Dr. Alamgir Reza Skin and Sex Research Centre

Dr. Alamgir Reza Skin and Sex Research Centre Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Alamgir Reza Skin and Sex Research Centre, Doctor, Laxmipur, Rajpara, Rajshahi.

ডাঃ আলমগীর রেজা স্কিন এন্ড সেক্স রিসার্চ সেন্টার।
কনসালটেন্টঃ ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা,
চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য) ডিডিভি (চর্ম ও যৌন রোগ)
এমএসিপি (আমেরিকা)
ফেলো ইন ডার্মাটো সার্জারী

Hair Fall Before–After | PRP Result by Dr Alamgir Reza-ডাঃ আলমগীর রেজা স্কিন এন্ড সেক্স রিসার্চ সেন্টারকনসালটেন্ট: ডা: ম...
28/11/2025

Hair Fall Before–After | PRP Result by Dr Alamgir Reza
-
ডাঃ আলমগীর রেজা স্কিন এন্ড সেক্স রিসার্চ সেন্টার
কনসালটেন্ট: ডা: মুহা: আলমগীর রেজা
চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ডিডিভি (চর্ম ও যৌন রোগ) এমএসিপি (আমেরিকা)
ফেলো ইন ডার্মাটো সার্জারী
এ্যাডভান্স ট্রেনিং ইন সেক্সুয়াল মেডিসিন ( SAASM)
মেম্বার সোরিয়াসিস এওয়ারনেস ক্লাব
চর্ম ও যৌন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
চেম্বার: রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শেরশাহ রোড, লক্ষীপুর, রাজশাহী।
সময়: প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা
📞 ফোন: 01739-959893
সোশ্যাল মিডিয়া লিংক:
YouTube Channel: https://youtube.com/
Instagram: https://instagram.com/dralamgirreza
TikTok: https://www.tiktok.com/
Website: https://dralamgirreza.com/
Email: dralamgirreza@gmail.com
Google Map: https://maps.app.goo.gl/G9EWcPURy2q2yj3K8

28/11/2025

আমাদের অনেকেরই ধারণা, আমরা যখন এন্টিবায়োটিক এর ডোজ অসম্পূর্ণ রাখি (মানে ধরেন, ১০ দিনের কোর্স শেষ না করে ৫ দিন খেয়ে বাদ দেই) তখন, শরীরে বেঁচে যাওয়া প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়াগুলো এই এন্টিবায়োটিক-কে চিনে রাখে। এবং এই এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে ডিফেন্স মেকানিজম ডেভেলপ করে। ফলে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। একই এন্টিবায়োটিকে আর পরবর্তীতে কাজ হয় না।

❌ না, এটা ঠিক এভাবে হয় না।

⭕ তাহলে, আসলে একটা অরগানিজম কিভাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্ট হয়?

(আলোচনার সুবিধার্থে শুধু 'ব্যাকটেরিয়া' এবং 'এন্টিবায়োটিক' নিয়ে কথা বলবো)

☘️ ব্যাকটেরিয়া খুব কম সময়ে reproduce করে। মানে, তাদের cell division খুব দ্রুত হয়। অনেক অনেক পরিমাণে হয়। খুব সামান্য সময়ের মধ্যে মিলিয়ন, বিলিয়ন পরিমাণ হয়ে যায়। এখন এই যে এত পরিমাণ সেল ডিভিশন, এত এত DNA replication হয়, তাতে তো কিছু ভুল হয়েই যায়। মানে, কিছু Mutation হয়ে যায়।

এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রাকৃতিক, স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা। (এই যে আমি, আপনি আমরা মানুষ, আমাদেরও সেল ডিভিশন এর সময় কিছু মিউটেশন হয়, যার রেট খুব কম। কিন্তু হয়)।

এখন এই ন্যাচারাল, স্পনটেনাস মিউটেশন- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয় হার্মলেস। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই মিউটেশন এর ফলে ব্যাকটেরিয়া এমন কোনো বৈশিষ্ট্য অর্জন করে, যেটা তাকে কোনো নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধী ক্ষমতা দেয়।

