12/03/2022
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসেন অসংখ্য রোগী এবং তার স্বজনরা। তাদের প্রায়শই কয়েকদিন ঢাকায় থাকতে হয়ে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। সবার ঢাকায় আত্নীয়-স্বজন থাকে না আবার থাকলেও অনেকে তাদের উটকো ঝামেলা হিসেবে ট্রিট করেন। ভালো হোটেলে থাকা গ্রামের দরিদ্র মানুষের পক্ষে সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। ফলে কোথায় থেকে চিকিৎসা করাবে এটি একটি বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এই সঙ্কটটিকে চিহ্নিত করে সমাধান হিসেবে একদল জনহিতৈষী প্রতিষ্ঠা করেছেন 'মুসাফিরখানা'--যেখানে ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগী এবং স্বজনরা কয়েকদিন থাকতে পারবেন। থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা বিনামূল্যে হবে। এম্বুলেন্স সার্ভিসও বিনামূল্যে। অসহায়দের জন্য চিকিৎসাব্যয় মেটাতে কিছু আর্থিক সহায়তা করার পরিকল্পনাও তাদের আছে।
মুসাফিরখানাটি কল্যাণপুরে। যেহেতু এর আশেপাশে সোহরাওয়ার্দী, জাতীয় হৃদরোগ, কিডনি, মানসিক, শিশু, পঙ্গু, চক্ষু, নিউরোসায়েন্সসহ আরও অনেকগুলো হাসপাতাল অবস্থিত তাই প্রথমে এই জায়গাটিকেই বাছাই করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের আরও কিছু জায়গায় মুসাফিরখানা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।
এতো চমৎকার উদ্যোগের কথা জেনে খুব ভালো লাগল। এতো মহৎ কাজ যারা করছেন আল্লাহ তাদের কল্যাণ করুন।
যারা মুসাফিরখানায় থাকতে চান তারা আসার আগে নাম এবং আসার তারিখ উল্লেখ করে আহমাদুল্লাহ আমজাদ সাহেবের নাম্বারে একটি মেসেজ করবেন। তার নাম্বার : ০১৯১১৪৬২৪৯৫। মুসাফিরখানা থেকেই ফোন করে কনফার্ম করা হবে।আল্লাহ পরিকল্পনাকারী এবং বাস্তবায়নকারীদের উত্তম প্রতিদান দান করুন....
মুসাফিরখানার জন্য কিছু নিয়মাবলী তৈরি করেছি নিম্নে দিলাম। কারও কোনো পরামর্শ থাকলে দিতে পারেন।
সাদরে গ্রহণ করব৷
মুসাফিরখানা
১৮ শহীদ মিনার রোড কল্যাণপুর, ঢাকা।
যারা থাকতে পারবেন -
১) চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসা গ্রামের অসহায় মানুষ।
মুসাফিরখানায় থাকার জন্য লাগবে -
১.রোগীর পূর্বের প্রেসক্রিপশন।
২.জাতীয় পরিচয়পত্র/আইডি কার্ড (ক্ষেত্রবিশেষে কোন পরিচিত ব্যক্তির নাম)।
৩.ঢাকায় যে ডাক্তারকে দেখাবেন উনার নাম এবং তারিখ।
৪.একজন রোগীর সাথে সর্বোচ্চ ২জন সাহায্যকারী থাকতে পারবেন। তবে অতি জরুরী না হলে অনুগ্রহপূর্বক ১জন সাথে রাখবেন। এতে অন্য রোগীদের থাকার সুযোগ বাড়বে।
৫. মুসাফিরখানায় সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ দিন থাকা যাবে। তবে একান্ত অসহায় রোগিদের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে সময় বৃদ্ধি করা যাবে।
৬,মহিলা অতিথির ক্ষেত্রে, বাবা-মা, ভাই, স্বামী বা সন্তানদের মধ্যে কোন একজনকে অবশ্যই সাথে থাকতে হবে। এবং স্থানীয় মেম্বার বা কমিশনারের প্রত্যায়ন থাকতে হবে।
৭.মুসাফির খানায় আসার পূর্বে আপনার নাম এবং আসার তারিখ লিখে মেসেজ পাঠান। আমরা আপনাকে ফোন করে আমন্ত্রণ পাঠাবো। মেহমানখানায় থাকার জন্য আমন্ত্রণ মেসেজ অত্যাবশ্যক।
মুসাফিরখানায় থাকার জন্য যোগাযোগ,
মাওলানা আহমদুল্লাহ আমজাদ। (তত্বাবধায়ক)
ফোন, 01911-462495
©সাইমুম সাদী