Botanika Herbal Clinic And Farmese

Botanika Herbal Clinic And Farmese Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Botanika Herbal Clinic And Farmese, Medical Center, Bogra City, Puran Bogra.

28/04/2015

বাংলাদেশের স্ট্রিটফুডগুলোর মধ্যে সবচাইতে সুস্বাদু ও লোভনীয় খাবার হচ্ছে চটপটি। বাইরে ঘুরতে গেলে কিংবা দোকানের পাশে বসে আড্ডা শুরু করলে প্লেটের পর প্লেট চটপটি খেয়ে ফেলা যায়। এই চটপটি বানানো কিন্তু খুব কঠিন কিছু নয়। ঘরেই খুব সহজে বানিয়ে নিতে পারেন এই আড্ডার সঙ্গী খাবারটি। এবং এটি স্বাস্থ্যকরও হবে। চলুন তবে ঝটপট দেখে নেয়া যাক চটপটির রেসিপিটি।

উপকরণঃ

– দেড় কাপ ডাবলি বুট
– ২ টি মাঝারি আকারের আলু
– ১ টি বড় টমেটো কুচি
– ১ টি ডিম সেদ্ধ
– শসা কুচি ইচ্ছে মতো
– ২ টি মাঝারি আকারের পেঁয়াজ কুচি
– ৩ চা চামচ জিরা
– ২/৩ টি শুকনো মরিচ
– ৫-৬ টি কাঁচা মরিচ কুচি
– আধা চা চামচ গোলমরিচ
– আধা কাপ ধনে পাতা কুচি
– আধা চা চামচ টেস্টিং সল্ট
– আধা চা চামচ হলুদগুঁড়ো
– ১ চা চামচ চিনি
– লবণ স্বাদমতো
– ২ টেবিল চামচ তেল
– তেতুল
– লাল মরিচ গুঁড়ো ইচ্ছে মতো

পদ্ধতিঃ

– ডাবলি বুট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা অথবা ঠাণ্ডা পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে পারেন।
– আলু সেদ্ধ করে হাতে দলা দলা করে চটকে নিন। ডিম সেদ্ধ গ্রেট করে রাখুন আলাদা করে।
– একটি প্যানে শুকনো করে জিরা, শুকনো মরিচ এবং গোল মরিচ তেল ছাড়া ভাজুন। প্যান থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে গুঁড়া করুন।
– প্যানে তেল গরম করুন। পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে রাখুন।
– ১ কাপ পানিতে তেতুল দিয়ে হালকা ফুটিয়ে নিন। এর মধ্যে চিনি এবং ১ চিমটি গুঁড়ো করে রাখা মশলার গুঁড়ো ও মরিচগুঁড়ো দিয়ে আরও ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে ভাল করে তেতুল ছেঁকে নিন।
– এবার পরিমাণমতো পানি দিয়ে চটপটির ডাল, লবন এবং হলুদের গুঁড়ো দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত সেদ্ধ করুন। খেয়াল রাখবেন ডাল যাতে একেবারে গলে না যায়, আবার একেবারে যাতে ঝোল শুকিয়ে না যায়।
– এরপর ভাজা পেঁয়াজ, আলু, টমেটো, কাঁচা মরিচ,অবশিষ্ট মশলার গুঁড়ো, টেস্টিং সল্ট, ২ টেবিল চামচ বানিয়ে রাখা তেতুলের রস এবং ১/৩ ভাগ সেদ্ধ ডিমের গ্রেট চটপটির মধ্যে দিয়ে দিন। ভাল করে নেড়ে দিন এবং চুলায় ৩/৪ মিনিট রাখুন।
– তারপরচুলা থেকে নামিয়ে শসা কুঁচি, বাকি ডিমের গ্রেট এবং ধনিয়া পাতা কুঁচি দিয়ে পরিবেশন করুন। সাথে পরিবেশন করুন বানিয়ে রাখা তেতুলের রস। ব্যস, এবার মজা নিন এই সুস্বাদু চটপটির।

