।)

#বমিভাব_ও_অরুচিতে_কিভাবে_খাবেনঃ

১।​ অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া:
একসাথে অনেক বেশি না খেয়ে সারাদিনে ৫-৬ বার অল্প করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ভালো। এতে হজমে সুবিধা হয় এবং দুর্বলতা কম লাগে।

২।​ তরল খাবার:
শরীর হাইড্রেটেড রাখতে পর্যাপ্ত পানি, ডাবের পানি, তাজা ফলের রস বা স্যুপ পান করা উচিত।

৩।​ খাবারের স্বাদ ও গন্ধ:
চিকিৎসার কারণে অনেক সময় খাবারের স্বাদ তেতো লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে খাবারে সামান্য লেবুর রস বা মশলা (যেমন আদা বা এলাচ) মিশিয়ে রুচি বাড়ানো যেতে পারে।
দুধ খেতে না ইচ্ছে করলে পুডিং বানিয়ে খান।

#পানি_কতটুকু_খাবেন?

​একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মতো ক্যান্সার রোগীদেরও সাধারণত দৈনিক ২ থেকে ৩ লিটার (প্রায় ৮-১২ গ্লাস) তরল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে যদি বমি বা ডায়রিয়া থাকে, তবে এই পরিমাণ আরও বাড়াতে হতে পারে। তাছাড়া পানিশূন্যতা, গরম আবহাওয়া, কেমোথেরাপি, রেডিও থেরাপি চলাকালীন বেশি পানি খাওয়া দরকার হতে পারে। যতক্ষণ তৃষ্ণা থাকে ততক্ষণ পানি খাবেন, তাতে কোনো সমস্যা নেই।

#খেতে_মানাঃ
​অর্ধসেদ্ধ বা কাঁচা মাছ-মাংস ও ডিম (সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে), সালাদ।
​অতিরিক্ত ঝাল, চর্বিযুক্ত বা বাইরের ভাজাপোড়া খাবার।
​অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় বা প্রসেসড ফুড।
বাসি খাবার
ফরমালিন যুক্ত ফলঃ বিশেষ করে আঙুর, আপেল।
অ্যালার্জি রয়েছে বা অন্য রোগের কারনে নিষেধ আছে সেই খাবার পরিহার করতে হবে।

#বিশেষ_সতর্কতাঃ

ক্যান্সারের ধরন এবং রোগীর বর্তমান শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে পুষ্টির চাহিদা ভিন্ন হয়। তাই কোনো নির্দিষ্ট ডায়েট চার্ট অনুসরণ করার আগে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
বিশেষ কোনো সমস্যা (যেমন—মুখের ঘা বা বমি ভাব) হচ্ছে যা খাবার গ্রহণে বাধা দিচ্ছে? মূলত লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে খাবারের ধরন পরিবর্তন করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান
এমবিবিএস, এমডি (অনকোলজি)
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট
টিএমএসএস ক্যান্সার সেন্টার, বগুড়া।
চেম্বারঃ ইবনে সিনা কন্সালটেশন সেন্টার,কানজগাড়ি, বগুড়া রুম ৬০৬ (শনিবার থেকে বুধবার বিকাল ৫.৩০ থেকে রাত ৮.৩০)
সনো কনসাল্টেসন সেন্টার ২
কলেজ মোড়, কুষ্টিয়া (প্রতি শুক্রবার সারাদিন)
যোগাযোগের জন্যঃ ০১৫২১২৫৮৬৬৪ (হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের জন্য)

কিভাবে বুঝবেন চিকিৎসায় আপনার কাজ হচ্ছে কি না?​ #ক্যান্সার_চিকিৎসার_ফলাফলঃ #ভালো_ফলাফলঃ​Complete Response (CR): পরীক্ষার ...
29/04/2026

কিভাবে বুঝবেন চিকিৎসায় আপনার কাজ হচ্ছে কি না?

