Doctor Service BD

Doctor Service BD রাজশাহীর সকল বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ ডক্টরের সেবা ও সিরিয়াল নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। Doctor Service BD Provide Doctor & Treatment Related service In Rajshahi
(1)

ফুড পয়জনিং এড়াতে করণীয় ✅নিরাপদ খাবার প্রস্তুত করার অভ্যাসখাবার রান্নার আগে ও পরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া অত্যন্ত জর...
31/01/2026

ফুড পয়জনিং এড়াতে করণীয়

✅নিরাপদ খাবার প্রস্তুত করার অভ্যাস
খাবার রান্নার আগে ও পরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া অত্যন্ত জরুরি। রান্নাঘর পরিষ্কার রাখা, আলাদা কাটিং বোর্ড ব্যবহার করা (মাংস ও সবজির জন্য আলাদা) সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।

✅পরিষ্কার পানি ব্যবহার
সবসময় বিশুদ্ধ ও ফুটানো পানি ব্যবহার করুন। রাস্তার বরফ, অজানা উৎসের পানি পরিহার করুন।

✅খাবার ভালোভাবে রান্না করুন
মাংস, মাছ ও ডিম ভালোভাবে সিদ্ধ বা ভাজা না হলে তা খাওয়া উচিত নয়। আধা-সিদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলুন।

✅খাবার সংরক্ষণের নিয়ম মেনে চলুন
রান্না করা খাবার ২ ঘণ্টার বেশি খোলা রাখবেন না। ফ্রিজে রাখলেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খেয়ে ফেলাই নিরাপদ।

✅বাইরে খাবার খাওয়ার সময় সতর্কতা
রাস্তার খোলা খাবার, কাটা ফল, অপরিষ্কার হোটেলের খাবার এড়িয়ে চলুন। খাবার পরিবেশনের পরিচ্ছন্নতা লক্ষ্য করুন।

✅ফল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে নিন
ফল ও সবজি খাওয়ার আগে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। প্রয়োজনে লবণ বা ভিনেগার পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন।

এন্ডোস্কোপি কী? এন্ডোস্কোপি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলো সরাসরি দেখা হয় একটি পাতলা, নমনীয় টিউ...
31/01/2026

এন্ডোস্কোপি কী?

এন্ডোস্কোপি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলো সরাসরি দেখা হয় একটি পাতলা, নমনীয় টিউবের মাধ্যমে। এই টিউবের মাথায় থাকে ক্যামেরা ও আলো, যা স্ক্রিনে ভেতরের ছবি দেখায়।

এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়—
• রোগ নির্ণয় করতে
• ভেতরের ক্ষত, প্রদাহ বা রক্তপাত দেখতে
• প্রয়োজনে ছোটখাটো চিকিৎসা করতে

এন্ডোস্কোপির ধরনঃ

1) গ্যাস্ট্রোস্কোপি / আপার এন্ডোস্কোপি
মুখ দিয়ে টিউব ঢুকিয়ে খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও ডুওডেনাম দেখা হয়।

2) কোলনোস্কোপি
মলদ্বার দিয়ে টিউব ঢুকিয়ে কোলন ও রেকটাম দেখা হয়।

3) ল্যাপারোস্কোপি
পেটে ছোট ছিদ্র করে ক্যামেরা ঢুকিয়ে ভেতরের অঙ্গ দেখা হয়।

কেন এন্ডোস্কোপি করা হয়?

• দীর্ঘদিনের পেটব্যথা
• বমি, রক্তবমি
• কালো পায়খানা বা রক্তপাত
• গ্যাস্ট্রিক/আলসারের সন্দেহ
• ক্যান্সারের স্ক্রিনিং
• পলিপ বা বিদেশি বস্তু অপসারণ

এন্ডোস্কোপি কি ব্যথা দেয়?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেডেশন বা হালকা ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়।
রোগী ব্যথা অনুভব করেন না, শুধু সামান্য অস্বস্তি হতে পারে।

ঝুঁকি কতটা?

এটি সাধারণত নিরাপদ একটি পদ্ধতি।
তবে খুব কম ক্ষেত্রে হতে পারে—
• হালকা রক্তপাত
• সংক্রমণ
• টিস্যুতে ক্ষত
ঝুঁকি খুবই কম এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকের হাতে এটি অত্যন্ত নিরাপদ।

প্রক্রিয়াটি কতক্ষণ লাগে?