ধরা যাক, আপনার শরীরে একটা infection এর সময় ১টা নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া আছে ১০ মিলিয়ন।
এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর মধ্যে ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টা ব্যাকটেরিয়া মোটামুটি একইরকম।

বাকি ১০ টা ব্যাকটেরিয়াতে এমন কিছু মিউটেশন হইছে, যেগুলোর ফলে সে একটা নতুন এনজাইম তৈরি করতে পারতেছে। যে এনজাইম penicillin antibiotic কে ডেস্ট্রয় করার ক্ষমতা রাখে।

[এখানে উল্লেখ্য যে, আপনি হয়তো জীবনে কোনোদিন পেনিসিলিন ছুঁয়েও দেখেন নি, খাওয়া তো দূরের কথা!]

এখন, এই মাত্র দশটা আলাদা ব্যাকটেরিয়ার এমনিতে আপনার তেমন কোনো ক্ষতি করার সক্ষমতা নাই।

এখন, আপনি যদি পেনিসিলিন খাওয়া শুরু করেন, ধরেন আপনি তিন দিন খাইলেন। সেক্ষেত্রে যারা সবচেয়ে বেশি সেনসিটিভ সেই ব্যাকটেরিয়াগুলো আগে মারা যাবে। যারা আরেকটু টাফ, তারা হয়তো ৫ দিন এন্টিবায়োটিক খেলে মারা যাবে, যারা আরো টাফ তাদেরকে মারতে হয়তো ৭ দিন লাগবে!

আপনি ৫ দিন ওষুধ খেয়ে সিম্পটম কমে গেল (কারণ, মোস্ট সেনসিটিভ ব্যাকটেরিয়াগুলো মারা গেছে)। তাই ওষুধ ছেড়ে দিলেন। এরফলে এখন ধরেন ওই ১০ টা ব্যাকটেরিয়া, যারা নতুন এনজাইম পেয়েছে। তাদের ওপর তো পেনিসিলিন কাজ করবে না।

এতদিন ওই ১০ টা ব্যাকটেরিয়ার কম্পিটিটর ছিল মাঠে। তাদেরকে আরো অনেকের সাথে নিউট্রিশন এর জন্য যুদ্ধ করতে হতো।

কিন্তু এখন মাঠ ফাঁকা। এই রেজিস্ট্যান্ট ১০ টা ব্যাকটেরিয়া এখন সমানে বংশবিস্তার করবে। তখন আপনার শরীরে যা থাকবে, সব পেনিসিলিন রেজিস্ট্যান্ট ভ্যারিয়েন্ট!

এইটাকে ব্যাখ্যা করা যায়, ডারউইন এর ন্যাচারাল সিলেকশন এবং সারভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট দিয়ে।

এই যে ব্যাকটেরিয়া গুলো, যারা এখন বেঁচে আছে ( মিউটেশন এর কারণে), তারা ন্যাচারালি সিলেক্ট হইছে [লটারির মতো অনেকটা]। এটাই হচ্ছে ন্যাচারাল সিলেকশন।
এবং এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে (এন্টিবায়োটিক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিকূল পরিবেশে) এরাই বেঁচে থাকবে, কারণ এরা এই পরিবেশের জন্য ফিট!

⭕ তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়াল এই-
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার আগেই রেজিস্ট্যান্স ডেভেলপ করে। এটা পুরাটাই একটা ন্যাচারাল জিনিস।

🏵️ এখন সম্পূরক প্রশ্ন হতে পারে, যদি এন্টিবায়োটিক না খেলেও রেজিস্ট্যান্স হয়, তাহলে এই যে এন্টিবায়োটিক এর ফুল কোর্স খাওয়া নিয়ে, বা র‍্যাশনাল ইউজ নিয়ে এত কথা হয়, এগুলোর দরকার কী?
না খাইলেও যদি হয়, সেক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক খাওয়া না খাওয়ার সাথে তো রেজিস্ট্যান্সের সম্পর্ক নাই।

