FJ Habib

FJ Habib সুস্থ জীবনের জন্য...

18/11/2021
😍😍😍
14/11/2021

😍😍😍

11/01/2020

প্রশ্নঃ বিশ্ব ইজতেমায় যোগদান করা যাবে কি?

উওরঃ
ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রচার করার লক্ষ্যে যেকোন মাহফিল বা ইজতেমার আয়োজন করা ও সেখানে যোগদান করা যায়। কিন্তু যদি ইসলামের নামে জাল, যঈফ ও বানোয়াট হাদীছের এবং ভিত্তিহীন ফাযায়েল ও কেচ্ছা-কাহিনী শোনার দাওয়াত দেয়া হয়, বিদ‘আতী আক্বীদা ও আমল প্রচার করা হয়, তাহলে সেখানে যোগদান করা যাবে না। চাই সেটা বিশ্ব ইজতেমা হোক বা অন্য কোন ইজতেমা হোক। কারণ বিদ‘আতীদের সঙ্গ দিতে নিষেধ করা হয়েছে। বিদ‘আতী লোকেরা ক্বিয়ামতের দিন হাউয কাওছারের পানি পান করতে পারবে না (ছহীহ মুসলিম হা/৪২৪৩)। উল্লেখ্য যে, তাবলীগ জামা‘আত কথিত বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করে থাকে। আর তাদের মধ্যে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলি অধিকহারে রয়েছে। তারা ছালাত শিখলেও তা কখনোই ছহীহ হাদীছের ছালাত নয়। বিশ্ব ইজতেমায় আখেরী মুনাজাতের বিদ‘আত চালু করে তারা এককভাবে দো‘আ করার ছহীহ তরীকা থেকে মানুষকে ফিরিয়ে নিয়েছে। মানুষ এখন ফরয ছালাত আদায়ের চাইতে আখেরী মুনাজাতে যোগদান করাকেই অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। অতএব এইসব বিদ‘আতী ইজতেমা থেকে দূরে থাকা আবশ্যক।

দারুল ইফতা
হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

08/01/2020

্রেণির_মানুষ_মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না😥🥺🥺

এমন কিছু কাজ আছে, যেগুলো করলে মুসলমান হয়েও প্রথমবারে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। তারা ওই গুনাহর কারণে প্রথমে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে। এরপর আল্লাহ চাইলে তারা জান্নাতে যাবে ওই ধরনের কিছু গুনাহ নিম্নরূপঃ—

(1) #হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০)

(2) #আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত জুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ বুখারি : ৫৫২৫)

(3) #প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরা নিরাপদ নয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ৬৬)

(4) #মাতা_পিতার অবাধ্য সন্তান ও দাইয়ুস নারী জান্নাতে যাবে না : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তিন শ্রেনির লোক জান্নাতে যাবে না—মাতা-পিতার অবাধ্য, দাইয়ুস (অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার স্ত্রী-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেয় না) এবং পুরুষের বেশ ধারণকারী মহিলা। ’ (মুসতাদরাকে হাকেম : ২২৬)

(5) #অশ্লীলভাষী ও উগ্র মেজাজি জান্নাতে যাবে না : হারেছা বিন ওহাব (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘অশ্লীলভাষী ও উগ্র মেজাজি ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না। ’ (আবু দাউদ : ৪১৬৮)

(6) #প্রতারণাকারী শাসক জান্নাতে যাবে না : হযরত মাকাল বিন ইয়াসার (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘মুসলমানদের ওপর প্রতিনিধিত্বকারী শাসক যদি এ অবস্থায় মারা যায় যে সে তার অধীনস্থদের ধোঁকা দিয়েছে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।

(সহিহ বুখারি : ৬৬১৮)

(7) #অন্যের সম্পদ আত্মসাৎকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি কসম করে কোনো মুসলমানের সম্পদ আত্মসাৎ করে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব করে দেন এবং জান্নাত হারাম করেন। এক ব্যক্তি বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! যদিও সামান্য কোনো জিনিস হয়? তিনি বললেন, যদিও পিপুলগাছের একটি ছোট ডাল হোক না কেন। ’ (সহিহ মুসলিম : ১৯৬)

(8) #খোঁটাদানকারী, অবাধ্য সন্তান ও মদ্যপ জান্নাতে যাবে না : হযরত আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘উপকার করে খোঁটা দানকারী, মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, সর্বদা মদপানকারী—এই তিন শ্রেণির মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে নাসায়ি : ৫৫৭৭)