সাধারণত ৫–১৫ মিনিট।
কোলনোস্কোপি একটু বেশি সময় নিতে পারে।

এন্ডোস্কোপির আগে কী করতে হয়?
• ৬–৮ ঘণ্টা না খেয়ে থাকা
• কোলনোস্কোপির ক্ষেত্রে বিশেষ ল্যাক্সেটিভ খেতে হয়
• নিয়মিত ওষুধ সম্পর্কে ডাক্তারকে জানানো জরুরি

সহজ ভাষায় সারসংক্ষেপ
এন্ডোস্কোপি হলো শরীরের ভেতর দেখার একটি নিরাপদ, দ্রুত ও কার্যকর পদ্ধতি।
রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা—দুটোর জন্যই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তরুণ বয়সী নারীদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের হার দ্রুত বাড়ছেএক সময় হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাককে মূলত বয়স্ক পুরুষদের রোগ হিসেবে ব...
30/01/2026

তরুণ বয়সী নারীদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের হার দ্রুত বাড়ছে

এক সময় হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাককে মূলত বয়স্ক পুরুষদের রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে—তরুণ বয়সী নারীদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের হার দ্রুত বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০–৪৫ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক। শহরকেন্দ্রিক জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ, হরমোনজনিত সমস্যা, ধূমপান ও ডায়াবেটিসের বিস্তার তরুণীদের হৃদস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। অনেক ক্ষেত্রেই নারীদের হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ পুরুষদের মতো স্পষ্ট হয় না, ফলে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হয় এবং ঝুঁকি বেড়ে যায়।

পোস্ট রেফারেন্সঃ WHO

গ্যাস্ট্রিক কমাতে কার্যকর ঘরোয়া উপায়✅নিয়মিত ও সময়মতো খাবার খাওয়া✅খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করা✅আদা চা বা সাম...
30/01/2026

গ্যাস্ট্রিক কমাতে কার্যকর ঘরোয়া উপায়

✅নিয়মিত ও সময়মতো খাবার খাওয়া
✅খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করা
✅আদা চা বা সামান্য কাঁচা আদা চিবিয়ে খাওয়া
✅দই খেলে গ্যাস্ট্রিক ও বদহজমের সমস্যা অনেকাংশে কমে
✅কলা ও সহজপাচ্য ফল খান
✅অতিরিক্ত ঝাল ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন
✅মানসিক চাপ কমান
✅খাবারের পরপরই শুয়ে পড়বেন না

দীর্ঘদিনের গ্যাস্টিকের সমস্যায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD তে
হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম
এমবিবিএস, বিসিএস,সিসিডি, এমডি(গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী)
সহযোগী অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ
পরিপাকতন্ত্র, অগ্নাশয় ও লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

চেম্বারঃ
লাইফ সাইন ডায়াগনস্টিক সেন্টার রাজশাহী
সময়ঃ
প্রতিদিন বিকাল ৩টা-৫:৩০টা (সোমবার ও শুক্রবার বন্ধ)

#ডা_মো_শফিকুল_ইসলাম #সহযোগী_অধ্যাপক #গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী_বিশেষজ্ঞ

আর্লি প্রেগনেন্সিতে মিসক্যারেজ হওয়ার প্রধান কারণসমূহ১. ক্রোমোজোম বা জেনেটিক সমস্যাআর্লি প্রেগনেন্সিতে মিসক্যারেজের সবচেয়...
29/01/2026

আর্লি প্রেগনেন্সিতে মিসক্যারেজ হওয়ার প্রধান কারণসমূহ

১. ক্রোমোজোম বা জেনেটিক সমস্যা
আর্লি প্রেগনেন্সিতে মিসক্যারেজের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ভ্রূণের ক্রোমোজোমজনিত ত্রুটি। ভ্রূণের ডিএনএ সঠিকভাবে গঠিত না হলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই গর্ভধারণ চালিয়ে যেতে পারে না। এই ধরনের গর্ভপাত সাধারণত অনিচ্ছাকৃত এবং প্রতিরোধযোগ্য নয়।

