Hakeem Ashraful Islam

Hakeem Ashraful Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hakeem Ashraful Islam, Naturopath, Shibganj, Bogura, Puran Bogra.

আমি হাকীম আশরাফুল ইসলাম এখানে বিভিন্ন ভেষজ, ফর্মুলা এবং রোগ ও চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে।
ইউটিউব চ্যানেল -
https://youtube.com/?si=f2VPuycK_4HTQo0e আসসালামু আলাইকুম।
আমি হাকীম মোঃ আশরাফুল ইসলাম। পেশায় আমি একজন প্রাকৃতিক ও ন্যাচারোপ্যাথিক (Natural & Naturopathic) চিকিৎসক। আমি দীর্ঘদিন ধরে প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগের জন্য কার্যকর ও নিরাপদ ওষুধ প্রস্তুত করে থাকি এবং রোগীদের পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি।

যারা প্রাকৃতিক ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা গ্রহণ করতে আগ্রহী, তারা অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ্‌ আপনার সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সাহায্য করতে পারবো।

যে দেশের খাদ্যে ভেজাল, শিক্ষায় ভেজাল, এমনকি ঔষধেও ভেজাল! 😓
04/02/2026

যে দেশের খাদ্যে ভেজাল, শিক্ষায় ভেজাল, এমনকি ঔষধেও ভেজাল! 😓

🌺 রোজেলা কী?রোজেলা একটি ভেষজ উদ্ভিদ। বৈজ্ঞানিক নাম Hibiscus sabdariffa।এটা জবা ফুলের পরিবারভুক্ত, তবে সাধারণ জবার থেকে আ...
26/01/2026

🌺 রোজেলা কী?

রোজেলা একটি ভেষজ উদ্ভিদ। বৈজ্ঞানিক নাম Hibiscus sabdariffa।
এটা জবা ফুলের পরিবারভুক্ত, তবে সাধারণ জবার থেকে আলাদা।

👉 বাংলাদেশে একে অনেক জায়গায় বলা হয়:
রোজেলা
টক জবা
লাল জবা
কিছু এলাকায় “চুকরী ফুল”
এর সবচেয়ে ব্যবহৃত অংশ হলো ফুলের লাল খোসা (Calyx)।

🍹 রোজেলা কোথায় ব্যবহার হয়?

রোজেলা দিয়ে বানানো হয়—

-হারবাল চা
-শরবত
-জুস
-সিরাপ
-জ্যাম
-হারবাল সাপ্লিমেন্ট

বিশ্বজুড়ে একে Natural electrolyte drink হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।
🧬 রোজেলার পুষ্টিগুণ
রোজেলাতে আছে—
Vitamin C (খুব ভালো পরিমাণে)
Antioxidants
Polyphenols
Anthocyanins (যার কারণে লাল রঙ)
Organic acids
এই উপাদানগুলো শরীরের ভেতরের inflammation ও oxidative stress কমাতে সাহায্য করে।

✅ রোজেলার উপকারিতা

❤️ ১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
রোজেলা চা নিয়মিত খেলে—
সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক BP কমাতে সাহায্য করে
হার্টকে সাপোর্ট দেয়

🩸 ২. কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক
খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সাহায্য করে
রক্তনালিকে পরিষ্কার রাখতে সহায়ক

🦠 ৩. লিভার ও কিডনি সাপোর্ট
লিভারের টক্সিন বের করতে সাহায্য করে
কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ কমায়

🌡️ ৪. শরীর ঠান্ডা রাখে
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখে
অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও ক্লান্তি কমায়
👉 তাই গরম দেশে রোজেলা খুব জনপ্রিয়।

🧠 ৫. মানসিক চাপ ও ক্লান্তি কমাতে
Natural calming effect আছে
কাজের চাপ ও mental fatigue কমাতে সাহায্য করে

🍽️ ৬. হজমে সহায়ক
গ্যাস
বদহজম
পেট ভারী লাগা—এগুলোতে উপকার দেয়

⚖️ ৭. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
মেটাবলিজম সাপোর্ট করে
অতিরিক্ত চর্বি জমতে বাধা দেয় (সহায়ক হিসেবে)

☕ রোজেলা খাওয়ার নিয়ম

▶ রোজেলা চা
শুকনো রোজেলা ফুল ১ চা চামচ
গরম পানিতে ৫–৭ মিনিট ভিজিয়ে
চাইলে অল্প মধু যোগ করা যায়
দিনে ১–২ কাপ যথেষ্ট।

▶ রোজেলা শরবত
ভেজানো রোজেলা
পানি
অল্প মধু / গুড়
লেবু (ঐচ্ছিক)

⚠️ সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণত নিরাপদ, তবে—
খুব বেশি খেলে BP বেশি নেমে যেতে পারে
গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা দরকার
যাদের BP খুব কম, তারা নিয়মিত খাওয়ার আগে সাবধান।