🍁 উঁহু! সম্পর্ক আছে।

এই যে আপনি ৭ দিনের জায়গায় ৪ দিন এন্টিবায়োটিক খেয়ে সেন্সিটিভ, দুর্বল ব্যাকটেরিয়াগুলো মেরে ফেলে একটু টাফ ব্যাকটেরিয়ার জন্য মাঠ ফাঁকা করে দিলেন, এটাই আপনার দোষ।

এটাকে বলে selection pressure.

মানে, রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া ছিল ১০ টা। তারা বাকি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টার ভিড়ে কিছু করে উঠতে পারছিল না। আপনি এন্টিবায়োটিক খেয়ে ওই ১০ টার কাজ সহজ করে দিলেন। এখন তারা পুরো জায়গাটা দখল করে নেবে।

⭕ আর ফুল ডোজ এন্টিবায়োটিক শরীরে এমন এক কনসেন্ট্রেশন তৈরি করে যা অনেক সময় ওই অল্প মিউটেটেড 'টাফ' ব্যাকটেরিয়াকেও মেরে ফেলতে পারে, কিন্তু ডোজ মিস দিলে সেই সুযোগটা থাকে না।

☘️ আপনি যদি ভাইরাল ফিভারে হুদাই এন্টিবায়োটিক খান, সেক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। এতে আপনার ভাইরাস তো মরেই না, উল্টো শরীরের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো মরে গিয়ে কিছু মিউটেটেড খারাপ ব্যাকটেরিয়ার জন্য জায়গা করে দেয়।

🌼🌼 আরেকটা বড় সমস্যা হলো, ব্যাকটেরিয়া horizontal gene transfer করতে পারে। মানে, নিজের অস্ত্র সে অন্য ব্যাকটেরিয়াকে দিয়ে দিতে পারে।
conjugation, transduction, transformation নামে কিছু প্রক্রিয়া থাকলেও, মোস্টলি Conjugation (প্লাজমিড দিয়ে pili এর মাধ্যমে) এর মাধ্যমেই এই ঘটনা ঘটে।

অর্থাৎ একটা রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া তার রেজিস্ট্যান্সির জন্য যে জিন সে অর্জন করেছে, সেটা পাশের ব্যাকটেরিয়াকে কোনো মূল্য ছাড়াই গিফট করতে পারে! ফলে সেও রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যায়।

যাহোক, এইটা আরেকটা বড় আলোচনা। সেসব আজ থাক।

💮 আরেকটা ব্যাপার নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝতে পারছি যে, রেজিস্ট্যান্ট হয় ব্যাকটেরিয়া, মানুষ নয়।

এইটাও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা আছে। ১ বছর বয়সী বাচ্চার যখন কালচার সেনসিটিভিটি রিপোর্টে দেখি সব এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট! তখন আমরা অনেক সময় আঁতকে উঠি! হায় হায় এই বাচ্চা তো জীবনে এন্টিবায়োটিকই খায় নাই, ওর এমন রেজিস্ট্যান্স হলো কেমনে!?

না ; বাচ্চা নয়, মানুষ নয়। রেজিস্ট্যান্স হয় ব্যাকটেরিয়া, ফাংগাস, ভাইরাস...।

💐সুতরাং Natural selection আর spontaneous mutation-ই antimicrobial resistance develop করায়, bacteria কোনো antibiotic কে "চিনে নিয়ে" purposefully resistance genes বানায় না।

28/11/2025

সূর্যের আলো আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী, তবে পরিমিতভাবে রোদে থাকা জরুরি। নিচে রোদপোড়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা বাংলায় তুলে ধরা হলো:

---

শারীরিক উপকারিতা

ভিটামিন–ডি উৎপাদন: সূর্যের আলো ত্বকে ভিটামিন–ডি তৈরি করতে সাহায্য করে, যা হাড়ের স্বাস্থ্যে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে গুরুত্বপূর্ণ।