28/04/2015

সম্পর্ক সঠিক রাখতে একে অপরের সাথে সুখী থাকা এবং সঙ্গীর খুশি থাকা অনেক বেশি নির্ভর করে। যদি সঙ্গী আপনার সাথে একেবারেই খুশি না থাকেন তাহলে সেই সম্পরকে আসলে খুব বেশীদিনের হয় না। কোনো না কোনো কারনে সম্পর্কে ভাঙন আসেই। তবে ভাঙনের পেছনে মূলত কাজ করে এই অখুশি থাকাটাই। তাই সঙ্গী আপনার সাথে খুশি রয়েছেন কিনা তা সম্পর্ক ধরে রাখতে অনেক বেশি কাজ করে। তবে সঙ্গী খুশি আছেন কি নেই তা কিন্তু অনেকাংশে আপনার উপরেই নির্ভর করে। আপনার ছোট্ট কিছু কাজেই সঙ্গী সম্পর্ক নিয়ে অনেক বেশি সুখে থাকতে পারেন। তার কাছে মনে হতে পারে আপনার মধ্যেই তার সব সুখ রয়েছে, আপনার কাজের মধ্যেই তিনি নিজের খুশি খুঁজে নিতে পারেন। এতে কিন্তু আপনার খুব বেশি কষ্ট করতে হবে না। ছোট্ট কিছু কাজেই সঙ্গীকে রাখতে পারবেন অনেক খুশি। ১) সঙ্গীর প্রশংসা করুন মানুষ প্রশংসা অনেক বেশি পছন্দ করেন। যদি সঙ্গীকে অনেক খুশি রাখতে চান তাহলে তার প্রশংসা করুন বিনা দ্বিধায়। হয়তো উপরে বলবেন, আপনি মিথ্যে বলছেন, কিন্তু মনে মনে অনেক বেশিই খুশি হবেন। ২) সময় দিন ভালোবাসা প্রকাশ কিন্তু আপনার অনেক দামী গিফটের মাধ্যমে হবে না। নারী বা পুরুষ উভয়েই সঙ্গীর কাছ থেকে দামী গিফট নয় সময় আশা করে থাকেন। আপনি নিজের টাকা খরচ করে ভালোবাসা প্রকাশ না করে সময় ব্যয় করেই দেখুন না সঙ্গি খুশি হন কিনা। ৩) সঙ্গীর পছন্দ অপছন্দের খোঁজ রাখুন সঙ্গী সবসময়েই আপনার মনোযোগ চান। তিনি চান আপনি তার পছন্দ অপছন্দের ব্যাপারটি লক্ষ্য করুন। কারণ এর মাধ্যমেই তিনি বুঝে নিতে চান আপনি তাকে কতোটা ভালোবাসেন, কতোটা খেয়াল রাখেন। আপনার এই সামান্য কাজেই আপনার সঙ্গী অনেক বেশি খুশি থাকবেন। ৪) রান্না করুন এই রান্না করার বিষয়টি কিন্তু নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। নারীরা তার সঙ্গীর পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়ালেই আপনার সঙ্গী অনেক বেশি খুশি থাকবেন। এবং পুরুষেরাও এই কাজটি করতে পারেন। তবে পুরুষেরা যদি পছন্দের খাবার নাও রাঁধতে পারেন তারপরও সঙ্গীকে সারপ্রাইজ করতে কিছু রান্না করে সামনে এনে দিলেই সঙ্গিনী অনেক খুশি হয়ে যাবেন। ৫) রোমান্টিক হোন নারী এবং পুরুষ মুখে প্রকাশ না করলেও রোমান্স পছন্দ দুপক্ষেরই। তাই একটু হলেও রোমান্টিক হওয়ার চেষ্টা করুন। রোমান্টিকতা সঙ্গীকে খুশি করার পাশাপাশি আপনাদের সম্পর্ককেও অনেক বেশি গভীর ও মজবুত করে তুলবে। ৬) হঠাৎ একটি ছোট্ট উপহার কোনো উপলক্ষ থাকলে তো একে অপরকে উপহার দেয়াই হয়। কিন্তু এর বাইরেও সঙ্গীর কথা মনে করে ছোট্ট কিছু নিয়ে এলেন, তাকে সারপ্রাইজ করে দিলেন, এতেও সঙ্গী অনেক বেশি খুশি হবেন। এর জন্যও অনেক খরচ করার প্রয়োজন নেই। একটি ফুল বা ছোট্ট একটি কার্ডই যথেষ্ট। ৭) একে অপরের কাজে সহযোগিতা একে অপরের কাজে সহযোগিতা করার বিষয়টি সম্পর্ক অনেক বেশি মজবুত করে তোলে, সেই সাথে সাহায্য পেয়ে সঙ্গীও অনেক বেশি খুশি থাকেন। যদি কাজে সাহায্য না করতে পারেন মানসিকভাবে সঙ্গীকে সাপোর্ট করেও সাহায্য করতে পারেন। এতেও সঙ্গী খুশিই হবেন। সূত্র: প্রিয় লাইফ

25/02/2015

৪ টি ছোট কাজে ঘাড় ও গলার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করুন

মানবদেহে প্রতিটি অঙ্গের মধ্যে বিশেষ করে নারীদের গলা ও ঘাড় খুব আকর্ষণীয়। সুন্দর গলার ও ঘাড়ের অধিকারী নারীদের দেখতেও যেমন খুব ভালো লাগে তেমনি তাঁদের গলায় যে কোন জিনিস খুব মানিয়ে যায়। আমাদের দেহের অন্যান্য অঙ্গের ত্বকের তুলনায় গলার ও ঘাড়ের ত্বক খুব দ্রুত টান টান ভাব হারিয়ে ফেলে। তবে চিন্তার কোন কারণ নেই, গলার ত্বক ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং বলিরেখা সারিয়ে তুলতে আছে কিছু দারুণ সমাধান যেমন- এক্সারসাইজ, প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা, সূর্যের আলো হতে ত্বক রক্ষা করা এগুলো ঘাড়-গলার ত্বকের জন্য খুব জরুরি। কিন্তু এইসব কাজ ছাড়াও আরও কিছু কাজ আছে যা আপনার করা উচিৎ।
এক্সফলিয়েট
প্রতি সপ্তাহে ২/৩ বার ঘাড়-গলার ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করা ভালো এতে করে ত্বকের মৃত কোষ, নিস্তেজ চামড়া পরিষ্কার হবে। এই কাজটি শুধু গলার বলিরেখাই রোধ করেনা গলার ত্বকের টান টান ভাব বজায় রাখে এবং ব্রন রোধ করে। কিন্তু ঘন ঘন ঘাড়-গলার ত্বক পরিষ্কার করলে ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে ও ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন
দেহের ত্বকের সুস্থতার জন্য ময়শ্চারাইজার খুব জরুরি। বিশেষ করে এমন কোন ময়শ্চাররাইজার যাতে SPF 15 পর্যন্ত আছে তা ঘাড়-গলার ত্বকের জন্য খুব উপকারী। আমাদের দেহের যে অঙ্গের চামড়াগুলো পাতলা থাকে সূর্যের আলো সেখানে লাগলে ত্বকের ক্ষতি হয় এবং আমাদের ঘাড়-গলার চামড়াও খুব পাতলা হয়ে থাকে। তাই সূর্যের আলো থেকে মুখের ত্বক ঘাড় ও গলা বাঁচিয়ে রাখুন।
গলা নিচু করে কোন কাজ বা ফোন ব্যবহার রোধ করুন
আমরা অনেকেই কাজ করার সময় মাথা নিচু করে কাজ করি বা অনেক সময় ফোন ব্যবহার করি মাথা নিচু করে এইভাবে আমাদের গলার ত্বকে ভাঁজ পড়ে এবং বলিরেখা দেখা দেয়। এবং বেশিমাত্রায় গলা নামিয়ে কাজ করলে ঘাড় ব্যথাও হতে পারে।
সঠিক উপায়ে ঘুমান
ঘুমানোর সময় সোজা হয়ে ঘুমালে আমাদের মুখের ত্বক, গলা ও ঘাড় ভালো থাকে এবং এই ভাবে ঘুমানোর ফলে নারীদের স্তনও সুগঠিত থাকে।