🌿 ইউনানী / আয়ুর্বেদিক দৃষ্টিতে
রোজেলা—
-শরীরের অতিরিক্ত হারারত (গরম ভাব) কমায়।
-রক্ত পরিষ্কার করে।
-তৃষ্ণা ও দুর্বলতা দূর করে।

টিপস: 02আপনার কী কোষ্ঠকাঠিন্য? কত কিছুই না খাইলেন, কিন্তু আরাম পাইলেন না? জাতীয় ঔষধ দৈনিক খাচ্ছেন কিছুতেই আরাম পাচ্ছেন ন...
18/01/2026

টিপস: 02
আপনার কী কোষ্ঠকাঠিন্য? কত কিছুই না খাইলেন, কিন্তু আরাম পাইলেন না? জাতীয় ঔষধ দৈনিক খাচ্ছেন কিছুতেই আরাম পাচ্ছেন না?

১। রাঁধুনী পাউডার ৫ গ্রাম,
২। হরিতকি পাউডার ৫ গ্রাম,
৩। চিনি ১০ গ্রাম,
নিয়ে প্রতিদিন ঘুমানোর আগে শরবত বানিয়ে সেবন করুন। দেখবেন আপনার কোষ্ঠ একেবারে পরিষ্কার। এভাবে সপ্তাহ খানেক সেবন করুন, সব ঠিক হয়ে যাবে।

অতঃপর মাঝে মাঝে খাবেন। সব চাইতে বড় কথা হলো এর কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। উপরোক্ত দেহের অবরুদ্ধ স্রোতগুলি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এতে দেখবেন অনেক জটিলতা থেকে বেঁচে থাকবেন।

সর্বদা একটি কথা মনে রাখবেন, এই প্রাকৃতিক যোগগুলি আপনার আমার দেহকে নীরোগ রাখতে পারে।

টিপস নাম্বার-01অম্ল-উদগার,অম্ল ঢেকুর, বুক জ্বালা খুব বিরক্তিকর সমস্যা। এ রোগ গুলো আসলে অনিমত আহার,বাসি-পচা খাবার,ভেজাল খ...
16/01/2026

টিপস নাম্বার-01

অম্ল-উদগার,অম্ল ঢেকুর, বুক জ্বালা খুব বিরক্তিকর সমস্যা। এ রোগ গুলো আসলে অনিমত আহার,বাসি-পচা খাবার,ভেজাল খাবার,ভাজা-পোড়া খাবারের কারনে হয়ে থাকে। যা খুব জটিল একটা সমস্যা।

এক্ষেত্রে আপনাকে যেটা করতে হবে -

*মৌরি ৫ গ্রাম, ৪কাপ পানিতে সিদ্ধ করে এক কাপ থাকতে নামিয়ে ঠান্ডা হলে সারাদিন কয়েক বারে খেয়ে ফেলুন, সমস্যা চলে যাবে।
এভাবে পরপর কয়েক দিন সেবন করুন সমস্যা এক বারে চলে যাবে ইনশাআল্লাহ।

❓ একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি—যদি কালোজিরা, হলুদ, আদা, রসুন সত্যিই কোনো কাজ না করত,তাহলে মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে এগুলো ব...
10/01/2026

❓ একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি—
যদি কালোজিরা, হলুদ, আদা, রসুন সত্যিই কোনো কাজ না করত,
তাহলে মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে এগুলো ব্যবহার করছে কেন?
আরেকটা প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ—
👉 তাহলে কেন এসব ন্যাচারাল জিনিস নিয়ে আমরা বড় বড় গবেষণা, টিভি বিজ্ঞাপন বা মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ দেখি না?
অনেকে খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে,
“ন্যাচারাল মেডিসিনের তো কোনো রিসার্চই নাই!”
আসলে এটা সত্য নয়—
এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি, না জেনে তৈরি হওয়া ধারণা।
🔍 তাহলে আসল সত্যটা কী?
👉 ন্যাচারাল মেডিসিনে গবেষণা কম না।
সমস্যা হলো—এখানে বড় ব্যবসার জায়গা খুব সীমিত।
চলুন ধাপে ধাপে বুঝি।
১️⃣ যেটা পেটেন্ট করা যায় না, সেটায় বড় কোম্পানি টাকা ঢালে না
একটা সিনথেটিক ড্রাগ তৈরি করলে—
সেটার পেটেন্ট করা যায়
১৫–২০ বছর একচেটিয়া বিক্রি করা যায়
কোটি কোটি টাকার ব্যবসা নিশ্চিত হয়
কিন্তু—
হলুদ
কালোজিরা
রসুন
আদা
মাছের তেল
শাকসবজির প্রাকৃতিক উপাদান
👉 এগুলো প্রকৃতির সম্পদ।
👉 কেউ এগুলোর মালিক হতে পারে না।
তাহলে প্রশ্ন আসে—
আমি যদি শত শত কোটি টাকা খরচ করে ন্যাচারাল প্রোডাক্টের গবেষণা করি,
লাভটা কার হবে?
উত্তর খুব সোজা—
👉 বড় ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানির না।
২️⃣ ন্যাচারাল মেডিসিন রোগ সারায়, কিন্তু “আজীবন কাস্টমার” বানায় না
এই কথাটা অনেকের ভালো লাগে না,
কিন্তু বাস্তবতা এটাই।
কনভেনশনাল মেডিসিনে সাধারণত—
রোগ নিয়ন্ত্রণ করা হয়
প্রতিদিন ওষুধ লাগে
বছর বছর ওষুধ চলতেই থাকে
ন্যাচারাল / ফাংশনাল মেডিসিনে—
রোগের মূল কারণ ঠিক করার চেষ্টা করা হয়
ইনফ্ল্যামেশন কমানো হয়
হরমোন ব্যালান্স করা হয়
গাট ও লাইফস্টাইল ঠিক করা হয়
ফলাফল কী হয়?
👉 রোগী ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যায়
👉 ওষুধের প্রয়োজন কমে আসে
👉 অনেক সময় বন্ধও হয়ে যায়
বিজনেসের দৃষ্টিকোণ থেকে
👉 এটা খুব লাভজনক মডেল না।
৩️⃣ “একটা রোগ–একটা ট্যাবলেট” এই ধারণা এখানে কাজ করে না
বর্তমান মেডিকেল সিস্টেম তৈরি হয়েছে এই চিন্তায়—
একটা রোগ
একটা ট্যাবলেট
কিন্তু ন্যাচারাল মেডিসিন এভাবে কাজ করে না।
উদাহরণ দেই—
হলুদ (Curcumin) শুধু ব্যথা কমায় না।
এটা একসাথে কাজ করে—
Inflammation pathway (NF-κB)
Cytokines
Oxidative stress
Gut microbiome
👉 মানে পুরো শরীরের সিস্টেমে।
এই মাল্টি-লেভেল কাজগুলো
RCT দিয়ে এক লাইনে প্রমাণ করা কঠিন,
কিন্তু শরীর সেটা খুব ভালোভাবেই বোঝে।
৪️⃣ মেডিকেল কলেজে আমরা আসলে কী শিখি?
সৎভাবে বললে—
নিউট্রিশন বিষয়ে পড়ানো হয় খুবই কম
হারবাল বা ন্যাচারাল মেডিসিন প্রায় থাকেই না
লাইফস্টাইল থেরাপি সীমিত আকারে শেখানো হয়
কেন?
কারণ পাঠ্যবই, সিলেবাস, রিসার্চ—
👉 সবকিছুই ফান্ডিং-নির্ভর।
যেখানে টাকা,
সেখানেই কারিকুলাম।
ফলে আমরা যা পড়ি,
👉 সেটাকেই “এভিডেন্স” মনে করি।
৫️⃣ তাহলে কি ন্যাচারাল মেডিসিনে রিসার্চ নেই?
একদমই ভুল ধারণা।
PubMed খুললেই পাবেন—
Curcumin & inflammation
Omega-3 & heart disease
Probiotics & gut–brain axis
Fasting & insulin resistance
কিন্তু—
এগুলোর বড় বিলবোর্ড নেই
টিভি বিজ্ঞাপন নেই
মেডিকেল রিপ নেই
তাই সাধারণ মানুষ জানে না।
🧠 তাহলে প্রশ্নটা বদলানো দরকার
প্রশ্ন হওয়া উচিত না—
❌ “এটার রিসার্চ আছে কি?”
বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত—
👉 “এই চিকিৎসা কি আমাকে আজীবন রোগী বানিয়ে রাখবে?”
না
👉 “এই চিকিৎসা কি আমাকে ধীরে ধীরে সুস্থ হওয়ার সুযোগ দেবে?”
📌 শেষ কথা
যা সত্যিকারের সুস্থ করে,
সেটা সাধারণত সবচেয়ে কম প্রচার পায়।
আর যেটা আজীবন খেতে হয়,
সেটাই সবচেয়ে বেশি
“এভিডেন্স-বেসড” বলে পরিচিত হয়।
🤔ভাবুন।

?প্রশ্ন করুন।

🫣কিন্তু অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না।

❓ সর্দি বা কফ আসলে কী?আধুনিক বিজ্ঞান + ইউনানি ও আয়ুর্বেদের আলোকে সহজ ব্যাখ্যাঅনেকেই মনে করেন সর্দি বা কফ একটি রোগ।কিন্তু...
07/01/2026

