ডাক্তারখানা - GP Center

ডাক্তারখানা - GP Center Official page to promote DaktarKhana-GP Center

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,সেই স্বপ্ন পূরণে জলেশ্বরীতলা শাখা, বগুড়া  তে ডাক্তারখানা।আলহামদুলিল্লাহ।অত্যন্ত আনন্দের স...
04/05/2026

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,
সেই স্বপ্ন পূরণে জলেশ্বরীতলা শাখা, বগুড়া তে ডাক্তারখানা।
আলহামদুলিল্লাহ।
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, ডাক্তারখানার ২০৮ তম শাখা হিসেবে আর.ডি টাওয়ার, শহীদ আব্দুল জব্বার সড়ক, জলেশ্বরিতলা, বগুড়া শাখার শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা সেন্টারের উদ্যোক্তা চিকিৎসক Peu Das এর জন্য। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
সবাই দোআ করবেন আমাদের জন্য, ডাক্তারখানার জন্য ও আমাদের স্নেহের চিকিৎসক বোনের জন্য।
সম্মানিত আগ্রহী চিকিৎসক গ্রুপ মেম্বারদের তাদের নিজ নিজ এলাকায় জিপি সেন্টার শুরু করে সম্মানের সাথে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হয়ে জিপি রেফারেল সিস্টেম প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার জন্য আন্তরিক আহবান জানাচ্ছি। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আমাদের কমেন্ট এ প্রদত্ত লিংক ভিজিট করুন।
যারা চেম্বার শুরু করার ব্যাপারে কনফিডেন্ট না, তারা আমাদের ৩ মাসব্যাপী 'সার্টিফিকেট কোর্স ইন জেনারেল প্রাকটিস (সিসিজিপি)' তে এনরোল করুন।

**সতর্কবার্তা: অপরিচিতের “সাহায্য” করতে গিয়েই সর্বনাশ—ঘুম, প্রতারণা, তারপর ডাকাতি!** 🚨আজ চেম্বারে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার গল্...
03/05/2026

**সতর্কবার্তা: অপরিচিতের “সাহায্য” করতে গিয়েই সর্বনাশ—ঘুম, প্রতারণা, তারপর ডাকাতি!** 🚨

আজ চেম্বারে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার গল্প শুনলাম, সবাইকে সচেতন করার জন্য শেয়ার করছি। পোস্টটি টাইপ করতে হেল্প করেছে চ্যাটজিপিটি।

একজন ভদ্রলোক, পেশায় বিকাশ দোকানের কর্মচারী। প্রায় ১৭ দিন আগে সন্ধ্যায় এক অচেনা পুরুষ ও মহিলা এসে একটি বাটন মোবাইল দিয়ে টাকা উত্তোলনে সাহায্য চান। সহজ-সরল মনে তিনি সাহায্য করতে যান। কিন্তু তারা বারবার ভুল তথ্য দেয়, পাসওয়ার্ড জানে না, আবার আসে—এভাবে দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলটি তার হাতে থাকে।

রাতে বাসায় ফিরে খাওয়া-দাওয়া করে ঘুমাতে যান…
এরপর কী হয় জানেন?

👉 তিনি আর স্বাভাবিকভাবে জাগতেই পারেন না!
👉 সারারাত, পরদিন সকাল, দুপুর—অস্বাভাবিক গভীর ঘুমে অচেতন!
👉 পরে হাসপাতালে নিতে হয়!

এর মধ্যেই ঘটে আরও ভয়ংকর ঘটনা—

❗ বাসায় সেই রাতে ডাকাতি
❗ ভাতিজাকে মারধর করে বেঁধে ফেলে
❗ মোটরসাইকেল, টিভি সহ সব লুট
❗ ডাকাতদের স্বীকারোক্তি—“আমরা আগের রাতেও এসেছিলাম!”

বর্তমানে রোগী এখনও অতিরিক্ত ঘুমে ভুগছেন, সারাদিন ঝিমাচ্ছেন—যদিও পরীক্ষায় বড় কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি।

⚠️ **এই ঘটনাটি আমাদের জন্য বড় একটি শিক্ষা:**

✔️ অপরিচিত কাউকে অন্ধভাবে সাহায্য করবেন না
✔️ বিশেষ করে মোবাইল, টাকা বা ব্যক্তিগত ডিভাইস হাতে নেওয়ার আগে সতর্ক থাকুন
✔️ অস্বাভাবিক কিছু মনে হলে সাথে সাথে দূরে থাকুন
✔️ পরিবার ও নিজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন

🛑 **প্রতারণা, অজ্ঞান করা, পরিকল্পিত ডাকাতি—সব এখন একই চক্রে ঘটছে।**

আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে যেকোনো সময় এ ধরনের ফাঁদে পড়তে পারি।

🙏 সবাই সাবধান থাকুন, সচেতন থাকুন, অন্যকেও সতর্ক করুন।

#সচেতনতা #প্রতারণা #নিরাপত্তা #সতর্কবার্তা

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,সেই স্বপ্ন পূরণে বেজুরা শাখা, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা তে ডাক্তারখানা।আলহামদুলিল্লাহ।অত্যন্...
03/05/2026

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,
সেই স্বপ্ন পূরণে বেজুরা শাখা, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা তে ডাক্তারখানা।
আলহামদুলিল্লাহ।
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, ডাক্তারখানার ২০৭ তম শাখা হিসেবে বেজুরা চৌমুহনী (গোপালনগর রোডের দক্ষিণ পাশে) ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা শাখার শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা সেন্টারের উদ্যোক্তা চিকিৎসক Razib Bhowmik এর জন্য। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
সবাই দোআ করবেন আমাদের জন্য, ডাক্তারখানার জন্য ও আমাদের স্নেহের চিকিৎসক ভাইয়ের জন্য।
সম্মানিত আগ্রহী চিকিৎসক গ্রুপ মেম্বারদের তাদের নিজ নিজ এলাকায় জিপি সেন্টার শুরু করে সম্মানের সাথে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হয়ে জিপি রেফারেল সিস্টেম প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার জন্য আন্তরিক আহবান জানাচ্ছি। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আমাদের কমেন্ট এ প্রদত্ত লিংক ভিজিট করুন।
যারা চেম্বার শুরু করার ব্যাপারে কনফিডেন্ট না, তারা আমাদের ৩ মাসব্যাপী 'সার্টিফিকেট কোর্স ইন জেনারেল প্রাকটিস (সিসিজিপি)' তে এনরোল করুন।

*“এতগুলো টেস্ট করলাম, তবুও রোগ ধরা পড়ল না!”* — রোগীদের কাছ থেকে আমরা প্রায়ই এই কথাটি শুনি।অনেকের মনে তখন প্রশ্ন আসে— ত...
27/04/2026

*“এতগুলো টেস্ট করলাম, তবুও রোগ ধরা পড়ল না!”* — রোগীদের কাছ থেকে আমরা প্রায়ই এই কথাটি শুনি।

অনেকের মনে তখন প্রশ্ন আসে— তাহলে এত পরীক্ষা করেও লাভ কী হলো?
আসলে এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে।

একটা সহজ উদাহরণ ভাবুন—
একটি পুকুরে অনেক মাছ আছে। আপনি জাল ফেললেন। জাল ফেললেই কি মাছ উঠবেই? না। কারণ যে জায়গায় জাল ফেলেছেন, সেখানে হয়তো তখন মাছ ছিল না। তাই একবার, দুইবার, এমনকি অনেকবার জাল ফেলেও মাছ নাও উঠতে পারে।

রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও অনেকটা এমনই হতে পারে। তবে এমনটি অল্প সংখ্যক রোগীর বা রোগের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।

কিছু কিছু রোগ এমন থাকে—
🔹 শুরুর দিকে খুব সূক্ষ্ম থাকে
🔹 সব পরীক্ষায় ধরা পড়ে না
🔹 রোগটি শরীরে থাকলেও পরীক্ষার সময় সেটি “ধরা” না-ও পড়তে পারে
🔹 কিছু পরীক্ষার সীমাবদ্ধতা (limitations) থাকে— কোনো টেস্টই শতভাগ নিখুঁত নয়

এজন্য অনেক সময় একাধিক পরীক্ষা করার পরও রোগ প্রথমে ধরা পড়ে না, পরে পুনরায় পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে।

গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো- পরীক্ষায় কিছু না ধরা পড়লে সবসময় ধরে নেওয়া যাবে না যে কোনো রোগ নেই— আবার এটাও নয় যে অবশ্যই গুরুতর রোগ আছে। ক্লিনিক্যাল লক্ষণ, সময়ের সাথে পরিবর্তন, এবং প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা—সব মিলিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

আপনি কি করবেন? উত্তরঃ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলো-আপ/পুনরায় পরীক্ষা করবেন।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মণ্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

ওজন কমানোর ইনজেকশন..ওজন কমানোর জন্য ইনজেকশন অনেকেই ব্যবহার করছেন। এমনকি বিভিন্ন বিউটি পার্লারেও এই ইনজেকশন সাজেস্ট করা হ...
21/04/2026

ওজন কমানোর ইনজেকশন..
ওজন কমানোর জন্য ইনজেকশন অনেকেই ব্যবহার করছেন। এমনকি বিভিন্ন বিউটি পার্লারেও এই ইনজেকশন সাজেস্ট করা হচ্ছে। এটা আত্নঘাতি হচ্ছে।

এই ওজন কমানোর ইনজেকশন একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনভাবেই নেয়া উচিত না। কারন এই ইনজেকশন নিতে পারবে কিনা সেটা আগে ঠিক করতে হবে।

আর এই ইনজেকশন নেয়ার পর কোন সমস্যা হলে সেগুলোর ম্যানেজমেন্ট শুধুমাত্র একজন চিকিৎসক দিতে পারবে।

এই ইনজেকশন নিলেই কি ওজন কমে যাবে??
উত্তর: না। এই ইনজেকশন নেয়ার সাথে খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন এবং শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে। তবেই ওজন কমবে।

তবে বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে অনেক কিছুর উন্নতি হয়েছে। এই ইনজেকশন তেমন একটি আবিষ্কার। তবে যারা খাদ্য ও ব্যায়াম মানার পরেও ওজন কমাতে পারছেন না, তারা একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে এই ইনজেকশন নিতে পারেন।

আমার মেয়ে কেন রান্নাঘরে যাবে?...আমার ছেলে কোনদিন প্লেট উল্টিয়ে ভাত খায় নাই......অনেক বাবা- মা গর্ব করে বলেন- আমার মেয়ে ক...
27/01/2026

আমার মেয়ে কেন রান্নাঘরে যাবে?...আমার ছেলে কোনদিন প্লেট উল্টিয়ে ভাত খায় নাই......

অনেক বাবা- মা গর্ব করে বলেন- আমার মেয়ে কোন দিন রান্না করে যায় নাই, কোনদিন এক কাপ চাও রান্না করে নাই। আবার কেউ বলেন আমার ছেলে কোনদিন প্লেট উল্টিয়ে খাবার খায় নাই। এই টাইপের ছেলেমেয়েগুলো সংসার জীবনে অনেক বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়েন। এরা না পারে নিজেদের জীবন চলানোর জন্য সব কিছুর ব্যবস্থা করতে, না পারে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে মানিয়ে চলতে। কারন একটাই ছোট বেলা থেকে এগুলো শেখানো হয় নাই। এদের অবস্থা হয় সাঁতার না শিখে পুকুরে লাফ দেয়ার মতো। জীবন ধারণের এই প্রয়জনীয় স্কীলগুলো হলো বেসিক লাইফ স্কীল।

প্রতিটি বিষয়ের একটি বেসিক থাকে ও একটা এক্সপার্ট বা pro ভার্সন থাকে। যেমনঃ লেখাপড়া শেখার জন্য প্রথমে বর্ণ এরপর শব্দ, এরপর বাক্য তৈরি করা শিখতে হয়। এই বেসিক জিনিসগুলো ছাড়া কখনো লেখাপড়া করা যায় না।

ঠিক তেমনি জীবনের কিছু বেসিক স্কীল আছে, যেমনঃ খাবারের ব্যবস্থা করা, রান্না করা, খাবার প্লেটগুলো নিজে ধুয়ে বা পরিষ্কার করা, নিজের রুম, নিজের কাপড় চোপড় গোছানো, পরিস্কার করা ইত্যাদি।

আপনি যেই হোন, যে পেশার মানুষ হোন আপনার এই স্কীলগুলো থাকতে হবে। এগুলো ছাড়া জীবন চলে না। বেসিক স্কীলগুলোর জন্য সব সময় অন্যের উপর নির্ভরশীল হওয়া যায় না।

সব বাবা-মায়ের উচিত ছেলেমেয়েদের বেসিক লাইফ স্কীলগুলো শেখানো। অন্যথায় সংসার জীবনে পদে পদে হোঁচট খেতে হবে, সংসার জীবনে ঝামেলা বাড়বে, অশান্তি বাড়বে....

এই বেসিক লাইফ স্কীল জিনিসটা আমি শুনি আমার একজন শ্রদ্ধেয় স্যারের কাছে। স্যার অত্যন্ত জ্ঞানী মানুষ, উনার কাছে গেলেই জীবন সম্পর্কে অনেক জ্ঞান লাভ করা যায়। সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, বেসিক লাইফ স্কীল সবাইকে অর্জন করতে হবে, তা না হলে জীবন চালানো কঠিন হয়ে যাবে।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।
#জীবনেরকথা #বেসিকলাইফ #স্কীল

টেস্ট কোথায় করবো....আমাদের দেশের রোগীরা টেস্ট করতে গিয়ে কয়েকটি সমস্যায় পড়ে। এক. টেস্টের দাম বেশি, দুই. টেস্ট করে বিশ্বাস...
20/01/2026

টেস্ট কোথায় করবো....

আমাদের দেশের রোগীরা টেস্ট করতে গিয়ে কয়েকটি সমস্যায় পড়ে। এক. টেস্টের দাম বেশি, দুই. টেস্ট করে বিশ্বাস পায় না রিপোর্ট এর কোয়ালিটি নিয়ে।

প্রথমটির কোন সমাধান নেই। ইন্সুরেন্স বেজড চিকিৎসা ব্যবস্থা না হলে এটার কোন সুরাহা হবে না। আর মানুষ যখন পকেটের টাকা খরচ করে টেস্ট করবে তখন মনের কষ্ট নিয়েই করবে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা করবে না। চিকিৎসকদের সমস্যা আরো বেশি। পরীক্ষা যতগুলো দরকার তার সবগুলো দিতে পারেন না, যার কারনে রোগ নির্ণয় অনেক সময় দেরী হয়।

দ্বিতীয়টি আরো জটিল, আপনি টেস্ট করলেও শান্তি পাবেন না যে রিপোর্ট সঠিক হয়েছে কিনা? কারন আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান হয়েছে কিন্তু মান বজায় রাখে কয়জন? আবার এই মান বজায় রেখেছে কিনা তা মনিটর যাদের করার কথা, তারাও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না।

যাহোক, ঢাকায় আমি একটা জায়গার কথা বলি যেখানে টেস্টের মান ভালো এবং খরচ অনেক অনেক কম। এই প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা আগারগাঁও এ, নাম-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার। এই প্রতিষ্ঠানে আমরা টেস্ট করেছিলাম অল্প মূল্যে খুব ভালো রিপোর্ট পেয়েছি। কয়েকদিন আগে আমি এক রোগীকে নিচের টেস্টগুলো করতে পাঠিয়েছিলাম- CBC, FBS, Creatinine, urine R/E, Fasting lipid profile, TSH, HBsAg, antiHCV, SGPT, vit-D.

এই টেস্টগুলো বাইরের কোন ল্যাবে করলে বিল আসতো ৮৩৫০ টাকা। অথচ এই টেষ্টগুলোর বিল এখানে আসছে ২৮০০ টাকা। সরকারী থেকে বেসরকারি এত পার্থক্য? এগুলোর সমতা আনা প্রয়োজন। এছাড়া ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার এর মতো আরো অনেক অনেক সেন্টার হওয়া প্রয়োজন। অন্তত প্রতিটি বিভাগে এরপর জেলায় জেলায় এমন সেন্টার গড়ে তোলা উচিত।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টারের পরিচালক মহোদয় এবং সকল স্টাফকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এত সুন্দরভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করার জন্য। যারা টেস্ট করতে চান ঢাকায় থাকলে এই সেন্টারে যান, যদি কোন পরীক্ষা বাংলাদেশে কোথাও না হয় তাহলে এই সেন্টারে একবার যোগাযোগ করে দেখতে পারেন।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

#ব্লাড #রক্তপরীক্ষা #সল্পমূল্যে #ল্যাবরেটরি #ঢাকা #ল্যাব #হাসপাতাল

কয়েকদিন আগে একজন রোগী দেখলাম, উনার ডায়াবেটিস আছে। উনি জানালেন ডায়াবেটিসের ঔষধ উনি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং গাছের লতাপাতা জাত...
17/01/2026

কয়েকদিন আগে একজন রোগী দেখলাম, উনার ডায়াবেটিস আছে। উনি জানালেন ডায়াবেটিসের ঔষধ উনি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং গাছের লতাপাতা জাতীয় খাচ্ছেন। ফলাফল হলো ডায়াবেটিস অনেক বেশি এবং কিডনির সমস্যা।

আমাদের দেশে ফেসবুকে এত এত চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার হয় তা গুনেও শেষ করা যাবে না। এসবের ফলাফল হিসেবেও চমকপ্রদ কিছু দেখানো হয়।

-রসুন আর আদা গরম করে মধু দিয়ে খাবেন। খেলে জাদু দেখবেন.....
-লেবু, গরম পানিতে দিয়ে খাবেন। আপনার রক্ত পরিষ্কার হবে.....
-হলুদের মধ্যে পিয়াঁজ দিয়ে সিদ্ধ করে খাবেন। আপনার হারানো সব কিছু ফিরে পাবেন....
-সজিনার পাতা রস করে খাবেন। খেলে ....
-নিম পাতা বেটে খাবেন...
-ইত্যাদি ইত্যাদি।

এগুলোর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। যারা এসব জিনিস ফেসবুকে শেয়ার করেন তারা কেউই লেখাপড়ায় এসব আবিষ্কারের যোগ্য নয় বা যেসব বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে কোন কিছুকে চিকিৎসার জন্য যোগ্য করা হয় তার কিছুই এগুলোতে নেই।

যে সব অসুখে এগুলো খাবার কথা বলা হয়, সেগুলোর বৈজ্ঞানিক সুন্দর চিকিৎসা আছে। প্রমানভিত্তিক বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা না নিয়ে, এসব করা অযৌক্তিক এবং ক্ষতিকর।

অনুগ্রহ করে এসব থেকে বিরত থাকুন। অন্যথায় বিপদ আসন্ন।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

ইদানীং কম বয়স্ক মানুষের মধ্যে হার্ট এটাকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হার্ট এমন একটি অঙ্গ যা মানুষের জন্মের আগে থেকেই কাজ করে এ...
14/01/2026

ইদানীং কম বয়স্ক মানুষের মধ্যে হার্ট এটাকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হার্ট এমন একটি অঙ্গ যা মানুষের জন্মের আগে থেকেই কাজ করে এবং হার্ট এর কাজ বন্ধ হবার মধ্য দিয়ে আমাদের জীবনের সমাপ্তি ঘটে।

যে অঙ্গটি ননস্টপ কাজ করে সেটির যত্ন নেয়া উচিত। দুর্ভাগ্য হলো আমরা রোগে আক্রান্ত হবার পূর্ব পর্যন্ত কোন প্রকার নিয়ম কানুন মানতে চাই না। হার্ট এট্যাক, স্ট্রোক, কিডনী নষ্ট হওয়া বর্তমান যুগের সবচেয়ে কমন রোগ। এই রোগগুলো আমরা চাইলে প্রতিরোধ করতে পারি। প্রতিরোধের উপায় সমূহ

১) ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। ওজন বাড়লেই হাইপ্রেসার, ডায়াবেটিস ও রক্তের কোলেস্টেরল বাড়ে। যার ফলে হার্ট এট্যাক, স্ট্রোক ও কিডনী বিকল হয়।

২) স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। এটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা যাই খাই সব কিছুতেই কীটনাশক, সব খাবারেই কেমিক্যাল। কোনটা বাদ দিবো, কোনটা খাবো বলা মুশকিল। তবে স্বাস্থ্য কর খাবার যেমনঃ ফ্রেশ শাকসবজি, ফল, মাছ, ডিম, দুধ, ও মুরগি খাওয়া যেতে পারে। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার যেমন গরুর মাংস, খাসির মাংস, চিংড়ি মাছ এগুলো কম খাওয়া উচিত। তেলে ভাজা খাবার, চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করা উচিত।

৩) ধূমপান কোন ভাবেই করা উচিত নয় এবং কাউকে করতে দেয়াও উচিত নয়। ধুমপান বর্তমানে মহামারী আকার ধারণ করেছে। কেউ যদি রাস্তা দিয়ে ৫-১০ মিনিট হাঁটেন তাহলে তার অটোমেটিক ধূমপানের কাজ হয়ে যায়।

৪) প্রতিদিন নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম বা হাঁটা উচিত। যত বেশি হাঁটাহাঁটি ততবেশি উপকার।

৫) কয়েকটি জিনিস নিয়মিত চেক করতে হবে- ওজন, বিপি, ব্লাড গ্লুকোজ, রক্তের কোলেস্টেরল। এই কয়েকটি ভালো থাকলে বা নিয়ন্ত্রণে থাকলে বুঝবেন আপনার হার্ট, কিডনি ও ব্রেন স্ট্রোক হবার সম্ভাবনা কম।
যত্ন ছাড়া কোন কিছুই হয় না। যত্ন নিন, যত্ন করলে তবে আপনার শরীর ভালো থাকবে।

৬) আর একটি বিষয় হলো স্ট্রেস বা টেনশন। বর্তমান যুগে এটি না থাকাটাই অস্বাভাবিক। তবে স্ট্রেস হার্ট এট্যাকের একটি অন্যতম ঝুঁকি।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

প্রসঙ্গ: বাড়িতে প্রেসার মাপা ভালো না খারাপ?উত্তর হলো বাড়িতে রোগী যদি নিজের প্রেসার পরিমাপ করে তাহলে সেটা ভালো। এতে করে র...
13/01/2026

প্রসঙ্গ: বাড়িতে প্রেসার মাপা ভালো না খারাপ?
উত্তর হলো বাড়িতে রোগী যদি নিজের প্রেসার পরিমাপ করে তাহলে সেটা ভালো। এতে করে রোগীর নিজের হাইপ্রেসারের চিকিৎসা সম্পর্কে দায়িত্ব বাড়ে, ঔষধ খাবার প্রয়োজনীয়তা বাড়ে এবং রোগী সব সময় চিকিৎসা নেন।

উপরের কথাগুলো উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসার বিভিন্ন গাইডলাইন এর কথা। এখন ধরুন আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে যদি আমরা রোগীদের বলি যে বাড়িতে প্রেসার মাপবেন, তাহলে কি কি হয় সেটা ব্যাখ্যা করছি।

১) রোগীরা প্রেসার মাপবে ফার্মেসীতে অথবা যারা ডাক্তার নন (পিসি, কোয়াক) এদের কাছে, অথবা বাড়ির কোন সদস্য। প্রথমত প্রেসার পরিমাপের যে যন্ত্র সেটা কেমন হবে, কতদিন পর পর এই যন্ত্রের Calibration করতে হয়, কখন প্রেসার পরিমাপ করতে হবে, কখন করা যাবে না, প্রেসার বেশি পেলে কি বিষয় চেক করতে হবে বা পরামর্শ দিতে হবে; প্রেসার কম পেলে কি পরামর্শ দিতে হবে তা উনাদের জানা নেই। সেকারণে প্রেসার বেশি পেলে তেঁতুল খাওয়া বা প্রেসারের ঔষধ দেয়া বা ডাবল ডোজ ঔষধ খাওয়া এবং প্রেসার কম পেলে খাবার স্যালাইন, ডিম খাওয়া বা আইভি স্যালাইন দেয়াই প্রধান পরামর্শ হয়। উপরের অধিকাংশই সঠিক নয়।

২) এবারে আসি বাড়িতে যারা প্রেসার মাপেন তাদের ক্ষেত্রেও উপরের সমস্যা গুলো পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও পরিবারের সদস্যরা সকাল- বিকেল প্রেসার মাপেন, এতে করে প্রেসারের যদি নরমাল ভ্যারিয়েশন হয় সেটা দেখে উনারা ভয় পান এবং এরপর হয় প্রেসারের ঔষধ দুইবার খান অথবা ঔষধ বন্ধ করে দেন। এগুলোর কোনটিই সঠিক নয়।

৩) উন্নত বিশ্বে অটোমেটেড (আমরা বলি ডিজিটাল) বিপি মেশিন ইউজ করার পরামর্শ দেয়া হয়। এগুলোর অনেক সুবিধা আছে। এসব দেখে আমাদের দেশের অনেকেই এই মেশিন কিনে প্রতিদিন প্রেসার পরিমাপ করে। বাস্তবতা হলো, আমাদের দেশে যে মেশিনগুলো পাওয়া যায় সেগুলোর অধিকাংশ ভালো ব্রান্ডের নয়। যেগুলো ভালো ব্রান্ডের সেগুলোর দাম অনেক এবং ভালো ব্রান্ডের মেশিনগুলোও মাঝে মাঝে চেক করতে হয়। যেগুলো ভালো মেশিন নয় সেগুলো সঠিক রেকর্ডিং দেয় না।

ব্লাড প্রেসার একটি ভ্যারিয়েবল সংখ্যা, একেক সময় একেক রকম হবে এটাই স্বাভাবিক। কোন সময় বেশি হবে, কোন সময় কম হবে তা একজন চিকিৎসকই বুঝতে পারবেন। অবস্থাভেদে প্রেসার বেশি থাকলেও কোন সমস্যা নেই আবার অবস্থাভেদে কম হলেও সমস্যা নেই। একজন মানুষ যিনি চিকিৎসক নন তিনি যদি দেখেন যে তার প্রেসার একেক সময় একেক রকম তাহলে উনার ভয় পাওয়া স্বাভাবিক।

তাই সঙ্গত কারনে আমি মনে করি একজন রোগীর বা নন মেডিকেল মানুষের প্রেসার বাসায় পরিমাপ করলে এসব বিষয়ে পড়াশোনা করে তারপর করা উচিত। অন্যথায় প্রেসার পরিমাপ করা ঝামেলা বাড়াবে।

দুটি ঘটনা দিয়ে শেষ করি- আমার চাচাতো বোন ফোন দিয়েছে যে উনার স্বামীর প্রেসার অনেক বেশী, আমি যে ঔষধ দিয়েছি তার ডোজ বাড়িয়ে দিয়েছে, আমি জিজ্ঞাসা করলাম কে প্রেসার মেপেছে, বললো- গ্রামের ডাক্তার। আমি বললাম- আজকের রাতটা যাক, কাল নিয়ে আয়। পরের দিন যখন আসলো, আমি দেখলাম উনার প্রেসার অনেক কম, উনাকে ভর্তি করে স্যালাইন দিয়ে তারপর প্রেসার নরমাল হয়।

দ্বিতীয় রোগী, প্রায়ই চেম্বারে আসেন বলেন প্রেসার কন্ট্রোল হয় না। কিভাবে বুঝলেন জিজ্ঞাসা করলেন- বাসায় নিয়মিত মাপি, চেম্বারে সব সময় বিপি নরমাল পাই। একদিন মেসেজ দিলেন প্রেসার অনেক বেশি, বললাম সাথে সাথে চেম্বারে আসতে, মেপে দেখলাম নরমাল।

যাহোক, আমার সাজেশন হলো, এতকিছুর পরেও যদি কেউ বাড়িতে প্রেসার মাপেন তাহলে প্রেসার বেশি পেলে, ঘাবড়াবেন না। রেস্ট নিবেন, প্রসাব করে কয়েক ঘন্টা পরে আবারও কয়েকবার মাপবেন। প্রেসার মাপানোর নিয়ম যদি সঠিক হয় এবং প্রত্যেকবারই যদি প্রেসার বেশি হয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। প্রেসার কমে গেলেও বার বার মাপবেন। তবে মনে রাখবেন প্রেসার বেড়ে যাওয়া একটি রোগ, কিন্তু কমে যাওয়া কোন রোগ নয়। এর জন্য ডিম, স্যালাইন খাবার প্রয়োজন নেই। তবে বমি, ডায়রিয়া বা রক্তক্ষরণের পর যদি প্রেসার কমে যায় তাহলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

12/01/2026

প্রতিটি সেন্টার একেকটি স্বপ্ন,
সেই স্বপ্ন পূরণে জয়পুরপাড়া শাখা, বগুড়া তে ডাক্তারখানা।
আলহামদুলিল্লাহ।
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, ডাক্তারখানার ২০৬ তম শাখা হিসেবে জি.এস টাওয়ার (২য় তলা), জয়পুরপাড়া, বগুড়া শাখার শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা সেন্টারের উদ্যোক্তা চিকিৎসক Dr-Abdullah Al Sany এর জন্য। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
সবাই দোআ করবেন আমাদের জন্য, ডাক্তারখানার জন্য ও আমাদের স্নেহের চিকিৎসক ভাইয়ের জন্য।
সম্মানিত আগ্রহী চিকিৎসক গ্রুপ মেম্বারদের তাদের নিজ নিজ এলাকায় জিপি সেন্টার শুরু করে সম্মানের সাথে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হয়ে জিপি রেফারেল সিস্টেম প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার জন্য আন্তরিক আহবান জানাচ্ছি। ডাক্তারখানার শাখা চালু করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন 01313-825454 (WhatsApp) অথবা কমেন্ট এ প্রদত্ত লিংক ভিজিট করুন।
যারা চেম্বার শুরু করার ব্যাপারে কনফিডেন্ট না, তারা আমাদের ৩ মাসব্যাপী 'সার্টিফিকেট কোর্স ইন জেনারেল প্রাকটিস (সিসিজিপি)' তে এনরোল করুন। যোগাযোগ 01313-825454 (WhatsApp)

Address

House No. 21, Road No. 10, Medical East Gate
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাক্তারখানা - GP Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাক্তারখানা - GP Center:

Share

Category