হাড় মজবুত করে: ভিটামিন–ডি হাড় শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং অস্টিওপোরোসিস ও ভাঙনের ঝুঁকি কমায়।

রক্তচাপ কমায়: রোদে থাকার ফলে রক্তচাপ কমতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে: সূর্যের আলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, প্রদাহ কমাতে এবং অটোইমিউন রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

---

মানসিক উপকারিতা

মনের অবস্থা উন্নত করে: সূর্যের আলো সেরোটোনিন হরমোন বাড়ায়, যা মনকে ভালো রাখে এবং বিষণ্ণতার ঝুঁকি কমায়।

নিদ্রা ভালো হয়: সকালে রোদে থাকা ঘুমের নিয়ম ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং ঘুমের মান উন্নত করে।

শক্তি বৃদ্ধি করে: রোদে থাকার ফলে শরীরের শক্তি বাড়ে এবং ক্লান্তি কমে।

---

অন্যান্য উপকারিতা

ত্বকের রোগে উপকার: পরিমিত রোদে থাকা সোরিয়াসিস ও একজিমার মতো ত্বকের রোগের উপসর্গ কমাতে পারে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: গবেষণায় দেখা যায় রোদে থাকা ওজন কমাতে এবং স্থূলতার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

---

নিরাপদে রোদে থাকার নিয়ম

সময়: প্রতিদিন ১০–৩০ মিনিট রোদে থাকা ভালো, বিশেষত সকালে বা বিকেলে।

ত্বকের রং অনুযায়ী সময়: গাঢ় ত্বকের জন্য রোদে থাকতে একটু বেশি সময় লাগে।

সানস্ক্রিন: দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে SPF ৩০ বা তার বেশি ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

প্রটেকশন: ছাতা, টুপি, সানগ্লাস এবং ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করুন।

পিক আওয়ার এড়িয়ে চলুন: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদ বেশি তেজস্ক্রিয় থাকে, তাই এ সময় কম রোদে থাকুন।

---

মনে রাখবেন: পরিমিত রোদে থাকা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু অতিরিক্ত রোদ ত্বকের ক্ষতি করতে পারে, তাই ভারসাম্য রাখা খুব জরুরি।

24/11/2025

সহবাসের পর লিঙ্গে জ্বালাপোড়া খুব সাধারণ একটি সমস্যা—বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাময়িক ও সহজেই ঠিক হয়ে যায়। তবে কারণ বুঝে পদক্ষেপ নিলে দ্রুত ঠিক হয়ে যায়

✅ সম্ভাব্য কারণ

1. অতিরিক্ত ঘর্ষণ (Friction)
2. কনডমের ল্যাটেক্স অ্যালার্জি
3. লুব্রিকেন্ট না ব্যবহার করা
4. ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI)
5. ফাঙ্গাল বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন
6. শুকনো যোনিপথ → পেনিসে ঘর্ষণ হলে

✅ তাৎক্ষণিক করণীয়

১. ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন
২. অ্যালো ভেরা জেল / পিউর জেল লাগাতে পারেন
৩. লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতে পারেন
৪. কনডম বদলাতে পারেন
৫. প্রচুর পানি পান করবেন

যদি প্রস্রাবে ইনফেকশন বা জ্বালা অনুভূত হয়, পানি বেশি খেলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়

⚠ যেগুলো করবেন না

✖ সাবান, লিকুইড ওয়াশ, ডেটল, সাভলন ইত্যাদি লাগাবেন না।

❗ কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে?