(9) #চোগলখোর জান্নাতে যাবে না : হযরত হুজাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ১৫১)

(10) #অন্য পিতার সঙ্গে সম্বন্ধকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত সাদ ও আবু বাকরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি জেনেশুনে নিজেকে অন্য পিতার সঙ্গে সম্পর্কিত করে—অর্থাৎ নিজেকে অন্য পিতার সন্তান বলে পরিচয় দেয়, তার জন্য জান্নাত হারাম। ’ (সহিহ বুখারি : ৬২৬৯)

(11) #গর্ব-অহংকারকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার রয়েছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ১৩১)

(12) #রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নাফরমান জান্নাতে যাবে না : হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আমার সব উম্মত জান্নাতে যাবে, কিন্তু সে ব্যক্তি নয়, যে (জান্নাতে যেতে) অস্বীকার করেছে। সাহাবীরা আরজ করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! কে অস্বীকার করেছে? তিনি বললেন, যে আমার আনুগত্য করে, সে জান্নাতে যাবে। আর যে আমার নাফরমানি করে, সে (জান্নাতে যেতে) অস্বীকার করেছে। ’ (সহিহ বুখারি : ৬৭৩৭)

(13) #দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে ইলম অর্জনকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ইলম দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা হয় সেই ইলম যে ব্যক্তি দুনিয়াবি কোনো স্বার্থ-সম্পদ হাসিলের উদ্দেশ্যে শিক্ষা করে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। ’ (আবু দাউদ : ৩১৭৯)

(14) #অকারণে তালাক কামনাকারী নারী জান্নাতে যাবে না : হযরত সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে নারী তার স্বামীর কাছে অকারণে তালাক কামনা করে, সে জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। ’ (তিরমিজি : ১১০৮)

(15) #কালো কলপ ব্যবহারকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘শেষ যুগে কিছু লোক কবুতরের সিনার ন্যায় কালো কলপ ব্যবহার করবে। তারা জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। ’ (সুনানে নাসায়ি : ৪৯৮৮)

(16) #লৌকিকতা প্রদর্শনকারী জান্নাতে যাবে না : হযরত আবু হুরাইরা (রা.) সূত্রে বর্ণিত এক দীর্ঘ হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম একজন শহীদকে ডাকা হবে। অতঃপর একজন কারিকে। তারপর একজন দানশীল ব্যক্তিকে হাজির করা হবে। প্রত্যেককে তার কৃতকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। অতঃপর শহীদকে বীর-বাহাদুর উপাধি লাভের উদ্দেশ্যে জিহাদ করার অপরাধে, কারি সাহেবকে বড় কারির উপাধি ও সুখ্যাতি লাভের জন্য কিরাত শেখার অপরাধে এবং দানশীলকে বড় দাতা উপাধি লাভের নিয়তে দান-সদকা করার অপরাধে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। ’ (সহিহ মুসলিম : ৩৫২৭)

(17) #ওয়ারিসকে বঞ্চিতকারী জান্নাতে যাবে না : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো ওয়ারিসকে তার অংশ থেকে বঞ্চিত করল, আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতের অংশ থেকে বঞ্চিত করবেন। ’ (সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৬৯৪)

==============

**আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক**

মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন..!!

"কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা"[তিরমিযীঃ২৬৭৪]

17/04/2017

দুনিয়ার ভেতরে সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে
নিজেকে সংশোধন করা।
আর সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যের
সমালোচনা করা।.........চতুর্থ খলিফা হযরত আলী রা:

14/04/2017

জাহান্নামের ৬ নারী!!
১. ঐ নারী
যে মাথার চুল খুলে
বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে
বাহির
হয়।
২. ঐ নারী যে তার
স্বামীর
সাথে তর্ক করে এবং
স্বামীকে সম্মান
করেনা।
৩. ঐ নারী তার স্বামী
থাকার
সত্বেও পর পুরূষের
সাথে হাসি
তামাশা
ও কুকর্মে লিপ্ত হয়।
৪. ঐ নারী সে
অপবিত্র থাকার
সত্বের পবিত্রতা
অর্জন
করতে অলসতা করে
এবং নামাজের
অমনোযগী।
৫. ঐ নারী যে মিথ্যা
কথা
বলে এবং গীবত বলে
রেড়ায়।
৬. ঐ নারী যে অন্যের
সুখ দেখে হিংসা করে
এবং উপকার করে খোটা
দেয়।