২. হরমোনজনিত সমস্যা
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা গর্ভধারণ টিকে থাকার জন্য বড় বাধা। বিশেষ করে প্রোজেস্টেরন হরমোনের ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা (হাইপোথাইরয়েড), PCOS ইত্যাদি থাকলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। প্রোজেস্টেরন জরায়ুকে গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত রাখে, এর অভাবে ভ্রূণ ঠিকভাবে বসতে পারে না।

৩. থাইরয়েড ও ডায়াবেটিস
অনিয়ন্ত্রিত থাইরয়েড ও ডায়াবেটিস আর্লি মিসক্যারেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বিশেষ করে TSH বেশি থাকলে বা সুগার অনিয়ন্ত্রিত থাকলে ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। অনেক নারী জানতেই পারেন না যে তাদের এই সমস্যা রয়েছে।

৪. জরায়ুর গঠনগত সমস্যা
জরায়ুর জন্মগত ত্রুটি, জরায়ু ছোট বা বিভক্ত হওয়া, ফাইব্রয়েড, পলিপ বা জরায়ুর মুখ দুর্বল (Incompetent cervix) হলে গর্ভ ঠিকভাবে স্থায়ী হতে পারে না। এসব ক্ষেত্রে বিশেষ পরীক্ষা যেমন আল্ট্রাসাউন্ড বা HSG প্রয়োজন হয়।

৫. ইনফেকশন
TORCH ইনফেকশন (Toxoplasmosis, Rubella, CMV, Herpes), ইউরিন ইনফেকশন বা যৌনবাহিত রোগ আর্লি প্রেগনেন্সিতে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। অনেক ইনফেকশন উপসর্গ ছাড়াই থেকে যায়, যা গর্ভপাতের কারণ হয়।

৬. অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও জীবনযাত্রা
অতিরিক্ত স্ট্রেস, ঘুমের অভাব, ভারী কাজ, ধূমপান, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ আর্লি মিসক্যারেজের ঝুঁকি বাড়ায়। আধুনিক জীবনযাত্রার এই বিষয়গুলো বর্তমানে গর্ভপাত বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

৭. বয়সজনিত ঝুঁকি
৩৫ বছরের পর গর্ভধারণ করলে গর্ভপাতের ঝুঁকি স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম্বাণুর গুণগত মান কমে যায়, যা ভ্রূণের জেনেটিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

১. গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড কি সম্পূর্ণ ভালো থাকে?হ্যাঁ, নিয়মিত পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণ...
29/01/2026

১. গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড কি সম্পূর্ণ ভালো থাকে?
হ্যাঁ, নিয়মিত পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

২. থাইরয়েড থাকলে কি স্বাভাবিক ডেলিভারি সম্ভব?
থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে থাকলে স্বাভাবিক ডেলিভারি সম্ভব।

৩. গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের ওষুধ কি ক্ষতিকর?
না, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিলে তা নিরাপদ।

৪. শিশুর ভবিষ্যতে থাইরয়েড সমস্যা হবে কি?
সঠিক চিকিৎসা নিলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

৫. থাইরয়েড থাকলে কি গর্ভধারণ করা যাবে?
হ্যাঁ, তবে গর্ভধারণের আগে থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে থাকা জরুরি।

গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্য সমস্যায় গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন Doctor Service BD তে

ডাঃ মোসাঃ মোসফিকা কাওসারী (লিসা)
এমবিবিএস (আরএমসি),বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস(গাইনি এন্ড অবস),
স্ত্রী রোগ ও প্রসূতি বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
ইনফার্টিলিটিতে উচ্চতর প্রশিক্ষন প্রাপ্ত
সহাকারী অধ্যাপক ( স্ত্রী রোগ )
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,রাজশাহী

হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

রাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখছেনপ্রসূতি - স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনডাঃ শারমিন সুলতানা সাথীএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমএস...
28/01/2026

রাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখছেন

প্রসূতি - স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

ডাঃ শারমিন সুলতানা সাথী
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমএস (গাইনী এন্ড অবস্), বিএমইউ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

রোগী দেখার সময়ঃ
প্রতিদিন দুপুর ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত (শুক্রবার বন্ধ)

চেম্বারঃ
ল্যাবএইড লিঃ (ডায়াগনস্টিকস), রাজশাহী

ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তে
☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

কিডনি ভালো রাখতে দৈনন্দিন অভ্যাস১. নিয়মিত ব্যায়ামপ্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম রক্তচাপ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে...
28/01/2026