যদি জ্বালাপোড়া ২৪–৪৮ ঘণ্টার বেশি থাকে
প্রস্রাব করতে ব্যথা হলে
স্রাব / খোসা ওঠা / লালচে দাগ হলে
সঙ্গীর যোনিতে চুলকানি বা ইনফেকশন থাকলে

22/11/2025

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশি যৌ-ন সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এর প্রভাবে ই-রে-ক-শ-নে সমস্যা, যৌ-ন আগ্রহ ও উত্তে-জনা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

21/11/2025

চুল পড়া, PRP ও বাস্তবতা — আসলে কতটা কাজ করে? | ডা. আলমগীর রেজা
-
আজকের ভিডিওতে চুল পড়া, PRP থেরাপি ও এর বাস্তবতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন
চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুহা. আলমগীর রেজা।

অনেকেই ভাবেন –
➡️ “একবার PRP নিলে কি সব চুল ঠিক হয়ে যাবে?”
➡️ “PRP নিলেই কি টাক সম্পূর্ণ উঠে যাবে?”
➡️ “সবার ক্ষেত্রে কি একই রেজাল্ট আসে?”

এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছেঃ
✅ চুল পড়ার আসল কারণগুলো কী
✅ কোন রোগীর জন্য PRP উপযোগী, আর কার জন্য নয়
✅ কত সেশন লাগতে পারে, কত সময় পরে ফল বোঝা যায়
✅ PRP নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা ও বাস্তব অবস্থা
✅ শুধুই PRP যথেষ্ট কি না — নাকি সাথে জীবনযাপন ও অন্য চিকিৎসাও দরকার

আমরা চেষ্টা করেছি অতিরঞ্জন নয়, বাস্তবতা তুলে ধরতে—
যাতে আপনি সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন।

📍 চেম্বার ও যোগাযোগ

ডা. মুহা. আলমগীর রেজা
চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

চেম্বার:
ডা. আলমগীর রেজা স্কিন অ্যান্ড সেক্স রিসার্চ সেন্টার
রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
শেরশাহ রোড, লক্ষীপুর, রাজশাহী।

🕒 সময়: প্রতিদিন বিকাল ৩টা – রাত ১০টা
📞 ফোন: 01739-959893

#চুলপড়া #চুলেরচিকিৎসা

ভিটিলিগো’র সফল সমাধান।-ডাঃ আলমগীর রেজা স্কিন এন্ড সেক্স রিসার্চ সেন্টারকনসালটেন্ট: ডা: মুহা: আলমগীর রেজাচর্ম ও যৌন রোগ ব...
19/11/2025

ভিটিলিগো’র সফল সমাধান।
-
ডাঃ আলমগীর রেজা স্কিন এন্ড সেক্স রিসার্চ সেন্টার
কনসালটেন্ট: ডা: মুহা: আলমগীর রেজা
চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ডিডিভি (চর্ম ও যৌন রোগ) এমএসিপি (আমেরিকা)
ফেলো ইন ডার্মাটো সার্জারী
এ্যাডভান্স ট্রেনিং ইন সেক্সুয়াল মেডিসিন ( SAASM)
মেম্বার সোরিয়াসিস এওয়ারনেস ক্লাব
চর্ম ও যৌন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
চেম্বার: রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শেরশাহ রোড, লক্ষীপুর, রাজশাহী।
সময়: প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা
📞 ফোন: 01739-959893
সোশ্যাল মিডিয়া লিংক:
YouTube Channel: https://youtube.com/
Instagram: https://instagram.com/dralamgirreza
TikTok: https://www.tiktok.com/
Website: https://dralamgirreza.com/
Email: dralamgirreza@gmail.com
Google Map: https://maps.app.goo.gl/G9EWcPURy2q2yj3K8

13/11/2025

শীতকালে শরীর ফাটা রোগের কারণ ও প্রতিকার
শীতকালে শরীর ফাটা রোগের মূল কারণ হলো ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়া, যা ত্বকের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। প্রতিকার হিসেবে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার, গরম পানি এড়িয়ে চলা, এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ অত্যন্ত কার্যকর।

শীতকাল আমাদের জীবনে একদিকে যেমন প্রশান্তি ও উৎসবের আবহ নিয়ে আসে, অন্যদিকে তেমনি কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যাও বাড়িয়ে তোলে। এর মধ্যে অন্যতম হলো *শরীর ফাটা*, যা মূলত ত্বকের শুষ্কতা ও আর্দ্রতার অভাবে ঘটে। এই সমস্যা শুধু অস্বস্তিকরই নয়, বরং ত্বকের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এই ফিচারে আমরা বিশদভাবে আলোচনা করবো শীতকালে শরীর ফাটা রোগের কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে।

শরীর ফাটা বলতে কী বোঝায়?

