House Doctor

House Doctor আপনার কি সেক্স প্রবলেম আছে? তাহলে এখুনি আমাদের পেজ এ লাইক দিয়ে ম্যাসেজ করুন

06/06/2015

সাবধান!
এক শ্রেণীর অসাধূ শ্রেণী এই ছবিটি দেখিয়ে প্রচার করেছে যে এই দেখো তুরষ্কের বিলাসবহুল রনতরী এবং সামরিক নৌবহর মায়ানমারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গিয়েছে যা আদতে সম্পূর্ণটাই একটি মিথ্যা নিউজ! সত্য হচ্ছে এরদোগান জানিয়েছে রোহিংগাদের উদ্ধারে একটি উদ্ধার জাহাজ পাঠাবে কিন্তু তা কোনদিনই এইরকমের ৫ তারকা মানের কোন প্রমোদতরী তো নয়ই আর সামরিক নৌ বহর পাঠাবার যে খবর রটানো হয়েছে তা পুরোই ভিত্তিহীণ!
এই ধরনের নিউজ রটিয়ে দেবার ইচ্ছে হচ্ছে কয়েকটিঃ
১। বর্তমান মুসলিম বিশ্বের ত্রানকর্তা এরদোগান এর ভাবমূর্তিকে হেয় করা যাতে করে উনি যাই করেন না কেন তাকেই ফেইক ফেইক বলে শোর উঠানো যায় আর উনি এখন পর্যন্ত যা করেছেন তাকে ছোট করা যায়!
২। রোহিঙ্গাদের উপর যে নির্যাতন হচ্ছে তা সম্পর্কে এমন একটি ধারনার সৃষ্টি করা যে ধুররর সবই ফেইক অথচ এই ছবিগুলো সত্যই হোক আর মিথ্যাই হোক রোহিংগা মুসলিমেরা যে নির্যাতীত হচ্ছে নির্মমভাবে তা সত্য!
আমাদের অনেক সহজ-সরল ভাইয়েরা সরল মনে এসকল নিউজ শেয়ার করে বসে আছেন কারণ সকলের পক্ষে আসলে সব নিউজ যাচাই করা সম্ভব নয় আর এ সুযোগটাই নিয়েছে ঐ শ্রেণীটি!
সুতরাং সাধূ সাবধান, মায়ানমারে মুসলিমদের উপর শতাব্দীর বর্বরতম নৃশংসতা চালানো হচ্ছে তা অবশ্যই সত্য,দুয়েকটা ফেইক ছবির কারণে তা মিথ্যা হয়ে যাবার নয়! আর এরদোগান ও বর্তমান মুসলিম বিশ্বের আশা জাগানোর মত একজনই মুসলিম নেতা,তাঁর নামেও একটি ফেইক ছবি ছড়িয়ে রিভার্স খেলার ট্রাই করলেই তা মিথ্যা হয়ে যাবে না!
https://www.facebook.com/newbornomala

কিছু সম্ভাবনাময়ী শিক্ষার্র্থী , যারা হাল ধরবে আগামীর তাদের জন্যই আমাদের মেধা,সময় ও শ্রমের বিনিময়ে তৈরী করেছি অন-লাইন শিক্ষার এক ভিন্ন জগৎ।

স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা বলতে গেলে প্রথমেই যে তালিকাটি মাথায় আসে, তাতে অবশ্যই থাকে ডিম, মাংস ও দুধ। কিন্তু সাম্প্রতিক সমী...
29/05/2015

স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা বলতে গেলে প্রথমেই যে তালিকাটি মাথায় আসে, তাতে অবশ্যই থাকে ডিম, মাংস ও দুধ। কিন্তু সাম্প্রতিক সমীক্ষা সেই 'মিথ'-কে একেবারেই ভেঙে দিচ্ছে। ডিম, দুধ, মাংস বেশি খাওয়া নাকি, ধূমপানের মতোই ক্ষতিকর। ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ক্যালিফর্নিয়ার একদল গবেষকের সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, বেশি পরিমাণে মাংস, ডিম, পনিরের মতো প্রাণীজ প্রোটিন অচিরেই ডেকে আনতে বিপদ। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, সিগারেট খাওয়ার মতোই ক্ষতিকর এই ধরনের প্রাণীজ প্রোটিন বেশি পরিমাণে খাওয়া। স্বভাবিকভাবেই রিপোর্টটি ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। কী বলছেন বিজ্ঞানীরা? গবেষকদের সতর্কবার্তা, প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়া মারাত্মক। এই খাদ্যগুলি শরীরে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে যুবক ও মধ্যবয়সীদের ক্ষেত্রে ক্যান্সার, ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগের সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয়ে যায় বেশি পরিমাণে মাংস, ডিম, পনিরে। তবে আশ্চর্জনকভাবে রিপোর্ট বলছে, এই একই খাদ্য ৬৫ বছরের পর সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধের জন্য নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিন একেবারেই ক্ষতিকারক নয় বলেই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের পরামর্শ, ৬০ বছর পর্যন্ত লো-প্রোটিন ডায়েট-ই শরীরকে সুস্থ রাখে। - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/26379 .OMe2aZQl.dpuf

স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা বলতে গেলে প্রথমেই যে তালিকাটি মাথায় আসে, তাতে অবশ্যই থাকে ডিম, মাংস ও দুধ। কিন্তু সাম্প্রতিক সমীক্ষা সেই 'মিথ'-কে একেবারেই ভেঙে দিচ্ছে।...

