আরোগ্য নিকেতন

আরোগ্য নিকেতন Homeopathy- Hijama- Healthy Lifestyle

28/01/2026
28/01/2026

পরিকল্পিত ডায়েট এর পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি ঔষধ ও হিজামার মাধ্যমে শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা খুব সহজে নিয়ন্ত্রন করা যায়।

🩸 হিজামা হলো রাসূল ﷺ এর প্রিয় চিকিৎসা পদ্ধতি। এটি শুধু শরীরকে সুস্থ রাখে না, বরং মানসিক প্রশান্তিও আনে।🌿 হিজামার প্রমাণ...
07/09/2025

🩸 হিজামা হলো রাসূল ﷺ এর প্রিয় চিকিৎসা পদ্ধতি। এটি শুধু শরীরকে সুস্থ রাখে না, বরং মানসিক প্রশান্তিও আনে।

🌿 হিজামার প্রমাণিত উপকারিতাসমূহ:

🔹 ব্যথা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর:
মাইগ্রেন, কোমর ব্যথা, গাঁটের ব্যথা, Frozen Shoulder, সায়াটিকা সহ বিভিন্ন ক্রনিক ব্যথায় হিজামা বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর (Journal of Traditional and Complementary Medicine, 2016).

🔹 ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে:
হিজামা রক্তে WBC (শ্বেত রক্ত কণিকা) ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়ায়, ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় (Evidence-Based Complementary and Alternative Medicine, 2015).

🔹 রক্তচাপ ও হার্টের স্বাস্থ্যে উপকারী:
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে হিজামা উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ব্লাড সার্কুলেশন উন্নত করতে সাহায্য করে (BMC Complementary Medicine and Therapies, 2019).

🔹 ত্বক ও হরমোনের ভারসাম্য আনে:
ব্রণ, সোরিয়াসিস, চুল পড়া, একজিমা ইত্যাদিতে উপকারী। হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

🔹 ডিটক্সিফিকেশন (বিষাক্ত উপাদান বের করা):
রক্তের ইউরিক অ্যাসিড, ট্রাইগ্লিসারাইড ও টক্সিন কমাতে হিজামা কার্যকর (Journal of Acupuncture and Meridian Studies, 2012).

🔹 মানসিক স্বাস্থ্যে উপকার:
হিজামা এন্ডরফিন নিঃসরণ বাড়ায়, যার ফলে মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা ও অনিদ্রায় উপকারী।

📖 রাসূল ﷺ বলেছেন:
"নিশ্চয়ই হিজামার মধ্যে রয়েছে শিফা (আরোগ্য)।"
(সহিহ বুখারি: ৫৬৯৬, সহিহ মুসলিম: ১৫৭৭)

✨ হিজামা শুধু সুস্থতার চিকিৎসা নয়, বরং এটি সুন্নাহ অনুযায়ী বরকতময় ইবাদতও বটে।

হিজামার অ্যাপয়েনমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ -
01722302480
01718665433

🏨 আরোগ্য নিকেতন, H/No -, মহিলা কলেজ রোড, কাদিরগঞ্জ, রাজশাহী।

#হিজামা
#সুন্নাহচিকিৎসা
#কাপিংথেরাপি




#ইসলামিকচিকিৎসা



রাসূল ﷺ বলেছেন:"তোমরা হিজামা করো ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে।"(সুনান আবু দাউদ: 3861, ইবনে মাজাহ: 3486)🌿 সুন্নাহ তারিখে হিজামা করা...
14/08/2025