25/02/2015

amitumi_makeup
আমরা মেয়েরা নিজেদের মেকআপের টুকিটাকি জিনিস ব্যাগেই রেখে থাকি, প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে পাওয়ার জন্য। এবং দরকার মনে করলে নির্দ্বিধায় নিজের বান্ধবি বা অন্য কোনো মেয়েকে ব্যবহার করতে দিয়ে থাকি। কিন্তু আপনি কি জানেন মেকআপের কিছু জিনিস অন্য কারো সাথে শেয়ার করা আপনার মারাত্মক ক্ষতি কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে? তাই মেকআপের কিছু জিনিস কখনোই কারো সাথে শেয়ার করা উচিত নয় তা যতো ঘনিষ্ঠই হোন না কেন।
১) ক্রিমের কৌটো
একই ক্রিমের কৌটোতে বিভিন্ন মানুষের হাত বা আঙুলের ছোঁয়ার অর্থ হচ্ছে এতে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করা। এমনকি আপনি নিজেও যদি বারবার বড় কৌটোয় আঙুল ঢুকিয়ে ক্রিম ব্যবহার করেন তা আপনার জন্য ক্ষতিকর। ক্রিম ছোটো কৌটোতে ১ সপ্তাহের জন্য নামিয়ে নিন ও ব্যবহার করুন।
২) মাশকারা
যে জিনিসগুলো আমাদের দেহের কোনো প্রকার ফ্লুইডের কাছাকাছি যায় সেসকল জিনিস অন্য কারো সাথে শেয়ার করা উচিত নয়। মাশকারা ধরণের মেকআপের জিনিস অন্য কারো সাথে শেয়ারের কারণে কনজাংটিভাইটিস, চোখের ইনফেকশন ও প্রদাহের সমস্যা দেখা দেয়।

৩) টুইজার ও রেজর
ভ্রুর সঠিক শেপ ধরে রাখার জন্য অনেকেই টুইজার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই টুইজার শেয়ার করাও হতে পারে মারাত্মক ক্ষতিকর। যখন টুইজার দিয়ে ভ্রু তোলা হয় তখন মাইক্রস্কোপিক পরিমাণের হলেও রক্ত বের হয় যা টুইজারে থেকে যায়। এতে করে অনেক ধরণের রোগাক্রান্ত হতে পারেন। একই জিনিস ঘটে রেজরের বেলায়। পায়ের লোম তোলার সময় চামড়া কেটে রক্ত লাগতে পারে রেজরেও।
৪) লিপগ্লস
লিপগ্লসের ব্রাশ সবসময়েই একটি ভেজা স্থানে থাকে যা ব্যাকটেরিয়া উৎপাদনের জন্য অনেক বেশি উপযোগী। একই ব্রাশ অনেকে শেয়ারের কারণে নানা ধরণের রোগ ছড়িয়ে পড়ে দেহে।
৫) মেকআপ ব্রাশ
একজনের মেকআপ ব্রাশ আরেকজন ব্যবহারে কারণে একজনের ত্বকের সমস্যা অন্য জনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। কারণ খুব স্বাভাবিক ভাবেই মেকআপ ব্রাশ নিয়মিত ধোয়ার ঝামেলায় যান না কেউই। এতে করে ব্যাকটেরিয়া আটকে থাকে।

অলিভ অয়েল দিয়ে রূপচর্চার সঠিক ৮টি উপায়অলিভ অয়েলের উপকারিতা সম্পর্কে কমবেশি আমরা সবাই জানি। প্রতিদিনের জীবনে আমরা বিভিন্ন...
22/11/2014

অলিভ অয়েল দিয়ে রূপচর্চার সঠিক ৮টি উপায়

অলিভ অয়েলের উপকারিতা সম্পর্কে কমবেশি আমরা সবাই জানি। প্রতিদিনের জীবনে আমরা বিভিন্ন উপায়ে অলিভ ওয়েল ব্যবহার করে থাকি। রূপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও রান্নায়ও এর ব্যবহার অতুলনীয়। আপনি জানেন তো অলিভ অয়েল দিয়ে রূপচর্চা করার সঠিক উপায়? তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় অলিভ অয়েলের দারুণ ৮ টি ব্যবহার সম্পর্কে।

শরীরে ও মুখের ত্বকে ম্যাসাজ করুন
হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন, তারপর তুলাতে সামান্য অলিভ অয়েল লাগিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ১০-১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে তা দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন তারপর একটি শুকনো তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। গোসল করার পর সামান্য পানির সাথে অলিভ ওয়েল মিশিয়ে নিন তারপর সারা শরীরে ম্যাসেজ করুন। দারুণ ময়েসচারাইজারের কাজ করবে।

ত্বকের বলিরেখা দূর করতে
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের কপালে, চোখের পাশে ও নিচে চামড়ায় হালকা ভাঁজ দেখা দেয়। এই বলিরেখা সরাতে ২ চামচ অলিভ অয়েলের সাথে সামান্য এলোভেরা অয়েল মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করুন।

চুলের সৌন্দর্যে
আপনি চুলের যত্নেঅ অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। একটি ডিম নিয়ে তাতে ২ চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ভালমত ফেটিয়ে নিন তারপর পেস্টটি আপনার চুলে লাগিয়ে নিন। ২০-৩০ মিনিট পর হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন আপনার চুল উজ্জ্বল হবে।

