Rokto Bondhon Foundation

Rokto Bondhon Foundation একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবীমূলক সংগঠন Give Blood And Save Lifes
(1)

Constipation (কোষ্ঠকাঠিন্য) কি?Constipation বা কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন অবস্থা যেখানে➡️ মলত্যাগ কম হয়,➡️ মল শক্ত ও শুকনো হয়,...
17/12/2025

Constipation (কোষ্ঠকাঠিন্য) কি?

Constipation বা কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন অবস্থা যেখানে
➡️ মলত্যাগ কম হয়,
➡️ মল শক্ত ও শুকনো হয়,
➡️ বা মল ত্যাগ করতে অনেক কষ্ট/জোর দিতে হয়।

সাধারণত সপ্তাহে ৩ বারের কম মল হলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়।

🔹 সাধারণ লক্ষণঃ

> শক্ত, শুকনো মল।

> মলত্যাগে কষ্ট বা ব্যথা।

> পেট ফাঁপা, ভারী লাগা।

> মল পুরো পরিষ্কার হয়নি মনে হওয়া।

> মাঝে মাঝে পেট ব্যথা।

🔹 কারণঃ

* কম পানি পান করা,

* ফাইবারযুক্ত খাবার কম খাওয়া,

* দীর্ঘক্ষণ মল চেপে রাখা,

* শারীরিক পরিশ্রম/ব্যায়াম কম করা বা না করা,

* কিছু ওষুধ (আয়রন, ব্যথার ওষুধ, অ্যান্টাসিড ইত্যাদি) সেবন,

* গর্ভাবস্থা, বয়স বৃদ্ধি,

* থাইরয়েড বা অন্যান্য রোগ ইত্যাদি৷

🔹 করণীয়/প্রতিরোধঃ

দিনে ২–৩ লিটার পানি পান,

শাকসবজি, ফল, আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাবেন,

নিয়মিত হাঁটবেন বা ব্যায়াম করবেন,

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটে বসার অভ্যাস করবেন,

প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে laxative.

⚠️ কখন ডাক্তার দেখাবেন?

★ দীর্ঘদিন (২–৩ সপ্তাহ) ধরে থাকলে।

★ মলের সাথে রক্ত গেলে।

★ হঠাৎ ওজন কমে গেলে।

★ তীব্র পেট ব্যথা বা বমি হলে।

গতকাল ও+ এবং বি+ রক্তদানের মুহূর্ত।
11/12/2025

গতকাল ও+ এবং বি+ রক্তদানের মুহূর্ত।

10/12/2025

১২ তম হুইলচেয়ার বিতরণ

আলহামদুলিল্লাহ। রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন – Rokto Bondhon Foundation–এর পক্ষ থেকে ১২ তম হুইলচেয়ারটি সফলভাবে প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল আমরা সেরিব্রাল পালসি (Cerebral Palsy) রোগে আক্রান্ত এক অসহায় রোগীর হাতে এই হুইলচেয়ারটি তুলে দিই। চলাফেরায় সক্ষমতা কমে যাওয়ায় রোগীর জন্য এটি ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপহার। আমাদের ছোট্ট এই উদ্যোগ তার পরিবারের জন্য একটু হলেও স্বস্তি ও আশার আলো নিয়ে আসবে—এই বিশ্বাসই আমাদের শক্তি।

মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে প্রতিটি হুইলচেয়ার বিতরণ আমাদের আরও উৎসাহিত করে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য, আর এ ধরনের কার্যক্রম সেই অঙ্গীকারকেই আরও দৃঢ় করে।

সকলকে অনুরোধ রইল—
রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশনের জন্য দোয়া করবেন, যেন আমরা মানবতার সেবায় সবসময় নিয়োজিত থাকতে পারি এবং আরো বেশি অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পারি।



#রক্তবন্ধন

08/12/2025

Rokto Bondhon Foundation
রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন - Rokto Bondhon Foundation এক ভালোবাসার জায়গা৷ এমন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি বলেই আজ আমরা গর্বিত৷

