RIPON Pharmacy

RIPON Pharmacy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RIPON Pharmacy, Pharmacy / Drugstore, BEROVITA, Rangpur.

ইউরোপের এক খৃষ্টান ডাক্তার মুসলমানদের হাঁচি নিয়ে গবেষণা করছিলেন যে, মুসলমানরা হাঁচির পর 'আলহামদুলিল্লাহ" পড়ে কেন? সাধা...
17/08/2019

ইউরোপের এক খৃষ্টান ডাক্তার মুসলমানদের হাঁচি নিয়ে গবেষণা করছিলেন যে, মুসলমানরা হাঁচির পর 'আলহামদুলিল্লাহ" পড়ে কেন? সাধারণত কোন সুসংবাদ পেলে মুসলমানরা আলহামদুলিল্লাহ পড়ে। হাঁচিতে কিসের সুসংবাদ? অনেক গবেষণার পর তথ্য
উদঘাটন হল যে, একটি হাঁচির সাথে তিন হাজার রোগ- জীবাণু মানুষের শরীর থেকে বেরিয়ে যায়৷ আর মানুষ স্বাভাবিক অবস্থায় একসাথে দু'টি হাঁচি দেয়। এভাবে দু'টি হাঁচির সাথে ছয় হাজার রোগ জীবাণু বেরিয়ে যায়।

তিনি ভাবলেন এ তথ্য বের করতে আমার অন্তত বিশ বছর লেখা-পড়া করতে হয়েছে। আরো কত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়েছে। কিন্তু যে যুগে মুসলমানদের নবী এ শিক্ষা দিয়ে গেছেন সে যুগেতো এত মেশিন ছিল না আর তিনি তো দুনিয়ার কারোর কাছে লেখা-পড়াও শিখেন নি। তিনি এগুলো জানলেন কিভাবে? নিশ্চই তিনি সত্য নবী। আল্লাহ পাক তাঁকে জানিয়েছেন বিধায় তিনি তাঁর উম্মতদেরকে এ শিক্ষা দিয়ে গেছেন যে, হাঁচির পর 'আলহামদুলিল্লাহ" পড়বে।

অতএব তিনি সত্য নবী। ফলশ্রুতিতে ঐ খৃষ্টান ডাক্তার একা নয় বরং স্বপরিবারে মুসলমান হয়ে গেছেন।
________সুবাহানা আল্লাহ____

17/08/2019

কিছু টিপস

১। চুলকানি জাতীয় চর্মরোগে নিমপাতা ও কাঁচা হলুদ বেটে গোসলের আধা ঘন্টা পূর্বে লাগালে ভাল হবে।
২। রক্ত আমাশয়ে ডুমুর গাছের শিকড়ের রস দিনে দু'বার খান।
৩। দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।
৪। দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে রক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।
৫। ফোঁড়া হলে তা অনেক সময় না পেকে শক্ত দলার মত হয়ে যায়। কলমি শাকের কচি ডগা ও শিকড় একসঙ্গে বেটে ফোঁড়ার ওপর প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেখে দিন। এতে ফোঁড়া পেকে যাবে।
৬। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
৭। ঠোঁটের দু'পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।
৮। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।
৯। অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।
১০। মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।
১১। কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।
১২। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।
১৩। দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।
১৪। গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।
১৫। ছুরি/দা/বটিতে হাত কেটে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত বন্ধ হবে।
১৬। শ্বাসকষ্ট কমাতে বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
১৭। জিভে বা মুখে সাদা ঘা হলে পানির সঙ্গে কর্পূর গুলে দিনে ২ বার মুখ ধুয়ে নিন।
১৮। ঘুম ভাল হওয়ার জন্য ডালিমের রসের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর শাঁস মিশিয়ে খেতে পারেন।

17/08/2019

# কিছু টিপস

১। চুলকানি জাতীয় চর্মরোগে নিমপাতা ও কাঁচা হলুদ বেটে গোসলের আধা ঘন্টা পূর্বে লাগালে ভাল হবে।
২। রক্ত আমাশয়ে ডুমুর গাছের শিকড়ের রস দিনে দু'বার খান।
৩। দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।
৪। দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে রক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।
৫। ফোঁড়া হলে তা অনেক সময় না পেকে শক্ত দলার মত হয়ে যায়। কলমি শাকের কচি ডগা ও শিকড় একসঙ্গে বেটে ফোঁড়ার ওপর প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেখে দিন। এতে ফোঁড়া পেকে যাবে।
৬। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
৭। ঠোঁটের দু'পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।
৮। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।
৯। অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।
১০। মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।
১১। কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।
১২। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।
১৩। দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।
১৪। গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।
১৫। ছুরি/দা/বটিতে হাত কেটে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত বন্ধ হবে।
১৬। শ্বাসকষ্ট কমাতে বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
১৭। জিভে বা মুখে সাদা ঘা হলে পানির সঙ্গে কর্পূর গুলে দিনে ২ বার মুখ ধুয়ে নিন।
১৮। ঘুম ভাল হওয়ার জন্য ডালিমের রসের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর শাঁস মিশিয়ে খেতে পারেন।

21/02/2019

২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল শহীদ বীর ভাষা সৈনিকদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

শাকসবজির পুষ্টি ও ভেষজগুণঅনেকেই খাদ্য এবং পুষ্টিকে একই মনে করেন। আসলে এটি ভুল ধারণা। কারণ খাদ্য পুষ্টিকর নাও হতে পারে, ত...
19/02/2019

শাকসবজির পুষ্টি ও ভেষজগুণ

অনেকেই খাদ্য এবং পুষ্টিকে একই মনে করেন। আসলে এটি ভুল ধারণা। কারণ খাদ্য পুষ্টিকর নাও হতে পারে, তবে পুষ্টি অবশ্যই খাদ্য। সুস্থ-সবলভাবে বেঁচে থাকতে পুষ্টিকর খাবার খেতেই হবে। এর চাহিদা পূরণে শাকসবজির অবদান অনন্য। শাকসবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থসহ অন্যান্য অনেক পুষ্টি উপাদান। সে সাথে আঁশে ভরপুর। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, খাবারে রুচি আনে। এ ছাড়া হজমশক্তি বৃদ্ধিতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে যথেষ্ট সহায়তা করে। পুষ্টিবিদদের মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক লোকের দৈনিক ২ শত গ্রাম শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা খাই মাত্র ৬০-৭০ গ্রাম। তাও আলুসহ। তাই চাওয়া-পাওয়ার এ গড়মিলে আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক দৈহিক এবং মানসিক অসুখে ভুগছেন। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছেন শিশু ও নারী। মোট জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ লোক, বিশেষ করে মেয়েরা লৌহের অভাবে রক্তস্বল্পতার শিকার। একমাত্র ভিটামিন-এ’র অভাবে বছরে ৩০ হাজারেরও অধিক শিশু অন্ধ হয়ে যায়। চোখে কম দেখার সংখ্যা আরও বেশি। তবে সুস্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টির ঘাটতি যতটুকু তার চেয়ে বড় বাধা পুষ্টির উৎস সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা এবং অসচেতনতা। যারা দিন আনে দিন খায় তারাই কেবল পুষ্টিতে ভোগে তা কিন্তু নয়। বিত্তশালী শিশুরাও আজকাল শাকসবজি না খেয়ে রাতকানায় ভুগছে; যে কারণে ওরা চোখে চশমা পরতে বাধ্য হচ্ছে। অথচ হাতের কাছে পাওয়া কচুশাক, কলমিশাক, হেলেঞ্চা, সজিনাসহ নানারকম শাকসবজি অভাবী মানুষের পুষ্টি সরবরাহ করে। সেজন্য বিভিন্ন শাকসবজির পুষ্টি ও ভেষজগুণ সম্পর্কে জেনে নেয়া দরকার।

টমেটো
শীতকালীন সবজির মধ্যে টমেটো অন্যতম। পুষ্টিসমৃদ্ধ এ সবজিকে গ্রামাঞ্চলে অনেকেই বিলাতি বেগুন নামে চেনে। টমেটো (পাকা) দেখতে খুবই আকর্ষণীয় এবং খেতেও সুস্বাদু। কাঁচা ও রান্না উভয় অবস্থায় খাওয়া যায়। টমেটো দিয়ে টক তরকারি, সালাদ এবং প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা যায় সস, স্যুপ, জ্যাম, জেলি, কেচাপ, মোরব্বা এসব লোভনীয় খাবার। এর রয়েছে বহু গুণ। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা টমেটোতে ভিটামিন-এ ও ভিটামিন-সি আছে ৩৫১ মাইক্রোগ্রাম এবং ২৭ মিলিগ্রাম আর ভিটামিন-বি, শর্করা, আমিষ, ক্যালসিয়াম ও লৌহের পরিমাণ যথাক্রমে ০.৩৩ মিলিগ্রাম, ৩.৬ গ্রাম, ১.১ গ্রাম, ৪৮ মিলিগ্রাম এবং ০.৪ মিলিগ্রাম। প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে টমেটো ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান- লাইকোপেন, যা দেহকোষ থেকে বিষাক্ত ফ্রিরেডিক্যালকে সরিয়ে প্রোস্টেট ক্যান্সারসহ মূত্রথলি, অন্ননালি এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। পাশাপাশি হৃদরোগকে করে প্রতিহত। টমেটো হজমের জন্য বেশ উপকারী। এর রস স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে দেহ ও দাঁতকে নিরোগ রাখে। টমেটোর রস কেবল স্কার্ভিই নয়, রিকেটস এবং বেরিবেরির মতো কঠিন রোগেরও নিরাময় ঘটায়। টমেটো বার্ধক্য রোধে সহায়তা করে দেহকে সজীব রাখে। এ ছাড়া শরীরের মেদ নিয়ন্ত্রণ করে এবং দেহের শক্তিকে রাখে অটুট।

লাউ
লাউ অতি জনপ্রিয় সবজি। অত্যন্ত সুস্বাদু এ সবজিটি গ্রামাঞ্চলে কদু নামে পরিচিত। এর আকার-আকৃতি হয় নানা রকম। ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের লাউ কোনটি দেখতে গোল, কোনোটি আবার লম্বাটে। কচি লাউয়ের তরকারি খেতে বেশ। ডালের সাথেও এটি রান্না করা যায়। এছাড়া লাউ দিয়ে তৈরি হয় পায়েশ, হালুয়া, মোরব্বা এসব লোভনীয় খাবার। লাউ এ রয়েছে অনেক পুষ্টি। এর প্রতি ১০০ গ্রামে শর্করা, আমিষ, চর্বি, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি এবং খাদ্যশক্তি আছে যথাক্রমে ১৫.১ গ্রাম, ১.১ গ্রাম, ০.০১ গ্রাম, ২৬ মিলিগ্রাম, ০.৭ মিলিগ্রাম, ০.০৩ মিলিগ্রাম, ৪ মিলিগ্রাম এবং ৬৬ কিলোক্যালরি। লাউশাকে রয়েছে আরো বেশি পুষ্টি। এর প্রতি ১০০ গ্রামে ক্যারোটিন ৭১৯৬ মাইক্রোগ্রাম এবং ভিটামিন-সি আছে ৯০ মিলিগ্রাম করে। অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের মধ্যে শর্করা ৬.১ গ্রাম, আমিষ ২.৩ গ্রাম, চর্বি ০.৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮০ মিলিগ্রাম এবং খাদ্যশক্তি রয়েছে ৩৯ কিলোক্যালরি। আয়ুর্বেদ মতে, লাউ হচ্ছে মধুরস। লাউ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। এ ছাড়া শরীর ও মস্তিষ্ককে ঠা-া রাখে। তাই আমাদের বেশি করে লাউ খাওয়া প্রয়োজন।

ফুলকপি
ফুলকপি শীতের সবজি। পুষ্টিসমৃদ্ধ এ সবজি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি খেতেও সুস্বাদু। এর ভাজি আর তরকারি খেতে দারুণ। ফুলকপির তৈরি সিঙ্গারা, চপ, ফুলরি, পুরি এসব খাবার খুবই মজাদার। ব্রোকলি ছাড়া অন্য যে কোনো সবজির তুলনায় ফুলকপিতে ভিটামিন-সি’র পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, এর প্রতি ১০০ গ্রামে ভিটামিন-সি রয়েছে ৯১ মিলিগ্রাম। অথচ করল্লায় এর পরিমাণ হচ্ছে ৬৮ মিলিগ্রাম, সাজিনায় ৪৫ মিলিগ্রাম, ওলকপিতে ৫৩ মিলিগ্রাম, মুলায় ৩৪ মিলিগ্রাম এবং টমেটোতে আছে ৩১ মিলিগ্রাম। ফুলকপিতে ভিটামিন-কে’র পরিমাণও রয়েছে যথেষ্ট। এর অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের মধ্যে আম

বগলে ফোঁড়া কেন হয়?ফোঁড়া হবার জন্য দায়ী যে মহান ব্যাকটেরিয়াটি, তার নাম স্ট্যাফাইলোকক্কাল ব্যাকটেরিয়া। নানা কারণে নানা ভাব...
16/02/2019

বগলে ফোঁড়া কেন হয়?

ফোঁড়া হবার জন্য দায়ী যে মহান ব্যাকটেরিয়াটি, তার নাম স্ট্যাফাইলোকক্কাল ব্যাকটেরিয়া। নানা কারণে নানা ভাবে এই ব্যাকটেরিয়া আপনাকে আক্রমণ করতে পারে। বগলে স্বাভাবিকভাবেই আমাদের শরীরের অন্যান্য অংশের থেকে বেশী ঘাম হয়। আর ঘাম জমা মানেই বুঝতে পারছেন ব্যাকটেরিয়াদের রীতিমতো রাজত্ব! বগলের হেয়ার ফলিকল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা অনেকসময়ই আক্রান্ত হয়। বগলে অতিরিক্ত ঘাম হলে বগলের হেয়ার ফলিকল যে নালী বা ডাক্ট দ্বারা ঘর্মগ্রন্থির সাথে যুক্ত থাকে, তা বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে ফোঁড়া হয়। ফোঁড়া সারানোর জন্য সহজ কিছু ঘরোয়া টিপস জেনে নিন।

পেঁয়াজ

আপনার যদি ঘন ঘন ফোঁড়া হয়, তাহলে পেঁয়াজ কিন্তু আপনার উপকারে লাগতে পারে। পেঁয়াজ ব্যথা ও ফোঁড়া কমাতে সাহায্য করে। কারণ পেঁয়াজে পটাশিয়াম, এসেনশিয়াল অয়েল, নুন, ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো প্রায় ২৫ টি সক্রিয় যৌগ থাকে, যার অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-সেপ্টিক গুণ থাকে, যা ফোঁড়া কমাতে সাহায্য করে। লাল পেঁয়াজ ফোঁড়ার ব্যথা, প্রদাহ কমিয়ে ডি-টক্সিফাই করে। তাছাড়া পেঁয়াজ রক্ত সঞ্চালনেও সাহায্য করে, ফলে ফোঁড়ার ভেতরে থাকা বিষাক্ত পুঁজ সহজে বেরিয়ে যায়।

উপকরণ

কাঁচা পেঁয়াজের টুকরো।

পদ্ধতি

পেঁয়াজের টুকরো কেটে আপনার বগলে বেঁধে রাখুন। ৩-৪ ঘণ্টা পরে আবার পেঁয়াজের টুকরো বদলান। ফোঁড়া যতদিন না কমে ততদিন দিনে তিন-চার বার করে এটা করে যান। তাছাড়া জলে পেঁয়াজ ফুটিয়ে সেই জল আর পেঁয়াজের মিশ্রণটিকেও আপনি ঘরের তাপমাত্রায় এনে আপনার বগলে লাগাতে পারেন। উপকার পাবেন।

নুন জল বা ডেটল জল

ফোঁড়ার ঘরোয়া চিকিৎসায় নুন জল আর ডেটল জল—এই দুটো তো কবে থেকেই ব্যবহার করা হয়ে এসেছে। নুন আর ডেটল—দু’টোই অ্যান্টি-সেপ্টিক আর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।

উপকরণ

২ কাপ জল, অল্প নুন বা ডেটল।

পদ্ধতি

জল ভালো করে ফুটিয়ে তাতে অল্প নুন বা ডেটল যেকোনো একটা দিন। এরপর হালকা ঠাণ্ডা হলে তা তুলোতে করে আস্তে আস্তে ফোঁড়ার জায়গাতে দিন। গরম জলের এই সেঁক আপনার ফোঁড়া থেকে বিষাক্ত পুঁজ, রস বের করে ফোঁড়াকে দ্রুত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

নিমপাতা

নিমপাতার অ্যান্টি-বায়োটিক আর অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণের জন্য নিমপাতাকে বহু প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হয়ে এসেছে। তাছাড়া ফোঁড়া, চুলকুনি, অ্যালার্জি বা র‍্যাশের ক্ষেত্রে নিমপাতা আপনার ব্যথা, জ্বালা কমিয়ে আপনার নিমেষে মুশকিল আসান করতে পারে।

উপকরণ

নিমপাতা।

পদ্ধতি

নিমপাতা জলে বেটে পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর পেস্টটা ভালো করে আপনার বগলের ফোঁড়ায় লাগিয়ে নিন। তাছাড়া নিমতেলও লাগাতে পারেন। দেখবেন খুব তাড়াতাড়িই ফোঁড়ার জ্বালা কমে যাচ্ছে।

হলুদ

যে যাই বলুন না কেন, সবরকম ফোঁড়ার যম কিন্তু হলুদ। ত্বকের নানারকম কাটা-ছেঁড়া, ব্যথা জ্বালা সারাতে হলুদকে তো আপনি ব্যবহার করেই থাকেন। কিন্তু জানেন কি বগলে ফোঁড়ার চিকিৎসাতেও হলুদের কদর মারাত্মক? কেন? তার কারণ হলুদের অ্যান্টি-বায়োটিক গুণ। হলুদে থাকা ভোলাটাইল অয়েলের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ আছে যা ফোঁড়ার প্রদাহকে সহজে কমায় ও বগলের ফোঁড়াকে সারিয়ে তোলে।

উপকরণ

কাঁচা হলুদবাটা।

পদ্ধতি

বাটা কাঁচা হলুদকে নিয়ে বগলের ফোঁড়ায় ভালো করে লাগান। এরপর ৩০ মিনিট মতো লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যতদিন না কমে দিনে ২-৩ বার করে এটা লাগিয়ে যান। দেখবেন ফোঁড়ার চটজলদি উপকার পাচ্ছেন।

কালোজিরে

কি অবাক হচ্ছেন? কালোজিরেকে তো এতদিন রান্নার কাজেই ব্যবহার করে এসেছেন। কিন্তু আপনার বগলের ওই মারাত্মক ফোঁড়াটিকে সারাতেও কিন্তু ওর জুড়ি নেই। কালোজিরেতে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল অয়েল থাকে, যা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যুক্ত। তাছাড়া অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি হওয়ায় তা ফোঁড়ার ব্যথাকেও কমায়। এছাড়া কালোজিরেতে থাইমোকুইনোন নামে একধরণের সক্রিয় যৌগ থাকে যা ফোঁড়া দ্রুত কমাতে পারে।

উপকরণ

কালোজিরের তেল

পদ্ধতি

বিভিন্ন পানীয়তে কালোজিরের তেল মিশিয়ে খেলে ফোঁড়ার হাত থেকে জলদি উপকার পাবেন।

তাহলে আর চাপ কীসের? এবার গরমকালেও ফোঁড়াতে নো টেনশন। বগলে ফোঁড়া হলে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার ঝামেলাকে ভুলুন আর এবার থেকে ঘরোয়া টোটকা ট্রাই করুন। দেখবেন ভয়ে আপনার বগলের ফোঁড়া আর আপনার কাছেও ঘেঁষছে না, আর আপনিও দিব্যি বগল বাজিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছেন নিশ্চিন্তে

11/02/2019

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান

কানপাকা বলতে আমরা মধ্যকর্ণের দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণকে বুঝি। কানপাকা রোগের চিকিৎসায় অবহেলা করা উচিত নয়। এমনটাই মনে করেন বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক কান ও গলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান তরফদার। একুশে টিভি অনলাইনকে কানপাকা রোগের লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা নিয়ে মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন। সাক্ষাতকার নিয়েছেন তবিবুর রহমান।

*** কানাপাকার কারণ কি?

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান: সাধারণত কানের ভিতরে পর্দা সাদা চকচকে থাকে। যখনই কোনো সংক্রমণ হয়, পর্দা লাল হয়ে যায়। তারপর অনেক সময় পর্দায় ছিদ্র পাওয়া যায়। সেই ছিদ্র দিয়ে ক্রমাগত পুঁজ পড়তে থাকে। কানের পর্দা ফুটো হয়ে গেলে বা কানের ভারসাম্যে সমস্যা হয়, প্রদাহ হয়, তখনই মানুষের শ্রবণশক্তি কমে যায়। এসময় অবহেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অনেক সময় এটা জন্মগত হয়ে থাকে।

মা শিশুকে অসতর্কভাবে দুধ পান করানোর কারণেও হতে পারে এ রোগ। বিশেষ করে ঘুমানো অবস্থায় ভুল পদ্ধতিতে দুধ পান করালে এমন রোগ হতে পারে। এসময় দুধের কিছু অংশ শিশুর নাক বা মুখের মধ্যে থেকে কানে যায়। এটা থেকে কানে ইনফেকশন তৈরি করে।

*** কানের পর্দা ছিদ্র হওয়ার কারণ কি ?

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান: দীর্ঘদিন কান পাকা থাকলে কানের পর্দায় ছিদ্র হয়ে যায়। তখন পুঁজ বাহিরে আসতে শুরু করে। এছাড়া সাধারণত পুঁজ পড়ে না। তবে পর্দা ছি্দ্র হওয়া ছাড়া বহিঃকর্ণে অনেক সময় পুঁজ পড়তে পারে। কানপাকার কারণে মধ্য কানে বন্যা তৈরি হতে পারে। ফলে কানে পর্দা ছিদ্র হয়ে যেতে পারে। ফলে বাতাস কানের ভিতরে ঢুকতে শুরু করে। কিছু বাতাস বাহিরে বের হয়ে আসে। কানের শ্রবন শক্তি কমে আসে। কানের সঙ্গের ব্রেনের যোগাযোগ নিবিড়। কানে ইনফেকশন হলে ব্রেনেও ইনফেকশন হতে পারে। ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি কমে যায়। এভাবে বেশি দিন থাকলে কান ডেমেজ হতে পারে। এমননি কান থেকে ব্রেণও আক্রান্ত হতে পারে। বেশি সমস্যা হলে জীবননাশেরও ঝুঁকি থাকে।

*** কানপাকার চিকিৎসা কি?

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান: যখন কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে যায়, তখন প্রচুর পরিমাণে পুঁজ পড়ে এবং বারবার হতে থাকে। যখনই কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে যায়, আমরা তাকে সিস্টেমিক অ্যান্টিবায়োটিক দিই। কানেও অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ দিই। নাকের ড্রপ দিই এবং অ্যান্টিহিসটামিন দিই। এরপর আমরা তাকে দুই সপ্তাহ পরে আসতে বলি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সেইসঙ্গে কানের পর্দার ছিদ্রও বন্ধ হয়ে যায়। যদি পর্দার ছিদ্রটা বড় হয় এবং যদি বারবার পুঁজ পড়ে, তাহলে কিন্তু ওষুধে কাজ হয় না। সেই ক্ষেত্রে আমরা ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করি। ওষুধ চালিয়ে যাই। যদি ৬ মাসের মধ্যে তার পর্দাটা জোড়া না লাগে, কানে কম শোনে, তাহলে আমরা একটা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাইক্রো সার্জারি করে পর্দা জোড়া লাগিয়ে দিই। কানের পেছনে চামড়ার নিচ থেকে একটু পর্দা নিয়ে, কানের মধ্যে মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে লাগিয়ে নিই। এই পর্দা ঠিক করা সম্ভব। শতকরা ৯০ ভাগের বেশি ক্ষেত্রেই কিন্তু পর্দা জোড়া লেগে যায়। শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক যেই হোক, কানে ভালো শুনতে পায় তখন। এই অস্ত্রোপচারকে টিমপ্যানোপ্লাস্টি বলে।

** কানে অস্ত্রোপচারে সফলতা কেমন?

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান: শিশুদের কানের পর্দা অধিকাংশ জোড়া গেলে যায়। যদি কানের পর্দা জোড়া না লাগে তাহলে অস্ত্রোপচার করতে হবে। অন্ত্রোপচারে শতকরা ৯০ ভাগের বেশ সফলতা আসে।

**
নাকা পাকা থেকে বাঁচতে করণীয় কি?

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান: কান পাকা প্রতিরোধে আমাদের সর্তক হতে হবে প্রথমে। শিশুকে শোয়ায়ে দুধ খাওয়াও যাবে না। কোলে নিয়ে দুধ খাওয়াতে হবে। সম্ভব হলে শিশুকে ফিডার ছাড়া দুধ খাওয়াতে হবে। শর্দি লাগলে তাৎক্ষনিক চিকিৎসা করতে হবে। কানে আঘাত পেলেও কানের পর্দা ফাটতে পারে। কান খোচানো থেকে বিরত থাকতে হবে। যদি কোনো কারণে কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ডাত্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। পুকুর, নদীতে গোসলের সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন কোনোভাবেই নাকের মধ্যে পানি না ঢুকে।

** রোগ খুব বেড়ে গেলে অস্ত্রোপচারে সমস্যা হওয়ার কোনো বিষয় আছে কি?

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান: বেড়ে গেলে একটি সমস্যা হয় যে, এটা ধীরে ধীরে যখনই পুঁজ পড়তে থাকে, কানের ভেতর কতগুলো সূক্ষ্ম হাড় আছে, যেগুলো মানুষকে শুনতে সাহায্য করে। এই সূক্ষ্ম হাড়গুলো নষ্ট হয়ে যেতে থাকে। যখন নষ্ট হয়ে যায়, তখন কিন্তু অস্ত্রোপচার করলেও খুব ভালো ফল পাওয়া যায় না। কিন্তু নষ্ট হওয়ার আগে যদি অস্ত্রোপচার করাতে পারি, প্রায় শতভাগ শ্রবণশক্তিই ফিরে পাওয়া সম্ভব।

আর আরেক ধরনের কান পাকা আছে, যেটাতে দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ হয়, এটি আস্তে আস্তে হাড় ক্ষয় করতে থাকে। ক্ষয় করে এটি আস্তে আস্তে মস্তিষ্কে যায়।

ঘুমানোর পর নাক ডাকার সমস্যা কিভাবে দূর করা যায়✌ ✌ ✌ অনেকেরই ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার বদ অভ্যাস আছে। আর এটি নিঃসন্দেহে একটি...
09/02/2019

ঘুমানোর পর নাক ডাকার সমস্যা কিভাবে দূর করা যায়
✌ ✌ ✌

অনেকেরই ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার বদ অভ্যাস আছে। আর এটি নিঃসন্দেহে একটি খুব বাজে অভ্যাস। কিভাবে এই বদ অভ্যাস দূর করবেন চলুন সে সম্পর্কে জেনে নেই। অতিরিক্ত ওজন কমানঃ অনেক সময় শরীরে অতিরিক্ত ওজনের ফলেও এই সমস্যা হয়ে থাকে। তাই প্রতিদিন সামান্য ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন কমানোর চেষ্টা করুন। বিশেষ করে ঘাড়ের কাছে গলায় অতিরিক্ত ফোলা থাকলে নাক ডাকার সমস্যা বেশী হয়। তাই প্রতিদিন হালকা ম্যাসাজের মাধ্যমেও ওজন কমানো সম্ভব। এলকোহল ও ঘুমের ওষুধ ত্যাগ করাঃ প্রতিদিন এলকোহল ও ঘুমের ওষুধ গ্রহন আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ নার্ভ সিস্টেমের উপর চাপ সৃষ্টি করে যা পরবর্তিতে গলা ও চোয়ালের উপড় প্রেশার ফেলে নাক ডাকা শুরু করে। তাই নাক ডাকা থেকে পরিত্রান পেতে দ্রুত এলকোহল ও ঘুমের ওষুধ ত্যাগ করুন। আপনার এলার্জি জনিত রোগের চিকিৎসা করুনঃ আপনার যদি কোনো কিছুতে এলার্জি থাকে বিশেষ করে নাকে তাহলে দ্রুত তার চিকিৎসা করুন। কারন নাকের এলার্জির কারনে নাক বন্ধ থাকলে ঘুমের সময় নিশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। ফলে নাক ডাকা রোগ হতে পারে। তাই ঘুমানোর পূর্বে নাকে প্রয়জনীয় স্প্রে অথবা নেসাল ক্লীপ ব্যাবহার করুন। ধুমপান ত্যাগ করুনঃ ধূমপান শরীরের শ্বসনতন্ত্রের অনেক ক্ষতি করে। এর ফলে ফুসফুসের উপর চাপ পড়ে। ফলে নিশ্বাস বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং নাক ডাকা আরম্ভ হয়। তাই অতিরিক্ত ধূমপান থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। প্রতিদিন ঘুমানোর জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় তৈরী করুনঃ অনেক সময় অনিয়মিত ঘুমের কারণেরও নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে। তাই প্রতিদিন সময়মত পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। মাথার বালিশটা একটু উচু করে নিনঃ ঘুমানোর সময় শরীরের সাথে মাথা সমান উচ্চতায় থাকলে এই সমস্যাটি অনেক বেশী হতে পারে। তাই ঘুমানোর পূর্বে মাথায় একটা অতিরিক্ত বালিশ ব্যাবহার করুন।

মিলন ও গর্ব ধারনগর্ভধারণের বিষয়টি আসলে একটি হিসেবের সাথে জড়িত। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় বলা যায় পিরিয়ড বা মাসিকের দিন থে...
08/02/2019

মিলন ও গর্ব ধারন
গর্ভধারণের বিষয়টি আসলে একটি হিসেবের সাথে জড়িত। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় বলা যায় পিরিয়ড বা মাসিকের দিন থেকে ৭ দিন পর্যন্ত গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে না। আবার অষ্টম দিন থেকে ১৭ দিন পর্যন্ত গর্ভধারণের মোক্ষম সময়। ১৮ তম দিন থেকে পিরিয়ড হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ সময়। অর্থাৎ পিরিয়ডের ৭ দিন আগে ও পরের সময় নিরাপদ। এ সময়ে গর্ভধারণ হয় না। মাঝামাঝি দিনগুলোতে গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা একটি পদ্ধতি, এই পদ্ধতিতে আপনি কোনরকম জন্মনিরোধ পদ্ধতি ব্যবহার না করেই সহবাস করতে পারবেন, এবং আরও জানতে পারবেন কোন সময় আপনার গর্ভবতী হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। এই পদ্ধতিতে গণনা করে বোঝা যায় মাসের কোন সময় আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশি এবং কোন সময় আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে কম।
এখানে আপনি আপনার বিভিন্ন শারীরিক বিভিন্ন লক্ষনের ব্যাপারে জানবেন। এই শারীরিক লক্ষণগুলো দেখে এবং খেয়াল রেখে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কোন সময় সহবাস করলে আপনার গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে কম সম্ভবনা। আপনাকে খেয়াল করতে হবে – শরীরের তাপমাত্রা, স্রাবের ঘনত্ত ও প্রকৃতির উপর এবং এইগুলি পর্যবেক্ষণ করে আপনাকে বুঝতে হবে কখন সহবাস করলে আপনি গর্ভবতী হবেন না।
• আপনি প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতির নিয়মগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে এই পদ্ধতি ৯৯% পর্যন্ত কার্যকর। অর্থাৎ প্রতি বছর প্রাকৃতিক-উপায়ে-পরিবার-পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারি ১০০ জন মহিলার মধ্যে মাত্র ১ জন গর্ভবতী হন।
• আপনার প্রতি মাসিক চক্রের কিছু দিন আছে যেগুলো গর্ভবতী হওয়ার জন্য সবচেয়ে উত্তম সময়। সেই সময় আপনার কিছু শারীরিক উপসর্গ হয় ও কিছু লক্ষন দেখা দেয়। সেই শারীরিক উপসর্গ ও লক্ষণগুলো কি কি তা আপনাকে বুঝতে হবে। সেই জন্য আপনাকে প্রতিদিন লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে বিভিন্ন শারীরিক লক্ষন কিংবা পরিবর্তন – যেমন আপনার শরীরের তাপমাত্রা, আপনার স্রাবের ধরণ, রকম ইত্যাদি।
এইভাবে যদি আপনি এই শারীরিক লক্ষণগুলি ৩-৬ মাসিক চক্র ধরে খেয়াল করেন, তাহলে আপনি নিজে বুঝতে পারবেন কোন সময় সহবাস করলে আপনার গর্ভবতী হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং কোন সময় ঝুঁকি কম। তাই এই পদ্ধতি সঠিকভাবে শিখতে প্রায় ৩-৬ মাসিক চক্র লাগে...

কোমল গোলাপি ঠোঁট পাবার ১১টি সহজ উপায়...১. একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁ...
05/02/2019

কোমল গোলাপি ঠোঁট পাবার ১১টি সহজ উপায়...

১. একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু সূর্যের ফলে কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জবল করতে সাহায্য করে।

২. মধুর সাথে চিনি এবং কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ১০ মিনিট ঠোঁটে ঘষুন।

৩. ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক এ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।

৪. গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপী ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষনীয়।

৫. লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘন্টা পর ধুয়ে নিন।

৬. লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমত্কার ফলাফল।

৭. বাদামের তেল, মধু ও চিনির মিশ্রন করুন। প্যাকটি আপনার ঠোঁটকে কেবল সুন্দরই করবে না, কোমলতাও বাড়াবে।

৮. ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।

৯. কমলালেবু খাবার সময় এর বীচিগুলোকে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ঠোঁটকে এগুলোর দ্বারা পরিষ্কার করুন।

১০. প্রতিদিন টমেটো পেষ্ট করে ঠোঁটে মাখুন। আপনার ঠোঁট হবে উজ্জ্বল।

১১. শশার রসও ঠোঁটের কালো হওয়কে প্রতিরোধ করে। ফলাফল পেতে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট শসার রস ঠোঁটে ঘষুন।

দোকানে
05/02/2019

দোকানে

মেয়েদের স্বাস্থ্য টিপস । Girls Health Tips** মাসিক নিয়মিতকরণ বা এম.আর **বর্তমানে প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার অতি পরিচিত একটি ...
05/02/2019

মেয়েদের স্বাস্থ্য টিপস । Girls Health Tips

** মাসিক নিয়মিতকরণ বা এম.আর **

বর্তমানে প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার অতি পরিচিত একটি শব্দ এম. আর (Menstrual Regulation) বা মাসিক নিয়মিতকরণ। এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে জরায়ুর অভ্যন্তরীন পরিবেশ বিঘ্নিত হয়, ফলে জরায়ুতে ভ্রুন স্থাপিত হতে পারে না বা হতে দেয়া হয় না।
এম.আর কেন করা হয়
অনিয়মিত রক্তস্রাব/মাসিকের জন্য এম. আর একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যা অন্য কোন শারীরিক অসুস্থতার জন্যও করা হয়।
শল্য চিকিৎসায় এম.আর
শল্যচিকিৎসায় এম. আর একটি সহজ ও নিরাপদ পদ্ধতি। একটি নমনীয় প্লাস্টিকের নল এবং সিরিঞ্জের সাহায্যে এম. আর সম্পাদন করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত: রোগীকে অজ্ঞান করার প্রয়োজন হয় না।
এম.আর করার উপযুক্ত সময়
নির্ধারিত মাসিক হওয়ার সময়ের ১৪ দিনের মধ্যে যে কোন সময় এম. আর করা যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে শেষ মাসিক হওয়ার প্রথম দিন থেকে হিসাব করে ৩৫ দিনের পরে এবং ৪৫ দিনের পূর্বে। সবচেয়ে নিরাপদ সময় হচ্ছে ৪২তম থেকে ৪৯তম দিনের মধ্যে।
এম.আর করার পূর্বে প্রয়োজনীয় তথ্য
সাবধানতার সাথে রোগীর ইতিহাস জানা, বিশেষ করে মাসিকের নিয়মানুবর্তিতা সম্পর্কে, যৌন সম্পর্কের বিষয়ে, সহবাসের সময় সম্পর্কে
গর্ভধারণে ব্যর্থতার সম্ভাবনা, কোন কারণে দুঃশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ যা অনেক সময় মাসিক না হওয়ার কারণ হতে পারে অথবা যদি গর্ভধারণ করে থাকেন তবে সন্তান গ্রহণ না করার কারণ সমূহ ইত্যাদি
এম.আর সম্পাদনের পূর্বে নারীকে এম.আর এর ঝুঁকি ও জটিলতা সম্পর্কে অবহিত করা জরুরী
প্রয়োজনে গর্ভধারণ না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য আরেকবার নারীকে (pregnancy test) পরীক্ষা করা উচিত
কারা এম.আর সম্পাদন করতে পারেন
স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক
নার্স এবং
প্যারামেডিক নিরাপদ এবং কার্যকর এম. আর সম্পাদন করতে পারেন
এম.আর বা মাসিক নিয়মিতকরণ সেবা কেন্দ্রসমূহ
জেলা হাসপাতাল
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র
সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন.১.এম.আর কেন করা হয়?
উত্তর. বিলম্ব অথবা অনিয়মিত রক্তস্রাব বা মাসিকের এম. আর একটি চিকিৎসা পদ্ধতি বা গর্ভধারণ বা অন্য কোন শারীরিক অসুস্থতার জন্য করা হয়।
প্রশ্ন.২.এম.আর করার উপযুক্ত সময় কখন?
উত্তর. নির্ধারিত মাসিক হওয়ার সময়ের ১৪ দিনের মধ্যে যে কোন সময় এম. আর করা যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে শেষ মাসিক হওয়ার প্রথম দিন থেকে হিসাব করে ৩৫ দিনের পরে এবং ৪৫ দিনের পূর্বে। সবচেয়ে নিরাপদ সময় হচ্ছে ৪২তম থেকে ৪৯তম দিনের মধ্যে।
প্রশ্ন.৩.কারা এম.আর করতে পারেন?
উত্তর.
স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক
নার্স এবং
প্যারামেডিক নিরাপদ এবং কার্যকর এম. আর সম্পাদন করতে পারেন।

Address

BEROVITA
Rangpur
5320

Telephone

+8801746446633

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RIPON Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share