❓ সর্দি বা কফ আসলে কী?
আধুনিক বিজ্ঞান + ইউনানি ও আয়ুর্বেদের আলোকে সহজ ব্যাখ্যা
অনেকেই মনে করেন সর্দি বা কফ একটি রোগ।
কিন্তু বাস্তবতা হলো— সর্দি বা কফ কোনো রোগ নয়, বরং এটি শরীরের একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
🧪 আধুনিক বিজ্ঞানের ভাষায়
সর্দি বা মিউকাস (Mucus) হলো পানি, প্রোটিন (Mucin), লবণ ও অ্যান্টিবডি দিয়ে তৈরি একটি আঠালো তরল।
নাক, গলা ও ফুসফুসের ভেতরের ঝিল্লি (Membrane) সারাক্ষণই এটি তৈরি করে।
এর কাজ কী?
শ্বাসনালী শুকিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা
ধুলো, ধোঁয়া, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়াকে আটকে ফেলা
জীবাণু ধ্বংস করা
কাশি বা নাক দিয়ে বের করে শরীর পরিষ্কার করা
🌿 ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্র কী বলে?
ইউনানি মতে, সর্দি বা কফকে বলা হয় “বালগাম (Balgham)”।
ইউনানি তত্ত্ব অনুযায়ী শরীর চারটি মৌলিক রস বা আখলাত (Akhlat) দিয়ে পরিচালিত:
দাম (রক্ত)
বালগাম (কফ)
সফরা (পিত্ত)
সওদা (কালো পিত্ত)
👉 বালগাম-এর কাজ:
শরীর ঠাণ্ডা ও আর্দ্র রাখা
জয়েন্ট, স্নায়ু ও মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেওয়া
শরীরের নমনীয়তা বজায় রাখা
❗ তবে যখন বালগাম বেশি হয়ে যায় বা ঘন হয়, তখনই সমস্যা শুরু হয়—সর্দি, কাশি, বুক ভার, অলসতা ইত্যাদি।
🌱 আয়ুর্বেদ কী বলে?
আয়ুর্বেদে সর্দি-কফকে বলা হয় কফ দোষ (Kapha Dosha)।
কফ দোষের বৈশিষ্ট্য:
শীতল
আর্দ্র
ভারী
আঠালো
👉 কফ দোষ শরীরে:
শক্তি ও স্থিতি দেয়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
শরীরের টিস্যু রক্ষা করে
❗ কিন্তু কফ দোষ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে:
সর্দি জমে
নাক বন্ধ হয়
কাশি ও বুক ভারী লাগে
🤒 অসুস্থ হলে সর্দি কেন বাড়ে?
আধুনিক বিজ্ঞান, ইউনানি ও আয়ুর্বেদ—তিনটিই একমত:
👉 শরীর যখন জীবাণুর আক্রমণ টের পায়, তখন নিজেকে রক্ষা করতে অতিরিক্ত সর্দি বা কফ তৈরি করে।
নাক দিয়ে পানি পড়া = শরীর নিজেকে পরিষ্কার করছে
কাশি = ফুসফুসের ময়লা বের করার চেষ্টা
এটি রোগ নয়—এটি শরীরের যুদ্ধ প্রক্রিয়া।
🎨 সর্দির রঙ কী বোঝায়?
রঙ
ব্যাখ্যা
স্বচ্ছ
স্বাভাবিক
সাদা/হলুদ
শরীর লড়াই শুরু করেছে
সবুজ
রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা খুব সক্রিয়
ইউনানি মতে, গাঢ় ও ঘন কফ মানে বালগাম ঘনীভূত হয়েছে।
💊 তাহলে সর্দির ওষুধ কেন খাই?
কারণ— 🔹 ওষুধ রোগ সারায় না
🔹 ওষুধ উপসর্গ কমায়
ওষুধ যা করে:
নাকের ফোলা কমায়
কফ পাতলা করে
শ্বাস নিতে আরাম দেয়
👉 যাতে শরীর বিশ্রাম নিতে পারে এবং নিজেই রোগ সারাতে পারে।
ইউনানি ও আয়ুর্বেদেও একই দর্শন:
“লক্ষণ কমাও, শরীরকে কাজ করতে দাও।”
💧 প্রতিদিন ১–১.৫ লিটার সর্দি তৈরি হলে পানিশূন্যতা হয় না কেন?
কারণ:
1️⃣ সর্দি শরীর রিসাইকেল করে
আমরা অজান্তেই তা গিলে ফেলি → পাকস্থলীতে যায় → পানি আবার শরীর শোষণ করে।
2️⃣ সর্দি ৯৫% পানি
❗ তবে অসুস্থ হলে সাবধান:
নাক ঝাড়া
কফ ফেলা
মুখ দিয়ে শ্বাস
→ এতে পানি বের হয়
👉 এজন্যই বেশি পানি পান জরুরি।
🤔 সর্দি গিলে ফেলা কি ক্ষতিকর?
না, ক্ষতিকর নয়।
কারণ:
পাকস্থলীর এসিড জীবাণু ধ্বংস করে
নতুন কোনো ইনফেকশন হয় না
শরীর আবার পানি শোষণ করে
ইউনানি মতে এটি স্বাভাবিক নিঃসরণ চক্রের অংশ।
⚠️ তবে—
রক্ত থাকলে
দুর্গন্ধ হলে
বুকে তীব্র ব্যথা থাকলে
👉 চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।
🌿 ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক সহজ পরামর্শ
কুসুম গরম পানি
আদা + মধু
তুলসি পাতা
হালকা গরম খাবার
ঠাণ্ডা ও ভারী খাবার এড়িয়ে চলা
👉 এগুলো কফ পাতলা করে, শরীরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ঠিক রাখে।
✨ সংক্ষেপে
সর্দি বা কফ শত্রু নয়—এটি আপনার শরীরের প্রহরী।
সমস্যা তখনই, যখন এটি ভারসাম্য হারায়।

আপনারা এখনো যারা আমাদের Healthy Lifestyle Lovers গ্রুপে যুক্ত হননি, তারা অতি দ্রুত যুক্ত হয়ে যান। আপনারা অনেক সময় ছোট ...
01/01/2026

আপনারা এখনো যারা আমাদের Healthy Lifestyle Lovers গ্রুপে যুক্ত হননি, তারা অতি দ্রুত যুক্ত হয়ে যান।

আপনারা অনেক সময় ছোট ছোট বিভিন্ন প্রশ্ন করেন, অনুভূতি জানান, সমস্যার কথা বলেন, আপডেট দেন, এগুলো ইনবক্সে না করে এই গ্রুপে বলুন। তাহলে আমরা অতি দ্রুত সমাধান দিবো, ইনশা-আল্লাহ। এতে আপনি সহ আরো অনেকেরই উপকৃত হবে।

পাবলিক এ গ্রুপে শুধু আমি না বরং এখানে ৪-৫ জন গ্র্যাজুয়েট ও ডিপ্লোমা চিকিৎসক (ইউনানী/ আয়ুর্বেদিক/হোমিও) যুক্ত আছেন, বিশেষত যারা প্রাকৃতিক চিকিৎসাকে ভালবাসেন।

এই গ্রুপে যারা নিয়মিত একটিভ থাকবেন, তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধা থাকবে এবং তাদেরকে নিয়ে আমরা কিছু প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি, সামনে এগুলো জানানো হবে।

সুতরাং চলবে ঔষধ মুক্ত হয়ে প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ থাকতে চাইলে হেলদি লাইফস্টাইল লাভারস গ্রুপের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।।

✅ Back to the Nature 💚

https://www.facebook.com/share/g/14UtCEMA9Qx/

🌿 অশ্বগন্ধা কী?অশ্বগন্ধা একটি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি ভেষজ। একে Indian Ginseng ও বলা হয়। এটি মূলত শরীরের শক্তি, স্না...
30/12/2025

🌿 অশ্বগন্ধা কী?
অশ্বগন্ধা একটি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি ভেষজ। একে Indian Ginseng ও বলা হয়। এটি মূলত শরীরের শক্তি, স্নায়ু ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

✅ অশ্বগন্ধার উপকারিতা-

🧠 মানসিক ও স্নায়বিক উপকার-
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে
টেনশন, অনিদ্রা ও অতিরিক্ত চিন্তায় উপকারী
স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সহায়ক

💪 শারীরিক শক্তি ও দুর্বলতা-
শরীরের দুর্বলতা ও ক্লান্তি কমায়
দীর্ঘদিন অসুস্থতার পর শক্তি ফেরাতে সাহায্য করে
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) বাড়াতে সহায়ক

❤️ হৃদযন্ত্র ও স্নায়ু-
হৃদকম্পন ও স্নায়বিক দুর্বলতায় উপকারী
শরীরকে শান্ত ও স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে

🩸 হরমোন ও সাধারণ স্বাস্থ্য-
হরমোনের ভারসাম্য রাখতে সহায়ক
পুরুষ ও নারীর সাধারণ শারীরিক দুর্বলতায় ব্যবহৃত হয়।

🥄 খাওয়ার নিয়ম-
গুঁড়া/পাউডার:
১ চা-চামচ
কুসুম গরম দুধ বা পানির সাথে
রাতে খাবারের পরে।

ক্যাপসুল/ট্যাবলেট:
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেব্য।

⚠️ সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সঠিক মাত্রায় সাধারণত নিরাপদ, তবে কিছু ক্ষেত্রে—
অতিরিক্ত খেলে পেটের সমস্যা বা বমিভাব
খুব বেশি ঘুম ভাব।
নিম্ন রক্তচাপ থাকলে সমস্যা হতে পারে।
থাইরয়েড সমস্যায় সতর্কতা প্রয়োজন।

❌ গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয় (চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া)।

📌 গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
এটি কোনো তাৎক্ষণিক ওষুধ নয়, ধীরে ধীরে কাজ করে
নিয়মিত ও পরিমিত ব্যবহারেই উপকার পাওয়া যায়
বয়স কম হলে বা অন্য কোনো রোগ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।

একজন আধুনিক মহিলা চিকিৎসক দাবি করেছেন যে, এলার্জি বিনাশ ট্যাবলেট খেয়ে রোগীর এ অবস্থা হয়েছে! কথা হল প্রাকৃতিক চিকিৎসায়...
25/12/2025

একজন আধুনিক মহিলা চিকিৎসক দাবি করেছেন যে, এলার্জি বিনাশ ট্যাবলেট খেয়ে রোগীর এ অবস্থা হয়েছে!