কম্বল বিতরণ কর্মসূচি ২০২৫...আলহামদুলিল্লাহ, রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন - Rokto Bondhon Foundation ২০২৫ সালের কম্বল বিতরণ কর্মস...
07/12/2025

কম্বল বিতরণ কর্মসূচি ২০২৫...
আলহামদুলিল্লাহ, রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন - Rokto Bondhon Foundation ২০২৫ সালের কম্বল বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন হলো।

মা ও দুই বোনের একটি পরিবার৷ দুর্ভাগ্যজনক ভাবে ৩ জনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। তাদের পরিবার চলে প্রতিবন্ধী ভাতায়৷ কষ্টের এই সংসারে ২ বোন পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে৷

এই শীতে তাদের কষ্ট লাঘবে ২টি কম্বল উপহার দেওয়ার মাধ্যমে এ বছরের "শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ কর্মসূচি" উদ্বোধন করলাম আমরা৷

আমাদের এই কর্মসূচি ধাপে ধাপে পরিচালিত হবে ইংশা আল্লাহ৷ চাইলে একটি কম্বল বা সমমূল্য প্রদানের মাধ্যমে আপনিও অংশগ্রহণ করতে পারেন আমাদের মানবিক এই কাজে৷







#রক্তবন্ধন

06/12/2025

আলহামদুলিল্লাহ

আরও একটি মাদ্রাসায় কার্পেট উপহার দিয়ে শিক্ষার্থীদের শীতের কষ্ট লাঘব করলো রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন - Rokto Bondhon Foundation। রাজশাহীর আয়েশা (রাঃ) মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ৭ কাতার কার্পেট প্রদান করা হয়৷

শীতের মধ্যে ফ্লোরে পড়ালেখা করে ইতিমধ্যে কয়েকজন বোন জ্বর ও ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছিল। তাদের এই কষ্ট লাঘবে আমাদের এই ক্ষুদ্র সহায়তা প্রদান করা হলো৷

যে সকল ভাই ও বোনের সহায়তায় এই ইভেন্টটি বাস্তবায়িত হলো আল্লাহ পাক তাদের নেক উদ্দেশ্যগুলো পূরণ করে এই দোয়া চাচ্ছি।

রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে৷

বাংলাদেশের অধিকাংশ মহিলাই রক্তশূন্যতায় ভুগছেন। ফলাফল তাঁরা নিজেরা তো দুর্বলতা, চুল পরে যাওয়া, অনিয়মিত মাসিক, খিটখিটে মেজ...
05/12/2025

বাংলাদেশের অধিকাংশ মহিলাই রক্তশূন্যতায় ভুগছেন। ফলাফল তাঁরা নিজেরা তো দুর্বলতা, চুল পরে যাওয়া, অনিয়মিত মাসিক, খিটখিটে মেজাজের মতো সমস্যায় ভুগছেনই; তাঁদের গর্ভ থেকে একটার পর একটা নিউরাল টিউব ডিফেক্টের বাচ্চা জন্ম নিচ্ছে।

অথচ দেশের সবচেয়ে কমদামি ঔষধ "ফলিক এসিড" খেলে এসব সমস্যা থেকে অনেকটাই নিস্তার পাওয়া সম্ভব। এক পাতা ঔষধের দাম মাত্র ৫ টাকা! খেতে একটু খারাপ লাগে জন্য রক্তশূন্যতা থাকার পরেও অনেকেই এই ঔষধ খেতে চান না। কেউ কেউ আবার দু'লাইন বাড়িয়ে বলেন, "আল্লাহ যারে এমন বাচ্চা দেবে, তারে এম্নেও দেবে, অম্নেও দেবে। ঔষধ টৌষধ খেয়ে লাভ নাই।"

এইটারে তাওয়াক্কুল বলেনা বইন। নিজের দিক থেকে সবরকম প্রস্তুতি গ্রহণ করার পর ফলাফলের জন্য আল্লাহ পাকের উপর নির্ভর করার নাম তাওয়াক্কুল।

কনসিভ করার ৪ সপ্তাহ আগে থেকে কনসিভ করার ৩ মাস পর পর্যন্ত প্রতিদিন ফলিক এসিড ট্যাবলেট খাবেন। নিজের জন্য না হলেও গর্ভের সন্তানের ভালোর জন্য অবশ্যই খাবেন।

 #হেপাটাইটিস_সি_কি?হেপাটাইটিস ভাইরাস গুলোর মধ্যে হেপাটাইটিস সি সবচেয়ে মারাত্মক। সাধারণত দূষিত রক্তের মাধ্যমে এবং বিশেষ ...
28/11/2025

#হেপাটাইটিস_সি_কি?