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমরা হিজামা করো ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে।"
(সুনান আবু দাউদ: 3861, ইবনে মাজাহ: 3486)
🌿 সুন্নাহ তারিখে হিজামা করানোর উপকারিতা-
✅ সুন্নাহ অনুসরণ ও সওয়াব – নবী ﷺ আমল অনুযায়ী কাজ করার সওয়াব। (বুখারি: 5697)
✅ রক্ত পরিশুদ্ধি – দূষিত ও বিষাক্ত রক্ত অপসারণ, রক্ত সঞ্চালন উন্নত। (মুসনাদ আহমদ: 11637)
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি – ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় হয়।
✅ মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন উপশম – রাসূল ﷺ নিজেও মাথাব্যথায় হিজামা করাতেন। (বুখারি: 5701)
✅ ব্যথা ও প্রদাহ কমানো – জয়েন্ট, পিঠ ও মাংসপেশির ব্যথা উপশমে সহায়ক।
✅ হরমোন ভারসাম্য রক্ষা – শরীরের হরমোন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
✅ মানসিক প্রশান্তি ও ভালো ঘুম – উদ্বেগ ও অনিদ্রা কমায়।
✅ শরীরের শক্তি বৃদ্ধি – ক্লান্তি দূর করে সতেজতা আনে।
✅ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা – রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে।
✅ জিন, জাদু ও বদনজর মুক্তি – রুকইয়াহ শরীয়াহর সাথে করলে আল্লাহর ইচ্ছায় জিন, জাদু ও বদনজরের প্রভাব দূর করতে সহায়ক।
🩸 হিজামা = সুন্নাহ + স্বাস্থ্যের সুরক্ষা।
সুন্নাহ তারিখে হিজামা করানোর বৈজ্ঞানিক ও প্রাকৃতিক কারণ –
১। চাঁদের আকর্ষণ শক্তি - কুরআনে আল্লাহ বলেন, “আর চাঁদকে আমি নির্ধারিত পর্যায়ে রেখেছি…” (সূরা ইয়াসীন: ৩৯)
চাঁদের মহাকর্ষ পৃথিবীর সমুদ্র ও জলরাশিতে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি করে। মানুষের শরীরেও ৬০–৭০% পানি থাকার কারণে এই প্রভাব রক্তপ্রবাহে পৌঁছায়।
সূত্র: National Geographic – “Moon’s Gravitational Pull and Tides”
২। পূর্ণিমার পরে রক্তপ্রবাহ পরিবর্তন- পূর্ণিমার সময় রক্তচাপ ও সঞ্চালন শীর্ষ পর্যায়ে থাকে। এরপর ১৭ তারিখ থেকে রক্তের বিষাক্ত উপাদান শরীরের তুলনামূলক শান্ত স্থানে জমতে শুরু করে, বিশেষত দুই স্ক্যাপুলার মাঝে।
সূত্র: Jouvet, M. & Gélieu de Font, "Lunar Influence on Biological Rhythms", R***e Neurologique, 1965
৩। দূষিত রক্ত অপসারণের উপযুক্ত সময়- ১৭–২১ তারিখে হিজামা করলে এই জমে থাকা বিষাক্ত রক্ত সহজে বের হয়ে আসে। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন “সবচেয়ে উপকারী হিজামা হলো মাসের মধ্যভাগের পর।” (আত-তিব্ব আন-নাবাবি)
সূত্র: Dr. Sahih Al-Khudri, Prophetic Medicine and Modern Science
৪। ভুল সময়ের ক্ষতিঃ ১৩–১৫ তারিখে (পূর্ণিমার সময়) হিজামা করলে নতুন রক্তকোষ বের হয়ে শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সূত্র: Dr. Ayman Sayed, Lunar Phases and Cupping Therapy Efficiency, Journal of Islamic Medicine, 2014
৫।আল্লাহর রহমত- নবী ﷺ আমাদের এমন সময় হিজামার নির্দেশ দিয়েছেন, যখন তা সবচেয়ে উপকারী এবং ক্ষতির ঝুঁকি নেই।
হাদিস: “যে হিজামা করল ১৭, ১৯ বা ২১ তারিখে, সে মৃত্যু ছাড়া সকল রোগ থেকে শেফা লাভ করল।” (আবু দাউদ: 3861)
হিজামার জন্য যোগাযোগ -
01722302480
“আরোগ্য নিকেতন” , H/No- 215, মহিলা কলেজ রোড, কাদিরগঞ্জ ,রাজশাহী।

রাসূল ﷺ বলেছেন:"তোমরা হিজামা করো ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে।"(সুনান আবু দাউদ: 3861, ইবনে মাজাহ: 3486)🌿 সুন্নাহ তারিখে হিজামা করা...
14/08/2025

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমরা হিজামা করো ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে।"
(সুনান আবু দাউদ: 3861, ইবনে মাজাহ: 3486)