মেকআপের সময়
নারীরা যখন সাজসজ্জা করেন তখন অনেকেই ফেইস মেকআপ এর জন্য ফাউণ্ডেশন ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু আপনি যদি ফাউণ্ডেশন মুখে দেয়ার আগে তাতে ১-২ ফোঁটা অলিভ অয়েল মুখে দেন, তাহলে ফাউণ্ডেশন দেয়ার পর আপনার ত্বক খুব উজ্জ্বল দেখাবে। তবে এটা কেবল শুষ্ক ত্বকের জন্য প্রযোজ্য।

মেকআপ পরিষ্কার করতে
আমরা অনেকেই মুখ থেকে মেকআপ তুলতে রীতিমত ত্বকের সাথে যুদ্ধ করি। কিন্তু অলিভ অয়েল দিয়ে খুব সহজেই মুখের সমস্ত মেকআপ তুলে নেয়া যায়। তাই যখন মেকআপ তুলবেন তখন কটন বল নিয়ে তাতে সামান্য অলিভ অয়েল নিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন, দেখবেন সমস্ত মেকআপ উঠে যাবে।

ঠোঁটের যত্নে
লিপবাম, ভেসলিন তো আমরা অনেকেই ঠোঁটে ব্যবহার করি। কিন্তু এর বদলে অলিভ অয়েলও ব্যবহার করতে পারি। রাতে ঘুমানোর আগে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে ঠোঁট পরিষ্কার করে তারপর ঠোঁটে অলিভ ওয়েল লাগান। তাছাড়া ঠোঁটে লিপস্টিক লাগানোর আগেও সামান্য অলিভ অয়েল দিয়ে নিতে পারেন, ঠোঁট নরম থাকবে।

পায়ের যত্নে
পায়ের যত্নে অলিভ অয়েলের ব্যবহার অতুলনীয়। প্রতিদিনই পায়ের উপর আমাদের অনেক চাপ পড়ে, তাছাড়া অনেকেই হিল ব্যবহার করে থাকেন তখন পায়ে ব্যথা হয়। তাই আরাম পেতে ও পায়ের যত্নে ১ চামচ লবণ নিয়ে তাতে পরিমাণ মত অলিভ ওয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করুন ও পায়ে ম্যাসাজ করুন।

ওজন কমাতে
শরীরের ওজন কমাতে আপনি অলিভ অয়েল খেতেও পারেন। সকালে নাস্তার আগে ২ চামচ অলিভ ওয়েল খেয়ে নিন, এতে আপনার হজম শক্তি বাড়বে। এবং নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ওজন কমতে সহায়তা করবে।

http://bangla.amitumi.com/2014/11/%E0%A6%85%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AD-%E0%A6%85%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0/ #

অলিভ অয়েলের উপকারিতা সম্পর্কে কমবেশি আমরা সবাই জানি। প্রতি

মেয়েদের মধ্যে নিতম্ব বড় করার হিড়িককালের কণ্ঠ অনলাইনশেয়ার - মন্তব্য (14) - প্রিন্টঅঅ-অ+ব্যায়ামাগারে নারীদের নিতম্ব বড় কর...
21/11/2014

মেয়েদের মধ্যে নিতম্ব বড় করার হিড়িক
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার - মন্তব্য (14) - প্রিন্ট

অঅ-অ+

ব্যায়ামাগারে নারীদের নিতম্ব বড় করার ব্যায়ামের চাহিদা বাড়ছে হুড়হুড়িয়ে। অনেকে সহজ পন্থা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন অস্ত্রোপচার। আর ফোম দেওয়া প্যান্টিতো আছেই। উদ্দেশ্য একটাই, নিতম্ব বড় করা।
নিতম্ব বড় করলে তার সৌন্দর্য বাড়ে কিনা বলা মুশকিল। তবে মার্কিন মুল্লুকে এখন নতুন ট্রেন্ড নিতম্ব। আর এই ট্রেন্ডের শুরুটা করিয়ে দিয়েছেন নিকি মিনাজ আর কিম কারদাশিয়ানের মতো তারকারা। ফলে নারীরা এখন ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন নিজেদের নিতম্বের আকার বাড়ানোর প্রতি।
'অ্যানাকোন্ডা' অ্যালবামের রিলিজের সময় নিজের বাড়ন্ত নিতম্ব প্রদর্শন করে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেন মিনাজ। আর গত সপ্তাহে পেপার ম্যাগাজিনের জন্য তোলা ছবিতে নিজের নিতম্ব পুরোটাই নগ্ন করে দিয়েছেন কিম কারদাশিয়ান। এমনকি নিতম্বের ওপর শ্যাম্পেন গ্লাস রেখে সেটিতে বিশেষ কৌশলে শ্যাম্পেনও ঢেলেছেন তিনি। তাঁর এসব ছবি এখন ইন্টারনেটে উড়ে বেড়াচ্ছে ট্রেন্ডি ফটো হিসেবে।
এদিকে, নিতম্বের এই প্রদর্শনী অনেকের ব্যবসাও বাড়িয়ে দিয়েছে। হালের খবর হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যায়ামগারগুলোতে নাকি নারীর আগমন বাড়ছে। তাদের উদ্দেশ্য ব্যায়াম করে নিতম্বের আকার আরো বড় করতে হবে, করতে হবে আরো আকর্ষণীয়।
পাশাপাশি ফোম দেওয়া প্যান্টির বিক্রিও বাড়ছে হুড়হুড়িয়ে। 'বুটি পপ' নামক অনলাইনে অন্তর্বাস বিক্রয়কারী একটি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় তাদের বিক্রি বেড়েছে ৪৭ শতাংশ। শুধু তাই নয়, চলতি বছর ফোম লাগানো প্যান্টি এত বিক্রি হয়েছে যে তাদের স্টক শেষ।
বড় নিতম্বের আশায় সার্জারি বা অস্ত্রোপচারেও দ্বিধা করছেন না অনেক নারী। এ ধরনের সার্জারির পেছনে গড়পড়তায় খরচ ১০ থেকে ১৩ হাজার মার্কিন ডলার। কোথাও কোথাও নাকি পেট থেকে চর্বি নিয়ে তা নিতম্বে জোড়া হচ্ছে। কেউ কেউ আবার সস্তায় সার্জারি করতে গিয়ে বিভিন্ন জটিলতায় পড়ছেন। তবুও থামছে না এই চর্চা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটা পরিবর্তনের হাওয়া। এখন নাকি মেয়েদের স্তনের বদলে নিতম্বের দিকেই অনেকের নজর যায় বেশি। তাই এই পরিবর্তন। আর এই পরিবর্তন শুধু মার্কিন মুল্লুকে নয়, দেখা দিয়েছে ফ্রান্সেও।
ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী জঁ ক্লোদ কাউফমান বলেন, "ইউরোপ, বিশেষ করে ফ্রান্সে স্তনের বদলে নিতম্ব প্রদর্শনের চর্চা বাড়ছে। এটাকে ল্যাটিন আমেরিকার প্রভাব বলা যেতে পারে। পাশাপাশি বিয়ন্সে আর রিহানার মতো তারকাদের অবদানও কম নয়।''

