Rangpur Health Info

Rangpur Health Info All health related information are available here :)

কখন Psychologist বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া জরুরী❓ 👉 মেজাজ খিটখিটে হওয়া (Mood swings / Irritability): হরমোনের তারত...
29/09/2025

কখন Psychologist বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া জরুরী❓

👉 মেজাজ খিটখিটে হওয়া (Mood swings / Irritability): হরমোনের তারতম্যের কারণে হঠাৎ রাগ, বিরক্তি বা খিটখিটে মেজাজ হতে পারে। সাধারনত ঘুম থেকে উঠেই মেজাজ বেশী খিটখিটে লাগতে পারে, একই বিষয়ে বারবার কথা বলার প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

👉 বিভিন্ন বিষয়ে দুশ্চিন্তা (Anxiety / Worry): বয়স বেড়ে যাওয়ার উত্তেজনা, দায়িত্বের চাপ, শরীরের পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা—এসব কারণে মানসিক চাপ তৈরি হয়। যা আছে তাই নিয়ে সুখী হতে না পেরে কোন অজানা কিছুর প্রত্যাশায় নিজেকে আজীবন অসুখী মনে হওয়া।

👉 অন্যের দোষ খোজার প্রবণতা: সবসময় পরিবারের লোকজনের, আত্বীয়-স্বজনের, অথবা প্রতিবেশীদের দোষ-ত্রুটি খুজে বেড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া আর নিজের মধ্যে সেই দোষ থাকলেও নিজেকে সাধু দরবেশ ভাবা।

👉 ধর্মীয় অনুশাসন মানতে নারাজ হওয়া: নিজ নিজ ধর্মের বিভিন্ন নিয়ম কানুন মানতে, ধর্মীয় উপাসনা করতে ও ধর্মীয় আলোচনা শুনতে বিরক্ত হওয়া। ধর্ম-গুরু, মাওলানা ও ধর্ম প্রচারক কিংবা নিজেদের কেউ ধর্মীয় আলোচনা করলে তাকে থামিয়ে দিয়ে - তার থেকে নিজেকে ভালো বলার প্রবণতা ।

👉 ফাকা অনুভূতি (Emotional void): হতাশ হওয়া, কোনো কিছু পাওয়ার পরও না পাওয়ার মতো মনে হওয়া- এটাকে বলে “Emotional Void” বা “ফাঁকা অনুভূতি”। আমরা কোনো কিছু চাইতে থাকি, সেটা পেলে প্রথমে আনন্দ লাগে, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে আবার মনে হয় -এটা তো আমার প্রত্যাশা মতো আনন্দ দিল না।

👉 সন্দেহ প্রবণতা: হটাৎ করে যে কোন কাউকে সন্দেহ করে বসা - এমনকি কেউ সত্য কথা বললেও কোনভাবেই সেটাকে সত্য বলে মেনে না নেওয়া। প্রতিবেশীর দেওয়া তথ্য - আপনজনদের দেওয়া তথ্যের চেয়ে বেশী সঠিক মনে করা।

👉 মিথ্যা বলার প্রবণতা: অকারণে মিথ্যা বলা - যেমন শরীর সুস্থ থাকলেও কেউ জিজ্ঞেস করলে শরীর ভালো নেই বলা। সারাদিন পরিবারের সকলের সাথে মিথ্যা কথা বলতে থাকা - যেমন আত্বীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়ে বাজারে যাওয়ার কথা বলা ।

👉 নিঃসঙ্গ বা একাকীত্ব বোধ করা: সবার থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখা, দুজন লোক একত্রে কথা বলতে দেখলে তারা আমাকে নিয়ে কিছু বলছে ভেবে নেওয়া। আশেপাশের সবাইকে নিজের শত্রু মনে করে সবার থেকে নিজেকে নিঃসঙ্গ করে তোলা ।

👉 অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়া: সবসময় না হলেও কিছু মহিলার ক্ষেত্রে মন খারাপ, একাকিত্ব বা অকারণে কাঁদতে ইচ্ছে করে। তাই তারা নিজ বাড়িতে স্থিরভাবে থাকতে না পেরে এইবাড়ি ঐবাড়ি, কিংবা প্রতিবেশীদের বাড়ি কিংবা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে ।

❓ তাহলে এইগুলো হয় কেন?

সম্ভাব্য কারণসমূহ:
✅ স্ট্রেস (চাপ): কাজের চাপ, পারিবারিক টেনশন, আর্থিক দুশ্চিন্তা।

✅ ঘুমের অভ্যাস পরিবর্তন: দেরিতে ঘুমানো - দেরিতে ঘুম থেকে উঠা, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, খুব বেশী ঘুমানো, এবং দিনের বেলা ঘুমানোর কারণে মেজাজ খিটখিটে হয় এবং সারাদিন মাথা ঝিম ঝিম করে, দুর্বল অনুভব হয়।

✅ ডিপ্রেশন বা উদ্বেগজনিত সমস্যা: দীর্ঘ সময় ধরে মন খারাপ, দুশ্চিন্তা, অনীহা—এসব মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে।

✅ শরীরের সমস্যা: যেমন থাইরয়েড, রক্তে শর্করার তারতম্য, ভিটামিনের ঘাটতি, ও আয়রণের ঘাটতি।

✅ অপূরণীয় প্রত্যাশা (Unrealistic expectations): এমন কিছু প্রত্যাশা যা কিছু সময়ের জন্য পূরণ হলেও আবার শূন্যতা অনুভূত হওয়া ।

✅ জীবনযাত্রার অভ্যাস: ব্যায়ামের অভাব, অস্বাস্থ্যকর খাবার, অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা ধূমপান, বিভিন্ন ওষুধের বিক্রিয়া।

➡️ তবে যদি দুশ্চিন্তা বা খারাপ লাগা অনেক বেশি হয়, ঘুম না হয়, খাবারে অনীহা দেখা দেয়, বা সবসময় হতাশ লাগে কিংবা উপরের কোন একটি সমস্যা খুব বেশী দেখা দেয় — তাহলে ডাক্তারকে জানানো জরুরি।

09/04/2025

পুরুষ হরমোন- টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রাকৃতিকভাবে বাড়ানোর জন্য কিছু কার্যকর উপায় আছে। নিচে সেগুলো তুলে ধরা হলো:

✅ সঠিক খাবার খাওয়া
প্রোটিন (ডিম, মাছ, মাংস, ডাল) টেস্টোস্টেরন বাড়াতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্যকর চর্বি (অলিভ অয়েল, বাদাম, অ্যাভোকাডো, মাছের তেল) টেস্টোস্টেরনের জন্য উপকারী।

শাক-সবজি ও ফলমূল ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করে যা হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে।

✅ নিয়মিত ব্যায়াম করা
ওজন তোলা (Weight training) এবং হাই ইন্টেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং (HIIT) সবচেয়ে বেশি কার্যকর। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরের ফ্যাট কমায় ও হরমোন উৎপাদন বাড়ায়।

✅ ভালো ঘুম
রাতে ৭–৮ ঘণ্টা গাঢ় ঘুম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে হরমোনের মাত্রা কমে যেতে পারে।

✅ মানসিক চাপ কমানো
কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) বেশি হলে টেস্টোস্টেরন কমে যেতে পারে। মেডিটেশন, যোগব্যায়াম বা পছন্দের কাজ করা চাপ কমাতে সাহায্য করে।

✅ ভিটামিন D ও অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট
রোদে নিয়মিত থাকা (১০–৩০ মিনিট) বা ভিটামিন D সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উপকারী। Zinc ও Magnesium সাপ্লিমেন্টও সহায়ক হতে পারে।

✅ অ্যালকোহল ও ড্রাগ এড়ানো
অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা মাদক গ্রহণ টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমাতে পারে।

Address

Dhap Jail Road
Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rangpur Health Info posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share