🌿 সুন্নাহ তারিখে হিজামা করানোর উপকারিতা-

✅ সুন্নাহ অনুসরণ ও সওয়াব – নবী ﷺ আমল অনুযায়ী কাজ করার সওয়াব। (বুখারি: 5697)
✅ রক্ত পরিশুদ্ধি – দূষিত ও বিষাক্ত রক্ত অপসারণ, রক্ত সঞ্চালন উন্নত। (মুসনাদ আহমদ: 11637)
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি – ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় হয়।
✅ মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন উপশম – রাসূল ﷺ নিজেও মাথাব্যথায় হিজামা করাতেন। (বুখারি: 5701)
✅ ব্যথা ও প্রদাহ কমানো – জয়েন্ট, পিঠ ও মাংসপেশির ব্যথা উপশমে সহায়ক।
✅ হরমোন ভারসাম্য রক্ষা – শরীরের হরমোন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
✅ মানসিক প্রশান্তি ও ভালো ঘুম – উদ্বেগ ও অনিদ্রা কমায়।
✅ শরীরের শক্তি বৃদ্ধি – ক্লান্তি দূর করে সতেজতা আনে।
✅ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা – রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে।
✅ জিন, জাদু ও বদনজর মুক্তি – রুকইয়াহ শরীয়াহর সাথে করলে আল্লাহর ইচ্ছায় জিন, জাদু ও বদনজরের প্রভাব দূর করতে সহায়ক।

🩸 হিজামা = সুন্নাহ + স্বাস্থ্যের সুরক্ষা।

সুন্নাহ তারিখে হিজামা করানোর বৈজ্ঞানিক ও প্রাকৃতিক কারণ –

১। চাঁদের আকর্ষণ শক্তি - কুরআনে আল্লাহ বলেন, “আর চাঁদকে আমি নির্ধারিত পর্যায়ে রেখেছি…” (সূরা ইয়াসীন: ৩৯)
চাঁদের মহাকর্ষ পৃথিবীর সমুদ্র ও জলরাশিতে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি করে। মানুষের শরীরেও ৬০–৭০% পানি থাকার কারণে এই প্রভাব রক্তপ্রবাহে পৌঁছায়।
সূত্র: National Geographic – “Moon’s Gravitational Pull and Tides”

২। পূর্ণিমার পরে রক্তপ্রবাহ পরিবর্তন- পূর্ণিমার সময় রক্তচাপ ও সঞ্চালন শীর্ষ পর্যায়ে থাকে। এরপর ১৭ তারিখ থেকে রক্তের বিষাক্ত উপাদান শরীরের তুলনামূলক শান্ত স্থানে জমতে শুরু করে, বিশেষত দুই স্ক্যাপুলার মাঝে।
সূত্র: Jouvet, M. & Gélieu de Font, "Lunar Influence on Biological Rhythms", R***e Neurologique, 1965

৩। দূষিত রক্ত অপসারণের উপযুক্ত সময়- ১৭–২১ তারিখে হিজামা করলে এই জমে থাকা বিষাক্ত রক্ত সহজে বের হয়ে আসে। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন “সবচেয়ে উপকারী হিজামা হলো মাসের মধ্যভাগের পর।” (আত-তিব্ব আন-নাবাবি)
সূত্র: Dr. Sahih Al-Khudri, Prophetic Medicine and Modern Science

৪। ভুল সময়ের ক্ষতিঃ ১৩–১৫ তারিখে (পূর্ণিমার সময়) হিজামা করলে নতুন রক্তকোষ বের হয়ে শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সূত্র: Dr. Ayman Sayed, Lunar Phases and Cupping Therapy Efficiency, Journal of Islamic Medicine, 2014

৫।আল্লাহর রহমত- নবী ﷺ আমাদের এমন সময় হিজামার নির্দেশ দিয়েছেন, যখন তা সবচেয়ে উপকারী এবং ক্ষতির ঝুঁকি নেই।
হাদিস: “যে হিজামা করল ১৭, ১৯ বা ২১ তারিখে, সে মৃত্যু ছাড়া সকল রোগ থেকে শেফা লাভ করল।” (আবু দাউদ: 3861)

হিজামার জন্য যোগাযোগ -
01722302480
“আরোগ্য নিকেতন” , H/No- 215, মহিলা কলেজ রোড, কাদিরগঞ্জ ,রাজশাহী।

রাসূল ﷺ বলেছেন:"তোমরা হিজামা করো ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে।"(সুনান আবু দাউদ: 3861, ইবনে মাজাহ: 3486)🌿 সুন্নাহ তারিখে হিজামা করা...
10/08/2025

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"তোমরা হিজামা করো ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে।"
(সুনান আবু দাউদ: 3861, ইবনে মাজাহ: 3486)

🌿 সুন্নাহ তারিখে হিজামা করানোর উপকারিতা-

✅ সুন্নাহ অনুসরণ ও সওয়াব – নবী ﷺ আমল অনুযায়ী কাজ করার সওয়াব। (বুখারি: 5697)
✅ রক্ত পরিশুদ্ধি – দূষিত ও বিষাক্ত রক্ত অপসারণ, রক্ত সঞ্চালন উন্নত। (মুসনাদ আহমদ: 11637)
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি – ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় হয়।
✅ মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন উপশম – রাসূল ﷺ নিজেও মাথাব্যথায় হিজামা করাতেন। (বুখারি: 5701)
✅ ব্যথা ও প্রদাহ কমানো – জয়েন্ট, পিঠ ও মাংসপেশির ব্যথা উপশমে সহায়ক।
✅ হরমোন ভারসাম্য রক্ষা – শরীরের হরমোন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
✅ মানসিক প্রশান্তি ও ভালো ঘুম – উদ্বেগ ও অনিদ্রা কমায়।
✅ শরীরের শক্তি বৃদ্ধি – ক্লান্তি দূর করে সতেজতা আনে।
✅ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা – রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে।
✅ জিন, জাদু ও বদনজর মুক্তি – রুকইয়াহ শরীয়াহর সাথে করলে আল্লাহর ইচ্ছায় জিন, জাদু ও বদনজরের প্রভাব দূর করতে সহায়ক।

🩸 হিজামা = সুন্নাহ + স্বাস্থ্যের সুরক্ষা।

সুন্নাহ তারিখে হিজামা করানোর বৈজ্ঞানিক ও প্রাকৃতিক কারণ –

১। চাঁদের আকর্ষণ শক্তি - কুরআনে আল্লাহ বলেন, “আর চাঁদকে আমি নির্ধারিত পর্যায়ে রেখেছি…” (সূরা ইয়াসীন: ৩৯)
চাঁদের মহাকর্ষ পৃথিবীর সমুদ্র ও জলরাশিতে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি করে। মানুষের শরীরেও ৬০–৭০% পানি থাকার কারণে এই প্রভাব রক্তপ্রবাহে পৌঁছায়।
সূত্র: National Geographic – “Moon’s Gravitational Pull and Tides”

২। পূর্ণিমার পরে রক্তপ্রবাহ পরিবর্তন- পূর্ণিমার সময় রক্তচাপ ও সঞ্চালন শীর্ষ পর্যায়ে থাকে। এরপর ১৭ তারিখ থেকে রক্তের বিষাক্ত উপাদান শরীরের তুলনামূলক শান্ত স্থানে জমতে শুরু করে, বিশেষত দুই স্ক্যাপুলার মাঝে।
সূত্র: Jouvet, M. & Gélieu de Font, "Lunar Influence on Biological Rhythms", R***e Neurologique, 1965

৩। দূষিত রক্ত অপসারণের উপযুক্ত সময়- ১৭–২১ তারিখে হিজামা করলে এই জমে থাকা বিষাক্ত রক্ত সহজে বের হয়ে আসে। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন “সবচেয়ে উপকারী হিজামা হলো মাসের মধ্যভাগের পর।” (আত-তিব্ব আন-নাবাবি)
সূত্র: Dr. Sahih Al-Khudri, Prophetic Medicine and Modern Science

৪। ভুল সময়ের ক্ষতিঃ ১৩–১৫ তারিখে (পূর্ণিমার সময়) হিজামা করলে নতুন রক্তকোষ বের হয়ে শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সূত্র: Dr. Ayman Sayed, Lunar Phases and Cupping Therapy Efficiency, Journal of Islamic Medicine, 2014

৫।আল্লাহর রহমত- নবী ﷺ আমাদের এমন সময় হিজামার নির্দেশ দিয়েছেন, যখন তা সবচেয়ে উপকারী এবং ক্ষতির ঝুঁকি নেই।
হাদিস: “যে হিজামা করল ১৭, ১৯ বা ২১ তারিখে, সে মৃত্যু ছাড়া সকল রোগ থেকে শেফা লাভ করল।” (আবু দাউদ: 3861)

হিজামার জন্য যোগাযোগ -
01722302480
“আরোগ্য নিকেতন” , H/No- 215, মহিলা কলেজ রোড, কাদিরগঞ্জ ,রাজশাহী।





Address

H/No/215, Women's College Road
Rajshahi
6100

Telephone

+8801718665433

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আরোগ্য নিকেতন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share