http://www.kalerkantho.com/online/miscellaneous/2014/11/20/153281

ব্যায়ামাগারে নারীদের নিতম্ব বড় করার ব্যায়ামের চাহিদা বাড়ছে হুড়হুড়িয়ে। অনেকে সহজ পন্থা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন অস্ত্রোপচার। আর ফোম দেওয়া প্যান্টিতো

08/11/2014

শীতে গোড়ালি ফাঁটা প্রতিরোধের কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি

শীতে আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে যায়। এ কারণে অনেকের গোড়ালিতে ফাটল দেখা দেয়। ঘরোয়া পদ্ধতিতে পায়ের গোড়ালি ফাটা দূর করার কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো।

লেবু, লবণ, গ্লিসারিন ও গোলাপ-পানির তৈরি মাস্ক

একটি বালতি বা গামলায় কুসুম গরম পানি নিয়ে সেখানে সামুদ্রিক লবণ, লেবুর রস, গ্লিসারিন এবং গোলাপ-পানি মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর ওই পানিতে পা ভিজিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ঝামা বা ‘ফুট স্ক্রাবার’ দিয়ে পায়ের আশপাশে ও ফাটা স্থান ভালোভাবে স্ক্রাব করে নিতে হবে।

স্ক্রাবিং শেষে ১ টেবিল-চামচ গ্লিসারিন, ১ টেবিল-চামচ গোলাপ-পানি ও ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে গোড়ালি ফাটা জায়গায় লাগিয়ে রাখতে হবে সারারাত। এই উপকরণ আঠালো তাই চাইলে ঘুমানোর আগে মোজা পরে ঘুমানো যেতে পারে।

সবশেষে সকাল বেলা হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেললেই পা দেখাবে মসৃণ ও ফাটলমুক্ত। কিছুদিন পর পর এই পদ্ধতিতে পা পরিষ্কার করলে উপকার পাওয়া যাবে।

ভেজিটেবল অয়েল

সাধারণত পায়ের গোড়ালি শুষ্ক হয়ে গেলে গোড়ালি ফেটে যায়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে নিচের পদ্ধতি খুবই কার্যকরী।

প্রথমে পা পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর গোড়ালির ফেটে যাওয়া জায়গায় ভেজিটেবল অয়েল লাগিয়ে একজোড়া মোটা মোজা পরে সারারাত রেখে দিতে হবে। সকালবেলা কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে নিলেই গোড়ালির ফাটল কমে আসবে।

কলা দিয়ে তৈরি মাস্ক

একটি পাকাকলা চটকে নিয়ে পুরো পায়ে এবং গোড়ালিতে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

এছাড়া কলার সঙ্গে অ্যাভোকাডো মিশিয়েও মাস্ক তৈরি করা যায়।

একটি পাকাকলার সঙ্গে অর্ধেক অ্যাভোকাডো ফল বা খানিকটা নারিকেলের শাঁস ব্লেন্ড করে ঘন পেস্ট করে নিতে হবে। তারপর সেটা গোড়ালির ফেটে যাওয়া জায়গায় লাগিয়ে নিতে হবে।

অ্যাভোকাডো ফল ও নারিকেলে আছে প্রয়োজনীয় তেল, ভিটামিন ও চর্বি। তাই এসব উপাদানের তৈরি পেস্ট পায়ে লাগালে গোড়ালি থাকবে মসৃণ ও কোমল।

ভ্যাসলিন ও লেবুর রস

গোড়ালি পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে হালকা গরম পানিতে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর ১ টেবিল-চামচ ভ্যাসলিন ও ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রণ শুকনা পা ও গোড়ালির ফেটে যাওয়া স্থানে ত্বক শুষে না নেওয়া পর্যন্ত ঘষতে হবে।
এই মিশ্রণ রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে একজোড়া পশমের মোজা পরে নিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। পশমের মোজা শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখবে এবং এতে মিশ্রণটির কার্যকারীতে বাড়াবে। সকালে উঠে ভালো মতো ধুয়ে ফেলতে হবে।

মধু

মধুতে আছে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করার উপাদান। এছাড়াও মধু ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

কুসুম গরম পানিতে ১ কাপ মধু মিশিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ফাটা গোড়ালির চামড়া নরম হয়ে এলে হালকা ভাবে পা ঘষে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে পায়ের রুক্ষ ত্বক কোমল ও নমনীয় হবে। আর নিয়মিত ব্যবহারে পা ফাটাও কমে আসবে।

চালের গুঁড়া

ত্বকের মরা চামড়া দূর করতে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য চালের গুঁড়ার জুড়ি নেই। ২ বা ৩ টেবিল-চামচ চালের গুঁড়ার সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু ও আপল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। পায়ের গোড়া বেশি শুষ্ক হলে এই মিশ্রণের সঙ্গে অলিভ অয়েল বা কাজুবাদামের তেল মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

হালকা গরম পানিতে ১০ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে মিশ্রণটি দিয়ে পা স্ক্রাব করে নিলেই ত্বকের মৃতকোষ দূর হয়ে যাবে।

অলিভ অয়েল

প্রাকৃতিক উপায়ে গোড়ালি স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করতে অলিভ অয়েল বেশ কার্যকারী।

একটি তুলার বলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অলিভ অয়েল নিয়ে হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পায়ে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর একজোড়া মোজা পরে ১ ঘন্টা অপেক্ষা করে পা ধুয়ে ফেলতে হবে।

এছাড়া অন্য আরেকটি পদ্ধতিতেও অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যায়।

১টি ছোট বোতলে ১ টেবিল-চামচ অলিভ অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার বা লেমন অয়েল ও সমপরিমাণ পানি ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।

এই মিশ্রণ ফুট ক্রিম হিসেবে রাতে বা দিনে কয়েকবার করে পায়ে ব্যবহার করা যাবে।

ওটমিল

ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে চালের গুঁড়ার মতোই কাজ করে ওটমিল। ১ টেবিল-চামচ ওটমিলের সঙ্গে খানিকটা জুজুবা তেল মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে।

এই মিশ্রণ পুরো পায়ে লাগিয়ে ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে। বিশেষ করে ফাটা অংশে। এরপর আধা ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। মিশ্রণ শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

শীতে আদ্রতা কমে যাওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক হওয়া ও ফেটে যাওয়াসহ নানান সমস্যা দেখা দেয়। তাই এ সময় ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখতে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।

তাছাড়া খারযুক্ত সাবান ব্যবহার থেকেও বিরত থাকা ভালো। বরং মাইল্ড ক্লিনজার ব্যবহার করে ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত।

08/11/2014

মুখে দুর্গন্ধ?? দূর করা সম্ভব একটু সতর্ক হলেই

সুন্দর চেহারা, মিষ্টি হাসি… অথচ তারপরও অনেকে কাছে আসতে চায় না৷ তার ওপর এই না আসার কারণটাও কেউ বলে না সরাসরি৷ মুখে গন্ধ! চলুন, এর কারণ ও দূর করার কিছু উপায় জেনে নেওয়া যাক৷

সবসময় শুধু সুন্দর মুখই যথেষ্ট নয়
মিষ্টি মুখ আর সুন্দর হাসি থাকলে এই ছবিটির মতোই হওয়ার কথা তাই নয় কি? তবে অনেকক্ষেত্রেই তা হয় না শুধুমাত্র মুখের দুর্গন্ধের কারণে৷ অথচ কিছুটা সতর্ক হলেই কিন্তু এর থেকে মুক্তি পেয়ে আবারো সবার প্রিয় হয়ে ওঠা সম্ভব!

জিব
দুর্গন্ধ যুক্ত নিঃশ্বাসের কারণ ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে জিবের ওপর বাসা বাঁধা জীবাণু৷ তবে অনেকের জিব দেখে প্রথমে বোঝা না গেলেও, ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, ব্যাকটেরিয়াযুক্ত জিবে রুক্ষতা ও অসমতা রয়েছে৷

প্রধান কারণ
মুখে দুর্গন্ধের প্রধান কারণগুলো হচ্ছে নিয়মিত মুখ, দাঁত, মাড়ি ও জিবের যত্ন না নেওয়া৷ যাঁরা নিয়মিত ওষুধ খান, তাঁদের তা থেকেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে৷ কারণ ওষুধ সেবন মুখের লালা উৎপাদন কমিয়ে ফেলে, বলেন মিউনিখ শহরের ফার্মাসিস্ট ক্রিটিয়ানে শল্টেন৷

জিবের স্তর
জিবে জমা হয় তিন রকমের ব্যাকটেরিয়ার স্তর আর সেই স্তর থেকে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়৷ তাই ডাক্তারদের কথায়, ভালো করে মুখ পরিষ্কার করা প্রয়োজন৷ তবে শুধু দাঁত পরিষ্কার করা যথেষ্ট নয়৷ প্রতিদিন ভালোভাবে, অর্থাৎ ছবিতে যেভাবে দেখানো হচ্ছে ঠিক সেভাবে জিব পরিষ্কার করতে হবে৷ তবে সেটা করতে হবে জিবে কোনোরকম আঘাত না দিয়ে৷
দাঁতের ফাঁক
দাঁতের ফাঁকে যেসব খাবার জমে থাকে, সেগুলো খুব ভালো করে পরিষ্কার করা দরকার৷ জমে থাকা খাবার থেকে দুর্গন্ধ বের হয়৷ তাই প্রতিদিন সকাল এবং রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে যত্ন করে মুখ পরিষ্কার করতে হবে৷ ভালো হয় যদি যে কোনো কিছু খাওয়ার পরপরই মুখ পরিষ্কার করা যায়৷

ডাক্তারি পরামর্শ
মুখের যাঁদের দুর্গন্ধ রয়েছে, তাঁদের প্রথমেই আলোচনা করা দরকার দাঁতের ডাক্তারের সাথে৷ কারণ তিনিই সমাধান খুঁজে দেবেন৷ মুখে দুর্গন্ধ পেট বা লিভারের কোনো সমস্যার কারণে হতে পারে৷ তাই প্রয়োজনে দাঁতের ডাক্তার অন্য ডাক্তারের কাছেও পাঠাতে পারেন৷ দুর্গন্ধের সঠিক কারণ খুঁজে পেলেই যে সঠিক চিকিৎসা সম্ভব!