​ #ক্যান্সার_চিকিৎসার_ফলাফলঃ

#ভালো_ফলাফলঃ
​Complete Response (CR): পরীক্ষার রিপোর্টে ক্যান্সারের কোনো চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায় না।
​Partial Response (PR): টিউমারের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে (সাধারণত ৩০% এর বেশি) কমেছে।
​Stable Disease (SD): ক্যান্সার বাড়ছে না আবার খুব একটা কমছেও না—একই অবস্থায় আছে।

#মন্দ_ফলাফলঃ
​Progressive Disease (PD): ক্যান্সার আগের চেয়ে বেড়েছে বা ছড়িয়ে পড়েছে।
একমাত্র Progressive Disease ছাড়া অন্য সবগুলোই চিকিৎসার মাধ্যমে ইতিবাচক কাজ হচ্ছে বলে ধরা হয়।

#পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ
অনেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সাথে চিকিৎসার ফলাফলকে গুলিয়ে ফেলেন।
কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়া মানে এই নয় যে চিকিৎসা কাজ করছে না। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মূলত সুস্থ কোষের ওপর ওষুধের প্রভাব, যা ক্যান্সারের চিকিৎসায় কাজ করার সাথে সম্পর্কিত নয়।

জনসচেতনতায়
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান

আমরা অনেকেই মনে করি ক্যান্সার মানেই মৃত্যু। ক্যান্সার একটি  #দীর্ঘমেয়াদি_অসংক্রামক_রোগ। এই জাতীয় অন্যান্য অসংক্রামক রোগে...
28/04/2026

আমরা অনেকেই মনে করি ক্যান্সার মানেই মৃত্যু।

ক্যান্সার একটি #দীর্ঘমেয়াদি_অসংক্রামক_রোগ। এই জাতীয় অন্যান্য অসংক্রামক রোগের মধ্যে ক্যান্সার মৃত্যু তালিকার নিচের দিকে অবস্থান করছে।
তাদের উদ্দেশ্য আজকের লেখা।

আসুন জেনে নেই অসংক্রামক রোগের মধ্যে
#বিশ্বব্যাপী_মৃত্যুর_প্রধান_কারনসমূহঃ

​বর্তমানে বিশ্বের মোট মৃত্যুর প্রায় ৭০% এরও বেশি ঘটে দীর্ঘমেয়াদী এবং অসংক্রামক রোগের কারণে।

১। ​ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ (Ischaemic Heart Disease):
এটি বিশ্বের এক নম্বর ঘাতক। হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে ব্লকের কারণে এই সমস্যা হয়, যা বিশ্বজুড়ে মোট মৃত্যুর প্রায় ১৩% এর জন্য দায়ী।
২। ​স্ট্রোক (Stroke):
মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটার ফলে স্ট্রোক হয়, যা মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ।
৩।​ দীর্ঘস্থায়ী অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD):
ফুসফুসের এই রোগটি মূলত তামাক সেবন এবং বায়ু দূষণের কারণে হয়ে থাকে।
৪।​ক্যান্সার:
বিশেষ করে ফুসফুস, শ্বাসনালী এবং ব্রঙ্কাসের ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর একটি বড় কারণ।
৫। ​ডায়াবেটিস:
গত কয়েক দশকে ডায়াবেটিসের কারণে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
৬। ​অ্যালঝেইমার ও ডিমেনশিয়া:
উন্নত দেশগুলোতে এই রোগটি মৃত্যুর শীর্ষ তালিকার ওপরের দিকে রয়েছে।

জনসচেতনতায়
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান

🦋 থাইরয়েড ক্যান্সারের সাধারণ ধারণা ও উচ্চ ঝুঁকির কারণসমূহ(Thyroid Cancer: Basic ধারণা & High-Risk Factors)📅 তারিখ: ২৮ এ...
28/04/2026