29/05/2015

নারকেল তেল কেবল ত্বক আর চুলের যত্নেই নয়, স্বাস্থ্যসম্মত খাবারদাবারেও দারুণ পুষ্টিগুণ যোগ করতে পারে। কেউ কেউ মনে করেন রান্নায় নারকেল তেল খুব একটা ভালো না এবং এই তেল খেলে হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়তে পারে! কিন্তু এটা ঠিক নয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে নারকেল তেলের কিছু অনন্য পুষ্টিগুণের কথা জানিয়েছে।

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ

নারকেল তেলের অন্যতম স্বাস্থ্য সুবিধা হল এটা ‘ব্লাড সুগার’ বা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। বিশেষত যাদের ডায়াবেটিস আছে এবং যারা রক্তে শর্করার উচ্চমাত্রা সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন তাদের জন্য প্রতিদিন খাবারদাবারে পরিমিত মাত্রায় নারকেল তেল খুবই উপকারী।

কোলেস্টেরল কম
অতিরিক্ত কোলেস্টেরল নিয়ে সমস্যায় থাকলে নারকেল তেল খেতে পারেন। নারকেল তেলে ভালো মাত্রায় ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ আছে। লুরিক অ্যাসিড নামের এই ফ্যাট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রায় ভারসাম্য এনে হূদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এই তেল থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক কর্মপ্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
নারকেল তেলের এই পুষ্টিগুণের কথা হয়তো অনেকেই মাথায় রাখেন না। প্রতিদিন অল্পমাত্রায় নারকেল তেল খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে। মৌসুমি ফ্লু থেকে নিস্তার পেতেও কাজে লাগে নারকেল তেলের ওষুধি গুণ। আর ইস্ট, ফাঙ্গাস এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দমনে দারুণ উপকারী নারকেল তেল।

হজমে সহায়ক
যদি পরিপাকতন্ত্রের গোলযোগে ভুগে থাকেন এবং হজম সংক্রান্ত সমস্যা থাকে তাহলে নিয়মিত রান্নাবান্নায় নারকেল তেল ব্যবহার করে দেখতে পারেন। পেটের পীড়া এবং পাকস্থলীর গোলযোগ সারাতেও কাজে লাগে এই তেল। নারকেল তেল পরিপাকে এবং হজম শক্তি বাড়াতে সহায়ক।

খাবারে নারকেল তেল ব্যবহার কঠিন কিছু নয়। নিয়মিত রান্নার পাশাপাশি মাখনের বিকল্প হিসেবে এই তেল ব্যবহার করতে পারেন। বাজারের ভেজিটেবল অয়েলের বিকল্প হিসেবেও এটা খাওয়া যেতে পারে।

ওজন কমাতে
ওপরে যেমন বলা হয়েছে যে, থাইরয়েড গ্রন্থির কাজে সহায়তা করে নারকেল তেল আপনার পরিপাক যন্ত্রকে সবল ও আরও ক্রিয়াশীল করে তুলতে পারে। আর এই প্রক্রিয়ায় নারকেল তেল শরীরে অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন খাবারে দুই টেবিল চামচ পরিমাণ নারকেল তেল যুক্ত করে শরীরে জমা হওয়া অতিরিক্ত ‘অ্যাবডোমিনাল ফ্যাট’ কমিয়ে ফেলুন। এতে আপনার ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

চুল আর ত্বকের যত্নে
নারকেল তেল ব্যবহার করে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক আর ঝলমলে চুলের অধিকারী হন। ময়েশ্চারাইজার এবং লোশনের মতো করে ত্বকে এই তেল মাখতে পারেন। শুষ্ক খরখরে চুলকে সুন্দর আর সবল করতে নারকেল তেল হালকা আঁচে গরম করে নিন। চুলে মাখুন এবং মিনিট দশেক রেখে দিন। গোসলের সময় শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। সপ্তাহে দুই তিন দিন এভাবে নারকেল তেল ব্যবহারে চুল হবে ঝলমলে ও স্বাস্থ্যে উজ্জ্বল।

বয়সের ছাপ কমাতে
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, নারকেল তেল বয়সের ছাপ পড়া থেকে বাচাতে পারে। এই তেলের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অ্যাক্সিডেন্ট আমাদের ত্বকের সুরক্ষায় দারুণ উপকারী। ত্বকে বলিরেখা পড়া, আঁচড় ও বাড়তি দাগ দূর করতেও খুবই উপকারী ভিটামিন ‘ই’ সমৃদ্ধ নারকেল তেল।

29/05/2015


দুর্গম গিরি কান্তার-মরু দুস্তর পারাবার
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুশিয়ার!
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভূলিতেছে মাঝি পথ,
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?
কে আছ জোয়ান, হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যত।
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার!!

তিমির রাত্রি, মাতৃমন্ত্রী সান্ত্রীরা সাবধান!
যুগ-যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা ঘোষিয়াছে অভিযান!
ফেনাইয়া উঠে বঞ্চিত বুকে পুঞ্জিত অভিমান,
ইহাদের পথে, নিতে হবে সাথে, দিতে হবে অধিকার!!

অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া, জানেনা সন্তরণ,
কান্ডারী! আজ দেখিব তোমার মাতৃমুক্তিপণ!
“হিন্দু না ওরা মুসলিম?” ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মা’র!

গিরি-সংকট, ভীরু যাত্রীরা, গুরু গরজায় বাজ,
পশ্চাৎ-পথ-যাত্রীর মনে সন্দেহ জাগে আজ
কান্ডারী! তুমি ভূলিবে কি পথ? ত্যজিবে কি পথ-মাঝ?
‘করে হানাহানি, তবু চল টানি’, নিয়াছ যে মহাভার!

কান্ডারী! তব সম্মুখে ঐ পলাশীর প্রান্তর,
বাঙ্গালীর খুনে লাল হ’ল যেথা ক্লাইভের খঞ্জর!
ঐ গঙ্গায় ডুবিয়াছে হায়, ভারতের দিবাকর
উদিবে সে রবি আমাদেরি খুনে রাঙিয়া পুনর্বার।

ফাঁসির মঞ্চে যারা গেয়ে গেল জীবনের জয়গান,
আসি’ অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?
আজি পরীক্ষা জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রান?
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুঁশিয়ার!