ছোট থেকেই শিক্ষা
বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই শেখানো প্রয়োজন কীভাবে দাঁত এবং মাড়ি পরিষ্কার করতে হয়৷ প্রতিদিন সকালে এবং রাতে অবশ্যই দাঁত ও জিব ব্রাশ করা প্রয়োজন, ঠেক যেমন প্রতিদিন শরীর ঠিক রাখতে খাওয়া-দাওয়া দরকার৷

সহযোগিতা
মুখে দুর্গন্ধের বিষয়টি নিয়ে কেউ কথা বলে না৷ অথচ এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় যদি যাঁর সমস্যা, তাঁকে কোনোরকম আঘাত না দিয়ে সরাসরি সুন্দরভাবে বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করা যায় বা পরামর্শ দেওয়া যায়৷

চুইংগাম
সাময়িকভাবে মুখের গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে বিভিন্ন ধরণ এবং স্বাদের চুইংগাম৷ তাছাড়া শুকনো জিবে মুখের লালা উৎপাদনেও কিছুটা ভূমিকা রাখে চুইংগাম৷

শক্ত দাঁত ও মাড়ি
ঝকঝকে শক্ত দাঁত ও মাড়ি হলেই শুধু এ রকম তাজা কচকচে আপেলের পুরো স্বাদ গ্রহণ করা সম্ভব৷ এর জন্য অবশ্য যথেষ্ট ফলমূল এবং সবজিও খেতে হবে, যাতে করে পেট পরিষ্কার থাকে৷ তাছাড়া দিনে অন্তত দশ গ্লাস পানি খাওয়া প্রয়োজন৷ এই পরামর্শই দিয়ে থাকেন বিশেজ্ঞরা৷

07/11/2014

মানসিক/শারীরিকভাবে অসুখী? সামান্য ভুলবোঝাবুঝির জন্য ভেঙ্গে যাচ্ছে সম্পর্ক? আমাদের সাথে পরামর্শ করে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখুন। আগ্রহী হলে মেসেজ করুন। ১০০ ভাগ গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।

06/11/2014

নারীদের ক্লান্তিতে ভোগার ৭টি কারণ ও সমাধান
আপনি প্রায়ই রাত জাগেন অথচ খুব সকালেই আপনাকে হয়তো অফিসে বসের মুখোমুখি হতে হয়। রাত জাগার এ ক্লান্তি দূর করতে আপনাকে হয়তো প্রায় সময়ই অতিরিক্ত কফি পান করতে হয় এবং যত চেষ্টাই করুন না কেন আপনার হয়তো কোনো রাতেই পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে না।
এমন কিছু অপ্রকাশ্য শারীরিক অসঙ্গতি আপনার এই ক্লান্তির জন্য দায়ী যা আপনি হয়তো অনুমানও করতে পারেন না । এমনকি খাদ্যাভ্যাস কিংবা ব্যায়ামের অভ্যাসও হতে পারে ক্লান্তির মূল কারণ।
এই ক্লান্তির রহস্য খুঁজে বের করা ও তার সমাধানের বিষয়ে এখানে রয়েছে কার্যকরী ৭টি উপায়, যা আপনাকে কর্মোদ্যম ও প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর করে তুলবে, ঠিক যেমনটি আপনি চান।
১. আপনি কি পানিশূন্যতায় ভুগছেন?rupcare_tired woman1
দ্যা জার্নাল অব নিউট্রিশন পত্রিকার একটি গবেষণায় দেখা যায়, বেশিরভাগ স্বাস্থ্যবতী নারীই তাদের শরীরের চাহিদার মোট ১.৫ ভাগ পানিও পান করেন না। গবেষকরা লক্ষ্য করেন, নিওরনের হাইপোথ্যালামাস, অর্থাৎ মস্তিষ্কের যে অংশ আপনার শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে- সেটি পানীয় জলের চাহিদা না মেটানো পর্যন্ত অবিরত বার্তা পাঠাতে থাকে যা কিনা আপনার ক্লান্ত অনুভূতি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট।
সমাধান:
দৈনিক কমপক্ষে আট গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করুন। যদিও, আপনি কি পরিমাণ পানি পান করবেন তার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিমাপ নেই কেন না আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে আপনার শরীরে পানির চাহিদা পরিবর্তিত হয়। ফলে, যখনই তৃষ্ণা অনুভব করবেন তখনই পান করুন। শিকাগো স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পুষ্টি বিজ্ঞানি ড. জিনা সারশিও বলেন, প্রতি তিন ঘণ্টায় যদি একবার অন্তত মলত্যাগের প্রয়োজন অনুভূত হয় এবং তার রঙ যদি প্রায় স্বচ্ছ দেখা যায় তবেই আপনি কেবল ধরে নিতে পারেন শরীরে পানির চাহিদা যথেষ্ট পূরণ হয়েছে।
২. অপর্যাপ্ত ভিটামিন বি ১২
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা সচল রাখতে এবং রক্তের লোহিত কণা তৈরি করতে ভিটামিন বি ১২ ভূমিকা রাখে। সেই সাথে, রক্তের মধ্য দিয়ে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের সরবরাহ করে এই ভিটামিন। এটি মূলত প্রাণীজ আমিষের ভেতরে বেশি পাওয়া যায়। ফলে, নিরামিষাসীরা ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে ভুগতে পারেন। এই ভিটামিনের অভাবে ক্লান্তিজনিত কারণে আপনি মাথা ঘুরে পড়েও যেতে পারেন বলে জানান ড. সারশিও।
সমাধান:
যদি একই সাথে ক্লান্তি, বিস্মৃতি, অস্থিরতা এবং শরীরের কিছু স্থানে অসারতা অনুভব করেন, তাহলে আপনি নিশ্চিন্তে এর কারণ হিসেবে ভিটামিন বি ১২-এর অভাবকে দায়ী করতে পারেন। ফলে, আপনি দ্রুত একজন ডাক্তার কিংবা পুষ্টিবিদের সঙ্গে আলাপ করুন। আপনার হয়তো ১০০ থেকে ৫০০ মি. গ্রা. পর্যন্ত ভিটামিন সেবন করতে হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে ড. সারশিও বলেন, এই ভিটামিন বড়িগুলো প্রয়োজনমতো দ্রুতই আপনার ক্লান্তিকে দূর করবে, যদি আপনার শরীরে তার ঘাটতি থেকে থাকে। তবে, বি ১২ ভিটামিনের ঘাটতি না থাকলে এটা কোনো কাজই দেবে না। অর্থাৎ, ক্যাফেইনের মতো যেকোনো অবস্থাতেই আপনার ক্লান্তি দূর করার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়।
৩. কাজের চাপে যখন বিপর্যস্ত
সাধারণত, দৈনন্দিন কাজের সাথে তাল মিলিয়ে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা সকালে সর্বোচ্চ কর্মক্ষম থাকে এবং বেলা বাড়ার সাথে সাথে দুর্বল হয়ে পরে। কিন্তু টরেন্টোর ন্যাচারোপ্যাথিক স্ট্রেস মেডিসিনের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মার্ক বাবস বলেন, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ আপনার শরীরের স্ট্রেস হরমোনকে নাজেহাল কিংবা অকর্মন্য করে ফেলতে পারে। যার কারণে রাত বাড়তে থাকলেও আপনার ঘুম না আসা কিংবা ঘুমের মধ্যে হাঁটার মতো অসুস্থতা আপনাকে পেয়ে বসতে পারে।
সমাধান:
আপনি চাপের কারণ মোকাবিলা করতে না পারলেও আপনার প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তনের মাধ্যমে চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে মেডিটেশন একটি অত্যন্ত কার্যকর উপায়। দিনে মাত্র ১৫ মিনিটের একটি মেডিটেশনের অভ্যাস আপনার দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ থেকে অনেকটাই হালকা করে দিতে পারে।