শরীর ফাটা বলতে সাধারণত ত্বকে ফাটল, চুলকানি, রুক্ষতা, লালচে দাগ বা কখনো কখনো ব্যথাযুক্ত চামড়ার চিরচিরে ভাবকে বোঝানো হয়। এটি মূলত *ত্বকের বাইরের স্তরের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার ফলে* ঘটে। শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়, ফলে ত্বক তার স্বাভাবিক সিবাম বা তৈলাক্ততা হারায় এবং ফাটতে শুরু করে।

শরীর ফাটার প্রধান কারণসমূহ

১. শুষ্ক আবহাওয়া
শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে, ফলে ত্বক তার প্রাকৃতিক আর্দ্রতা হারায়। এতে ত্বক রুক্ষ ও ফাটলযুক্ত হয়ে পড়ে।

২. গরম পানি দিয়ে গোসল
অনেকে শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল করেন, যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে ফেলে। এতে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়।

৩. অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার
সাবানে থাকা ক্ষারীয় উপাদান ত্বকের সুরক্ষা স্তর নষ্ট করে দেয়, ফলে ত্বক ফাটে।

৪. অপ্রতুল পানি পান
শীতে পানি কম খাওয়া হয়, ফলে শরীরের ভেতর থেকে আর্দ্রতা কমে যায়।

৫. ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব
বিশেষ করে ভিটামিন A, E ও জিঙ্কের অভাবে ত্বক দুর্বল হয়ে পড়ে।

৬. বংশগত কারণ
কারও ত্বক যদি জন্মগতভাবে শুষ্ক হয়, তাহলে শীতকালে ফাটার প্রবণতা বেশি থাকে।

৭. চর্মরোগ বা অ্যালার্জি
একজিমা, সোরিয়াসিস বা অন্যান্য চর্মরোগ থাকলে শীতকালে তা বেড়ে যেতে পারে।

শরীর ফাটার লক্ষণ

– ত্বকে ফাটল বা চিরচিরে দাগ
– চুলকানি ও জ্বালাভাব
– ত্বক রুক্ষ ও খসখসে হয়ে যাওয়া
– লালচে বা বাদামি দাগ
– কখনো রক্তপাত বা ব্যথা

কোন কোন অংশে বেশি ফাটে?

– হাত ও পায়ের পাতা
– গোড়ালি
– ঠোঁট
– কনুই ও হাঁটু
– পিঠ ও কোমরের পাশ

প্রতিকার ও চিকিৎসা

১. ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার
প্রতিদিন গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। যেমন: পেট্রোলিয়াম জেলি, গ্লিসারিন, অলিভ অয়েল, কোকোনাট অয়েল।

২. গরম পানি এড়িয়ে চলুন
হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন এবং গোসলের সময় কমিয়ে দিন।

৩. সাবান বেছে নিন সতর্কভাবে
মাইল্ড বা গ্লিসারিনযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। অ্যান্টিসেপ্টিক বা পারফিউমযুক্ত সাবান এড়িয়ে চলুন।

৪. পানি পান করুন পর্যাপ্ত পরিমাণে
দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

৫. পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন
ভিটামিন A, E, C ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার যেমন: গাজর, বাদাম, ডিম, মাছ, শাকসবজি খাওয়া জরুরি।

৬. ঠোঁটের যত্নে লিপবাম ব্যবহার করুন
ঠোঁট ফাটা রোধে নিয়মিত লিপবাম বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করুন।