29/05/2015

দাঁতের সুরক্ষায় টুথপেস্ট কতোটা উপকারী তা আমরা সকলেই জানি। দিনে দুবার ভালো করে দাঁত ব্রাশ না করলে দাঁতের ক্ষতি হয় তাও আমাদের অজানা নয়। কিন্তু আপনি জানেন কি টুথপেস্টের দাঁত মাজার পাশাপাশি আরও কিছু ব্যবহার রয়েছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে? অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও এই সাধারণ টুথপেস্ট দিয়েই অনেক সমস্যার সমাধান করে ফেলা যায় নিমেষেই। জানতে চান টুথপেস্টের ব্যতিক্রমী ব্যবহার? চলুন জেনে নেয়া যাক।
১) দেয়ালের দাগ তুলতে

দেয়ালে রংপেন্সিল দিয়ে আঁকিবুঁকি করা বাচ্চাদের স্বভাব। কিন্তু এই দাগ তোলা নিয়ে অনেক বিপদে পড়ে যাওয়া হয়। টুথপেস্ট খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। টুথপেস্ট দাগের উপরে লাগিয়ে একটি ভেজা কাপড় ঘষে নিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। ব্যস, দাগ গায়েব।
২) কাঠের জিনিস থেকে দাগ তুলতে

চা/কফি কাঠের টেবিলে দাগ ফেলে দেয় যা সহজে তোলা সম্ভব হয় না। আঙুলে টুথপেস্ট নিয়ে ভালো করে দাগের উপর ঘষে নিন। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। তারপর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
৩) কাপড়ের দাগ তুলতে

কাপড়ের দাগ তুলতেও টুথপেস্টের জুড়ি নেই। সেই সাথে কার্পেটের দীর্ঘদিনের কালচে দাগও তুলতে পারে টুথপেস্ট। প্রথমে দাগের উপরে পানি আর পেস্ট দিয়ে ঘষে নিন। তার পর ব্রাশ দিয়ে ঘষুন, দেখবেন দাগ উঠে গেছে।
৪) রূপার জিনিস পলিশ করতে

রূপার তৈরি কোনো জিনিস পলিশ করতে স্বর্ণের দোকানে গিয়ে পয়সা খরচ করার প্রয়োজন নেই। টুথপেস্ট ভালো করে রূপার জিনিসে ঘষে নিন। এরপর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে খুব ভালো করে মুছে ফেলুন। দেখবেন নতুনের মতো চকচকে হয়ে উঠেছে।
৫) সিংক ও বেসিন পরিষ্কার করতে

বাথরুমের বেসিন এবং রান্নাঘরের সিংক অনেক ব্যবহারের ফলে দাগ পড়ে বিশ্রী হয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে টুথপেস্ট। ভালো করে একটি কাপড় দিয়ে টুথপেস্ট ঘষে নিন। দাগ উঠে যাবে।
৬) পোকামাকড়ের কামড়ের চুলকোনি ও সমস্যা রোধ করতে

পোকামাকড়ের কামড়ে অনেকের অ্যালার্জি হয়ে থাকে এবং প্রচণ্ড চুলকোনি হয় ও ফুলে উঠে। এক কাজ করুন পোকামাকড়ের কামড়ে টুথপেস্ট লাগিয়ে নিন। জ্বলুনি এবং ফোলা কমে যাবে।
৭) হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বিকল্প

আসে পাশে হাত পরিষ্কারের কিছু খুঁজে পাচ্ছেন না? টুথপেস্ট হাতে ভালো করে লাগিয়ে নিন এবং হাত ম্যাসেজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দারুণ কাজে দেবে।
৮) চশমা ও সানগ্লাসের ঝাপসা হয়ে যাওয়া কাটাতে

চশমা ও সানগ্লাস ব্যবহারের ফলে সহজেই গ্লাস ঝাপসা হয়ে আসে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হালকা করে টুথপেস্ট ঘষে নিন গ্লাসে। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। ঝাপসা ভাব অনেকটাই কেটে যাবে।

সূত্রঃ couponsherpa

29/05/2015

:আমাদের খাবারে পেঁয়াজ কাঁচা বা রান্নায় যোগ করে যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন এটি সবসময়ই স্বাদ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পেঁয়াজ টুকরো করে, কুচি করে, গুঁড়ো করে বা পেস্ট করে যেভাবেই আমরা ব্যবহার করি না কেন এর একটি অসাধারণ স্বাদ আমরা পেয়ে থাকি যেকোনো কিছুতেই। ভারতসহ আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরের এক অবিচ্ছেদ্য উপাদান এই পেঁয়াজ।অথচ আমরা না বুঝে বা না জেনেই এই পেঁয়াজ বা পেয়াজের রসের অবিশ্বাস্য উপকারিতা পেয়ে যাচ্ছি।

অখ্যাত এই পেঁয়াজের বহুমুখী গুনাগুনের কথা খুব একটা স্বীকৃতি পায়নি। যেখানে অন্যান্য ফল ও সবজিতে থাকা ভিটামিন ও মিনারেলের কথা খুব সহজে প্রকাশ পায় সেখানে পেঁয়াজের কথা খুব কমই উল্লেখ করা হয়।তাই আমাদের উচিত বহুল ব্যবহৃত এই কন্দটির গুনাগুন জানা এবং এর স্বীকৃতি দেয়া। পেঁয়াজ ভিটামিন এ, বি ও সি সমৃদ্ধ।এটি ফোলিক এসিডেরও একটি ভালো উৎস।এছাড়া এতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সালফার, আয়রন ও ক্রোমিয়ামও রয়েছে। পেঁয়াজে এত পুষ্টি উপাদান থাকার পর এর উপকারিতা নিয়ে কোন সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই। তাই আমাদের দেহে কাঁচা পেঁয়াজের রসের কিছু উপকারিতা এখানে তুলে ধরা হলো-