কথা হল প্রাকৃতিক চিকিৎসায় এরকম টোটকা বা ম্যাজিক কিছু নেই যে, এক ওষুধে সারা দেশের সবাইকে চিকিৎসা করা যায়! তারা (এলার্জি বিনাশের বিক্রেতারা) এটার মধ্যে ন্যাচারালের বাহিরে কিছু মেশালেও অবাক হবো না! আর যদি কোনো কিছু না মিশিয়েও থাকে তাহলে তারা সম্ভবত অ্যালার্জি, চুলকানি এবং চর্ম রোগে কাজ করে এরকম সকল ভেষজ এক জায়গায় নিয়ে এসেছে!

এতে রোগী ও ভেষজের মিজাজ এবং ওষুধের ডোজ, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কোনো কিছুই তারা চিন্তা করেনি!! ফলে ভেষজ গুলোর মধ্যে পারস্পরিক মিথোস্ক্রিয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এছাড়াও অধিকাংশ এলার্জির ঔষধ গুলো শুষ্ক মেজাজের, ফলে রোগীর মধ্যে শুষ্কতা মারাত্মকভাবে ডেভেলপ করতে পারে! বিশেষ করে এটা যদি দীর্ঘদিন সেবন করা হয়।

সুতরাং রোগীর মেজাজ না বুঝে ঢালাও ভাবে এভাবে চিকিৎসা করা প্রকৃত প্রাকৃতিক চিকিৎসকগন কখনোই সাপোর্ট করে না।
অথচ দুঃখজনক হলো, কতিপয় কথিত ধার্মিক অনেকেই এ কাজটা করছেন! মানুষকে সেবা করছেন ভাবছেন?! কিন্তু প্রাকৃতিক চিকিৎসা সম্পর্কে আপনাদের আসলে তেমন কোনো ধারনাই নেই!

আধুনিক অনেক চিকিৎসক‌কেও দেখলাম, জিরা পানি দিয়ে আইবিএস ভালো করছে! আর লেবু, আদা এবং শুষ্ক মেজাজের কয়েকটি ভেষজ এক জায়গায় করে পেটের চিকিৎসা করছেন এবং কোনো ধরনের প্রতি নির্দেশনা নেই, মানে কাদের দেওয়া যাবে, আর কাদের দেওয়া যাবে না, কতদিন খাবে বা যদি শুষ্ক মেজাজের রোগী হয় তাহলে সে কি করবে এরকম কোনো কথাই নেই।

তারপরেও সাধারণ লোকজন তার ফেইসভ্যালু বিবেচনা করে হুমরী খেয়ে পড়ছে! আরে ভাই! একজন অতি শিক্ষিত হইলেই সে প্রাকৃতিক চিকিৎসা সম্পর্কে দুই চারটা চটি বই পড়ে অনেক কিছু জেনে ফেলবে, বিষয়টা এমন না!

যাহোক, আপনাদের জাস্ট আমি সতর্ক করতে পারি! কিন্তু আপনার নূন্যতম সচেতন না হলে কিছুই করার নাই!!

dr.Nazmul islam Noman

আধুনিক কর্পোরেট কৃষির সবচেয়ে বড় এক শত্রু কোনটা বলুন তো?ঘাস!ঘাসকে কর্পোরেট কৃষি নাম দিয়েছে আগাছা! আর মানুষকে ব্রেইনওয়াশ ক...
09/12/2025

আধুনিক কর্পোরেট কৃষির সবচেয়ে বড় এক শত্রু কোনটা বলুন তো?
ঘাস!
ঘাসকে কর্পোরেট কৃষি নাম দিয়েছে আগাছা! আর মানুষকে ব্রেইনওয়াশ করেছে– এই আগাছা যেখানেই দেখবে পোড়া বি/ষ মেরে সাফ করে ফেলতে হবে!
ঘাসকে কেন শত্রু বানানো হলো?
ঘাস তো কোনো ক্ষতিকর উদ্ভিদ না!
বরং ঘাস হচ্ছে আল্লাহর বানানো সবচেয়ে উত্তম প্রাকৃতিক পশুখাদ্য!