৭. চর্মরোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
যদি ফাটা ত্বকে ইনফেকশন বা রক্তপাত হয়, তাহলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ঘরোয়া প্রতিকার

– গোলাপজল ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করুন
এটি ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং ফাটা কমায়।

– দুধ ও মধুর প্যাক
দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ও মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের জন্য উপকারী।

– অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরা ত্বকের জ্বালাভাব কমায় এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

– শীতকালে প্রতিদিন ত্বকের যত্ন নিন
– উলের কাপড়ের নিচে সুতির পোশাক পরুন
– ঘরের ভেতরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন
– ঠান্ডা বাতাসে মুখ ঢেকে রাখুন
– নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করুন, তবে অতিরিক্ত ঘষবেন না

শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা

শিশুদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই তাদের জন্য বিশেষ শিশুদের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে ত্বক পাতলা ও দুর্বল হয়, তাই তাদের জন্যও অতিরিক্ত যত্ন প্রয়োজন।

শীতকালে শরীর ফাটা একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এটি শুধু সৌন্দর্য নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি হতে পারে। তাই *সঠিক যত্ন, পুষ্টি ও সচেতনতা* থাকলে এই সমস্যা সহজেই প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব। ত্বকের যত্নে নিয়মিত অভ্যাস গড়ে তুললে শীতকাল হয়ে উঠবে আরামদায়ক ও সুস্থতার সময়।

13/11/2025

🧠 প্রথমবারের যৌন সম্পর্কে সচেতনতা

অনেকে প্রথমবার যৌন সম্পর্ককে “পারফরম্যান্স” ভেবে নেয় — যেন কিছু প্রমাণ করতে হবে।
কিন্তু আসলে এটি কোনো পারফরম্যান্স নয়, এটি দুইজন মানুষের বোঝাপড়া, সম্মতি ও মানসিক সংযোগের বিষয়।

1️⃣ প্রথমবার সবকিছু নিখুঁত না হওয়াই স্বাভাবিক — এটি শেখার প্রক্রিয়া।
2️⃣ নারী ও পুরুষের শরীর ভিন্নভাবে কাজ করে — ধৈর্য ও সহানুভূতি দরকার।
3️⃣ পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফোরপ্লে বা মানসিক প্রস্তুতি তৈরি করা উচিত।
4️⃣ লুব্রিকেশন বা পিচ্ছিল না থাকলে ব্যথা হতে পারে — তাই তাড়াহুড়া করবেন না।
5️⃣ যৌনতার মান সময়ের উপর নয়, বরং পারস্পরিক আরাম ও ভালোবাসার উপর নির্ভর করে।

12/11/2025

💪 ৩০–৪০ বছর বয়সে দ্রুত বীর্যপাত কমানোর সহজ টিপস:

✅ পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ (Kegel) প্রতিদিন করুন।

✅ মানসিক চাপ কমান, শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন।

✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন—ডিম, মাছ, বাদাম, সবুজ শাকসবজি।

✅ ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।

✅ যৌন সময় Start–Stop বা Squeeze টেকনিক ব্যবহার করুন।

ছোট ছোট পরিবর্তনেই ফিরে আসে নিয়ন্ত্রণ ও আত্মবিশ্বাস। ✨

11/11/2025

দ্বিতীয়বার সহবাসের উপায় 💪
প্রথমবার সহবাসের পর অনেকে ক্লান্তি বা আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণে দ্বিতীয়বার করতে পারেন না। নিচের টিপসগুলো মেনে চললে সহজেই দ্বিতীয়বার সক্ষম হতে পারবেন👇

✅ ১️⃣ বিশ্রাম নিন: প্রথমবার শেষে ৫-১০ মিনিট বিশ্রাম নিন।
✅ ২️⃣ হালকা পানি বা ফল খান: শক্তি ফিরে পেতে সাহায্য করে।
✅ ৩️⃣ মানসিক উদ্দীপনা বজায় রাখুন: সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা ও আগ্রহ বাড়ান।
✅ ৪️⃣ নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান: এতে শরীরের সহনশক্তি বাড়ে।
✅ ৫️⃣ তাড়াহুড়া নয়: স্বাভাবিকভাবে ইচ্ছা ফিরলে দ্বিতীয়বার শুরু করুন।

👉 নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আপনাকে স্বাভাবিকভাবে আরও সক্ষম রাখবে।

09/11/2025

৩টি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও মিনারেল যা হরমোন ব্যালান্সে সাহায্য করে :

হরমোন ইমব্যালান্স শুধুমাত্র period delay বা mood swing-এর কারণ নয় — এটি metabolic rate, fertility, sleep quality এবং emotional well-being এর উপর গভীর প্রভাব ফেলে।
হরমোনগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে গেলে শরীরে কিছু নির্দিষ্ট ভিটামিন ও মিনারেলের পর্যাপ্ততা অত্যন্ত জরুরী -

🔹 ১️. D – The Hormone-like Vitamin
Vitamin D শুধুমাত্র একটি ভিটামিন নয়; এটি আসলে একটি prohormone — অর্থাৎ শরীরে হরমোনের মতো কাজ করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত Vitamin D লেভেল estrogen এবং progesterone হরমোনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে, যা menstrual health ও fertility রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়াও, এটি insulin sensitivity বাড়ায়, inflammation কমায়, এবং thyroid function সাপোর্ট করে — যা হরমোন ব্যালান্সের মূলভিত্তি।

সূর্যের আলো, fortified foods, এবং প্রয়োজনমতো supplement — Vitamin D লেভেল স্বাভাবিক রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

🔹 ২️. Magnesium – The Master Mineral for Hormones
Magnesium ৩০০-এরও বেশি enzymatic reaction-এর জন্য প্রয়োজনীয়, যার মধ্যে অনেকগুলোই হরমোন সংশ্লিষ্ট।
এটি:
✅ Thyroid hormone synthesis এবং conversion (T4 → T3)–এ সাহায্য করে
✅ Estrogen metabolism নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে estrogen dominance এর ঝুঁকি কমায়
✅ Cortisol (stress hormone) নিয়ন্ত্রণে রাখে
✅ Nervous system কে রিল্যাক্স করে, ফলে deep sleep ও mood stability আসে

ঘাটতির সাধারণ লক্ষণ: ঘুমের সমস্যা, ক্লান্তি, anxiety, muscle cramp, PMS।
Dark chocolate, leafy greens, nuts, সেএদস - pumpkin seeds, sessame seeds, chea seeds, flaxseeds এবং whole grains — এগুলো magnesium-এর ভালো উৎস।

🔹 ৩️. Omega-3 Fatty Acids – The Hormone Building Block
Omega-3 ফ্যাটি এসিড হল হরমোন উৎপাদনের অন্যতম প্রধান structural component, বিশেষত estrogen, progesterone, এবং testosterone তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এটি শরীরের chronic inflammation কমায়.।যখন inflammation কমে, তখন insulin, thyroid ও reproductive hormones আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে।
Omega-3 এর সেরা উৎস: fatty fish (salmon, sardine, mackerel), flaxseed, chia seed, এবং fish oil supplement।

হরমোন ব্যালান্স কোনো একদিনে তৈরি হয় না। এটি নির্ভর করে consistent lifestyle, nutrient-dense diet এবং body’s biochemical support-এর উপর।

Address

Laxmipur, Rajpara
Rajshahi

Opening Hours

Monday 14:00 - 22:00
Tuesday 14:00 - 22:00
Wednesday 14:00 - 22:00
Thursday 14:00 - 22:00
Saturday 14:00 - 22:00
Sunday 14:00 - 22:00

Telephone

+8801739959893

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Alamgir Reza Skin and Sex Research Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Alamgir Reza Skin and Sex Research Centre:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category