Dr.Saad-Homeopath

Dr.Saad-Homeopath "আন্তরিক সেবা এবং দ্রুত সুস্থতায় আমার লক্ষ্য"
মোল্লা হোমিও হল
আসাদুল্লাহ মার্কেট; নওদাপাড়া, রাজশাহী
Dr.Saad(Classical Homeopath.) Chronic case specialist.

Reg:40834

বিশ্বাস না থাকলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।

সেবা হোমিও হল✅মিরপুর চেম্বারে আসার সহজ পথ: *676/1,উত্তর কাফরুল, নাহার বেকারী রোড, বায়তুন নূর জামে মসজিদের গলির দক্ষিনে, ...
30/04/2026

সেবা হোমিও হল
✅মিরপুর চেম্বারে আসার সহজ পথ: *676/1,উত্তর কাফরুল, নাহার বেকারী রোড, বায়তুন নূর জামে মসজিদের গলির দক্ষিনে, কাফরুল,ঢাকা 1206। (শেওড়া পাড়া মেট্রোরেল নিচ থেকে রিকশা নিবেন*)।

Google location: https://maps.app.goo.gl/k7C3Q4jt8UZb9VQo6

✍আসার আগে যোগাযোগ করবেন: *01740-644877* এই নাম্বারে ( সকাল 9 টা থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত যোগাযোগ করবেন )

রোগী দেখার সময়: প্রতিমাসের প্রথম শুক্রবার এবং *10,11/26* তারিখ।(*10 তারিখ শুধু মাত্র ক্যান্সার রোগী দেখা হয়*)

👉সম্ভব হলে আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত হতে পারেন:- https://www.facebook.com/share/19xkfN763A/?mibextid=wwXIfr

‼️বিভ্রান্তি এড়াতে- অবশ্যই উপরে দেওয়া গুগল লোকেশন দেখে আসুন। ‼️

সবাই যুক্ত হতে পারেন- বিভিন্ন কেস সেয়ার করবো এই লিংকে https://whatsapp.com/channel/0029VaN245fC1FuKY3BU4E2Y
29/04/2026

সবাই যুক্ত হতে পারেন- বিভিন্ন কেস সেয়ার করবো এই লিংকে
https://whatsapp.com/channel/0029VaN245fC1FuKY3BU4E2Y

Follow Dr. Saad Homoeopath's WhatsApp channel. সঠিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে চাই।
আমার চেম্বার সমূহ:

১. রাজশাহী নওদাপাড়া, প্রতি মাসের ১০,১১,২৬ এবং শুক্রবার ছাড়া বাকি দিন গুলো সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ পর্যন্ত রোগী দেখি।

৩. মিরপুর-১৪-উত্তর কাফরুল নাহার বেকারি রোড, বাইতুর নুর মসজিদের গোলির শেষ মাথা। প্রতি মসারের- প্রথম শুক্রবার এবং ১০,১১,২৬ তারিখ।

✅সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন 01978599334.. Join 46 followers for the latest updates.

সব শেষ করে অবশেষে হোমিওপ্যাথির কাছে। কিছু করার-আছে এখন?
26/04/2026

সব শেষ করে অবশেষে হোমিওপ্যাথির কাছে। কিছু করার-আছে এখন?

এই লোক বলে- আমি যতটুকু দেখেছি, আপনি যে পেশায় আছেন এটা আপনাকে কেউ কেউ দিয়ে গেছে। মানুষ কে সেবা দিয়ে যাবেন। আপনার জন্য দোয়...
26/04/2026

এই লোক বলে- আমি যতটুকু দেখেছি, আপনি যে পেশায় আছেন এটা আপনাকে কেউ কেউ দিয়ে গেছে।
মানুষ কে সেবা দিয়ে যাবেন। আপনার জন্য দোয়া। কে ইনি??

বিভিন্ন সময়ে রোগীরা প্রায়ই বলেন—আগেকার হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের সামনে কোনো কম্পিউটার থাকত না। কিন্তু এখনকার অধিকাংশ ডাক্...
24/04/2026

বিভিন্ন সময়ে রোগীরা প্রায়ই বলেন—আগেকার হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের সামনে কোনো কম্পিউটার থাকত না। কিন্তু এখনকার অধিকাংশ ডাক্তারের সামনেই কম্পিউটার থাকে।
দেখুন, সময়ের সাথে পরিবর্তন এসেছে। আধুনিকতার এই ছোঁয়ায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখন কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে। ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতাও এতে রাখা যায়, যা রোগী ভালো করার ক্ষেত্রে সহায়ক। আগে এসব তথ্য পুরনো ডাক্তারদের খাতায় লিপিবদ্ধ থাকত।
যেমন, আমার আলাউদ্দীন স্যারকে দেখেছি—তিনি সারাদিনে চার-পাঁচজন রোগী দেখতেন। কিন্তু প্রতিটি রোগীকে তিনি যথেষ্ট সময় দিয়ে মনোযোগসহকারে দেখতেন। যে কয়জন রোগী দেখতেন, তারা ভালো হবে কি না—এ বিষয়েও তিনি রোগীকে স্পষ্টভাবে জানাতে পারতেন। স্যারের কাছ থেকে শেখার সময় দেখেছি, তিনি প্রতিটি কেস খুব সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করতেন।
হোমিওপ্যাথিতে যেমন বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে, তেমনি অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতেও আছে। আমিও একটি নির্দিষ্ট মত অনুসরণ করি এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে অনেক রোগের ক্ষেত্রে সফলতা পেয়েছি। আমার অনুসারী ও ছাত্ররাও একইভাবে সফলতা পাচ্ছে। তাই আমার সামনে একাধিক কম্পিউটার থাকলেও, সেটি আমার কাজের ধারাকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করে তোলে।

আলহামদুলিল্লাহ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে রোগী ভালো হয়ে গেলো।
22/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে রোগী ভালো হয়ে গেলো।

আমার কাছে যে রোগীগুলো বা ছাত্র-ডাক্তাররা মাঝে মাঝেই আসেন, তারা নিশ্চয়ই অবগত—আমার রোগী দেখতে বেশ সময় লাগে। কারণ, আমার ক...
22/04/2026

আমার কাছে যে রোগীগুলো বা ছাত্র-ডাক্তাররা মাঝে মাঝেই আসেন, তারা নিশ্চয়ই অবগত—আমার রোগী দেখতে বেশ সময় লাগে। কারণ, আমার কাছে যে রোগীগুলো আসে, তারা প্রায় সব ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি শেষ করে তারপরই চিকিৎসা নিতে আসেন।

ঠিক তেমনি, আজকে আমার রাজশাহীর চেম্বারে একটি মারাত্মক ক্যান্সার রোগীর ফলোআপ দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেছি। রোগীর অবস্থা বেশ করুণ। এলোপ্যাথি ডাক্তারদের তেমন কোনো চিকিৎসা অবশিষ্ট নেই—শেষ ভরসা হিসেবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিতে এসেছেন।

আমি রোগীর বিস্তারিত শুনে রিপোর্টগুলো পুনরায় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট সময় পার করে ফেলি। এ সময় বাইরে থেকে এক রোগী বিভিন্ন ধরনের কথা বলা শুরু করে, এমনভাবে বলছিল যেন কথাগুলো আমার কান পর্যন্ত পৌঁছায়।

আমি তার কথায় কর্ণপাত না করে, আমার সামনে থাকা রোগীর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। ঠিক তখনই বাইরের সেই রোগী জোরে বলে উঠল—“এখনকার ডাক্তাররা রোগীদেরকে সময় দেয় ”সো-আপ” করার জন্য।”