হেপাটাইটিস ভাইরাস গুলোর মধ্যে হেপাটাইটিস সি সবচেয়ে মারাত্মক। সাধারণত দূষিত রক্তের মাধ্যমে এবং বিশেষ করে একই সূচ দিয়ে মাদক সেবনের মাধ্যমে হেপাটাইটিস সি ছড়ায়।

#হেপাটাইটিস সি হয়েছে কি করে বুঝবেন?
প্রাথমিক পর্যায়ে হেপাটাইটিস সি’র কোন লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা যায় না। লক্ষণ ও উপসর্গ গুলো মৃদু বা হাল্কা এবং অনেকটা সাধারণ সর্দিকাশি-জ্বর বা ফ্লুর মতো হয়ে থাকে।

#হেপাটাইটিস সি হলে সাধারণত: যেসব লক্ষণ ও উপসর্গ গুলো দেখা দেয়:
অবসাদ জ্বর ক্ষুধামন্দা বা বমি বমি ভাব
মাংস পেশী এবং অস্থি সন্ধিতে ব্যথা
যকৃতের আশেপাশে ব্যথা অনুভূত হওয়া

#কখন ডাক্তার দেখাবেন?
হেপাটাইটিস সি’র লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযেগ করতে হবে।

#কোথায় চিকিৎসা করাবেন ?
জেলা সদর হাসপাতাল
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
বিশেষায়িত সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল

#কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে ?
রক্ত পরীক্ষা
লিভার বায়োপসির (Liver biopsy) মাধ্যমে যকৃতের কলা (Liver tissue) পরীক্ষা।

#কি ধরণের চিকিৎসা আছে ?
ডাক্তার নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন
সমস্যা বেশি দেখা দিলে এন্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে
#পরিপূর্ণ বিশ্রাম ও পথ্য সেবন
নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা ও হেপাটাইটিস সি’র মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ
যকৃত বেশি মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্থ হলে যকৃত প্রতিস্থাপন করতে হবে
সংক্রমণ রোধে এন্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে
হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং হেপাটাইটিস ‘বি’র টিকা দিতে হবে

#জীবন যাপন পদ্ধতি ?
যে সমস্ত ঔষধ যকৃতের ক্ষতি করে সেগুলো বাদ দেয়া
সুষম খাবার গ্রহণ এবং নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি লক্ষ্য রাখা
ক্ষতস্থান ঢেকে রাখা, নিজের ব্যবহৃত টুথব্রাশ এবং রেজার আলাদা রাখা
মদ পান থেকে বিরত থাকা

#হেপাটাইটিস সি কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়?
নিরাপদ শারীরিক সর্ম্পকের অভ্যাস করা
শিরাপথে মাদক সেবন এবং অন্যের ব্যবহৃত সুচ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে
শরীরে ছিদ্র করা অথবা উল্কি (tattoo) আঁকার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে

#প্রশ্ন . কাদের হেপাটাইটিস সি হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে ?
#উত্তর. যাদের হেপাটাইটিস সি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে তারা হলেন-
স্বাস্থ্য কর্মী যিনি সংক্রমিত রক্তের সংস্পর্শে এসেছেন
যারা
(Collected)

HCC/  লিভারের প্রধান ক্যান্সার:-🔹 **HCC কী?হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমা (Hepatocellular Carcinoma – HCC) হলো লিভারের প্রাথমি...
26/11/2025

HCC/ লিভারের প্রধান ক্যান্সার:-

🔹 **HCC কী?

হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমা (Hepatocellular Carcinoma – HCC) হলো লিভারের প্রাথমিক (primary) ক্যান্সার, যা সরাসরি লিভারের কোষ (hepatocyte) থেকে উৎপন্ন হয়।

🔹 **কারণসমূহ (Causes):

1. **হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV)— সবচেয়ে সাধারণ কারণ
2. **হেপাটাইটিস সি ভাইরাস (HCV)
3. **লিভার সিরোসিস (যেকোনো কারণে — ভাইরাস, অ্যালকোহল, বা ফ্যাটি লিভার)
4. **নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD/NASH)
5. **অ্যালকোহল সেবন(দীর্ঘদিনের)
6. **অ্যাফলাটক্সিন এক্সপোজার (পচা চাল, বাদাম, বা সংরক্ষিত খাবারে থাকা ছত্রাকজনিত বিষাক্ত পদার্থ)
7. **জেনেটিক ও মেটাবলিক রোগ

🔹 **উপসর্গ বা ক্লিনিক্যাল ফিচারস:

• ডান দিকের উপরের পেটে ব্যথা বা ভারি ভাব
• ক্ষুধামান্দ্য ও ওজন হ্রাস
• দুর্বলতা ও ক্লান্তি
• চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস)
• পেটে পানি আসা (ascites)
• পেট ফোলা বা গাঁট অনুভব
• হঠাৎ রক্তপাত বা বমিতে রক্ত
• উন্নত অবস্থায় মানসিক বিভ্রান্তি
• লিভার বড় ও শক্ত
• জন্ডিস
• পেটে পানি
• শিরা ফুলে যাওয়া
• কখনও গাঁট অনুভবযোগ্য

:
* Ultrasound
* AFP
* CT scan of HBS

#চিকিৎসা (Treatment Options):

চিকিৎসা নির্ভর করে লিভারের কার্যক্ষমতা, টিউমারের আকার ও সংখ্যা, এবং রোগীর সার্বিক অবস্থার উপর।

**প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতি:**

1. সার্জিক্যাল রিসেকশন:টিউমারে সম্পূর্ণ অপসারণ সম্ভব হলে এটি সবচেয়ে কার্যকর।
2. লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন: নতুন লিভার প্রতিস্থাপন করা। উপযুক্ত ক্ষেত্রে স্থায়ী সমাধান।
3) লিভার Cancer এর মুখে খাওয়ার ওষুধ
4) সাপোর্টিভ কেয়ার:ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য ও জন্ডিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক চিকিৎসা।

🔹 **প্রতিরোধ (Prevention):

• **হেপাটাইটিস বি টিকা গ্রহণ করুন** – এটি সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।
• **হেপাটাইটিস বি/সি রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা ও ফলো-আপে থাকুন**
• **ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণ করুন** – ওজন কমানো, সুষম খাবার ও ব্যায়াম
• **অ্যালকোহল সম্পূর্ণ পরিহার করুন**
• **পচা খাবার ও ছত্রাকযুক্ত খাদ্য এড়িয়ে চলুন**
• **রক্ত বা ইনজেকশন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন**
• **যারা লিভার সিরোসিস বা ভাইরাসে আক্রান্ত, বছরে অন্তত ২ বার লিভার স্ক্রিনিং করুন

• লিভারের জটিল রোগ দ্রুত শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রিত করা যায়
• HCC ছোট অবস্থায় ধরা পড়লে নিরাময়ের সুযোগ বেশি
• সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা, ফলো-আপ ও ঝুঁকি মূল্যায়ন করা সম্ভব
• নিজে থেকে চিকিৎসা নয় — কারণ ভুল ব্যবস্থাপনায় রোগ দ্রুত জটিল হয়ে যায়

সচেতনতার বার্তা:

ডাঃ মুহাম্মদ আবিদুর রহমান ভূঞা

পেটের ক্যানসার বাড়ছে দ্রুত চিকিৎসকরা জানালেন চমকে দেওয়া কারণ। পেটের ক্যান্সার বা গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার হলো পেটের ভেতরে...
25/11/2025

পেটের ক্যানসার বাড়ছে দ্রুত চিকিৎসকরা জানালেন চমকে দেওয়া কারণ।

পেটের ক্যান্সার বা গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার হলো পেটের ভেতরের আস্তরণে অস্বাভাবিক কোষ দ্রুত বেড়ে টিউমার তৈরি করার প্রক্রিয়া। শুরুতে সাধারণত তেমন লক্ষণ দেখা না গেলেও ধীরে ধীরে হজমে সমস্যা, অরুচি, ওজন কমে যাওয়া, বমিভাব ইত্যাদি উপসর্গ ধরা পড়ে। দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা না হলে এটি শরীরের অন্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

জীবনযাত্রা যত উন্নত হচ্ছে, তার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নানান জটিল রোগের প্রকোপ। ক্যান্সার তার মধ্যেই অন্যতম ভীতিকর নাম। চিকিৎসা-বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এখন ক্যান্সারের অনেক প্রকারই নিরাময়যোগ্য বা নিয়ন্ত্রণযোগ্য হলেও, এখনও এই রোগটি মানুষের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে—বিশেষ করে পেটের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে। জীবনযাত্রার অবাধ পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাসের পশ্চিমীকরণ, অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস, স্থূলতা বৃদ্ধি, সংক্রমণ—সব মিলেই পেটের ক্যান্সার এখন একটা বড় স্বাস্থ্য-চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে এসেছে।

কিন্তু আসলে কী এই পেটের ক্যান্সার? কেনই বা এর প্রকোপ এত দ্রুত বেড়ে চলেছে? কোন কোন অঙ্গে এই ক্যানসার হতে পারে? রোগ নির্ণয়ের পরে কোন চিকিৎসা পদ্ধতি বেছে নেওয়া হবে—কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন নাকি অস্ত্রোপচার—সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়মই বা কী?

পেটের ক্যান্সার নিয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন। কারণ ক্যান্সার মানেই জীবন শেষ—এই ধারণা ভুল। যথাসময়ে রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনও সম্ভব। কিন্তু এজন্য প্রথম শর্ত হলো—উপসর্গকে অবহেলা না করা।

পেটের ক্যান্সার কী?
পেটের ক্যান্সার বলতে সাধারণত আমরা পাকস্থলির ক্যান্সারকে বুঝি। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যায় বিষয়টি আরও বিস্তৃত। চিকিৎসক আশুতোষ দাগা খুব স্পষ্ট করে বলেন— “পেটের মধ্যে যে যে অঙ্গ রয়েছে, সেখানে যে ক্যান্সার হয় তাকে পেটের ক্যান্সার বলে।”

অর্থাৎ, ‘অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সার’ বলতে পাকস্থলির পাশাপাশি থাকে—

লিভারের ক্যান্সার

গলব্লাডারের ক্যান্সার

অগ্ন্যাশয়ের (প্যানক্রিয়াস) ক্যান্সার

ছোট বা বড় অন্ত্রের ক্যান্সার

পেরিটোনিয়াল সারকমা বা টিউমার

অ্যাপেন্ডিক্সের ক্যান্সার

এমনকি কিডনি বা প্লীহা সম্পর্কিত কিছু ক্যান্সারও পেটের ক্যান্সার আওতায় ধরা পড়ে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক ধরা হয় অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারকে। কারণ এই ক্যান্সার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রথমদিকে কোনও লক্ষণ ধরা পড়ে না। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগীকে দেরিতে হাসপাতালে আসতে দেখা যায়।

অন্যদিকে, অন্ত্র পেটের সবচেয়ে বড় অংশ দখল করে থাকে। তাই ছোট অন্ত্র ও বড় অন্ত্র—দু’ধরনের ক্যান্সারই এখন দ্রুত বাড়ছে। পশ্চিমা দেশে বড় অন্ত্রের ক্যান্সার সবচেয়ে সাধারণ হলেও, আমাদের দেশে গত কয়েক বছরে বড় অন্ত্রের ক্যান্সার গ্রাফও উঠতি।

পেটের ক্যান্সার বাড়ার মূল কারণগুলো
দুই চিকিৎসকের বক্তব্যেই উঠে এসেছে—জীবনযাত্রার পরিবর্তন পেটের ক্যান্সারের প্রধান কারণ।
নিচে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশদে ব্যাখ্যা করা হলো—

১. স্থূলতা (Obesity):