🦋 থাইরয়েড ক্যান্সারের সাধারণ ধারণা ও উচ্চ ঝুঁকির কারণসমূহ
(Thyroid Cancer: Basic ধারণা & High-Risk Factors)

📅 তারিখ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সচেতনতা বৃদ্ধি ও সঠিক চিকিৎসা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আজকের দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় আমার এই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে।

🔎 থাইরয়েড ক্যান্সার কী?
⚠️ কারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন?
🧬 পারিবারিক ইতিহাস, রেডিয়েশন এক্সপোজার ও অন্যান্য ঝুঁকির কারণ
⏳ সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসার গুরুত্ব

নিজে জানুন, পরিবারকে জানাতে শেয়ার করুন — সচেতনতাই হতে পারে জীবনের সুরক্ষা।





অনেক সাধারন মানুষ প্রশ্ন করেন, ক্যান্সার কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়? তাদের উদ্দেশ্যই আজকের লেখা।আশা করি আপনারা  #সচেতন হতে ...
27/04/2026

অনেক সাধারন মানুষ প্রশ্ন করেন, ক্যান্সার কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়?
তাদের উদ্দেশ্যই আজকের লেখা।
আশা করি আপনারা #সচেতন হতে পারবেন।

#ক্যান্সার_প্রতিরোধের_উপায়ঃ

ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, তবে জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এবং সচেতনতা ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত কার্যকর:

#জীবন_যাপনঃ

১। ​তামাক বর্জন:
ফুসফুস, মুখগহ্বর এবং গলার ক্যান্সারসহ প্রায় অনেক ধরনের ক্যান্সারের প্রধান কারণ হলো ধূমপান এবং জর্দা বা তামাক জাতীয় পণ্যের ব্যবহার। এটি সম্পূর্ণ পরিহার করা সবচেয়ে জরুরি।
২। ​পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস:
প্রচুর পরিমাণে ফলমূল, শাকসবজি এবং আঁশযুক্ত খাবার ডায়েটে রাখুন। অন্যদিকে, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, প্রক্রিয়াজাত মাংস (Processed meat) এবং অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলা ভালো।
৩। ​ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম:
শরীরের অতিরিক্ত ওজন অনেক ক্ষেত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।
৪। ​পরিবেশ ও সুরক্ষা:
​সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সাবধান: দীর্ঘক্ষণ কড়া রোদে থাকলে ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। বাইরে বের হওয়ার সময় ছাতা বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা নিরাপদ।
​রাসায়নিক ও দূষণ: শিল্পকারখানার ক্ষতিকর রাসায়নিক বা আর্সেনিকযুক্ত পানি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।

#চিকিৎসা_ও_সচেতনতাঃ

১। ​টিকা গ্রহণ:
কিছু ক্যান্সার ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। যেমন—জরায়ু মুখের ক্যান্সারের জন্য HPV ভ্যাকসিন এবং লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে হেপাটাইটিস-বি এর টিকা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২। ​নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Screening):
অনেক ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে দ্রুত নিরাময় সম্ভব। তাই নির্দিষ্ট বয়সের পর নিয়মিত স্ক্রিনিং করানো উচিত।
৩। ​মদ্যপান বর্জন:
অ্যালকোহল সেবন লিভার, স্তন এবং কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
৪। ​সতর্কতা:
যদি শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক চাকা, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, তিল বা আঁচিলের আকস্মিক পরিবর্তন কিংবা মল-মূত্র ত্যাগের অভ্যাসে বড় কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেন, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান
এমবিবিএস, এমডি (অনকোলজি)
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট
টিএমএসএস ক্যান্সার সেন্টার, বগুড়া।
চেম্বারঃ ইবনে সিনা কন্সালটেশন সেন্টার,কানজগাড়ি, বগুড়া রুম ৬০৬ (শনিবার থেকে বুধবার বিকাল ৫.৩০ থেকে রাত ৮.৩০)
সনো কনসাল্টেসন সেন্টার ২
কলেজ মোড়, কুষ্টিয়া (প্রতি শুক্রবার সারাদিন)
যোগাযোগের জন্যঃ ০১৫২১২৫৮৬৬৪ (হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের জন্য)

বেশিরভাগ ক্যান্সার যোদ্ধা একসময় ক্লান্ত ও একাকীত্ব বোধ করেন, হতাশ ও বিষন্নতা মনের উপরে জেকে বসে। তাদের কথা মাথায় রেখেই এ...
26/04/2026

বেশিরভাগ ক্যান্সার যোদ্ধা একসময় ক্লান্ত ও একাকীত্ব বোধ করেন, হতাশ ও বিষন্নতা মনের উপরে জেকে বসে। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই সাপোর্ট গ্রুপটি তৈরী করা হয়েছে।একজন ক্যান্সার চিকিৎসক হিসাবে আমি এর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেছি।

আশাকরি এই গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকলে ক্যান্সার যোদ্ধারা উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।

আসুন জেনে নেই
#ক্যান্সার_চিকিৎসায়_সাপোর্ট_গ্রুপের_ভূমিকাঃ

​১. মানসিক ও আবেগীয় প্রশান্তি
​ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার পর রোগী অনেক সময় একা বোধ করেন। সাপোর্ট গ্রুপে এমন ব্যক্তিদের সাথে কথা বলার সুযোগ হয় যারা একই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এটি রোগীকে বোঝায় যে তিনি একা নন। ভয়, উদ্বেগ এবং বিষণ্ণতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়।
​২. বাস্তব অভিজ্ঞতা ও তথ্য আদান-প্রদান
​চিকিৎসকরা সাধারণত চিকিৎসাবিদ্যা সংক্রান্ত তথ্য দেন, কিন্তু সাপোর্ট গ্রুপের সদস্যরা দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দিতে পারেন। যেমন:
​কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কীভাবে সামলানো যায়।
​চিকিৎসার ক্লান্তি কাটাতে কী ধরনের খাবার বা জীবনযাপন সহায়ক।
​ভালো চিকিৎসক বা হাসপাতালের খোঁজখবর।
​৩. আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বৃদ্ধি
​গ্রুপের অনেক সদস্য আছেন যারা সফলভাবে ক্যান্সার জয় করেছেন (Survivors)। তাদের সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প নতুন রোগীদের মনে আশা জাগায় এবং চিকিৎসার প্রতি তাদের মনোবল দৃঢ় করে।
​৪. সামাজিক যোগাযোগ পুনর্গঠন
​দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার কারণে অনেক রোগী সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। সাপোর্ট গ্রুপ একটি নতুন সামাজিক পরিমণ্ডল তৈরি করে, যেখানে কোনো জড়তা ছাড়াই মন খুলে কথা বলা যায়। এটি রোগীর একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য করে।

৫. ​চিকিৎসকের পরামর্শ:
সাপোর্ট গ্রুপ থেকে পাওয়া কোনো স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরামর্শ সরাসরি নিজের ওপর প্রয়োগ না করে আগে আপনার অনকোলজিস্টের (Oncologist) সাথে কথা বলে নিন।
​ক্যান্সার চিকিৎসায় ওষুধের পাশাপাশি মানসিক শক্তি একটি বড় হাতিয়ার, আর সাপোর্ট গ্রুপ সেই শক্তি যোগাতে অভাবনীয় ভূমিকা রাখে।

জনসচেতনতায়
ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান
এমবিবিএস, এমডি (অনকোলজি)
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট
টিএমএসএস ক্যান্সার সেন্টার, বগুড়া।
চেম্বারঃ ইবনে সিনা কন্সালটেশন সেন্টার,কানজগাড়ি, বগুড়া রুম ৬০৬ (শনিবার থেকে বুধবার বিকাল ৫.৩০ থেকে রাত ৮.৩০)
সনো কনসাল্টেসন সেন্টার ২
কলেজ মোড়, কুষ্টিয়া (প্রতি শুক্রবার সারাদিন)
যোগাযোগের জন্যঃ ০১৫২১২৫৮৬৬৪ (হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের জন্য)

 #দেশেই_ক্যান্সার_জয়ের_৩৭_বছরঃআমেনা আপা (ছদ্মনাম) (৮০ বছর) #জরায়ু_মুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১৯৮৯ সালে। তারপর দেশেই  #সর...
25/04/2026

#দেশেই_ক্যান্সার_জয়ের_৩৭_বছরঃ

আমেনা আপা (ছদ্মনাম) (৮০ বছর)
#জরায়ু_মুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১৯৮৯ সালে। তারপর দেশেই #সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করেন। তখন সার্জারী ও রেডিওথেরাপির সাহায্যে চিকিৎসা করা হয়।
তারপর ২০২৩ সালে লোকাল রিকারেন্স হলে আমাকে দেখান। আবার রেডিও থেরাপি দেওয়া হয়।
ক্যান্সারের চিকিৎসা তৎকালীন সময়ে এতো উন্নত ছিলো না। তাছাড়া অনেক ব্যায়বহুল চিকিৎসাও ছিলো না সেটা।

তারপরও দ্রুত যথাযথ চিকিৎসা নিয়ে ফেলার কারনে আল্লাহর রহমতে তিনি ক্যান্সার মুক্ত হয়েছিলেন।

আলহামদুলিল্লাহ।
তিনি আমাদের জন্য জীবন্ত উদাহরণ ও অনুপ্রেরণা

দেশেই ক্যান্সার চিকিৎসার সাফলে্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আসুন ক্যান্সারকে ভয় না পেয়ে আমরা আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে দ্রুত ও যথাযথ চিকিৎসা করি।
হতাশ না হয়ে আশাবাদী থাকি।
আল্লাহ তায়ালা চাইলে আমরাও ক্যান্সারকে হারাতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

জনসচেতনতায়
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান

 #কন্ঠশিল্পীর_ক্যান্সার_জয়ের_১৯_বছরঃ২০০৭ সালে যখন তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন সেই খবরটি সারা দেশের সংগীতপ্রেমীদের স...
25/04/2026

#কন্ঠশিল্পীর_ক্যান্সার_জয়ের_১৯_বছরঃ

২০০৭ সালে যখন তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন সেই খবরটি সারা দেশের সংগীতপ্রেমীদের স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
​তার এই লড়াইয়ের প্রধান ধাপগুলো ছিল নিম্নরূপঃ

​১. রোগ শনাক্তকরণ ও কঠিন সময়
​২০০৭ সালে সাবিনা ইয়াসমিনের শরীরে লিম্ফোমা ক্যান্সার শনাক্ত হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তার অগণিত ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। সেই সময়টি তার জীবনের অন্যতম কঠিন একটি অধ্যায় ছিল।

​২. শনাক্ত হবার পরই তিনি যথাযথভাবে চিকিৎসা গ্রহন করেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তাকে অসংখ্য কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি নিতে হয়েছিল, যা শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ছিল।

​৩. মনের জোর ও পরিবারের ভূমিকা
​সাবিনা ইয়াসমিন সবসময়ই একজন দৃঢ়চেতা মানুষ। চিকিৎসার সময় তিনি ভেঙে না পড়ে বরং সাহসের সাথে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছেন। তার পরিবারের সদস্য, বিশেষ করে মেয়ে বাঁধন এবং সংগীত জগতের সহকর্মীরা তাকে প্রতিনিয়ত সাহস জুগিয়েছেন। দেশের মানুষের দোয়াও তাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করেছিল।

​৪. সুস্থতা ও সংগীতে প্রত্যাবর্তন
​দীর্ঘ লড়াই শেষে ২০০৮ সালের দিকে তিনি ক্যান্সারমুক্ত হয়ে দেশে ফিরে আসেন। সুস্থ হওয়ার পর তিনি আবার মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ান এবং গান গাওয়া শুরু করেন। তার ফিরে আসাটা ছিল এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

​কেন তার গল্পটি গুরুত্বপূর্ণ?

১।​সচেতনতা: তিনি প্রমাণ করেছেন ক্যান্সার মানেই অবধারিত মৃত্যু নয়।
২।​সাহস: মরণব্যাধির সাথে লড়াই করার জন্য মানসিক শক্তি যে কতটা জরুরি, তা তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন।
৩।​অনুপ্রেরণা: বর্তমানে তিনি ক্যান্সার সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন এবং রোগীদের সাহস দেন।
​সব বাধা পেরিয়ে আজও তিনি তার সুমধুর কণ্ঠ দিয়ে বাংলা গানের জগতকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন। তার এই জয় আমাদের শেখায় যে, ইচ্ছাশক্তি এবং সঠিক চিকিৎসা থাকলে যেকোনো অন্ধকার কাটিয়ে আলোতে ফেরা সম্ভব।

#সাবিনা_ইয়াসমিনের ক্যান্সার জয়ের গল্পটি কেবল একজন শিল্পীর সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প নয়, বরং এটি হাজারো মানুষের জন্য এক অদম্য সাহসের প্রতীক।

আলহামদুলিল্লাহ।

জনসচেতনতায়
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান

আজকের যুগান্তর পত্রিকার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ সংখ্যায় মুখগহ্বর (Oral) ক্যান্সার সচেতনতা নিয়ে আমার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। 📰মুখে...
25/04/2026

আজকের যুগান্তর পত্রিকার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ সংখ্যায় মুখগহ্বর (Oral) ক্যান্সার সচেতনতা নিয়ে আমার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। 📰

মুখে দীর্ঘদিনের ঘা, অস্বাভাবিক সাদা বা লাল দাগ, গিলতে কষ্ট, অকারণ ব্যথা বা ফোলা—এ ধরনের উপসর্গ অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে মুখগহ্বর ক্যান্সার নিরাময়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি।
সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন—
কারণ সতর্কতায়ই মেলে মুক্তি।

#মুখগহ্বর_ক্যান্সার




#সচেতনতা

24/04/2026
24/04/2026

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে অনেক রোগী চিকিৎসা করতে দেরি করেন।
তাদের জন্য ক্যান্সার আন্সার লাইভ আজ রাত ১০ টায়
বিষয়ঃ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
প্রিয় ক্যান্সার যোদ্ধাবৃন্দ আপনাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো বলুন।

 #কর্মজীবী_ক্যান্সারযোদ্ধাদের_করনীয়ঃএকজন কর্মজীবী ক্যান্সার রোগীর জন্য শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রের...
24/04/2026

#কর্মজীবী_ক্যান্সারযোদ্ধাদের_করনীয়ঃ

একজন কর্মজীবী ক্যান্সার রোগীর জন্য শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রের ভারসাম্য রক্ষা করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে সঠিক পরিকল্পনা এবং কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হলো:

