ডাঃ মতিউর রহমানシ︎

ডাঃ মতিউর রহমানシ︎ "Orthopedics specialist"

22/01/2026

রঙিন সবজি মানেই রঙিন স্বাস্থ্য 🥕🥬🌶️
লাল, বেগুনি আর কমলা রঙের সবজিগুলো শুধু রান্নার সৌন্দর্য বাড়ায় না, বরং ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও দারুণ কাজ করে।
প্রতিদিনের খাবারে রঙিন সবজি রাখুন, শরীর রাখুন সুস্থ 💪🌿

18/01/2026

শীতকালে জোড়া জয়েন্ট ব্যাথার বৃদ্ধি হওয়ার কয়েকটি কারণ রয়েছে:

1. **ঠান্ডা তাপমাত্রা**: শীতকালীন তাপমাত্রার হ্রাস জোড়ার চারপাশের পেশীগুলোকে সংকোচন করতে পারে, যা ব্যথা এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করে।

2. **আর্দ্রতা**: শীতকালে আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে বিশেষভাবে আর্থ্রাইটিস রোগীদের জন্য জয়েন্ট ব্যাথা বাড়তে পারে।

3. **শারীরিক গতি কমে যাওয়া**: শীতকালে অনেকেরই শারীরিক কার্যকলাপ কমে যায়, যা জয়েন্টের মধ্যে ল্যাব্রিকেন্ট জেলির মতো তরল কম হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে জয়েন্টে দৃশ্যমান অস্বস্তি হতে পারে।

4. **গরম পোশাকের অভাব**: অনেক সময় শীতকালে পর্যাপ্ত গরম পোশাক পরিধান না করার কারণে শরীরের কিছু অংশ, বিশেষ করে জয়েন্টগুলো ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে, যা ব্যথা বাড়িয়ে দেয়।

5. **হরমোন পরিবর্তন**: কিছু গবেষণা suggests করে যে শীতকালে শরীরে হরমোনের পরিবর্তনও জয়েন্ট ব্যাথা বৃদ্ধি করতে পারে।

6. **স্বাস্থ্যের অবস্থা**: যাদের পূর্বে জয়েন্টের সমস্যার ইতিহাস রয়েছে, তারা শীতকালে বেশি প্রভাবিত হতে পারেন।

এই কারণে শীতকালে জয়েন্ট ব্যথা বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং প্রয়োজন হলে সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে।

09/01/2026

বন্ধ্যাত্ব কেন হয়?
★★★ পুরুষের কারণে (প্রায় ৪০%)
শুক্রাণু কম বা দুর্বল (Low s***m count/motility)
Testosterone, FSH, LH সমস্যা
ভেরিকোসিল
ধূমপান, মদ, স্টেরয়েড
সংক্রমণ বা টেস্টিসের সমস্যা

★★★ নারীর কারণে (প্রায় ৪০%)
ডিম্বস্ফোটন না হওয়া (PCOS)
Fallopian tube বন্ধ
Estrogen–Progesterone ভারসাম্যহীনতা
থাইরয়েড সমস্যা
বয়স বেশি হওয়া
★★★ উভয়ের কারণ / অজানা (প্রায় ২০%)
দুইজনেরই হালকা সমস্যা
Stress, obesity
কারণ খুঁজে না পাওয়া (Unexplained)

হাত-পা ঝিমঝিম করার প্রধান কারণগুলো হলো দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে থাকা, রক্ত চলাচলে বাধা, স্নায়ুর ওপর চাপ (যেমন: কারপাল টান...
27/12/2025

হাত-পা ঝিমঝিম করার প্রধান কারণগুলো হলো দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে থাকা, রক্ত চলাচলে বাধা, স্নায়ুর ওপর চাপ (যেমন: কারপাল টানেল সিনড্রোম), ভিটামিন B12 বা অন্যান্য ভিটামিনের অভাব, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, কিডনির রোগ, অতিরিক্ত মদ্যপান, বা কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যা স্নায়ুর ক্ষতি (Peripheral Neuropathy) করে, তবে এটি একটি সাধারণ সমস্যা এবং কারণভেদে চিকিৎসা ভিন্ন হয়।

সাধারণ কারণ (Temporary)

অবস্থানগত চাপ: দীর্ঘক্ষণ বসে বা শুয়ে থাকলে স্নায়ু ও রক্তনালীতে চাপ পড়ে, যা পজিশন পরিবর্তন করলে ঠিক হয়ে যায় (Temporary Paresthesia)।

অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা (Underlying Conditions)

ডায়াবেটিস (Diabetes): উচ্চ রক্ত শর্করা স্নায়ুর ক্ষতি করে (Diabetic Neuropathy)।

ভিটামিনের অভাব: ভিটামিন B12, B6, E, বা অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ (যেমন তামা, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম) এর ঘাটতি।

স্নায়ুর সংকোচন (Pinched Nerve): মেরুদণ্ড (সার্ভিক্যাল বা লাম্বার স্পাইন) বা কব্জিতে (কারপাল টানেল সিনড্রোম) স্নায়ুর ওপর চাপ পড়া।

থাইরয়েড সমস্যা: থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা।

কিডনির রোগ: কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়া।

অতিরিক্ত মদ্যপান (Alcohol Abuse): অ্যালকোহল স্নায়ুর টিস্যু নষ্ট করে।

কিছু রোগ: মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, সংক্রমণ (যেমন লাইম ডিজিজ, হার্পিস), বা অটোইমিউন রোগ।

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের কারণে হতে পারে।

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কখন ডাক্তার দেখাবেন (When to See a Doctor)

ঝিনঝিন ভাব যদি বারবার হয়, জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে, পেশী দুর্বলতা বা ফুসকুড়ির কারণ হয়।

কথা বলা, দৃষ্টিশক্তি বা শ্বাস-প্রশ্বাসের পরিবর্তন হলে।

প্রতিরোধের উপায় (Prevention)

ভিটামিন B12 সমৃদ্ধ খাবার (যেমন সবুজ শাক, মাছ, মাংস) খাওয়া।

ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করা।

অতিরিক্ত চাপ এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত হাঁটাচলা করা।

ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাবে ক্লান্তি, দুর্বলতা, রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া), স্নায়ুর সমস্যা (ঝিনঝিন, অসাড়তা), ত্বকের সমস...
27/12/2025

ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাবে ক্লান্তি, দুর্বলতা, রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া), স্নায়ুর সমস্যা (ঝিনঝিন, অসাড়তা), ত্বকের সমস্যা (ঠোঁট ফাটা, ঘা), চুল পড়া, মানসিক বিভ্রান্তি, বিষণ্নতা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, হজমের গোলমাল এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়, যা বেরিবেরি (ভিটামিন B1) বা পেলাগ্রার (ভিটামিন B3) মতো গুরুতর রোগের কারণ হতে পারে।

ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাবজনিত রোগের লক্ষণ:
শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি: সবসময় ক্লান্ত ও দুর্বল লাগা।
রক্তাল্পতা (Anemia): নতুন লোহিত রক্তকণিকা তৈরি না হওয়ায় অক্সিজেন সরবরাহ কমে যাওয়া।
স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা: হাতে-পায়ে ঝিনঝিন করা, অসাড়তা বা পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি।
মানসিক সমস্যা: বিভ্রান্তি, বিষণ্নতা, উদ্বেগ, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, মনোযোগের অভাব।
ত্বক ও চুলের সমস্যা: ঠোঁট ফাটা, মুখের কোণে ঘা, তৈলাক্ত লালচে র‍্যাশ, চুল পড়া, চুল অকালে পেকে যাওয়া।
হজম ও বিপাক: ক্ষুধা হ্রাস, ওজন হ্রাস, কোষ্ঠকাঠিন্য।
অন্যান্য: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, জিহ্বা ফোলা ও লাল হওয়া।
নির্দিষ্ট ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ:
ভিটামিন B1 (থায়ামিন): বেরিবেরি (Beriberi) রোগ।
ভিটামিন B3 (নিয়াসিন): পেলাগ্রা (Pellagra), যার লক্ষণগুলো হলো ডার্মাটাইটিস, ডায়রিয়া, ডিমেনশিয়া।
ভিটামিন B12 (সায়ানোকোবালামিন): পারনিসিয়াস অ্যানিমিয়া (Pernicious anemia) ও স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি।

ক্যালসিয়ামের ঘাটতির সাধারণ লক্ষণগুলো হলো পেশিতে টান বা খিঁচুনি, হাত-পা বা মুখের চারপাশে ঝিনঝিন করা, ক্লান্তি, হাড় দুর্...
27/12/2025

ক্যালসিয়ামের ঘাটতির সাধারণ লক্ষণগুলো হলো পেশিতে টান বা খিঁচুনি, হাত-পা বা মুখের চারপাশে ঝিনঝিন করা, ক্লান্তি, হাড় দুর্বল হওয়া, ঘন ঘন হাড় ভাঙা, শুষ্ক ত্বক, ভঙ্গুর নখ এবং রুক্ষ চুল, যা সময়ের সাথে সাথে স্মৃতিভ্রম, হতাশা বা স্নায়বিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে; তাই এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি.
শারীরিক লক্ষণ
পেশি ও স্নায়ু: পেশিতে টান, খিঁচুনি, দুর্বলতা, হাত ও পায়ের আঙুলে ঝিনঝিন অনুভূতি, অসাড়তা.
হাড়: হাড় দুর্বল হওয়া, ঘন ঘন হাড় ভাঙা, হাড়ে ব্যথা, অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি.
ত্বক, চুল ও নখ: শুষ্ক ও খসখসে ত্বক, ভঙ্গুর নখ, চুল পড়া বা রুক্ষ হওয়া.
অন্যান্য: চরম ক্লান্তি, দাঁত দুর্বল হওয়া বা নড়বড়ে ভাব, দাঁত ক্ষয়.
মানসিক ও স্নায়বিক লক্ষণ
স্মৃতিশক্তি: স্মৃতিশক্তি হ্রাস, মনোযোগের অভাব, বিভ্রান্তি.
মেজাজ: অস্থিরতা, হতাশা, মেজাজ পরিবর্তন, বিরক্তি.
গুরুতর ক্ষেত্রে: হ্যালুসিনেশন (অলীক কিছু দেখা বা শোনা), বিভ্রান্তিকর আচরণ, খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট (গলার পেশিতে টান), অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন (অ্যারিথমিয়া).

ঠান্ডা থেকে বাঁচতে গরম পোশাক পরুন, প্রচুর জল ও উষ্ণ পানীয় (যেমন আদা চা, মধু-লেবুর জল) পান করুন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং...
27/12/2025

ঠান্ডা থেকে বাঁচতে গরম পোশাক পরুন, প্রচুর জল ও উষ্ণ পানীয় (যেমন আদা চা, মধু-লেবুর জল) পান করুন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং পুষ্টিকর খাবার খান, ভিটামিন ডি নিশ্চিত করুন; ঘন ঘন হাত ধোয়া, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢাকা ও ভিড় এড়িয়ে চলার মাধ্যমে সংক্রমণ প্রতিরোধ করুন। জ্বর, শ্বাসকষ্ট বা তীব্র মাথাব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে।
প্রতিরোধ ও সাধারণ সতর্কতা:
গরম থাকুন: উলের পোশাক পরুন, গরম থাকুন এবং ঠান্ডা লাগা এড়াতে সতর্ক থাকুন।
স্বাস্থ্যবিধি: সাবান দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোয়া, মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা এবং হাঁচি-কাশির সময় মুখ ও নাক ঢাকা জরুরি।
ভিড় এড়িয়ে চলুন: ঠান্ডা লাগা ভাইরাসের বিস্তার রোধ করতে জনবহুল স্থান এড়িয়ে চলুন।
উপসর্গ দেখা দিলে করণীয়:
পর্যাপ্ত বিশ্রাম: শরীর দুর্বল লাগলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, ভারী কাজ করবেন না।
তরল খাবার: প্রচুর জল, ফলের রস, এবং গরম পানীয় (চা, স্যুপ, মধু-লেবুর জল) পান করুন।
ঘরোয়া প্রতিকার: আদা চা পান, লবণাক্ত জল দিয়ে গার্গল, এবং রসুনের ব্যবহার ঠান্ডা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
পুষ্টি: ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খান বা চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নিন।
কখন ডাক্তার দেখাবেন (জরুরী):
উচ্চ জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, বা ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে।
শ্বাসকষ্ট হলে।
যদি উপসর্গগুলি ৭-১০ দিনের বেশি স্থায়ী হয় বা খারাপের দিকে যায়।

27/11/2025

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ কমানোর মতো অভ্যাসগুলো গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, প্রচুর ফল ও সবজি খাওয়া, প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি।

খাদ্যাভ্যাস ও পানীয়

ফল ও সবজি খান: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলমূল ও শাকসবজি গ্রহণ করুন।

প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন: প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন: শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

সচেতনভাবে খান: আপনি যা খাচ্ছেন সে সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং ধীরে ধীরে ও ভালো করে চিবিয়ে খান।

শারীরিক সুস্থতা

নিয়মিত ব্যায়াম করুন: একটি নির্দিষ্ট দৈনিক ওয়ার্কআউট রুটিন অনুসরণ করুন এবং সারাদিন সক্রিয় থাকুন।

শারীরিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন: নিয়মিত হাত ধোয়া এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

মানসিক ও অন্যান্য স্বাস্থ্য

পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতি রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন, কারণ পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে।

মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন: মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন এবং নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকুন।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান।

21/11/2025

মেডক্যাল ডি ক্যাপসুলের উপকারিতা

হাড় ও দাঁতকে মজবুত রাখে।

হাড় ক্ষয় (Osteoporosis) প্রতিরোধে সাহায্য করে।

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে।

ভিটামিন D3 এর মাধ্যমে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায়।

হাড় ভাঙার পর দ্রুত জোড়া লাগতে সাহায্য করে।

গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে সহায়ক।

বয়স্কদের হাড় দুর্বলতা ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

🟢 আদা: শুধু স্বাদের নয়, স্বাস্থ্যেরও উপকার 🌿আদা শুধু খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়ানোর উপাদান নয় —এটি বাত, জয়েন্ট পেইন ও...
03/11/2025

🟢 আদা: শুধু স্বাদের নয়, স্বাস্থ্যেরও উপকার 🌿

আদা শুধু খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়ানোর উপাদান নয় —
এটি বাত, জয়েন্ট পেইন ও প্রদাহজনিত ব্যথা কমাতে দারুণভাবে সহায়তা করে। 💪

👉 নিয়মিত সামান্য পরিমাণ আদা খেলে
জয়েন্টের ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায় এবং শরীরে রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয়।

🍵 প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ থাকতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন আদা!

01/11/2025

কোন ভিটামিনের অভাবে কি কি রোগ হয়?(গুরুত্বপূর্ণ)
১. হাড়ের ক্ষয়
ভিটামিন ডি এর অভাবে হাড়ের ক্ষয় হতে পারে।শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।ভিটামিন ডি সূর্য আলো থেকে এবং সামুদ্রিক মাছে বেশি পরিমানে থাকে। এছাড়া , বাজারে সাপ্লিমেন্ট হিসেবে পাওয়া যায়।
এছাড়া ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের ক্ষয় হতে পারে। ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার হচ্ছে দুধ, দই, ডিম, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি।

২.হাত পা ঝি ঝি করা, হাতে পায়ে জ্বালা পোড়া করা কিংবা অবশ অবশ লাগতে পারে ভিটামিন বি ১,২,৬ এর অভাবে । পেশীতে টান অনুভব করতে পারেন।

৩.রক্তশূণ্যতা
এছাড়া আয়রন,ভিটামিন ১২ এবং ফলিক এসিডের অভাবে হতে পারে।
-আয়রন যুক্ত খাবারগুলো হচ্ছে যেমন লালশাক, পালংশাক, গাঁজর,বিট ইত্যাদি।
-ভিটামিন বি সাধারণত সামুদ্রিক মাছ, ডিম, দুধ থেকে পাওয়া যায়।

৪. অতিরিক্ত চুল পড়া ও পেকে যেতে পারে ভিটামিন বি ৭, ভিটামিন এ, ই ডি এর অভাবে।

৫.রাতকানাঃ
ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হতে পারে।

৬. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ভিটামিন সি, ই,জিংক, ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড.
-vitamins C পাচ্ছেন সেকোন টক জাতীয় খাবার। পেয়ারা, কমলা, মালটা, আমলকি,

-জিংক পাচ্ছেন যেমনঃলাল মাংস, ডিম,দুধ, পেয়ারা,কালোজাম,কাজু বাদাম,মাসরুম,কুমড়া ইত্যাদি।

-ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড পাচ্ছেন সামুদ্রিক তেলযুক্ত মাছ, বাদাম ইত্যাদিতে।

Address

Rangpur

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ মতিউর রহমানシ︎ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category