হৃদপিন্ডের সংবহনতন্ত্রের উপকারিতা- খাবার সাথে পেঁয়াজ যোগ করে অথবা পেঁয়াজের রস খেলে এটি রক্ত জমাট বাধা প্রতিরোধ করে।এটি ধমনী শক্ত হয়ে যাওয়া এবং হৃদরোগসহ নানা রকম রোগ প্রতিরোধ করে। পেঁয়াজ হোমোসিসটেইনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং যেকোনো হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্যা বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।

প্রদাহনাশক- পেঁয়াজে রয়েছে প্রদাহনাশক গুনাগুন, যার ফলে এটি আর্থ্রাইটিস ও গেঁটে বাত প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

জীবাণুনাশক- পেঁয়াজের জীবাণুনাশক গুনাগুনের জন্য এটি ই-কোলাই ও স্যামোনেলা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও cystitis ধরনের মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণের জন্য পেঁয়াজের রস বেশ উপকারী।

এলার্জি প্রতিরোধে- পেঁয়াজে থাকা Quercetin নামক এন্টিহিস্টামিন অ্যাজমার জন্য উপকারী। এছাড়া পেয়াজে থাকা Quercetin অন্য যেকোন ধরনের উৎস থেকে প্রাপ্ত Quercetin থেকে তুলনামূলকভাবে সহজে শোষণ হয় এবং রক্তের চলাচল স্বাভাবিক রাখে।

শ্বসনতন্ত্রের রোগ- ঠাণ্ডা কাশির মতো সাধারণ রোগের ক্ষেত্রেও সেরা ঘরোয়া প্রতিকার হচ্ছে পেঁয়াজের রস। পেঁয়াজের মাঝে থাকা তেল শুধুমাত্র শ্লেষ্মা কমাতেই সাহায্য করে না সাথে সাথে তা প্রতিরোধও করে। এটা ব্রংকাইটিস, রক্ত জমাট বাধা এবং বিপাকীয় সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্যও বেশ উপকারী।

অস্টিওপোরোসিস- পেঁয়াজ ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁয়াজের মাঝে এমন একটি উপাদান রয়েছে যা হাড়ের ক্ষয় রোধ করে তাই পেঁয়াজ আমাদের দেহের হাড়ের রক্ষণাবেক্ষনে সাহায্য করে এবং অস্টিওপোরোসিস বা অস্থিক্ষয় রোগ প্রতিরোধ করে।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়- নিয়মিত পেঁয়াজ মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেলে দাঁতের ক্ষয় এবং মুখের ভেতরের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই সালাদের মাঝে কাঁচা পেঁয়াজ খেলে মুখের ভেতরের জীবাণু সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এবং মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে- পেঁয়াজে থাকা ক্রোমিয়াম ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে এবং গ্লুকোজ সহনশীলতার মাত্রাকে উন্নত করতে সাহায্য করে।

কানের ব্যাথা দূরীকরণে- কানের ব্যাথায় পেঁয়াজের রস কানে লাগালে ব্যাথা দূর হয়। পেঁয়াজে থাকা এসেন্সিয়াল অয়েলের জন্য সেটা হয়ে থাকে। খুব ভালো হয় যদি পেঁয়াজ চুলায় সেঁকে নিয়ে বা সেদ্ধ করে নিয়ে রস বের করে সেটা কুসুম গরম অবস্থায় কানে দেয়া যায়।

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ- হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে পেঁয়াজ একটি খুব ভালো ঘরোয়া প্রতিকার হতে পারে। তাই ওই সময় কাঁচা পেঁয়াজের রসের সাথে চিনির মিস্রি মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এছাড়া পেঁয়াজের রস পায়ের পাতায় ঘষলেও বেশ উপকার পাওয়া যায়।:আমাদের খাবারে পেঁয়াজ কাঁচা বা রান্নায় যোগ করে যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন এটি সবসময়ই স্বাদ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পেঁয়াজ টুকরো করে, কুচি করে, গুঁড়ো করে বা পেস্ট করে যেভাবেই আমরা ব্যবহার করি না কেন এর একটি অসাধারণ স্বাদ আমরা পেয়ে থাকি যেকোনো কিছুতেই। ভারতসহ আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরের এক অবিচ্ছেদ্য উপাদান এই পেঁয়াজ।অথচ আমরা না বুঝে বা না জেনেই এই পেঁয়াজ বা পেয়াজের রসের অবিশ্বাস্য উপকারিতা পেয়ে যাচ্ছি।

অখ্যাত এই পেঁয়াজের বহুমুখী গুনাগুনের কথা খুব একটা স্বীকৃতি পায়নি। যেখানে অন্যান্য ফল ও সবজিতে থাকা ভিটামিন ও মিনারেলের কথা খুব সহজে প্রকাশ পায় সেখানে পেঁয়াজের কথা খুব কমই উল্লেখ করা হয়।তাই আমাদের উচিত বহুল ব্যবহৃত এই কন্দটির গুনাগুন জানা এবং এর স্বীকৃতি দেয়া। পেঁয়াজ ভিটামিন এ, বি ও সি সমৃদ্ধ।এটি ফোলিক এসিডেরও একটি ভালো উৎস।এছাড়া এতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সালফার, আয়রন ও ক্রোমিয়ামও রয়েছে। পেঁয়াজে এত পুষ্টি উপাদান থাকার পর এর উপকারিতা নিয়ে কোন সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই। তাই আমাদের দেহে কাঁচা পেঁয়াজের রসের কিছু উপকারিতা এখানে তুলে ধরা হলো-

হৃদপিন্ডের সংবহনতন্ত্রের উপকারিতা- খাবার সাথে পেঁয়াজ যোগ করে অথবা পেঁয়াজের রস খেলে এটি রক্ত জমাট বাধা প্রতিরোধ করে।এটি ধমনী শক্ত হয়ে যাওয়া এবং হৃদরোগসহ নানা রকম রোগ প্রতিরোধ করে। পেঁয়াজ হোমোসিসটেইনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং যেকোনো হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্যা বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।