১। ​চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ
​সবচেয়ে জরুরি হলো আপনার চিকিৎসকের সাথে খোলামেলা আলোচনা করা।
২। ​কাজের সক্ষমতা: আপনার বর্তমান শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী আপনি কতটুকু পরিশ্রম করতে পারবেন, তা চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিন।
৩। ​পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: চিকিৎসার (যেমন কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো কাজের ওপর কেমন প্রভাব ফেলতে পারে এবং তা নিয়ন্ত্রণের উপায় কী, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নিন।
৪। ​কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ
​লুকিয়ে না রেখে কর্মক্ষেত্রে সঠিক মাধ্যমে বিষয়টি জানানো সুবিধাজনক হতে পারে।
৫। ​কর্তৃপক্ষকে জানানো: আপনার এইচআর (HR) বা লাইন ম্যানেজারকে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান। এটি আপনাকে আইনি সুরক্ষা এবং বিশেষ সুবিধা পেতে সাহায্য করবে।
৬। ​নমনীয় কাজের সময় (Flexible Hours): সম্ভব হলে 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' বা নমনীয় কর্মঘণ্টার জন্য অনুরোধ করুন। বিশেষ করে থেরাপির দিনগুলোতে বা তার পরের কয়েকদিন বিশ্রামের প্রয়োজন হতে পারে।
​কাজের ধরণ পরিবর্তন
​শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে কাজের ধরনে কিছু সামঞ্জস্য আনুন।
৭। ​বিরতি নেওয়া: একটানা কাজ না করে মাঝে মাঝে ছোট ছোট বিরতি নিন।
৮। ​গুরুত্বপূর্ণ কাজ আগে করা: দিনের যে সময়টিতে আপনি সবচেয়ে বেশি শক্তি অনুভব করেন, সেই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ করার চেষ্টা করুন।
৯। ​সহকর্মীদের সহায়তা: বিশ্বাসযোগ্য সহকর্মীদের সাথে বিষয়টি শেয়ার করতে পারেন যাতে প্রয়োজনে তারা আপনাকে সাহায্য করতে পারে।
১০। ​নিজের যত্ন ও পুষ্টি
​সুস্থ থাকতে এবং ক্লান্তি দূর করতে শরীরের প্রতি বাড়তি নজর দিন।
১১। ​সুষম খাবার: পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। কর্মক্ষেত্রে সাথে করে ঘরে তৈরি হালকা নাস্তা ও পানি রাখুন।
১২। ​বিশ্রাম ও ঘুম: শরীরের কোষগুলো মেরামত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। রাতে দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস করুন।
১৩। ​মানসিক স্বাস্থ্য: ক্যান্সার একটি মানসিক যুদ্ধও বটে। প্রয়োজনে কাউন্সিলিং বা সাপোর্ট গ্রুপের সাহায্য নিন। ইতিবাচক চিন্তা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
১৪। ​আর্থিক ও আইনি প্রস্তুতি
​বীমা ও ছুটি: আপনার অফিসের মেডিকেল ইন্স্যুরেন্স বা বিমা সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার ছুটির (Sick Leave) নিয়মগুলো ভালোভাবে জেনে নিন।
১৫। ​নথিপত্র: চিকিৎসার যাবতীয় কাগজপত্র এবং ছুটির আবেদনগুলো গুছিয়ে রাখুন।

​মনে রাখবেন, ক্যান্সার মানেই জীবনের শেষ নয়। সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনযাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন এনে অনেকেই সফলভাবে তাদের পেশাগত জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজের শরীরের সীমাবদ্ধতাকে সম্মান করুন এবং প্রয়োজনে বিশ্রাম নিতে দ্বিধা করবেন না।

জনসচেতনতায়
ডাঃ মোঃ তৌছিফুর রহমান
এমবিবিএস, এমডি (অনকোলজি)
ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট
টিএমএসএস ক্যান্সার সেন্টার, বগুড়া।
চেম্বারঃ ইবনে সিনা কন্সালটেশন সেন্টার,কানজগাড়ি, বগুড়া রুম ৬০৬ (শনিবার থেকে বুধবার বিকাল ৫.৩০ থেকে রাত ৮.৩০)
সনো কনসাল্টেসন সেন্টার ২
কলেজ মোড়, কুষ্টিয়া (প্রতি শুক্রবার সারাদিন)
যোগাযোগের জন্যঃ ০১৫২১২৫৮৬৬৪ (হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের জন্য)

Address

Sherpur Road
Puran Bogra

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cancer Specialist Dr. Md. Tousifur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Cancer Specialist Dr. Md. Tousifur Rahman:

Share