17/03/2017

২৮. কাতার সোজা করা ও মিশে দাঁড়ানো, ক্রমানুসারে
প্রথম কাতারের ফযীলত, প্রথম কাতারে দাঁড়াবার
জন্য প্রতিযোগিতা করা এবং জ্ঞানী ব্যাক্তিদের
পক্ষে ইমামের নিকট ও সামনের কাতারে দাঁড়াবার
বিধান
৮৫৮। ইয়াহইয়া ইবন হাবীব আল-হারিসী ও সালিহ ইবন
হাতিম ইবন ওয়ারদান (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)
থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে
যারা অধিক জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান তারা আমার নিকট
দাঁড়াবে। অতঃপর যারা তাদের কাছাকাছি তারা, অতঃপর যারা
তাদের কাছাকাছি তারা, অতঃপর যারা তাদের কাছাকাছি তারা
দাঁড়াবে। আর তোমরা বাজারী হট্রগোল হতে
দূরে থাকবে।
হাদিসের মানঃ সহিহ
(সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৪/ কিতাবুস স্বলাত ( ﻛﺘﺎﺏ
ﺍﻟﺼﻼﺓ ), হাদিস নম্বরঃ ৮৫৮)
ﺑﺎﺏ ﺗَﺴْﻮِﻳَﺔِ ﺍﻟﺼُّﻔُﻮﻑِ ﻭَﺇِﻗَﺎﻣَﺘِﻬَﺎ ﻭَﻓَﻀْﻞِ ﺍﻷَﻭَّﻝِ ﻓَﺎﻷَﻭَّﻝِ ﻣِﻨْﻬَﺎ
ﻭَﺍﻻِﺯْﺩِﺣَﺎﻡِ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺼَّﻒِّ ﺍﻷَﻭَّﻝِ ﻭَﺍﻟْﻤُﺴَﺎﺑَﻘَﺔِ ﺇِﻟَﻴْﻬَﺎ ﻭَﺗَﻘْﺪِﻳﻢِ
ﺃُﻭﻟِﻲ ﺍﻟْﻔَﻀْﻞِ ﻭَﺗَﻘْﺮِﻳﺒِﻬِﻢْ ﻣِﻦَ ﺍﻹِﻣَﺎﻡِ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﺒِﻴﺐٍ
ﺍﻟْﺤَﺎﺭِﺛِﻲُّ، ﻭَﺻَﺎﻟِﺢُ ﺑْﻦُ ﺣَﺎﺗِﻢِ ﺑْﻦِ ﻭَﺭْﺩَﺍﻥَ، ﻗَﺎﻻَ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺰِﻳﺪُ
ﺑْﻦُ ﺯُﺭَﻳْﻊٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺧَﺎﻟِﺪٌ ﺍﻟْﺤَﺬَّﺍﺀُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻣَﻌْﺸَﺮٍ، ﻋَﻦْ
ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻣَﺴْﻌُﻮﺩٍ، ﻗَﺎﻝَ ﻗَﺎﻝَ
ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ " ﻟِﻴَﻠِﻨِﻲ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﺃُﻭﻟُﻮ
ﺍﻷَﺣْﻼَﻡِ ﻭَﺍﻟﻨُّﻬَﻰ ﺛُﻢَّ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳَﻠُﻮﻧَﻬُﻢْ - ﺛَﻼَﺛًﺎ - ﻭَﺇِﻳَّﺎﻛُﻢْ
ﻭَﻫَﻴْﺸَﺎﺕِ ﺍﻷَﺳْﻮَﺍﻕِ "

15/03/2017

"নিশ্চয় আল্লাহই বীজ ও আঁটি থেকে অঙ্কুর
সৃষ্টিকারী; তিনি জীবিতকে মৃত থেকে বের
করেন ও মৃতকে জীবিত থেকে বের
করেন। তিনি আল্লাহ অতঃপর তোমরা কোথায়
বিভ্রান্ত হচ্ছ?"
[ সূরা আল্ আন-আম : 95 ]

15/03/2017

উমার (রা) থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন,
আমি রাসূল (দঃ) কে বলতে শুনেছিঃ
"তোমরা যদি আল্লাহর উপর ভরসা করার
মত ভরসা করতে,
তবে তিনি পাখিকে রিযিক দেওয়ার মতই
তোমাদেরকেও দিতেন।
পাখি তো সকালে খালি পেটে বের হয়ে
যায় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে
আসে।"
_______[ তিরমিযীঃ ৭৯ ]

Address

১/২ পদ্মা আবাসিক
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FJ Habib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram