Zaman Pathology & Counselling Centre

Zaman Pathology & Counselling Centre There is treatment available to you. Let us know what you need.

30/11/2025

আমাদের মস্তিষ্কের একটি অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য হলো, দুঃখের স্মৃতি অনেকদিন ধরে মনে রাখি, কিন্তু আনন্দের স্মৃতি খুব তাড়াতাড়ি ভুলে যেতে থাকি।

একটা খারাপ কথা, প্রিয় মানুষের থেকে পাওয়া কষ্ট, রিজেকশন, অপমান-বছর পরেও মনের ভেতর কেমন একটা চাপা অনুভূতি রেখে যায়।

কিন্তু কেউ প্রশংসা করলো, হাসালো, ভালোবাসা দিলো, ভালো ব্যবহার, ভালো মুহূর্ত কিছুদিন গেলেই ভুলে যায়।

এটা আমাদের মস্তিষ্কের ন্যাচারাল সেটআপ।

গবেষণায় দেখা যায়, মানুষের মস্তিষ্ক negative memory বিশ্লেষণে amygdala নামের অংশ অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে।

এই কারণে খারাপ অভিজ্ঞতা long-term memory হিসেবে জমা হয়ে যায়।

Evolutionary psychology বলে, আমাদের পূর্বপুরুষদের বেঁচে থাকার জন্য বিপদকে বেশি মনে রাখা জরুরি ছিল, তাই danger-related স্মৃতি মস্তিষ্ক বেশি গুরুত্ব দিয়ে জমা রাখে।

অন্যদিকে positive স্মৃতি ধরে রাখতে আমাদের মস্তিষ্ক conscious effort চায়।

মানে, ভালো কিছু ঘটে গেলেই মস্তিষ্ক তা নিজে থেকে বেশি সময় ধরে রাখে না।

আমাদেরই সচেতনভাবে ভালো মুহূর্তগুলো স্মৃতিতে জায়গা করে দিতে হয়, যেমন-

➤ প্রতিদিন ছোট ছোট ভালো ঘটনা মনে করার অভ্যাস
➤ কৃতজ্ঞতা চর্চা (gratitude practice)
➤ জার্নালিং
➤ নিজের ভালো মুহূর্ত replay করা
➤ কারো সাথে আনন্দের স্মৃতি শেয়ার করা

যদি আমরা প্রতিদিন অন্তত ১০–২০ সেকেন্ড ভালো মুহূর্তগুলো নিয়ে intentionally ভাবি, তাহলে সেগুলো মস্তিষ্কের long-term storage-এ জমা হতে শুরু করে।

ভালো থাকতে চাইলে শুধু ভালো মুহূর্ত তৈরি করাই যথেষ্ট না, সেগুলো মনে রাখার mental habit-ও গড়ে তুলতে হবে।

জীবন বদলাতে শুরু করে তখনই, যখন আমরা শুধুমাত্র কষ্ট নয়, আনন্দকেও গুরুত্ব দিয়ে স্মৃতিতে ধরে রাখতে শিখি।

19/11/2025

শিশু অক্ষর বা শব্দের সঠিক উচ্চারণ করতে পারছে (ABC বলতে পারছে, rhymes বলতে পারছে), কিন্তু সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করে কথা বলছে না। আসুন ধাপে ধাপে বিষয়টি বিশ্লেষণ করি:

---

১. বয়সের মানদণ্ড অনুযায়ী সাধারণ ভাষার বিকাশ

৩ বছর বয়সে শিশুর ভাষা: সাধারণত ৩ বছরের শিশুরা ছোট ছোট বাক্য ব্যবহার করতে পারে, যেমন ২–৩টি শব্দের সংমিশ্রণ (“আমি খাই”, “বাবা যাও”)।

৪–৫ বছর বয়সে শিশুর ভাষা: শিশু সাধারণত ৪–৫ শব্দের বাক্য গঠন করতে পারে, সহজ প্রশ্ন করতে পারে, এবং গল্প বলতে পারে।

আপনার বর্ণনা অনুযায়ী, যদি শিশু শব্দ বা রাইম বলতে পারে কিন্তু বাক্য তৈরি করতে না পারে, তবে এটি কিছুটা দেরি (delay) নির্দেশ করতে পারে। তবে সব শিশুর বিকাশের গতি একরকম হয় না।

---

২. সম্ভাব্য কারণ

স্পিচ ডিলে (Speech Delay): শব্দের উচ্চারণ ঠিক থাকলেও বাক্য গঠন বা ভাষা ব্যবহার দেরিতে শুরু হতে পারে।

লগ্নভিত্তিক বা সুনির্দিষ্ট শিক্ষাগত অভ্যাসের অভাব: বেশি কথোপকথন বা গল্প শোনা না থাকলে বাক্য গঠন দেরি হতে পারে।

শোনা বা বোধগম্যতার সমস্যা (Hearing/Comprehension issues): কখনও কখনও শিশু শুনতে ঠিকমত না পারলে বাক্য গঠন ধীরে হয়।

অটিজম স্পেকট্রাম বা অন্যান্য বিকাশগত সমস্যা: যদি সামাজিক যোগাযোগ বা দৃষ্টান্ত অনুসরণেও সমস্যা থাকে, তবে আরও মনোযোগ দিতে হবে।

---

৩. করণীয় (ঘরোয়া পদ্ধতি)

1. বক্তৃতার অনুশীলন

দিনে ৫–১০ মিনিট গল্প বলুন, ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন করুন (“এটা কী করছে?”)

সহজ বাক্য থেকে শুরু করে শিশুকে পুনরায় বলাতে উৎসাহ দিন।

2. গান ও রাইম ব্যবহার করুন

রাইম বা ছোট গান শিশুদের বাক্য গঠনে সাহায্য করে।

3. সক্রিয় শোনার অভ্যাস তৈরি করুন

শিশুর কথায় মন দিন, ভুল থাকলেও সংশোধন করার চেষ্টা করুন, শোনার অভ্যাস বৃদ্ধি করুন।

4. কথোপকথনে অংশগ্রহণ বাড়ান

“কি হলো?” “কি খেলছো?” ইত্যাদি প্রশ্ন করে সহজ বাক্যে উত্তর দিতে উৎসাহ দিন।

---

৪. পেশাদার সহায়তা

যদি ৩–৪ বছর বয়সে শিশু এখনও বাক্য গঠন না করে, বিশেষ করে ২–৩ শব্দের সংমিশ্রণও না করে, তবে স্পিচ থেরাপিস্ট বা শিশুর বিকাশ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

শোনার পরীক্ষাও করানো ভালো হবে, যাতে শোনার সমস্যা আছে কিনা নিশ্চিত করা যায়।

---

সংক্ষেপে:
শব্দ বলা বা রাইম বলা ঠিক আছে, তবে বাক্য তৈরি না করা সাধারণভাবে দেরির লক্ষণ হতে পারে। ঘরোয়া অনুশীলনের মাধ্যমে অনেক শিশু দ্রুত উন্নতি করতে পারে, কিন্তু প্রফেশনাল চেকআপ নেওয়া আরও নিরাপদ।

👏শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করুন

19/11/2025

✏️✏️✏️ বাচ্চা ক্লাসে মনোযোগী হয় না?৪–৬ বছর বয়সী বাচ্চাদের ক্লাসে মনোযোগ বাড়ানোর ১৮টি কার্যকর টিপসঃ

১. স্কুল শুরু হওয়ার আগে বাসায় ছোট ছোট ফোকাস এক্টিভিটি প্র্যাকটিস করান।
এতে বাচ্চা কিছুক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজ করার অভ্যাস তৈরি করবে।

২. ছোটবেলা থেকেই নির্দিষ্ট জায়গায় বসে খাবার খেতে অভ্যস্ত করুন।
এটি শৃঙ্খলা, কমান্ড ফলো করা এবং সেলফ কন্ট্রোল—সবকিছুর বেস তৈরি করে।

৩. লাল–হলুদ–সবুজ ধরনের কমান্ড ফলো করার ড্রয়িং বা কালার এক্টিভিটি করুন।
এতে নির্দেশ শোনা, বোঝা এবং সঙ্গে সঙ্গেই কাজ করার অভ্যাস তৈরি হয়।

৪. গল্পে গল্পে বুঝিয়ে বলুন কেন ক্লাসে নিয়ম মানতে হয়। বাচ্চা যখন কারণটা বুঝবে, তখন স্বাভাবিকভাবেই নিয়ম মেনে চলতে চাইবে।

৫. যখনই কোনো এক্টিভিটি করাবেন, চারপাশ শান্ত রাখুন। অনেকেই রান্নাঘর, টিভির পাশে বা শব্দের মধ্যে বাচ্চাকে এক্টিভিটি করান—এতে মনোযোগ ভেঙে যায়।

৬. অনলাইন ক্লাস হলে নির্দিষ্ট ‘ক্লাস স্পট’ ঠিক করে দিন। ক্লাস চলাকালীন পরিবারের অন্যরাও শান্ত থাকবে—এটা আগে থেকেই জানিয়ে দিন।

৭. শুয়ে, সোফায় বা ডাইনিং টেবিলে ক্লাস না করিয়ে বয়স অনুযায়ী স্টাডি টেবিল ব্যবহার করান।
নির্দিষ্ট জায়গা মানে নির্দিষ্ট কাজ—এমন মাইন্ডসেট তৈরি হয়।

৮. ক্লাসের আগে নাস্তা/স্ন্যাকস সেরে নিন।
ক্লাসের মাঝে খাওয়া দিলে মনোযোগ নষ্ট হয়।

৯. ছোট রুটিন তৈরি করুন।
এই বয়সে নিয়মিত রুটিন মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। ছোট একটা রীডিং কর্ণার বা স্টাডি কর্ণার তৈরি করতে পারলে বেশি ভালো।

১০. ক্লাসের আগে ১–২ মিনিট ‘শান্ত বসা’ প্র্যাকটিস করান। গভীর শ্বাস বা চোখ বন্ধ করে গণনা—ফোকাস মুড তৈরি করে।

১১. ৬–১০ মিনিটের ছোট টাস্ক দিন। এ বয়সে অতিরিক্ত সময় মনোযোগ ধরে রাখবেনা এটাই স্বাভাবিক। তাই ক্লাস শুরুর বেশ কিছুদিন আগে থেকেই শুরু করুন।ধীরে ধীরে মনোযোগের সময় সীমা বাড়বে।

১২. খেলার মাধ্যমে শেখাতে চেষ্টা করুন। রঙ, ছবি, লাইন ট্রেসিং, মুভমেন্ট—সেরা রেজাল্ট দেয়।

১৩. মনোযোগে সাহায্য করবে এমন লাইট মুভমেন্ট দিন। ২ মিনিট জাম্পিং/স্ট্রেচিং করলে ব্রেইন আরও অ্যাকটিভ হয়।

১৪. দৃষ্টির সামনে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে দিন।খেলনা ও মোবাইল চোখের আড়ালে রাখুন।

১৫. ভালো করলে সঙ্গে সঙ্গে ছোট প্রশংসা দিন।
পজিটিভ রিইনফোর্সমেন্ট = পরেরবার আরও ভালো ফোকাস।

১৬. কাজের পর ২ মিনিট ফ্রি-প্লে দিন।
ব্রেইন রিল্যাক্স হয়ে আবার ফোকাস করতে পারে।

১৭. স্ক্রিন টাইম কমিয়ে দিন।
ক্লাসের অন্তত ১ ঘন্টা আগে স্ক্রিন বন্ধ রাখুন।

১৮. আপনার আচরণ শান্ত ও ধৈর্যশীল রাখুন।
বাচ্চা সবকিছু অনুকরণ করে—আপনার টোনই তার শেখা।

আমরা চেষ্টাটুকুই করতে পারি।চেষ্টা কখনও বিফলে যায়না।সুতরাং নো এক্সকিউজ প্লিজ।

জাকারিয়া সরকার
Child Psychologist

19/11/2025

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে কিছু ভুল, প্রচলিত ও ভুলবোঝাবুঝির ধারণা রয়েছে, যা মানুষকে সাহায্য নিতে বাধা দেয়। নিচে সবচেয়ে সাধারণ ধারণাগুলো তুলে ধরা হলো:
✅ মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রচলিত ভুল ধারণা

1. “মানসিক রোগ মানে পাগল”

অনেকে মনে করেন মানসিক সমস্যা মানেই পাগলামি। আসলে উদ্বেগ, হতাশা, ওভারথিংকিং, ট্রমা—এসব সাধারণ মানসিক সমস্যা, যেগুলো চিকিৎসা ও সহায়তায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

2. “মন খারাপ হলে নিজেরাই ঠিক হয়ে যায়”

মানসিক রোগও শারীরিক রোগের মতোই চিকিৎসাযোগ্য। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

3. “মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা দুর্বলতার লক্ষণ”

এটি ভুল। স্ট্রেস, ট্রমা, হরমোন, পরিবেশ, জিনগত কারণ—সবই প্রভাব ফেলতে পারে। এটি কোনো দুর্বলতা নয়।

4. “ছেলেদের মানসিক সমস্যা হয় না”

অনেকেই মনে করেন ছেলেরা কাঁদে না বা মানসিকভাবে ভাঙে না। কিন্তু গবেষণা বলে—পুরুষরাও সমানভাবে মানসিক সমস্যায় ভোগে, শুধু প্রকাশ করতে ভয় পায়।

5. “সাইকোলজিস্টের কাছে যাওয়া মানে বড় সমস্যা আছে”

আসলে মানসিক চাপ বা ছোট একটি দুশ্চিন্তা নিয়েও পেশাদারের সাহায্য নেওয়া স্বাভাবিক। যেমন শারীরিক সমস্যায় ডাক্তার দেখানো হয়।

6. “ওষুধ নিলে অভ্যাস হয়ে যায়”

সব মানসিক রোগে ওষুধ লাগে না। আর লাগলে ডাক্তার নির্ধারিত ডোজে নিলে আসক্তি হয় না।

7. “মানসিক সমস্যা পরিবারে লজ্জার বিষয়”

এটা ভুল ধারণা। মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা ঠিক ততটাই বাস্তব যতটা ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ।

8. “শুধু দুর্বল মনের মানুষই ডিপ্রেশনে ভোগে”

যেকোনো মানুষই হতাশা বা উদ্বেগে ভুগতে পারে—শক্তিশালী, সফল, শিক্ষিত, যেকেউ।

9. “প্রার্থনা বা ইবাদত করলেই সব ঠিক হয়ে যায়”

ইবাদত মানসিক শান্তি দেয়, কিন্তু চিকিৎসা বা কাউন্সেলিং সমান গুরুত্বপূর্ণ। দুটোই একসাথে করা যায়।

জাকারিয়া সরকার
Child Psychologist

27/10/2025
Zaman Pathology & Counselling Centre এর পরিচালক সাইকিয়াট্রিস্ট Dr Rakibuzzaman Chowdhury Saikat
24/10/2025

Zaman Pathology & Counselling Centre এর পরিচালক সাইকিয়াট্রিস্ট Dr Rakibuzzaman Chowdhury Saikat

সন্তানকে পরিবারের অংশ বানাতে তাকে তার বয়স অনুযায়ী দায়িত্ব দিন।কারণ, দায়িত্ব পেলে যখন সে সেই কাজটা করে, তখন সে নিজেকে গুর...
24/10/2025

সন্তানকে পরিবারের অংশ বানাতে তাকে তার বয়স অনুযায়ী দায়িত্ব দিন।কারণ, দায়িত্ব পেলে যখন সে সেই কাজটা করে, তখন সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শেখে—ভাবতে শুরু করে, সে এই পরিবারেরই অংশ।

আমরা অনেক সময় সন্তানকে শুধু আদর করি, ভালোবাসি, সব কিছু তার জন্য করে দিই। কিন্তু ভুলে যাই—ভালোবাসার পাশাপাশি দায়িত্ব শেখানোও একধরনের যত্ন।
যে সন্তান কখনও কোনো কাজের দায়িত্ব নেয় না, সে বড় হয়ে “আমি পারবো না” কথাটা সহজেই বিশ্বাস করে।
আর যে সন্তান ছোটবেলা থেকেই নিজের কাজের অংশ নেয়, সে জানে—“আমি চাইলে পারি।”

দায়িত্ব মানে ভার নয়—এটা হলো অংশগ্রহণের অনুভূতি।
যখন আপনি বলেন, “তুমি গাছটায় পানি দেবে”, বা “তুমি তোমার নিজের ব্যাগটা গুছিয়ে রাখবে”—
তখন আপনি শুধু একটা কাজ দিচ্ছেন না, আপনি তাকে বিশ্বাস দেখাচ্ছেন।

এভাবেই একটা শিশু ধীরে ধীরে নিজের ভেতর আত্মবিশ্বাস তৈরি করে।
সে শিখে যায়—পরিবার মানে শুধু ভালোবাসা না, এটা একটা দল, যেখানে সবার ভূমিকা আছে।
এবং যখন সে দেখে তার কাজকে মূল্য দেওয়া হচ্ছে, প্রশংসা করা হচ্ছে, তখন তার মধ্যে দায়িত্ববোধটা আরও বেড়ে যায়।

আজ থেকেই চেষ্টা করুন—সন্তানকে শুধু আদরের মধ্যে না রেখে, তাকে পরিবারের কাজের ভেতর সামান্য ভূমিকা দিন।
কারণ ছোট ছোট দায়িত্বই বড় মানুষ তৈরি করে।
আর দায়িত্বের মধ্য দিয়েই সন্তান বুঝতে শেখে—
“আমি এই পরিবারের অংশ, আমি গুরুত্বপূর্ণ।” ❤️

✍️✍️কলমে--তাহমিনা আক্তার লিলি।



জাকারিয়া সরকার
Child Psychologist
শিশু বিকাশ কেন্দ্র রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

চেম্বার Zaman Pathology and Counseling Center, Rajshahi
WhatsApp 01719-341435

Address

23, Greater Road,
Rajshahi
6000

Telephone

+8801723300778

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zaman Pathology & Counselling Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram