ভেষজ রিচার্স সেন্টার

ভেষজ রিচার্স সেন্টার অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা যে কোন জটিল ও কঠিন রোগের সু- চিকিৎসা দেওয়া হয়। যে কোন জটিল ও কঠিন রোগের অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সুচিকিৎসা দেয়া হয়।

03/03/2023

গো প ন সম স্যার সমা'ধান হবে ইনশাআল্লাহ।

স্বাধীনতা বয়ে চলুক প্রতিটা প্রাণে,স্বাধীনতা ফিরে আসুক বাংলার প্রতিটা ঘরে,স্বাধীনতার সুফল ভোগী হোক সবাই।  বিজয় দিবসের শ...
15/12/2020

স্বাধীনতা বয়ে চলুক প্রতিটা প্রাণে,স্বাধীনতা ফিরে আসুক বাংলার প্রতিটা ঘরে,স্বাধীনতার সুফল ভোগী হোক সবাই।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা এবং শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

:::যৌ'ন মিলনের সময় করনীয় বিষয়সমুহঃ:::=======================১. সঙ্গিনীর দেহে প্রবেশ এর পূর্বে আপনারযৌনাঙ্গ দিয়ে দিয়ে তার...
04/11/2020

:::যৌ'ন মিলনের সময় করনীয় বিষয়
সমুহঃ:::
=======================
১. সঙ্গিনীর দেহে প্রবেশ এর পূর্বে আপনার
যৌনাঙ্গ দিয়ে দিয়ে তার
যৌনাঙ্গে হালকা ভাবে আদর করুন ,
সঙ্গীকে জানান যে আপনি এখন
প্রবেশ করতে যাচ্ছেন , এর
ফলে সে আপনাকে ভিতরে নেয়ার জন্য
মানসিক ভাবে প্রস্তুত হবে ।
২. কক্ষনোই জোর করে ঢুকার
চেষ্টা করবেন না , যদি দেখেন যে আপনার
সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গ আপনাকে নেয়ার জন্য
প্রস্তুত নয় তবে তাকে আশ্বাস দিন
যে অসুবিধা নেই , সঙ্গিনীকে রাগ
দেখাবেন না । যৌনাঙ্গ সবসময় এক
ধরনের Response নাও দিতে পারে।
যদি রাগ দেখান
তাহলে পরবর্তীতে সে উত্তেজিত হবার
বদলে ভয় পাবে এবং তার মস্তিস্ক
Response
করতে প্রচুর সময় নিবে ।
৩. প্রবেশ এর পর আস্তে আস্তে আদর
করুন , সঙ্গিনীকে মন থেকে ভালোবাসার
কথাবলুন , তার সারা শরীর এ হাত বুলান ।
মনে রাখবেন যে , যদি আপনার
সঙ্গী আপনার
কাছ থেকে ভালবাসা পূর্ণ শারীরিক আদর
লাভ করে তাহলে এটি তার কাছে আনন্দময়
মুহূর্ত হিসেবে গণ্য হবে , এবং তা সুখকর
স্মৃতি হিসেবে তার মস্তিস্কে জমা হবে ।
ফলাফল হিসেবে পরবর্তীতে যৌন মিলনের
সময় তার Response অনেক ভালো হবে ।
৪. সঙ্গিনীকে ব্যথা দিবেন না ।
মাঝে মাঝে প্রশ্ন করুন যে তার কেমন
লাগছে। যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর
যোনি রস
কমে আসছে বা শুকিয়ে আসছে তাহলে শেষ
করে দিন , জোর করে দীর্ঘায়িত
করবেন না ।
৫. মিলনের এক পর্যায়ে যখন আপনি অনুভব
করছেন যে আপনার
একটি শিরশিরে অনুভূতি হচ্ছে ,
এবং এই অনুভূতি আর একটু বাড়লেই
আপনার বীর্যপাত হয়ে যাবে , তখন কোমর
সঞ্চালন বন্ধ করুন । চুপচাপ
সঙ্গিনীর উপর শুয়ে থাকুন এবং তাকে গলায়
বা কানে চুমু দিন। চোখ বা চুলের
প্রশংসা করুন । আলতো ভাবে তাকে আদর
করুন । এতে আপনার মনোযোগ অন্য
দিকে সরবে এবং শিরশিরে অনুভূতি কম
আবার স্বাভাবিক হবে । এরপর আবার মিলন
শুরু করুন । প্রক্রিয়া টি ২-৩ বার এর
বেশী প্রয়োগ করবেন না ।
৬. আসন পরিবর্তন করুন । এক এক
দম্পতি এক এক আসনে তৃপ্তি বোধ
করেন , তাই ধীরে ধীরে জেনে নিন
আপনাদের কোন আসন পছন্দ ।
সেগুলো প্রয়োগ করুন ।
৭. মিলনের সময় যদি অল্প
সময়ে নারী সঙ্গির যোনি রস
শুকিয়ে আসে , বা পুরুষ সঙ্গির লিঙ্গ তেমন
শক্ত না হয় , বা দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায়
তাহলে সঙ্গীকে দোষারোপ
করবেন না । নিয়মিত যৌন জীবন এর
মাঝে মাসে ২-৪ বার এরকম হতেই পারে ।
সঙ্গীকে জানান যে কোন অসুবিধা নেই ।
পরের বার ভালো হবে ।

04/11/2020
06/08/2020

সেবা নিন সুস্থ থাকুন

 #বুকের_যত_ব্যাথা💔 হৃদ্‌রোগ ছাড়াও বুকে ব্যথা এবং প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। বুকে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি প্রথমে...
14/07/2020

#বুকের_যত_ব্যাথা
💔 হৃদ্‌রোগ ছাড়াও বুকে ব্যথা এবং প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। বুকে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নেন হৃদ্‌রোগের কারণে এমন ব্যথা হচ্ছে কি না। হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বাতিল হলে চিকিৎসক বুকে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং চিকিৎসার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
হৃদ্‌রোগ ছাড়া বুকে ব্যথা সব বয়সের মানুষের হতে পারে। নারী বা পুরুষের বেলায় এ ধরনের ব্যথা হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না। দেখা গেছে, হৃদ্‌রোগজনিত বুকে ব্যথা নিয়ে যত রোগী আসে, তার চেয়ে চার গুণ বেশি রোগী আসে বুকের অন্য কোনো ব্যথা নিয়ে। এ ধরনের ব্যথার উপসর্গে মাঝে মাঝে ব্যথা হচ্ছে। বুকের ঠিক কোথায় ব্যথা হচ্ছে তা সঠিকভাবে রোগী বলতে পারছে। এ ছাড়া এই ব্যথা ছড়িয়ে পড়ছে না। রোগী সাধারণ কাজকর্ম করতে পারছে। অর্থাৎ, বুকে ব্যথা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের সাধারণ কাজকর্ম করতে কোনোই অসুবিধা হয় না। এ ধরনের রোগীরা ব্যথা নিয়ে সাধারণভাবে প্রথমেই হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যায় বা তাদের এ ধরনের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

সাধারণভাবে এমনটি করার কারণ, বুকে যে ব্যথা হচ্ছে, তা হৃদ্‌রোগ নাকি অন্য কিছু, তা রোগীর পক্ষে কখনোই বোঝা সম্ভব নয়। তাই নিরাপত্তার কথা ভেবে রোগীকে হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে বা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নানা কারণে বুকে ব্যথা হতে পারে। বুকের মাংসপেশির কোনো সংকটের কারণে, হাড়ের কারণে এই ব্যথা হতে পারে। বুকে কোনো আঘাত পাওয়ার কারণেও হতে পারে। এ ছাড়া পুরোনো ব্যথায় নতুন করে আঘাত পাওয়ার কারণে বুকে ব্যথা দেখা দিতে পারে। কোনো কোনো ধরনের ওষুধ খাওয়ার জন্য, এমনকি ফুসফুসের সমস্যার জন্য বুকে ব্যথা হতে পারে। তবে দেখা গেছে, সাধারণভাবে খাদ্যনালির নানা সমস্যার কারণে বুকে ব্যথা দেখা দিতে পারে। আমাদের পাকস্থলীতে খাদ্য হজম করার জন্য অ্যাসিড থাকে। কখনো কখনো এই অ্যাসিড খাদ্যনালিতে চলে আসে। ফলে বুক বা গলা জ্বালা করতে পারে। বুকের হাড়ের নিচে এই ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
বুক জ্বালা থেকে যে ধরনের বুকে ব্যথা দেখা দেয়, তা সাধারণত খাওয়ার পর দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ব্যথা বেশ কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ভয় বা আতঙ্ক থেকেও অনেকের বুক ব্যথা করতে পারে।
এ ধরনের বুকে ব্যথার সঙ্গে ঘন ঘন নিঃশ্বাস নেওয়ার উপসর্গ দেখা দিতে পারে। প্রচণ্ড ঘাম হতে পারে। বুক ধড়ফড় করতে পারে, অর্থাৎ হৃদ্‌পিণ্ডের কাজ বেড়ে যেতে পারে।
খাদ্যনালিতে বেশ কয়েক ধরনের সমস্যার কারণে কখনো কখনো খাদ্য গিলতে অসুবিধা হয় এবং একই সঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা দেখা দেয়। আমরা খাদ্য গেলার পর খাদ্যনালির মাংসপেশি খাদ্যকে নিচের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। কিন্তু কোনো কোনো মানুষের ক্ষেত্রে খাদ্যনালি এই সমন্বয় হারিয়ে ফেলে। আর এতে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা নাইট্রোগ্লিসারিন নামের একটি ওষুধ মুখে দিলে ভালো হয়ে যায়। হৃদ্‌রোগ-সংক্রান্ত ব্যথা কমাতেও একই ওষুধ ব্যবহার করা হয় বলে এ ধরনের ব্যথা কখনো কখনো মারাত্মক ভ্রান্তির সৃষ্টি করে। হৃদ্‌রোগবহির্ভূত বুকে ব্যথা শিশুদেরও হতে পারে। দুগ্ধপোষ্য শিশুদেরও এমন ব্যথা হতে পারে, আর তা হতে পারে নানা কারণে। তবে সাধারণভাবে হৃদ্‌যন্ত্রের আশপাশে যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে, সেগুলোর কোনোটায় কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে তার ফলে এ-জাতীয় বুকে ব্যথা দেখা দিতে পারে। জন্মগতভাবে অনেক শিশুর খাদ্যনালি প্রয়োজনের তুলনায় ছোট থাকে এবং এসব শিশুর বুকে ব্যথা হতে পারে।
বুকের ব্যথাকে হৃদ্‌রোগ থেকে সৃষ্ট ব্যথা বলে ধরে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে কিংবা হাসপাতালে ছুটে গেলে দোষের কিছু নেই। কিন্তু হৃদ্‌রোগ থেকে ব্যথা হচ্ছে অথচ ডাক্তারের কাছে কিংবা হাসপাতালে গেল না, তাতে মহাবিপদ হতে পারে। আর ব্যথাটি হৃদ্‌রোগজনিত বা হৃদ্‌রোগজনিত নয় তা বোঝার অন্যতম উপায় হলো, হৃদ্‌রোগবহির্ভূত ব্যথা বুকের এক জায়গায় থাকে। আঙুল দিয়ে রোগী বলতে পারে ঠিক কোন স্থানে ব্যথা হচ্ছে।
এ ধরনের ব্যথা সমস্ত বুক, ঘাড় বা বাঁ হাত বা দেহের বাঁ পাশে ছড়িয়ে পড়ে না। হৃদ্‌রোগবহির্ভূত ব্যথা সাধারণভাবে কোনো ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দেখা দেয় না। এ ছাড়া এ ধরনের ব্যথা হলে প্রথমে কারণ কী তা বের করতে হবে এবং সেই কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হলে রোগী আরোগ্য লাভ করে থাকে।
লেখক: বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ

হঠাৎ ঠান্ডা লাগা বা সর্দিজ্বর হওয়া যে কারো জন্য খুবই সাধারণ একটি বিষয়। ঠান্ডা বা সর্দিজ্বর মানুষকে খুবই সামান্য কারণে ...
14/06/2020

হঠাৎ ঠান্ডা লাগা বা সর্দিজ্বর হওয়া যে কারো জন্য খুবই সাধারণ একটি বিষয়। ঠান্ডা বা সর্দিজ্বর মানুষকে খুবই সামান্য কারণে যেমন ভোগাতে পারে, তেমনি সহজেই সেরেও যেতে পারে।

সাধারণত ঠান্ডা লাগা বা সর্দিজ্বরের বেশকিছু সাধারণ উপসর্গ থাকে যেগুলো শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে একইরকম হয়ে থাকে।

নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি থাকা
গলা ব্যাথা
মাথা ব্যাথা
মাংসপেশীতে ব্যাথা
কাশি
হাঁচি
জ্বর
কানে ও মুখে চাপ অনুভব করা
স্বাদ ও ঘ্রাণের অনুভূতি কমে আসা
কেন সর্দি হয়?
সর্দিজ্বর পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি হওয়া রোগগুলোর একটি।

ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাকমে'র সিনিয়র ম্যানেজার ও চিকিৎসক আফরোজা আখতার বলেন, "একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির বছরে ৪ থেকে ৬ বার এবং একটি শিশুর বছরে ১০ থেকে ১২ বার সর্দিজ্বর হওয়া স্বাভাবিক বিষয়।"

অর্থাৎ, আপনার জীবদ্দশায় ২০০ বারের বেশি সর্দি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে আপনার।

Image copyrightEYEWIRE INCwoman sneezing
এই সর্দিজ্বর বা ঠান্ডা লাগার কারণ ভাইরাস সংক্রমণ।

একসময় ধারণা করা হতো একটি বিশেষ গোত্রের ভাইরাসের মাধ্যমেই শুধু সর্দি হয়। তবে ৮০'র দশকে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয় যে মোট সাতটি গোত্রের ভাইরাসের কারণে সর্দিজ্বর হয়ে থাকে।

ঠান্ডার মৌসুমে বা শীতের সময় এই ভাইরাসগুলো দ্রুত সংক্রমিত হওয়ার মত পরিবেশ পায় বলে শীতের সময় সর্দি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পায় এবং শীতের সময় মানুষের বেশি সর্দি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সর্দিজ্বর সংক্রমিত থাকা অবস্থায় নাসারন্ধ্রের ভেতরে মিউকাস লাইনিং অতিক্রম করে প্রবেশ করে সংক্রমণকারী জীবাণু। এর ফলে নাাসরন্ধ্রের ভেতর অতিরিক্ত সর্দি জমা হয়, ডাক্তারি শাস্ত্র যেটিকে 'রাইনোরেয়াা' বলা হয়।

সর্দি যেন ছড়িয়ে না পড়ে
ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই সর্দিজ্বর আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি অন্যের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারেন। ঠান্ডা যেন ছড়িয়ে না পরে সেজন্য কয়েকটি পদক্ষেপ মেনে চলা যায়।

গরম পানি ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়া
ঠান্ডায় আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে তোয়ালে বা গৃহস্থালির দ্রব্যাদি (যেমন কাপ, প্লেট) শেয়ার না করা।
ঠান্ডা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার পর নিজের চোখ বা নাক স্পর্শ না করা।
Image copyrightTHINKSTOCKhoney and lemon drink
যেভাবে ঠান্ডা বা সর্দি থেকে দ্রুত উপশম লাভ করা সম্ভব
খুব সামান্য কারণেই ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ। সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যেই মানুষের সর্দিজ্বর ভালও হয়ে যায়। তবে কয়েকটি উপায়ে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত সময়ে সর্দিজ্বর ভাল করা সম্ভব বলে বলছেন চিকিৎসকরা।

ঘুম বা বিশ্রাম
ঘুম মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কাজেই ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরের সময় বিশ্রাম নিলে বা বেশি ঘুমালে দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব।

উষ্ণ পরিবেশে থাকা
সর্দিজ্বরের সময় উষ্ণ পরিবেশে থাকা বা উষ্ণ পোশাক পড়ে থাকলে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

প্রচুর পরিমাণ তরল পানীয় গ্রহণ করা
প্রচুর পরিমাণ পানি বা ফলের রস পানের মাধ্যমে পানিশূন্যতা রোধ করলে ঠান্ডা থেকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যেতে পারে।

গলার যত্ন নিন
ঠান্ডার একটি সাধারণ উপসর্গ গলা ব্যাথা। লবণ পানি দিয়ে গার্গল করা অথবা লেবু এবং মধু দিয়ে হালকা গরম পানীয় তৈরি করে পান করলে গলা ব্যাথা দ্রুত উপশম হতে পারে।

ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং সর্দিজ্বরের পার্থক্য
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়া ফ্লু এবং সর্দিজ্বরের উপসর্গ একই হওয়ায় এই দুই রোগের মধ্যে পার্থক্য করা অনেক সময় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

তাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিভাগের ওয়েবসাইট সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের পরোমর্শ, প্রতিবছর একবার ফ্লু'র পরীক্ষা করানো।

এছাড়া বিভিন্ন গবেষণায় সর্দিজ্বর যেন না হয় তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রকম নিয়ম মেনে চলার বিষয়ে বলা হয়েছে।

Image copyrightGETTY IMAGESশিশুদের ক্ষেত্রে বছরে ১০ থেকে ১২ বার সর্দিজ্বর হওয়া স্বাভাবিক
Image captionশিশুদের ক্ষেত্রে বছরে ১০ থেকে ১২ বার সর্দিজ্বর হওয়া স্বাভাবিক
সর্দিজ্বর থেকে বাঁচবেন যেভাবে
মিষ্টি আলু, বিটের মূল, কয়েকটি বিশেষ ধরণের কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণ বেটা-ক্যারোটিন থাকে যেটিকে আমাদের দেহ ভিটামিন এ'তে রূপান্তরিত করে। ভিটামিন এ আমাদের নাক এবং ফুসফুসের মিউকোসাল লাইনিংকে শক্ত রাখে যা নাগ ও ফুসফুসকে ইনফেকশনের হাত থেকে বাঁচায়।

পাশাপাশি কমলা, আম, তরমুজসহ লাল ফল একই ধরণের কাজ করে।

এছাড়া খাবারে যথেষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ ও রসুন থাকলেও ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। পেঁয়াজ ও রসুনে একধরণের তেল থাকে যা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

এছাড়া ঠান্ডা বা সর্দিজ্বর থেকে বাঁচার ক্ষেত্রে ভিটামিন সি'র ভূমিকা অনেক আগে থেকেই প্রমাণিত। ঠান্ডা পরিবেশে বসবাসকারী মানুষ উচ্চমাত্রায় ভিটামিন সি গ্রহণ করে সর্দিজ্বর বা ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে পারেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সূর্যের আলো বা অন্য কোনো উৎসের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি গ্রহণও শরীরকে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে ১৯৩০ এর দশকে ভিটামিন সি ছিল সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসা। এটি সত্তরের দশকে এসে আরো বেশি জনপ্রিয় হয় যখন নোবেল বিজয়ী লিনাস পোলিং গবেষণা করে প্রমাণ করেন যে ভিটামিন সি ঠান্ডাজনিত রোগ উপশমে অনেকবেশি কার্যকর।

সম্প্রতি ককরেন গ্রুপের গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঠান্ডা থেকে মুক্তিতে ভিটামিন সি'র ভূমিকা খুব বেশি নয়। এটি শরীরের জন্যে ক্ষতিকর নয় এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন সি শরীর থেকে মুত্রের সাথে বেড়িয়ে যায়।

তবে জিঙ্ক ক্ষতিকর হয়ে দাড়াতে পারে যদি মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। সুতরাং সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই ভালো।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
সর্দিজ্বর সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যে সেরে গেলেও বেশিদিন সর্দিজ্বর থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

"টানা সাতদিনের বেশি সর্দিজ্বর থাকলে বা টানা তিনদিনের বেশি সর্দির সাথে উচ্চমাত্রায় জ্বর থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিৎ।"

শিশুদের ক্ষেত্রে তিনদিনের বেশি সর্দি থাকলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

সর্দির সময় শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হলে বা বুকে ব্যাথা হলেও অতিসত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন মিজ. আখতার।

এছাড়া হঠাৎ সর্দি পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে, ডায়বেটিস, হৃদরোগ, কিডনি বা ফুসফুসের রোগ থাকলেও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

জেনে  রাখা ভাল ......১। GPA - এর পূর্ণরূপ—Grade point Average২। J.S.C - এর পূর্ণরূপ — Junior School Certificate.৩। J.D.C...
06/06/2020

জেনে রাখা ভাল ......

১। GPA - এর পূর্ণরূপ—Grade point Average
২। J.S.C - এর পূর্ণরূপ — Junior School Certificate.
৩। J.D.C - এর পূর্ণরূপ — Junior Dakhil Certificate.
৪। S.S.C - এর পূর্ণরূপ — Secondary School Certificate.
৫। H.S.C - এর পূর্ণরূপ — Higher Secondary Certificate.
৬। A.M - এর পূর্ণরূপ — Ante meridian.
৭। P.M - এর পূর্ণরূপ — Post meridian.
৮। B. A - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Arts.
৯। B.B.S - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Business Studies.
১০। B.S.S - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Social Science.
---
১১। B.B.A - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Business Administration
১২। M.B.A - এর পূর্ণরূপ — এর পূর্নরূপ — Masters of Business Administration.
১৩। B.C.S - এর পূর্ণরূপ — Bangladesh Civil Service.
১৪ । M.A. - এর পূর্ণরূপ — Master of Arts.
১৫। B.Sc. - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Science.
১৬। M.Sc. - এর পূর্ণরূপ — Master of Science.
১৭। B.Sc. Ag. - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Science in Agriculture .
১৮। M.Sc.Ag.- এর পূর্ণরূপ — Master of Science in Agriculture.
১৯ । M.B.B.S. - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Medicine, Bachelor of Surgery.
২০। M.D. - এর পূর্ণরূপ — Doctor of Medicine./ Managing director.
-----
২১। M.S. - এর পূর্ণরূপ — Master of Surgery.
২২। Ph.D./ D.Phil. - এর পূর্ণরূপ — Doctor of
Philosophy (Arts & Science)
২৩। D.Litt./Lit. - এর পূর্ণরূপ — Doctor of
Literature/ Doctor of Letters.
২৪। D.Sc. - এর পূর্ণরূপ — Doctor of Science.
২৫। B.C.O.M - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of
Commerce.
২৬। M.C.O.M - এর পূর্ণরূপ — Master of
Commerce.
২৭। B.ed - এর পূর্ণরূপ — Bachelor of education.
২৮। Dr. - এর পূর্ণরূপ — Doctor.
২৯। Mr. - এর পূর্ণরূপ — Mister.
৩০। Mrs. - এর পূর্ণরূপ — Mistress.
-----
৩১। M.P. - এর পূর্ণরূপ — Member of Parliament.
৩২। M.L.A. - এর পূর্ণরূপ— Member of Legislative Assembly.
৩৩। M.L.C - এর পূর্ণরূপ — Member of Legislative Council.
৩৪। P.M. - এর পূর্ণরূপ — Prime Minister.
৩৫। V.P - এর পূর্ণরূপ — Vice President./ Vice Principal.
৩৬। V.C- এর পূর্ণরূপ — Vice Chancellor.
৩৭। D.C- এর পূর্ণরূপ— District Commissioner/ Deputy Commissioner.
৩৯। S.P- এর পূর্ণরূপ — Superintendent of

লজ্জা নয় জানতে হবেস্বপ্নদোষ, হস্তমৈথুন এবং লিঙ্গের আকৃতি নিয়ে আমার তিনটি পোস্ট একসাথে। #স্বপ্নদোষআসলে স্বপ্নে কোন দোষ হ...
31/05/2020

লজ্জা নয় জানতে হবে

স্বপ্নদোষ, হস্তমৈথুন এবং লিঙ্গের আকৃতি নিয়ে আমার তিনটি পোস্ট একসাথে।
#স্বপ্নদোষ
আসলে স্বপ্নে কোন দোষ হয়না তবুও এই নামেই পরিচিত। তাই আমিও এই নামটাই ব্যাবহার করছি। স্বপ্নদোষ নিয়ে আমাদের সমাজে বহু ধারণা এবং ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে। অনেকে বলে স্বপ্নদোষ হলে পুরুষত্ব নষ্ট হয়, ধ্বজভঙ্গ হয়, দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা হয়, লিঙ্গের রগ ঢিলা হয়, অনেক জটিল রোগ, শরীর ভেঙ্গে যায়, চোখ কোটরে ঢুকে যায়, বৌ চলে যাবে বিয়ে করলে ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক ভয়ানক কথাবার্তা সমাজে প্রচলিত। এবং এই ধরণের মিথ্য ও অবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব শুনতে পাবেন হাটে বাজারের হকারদের কাছ থেকে এবং পোস্টার মারা কবিরাজদের কাছে। তারা নানা রকম চটকদার কথা বলে ঔষুধ বিক্রি করে। আবার অনেকেই বলে ৮০ ফোটা রক্ত থেকে নাকি ১ ফোটা বীর্য তৈরী হয়!!!! হাহাহাহা... এগুলো সম্পূর্ণ ভুল কথা এবং তারা তাদের ঔষুধ বিক্রির জন্যে এ ধরণের চটকদার কথা বলে। আসলে ওদের ঔষুধ খেলেই আপনার সমস্যা তৈরী হবে। তাই হকার/ ভন্ড কবিরাজ যারা পোস্টার মেরে প্রচার করে তাদের এড়িয়ে চলুন।
"স্বপ্নদোষ", আসলে এটা কোন রোগই না।
খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এটা।
একটি গ্লাস পানি দ্বারা পূর্ণ করার পর আবার যদি পানি ঢালা হয় তাহলে কিছু পানি উপচে পড়বে স্বাভাবিক। তেমনি পুরুষের শরীও প্রতিনিয়ত বীর্য তৈরী করছে যা বীর্যথলিতে জমা হচ্ছে। যখন বীর্য থলি পূর্ণ হয় তখনও বীর্য উৎপাদন অব্যাহত থাকে। আর এই কারনে কিছু বীর্য শরীরে নিষ্ক্রিয় হয় এবং কিছু বীর্য নিজেই বের করে দেয় শরীর। এখন বীর্য বের করার জন্য তো উত্তেজনা জরুরি তাই ছেলেরা স্বপ্নে দেখে সে কোন মেয়েকে জড়িয়ে ধরেছে, কিস করছে, বা যোনীতে বা পাছাতে ঢুকাতে যাচ্ছে এমন সময়ই বীর্য নির্গত হয়ে যায়। এটা শারিরিক মেকানিজম। এটা কোনও রোগনা। এটার জন্যে কোন ঔষুধ খেতে হবেনা। মাথায় রাখতে হবে বীর্যথলি পূর্ণ হয়েছে তাই বীর্য উপচে পড়ছে। যেমন কেউ যদি স্ত্রী সহবাস করে বা হস্তমৈথুন করে নিয়মিত তাহলে তার স্বপ্নদোষ হবেনা কারন তার বীর্যথলি পূর্ণ হওয়ার আগেই সে বীর্য বের করে দিয়েছে। সহবাস/ হস্তমৈথুন বন্ধ করলে আবার স্বপ্নদোষ হবে। সহবাস/ হস্তমৈথুন করলে ২৪/৪৮ ঘন্টা লাগে আবার বীর্যথলি পূর্ণ হতে।
স্বপ্নদোষ মাসে ৪-৫ বার হলেও তা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি প্রতিদিন হয় তাহলে হোমিও/ হামদর্দের সিরাপ খেতে হবে। তাহলেই আবার স্বাভাবিক হবে।
স্বপ্নদোষ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। পর্ণ দেখা বন্ধ করুন, হস্তমৈথুন বন্ধ করুন। হস্তমৈথুন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারনা নিয় পরবর্তীতে লিখবো।
# # # # # # # # # # # #-২- # # # # # # # # # # #
হস্তমৈথুনে কেন দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা হয় এবং উত্তরণের উপায়।
প্রথমেই বলি হস্তমৈথুন হারাম এবং কবিরাহ গুনাহ, হস্তমৈথুন চরম মাত্রার পাপ ইসলামের দৃষ্টিতে। হস্তমৈথুন করা যাবেনা, করা যাবেনা, করা যাবেনা। হস্তমৈথুন বন্ধ করুন।
এবার বিস্তারিত বলি। একটা ছেলে ১৩/১৪ বছর বয়সে যখন বুঝতে পারে সে ধীরে ধীরে পুরুষ হয়ে উঠছে যৌনতা তার শরীরে আসছে ঠিক সে সময়েই সে বন্ধু/ বয়সে বড় কারো প্ররোচনায় পড়ে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হয়। প্রথমে প্রচন্ড সুখ পায়। কারন হস্তমৈথুনে সে তখন নতুন। শরীর কাঁপিয়ে বীর্যপাত করে চরম সুখ লাভ করে। এবং একসময় এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। সে প্রতিদিন করতে থাকে এটা। দীর্ঘসময় পর যখন তার ম্যাচিউরিটি আসে তখন সে বুঝতে পারে এটা করা ঠিক হয়নি। এবং তখন সে সার্চ করে বা জিজ্ঞেস করে হস্তমৈথুনের ক্ষতি কি কি। এবং তখনই ঘটে অঘটন।
পুরুষের সেক্স তার মস্তিষ্ক থেকে লিঙ্গে। আর নারীর সেক্স পুরো শরীরে। পুরুষের সেক্স পাওয়ার নিয়ন্ত্রন করে তার মস্তিষ্ক। এখানেই চরম ট্রিক। একটা ছেলে হস্তমৈথুন কোথায় করে? টয়লেটে বা নিজের রুমের দরজা ভিড়িয়ে। পরিবারে সদস্যদের চোখ এড়িয়ে, কেউ জেনো দেখে না ফেলে তাই সে যত দ্রুত সম্ভব যৌন সুখ লাভ করতে চায়। হস্তমৈথুনের চরিত্রই হচ্ছে দ্রুত উত্তেজনা এবং দ্রুত বীর্যপাত (Rapid excitement rapid discharge)
ছেলেটা এই দ্রুত সুখ নিতে গিয়ে প্রতিবারই দ্রুত বীর্যপাত করে, আর তার মস্তিষ্ক এটা শিখতে থাকবে। এই দ্রুত নামের software টা তার মস্তিষ্ক install করে নেয়। যার ফলে তার দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দেয় কারন ব্রেণ এটাই ধরে রেখেছে যে "তার শরীরের চাহিদা দ্রুত উত্তেজনা দ্রুত বীর্যপাত"। যখন সে স্ত্রীর সাথে মিলন করতে যায় তখনও ব্রেণ একই সিগন্যাল পাঠায় যার কারনে সে নগ্ন স্ত্রীকে দেখা মাত্রই উত্তেজিত হয়ে যায় এবং অতি দ্রুত বীর্যপাত হয়।
এটা নিয়ন্ত্রন করা কঠিন হয়ে যায় কারন দীর্ঘদিনের অভ্যাস হয়ে গেছে।
তারউপর সে প্রতিনিয়ত শুনছে যে এটা কঠিন রোগ এটা ভালো হবেনা, বিরাট ক্ষতি করে ফেলেছে। হকার, ভন্ড কবিরাজ এবং সমাজের কিছু মানুষ তার মাথায় এসব ঢুকিয়ে দিয়েছে যেমনঃ
১. এখন তার ধ্বজভঙ্গ হবে
২. রগ ঢিলা হবে
৩. বৌ পরকীয়া করবে সে চেয়ে চেয়ে দেখবে।
এসব শুনে ছেলেটা প্রচন্ড ভয় পায় এবং তার সমস্যা বাড়তে থাকে দিনে দিনে। কারন তার ব্রেণ আগে থেকেই তাকে অপরাধ বোধে ভুগাচ্ছে এবং এখন সে এসব ভয়ানক কথা শুনছে। এসব শুনতে শুনতে সে সত্যিই একসময় ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত হবে, সত্যিই তার লিঙ্গের রগ ঢিলা হবে। কারন ব্রেণ ব্লাড সার্কুলেশন করছেনা তার লিঙ্গে।একসময় সে নপুংসক হয়ে যাবে।
আসলে হস্তমৈথুনের কারনে সৃষ্ট দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা ভালো হয়। কারন এটা রোগ নয় এটা মানুষিক সমস্যা। সত্যিই ভালো হবে। কিন্তু সেটার জন্যে প্রচন্ড ধৈর্য লাগবে। পাপ করেছেন খেসারত তো একটু দিতেই হবে। এজন্যে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। কান্নাকাটি করে মাফ চাইতে হবে এবং প্রতিশ্রুতি দিতে হবে জীবনে আর এ কাজ করবোনা। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে কোরআন পড়তে হবে। পর্ণ ভিডিও দেখা যাবেনা, প্রেমিকা থাকলে বেশি বিপদ। কারন শয়তানের কাজই হচ্ছে প্রেম করানো আবেগে ফেলে ঘনিষ্ট করা। প্রেমিকাকে যত দ্রুত সম্ভব বিয়ে করে নিতে হবে নয়ত আবেগি কথা বলা যাবেনা।
হস্তমৈথুনে পুরোপুরি ছেড়ে দিলে বীর্য আবার ধীরে ধীরে সুস্থ হতে থাকবে এবং শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। শিমুলের মূল টানা ২ মাস সকাল বেলা খালি পেটে চিবিয়ে খেলে বীর্য ঘন হবে সাদা হবে।
তারপরও ভালো না হলে একজন যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে কথা বললেই আপনার সমস্যা দূর হবে। হোমিও ঔষুধেও কাজ হবে।
বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন সমস্যার খুব ভালো ট্রিটমেন্ট আছে।
সবাই হস্তমৈথুন পরিহার করুন, খেসারত দিতে হবে অনেক। সুস্থভাবে বাঁচুন। একসময় বিয়ে হবে তখন বৌকে দিয়ে চাহিদা মিটাবেন এটা মাথায় রাখুন। লিঙ্গ কি হাতে ব্যাবহার করার জন্যে??? তাই হস্তমৈথুন পরিহার করুন এবং সেই সাথে প্রচলিত ভুল ধারণা গুলোও পরিহার করুন। মাথাতে কোন দুঃশ্চিন্তা নিবেননা। পড়ালেখা বা নিজের কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকুন সব ঠিক হয়ে যাবে ধীরে ধীরে।
# # # # # # # # # # # #-৩- # # # # # # # # # # # # #
পুরুষ লিঙ্গের আকৃতি এবং নারী পুরুষের বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণা:
লিখাটা অতি মাত্রায় ১৮+ তাই সবাই স্বাভাবিক ভাবে নিবেন আশা করি। (এখানে নারী বলতে নিজের স্ত্রীকে বুঝে নিবেন, স্ত্রী ব্যাতীত পরনারীর সাথে সম্পর্ক করা মহা পাপ এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে)
প্রতিটি পুরুষ চিন্তা করে তার লিঙ্গ নিয়ে এবং দুনিয়াতে ৯৯% পুরুষ তাদের লিঙ্গ নিয়ে অসন্তুষ্ট😄 বাকি ১% আছে যাদের লিঙ্গ থাকা বা না থাকাতে কিছু যায় আসেনা 😎
প্রতিটি পুরুষ ভাবে ইশশ আমার লিঙ্গ যদি আরো বড় হতো আরো মোটা হতো তাহলে কতোইনা ভালো হতো। তাই প্রতিদিন এই চিন্তাটা তার মাথাতে অাসবেই।.
এবার বলি কেন এমন চিন্তা আসে মাথাতে:
👉প্রথমত আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থাটাই বাধ্য করেছে পুরুষকে লিঙ্গ নিয়ে ভাবতে। কারন সমাজ শিখিয়েছে ইয়া বড় তাগড়া মোটা লিঙ্গ হলে সে অাসল পুরুষ! নারীকে কাবু করতে হলে বড় লিঙ্গ হতেই হবে এমনটাই আমরা শুনছি যুগযুগ ধরে। এমনকি এদেশের অনেক নারীও বিয়ের আগে কল্পনা করে তার স্বামীর লিঙ্গ নিয়ে। রাস্তার ধারে হকার, বিজ্ঞাপন দেওয়া কবিরাজ আমাদের কানে এসব ঢুকিয়ে যাচ্ছে যুগেযুগে।
👉দ্বিতীয় কারন পর্ণ মুভি! এই স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের যুগে পর্ণগ্রাফি সহজলভ্য একটা জিনিস। পর্ণ মুভিতে আমরা দেখি বড় বড় লিঙ্গওয়ালা পুরুষদের। আর দেখি নারীদের যারা অনায়াসে সেসব বড় লিঙ্গ নিজের মধ্যে নিচ্ছে। ঘন্টা ধরে সেক্স করছে। আসলে পর্ণ মুভিতে যা দেখানো হয় তা সম্পূর্ণ সত্যি নয়। ক্যামেরার এঙ্গেল চেঞ্জ করে করে অনেক কাট ছাঁট করে থেমে থেমে ওসব ভিডিও বানানো হয়। একটু খেয়াল করলেই বিষয়টা বুঝতে পারবেন। তাই পর্ণ মুভির পুরুষদের লিঙ্গের সাথে নিজের লিঙ্গের তুলনা করাটা নিছক বোকামী এবং এতে আপনার মনোবল ভেঙ্গে যাবে।
আরেকটা কথা দুনিয়ার কোন বীর পুরুষই একটানা জাস্ট একটানা ১০ মিনিটের বেশি টিকে থাকতে পারবেনা যদিনা সে থেমে থেমে না করে, এটা মাথায় রাখুন। তাই পর্ণ মুভি দেখা বাদ দিন।
লিঙ্গের সাইজ কেমন হবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে বংশের উপর। আপনার পূর্বপুরুষের উপর। বাপ দাদা পরদাদার উপর। আর আল্লাহ তায়ালা আপনাকে তাই দিয়েছেন যা আপনার জন্যে দরকার। একেক দেশের মানুষের একেক ধরণের লিঙ্গের আকৃতি হয়।
লিঙ্গের সাইজ হয় গড়ে ৫ ইঞ্চি। কারো এর চেয়ে ১ ইঞ্চি কম কারো বেশি। অর্থাৎ একটা রেঞ্জ যদি বলি তাহলে লিঙ্গের সাইজ দাঁড়ায় ৪-৬ ইঞ্চি। এমনকি সাড়ে ৩ ইঞ্চি লিঙ্গও যদি হয় তবুও তা স্বাভাবিক। আর দুনিয়াতে মাত্র ২% মানুষ আছে যাদের লিঙ্গ ৭ ইঞ্চির বেশি হয় এবং এদের মধ্যে আসলে যৌন তৃপ্তি কম। কারন এরা সম্পূর্ণ লিঙ্গ ঢুকিয়ে স্টিমুলেট করতে পারেনা। ফ্রিকুয়েন্সি কম এদের। নারীরা সুখের বদলে ব্যাথা পায় এতে।
আপনি হাতে একটা স্কেল/ টেপ নিয়ে দেখুন ৪ ইঞ্চি কত গভীরে যেতে পারে।
লিঙ্গ উত্তেজিত হলে আয়নার সামনে দাঁড়াবেন বা ছোট অায়না পাশ থেকে ধরবেন, নিচের দিক থেকে ধরবেন তাহলেই বুঝবেন যে আপনার লিঙ্গও অনেক বড় আর মোটা। আমরা উপর থেকে দেখি জন্যে ছোট দেখতে লাগে লিঙ্গ। উপর থেকে সব জিনিসই ছোট দেখায়।
নারীকে তৃপ্তি দিতে ইয়া বড় লিঙ্গের দরকার হয়না। দরকার হয়না অনেক্ষণ সেক্স করার।কারন নারীর মূখ্য যৌন সুখের সেন্সরগুলো তাদের পুরো শরীরে অবস্থিত এবং চুড়ান্ত সুখের সেন্সর যোনীর মাত্র ২.৫ ইঞ্চির মধ্যেই অবস্থিত । নারীকে কখনোই শুধু যোনীতে ঢুকিয়ে কাবু করা যাবেনা বা মন জয় করা যাবেনা। কারন নারীর সেক্স পুরু শরীরে থাকে। এটা নারীরাও জানেনা। স্ত্রীর মন জয় করতে হলে তাকে পর্যাপ্ত আদর করতে হবে। পুরো শরীরে আদর করতে হবে। অাস্তে আস্তে ভালোবাসার কথা বলতে হবে। সে আদরে তৃপ্তি পাচ্ছে কিনা তা জিজ্ঞেস করতে হবে, আপনি তার প্রতি কতোটা নিবেদিত তা জানাতে হবে। একটু n**e কথাও বলতে হবে, স্ত্রীর সাথে সব জায়েজ। শুধু আসলেন সুয়ে পড়লেন আর করা শুরু করে দিলেন তাহলে ঐ স্ত্রীকে আপনি কখনোই কমপ্লিট অর্গাজম দিতে পারবেননা। অর্গাজম দিতে হলে একজন যুবতী নারীকে গড়ে ২০ মিনিট আদর করতে হয়। আদর করা মানে তার শরীর নিয়ে ইচ্ছামত খেলা করা। তারপর সে পাগল হয়ে নিজেই চাইবে আপনাকে ভিতরে নিতে, আর তখন যদি আপনি করেন তাহলে খুব কম সময়েই তাকে কমপ্লিট অর্গাজম দিতে পারবেন। আপনি তখন তার চোখে সেরা পুরুষ। আপনার লিঙ্গের সাইজের দিকে তার খেয়ালই যাবেনা কখনো। সুখের আবেশে সে মুগ্ধ হয়ে থাকবে।
তাই নিজের লিঙ্গ নিয়ে আপসোস করা বাদ দিয়ে লিঙ্গের যত্ন নিন। নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। হস্তমৈথুন বাদ দিন। লিঙ্গের চামড়া সুস্থ হলে সেটা আপনার স্ত্রীর মনে পজেটিভ প্রভাব ফেলতে বাধ্য। সকল আবেগ ভালোবাসা যৌনশক্তি আপনার স্ত্রীর জন্যে সঞ্চয় করে রাখুন।

ভালো থাকবেন সবাই।😍😍

اَلسَّــلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُ الله وَبَرَاكاتُهُ মহামারী করোনা ও দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার মা...
24/05/2020

اَلسَّــلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُ الله وَبَرَاكاتُهُ
মহামারী করোনা ও দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার মাধ্যমে বিদায়ী রমজানকে উপেক্ষা করে প্রভুর দরবারে একটাই চাওয়া জীবনের সকল গুনাহ মাফ চাওয়া দেশের ও দেশের মানুষের সুস্থতা কামনা করা! যেখানেই থাকুন সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন। দেখা হবে ইনশাল্লাহ এক সুস্থ শহরে। ঈদ-উল ফিতরের এই মহিমান্বিত খুশির দিনে সবার জীবনে ফিরে আসুক স্বস্তি, সমৃদ্ধি ও প্রশান্তি।

❤ঈদ মোবারক❤

*Common Medical Abbreviations*> *Rx* = Treatment> *Hx* = History> *Dx* = Diagnosis> *q* = Every> *qd* = Every day> *qod*...
08/05/2020

*Common Medical Abbreviations*
> *Rx* = Treatment
> *Hx* = History
> *Dx* = Diagnosis
> *q* = Every
> *qd* = Every day
> *qod* = Every other day
> *qh* = Every Hour
> *S* = without
> *SS* = One & half
> *C* = With
> *SOS* = If needed
> *AC* = Before Meals
> *PC* = After meals
> *BID* = Twice a Day
> *TID* = Thrice a Day
> *QID* = Four times a day
> *OD* = Once a Day
> *BT* = Bed Time
> *hs* = Bed Time
> *BBF* = Before Breakfast
> *BD* = Before Dinner
> *Tw* = Twice a week
> *SQ* = sub cutaneous
> *IM* = Intramuscular
> *ID* = Intradermal
> *IV* = Intravenous
> *Q4H* = (every 4 hours)
> *QOD* = (every other day)
> *HS* = (at bedtime)
> *PRN* = (as needed)
> *PO or "per os"* (by mouth)
> *Mg* = (milligrams)
> *Mcg/ug* = (micrograms)
> *G or Gm* = (grams)
> *1TSF* (Teaspoon) = 5 ml
> *1 Tablespoonful* =15ml
~ *DDx* =differential Diagnosis
*Tx* =Treatment
*RTx* =Radiotherapy
*CTx* =Chemotherapy
*R/O* =rule out
*s.p* =status post
*PMH(x)* =post medical history
*Px* =Prognosis
*Ix* =Indication
*CIx* =contraindication
*Bx* =biopsy
*Cx* =complication...

*Knowledge About Blood*
1. Which is known as ‘River of Life’?
*Answer: Blood*
2. Blood circulation was discovered by?
*Answer: William Harvey*
3. The total blood volume in an adult?
*Answer: 5-6 Litres*
4. The pH value of Human blood?
*Answer: 7.35-7.45*
5. The normal blood cholesterol level?
*Answer: 150-250 mg/100 ml*
6. The fluid part of blood?
*Answer: Plasma*
7. Plasma protein fibrinogen has an active role in?
*Answer: Clotting of blood*
8. Plasma protein globulins functions as?
*Answer: Antibodies*
9. Plasma proteins maintain the blood pH?
*Answer: Albumins*
10. Biconcave discs shaped blood cell?
*Answer: RBC* (Erythrocytes)
*11. Non nucleated blood cell?*
*Answer: RBC* (Erythrocytes)
12. Respiratory pigments present in RBC?
*Answer: Haemoglobin*
13. Red pigment present in RBC?
*Answer: Haemoglobin*
14. RBC produced in the?
*Answer: Bone marrow*
15. Iron containing pigment of Haemoglobin?
*Answer: Haem*
16. Protein containing pigment of Haemoglobin?
*Answer: Globin*
17. Graveyard of RBC?
*Answer: Spleen*
18. Blood bank in the body?
*Answer: Spleen*
19. Life span of RBC?
*Answer: 120 Days*
20. Total count is measured by an instrument known as?
*Answer: Haemocytometer*
21. A decrease in RBC count is known as?
*Answer: Anemia*
22. An increase in RBC count is known as?
*Answer: Polycythemia*
23. A high concentration of bilirubin in the blood causes?
*Answer: Jaundice*
24. The disease resistant blood cell?
*Answer: WBC (leucocytes)*
25. Which WBC is known as soldiers of the body?
*Answer: Neutrophils*
26. Largest WBC?
*Answer: Monocyes*
27. Smallest WBC?
*Answer: Lymphocytes*
28. Antibodies producing WBC?
*Answer: Lymphocytes*
29. Life span of WBC?
*Answer: 10-15 days*
30. Blood cell performs an important role in blood clotting?
*Answer: Thrombocytes (Platelets)*
31. Vessels is called?
*Answer: Thrombus*
32. Anticoagulant present in Blood?
*Answer: Heparin*
33. A hereditary bleeding disease?
*Answer: Haemophilia*
34. Bleeder’s disease?
*Answer: Haemophilia*
35. Christmas disease?
*Answer: Haemophilia*
36. A type of Anemia with sickle shaped RBC?
*Answer: Sickle cell anemia*
37. Viscosity of Blood?
*Answer: 4.5 to 5.5*
38. Instrument used to measure haemoglobin?
*Answer: Haemoglobinometer*
39. Who demonstrated blood groups?
*Answer: Karl Landsteiner*
40. Who demonstrated Rh factor?
*Answer: Karl Landsteiner*
41. Blood group which is called Universal donor?
*Answer: O*
42. Blood group which is called Universal recipient?
*Answer: AB*
43. Blood group is most common among the Asians?
*Answer: B*

*MEDICAL TERMINOLOGY*

Everybody should know the basic functioning of Human Body and its main parts in order to express and explain their ailment to the Doctor and at the same time one should be able to understand the diagnosis expressed by the Doctor in the medical terminology. For easy recognition of the Compounded Words used in the Medical Terminology for naming the disease, Suffixes are added to Prefixes. For this hereunder giving you a few such prefixes for your ready reference and understanding.

Prefix - Meaning

*1. Adeno* - Glandular
*2. An* - Not
*3. Anti* - Against
*4. Aorto* - Aorta
*5. Artho* - joint
*6. Bleph* - Eyelid
*7. Broncho* - Bronchi
*8. Cardio* - Heart
*9. Cephal* - Head
*10. Cerebro* - Brain
*11. Cervico* - Cervix
*12. Cholecysto* - Gall Bladder
*13. Coli* - Bowel
*14. Colpo* - Va**na
*15. Entero* - Intestine
*16. Gastro* - Stomach
*17. Glosso* - Tongue
*18. Haema* - Blood
*19. Hepa* - Liver
*20. Hystero* - Uterus
*21. Laryngo* - Larynx
*22. Leuco* - White
*23. Metro* - Uterus
*24. Myelo* - Spinal cord
*25. Myo* - Muscle
*26. Nephro* - Kidney
*27. Neuro* - Nerve
*28. Odonto* - Tooth
*29. Orchido* - Te**is
*30. Osteo* - Bone
*31. Oto* - Ear
*32. Pharyngo* - Pharynx
*33. Pio* - Pus
*34. Pneumo* - Lung
*35. Ren* - Kidney
*36. Rhin* - Nose
*37. Spleno* - Spleen
*38. Thyro* - Thyroid Gland
*39. Urethro* - Urethra
*40. Vesico* – Bladder

*Here are the suffixes used in Medical terminology. Check out!Suffix - Meaning*

*1. -aemia* : Blood
*2. -algia* : Pain
*3. -derm* : skin
*4. -dynia* : pain
*5. -ectomy* : removal
*6. -Itis* : inflammation
*7. -lithiasis* : Presence of Stone
*8. -malacia* : softening
*9. -oma* : tumour
*10. -opia* : eye
*11. -osis* : Condition,excess
*12. -otomy* : incision of
*13. -phobia* : fear
*14. -plasty* : surgery
*15. -plegia* : peralysis
*16. -ptosis* : falling
*17. -rhoea* : excessive discharge
*18. -rhage* : to burst forth
*19. -rhythmia* : rhythm.
*20. -stasis* : stoppage of movement
*21. -sthenia* : weakness
*22. -stomy* : outlet
*23. -tomy* : removal
*24. -trophy* : nourishment
*25. -uria* : urine

*Compounded Words - Meaning*

*1. Anaemia* - Deficiency of haemoglobin in the blood
*2. Analgesic* - Medicine which alleviates pain
*3. Arthralgia* - Pain in a joint
*4. Cephalalgia* - Headache
*5. Nephralgia* - Pain in the kidney
*6. Neuralgia* - Nerve pain
*7. Myalgia* - Muscle pain
*8. Otalgia* - Ear ache
*9. Gastralgia* - Pain in the stomach
*10. Pyoderma* - Skin infection with pus formation
*11. Leucoderma* - Defective skin pigmentaion
*12. Hysterodynia* - Pain in the uterus
*13. Hysterectomy* - Excision of the uterus
*14. Nephrectomy* - Excision of a kidney
*15. Adenectomy* - Excision of a gland
*16. Cholecystectomy* - Excision of gall bladder
*17. Thyroidectomy* - Excision of thyroid gland
*18. Arthritis* - Inflammation of a joint
*19. Bronchitis* - Inflammation of the bronchi
*20. Carditis* - Inflammation of the heart
*21. Cervicitis* - Inflammation of the cervix
*22. Colitis* - Inflammation of the colon
*23. Colpitis* - Inflammation of the va**na
*24. Cystitis* - Inflammation of the urinary bladder
*25. Enteritis* - Inflammation of the intestines
*26. Gastritis* - Inflammation of the stomach
*27. Glossitis* - Inflammation of the tongue
*28. Hepatitis* - Inflammation of the liver
*29. Laryngitis* - Inflammation of the larynx
*30. Metritis* - Inflammation of the uterus
*31. Myelitis* - Inflammation of the spinal cord
*32. Nephritis* - Inflammation of the kidney
*33. Pharyngitis* - Inflammation of the pharynx
*34. Blepharitis* - Inflammation of the eyelids
*35. Cholelithiasis* - Stone in the gall bladder
*36. Nephrolithiasis* - Stone in the kidney
*37. Osteomalacia* - Softening of bones through deficiency of calcium or D vitamin
*38. Adenoma* -Benign tumour of glandular tissue
*39. Myoma* - Tumour of muscle
*40. Diplopia* - Double vision
*41. Thrombosis* - Formation of a blood clot
*42. Pyloromyotomy* - Incision of pyloric sphincter muscle
*43. Hedrophobia* - Fear of water(Rabies in humans)
*44. Neuroplasty* - Surgical repair of nerves
*45. Pyloraplasty* - Incision of plastic pylorus to widen passage
*46. Hemiplegia* - Paralysis of one side of the body
*47. Nephroptosis* - Downward displacement of the kidney
*48. Amenorrhoea* - Absence of menstrual discharge
*49. Dysmenorrhoea* - Painful menstruation
*50. Leucorrhoea* - Whitish va**nal discharge
*51. Menorrhoea* - Menstrual bleeding
*52. Haemorrhage* - Escape of blood from a vessel
*53. Arrhythmia* - Any deviation of normal rhythm of heart
*54. Cholestasis* - Diminution in the flow of bile
*55. Haemostatis* - Arrest of bleeding
*56. Neurasthenia* - Nervous debility
*57. Cystostomy* - Surgical opening made into the bladder
*58. Cystotomy* - Incision into the urinary bladder
*59. Hypertrophy* - Increase in the size of tissues
*60. Haematuria* - Blood in the urine
*61. Glycosuria* - Presence of sugar in the urine
*62. Albuminuria* - Presence of albumin in the urine.

Address

Mainy Mukh Bazar. Langodu
Rangamati
4500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভেষজ রিচার্স সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ভেষজ রিচার্স সেন্টার:

Share

Category

mega power

✅হ্যাল্প লাইন :☎01400 599 882

বিশ্ববিখ্যাত #কোরিয়ান_ম্যাগা_পা-ওয়ার” কোরিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা জয় করে এখন বাংলাদেশে।

#প্রতিরাতে হবে প্রমাণ বয়স্ক হবে যুবকের সমান।

➡দুর্ব-ল পুরুষের জন্য এই “কোরিয়ান-ম্যাগা পা-ওয়ার” বিশ্বের ৯৫টি দেশের পুরুষের উপর পরীক্ষা করে আবিস্কার, যাহা সম্পূর্ণ ভাবে প্রমাণিত। কোন অন্ধ বিশ্বাস নয় প্রতিটি দুর্ব-ল পুরুষের বিশ্বাসস্থতা ও নির্ভতার পরীক্ষিত মহা শক্তির নাম “ন্যাচারাল গ্য্যানো ম্যাগা পা-ওয়ার” #মাত্র ৩০ দিনে বিশে-ষাঙ্গ হবে শক্ত, সবল ও পরিপূর্ণ।