06/11/2014

যে ৭টি খাবার পিরিয়ডের সময় নারীর জন্য জরুরী
পিরিয়ডের সময় বিশেষ খাবার? খাওয়া দূরে থাক, শিরোনাম পড়েই অস্বস্তিতে ভুগতে শুরু করেছেন অনেক নারী। আমাদের দেশে মেয়েরা অনেক বড় বড় অসুখও যেখানে লজ্জায় লুকিয়ে রাখেন, সেখানে পিরিয়ডের সময় খাওয়া দাওয়ার দিকে মনযোগ দেয়ার ব্যাপারটা তো কারো মাথাতেই আসবে না। তবে সত্যটা হচ্ছে, পিরিয়ডের এই ৩-৫ দিন অনেকটা রক্ত বের হয়ে যায় শরীর থেকে, আর তাই অবশ্যই শরীরের চাই বিশেষ খাবার। তা না হলে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে দুর্বল হয়ে পড়বেন, দেখা দেবে নানান শারীরিক সমস্যা।
আসুন, জেনে নিই পিরিয়ডের সময় কোন খাবারগুলো নারীর জন্য খুব জরুরী।
১) পানি
একথা ভুলে গেলে চলবে না যে কেবল রক্তপাত নয়, সেই সাথে শরীর হারাচ্ছে অনেক খানি তরল। আর এই অভাব পূরণ করতে পান করতে হবে প্রচুর পানি। না, পানীয় নয়। সাধারণ পানি। চা, কফি, কোলা ইত্যাদির চাইতে অনেক বেশী স্বাস্থ্যকর সাধারণ পানি। হালকা কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন, এতে পেট ব্যথায় আরাম হবে।
২) মাছ
বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এবং এগুলো পিরিয়ড চলাকালীন শরীরের ক্ষয় পূরণ করে এবং ব্যথা কমাতেও ভূমিকা রাখে। পিরিয়ডের সময় মাছ খেতে ভুলবেন না যেন। সামুদ্রিক মাছ খেলে আরও ভালো।
৩)কলা
হ্যাঁ, কলা। পিরিয়ডের দিনগুলিতে কলা খেতে ভুলবেন না একেবারেই। কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস, যা পিরিয়ডের সময় আপনার জন্য জরুরী। এই কলা পিরিয়ডকালীন বিষণ্ণতা কমাতেও সহায়ক। তাছাড়া পিরিয়ডের সময় অনেক নারীই ডায়রিয়াতে ভুগে থাকেন, যা দূর করতে সাহায্য করবে এই কলা।
৪) লাল মাংস
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয় পিরিয়ডের সময়ে, যা পূরণ করবে লাল মাংস। চর্বি ছাড়া লাল মাংস অবশ্যই রাখুন খাবারের তালিকায়, সাথে রাখুন প্রচুর সালাদ। শরীর থাকবে সুস্থ।
৫) বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার
বাদাম ভর্তি নানান রকম ভিটামিন ও মিনারেলে যা পিরিয়ডের সময় শরীরের জন্য ভালো। তবে খেয়াল রাখবেন, বাজারের বাড়তি লবণে ভাজা বা চিনিতে জড়ানো বাদাম খাবেন না। চীনা বাদাম, কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি তো খেতে পারেনই। সাথে বীজ কুমড়ার বীজ সহ নানা ধরণের বীজ রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়।
৬) ডার্ক চকলেট
পিরিয়ডের সময় প্রতিদিন কয়েক টুকরো ডার্ক চকলেট হতে পারে আপনার জন্য দারুণ উপকারী। ডার্ক চকলেটে চিনি নেই, ফলে ওজন বাড়বে না। বরং আছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম। এই চকলেট পিরিয়ড চলাকালীন বিষণ্ণতাও দূর করবে।
৭) সবুজ শাক
সবুজ শাক ও সালাদের পাতা জাতীয় খাদ্য এই মুহূর্তে আপনার সবচাইতে বেশী প্রয়োজন। এতে আছে প্রচুর আয়রন, যা শরীরের ক্ষয় পূরণে সহায়তা করবে। অবশ্যই প্রতি বেলার খাবারে রাখুন সবুজ পাতা, যেমন- বিভিন্ন ধরণের শাক ও সালাদ লিফ।

Address

Bogra City
Puran Bogra
5800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Botanika Herbal Clinic And Farmese posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category