প্রদাহনাশক- পেঁয়াজে রয়েছে প্রদাহনাশক গুনাগুন, যার ফলে এটি আর্থ্রাইটিস ও গেঁটে বাত প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

জীবাণুনাশক- পেঁয়াজের জীবাণুনাশক গুনাগুনের জন্য এটি ই-কোলাই ও স্যামোনেলা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও cystitis ধরনের মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণের জন্য পেঁয়াজের রস বেশ উপকারী।

এলার্জি প্রতিরোধে- পেঁয়াজে থাকা Quercetin নামক এন্টিহিস্টামিন অ্যাজমার জন্য উপকারী। এছাড়া পেয়াজে থাকা Quercetin অন্য যেকোন ধরনের উৎস থেকে প্রাপ্ত Quercetin থেকে তুলনামূলকভাবে সহজে শোষণ হয় এবং রক্তের চলাচল স্বাভাবিক রাখে।

শ্বসনতন্ত্রের রোগ- ঠাণ্ডা কাশির মতো সাধারণ রোগের ক্ষেত্রেও সেরা ঘরোয়া প্রতিকার হচ্ছে পেঁয়াজের রস। পেঁয়াজের মাঝে থাকা তেল শুধুমাত্র শ্লেষ্মা কমাতেই সাহায্য করে না সাথে সাথে তা প্রতিরোধও করে। এটা ব্রংকাইটিস, রক্ত জমাট বাধা এবং বিপাকীয় সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্যও বেশ উপকারী।

অস্টিওপোরোসিস- পেঁয়াজ ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁয়াজের মাঝে এমন একটি উপাদান রয়েছে যা হাড়ের ক্ষয় রোধ করে তাই পেঁয়াজ আমাদের দেহের হাড়ের রক্ষণাবেক্ষনে সাহায্য করে এবং অস্টিওপোরোসিস বা অস্থিক্ষয় রোগ প্রতিরোধ করে।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়- নিয়মিত পেঁয়াজ মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেলে দাঁতের ক্ষয় এবং মুখের ভেতরের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই সালাদের মাঝে কাঁচা পেঁয়াজ খেলে মুখের ভেতরের জীবাণু সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এবং মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে- পেঁয়াজে থাকা ক্রোমিয়াম ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে এবং গ্লুকোজ সহনশীলতার মাত্রাকে উন্নত করতে সাহায্য করে।

কানের ব্যাথা দূরীকরণে- কানের ব্যাথায় পেঁয়াজের রস কানে লাগালে ব্যাথা দূর হয়। পেঁয়াজে থাকা এসেন্সিয়াল অয়েলের জন্য সেটা হয়ে থাকে। খুব ভালো হয় যদি পেঁয়াজ চুলায় সেঁকে নিয়ে বা সেদ্ধ করে নিয়ে রস বের করে সেটা কুসুম গরম অবস্থায় কানে দেয়া যায়।

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ- হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে পেঁয়াজ একটি খুব ভালো ঘরোয়া প্রতিকার হতে পারে। তাই ওই সময় কাঁচা পেঁয়াজের রসের সাথে চিনির মিস্রি মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এছাড়া পেঁয়াজের রস পায়ের পাতায় ঘষলেও বেশ উপকার পাওয়া যায়।

29/05/2015

পর্দার বিধান মানুষের মনগড়া আইন কিংবা সামাজিক কোনো প্রথা নয়। বরং মানবজীবন সুষ্ঠুরূপে পরিচালনার জন্য আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক নির্ধারিত বিধান। তাই বলতে হয়- পর্দা মুমিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কুরআন মাজিদ ও হাদিসে রাসূল এটাকে অলঙ্ঘনীয় বিধান তথা ফরজ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিধান অস্বীকারকারী নিশ্চিত কাফির বলে স্বীকৃত। এতে কোনো ওলামায়ে কিরামের দ্বিমত নেই। আজ পদে পদে যেভাবে পর্দা লঙ্ঘিত হচ্ছে তার পরিণতি খুবই ভয়াবহ।

অনেকের ধারণা, পর্দা শুধু নারীর জন্য ফরজ, পুরুষের জন্য নয়। এ ধারণা নিতান্তই ভুল। নারীর পাশাপাশি পর্দা পুরুষের ওপরও ফরজ। মহান আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণীই তার প্রমাণ। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন- ‘হে নবী! মুমিন পুরুষদের বলে দিন তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনমিত রাখে এবং যৌন পবিত্রতা রক্ষা করে চলে। এটাই তাদের জন্য পবিত্রতম পন্থা। নিশ্চয়ই তারা যা কিছু করে আল্লাহ তা অবহিত’ (সূরা আননূর : ৩০)।
জারির ইবনে আবদিল্লাহ বাজালি রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা:-কে কোনো নারীর প্রতি হঠাৎ দৃষ্টি পড়ে যাওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সাথে সাথেই দৃষ্টি সরিয়ে নেবে (সহিহ মুসলিম)।
বুরাইদা রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: আলী রা:-কে বললেন, হে আলী! দৃষ্টির ওপর দৃষ্টি ফেলো না। হঠাৎ যে দৃষ্টি পড়ে ওটা তোমার ক্ষমার্হ; কিন্তু পরবর্তী দৃষ্টি তোমার জন্য ক্ষমাহীন পাপ (হাদিসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু দাউদ (রহ:)।
আবু উমামা রা: থেকে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেছেন, যার দৃষ্টি কোনো স্ত্রী লোকের সৌন্দর্যের প্রতি পতিত হয়, অতঃপর দৃষ্টি সরিয়ে নেয়, আল্লাহ তায়ালা এর বিনিময়ে তাকে এমন এক ইবাদত দান করেন, যার মজা বা স্বাদ সে তার অন্তরেই উপভোগ করে ( হাদিসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আহমদ রহ:)।
এবার আসা যাক পর্দার ব্যাপারে হাদিসের নির্দেশিকা। বিশ্বনবী রাসূলে আকরাম সা: বলেন- তোমরা (মুমিনরা) নবীপত্নীদের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা পর্দার (পর্দার বিধান) তোমাদের এবং তাদের অন্তরসমূহের জন্য পবিত্র থাকার উত্তম পন্থা (সূরা আহজাব: ৫৩)।
রাসূল সা: আরো বলেন, সাবধান! কোনো (পর) পুরুষ যেন কোনো (পর) নারীর সাথে নির্জনে অবস্থান না করে। কেননা যখনই তারা (নিরিবিলিতে) মিলিত হয়, শয়তান তাদের তৃতীয়জন হয় এবং (উভয়কে) কুকর্মে লিপ্ত করানোর প্রচেষ্টায় সে তাদের পিছু লেগে যায় ( তিরমিজি শরিফ)।
কোনো (পর) পুরুষ যেন কোনো মহিলার সাথে নির্জনে মিলিত না হয়। তবে মাহরাম ব্যক্তির (ব্যাপারটি) স্বতন্ত্র। আর কোনো মহিলা যেন মাহরাম ছাড়া একাকী তিন দিনের পথ (৪৮ মাইল) পথ ভ্রমণ না করে (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)।
আল কুরআনের সূরা নিসায় যেসব মহিলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে যাদের বিয়ে করা হারাম। তাদের সাথে দেখা করা বৈধ। এ ছাড়া অন্য কারো প্রতি দৃষ্টি দেয়াকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ দেখা থেকেই সৃষ্টি হয় আকাঙ্ক্ষা। আকাক্সক্ষা থেকে সৃষ্টি হয় অবৈধ সম্পর্ক, যা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। এমনকি বিয়ের পাত্র-পাত্রীকেও একান্তে বসে কথা বলা কিংবা দেখা করা হারাম বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও তৃতীয় একজনকে রাখার জন্য বলা হয়েছে। সেখানে আমরা অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে বিনাবাধায় কথা বলছি, মেয়েদের বান্ধবী বানাচ্ছি, ইসলাম তা স্পষ্ট হারাম ঘোষণা করেছে। এসব কর্মকাণ্ড থেকে যদি আমরা নিজেদের বিরত না রাখি তাহলে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় অবধারিত। আজ পদে পদে ইসলামী বিধানকে যেভাবে তুচ্ছ করে দেখা হচ্ছে, অচিরেই তা মুসলিম পারিবারিক অবকাঠামোর ভাঙনকে ত্বরান্বিত করবে বৈকি।
পর্দার বিধান মেনে চললে লাভটা আমাদেরই। এ বিধানের মাধ্যমে হত্যা, ধর্ষণ, ইভটিজিং আর পরকীয়ার মতো নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ সমাজ থেকে অনেকটাই বিলুপ্ত হবে। আর বাস্তব আইনের চেয়ে স্রষ্টার ভয়ই পারে মানুষকে পরিপূর্ণভাবে অন্যায় ও অপকর্র্ম থেকে বিরত রাখতে। তাই আসুন, ইসলামী বিধানকে আঁকড়ে ধরি, জান্নাতের পথে চলি। এভাবেই সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে শান্তি ও সাম্য।
লেখক : সাংবাদিক

প্রতিদিন মাত্র ২ কোয়া রসুন খাওয়ার ৩৪ টি উপকারিতাকাঁচা রসুন খাওয়া অনেকেই একেবারে পছন্দ করেন না। মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার ভয়ে অ...
28/05/2015

প্রতিদিন মাত্র ২ কোয়া রসুন খাওয়ার ৩৪ টি উপকারিতা

কাঁচা রসুন খাওয়া অনেকেই একেবারে পছন্দ করেন না। মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার ভয়ে অনেকেই কাঁচা রসুনের কাছ থেকে দূরেই থাকেন। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় কাঁচা রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি।
বিশেষ করে নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা দূর করতে কাঁচা রসুনের জুড়ি নেই। ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল সাইন্সের গবেষণায় রসুনের এইসকল গুণাবলী প্রকাশ পায়।
আজ জেনে নিন রসুনের এমনই অসাধারণ কিছু গুণাবলী সম্পর্কে। জেনে নিন প্রতিদিন মাত্র ২ কোয়া রসুন খাওয়ার উপকারিতা।
১) হৃদপিণ্ডের সুস্থতায় কাজ করে। কোলেস্টেরল কমায়। এতে করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
২) শিরা উপশিরায় প্লাক জমতে বাঁধা প্রদান করে। রক্ষা করে শিরা উপশিরায় মেদ জমার মারাত্মক রোগ অথেরোস্ক্লেরোসিসের হাত থেকে।
৩) উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা দূর করে।
৪) গিঁট বাতের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
৫) ফ্লু এবং শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।
৬) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দেহে খারাপ ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ, জন্ম এবং বংশবিস্তারে বাঁধা প্রদান করে।
৭) যক্ষ্মা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
৮) দেহের বিভিন্ন অংশের পুঁজ ও ব্যথাযুক্ত ফোঁড়ার যন্ত্রণা কমায়।
৯) যৌনমিলনের অসাবধানতা বশত রোগ ট্রিকোমোনিয়াসিসের হাত থেকে রক্ষা করে।
১০) হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।
১১) কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
১২) গলব্লাডার ক্যান্সার মুক্ত রাখে।
১৩) স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
১৪) রেক্টাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে।
১৫) প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
১৬) পরিপাকতন্ত্রের নানা সমস্যা দূর করে।
১৭) ইষ্ট ইনফেকশন দূর করে।
১৮) শিরা উপশিরায় জমাট বাঁধা রক্ত ছাড়াতে সহায়তা করে।
১৯) ক্ষুধামন্দা ভাব দূর করে।
২০) দেহের অভ্যন্তরীণ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং কৃমি ধ্বংস করে।
২১) চোখে ছানি পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
২২) হাতে পায়ে জয়েন্টের ব্যথা দূর করে এবং বাতের ব্যথা সারায়।
২৩) ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
২৪) স্টাফিলোকোক্কাস ইনফেকশন দূর করে।
২৫) দাঁতের ব্যথা সারাতে সহায়তা করে।
২৬) ব্রণ সমস্যা দূরে রাখে।
২৭) আঁচিলের সমস্যা সমাধান করে।
২৮) দাদ, খোস-পাঁচড়া ধরণের চর্মরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
২৯) চামড়ায় ফোসকা পড়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়।
৩০) রসুনের ফাইটোনসাইড অ্যাজমা সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
৩১) দীর্ঘমেয়াদী হুপিং কাশি ও ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৩২) ঘুম না হওয়া, অনিদ্রা রোগ মুক্ত রাখে।
৩৩) ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
৩৪) দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
সতর্কতাঃ
১) দিনে ২ কোয়ার বেশি কাঁচা রসুন খাওয়া যাবে না। রান্নায় রসুন ব্যবহার হলেও দিনে মাত্র ২ কোয়া রসুন খাওয়া যায়।
২) রসুনে অ্যালার্জি কিংবা কোনো বিশেষ কারণে রসুন খাওয়া বন্ধ থাকলে তাদের রসুন না খাওয়াই ভালো।
৩) অতিরিক্ত রসুন খেলে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, বমিভাব হতে পারে।

সন্তানের জন্ম দেয়া পর মহিলাদের মনোস্তত্ত্ব ও দেহততত্ত্বের পরিবর্তন হয়, যা মানসিক চিকিৎসায় প্রভাব ফেলে। গবেষকরা এমনটাই দা...
27/05/2015

সন্তানের জন্ম দেয়া পর মহিলাদের মনোস্তত্ত্ব ও দেহততত্ত্বের পরিবর্তন হয়, যা মানসিক চিকিৎসায় প্রভাব ফেলে। গবেষকরা এমনটাই দাবি করেছেন।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মাতৃত্ব ও গর্ভধারন মহিলাদের মস্তিস্কে স্থায়ী পরিবর্তন এনে দেয়, যা তাদের পরবর্তী জীবনে চিকিৎসায় প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বয়সজনিত এবং স্নায়ু সৃজক সমস্যায় হরমোন থেরাপি ও মস্তিস্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনগুলো দেখা যায়।

ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়য়ের গবেষণা থেকেই উঠে এসেছে মহিলাদের মস্তিস্কের স্থায়ী পরিবর্তনের তথ্য।

আমাদের গবেষণায় পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মহিলাদের মাতৃত্ব তাদের চেতনার পরিবর্তন আনে। হরমোন থেরাপির ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে মাতৃত্ব স্থায়ীভাবে মস্তিস্ককে পরিবর্তন করে দিচ্ছে।

নিজেদের গবেষণার স্বপক্ষে এই মন্তব্য করছেন ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ডঃ লিসা গালিয়া। এর সাথে তিনি আরো বলেন, হরমোন মস্তিস্কে গভীর প্রভাব বিস্তার করে। একজন মহিলা মা হওয়ার সাথে সাথে তার জীবনে কিছু পরিবর্তন আসে। মনোস্তত্ত্ব ও দেহতত্ত্বের ওপর তার প্রভাব হয় সবচেয়ে বেশি।

ভালোবাসার মৌসুম (part 3)এমনকি কেবল ভালোবাসা-জড়ানো নিবিড় আলিঙ্গনও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোল...
27/05/2015

ভালোবাসার মৌসুম (part 3)

এমনকি কেবল ভালোবাসা-জড়ানো নিবিড় আলিঙ্গনও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনায় পরিচালিত এক গবেষণায় অংশ নেওয়া যুগলেরা প্রথমে পাশাপাশি বসে গল্প করেন, এরপর গভীর ভালোবাসায় জড়িয়ে ধরেন একে অন্যকে। পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, মহিলাদের ক্ষেত্রে কর্টিসোল হরমোন এবং রক্তচাপ দুই-ই হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে নারী-পুরুষ উভয়েরই শরীরে বন্ধনের হরমোন বলে পরিচিত অক্সিটোসিনের নিঃসরণ বেড়েছে। সাইকোসোমাটিক মেডিসিন জার্নালে এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

শারীরিক বেদনা উপশমেও ভালোবাসার ভূমিকা রয়েছে। এমআরআই পরীক্ষায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের যে অংশ ব্যথার অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখে, সুখী দম্পতিদের সেই অংশ অধিক কার্যকর হয়ে থাকে। প্রায় সোয়া লাখ ব্যক্তির ওপর পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, বিবাহিত ব্যক্তিদের মাথা ব্যথা, কোমর ব্যথা-জাতীয় উপসর্গ অবিবাহিতদের চেয়ে কম হয়। প্রকৃত ভালোবাসা জীবনকে সুখময় করে, মানসিক চাপ মোকাবিলা সহজ করে, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা কমায়, কমায় মাদকাসক্তির আশঙ্কাও।

ভালোবাসার যে স্বাস্থ্যকর একটা দিক আছে, তা জেনে হয়তো প্রেমিক-প্রেমিকারা আনন্দিতই হচ্ছেন। ভালোবাসা হতে পারে বাবা-মা, ভাই-বোন, সন্তান বা সহপাঠী-সহকর্মীর প্রতি। এমনকি পোষা জীবটির প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসাও আপনাকে দিতে পারে স্বাস্থ্যগত সুবিধাটুকু। তাই ভালোবাসুন। ভালোবাসুন আপনার সঙ্গী/সঙ্গিনীকে, আপনার আত্মীয়-বন্ধু-পরিজনকে, ভালোবাসুন মানুষ এবং সৃষ্টির সব জীবকে। ভালোবাসুন এবং সুস্থ থাকুন।