কিছু সময়ের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার সামনে থাকা রোগীও বিষয়টি ভালোভাবেই উপলব্ধি করতে পেরেছে বলে মনে হচ্ছিল। তারপরও আমি সেই কথাকে হজম করে, সামনে থাকা রোগীর জন্য যেমন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, ঠিক তেমনভাবেই চালিয়ে গেছি।

এই পোস্টটি করতে গিয়ে একজন শিক্ষকের কথা বারবার মনে পড়ছে। তিনি ঢাকার উত্তরা এলাকার একটি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি প্র্যাকটিসও করেন। একদিন তিনি বলেছিলেন—বর্তমান সময়ের রোগীদেরকে যদি কলিজা খুলেও দিয়ে দেন, তবুও এদের মন সন্তুষ্ট করা যাবে না। তাই সবসময় সামনে থাকা রোগীকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেবেন। #রোগী #ডাক্তার

22/04/2026

তোমরা যদি না জান তবে জ্ঞানীদের কাছে জিজ্ঞাসা করে জেনে নাও। (সূরা আম্বিয়া)

কেমন হলো।
21/04/2026

কেমন হলো।

20/04/2026

ভিডিওতে যে রোগীকে দেখছেন, তার বয়স ৫০ বছর। তিনি প্রায় ৮ বছর ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন। বর্তমানে তার RBS 12.29, যা দুই বেলা ইনসুলিন নেওয়ার পরও এই অবস্থায় রয়েছে।

এছাড়াও রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে—
S. Creatinine: 9.72
Uric Acid: 11.50
Urine R/E: Albumin +3

কিডনি বিশেষজ্ঞ সরাসরি জানিয়েছেন—রোগীর ডায়ালাইসিস প্রয়োজন।
অসুস্থতার কারণে তিনি নেফ্রোলজি বিভাগে ভর্তি ছিলেন এবং সেখানে কয়েকদিন ডায়ালাইসিস নেওয়া রোগীদের কষ্ট ও বাস্তব অবস্থা নিজ চোখে দেখেছেন। তার ভাষায়—
“ডায়ালাইসিস নেওয়ার পর কাউকে ভালো অবস্থায় দেখিনি।”

এই অভিজ্ঞতার পরই তিনি বুকভরা আশা নিয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিতে এসেছেন।

লক্ষ্য করার বিষয় হলো—
৮ বছর ধরে তিনি এলোপ্যাথি চিকিৎসা নিয়েছেন, বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন।
কিন্তু যখন কাঙ্ক্ষিত নিশ্চয়তা পাননি, তখনই শেষ ভরসা হিসেবে হোমিওপ্যাথির দ্বারস্থ হয়েছেন।

অন্যদিকে, আমাদের প্রায়ই শুনতে হয়—
“হোমিওপ্যাথি ধীরে কাজ করে।”

কিন্তু বাস্তবতা হলো—
অনেক রোগী তখনই হোমিওপ্যাথির কাছে আসেন, যখন রোগ অনেক জটিল হয়ে যায়, শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন যেকোনো চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রেই দ্রুত ফল পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।

এই অভিজ্ঞতা থেকে আমার ব্যক্তিগত দুটি উপলব্ধি—

১. অসুস্থ হওয়ার আগেই সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
কারণ অনেক সময় রোগ হয়ে যাওয়ার পর সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।

২. অসুস্থ হলে একপাক্ষিক না হয়ে, প্রয়োজনে বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে সমন্বিতভাবে চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
এতে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও জটিলতা কমানোর সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

এই রোগী দীর্ঘদিন ধরে শুধু আধুনিক চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আজ তার বর্তমান অবস্থা—ঘাড়ের পাশে বড়, ক্ষতযুক্ত ও সংক্রমিত একটি জটিল ...
18/04/2026

এই রোগী দীর্ঘদিন ধরে শুধু আধুনিক চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আজ তার বর্তমান অবস্থা—ঘাড়ের পাশে বড়, ক্ষতযুক্ত ও সংক্রমিত একটি জটিল সমস্যা।
ছবিটা দেখলে একটাই প্রশ্ন আসে—এ পর্যায়ে আসার আগেই কি কিছু করা যেত না?

আমি কোনো চিকিৎসা পদ্ধতির বিরুদ্ধে নই। জরুরি অবস্থা, সার্জারি—এসবের নিজস্ব গুরুত্ব আছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক ক্ষেত্রেই রোগ শুরুতে ছোট থাকে, পরে ধীরে ধীরে জটিল হয়ে ওঠে—আর তখনই রোগী আমাদের সামনে এমন অবস্থায় আসে।

প্রশ্নটা হওয়া উচিত—
শুরুর দিকে কি যথেষ্ট সময় নিয়ে রোগের মূল কারণ খোঁজা হয়েছিল?
শুধু উপসর্গ কমানো হয়েছে, নাকি রোগের গভীরে কাজ করা হয়েছে?

হোমিওপ্যাথিতে আমরা রোগীকে “পুরো মানুষ” হিসেবে দেখি—তার শরীর, প্রতিরোধ ক্ষমতা, মানসিক অবস্থা—সব মিলিয়ে চিকিৎসা করার চেষ্টা করি। অনেক ক্ষেত্রে এতে রোগের অগ্রগতি ধীর হয়, জটিলতা কমে।

এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
এই অবস্থায় রোগীর পূর্ণ আরোগ্য কতটা সম্ভব, তা নির্ভর করবে সঠিক ডায়াগনোসিস, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, এবং প্রয়োজন হলে সার্জারির উপর। পাশাপাশি সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে হোমিওপ্যাথি দিয়ে শরীরের পুনরুদ্ধার ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।

আমার অনুরোধ—
কোনো একটি পদ্ধতির উপর অন্ধ নির্ভর না করে, সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।
শুরুর দিকে সমস্যাকে গুরুত্ব দিন, দেরি করবেন না।

শেষ কথা—
রোগীর জন্য সহানুভূতি দরকার, দোষারোপ নয়।
যত তাড়াতাড়ি সঠিক চিকিৎসা শুরু হবে, তত বেশি সুস্থতার সম্ভাবনা থাকবে।

একজন ভুক্তভোগী রোগীর অভিজ্ঞতা…এই কথাগুলো শুধু একজন মানুষের না—এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে, যারা তাড়াহুড়া করে ফিস্টুলার অপার...
17/04/2026

একজন ভুক্তভোগী রোগীর অভিজ্ঞতা…
এই কথাগুলো শুধু একজন মানুষের না—এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে, যারা তাড়াহুড়া করে ফিস্টুলার অপারেশন করিয়েছেন।
আমি অপারেশনের বিরুদ্ধে না। প্রয়োজন হলে অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—সব কেসেই কি অপারেশনই প্রথম সমাধান?
অনেক ক্ষেত্রে ছোট, শুরুর দিকের সমস্যাগুলো সঠিকভাবে কেস নিয়ে চিকিৎসা করলে অপারেশন ছাড়াও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
হোমিওপ্যাথিতে রোগের মূল কারণ ধরে চিকিৎসা করা হয়, তাই অনেক সময় পুনরাবৃত্তি কমে আসে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়।
অপারেশন একটি স্থায়ী সিদ্ধান্ত। একবার করলে ফিরে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিকল্পগুলো জেনে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
আমার অনুরোধ
ফিস্টুলা বা এ ধরনের সমস্যায় ভুগলে অপারেশন করার আগে অন্তত একবার অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
হয়তো আপনার জন্য কম ঝুঁকিপূর্ণ, আরও সহজ কোনো সমাধান থাকতে পারে।
আপনার শরীর—আপনার সিদ্ধান্ত।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জেনে নিন, বুঝে নিন, তারপর এগোন।
#ফিস্টুলা

Address

Airport Road
Rajshahi
6203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Saad-Homeopath posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Saad-Homeopath:

Share