কিডনি ভালো রাখতে দৈনন্দিন অভ্যাস

১. নিয়মিত ব্যায়াম

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম রক্তচাপ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

২. রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখাই কিডনি সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

৩. ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার

ধূমপান কিডনির রক্তনালি সংকুচিত করে এবং অ্যালকোহল কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

৪. ওষুধ সচেতনভাবে সেবন

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক বা অন্যান্য ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন করবেন না।

৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

বছরে অন্তত একবার রক্ত পরীক্ষা (Creatinine) ও ইউরিন পরীক্ষা করলে কিডনির অবস্থা আগেভাগেই জানা যায়।

PCOS কী? লক্ষণগুলো জেনে নিন—আগেভাগে সচেতন হওয়াই সুরক্ষাPCOS (Polycystic O***y Syndrome) নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সম...
27/01/2026

PCOS কী? লক্ষণগুলো জেনে নিন—আগেভাগে সচেতন হওয়াই সুরক্ষা

PCOS (Polycystic O***y Syndrome) নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা। এটি প্রজনন বয়সী নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায় এবং সময়মতো শনাক্ত না হলে মাসিক, ত্বক, ওজন ও গর্ভধারণে নানা জটিলতা তৈরি করতে পারে।

PCOS-এর সাধারণ লক্ষণগুলো—

🩸 মাসিক অনিয়ম
মাসিক দেরিতে হওয়া, খুব কম হওয়া বা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা।

⚖️ ওজন দ্রুত বেড়ে যাওয়া
বিশেষ করে পেট ও কোমরের চারপাশে।

🧔‍♀️ মুখে ও শরীরে অতিরিক্ত লোম
মুখ, বুকে, পেটে বা পিঠে লোম বেশি গজানো।

😣 ব্রণ ও তৈলাক্ত ত্বক
চেহারা ও পিঠে ব্রণ বাড়ে।

💇‍♀️ চুল পড়া বা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়া

🧠 হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
মুড সুইং, দুশ্চিন্তা বা হতাশা।

🍬 ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের লক্ষণ
মিষ্টি খেতে ইচ্ছে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়া।

🤰 গর্ভধারণে সমস্যা
ডিম্বস্ফোটন ঠিকভাবে না হওয়ায় সন্তান ধারণে দেরি।

🩺 আল্ট্রাসাউন্ডে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট দেখা যাওয়া

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
✔ মাসিক দীর্ঘদিন অনিয়মিত হলে
✔ হঠাৎ ওজন বা ব্রণ বেড়ে গেলে
✔ সন্তান নিতে সমস্যা হলে

সময়মতো চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনে PCOS নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

লক্ষণ বুঝুন, দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডাঃ রুবাইয়াত বিথী
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমএস (অবস্ অ্যান্ড গাইনী) ডিএমইউ (এডভান্সড সনোগ্রাফি)
স্ত্রী-প্রসূতি রোগ এবং বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

চেম্বারঃ লাইফ সাইন ল্যাব,সিপাইপাড়া,রাজশাহী
সিরিয়ারে জন্যঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪


***ySyndrome
#নারীস্বাস্থ্য

ভিটামিন C কেন এত জরুরি? জেনে নিন এর দারুণ উপকারিতাভিটামিন C (Vitamin C) শরীরের জন্য একটি অত্যাবশ্যক ভিটামিন। এটি শুধু সর...
27/01/2026

ভিটামিন C কেন এত জরুরি?

জেনে নিন এর দারুণ উপকারিতা

ভিটামিন C (Vitamin C) শরীরের জন্য একটি অত্যাবশ্যক ভিটামিন। এটি শুধু সর্দি-কাশি থেকে সুরক্ষা দেয় না, বরং শরীরের ভেতরে নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভিটামিন C গ্রহণ সুস্থ জীবনের জন্য খুবই প্রয়োজন।

ভিটামিন C এর প্রধান উপকারিতা—

🍊 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
শরীরকে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে শক্তিশালী করে।

🦷 মাড়ি ও দাঁত সুস্থ রাখে
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া প্রতিরোধে সহায়ক।