অতিরিক্ত ওজন শরীরে হরমোনাল ভারসাম্য নষ্ট করে। পেটে জমা চর্বি বিশেষভাবে ঝুঁকি বাড়ায়।
স্থূলতার ফলে—

পাকস্থলিতে অ্যাসিডিটি বাড়ে

ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স হয়

প্রদাহজনিত সমস্যা (inflammation) দীর্ঘস্থায়ী হয়
এই তিন মিলেই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।

২. ধূমপান এবং তামাক সেবনঃ

চিকিৎসকদের মতে, ধূমপান এখন সবচেয়ে বড় অভিশাপ। ধোঁয়ার রাসায়নিক পদার্থ পাকস্থলির আস্তরণে ক্ষত তৈরি করে এবং ক্রমে কোষের ডিএনএ নষ্ট করে। ফলে ক্যান্সার হওয়ার সুযোগ বেড়ে যায়।

৩. অ্যালকোহল গ্রহণ বৃদ্ধিঃ

মদ্যপান লিভার ও প্যানক্রিয়াস—দুই অঙ্গের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

অতিরিক্ত অ্যালকোহল—

* লিভার সিরোসিস তৈরি করে

* প্যানক্রিয়াসে জ্বালা বাড়ায়

* পাকস্থলির কোষে মিউটেশন ঘটাতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে—“মদ্যপান যত বাড়ছে, তত বাড়ছে ক্যান্সারের গ্রাফ।”

৪. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসঃ

“জাঙ্ক ফুড বেশি খাচ্ছে, রিফাইন্ড ওয়েস্টার্ন ডায়েটে ঝুঁকছে—এটাই বড় সমস্যা।”

পশ্চিমা খাদ্যাভ্যাসে—

বেশি ফ্যাট,

বেশি চিনি,

অতিরিক্ত প্রসেসড ফুড,

ভাজাপোড়া,

লাল মাংস।

—সবই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. সংক্রমণঃ

H. pylori, Hepatitis B ও C
হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি (H. pylori) নামের ব্যাকটেরিয়া পাকস্থলির ক্যান্সারের প্রধান কারণ।

অন্যদিকে—

হেপাটাইটিস বি

হেপাটাইটিস সি

লিভার ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
অসংক্রমিত লিভারের উপর দীর্ঘদিনের প্রদাহ ক্যান্সারের পথ তৈরি করে।

৬. শরীরচর্চার অভাবঃ

আধুনিক মানুষ ডেস্কে বসে কাজ করে, হাঁটার বা নড়াচড়া করার সময় নেই। ফলে শরীরে চর্বি জমে, বিপাকক্রিয়া নষ্ট হয়—যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশনের ১১তম হুইলচেয়ার বিতরণ ✨আলহামদুলিল্লাহ।সিরাজগঞ্জে রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন – Rokto Bondhon Foundation–এ...
25/11/2025

রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশনের ১১তম হুইলচেয়ার বিতরণ ✨
আলহামদুলিল্লাহ।

সিরাজগঞ্জে রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন –
Rokto Bondhon Foundation–এর পক্ষ থেকে ১১তম হুইলচেয়ার হিসেবে মরিয়মকে একটি ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার উপহার দেওয়া হয়েছে।

মরিয়ম জন্মগতভাবেই শারীরিক প্রতিবন্ধী—তার দুই পা নেই। এসএসসি পরীক্ষার সময়ই প্রয়াত হন তার মা। এত কষ্ট-দুর্দশা সত্ত্বেও দমে যায়নি সে। নিজের স্বপ্নকে আগলে রেখে একের পর এক বাধা অতিক্রম করে আজ সে কলেজের ছাত্রী।

তার বাবার জন্য প্রতিদিন তাকে দেখাশোনা করা এবং কলেজে নিয়ে যাওয়া ছিল কঠিন। এতে কাজেও বাধা সৃষ্টি হতো। বিষয়টি জানতে পেরে রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন দ্রুত যাচাই-বাছাই করে মরিয়মের বাড়িতে গিয়ে ইলেকট্রিক হুইলচেয়ারটি হস্তান্তর করে।

হুইলচেয়ার পাওয়ার পর মরিয়মের মুখের হাসি, তার অনুভূতির প্রতিটি মুহূর্ত—সবকিছুই খুব শিগগিরই ভিডিও আকারে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে, ইনশাআল্লাহ।

মানুষের জন্য কাজ—এটাই রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশনের পথচলার শক্তি।

ব্রেস্ট ক্যান্সার এর রোগীরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত থাকে। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন না হওয়া, ভুল চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হ...
24/11/2025

ব্রেস্ট ক্যান্সার এর রোগীরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত থাকে। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন না হওয়া, ভুল চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হওয়া, সচেতনতার অভাব, আর্থিক সামর্থ্যের অভাব ইত্যাদি রোগীর সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়৷

ব্রেস্ট ক্যান্সার পুরোপুরি প্রতিরোধের কোনো নিশ্চিত উপায় নেই। তবে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায় সঠিক জীবনযাপন, নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং সচেতনতার মাধ্যমে।

নিচে সহজভাবে বিস্তারিত উপায় দেওয়া হলো:

✅ ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর উপায়ঃ

১. স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখাঃ

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়—বিশেষত মেনোপজের পর।
নিয়মিত ব্যায়াম ও সুষম খাদ্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

২. নিয়মিত ব্যায়ামঃ

সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হালকা–মাঝারি ব্যায়াম (হাঁটা, সাইকেল, জগিং) করুন।
ব্যায়াম হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ও ঝুঁকি কমায়।

৩. অ্যালকোহল ও ধূমপান এড়িয়ে চলাঃ

অ্যালকোহল ব্রেস্ট ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ায়।
ধূমপান সরাসরি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

৪. সুস্থ খাদ্যাভ্যাসঃ

বেশি পরিমাণে শাকসবজি, ফল, আঁশযুক্ত খাবার।
রেড মিট কম খাওয়া, প্রোসেসড খাবার এড়িয়ে চলা।
পর্যাপ্ত ভিটামিন D বজায় রাখা।

৫. জন্মনিয়ন্ত্রণ ও হরমোন থেরাপি সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহারঃ

দীর্ঘদিন হরমোনাল birth control নিলে সামান্য ঝুঁকি বাড়তে পারে।
মেনোপজের পর hormone replacement therapy (HRT) ব্যবহারে ঝুঁকি বাড়ে—ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নেবেন না।

৬. বুকের দুধ পান করানোঃ

কমপক্ষে ৬ মাস শিশুকে স্তন্যদান করলে মায়ের ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। বর্তমানে অধিকাংশ নারীরা নিজেকে ফিট রাখার ভ্রান্ত ধারণায় সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ায় না৷ যার ফলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে পড়ছে৷

৭. রেডিয়েশন এক্সপোজার কমানোঃ

অপ্রয়োজনীয় এক্স-রে, সিটি স্ক্যান কম করা।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ইমেজিং না করা।

সচেতনতাঃ

১. ব্রেস্ট সেলফ-এক্সাম (Self-breast examination):

প্রতি মাসে নিজের স্তনে কোনো গাঁট, পরিবর্তন, ব্যথা আছে কি না পরীক্ষা করুন।
মাসিকের ৩–৫ দিন পরে করা সবচেয়ে ভালো।

২. নিয়মিত স্ক্রিনিংঃ

৪০ বছর থেকে ম্যামোগ্রাম করা শুরু করা উচিত (ব্যক্তিগত ঝুঁকি অনুযায়ী ডাক্তার ভিন্ন পরামর্শ দিতে পারেন)।

★ যাদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা জরুরীঃ

নিচের অবস্থায় ঝুঁকি বেশি—ডাক্তারের পরামর্শে নিয়মিত স্ক্রিনিং করুন:

★ পরিবারে মা/বোন/খালার স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস

★ BRCA1/BRCA2 জিন মিউটেশন

★ আগে কোনো ধরনের ক্যান্সার থাকা

★ অনেক বছর হরমোন থেরাপি নেওয়া৷

Address

Rajshahi

Telephone

+8801752400477

Website

http://Facebook.com/groups/roktobondhon

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rokto Bondhon Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rokto Bondhon Foundation:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category