ঘাস পৃথিবীর সবচেয়ে প্রচুর ও দ্রুত জন্মানো উদ্ভিদ!
এদেশে দেখবেন প্রচুর ঘাস জন্মায়। সেচ লাগেনা, রাসায়নিক লাগেনা, যত্ন লাগেনা; অথচ সারাবছর বাঁচে, পোকায় ধরেনা, রোগেও ধরেনা!
এমনকি পোড়া বি/ষ মেরেও এই ঘাস দমন করা যায়না! জমিতে বি/ষ মারে, কয়দিন পর আবার ঘাস গজায় যায়!
প্রকৃতিতে ঘাসের এই রকম হবার রহস্য কি?
অবশ্যই এর কারণ আছে।
গরু-ছাগল-ভেড়া-মহিষ এরা ঘাস খেয়ে বাড়ে।
আল্লাহ প্রকৃতিতে এত ঘাস দিচ্ছেন এর কারণ মানুষ যাতে সহজে পশুপালন করতে পারে!
হাজার হাজার বছর মানুষ ঘাসভিত্তিক পশুপালন করে এসেছে।
ঘাস বিনামূল্যে জন্মায়!
ঘাসভিত্তিক পশুপালন মানে আমাদের জন্য সস্তা, সহজলভ্য, সেরামানের মাংস।
এভাবে আমরা প্রাকৃতিকভাবেই সবচেয়ে উত্তম খাদ্য মাংস ও চর্বি পেয়ে যেতাম। মাংস খেয়ে জাতির সব অপুষ্টি দূর হয়ে যেত!

অথচ জাতিকে শেখানো হয়েছে– লাল মাংস খায়োনা, পশু চর্বি খায়োনা! লাল মাংস সবচেয়ে খারাপ! বি/ষ মেরে প্রাণ-প্রকৃতির সর্বনাশ করে শাকসবজি, গম, ভুট্টা, সয়াবিন উৎপাদন করো! এগুলোই সবচেয়ে পুষ্টিকর, বেশি বেশি খাও!
আর এর ফলে দেখা দিয়েছে অপুষ্টি, হরমোন সমস্যা, দুর্বলতা, রোগপ্রতিরোধ কম, চুল-ত্বক সমস্যা ইত্যাদি!
আর ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় তো আছেই!

জনগণ আদতে ন্যারেটিভ মানছে, সাইন্স না!
লাল মাংস সবচেয়ে খারাপ –এটা কঞ্জিউমার ক্যাপিটালিজমের এক নিকৃষ্ট ন্যারেটিভ! প্রপাগান্ডা!
মানুষের শরীর মূলত প্রাণিজ পুষ্টির জন্যই ডিজাইন করা রয়েছে!
তা না হলে উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে পুষ্টি কনভার্ট ও এবজর্ব করায় জটিলতা কেন?
বায়োঅ্যাভেইলেবিলিটিই প্রমাণ করে মানুষ অ্যানিমাল-প্রিডমিন্যান্ট ইটার। মানে মূল খাদ্য হলো প্রাণিজ, আর সহায়ক খাদ্য হলো ফল, মূল, সামান্য শাকসবজি।
পুষ্টি পেতে শাকসবজি বেশি বেশি খাও –এটা কঞ্জিউমার ক্যাপিটালিজমেরই একটা ন্যারেটিভ!

এদেশের বেশিরভাগ মানুষ প্রোটিনের মারাত্মক ঘাটতিতে আছে!
মানুষ প্রোটিন খাওয়াকে মনে করে ভালোমন্দ খাওয়া। মানে ২ পিস মাংস আর একটু ঝোল হলে ৩ প্লেট ভাত খেয়ে নেয়া যায় এটুকুই!
অথচ যাদের শরীর বেড়ে উঠছে যেমন শিশু, গর্ভবতী নারী বা স্তন্যদানকারী মা, তাদের শরীরে নতুন টিস্যু তৈরি হয় বলে পর্যাপ্ত প্রোটিন দরকার হয়।
গড়পড়তা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতি কেজি ওজনে ০.৮ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন প্রতিদিন।
এটা শরীরের ন্যূনতম চাহিদা মেটানোর জন্য।
উদাহরণস্বরুপ- ৭০ কেজি ওজনের একজন মানুষের দিনে প্রোটিন প্রয়োজন হতে পারে প্রায় ৭০×০.৮= ৫৬ গ্রাম।
বয়স ৪০–৫০ বছরের বেশি হলে এই বয়সে সারকোপেনিয়া ঠেকাতে প্রতিদিন ন্যূনতম ১–১.২ গ্রাম প্রতি কেজি ওজনে প্রোটিন দরকার।
নিয়মিত ব্যায়াম করলে প্রতি কেজি ওজনে প্রয়োজন ১.২–২ গ্রাম প্রোটিন।

খাবারে শুধু প্রোটিন থাকে না; এর সঙ্গে পানি, চর্বি, খনিজ আর ভিটামিনও থাকে। তাই যখন বলা হয় কারো ৬০ গ্রাম প্রোটিন দরকার, তখন এর মানে হলো সারাদিনে এমনভাবে খাবার খেতে হবে যাতে সব খাবার মিলিয়ে শরীরে মোট ৬০ গ্রাম প্রোটিন পৌঁছায়।
লাল মাংস দিয়ে এই প্রোটিনের চাহিদা খুবই উত্তমভাবে পূরণ করা যায়! ধরা যাক, কারো দৈনিক প্রয়োজন ৬০ গ্রাম প্রোটিন। প্রতিদিন প্রায় ২৫০ গ্রাম রান্না করা গরু/খাসি/ভেড়ার মাংস খেলেই প্রায় ৬০ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়!
তাই প্রতিদিন ২৫০–৩০০ গ্রাম রান্না করা লাল মাংস খেলে অনেকেরই দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে।
এই মাংস খেতে হবে পানিতে অল্প তাপে দীর্ঘক্ষণ (২-৩ ঘন্টা) সিদ্ধ করে। এভাবে মাংসের কোলাজেন, মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিড ভালোভাবে বের হয়, খুবই নরম হয়, হজম সহজ হয়, শরীরে উত্তমরূপে শোষিত হয়।
সাথে হালকা কিছু শাক-সবজি, সম্পূর্ণ শস্য খাওয়া যেতে পারে।
স্বাস্থ্যের দিক থেকে লাল মাংস খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি এটাই!

জনগণের কালেক্টিভ এগ্রিমেন্ট যদি কনজিউমার ক্যাপিটালিজমের ন্যারেটিভে আটকা থাকে, তবে প্রাকৃতিক খাদ্য কখনোই জনগণের কাছে পৌঁছাবে না!
বি/ষ মেরে ঘাস ধ্বংস করে শাকসবজি, শস্যের ম্যাস প্রোডাকশন হচ্ছে।
গবাদিপশু ঘাস না পেলে সেখানে কর্পোরেটদের কন্ট্রোল থাকে।
বিনামূল্যের ঘাস বাদ দিয়ে কৃত্রিম খাদ্য খাইয়ে, এন্টিবায়োটিক, হরমোন দিয়ে পশুপালন হচ্ছে, ফলে মাংসের দামও কমছেনা, জনগণ অপুষ্টিতে ভুগছে!

ওরা বলে– ঘাস জমির উৎপাদনশীলতা নষ্ট করে!
বাস্তবে ঘাস মাটিকে উর্বর করে, ক্ষয় রোধ করে, পানি ধরে রাখে, জীববৈচিত্র্য বাড়ায়, জমি পুনরুজ্জীবিত করে!
যতক্ষণ জাতি বিশ্বাস করবে– 'লাল মাংস খারাপ', 'উদ্ভিজ্জ খাবারই সবচেয়ে পুষ্টিকর', ততক্ষণ স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সর্বনাশ ঠেকানো অসম্ভব!
উদ্ভিজ্জ খাদ্যের জায়গাটা পুষ্টির উৎস নয়, বরং সাপ্লিমেন্টারী হিসেবে রাখতে হবে। মূল পুষ্টি আসতে হবে প্রাণিজ খাদ্য থেকেই!
ঘাসভিত্তিক পশুপালন হলে মাংস সহজলভ্য হয়ে যাবে। মাংস খেলে জাতির আর বি/ষ মেরে শাকসবজি, শস্য উৎপাদন করা লাগবেনা। কৃষি প্রাকৃতিকভাবে হবে শুধু মৌসুমী শাকসবজি-ফলমূল, বৈচিত্র্যময় দেশি শস্য উৎপাদনের জন্য।

ক্যাপ্টেন গ্রিন

08/12/2025

আজ থেকে ৭০-৮০ বছর আগে যখন কোনো অ্যান্টিবায়োটিক ছিলো না, তখন মানুষ সাধারণ রোগ-ব্যাধি যেমন: সর্দি-কাশি- ছোটখাটো কাটাছেড়ায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে মারা যেতো। এই সাধারণ রোগগুলোর উপর মানুষের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। পেনিসিলিন ও অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে মানুষ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করে তাদের জীবনযাত্রা নিরাপদ করেছিলো। কিন্তু বর্তমানে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ব্যাকটেরিয়ার উদ্ভবের ফলে মানুষ ফিরে যাচ্ছে প্রাক-অ্যান্টিবায়োটিক যুগে।
সেই যুগে মানুষ মারা যেতো অ্যান্টিবায়োটিক না থাকার কারণে। কিন্তু আগামীদিনে মানুষ মারা যাবে অ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকারিতা বা নিষ্ক্রিয়তার কারণে। বিগত ২০ বছরে নতুন কোনো অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার হয়নি এবং আগামী ১০ বছরও যদি এভাবেই চলতে থাকে তাহলে মানুষকে আক্রমণকারী ব্যাকটেরিয়াগুলোর বিরুদ্ধে আর কোন অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে না। এই ভয়াবহ ভবিষ্যতের আশংকা থেকেই এটাকে মহাবিপর্যয় বলা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান খসরু।
( বেশ কয়েক বছর আগে মেডিভয়েসে দেওয়া সাক্ষাৎকারের অংশ , যা মেডিভয়েস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে )

Address

Shibganj, Bogura
Puran Bogra
5800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hakeem Ashraful Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category