ভালোবাসার মৌসুম (part 2)নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও-ভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফ...
27/05/2015

ভালোবাসার মৌসুম (part 2)

নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও-ভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ অন আনলিমিটেড লাভ-এর গবেষক ইসথার এম স্টার্নবার্গ বলেন, যেকোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক চাপ শরীরে কর্টিসোল হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায়। এই কর্টিসোল দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। ভালোবাসা সেই চাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলে কমে যায় কর্টিসোল নিঃসরণও। ওয়াশিংটনের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের গবেষকেরাও ভালোবাসার রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতার বিষয়টি সমর্থন করেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্যানডেস পার্ট বলেন, স্থিতিশীল, দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসার বন্ধন শরীরে এনডরফিন নামের এক ধরনের রাসায়নিকের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এনডরফিন আবার ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রাকৃতিক ঘাতক কোষের পরিমাণ বাড়ায়।

প্রগাঢ় ভালোবাসা বার্ধক্য বিলম্বিত করে, যৌবনের স্থায়িত্ব বাড়ায়। ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক হার্টম্যাথ ইনস্টিটিউট স্বেচ্ছায় ভালোবাসা অনুভবের এক অনুশীলন উদ্ভাবন করে এবং গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের সেই অনুশীলনটি করায়। নিয়মিত অনুশীলনের ছয় মাসের মাথায় বার্ধক্যরোধী হরমোন হিসেবে পরিচিত ডিহাইড্রোএপিএন্ড্রোস্টেরন বা ডিএইচইএ হরমোনটি তাদের দেহে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে যায় এবং নয় মাসের মাথায় তা ৯০ শতাংশ বাড়ে।

হূদ-স্বাস্থ্যের ওপরও ভালোবাসার ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। ১০ হাজার বিবাহিত পুরুষের ওপর এক গবেষণা চালান আমেরিকান গবেষকেরা। উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসের মতো হূদরোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে জীবনযাপন করছিলেন তাঁরা। ফলে হূদরোগের কারণে বুকে তীব্র ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি ছিল সবারই। তাঁদের দুটি দলে ভাগ করা হয়। প্রথম দলে ছিলেন সেই সব পুরুষ, যাঁরা স্ত্রীর সত্যিকারের ভালোবাসায় সিক্ত। অন্যদিকে যাঁরা মনে করতেন স্ত্রীরা তাঁদের ভালোবাসেন না, তাঁরা ছিলেন দ্বিতীয় দলে। পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে, দ্বিতীয় দলের পুরুষদের মধ্যে ওই ধরনের তীব্র বুকে ব্যথা হওয়ার হার ছিল প্রথমোক্ত দলের প্রায় দ্বিগুণ।

২০০৭ সালে হিউম্যান কমিউনিকেশন রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদন অনুসারে, ভালোবাসার অনুভূতি কেবল কাগজে লেখার মাধ্যমেই কমানো যায় হূদরোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কোলেস্টেরল! পাঁচ সপ্তাহব্যাপী গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন তিনবার ২০ মিনিট করে তাঁদের ভালোবাসার মানুষটিকে উদ্দেশ করে মনের অভিব্যক্তি লিখতে বলা হয়। পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, তাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে গিয়েছিল উল্লেখযোগ্য হারে।

ভালোবাসার  মৌসুম (part 1)প্রকৃত অর্থে ভালোবাসার কোনো মৌসুম নেই, নির্দিষ্ট কোনো দিন বা মাসও নেই। ভালোবাসার অনুভব যে কারও ...
27/05/2015

ভালোবাসার মৌসুম (part 1)

প্রকৃত অর্থে ভালোবাসার কোনো মৌসুম নেই, নির্দিষ্ট কোনো দিন বা মাসও নেই। ভালোবাসার অনুভব যে কারও মনে সঞ্চারিত হতে পারে যেকোনো সময়। সর্বব্যাপী এই ভালোবাসা কেবল প্রেমিক-প্রেমিকা বা কবি-সাহিত্যিকদেরই মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু নয়, বিজ্ঞানী ও গবেষকদেরও এর প্রতি রয়েছে প্রবল আগ্রহ। তবে তাঁদের আগ্রহের কারণটা ভিন্ন এবং বলতে পারেন নন-রোমান্টিকও। মানব স্বাস্থ্যের ওপর ভালোবাসার প্রভাবই তাঁদের প্রধান ঔত্সুক্য। তাঁদের গবেষণালব্ধ ফল ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তিদের জন্য উদ্দীপকই বটে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভালোবাসা স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক। তবে এখানে ভালোবাসা বলতে আকর্ষণের প্রাথমিক উদ্দামতা, মোহগ্রস্ততা বা কেবল নর-নারীর আদিম প্রেমকে বোঝানো হচ্ছে না; ভালোবাসা বলতে অন্তরঙ্গ ও উপভোগ্য একটি স্থায়ী সম্পর্কের ওপর জোর দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ভালোবাসার ইতিবাচক প্রভাব বুঝতে গবেষণা করা হচ্ছে বিবাহিত ব্যক্তিদের ওপর। অসংখ্য গবেষণায় দেখা গেছে, সুখী দম্পতিরা দীর্ঘায়ু হন; তাঁদের হার্ট অ্যাটাক ও ক্যান্সার হওয়ার হারও অসুখী দম্পতি বা অবিবাহিত ব্যক্তিদের চেয়ে কম। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিবাহিত মহিলাদের হূদরোগ, লিভার সিরোসিস ও আত্মহত্যাজনিত কারণে মৃত্যুর আশঙ্কা একাকী ব্যক্তিদের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। অন্যদিকে একাকী পুরুষদের এই আশঙ্কা সুখী বিবাহিত ব্যক্তিদের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি।

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when House Doctor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to House Doctor:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram