Zannat Homeo Hall

Zannat Homeo Hall It's about Doctor Chamber & Homeo Hall For Treatment.

 #শরীরের_হাজারো_সমস্যা_দূর_করবে_লবণ_লেবু:পাতিলেবুর গুণাগুণ নিয়ে ইতোমধ্যেই যথেষ্ট চর্চা হয়ে গেছে। ভিটামিন ও অ্যাসিডের যথা...
12/10/2016

#শরীরের_হাজারো_সমস্যা_দূর_করবে_লবণ_লেবু:

পাতিলেবুর গুণাগুণ নিয়ে ইতোমধ্যেই যথেষ্ট চর্চা হয়ে গেছে। ভিটামিন ও অ্যাসিডের যথাযথ সমন্বয় একটি পাতিলেবুকে অব্যর্থ অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করতে সমর্থ করে, তা ডাক্তাররাও স্বীকার করেন। পাতিলেবুর কিছু অসামান্য গুণের কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা হলো-

১. যারা খুস্কির সমস্যায় ভুগছেন, তারা গোসলের মিনিট দশেক আগে চুলের গোড়ায় যদি পাতিলেবুর রস ম্যাসাজ করেন, আর তারপর শ্যাম্পু করে গোসল করেন, তাহলে খুস্কির হাত থেকে মুক্তি মিলবে।

২. শরীরের যেসব জায়গায় চামড়া মোটা এবং শুষ্ক (যেমন গোড়ালি, কনুই, কিংবা হাঁটু) সেই সমস্ত জায়গায় পাতিলেবুর রস ঘোষতে হবে। তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই চামড়া নরম হয়ে যাবে।

৩. নিয়মিত লেবুর রসের শরবৎ পান করলে অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে।

কিন্তু সম্প্রতি অলটারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার অফ সিডনি একটি গবেষণায় জানিয়েছে, পাতিলেবুর রসের উপকারিতা পেতে সবসময় যে তা সেবন করতে হবে কিংবা শরীরে প্রয়োগ করতে হবে, তা নয়। অন্যভাবেও উপকার পাওয়া যেতে পারে লেবুর।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, প্রতি রাতে একটি পাতিলেবুকে মাঝ বরাবর দু’ টুকরো করে তাতে একটু লবণ মাখিয়ে রেখে শোওয়ার বিছানার পাশে, মাথা থেকে সামান্য দূরে রাখতে হবে। তাতেই শরীরের দারুণ উপকার হবে।

সম্প্রতি অলটারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার অফ সিডনি একটি গবেষণায় এমন বিষয় উঠে এসেছে। পাঠকদের জন্য পাতিলেবুর কিছু অসামান্য গুণের কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা হলো-

১. পাতিলেবু এবং লবণ ঘরের বাতাসকে পরিশোধিত করতে সাহায্য করে।

২. সারারাত বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণের ফলে ব্যক্তির মনঃসংযোগ, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শ্বাসযন্ত্রের উন্নতি হয় এবং মেজাজও ভালো থাকে।

৩. ব্যক্তির সর্দি বা গলা ব্যথার মতো সমস্যা থাকলে এই কৌশলে খুব ভাল কাজ দেবে। মাথার কাছে লবণ-লেবু রেখে ঘুমালে নাক বন্ধের সমস্যা থেকে যেমন মু‌ক্তি মিলবে তেমনই অনেকটা গলা ব্যথাও কমবে।

☑ চিকিৎসকের পরামর্শ বা সাক্ষাতের জন্য যোগাযোগ করুন : 01717 20 26 77

21/09/2016

#সাদা_না_বাদামি_কোন_ডিম_খাবেন?

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নিয়মিত খাদ্য হলো ডিম। অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার হিসেবে পরিচিত ডিমে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান, যা দেহের ক্যালরি সরবরাহ থেকে শুরু করে নানা খাদ্যপ্রাণও সরবরাহ করে। জেনে নিন ডিম সম্পর্কে জানা-অজানা কিছু তথ্য।

কিন্তু প্রশ্ন করা হয়ে থাকে বাদামি ডিম আর সাদা ডিমের মধ্যে কোনটি ভালো?

এ প্রশ্নের জবাবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিম সাদা কিংবা বাদামি যাই হোক না কেন, উভয়ের পুষ্টিগুণে বড় কোনো পার্থক্য নেই। যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটির প্রাণীবিজ্ঞানের ভিজিটিং ফেলো ট্র বুই বলেন, ‘পুষ্টিগত দিক বিবেচনা করলে উভয়ের মাঝে পার্থক্য নেই। বাদামি ডিমে রয়েছে বেশি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। তবে এ পার্থক্য অতি সামান্য।’ তাহলে ডিমের রঙে পার্থক্য কেন হয়? এ প্রসঙ্গে গবেষকরা বলেন, ডিমের রঙের পার্থক্য হয় জিনের কারণে। সাদা পালকের মুরগি সাদা ডিম দেয়। অন্যদিকে বাদামি বা গাঢ় রঙের পালকবিশিষ্ট মুরগি বাদামি ডিম দেয়।
রেসিপিতে সাধারণত ডিমটি বড় নাকি ছোট দিতে হবে তার উল্লেখ থাকে না। তবে এক্ষেত্রে বড় ডিম ব্যবহার করাই ভালো। অবশ্য যদি নির্দিষ্ট আকার উল্লেখ থাকে তাহলে সঠিক আকারের ডিমটিই ব্যবহার করুন।
ডিম দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। দেহের জীবাণুগুলো দূর করতে চাইলে নিয়মিত ডিম খেতে হবে। একটি বড় ডিমে রয়েছে প্রায় ২২ শতাংশ আরডিএ বা সেলেনিয়াম। এটি শিশুদের পুষ্টি চাহিদা মেটাতেও বিশেষভাবে কার্যকর, যা তাদের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করে।
কোলস্টেরল দেহের ক্ষতি করে। কিন্তু কোলস্টেরলের রয়েছে ভালো ও মন্দ। ডিমে রয়েছে ভালো কোলস্টেরল। এটি দেহের মন্দ কোলস্টেরল দূর করতেও সহায়ক। এ কারণে নিয়মিত ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা। আর ডিমের কোলস্টেরল দেহের ক্ষতি করে না।

☑ চিকিৎসকের পরামর্শ বা সাক্ষাতের জন্য যোগাযোগ করুন : 01717 20 26 77

21/09/2016

#ডাবের_পানি_পানের_আগে_একবার_ভাবুন!

গরমে তৃষ্ণা নিবারণে ডাবের পানির কোনো তুলনা হয় না। এ পানি অনেক স্বাস্থ্যকর পানীয় বলেই জানে সবাই। স্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টিকর বলে অনেকের কাছেই এই তরল পানীয়টি খুব প্রিয়। কিন্তু অনেকেরই হয়ত অজানা বেশি পরিমাণে ডাবের পানি পান করলে শারীরিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। কারণ অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না।

ডাবের পানি পান করার ফলে কি কি স্বাস্থ্য-সমস্যা দেখা দিতে পারে তা জেনে নিই।

# রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি করে

স্বাস্থ্যকর এই ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম রয়েছে। যা আমাদের শরীরের রক্ত-প্রবাহকে ত্বরান্বিত করে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাদের ডাবের পানি পান না করাই বুদ্দিমানের কাজ।

# ক্যালোরি বৃদ্ধি করে

যারা নিজেদের ওজন নিয়ে অনেক বেশি চিন্তায় রয়েছেন, তাদের ডাবের পানি পান করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। যারা অতিরিক্ত ক্যালোরি কমানোর চেষ্টা করছেন তারা বেশি পরিমাণে ডাবের পানি পান করবেন না। অন্যান্য ফল ও পানীয় এর তুলনায় ডাবের পানিতে চিনির পরিমাণ কম হলেও এতে ক্যালোরি রয়েছে বেশি। যা আপনার ওজন বৃদ্ধি করতে পারে।

# রক্তের শর্করা বৃদ্ধি করে

ডাবের পানিতে চিনির পরিমাণ কম থাকলেও এখানে শর্করা ও ক্যালোরির পরিমাণ অনেক বেশি। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাদের ডাবের পানি বেশি পান করা ঠিক নয়। কারণ এতে করে তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং রক্তচাপের সৃষ্টি হবে।

ডাবের পানির অসংখ্য উপকারিতার পাশাপাশি এর কিছু ক্ষতিকর প্রভাবও রয়েছে। তাই বলে ডাবের পানি একেবারে পান করা ছেড়ে দিবেন না। অতিরিক্ত পান না করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখলেই চলবে।

☑ চিকিৎসকের পরামর্শ বা সাক্ষাতের জন্য যোগাযোগ করুন : 01717 20 26 77

21/09/2016

#গর্ভাবস্থায়_যেসব_খাবার_খেলে_বাচ্চার_ওজন_বৃদ্ধি_পাবে:

অনেক সময় শশিুরা অপুষ্টি নিয়ে জন্ম নেয়। পরিবারের সবাই বলে মাকে অনেক ভাল খাবার দেওয়া হয়েছে তারপরও বাচ্চার অপুষ্টি হওয়ার কারণ কি?

সাধারণত ২ কেজির কম ওজনের বাচ্চাদের জন্মের পর বাঁচানো খুব কঠিন হয়ে যায়। এদের মাঝে ৭০% বাচ্চা বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে। আর দেড় কেজির নিচের ওজনের বাচ্চাগুলো ৯৯% মারা যায়।

গর্ভধারণের পর খুব কম মানুষই জানতে চায় বাচ্চার ওজন কত। কিন্তু এটা জানা খুব জরুরি। যদি ৭ মাসে বাচ্চার ওজন ১ কেজি বা তার বেশি হয় তবে বুঝতে হবে বাচ্চা ভাল মতো বেড়ে উঠছে। কারণ শেষের ৩ মাসে বাচ্চার বৃদ্ধি বেশি হয়।

প্রথম ৬-৭ মাসে বাচ্চার বৃদ্ধি হার কম থাকে। ৭ মাসে বাচ্চার ওজন ৮০০-৯০০ গ্রাম হলেও চিন্তার কিছু নেই, এ ক্ষেত্রে মায়ের খাবারের দিকে আরো ভাল করে নজর দিতে হবে। তবে বাচ্চার ওজন এর কম হলে অবশ্যয় ডক্তারের পরামর্শ মেনে ভিটামিন জাতীয় ঔষুধ সেবন করতে হবে।

দেখে নিন কোন খাবারগুলো খেলে বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি পাবে-

১।ছোলা: ছোলা খেলে ওজন বৃদ্ধি পায় এটা সবাই জানে। এটা হাই প্রোটিন যুক্ত যুক্ত খাবার যা গর্ভের সন্তানের ওজন বৃদ্ধি করে। ছোলার ঘুগনি বানিয়ে খাওয়া যায় এতে সন্তান পুষ্টি পাবে। তবে পানিতে ভেজানো কাঁচা ছোলা একদম খাওয়া উচিত নয়।

২।মসুর ডাল: মসুর ডালে আছে হাই প্রোটিন ও শর্করা। এটি গর্ভের সন্তানের জন্য ভিষণ উপকারী। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ২ কাপ মসুর ডাল রাখুন।

৩।নুডুলস: মোটা ব্যক্তির জন্য এটা যেমন ক্ষতিকর তেমনি গর্ভবতী নারীর জন্য এটা আদর্শ খাবার। সপ্তাহে ৩-৪ দিন সকাল বা বিকেলের নাস্তায় নুডলস খান, আপনার গর্ভের সন্তানের ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

৪।বাচ্চা মুরগি: অনেকের ধারণা দুধ বা ডিম বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি করবে। কিন্তু এটা ঠিক কথা না। দুধ ডিম খেতে বলা হয় শুধু মাকে সুস্থ রাখার জন্য, এটি বাচ্চার ওজন বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত নয়। দুধ, ডিমের পাশাপাশি মাকে খাওয়াতে হবে বাচ্চা মুরগি বা কবুতরের মাংস। এটি বাচ্চার ওজন বৃৃদ্ধি করবে ও সন্তান জন্মদানের পর মাকে সুস্থ রাখবে।

৫।মাছ: বড় মাছ নয়, ছোট সামুদ্রিক বা নদীর মাছ বাচ্চার ওজন বৃদ্ধিতে ভিষণ কার্যকরি। যেমন: বাসপাতা, পাবদা, চিংড়ি, মায়া, মলা ইত্যাদি। তবে চিংড়ি মাছটা গর্ভবতী অবস্থায় বেশি উপকারী।

৬।আম: পাকা আম খুব দ্রুত বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি করে। যদি আমের মৌসুমে আপনি গর্ভবতী হয়ে থাকেন তবে এটি হবে আপনার ও আপনার বাচ্চার জন্য সব থেকে উৎকৃষ্ট খাবার।

৭।ঢেড়শ: সবুজ সবজির মধ্যে বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি করতে বেশি সাহায্য করে ঢেড়শ। তাই খাবার তালিকায় ঢেড়শ রাখতে ভুলবেন না। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ আয়রণ।

৮।চিড়া: চিড়া যেমন শরীরের জন্য উপকারী তেমন বাচ্চার ওজন বৃ্দ্ধি করে। গর্ভবতী অবস্থায় অনেকের খুব বমি হয়, খেতে পারে না। তারা চিড়া ভিজিয়ে খেতে পারে। চিড়া বমি ভাব দূর করে। খাবারের রুচি বাড়ায় ও বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি করে।

☑ চিকিৎসকের পরামর্শ বা সাক্ষাতের জন্য যোগাযোগ করুন : 01717 20 26 77

19/09/2016

#কিছু_কাজে_নিজের_বয়স_কমবে_দশ_বছর!

বয়স কমাতে কে না চায়। অনেকেই আছেন বয়স বেশি না হলেও দেখতে বেশি বয়সের মনে হয়। এ সমস্যার সমাধান আপনি নিজেই করতে পারবেন।

কোনো বিশেষ চিকিৎসা কিংবা ক্রিম মাখানোর গল্প? একদমই নয়, বরং কিছু নিয়ম আছে যা মেনে চললে আপনার কমে যাবে দশ বছর। দেখে নিন কী কী করতে হবে:

ভাল এবং পর্যাপ্ত ঘুম
ইয়ং লুক পাওয়ার জন্য সবার আগে দরকার পর্যান্ত ঘুম। শরীর মন দুইই ভালো থাকে এতে। ঘুমাতে যাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে নিজের ফোন সুইচ অফ করে দিন। সুন্দর ঘুমের জন্য যেটা ভীষণ জরুরী। ৭-৮ ঘণ্টা টানা ঘুম দিন। ঘুমানোর আগে বই পরার অভ্যাস ভালো। এই নিয়ম না মানলে ডার্ক সার্কল তো হবেই উপরি হিসাবে বয়সের তুলনায় বেশি বয়স্ক লাগবে।

রাত জাগা কমান
খুব বেশি রাত জাগা ঠিক নয়। বিশেষ কারো জন্মদিন, নিউ ইয়ার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে কোনো বিশেষ পার্টি ছাড়া রাত জাগা নয়। চিকিৎসকরা বছরে চারদিনের বেশি রাত জাগতে নিষেধ করেন।

সামাজিক হোন
সামাজিক সম্পর্কগুলো যত মজবুত থাকবে মনে ততটাই শান্তি আসবে। আর মনে যদি শান্তি থাকে তাহলে বয়সের তুলনায় আপনাকে তরুণ দেখাতে বাধ্য। তাই আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী এবং বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন।

ব্রেকফাস্টে মিষ্টি
প্রাতঃরাশ না করা খুবই খারাপ অভ্যাস। আজই এই বদভ্যাস ছাড়ুন। সকালের ব্রেকফাস্টে নিজের পছন্দের কেক কিংবা পায়েস খেলে বয়সের তুলনায় অনেক কম দেখাবে। মনও থাকবে ইয়ং। তাই ছোটবেলার চকলেট, লাইমজুসকে ইয়েস বলুন। উল্লাস!

বেরি জাতীয় ফল
বেরিতে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা আপনার ত্বকের বয়স কম রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া এই ফল খেলে প্রদাহ কমে। লো ক্যালোরি ও লো সুগার এই ফলটি আপনার মস্তিষ্ককেও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।

হেয়ারস্টাইল
নতুন নতুন হেয়ারস্টাইলে নিত্য নতুন লুক পাওয়া যায়। আর দেখতেও ভালো লাগে। আর নতুন করে তো বলে দিতে হবে না যে দেখতে ভালো লাগলে মনও থাকবে ভালো স্বাভাবিকভাবেই এক নিমেষে বয়স কমবে ১০ বছর!

গান শুনুন
গান শুনুন। মানুষের মনকে সুন্দর রাখতে গান অপরিহার্য। পছন্দ রক চিক গার্ল হোক বা রবীন্দ্রসঙ্গীত, ভালো গান শুনলে মনও ভালো থাকে। আর পছন্দের ট্র্যাক যখন কানে যায় তখন আপনি চোখ বুজলেই যৌবন কিংবা কৈশোরে ফিরে যেতে বাধ্য।

ব্যায়াম করুন
সাইক্লিং কিংবা বাইক রাইড করুন। কোনোকিছু সম্ভব না হলে স্কিপিং করুন। নিজেকে অনেক ইয়ং লাগবে। নিজের বাচ্চার বয়সে চলে গিয়ে তার সঙ্গে খেলাধুলা করতে পারেন। বয়স্ক ভাবলেই বয়স্ক না ভাবলে নয়। সব কিন্ত্ত মনের ব্যাপার।

☑ চিকিৎসকের পরামর্শ বা সাক্ষাতের জন্য যোগাযোগ করুন : 01717 20 26 77

19/09/2016

#কোলেস্টেরল_কমাবেন_কীভাবে?

চিকিৎসকেরা প্রায়ই বলেন, ‘আপনার রক্তে কোলেস্টেরল বেশি। সাবধানে খাওয়াদাওয়া করবেন।’
এই কোলেস্টেরল নিয়ে আছে নানা প্রশ্ন। এটা কি আমাদের কোনো কাজেই আসে না? সব কোলেস্টেরলই কি খারাপ? আর এটা বেশি হলে জীবনযাত্রাই-বা কেমন হওয়া উচিত?
চর্বি আমাদের দেহে মূলত কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড—এই দুই রূপে থাকে। ট্রাইগ্লিসারাইড শক্তি উৎপাদন করে। কোলেস্টেরল হরমোন তৈরি, কোষের দেয়াল প্রস্তুতি, স্নায়ুর কার্যক্রমসহ নানা রকমের শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই চর্বিমাত্রই খারাপ নয়, এর কাজ আছে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত চর্বি খারাপ। খারাপ চর্বি হলো প্রধানত এলডিএল, যা রক্তনালিতে জমা হয়ে হৃদ্রোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি করে। আবার এইচডিএল হলো ভালো চর্বি, যা বেশি থাকা হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো।
রক্তে কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল ও এইচডিএলের মাত্রা নির্ধারিত পরিমাপের বেশি হয়ে গেলে তা নানা শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই রোগীকে শরীরের চর্বি কমাতে উপদেশ দেওয়া হয়। রক্তে চর্বি বেড়ে গেলে জীবনযাত্রায় আনতে হবে কিছু পরিবর্তন। কেবল তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া কমালেই হবে না। আমিষ বা প্রোটিন, শর্করা ও চর্বি—সব উপাদানই শেষ পর্যন্ত রূপান্তরিত হয়ে শরীরে চর্বি হিসেবে জমা হতে পারে। তাই মোট ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমাতে হবে, বিশেষ করে অতিরিক্ত শর্করা বা চিনি।
চর্বিযুক্ত খাবার বাদ দিন। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় যে চর্বি সলিড বা কঠিন অবস্থায় থাকে, যেমন: গরু-খাসির মাংসের সঙ্গে লেগে থাকা চর্বি, ঘি, মাখন, ডালডা, মার্জারিন, ক্রিম ইত্যাদি খারাপ চর্বি। খাবার রান্নায় তেল কম ব্যবহার করুন। বারবার একই তেলে ভাজাভুজি করা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। অতি তাপমাত্রায় এই তেল পরিবর্তিত হয়ে ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাটে পরিণত হয়। তাই অনেক ফাস্ট ফুড, বেকারির খাবারও ক্ষতিকর।
ভোজ্যতেলের মধ্যে ক্যানোলা তেল সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। এ ছাড়া ভালো সানফ্লাওয়ার, অলিভ অয়েল ও তারপর সয়াবিন। শরীরের ওজন কমান। কায়িক শ্রম করুন, যেন ক্যালরি পোড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ধূমপান নিষেধ। হৃদ্রোগের ঝুঁকি আছে মনে করলে চিকিৎসক আপনাকে কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ দিতে পারেন। সেটা নির্দেশনা অনুযায়ী সেবন করতে হবে।

☑ চিকিৎসকের পরামর্শ বা সাক্ষাতের জন্য যোগাযোগ করুন : 01717 20 26 77

18/09/2016

াতের_কম_ঘুমে_কী_ঘটে_শরীরে?

একটা রাত কম ঘুমালেও সেটা শরীরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। শুধু তাই নয়, এক রাতের বাজে ঘুম আর টানা ছয় মাসের উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়াকে শেষমেশ এক সারিতে খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা! এ দুটো কাজই নাকি মানব শরীরকে একইভাবে প্রভাবিত করে থাকে।

সম্প্রতি এক গবেষনায় লস অ্যাঞ্জেলসের সিডারস সিনাই মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত জোসেইন ব্রাউসার্ড। কিছুদিন আগেই নিজের চালানো এই গবেষনায় খুঁজে পান জোসেইন এই একেবারে অন্যরকম আর চমকে দেওয়া তথ্যটি। তবে এর সাথে শরীরের ইনসুলিনের মাত্রার একটা সম্পর্ক দেখানোর এবং তার ভিত্তিতেই নিজের পাওয়া তথ্যকে জুড়ে দেয়েছেন তিনি।

ইনসুলিন হচ্ছে মানুষের শরীরে থাকা এক ধরনের হরমোন যেটি কিনা দেহের সুগারের পরিমাণকে নির্দেশ করে। এটিই আমাদের শরীরের সুগারকে খুব বেশি বা খুব কম হওয়া থেকে বিরত রাখে। জোসেইনের মতে, মানুষের শরীরে টানা ছয় মাস ধরে উচ্চ চর্বিজাতীয় খাবার গ্রহণের যে ফলাফল দেখা যায়, অর্থাৎ ইনসুলিনের মাত্রা যে পরিমাণে চলে যায় সেটাই দেখতে পাওয়া যায় যদি কিনা মাত্র একরাম তার কম ঘুম হয়।

এক্ষেত্রে শরীরের রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ কমে যায়। শরীরের ইনসুলিন উৎপন্ন করার স্বাভাবিক ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে রক্তে সুগার বাড়লে যেখানে সাথে সাথে শরীর ইনসুলিন উত্পন্ন করে সেটাকে ঠিকঠাক পর্যায়ে নিয়ে চলে আসে, এ সময় সেটা করতে সে ব্যর্থ হয়। জন্ম নেয় ডায়াবেটিস ও ওজনজনিত সমস্যার।

একদিকে জোসেইন দেখিয়েছেন যে, কম ঘুমের দ্বারা রক্তে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি কমে যায় ৩১ শতাংশ। অন্যদিকে ছয়মাস উচ্চ ফ্যাট জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে সেটি কমে যায় ২১ শতাংশ। যদিও পরীক্ষাটির ক্ষেত্রে গিনিপিগ হিসেবে কুকুরকে ব্যবহার করা হয়েছে, তবে এটি মানুষের ক্ষেত্রেও ঠিক এতটাই যৌক্তিক বলে দাবী করেন গবেষক।

অনেক সময় অতিরিক্ত ওজনের পাল্লায়ও পড়তে হয় এক্ষেত্রে মানুষকে। পরবর্তীতে অবশ্য সেটা চলে যায় ডায়াবেটিসে।

তাই এক রাতের কম ঘুম কিবা ছয়মাসের উচ্চ চর্বিসহ খাবারের ফলে মানুষের দেহের ইনসুলিন সেনসেটিভিটি ক্ষমতা, রক্তে সুগারের পরিমাণ বৃদ্ধি, ওজন বৃদ্ধি ও সর্বশেষে ডায়াবেটিস- এই সবগুলোকে একটি চক্রে নিয়ে আসেন এই বিজ্ঞানী।

তবে শুধু তিনিই নন, ডায়াবেটিস কেয়ারের একটি প্রকাশিত আর্টকেলে কম ঘুম এবং ডায়াবেটিসের সাথে খুব স্বাভাবিক আর যৌক্তিক সম্পর্ক রয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই আজ থেকে প্রস্তুতি নিন আর চেষ্টা করুন প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমোবার।

18/09/2016

#সুস্থ_জীবনের_জন্য_চাই_স্বাস্থ্যকর_খাবার:

আমরা সবাই চাই সুস্থ-স্বাভাবিক সুন্দর জীবন। কারণ শরীর সুস্থ না থাকলে কোনো কিছুই ভালো লাগে না। যদিও আমাদের সে চাওয়া সব সময় পূর্ণ হয় না। অর্থাৎ আমরা প্রায় অনেক সময়ই অসুস্থ হয়ে পড়ি।

তবে আমরা প্রতিদিনের জীবনযাত্রার পাশাপাশি খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে সচেতন হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুস্থ থাকতে পারি। রক্ষা পেতে পাড়ি অধিকাংশ শারীরিক সমস্যা ও রোগব্যাধি থেকে। এ জন্য প্রয়োজন খাবারের গুণাগুণ জানা ও লোভকে একটু সামলানো। সেই সাথে শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম বা হাঁটার অভ্যাস।

যদিও বর্তমানে কর্মব্যস্ততা আর নানা সীমাবদ্ধতা চলে এসেছে আমাদের জীবনযাপনে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই অভ্যাসগুলো মেনে চলতে পারি না অনেকে। আবার সঠিক ধারণা না থাকায় কখনো কখনো আমরা নিজেদের শরীরে রোগব্যাধির বাসা তৈরি করতে নিজেরাই সাহায্য করি। কিন্তু বয়স বা লিঙ্গ ভেদে সবারই উচিত স্বাস্থ্য ও সুন্দর জীবনের চর্চা করা। আসুন জেনে নেই এক্ষেত্রে কিছু করণীয়-

প্রচুর পানি পান করুন
সকালে ঘুম থেকে জেগেই খালি পেটে পানি পান করুন। যত বেশি সম্ভব বিশুদ্ধ পানি পান করুন। এতে সুস্থ মানুষের শরীরের উপকার ছাড়া কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই। একজন পুর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের জন্য দৈনিক অন্তত ৫ লিটার পানি পান করা উচিত।

সকালে অবশ্যই নাস্তা করুন
রোজ সকালে অবশ্যই নাস্তা করতে হবে। নাস্তা একটি সুস্থ ও সমস্যামুক্ত পেট বজায় রাখতে অাবশ্যক। সকালের নাস্তায় ২/৩ রুটি অথবা পরোটা বা সাদা ভাত খেতে পারেন। সাথে একটি ডিম/মুরগির গোস্ত, ভর্তা/ভাজি। পরে মৌসুমী ফল খেতে পারেন। তবে সব কিছুই যেমন পরিমাণ মতো হবে হবে, পাশাপাশি ভেজালমুক্ত করে নেয়া অবশ্যই জরুরি।

এক কথায় নাস্তা হতে হবে অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত। এক্ষেত্রে বয়স ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে পরিমিত স্বাস্থ্যকর নাস্তা গ্রহণের বিকল্প নেই। নাস্তা গ্রহণের আগে পানি পান করুন। খাবার শেষ করে কখনই সাথে সাথে পানি পান করা ঠিক নয়। কমপক্ষে ১০ মিনিট পর পানি পান করা উচিত। আর একটি বিষয় মনে রাখতে হবে। তা হচ্ছে, কর্মব্যস্তদের জন্য লাঞ্চের তুলনায় ব্রেকফাস্ট ভারি হওয়াই শ্রেয়।

লাঞ্চের আগে কিছু খাওয়া উচিত। অর্থাৎ প্রতি দু’ঘণ্টা পর কিছু না কিছু খেতে হবে। অন্তত বিশুদ্ধ খাবার পানি পান করুন। এটা আপনার শরীরের জন্য খুবই উপকারি।

লাঞ্চ করুন অল্প
কর্মব্যস্তদের জন্য লাঞ্চে কম খাওয়া ভালো। কারণ দুপুরে ভারি খাবার গ্রহণ করতে খাবারের শেষে কান্তি আপনাকে জেঁকে ধরতে পারেন। এতে ঘুম ঘুম ভাব চলে আসে এবং কাজের মানসিকতা ও আগ্রহ হ্রাস পায়। তবে লাঞ্চ অবশ্যই করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিদিনের সময় ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। অর্থাৎ প্রতিদিন একই সময় লাঞ্চ করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি এবং অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে।

লাঞ্চের আইটেম পরিবর্তন হওয়া ভালো। অর্থাৎ একদিন রুটি খেলে অন্যদিন সাদা ভাত। অন্যদিন ভুনা খিচুরি তো পরের দিন পোলাও বা বিরিয়ানি। একদিন গোস্ত খেলে অন্যদিন মাছ খাওয়া। এটা রুচির জন্য ও স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। তবে তৈলাক্ত খাবার কম খাওয়াই উচিত। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য এটা এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

বিকেলে হালকা নাস্তা করুন
বিকেল ৪-৫টার মধ্যে কিছু খেয়ে নিন। হোক সেটা টোস্ট বা বিস্কুট ও চা। অর্থাৎ কম করে খেতে হবে কিন্তু বার বার খেতে হবে। এটা সুস্থ থাকার জন্য জরুরি।

রাতে খাবার খান হালকা
রাত ৮টার মধ্যে রাতের খাবার গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের কাজ। তবে ৯টা অতিক্রম করা কোনোভাবেই ঠিক নয়। দুপুরের খাবারের মতোই রাতের ডিনার হতে পারে। তবে রাতে টক-ঝাল না খাওয়াই ভালো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে খাওয়াই যাবে না।

নিজের শরীরের অবস্থা ও বয়স অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক পরিবেশ অর্থাৎ শীতকাল বা গরমের মৌসুম বুঝে খাবার খেতে হবে। কারণ সব মৌসুমে সব খাবার শরীরের জন্য উপযোগী নয়। নিয়মিত খাবারের সাথে মৌসুমী ফল ও পরিমাণ মতো মিষ্টি গ্রহণ করা যেতে পারে।

সুস্থ শরীর ও সুন্দর মনের জন্য ভালো ঘুম প্রয়োজন। তাই রাতের খাবার গ্রহণের পর একটু হাঁটাহাঁটি করে শুয়ে যান। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণত ৮ ঘণ্টা ঘুম পর্যাপ্ত। একটি ভালো ও শান্তিপূর্ণ ঘুম সুস্থ জীবনের জন্য অপরিহার্য। ৬ ঘণ্টার কম ঘুম যাতে না হয়, সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

সর্বপরি বিষমুক্ত ফলমূল ও শাকসবজি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান। এতে শরীর ভালো থাকে। শরীরের অতিরিক্ত তেল চর্বি কমাবে এব স্মৃতি শক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

☑ চিকিৎসকের পরামর্শ বা সাক্ষাতের জন্য যোগাযোগ করুন : 01717 20 26 77

17/09/2016

#নিয়মিত_তুলসী_ও_মধুর_মিশ্রণ_খওয়ার_৭টি_উপকারিতা:

তুলসী ও মধুর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ। এটি রোগ প্রতিরোধ কমাতে কাজ করে। এ ছাড়া এর রয়েছে আরো অনেক গুণ। একটি কাপের মধ্যে চার থেকে পাঁচটি তুলসী পাতা নিন। ভালো করে একে পরিষ্কার করুন। কাপের মধ্যে এক টেবিল চামচ মধু দিন। মিশ্রণটি সকালে খালি পেটে খান। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে তুলসী-মধুর গুণের কথা।

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
তুলসী-মধুর মধ্যে রয়েছে পুষ্টি ও ভিটামিন। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

২. ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে
তুলসী-মধু ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা দেয়। এটি বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের আক্রমণ থেকে দেহকে সুরক্ষিত রাখে।

৩. কাশি কমাতে
তুলসী-মধু একটি চমৎকার ঘরোয়া উপাদান কাশি কমানোর জন্য। এটি শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমাতে কাজ করে।

৪. অ্যালার্জি কমায়
তুলসী ও মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান। এটি ত্বককে প্রশমিত করে এবং অ্যালার্জি কমায়।

৫. অকালবার্ধক্য কমায়
এই ঘরোয়া উপাদানের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি কোষের অকালবার্ধক্য কমায়।

৬. কিডনিতে পাথর
এই ঘরোয়া উপাদান কিডনির পাথর দূর করতে কাজ করে। কিডনির বিষাক্ত পদার্থ সরিয়ে দিয়ে কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে।

৭. হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখে
তুলসী ও মধু কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমায়। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এটি হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখতে কাজ করে।

17/09/2016

#চুলের_যত্নে_কী_খাবেন:

চুলের যত্নে মানুষ কত কিছুই না করে! এ জন্য পারলারে গিয়ে প্রচুর টাকা ঢালতেও অনেকের কার্পণ্য নেই। এ ক্ষেত্রে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে বেশ কাজে লাগে। চুল হয়ে ওঠে উজ্জ্বল, গোড়া হয় মজবুত। এতে চুল পড়া বন্ধ হয়। দেখতেও হয় সুন্দর।
পালংশাক
শাকসবজির মধ্যে পালংশাকে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, আয়রন, বিটা ক্যারোটিন, ফোলেট ও ভিটামিন সি। মাথার ওপরের ত্বক ও চুলকে সুস্থ রাখতে এগুলো কাজ করে। এগুলো চুলের ময়েশ্চার ঠিক রাখে বলে তা সহজে ভাঙে না।পেয়ারা
পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এটি চুল ভেঙে যাওয়া ঠেকায়। এক কাপ পেয়ারার রসে থাকে ৩৭৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। প্রতিদিন মানুষের শরীরে যে পরিমাণ ভিটামিন সি প্রয়োজন হয়, তার চেয়ে এটি চার গুণ বেশি।
গরুর মাংস
গরুর মাংসে লৌহ (আয়রন) থাকে বেশি। বিশেষ করে গরুর যকৃতের মাংসে এর পরিমাণ বেশি থাকে। চুল পড়া রোধে কাজ করে এটি। এ ছাড়া মসুরের ডাল ও সয়াবিনেও লৌহ পাওয়া যায়।

মুরগির মাংস
শরীরে আমিষের (প্রোটিন) পরিমাণ কম থাকলে চুলের বৃদ্ধি থেমে যায়। তখন ধীরে ধীরে চুল পড়ে যেতে থাকে। আমিষ পাওয়ার সহজ উৎস হলো মাংস। বিশেষ করে মুরগির মাংসে আমিষ থাকে বেশি। তাই পরিমাণমতো মুরগির মাংস খেলে তা চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে।

মিষ্টি আলু
চুল বেশি শুকনো থাকলেও সমস্যা দেখা দেয়। এতে চুলের উজ্জ্বলতা কমে যায়। এর প্রতিরোধে প্রয়োজন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন। মানুষের শরীর এই বিটা ক্যারোটিনকে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত করে। এটি মাথার খুলির ওপরের চামড়ায় সেবাম নামের একধরনের তরল পদার্থ নিঃসরণ করে, যা চুলের শুকিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে। মিষ্টি আলুতে বিটা ক্যারোটিন অনেক বেশি থাকে। গাজর, মিষ্টি কুমড়া ও আমেও থাকে বিটা ক্যারোটিন।

ডিম
চুলের বৃদ্ধিতে প্রয়োজন আমিষ ও লৌহ। ডিম খেলে এই দুইয়ের অভাবই পূরণ করা সম্ভব। ডিমে বেশি পরিমাণে বায়োটিন থাকে। বায়োটিন মূলত ভিটামিন বি। বায়োটিন চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এটি শরীরে প্রয়োজনীয় পরিমাণে না থাকলে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে।

দারুচিনি
চা বা কফি পান করছেন? একটুখানি দারুচিনির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। কিংবা কোনো খাবারেও দারুচিনির গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। শরীরের রক্তপ্রবাহে দারুণভাবে সহায়তা করে এটি। এতে চুলের গোড়া বা রোমকূপ প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি পায়।

17/09/2016

#শ্বাস_কষ্ট_থেকে_বাঁচার_সহজ_উপায়:

অ্যালার্জি, বায়ুদূষণ, ধুলাবালি বা ফুসফুসে কোনো ইনফেকশনের কারণে অ্যাজমা অ্যাটাক হতে পারে। এর ফলে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট, বুক ভার এবং কাশির সমস্যা। অ্যাজমায় আক্রান্ত ব্যক্তির অ্যাটাক তখনই হয় যখন কোনো কারণে ফুসফুসে বাতাস ঠিকভাবে সরবরাহ না হলে।

অ্যাজমার অনেক মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট থাকলেও এমন কিছু ঘরোয়া প্রতিকার আছে যাতে এর প্রকোপ কমিয়ে আনতে পারবেন আপনি নিজেই।

১) আদা
অ্যাজমার বিভিন্ন ওষুধ যেভাবে শ্বাসযন্ত্রের পেশি শিথিল করে কষ্ট কমিয়ে দেয় তেমনি প্রভাব রাখতে পারে আদা। আদা ব্যবহার করে বেশ কয়েক ধরনের প্রতিকার তৈরি করা যেতে পারে।

- সমপরিমাণ আদার রস, ডালিমের রস এবং মধু মিশিয়ে নিন। দিনে দুই থেকে তিনবার এক টেবিল চামচ করে এই মিশ্রণ পান করুন।

- দেড় কাপ পানিতে এক চা চামচ আদা বাটা মিশিয়ে নিন। ঘুমাতে যাবার আগে এই মিশ্রণ এক টেবিল চামচ করে পান করুন।

- এক ইঞ্চি আদা কুচি করে এক হাঁড়ি ফুটন্ত পানিতে দিন। পাঁচ মিনিট রেখে এই মিশ্রণ ঠাণ্ডা করে পান করুন।

- এছাড়াও লবন দিয়ে কাঁচা আদা খেতে পারেন।

২) সর্ষের তেল
অ্যাজমা অ্যাটাক হলে সর্ষের তেল মালিশ করাটা বেশ উপকারি। এর জন্য অল্প একটু কর্পূর দিয়ে সর্ষের তেল গরম করে নিতে হবে, এরপর তাপমাত্রা কুসুম গরম হয়ে আসলে তা রোগীর বুক ও পিঠে মালিশ করতে হবে। দিনে কয়েকবার মালিশ করা হলে কষ্ট কমে আসবে।

৩) ডুমুর
শ্বাসকষ্ট কমানো এবং শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে ডুমুরের প্রভাব অতুলনীয়। এর জন্য সারা রাত তিনটি শুকনো ডুমুর এক বাটি পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে ওই পানি খালি পেটে পান করতে হবে এবং খেতে হবে ওই তিনটি ডুমুর। মাস দুয়েক এই অভ্যাস বজায় রাখলে অ্যাজমার প্রকোপ নিজ থেকেই কমে আসবে।

৪) রসুন
ফুসফুসে জমে থাকা কফ দূর করে এবং অ্যাজমার কষ্ট দ্রুত কমায় রসুন।

- ১০-১৫ টি রসুনের কোয়া ফুটিয়ে নিন আধা কাপ দুধে। দিনে একবার এই মিশ্রণ পান করুন।

- রসুন দিয়ে চা তৈরি করেও পান করতে পারেন। এর জন্য এক পাত্র ফুটন্ত পানিতে ফেলে দিন ২-৩ টি রসুনের কোয়া এবং ৫ মিনিট সেভাবেই রেখে দিন। তাপমাত্রা কমে এলে পান করুন।

৫) কফি
কফিতে থাকা ক্যাফেইন অ্যাজমার কষ্ট কমাতে সহায়ক। যত কড়া কফি পান করবেন তত দ্রুত সুফল পাওয়া যাবে। তবে দিনে তিন কাপের বেশি কফি পান করবেন না।

৬) ইউক্যালিপটাস তেল
এতে থাকে ইউক্যালিপটল নামের এক রাসায়নিক যা কফ কমাতে সাহায্য করে। একটি টাওয়েলে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল নিয়ে ঘুমানোর সময়ে তা আপনার শিয়রে রাখতে পারেন। ফলে আপনার নিঃশ্বাসের সাথে এটি শরীরে প্রবেশ করবে এবং ঘুমের সময়ে শ্বাসকষ্ট হবে না। এছাড়াও একটি পাত্রে ফুটন্ত পানি নিয়ে তাতে ২-৩ ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল নিয়ে নিঃশ্বাসের সাথে এই বাষ্প গ্রহণ করতে পারেন। এতে ফলাফল পাবেন দ্রুত।

Address

Shop: 1, Road: 1, East Shalbon
Rangpur
5400

Telephone

01717202677

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zannat Homeo Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category