✨ ত্বক উজ্জ্বল রাখে
কোলাজেন তৈরি করে, ত্বক টানটান ও তারুণ্যদীপ্ত রাখে।

🩸 আয়রন শোষণে সাহায্য করে
শাকসবজি থেকে আয়রন শোষণ বাড়ায়, রক্তস্বল্পতা কমাতে সহায়ক।

🫀 হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে হার্টকে সুরক্ষা দেয়।

🧠 স্ট্রেস ও ক্লান্তি কমায়
শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

🤧 সর্দি-কাশির তীব্রতা কমাতে সহায়ক

ভিটামিন C পাওয়া যায় যেসব খাবারে—
✔ লেবু
✔ কমলা
✔ পেয়ারা
✔ আমলকি
✔ টমেটো
✔ কাঁচা মরিচ

মনে রাখবেন, ভিটামিন C শরীরে জমা থাকে না—তাই প্রতিদিন খাদ্য থেকে গ্রহণ করা জরুরি।

প্রতিদিন ভিটামিন C নিন—ভেতর থেকে সুস্থ থাকুন।

#ভিটামিনC

#ইমিউনিটিবুস্ট

মানসিক চাপ কমাতে করণীয় কী?১. নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করানিয়মিত হাঁটা, হালকা ব্যায়াম, যোগব্যায়াম বা সাইক্লিং মানসিক চাপ কম...
26/01/2026

মানসিক চাপ কমাতে করণীয় কী?

১. নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করা
নিয়মিত হাঁটা, হালকা ব্যায়াম, যোগব্যায়াম বা সাইক্লিং মানসিক চাপ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। ব্যায়াম শরীরে এন্ডোরফিন নামক হরমোন নিঃসরণ করে, যা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।

২. পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম নিশ্চিত করা
প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম মানসিক চাপ কমাতে অপরিহার্য। ঘুমের সময়সূচি ঠিক রাখা এবং ঘুমানোর আগে মোবাইল বা স্ক্রিন ব্যবহার কমানো উচিত।

৩. সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
পুষ্টিকর খাবার মানসিক স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, বাদাম ও পর্যাপ্ত পানি পান মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৪. ধ্যান ও শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যায়াম
মেডিটেশন, প্রানায়াম বা গভীর শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস মন শান্ত করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন মাত্র ১০–১৫ মিনিট ধ্যান মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।

৫. সময় ব্যবস্থাপনা শেখা
কাজের তালিকা তৈরি করা, অপ্রয়োজনীয় কাজ এড়িয়ে চলা এবং সময় ভাগ করে কাজ করলে চাপ অনেক কমে যায়।

৬. নিজের জন্য সময় বের করা
নিজের পছন্দের কাজ যেমন বই পড়া, গান শোনা, বাগান করা বা ভ্রমণ মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।

৭. সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখা
পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়। নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

৮. অতিরিক্ত চিন্তা ও নেতিবাচক ভাবনা কমানো
সব সমস্যার সমাধান একসাথে সম্ভব নয়—এই বাস্তবতা মেনে নেওয়া মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৯. প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমা নির্ধারণ
অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ও স্ক্রিন টাইম মানসিক চাপ বাড়ায়। নির্দিষ্ট সময় পর প্রযুক্তি থেকে বিরতি নেওয়া জরুরি।

১০. প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তা নেওয়া
দীর্ঘদিন মানসিক চাপ থাকলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সাহায্য নেওয়া উচিত। এটি দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং সচেতনতার পরিচয়।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ১০টি খাবার এড়িয়ে চলা উচিত১. চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার২. সাদা ভাত৩. সাদা পাউরুটি ও ময়দা দিয়ে তৈরি খা...
26/01/2026

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ১০টি খাবার এড়িয়ে চলা উচিত

১. চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার
২. সাদা ভাত
৩. সাদা পাউরুটি ও ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার
৪. মিষ্টি ও ডেজার্ট
৫. সফট ড্রিংকস ও মিষ্টি পানীয়
৬. ভাজাপোড়া খাবার
৭. আলু ও আলু দিয়ে তৈরি খাবার
৮. অতিরিক্ত পাকা ফল
৯. লাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত মাংস
১০. অতিরিক্ত লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার

Address

Asrafunnessa Plaza (1st Floor) Biside ABC School, Laxmipur Rajshahi
Rajshahi
6000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctor Service BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Doctor Service BD:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram