Dr Hanif Tahsin

Dr Hanif Tahsin জীবন গিয়েছে চ’লে আমাদের কুড়ি-কুড়ি বছরের পার—
তখন আবার যদি দেখা হয় তোমার আমার! (ভ্রমণে)
(1)

18/04/2026

৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর শিশুদের মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক বা বাড়তি খাবার দেওয়া শুরু করা প্রয়োজন। এই সময়ে শিশুদের দ্রুত শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির জন্য আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার তালিকায় রাখা জরুরি।

৬ মাস থেকে ১ বছর বয়সি শিশুদের জন্য কিছু পুষ্টিকর খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

# # # ১. শস্যজাতীয় খাবারঃ-
* **খিচুড়ি:** এটি সবচেয়ে আদর্শ খাবার। চাল, ডাল (মুগ বা মসুর), সামান্য তেল এবং বিভিন্ন সবজি (পেঁপে, গাজর, মিষ্টি কুমড়া) দিয়ে নরম করে রান্না করা খিচুড়ি।

* **সুজি বা ওটস:** ঘরে তৈরি সুজি বা ওটস দুধ বা ফলের পিউরির সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো যায়।

# # # ২. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারঃ-
* **ডিমের কুসুম:** প্রথমে অল্প করে ডিমের কুসুম শুরু করুন। সহ্য হয়ে গেলে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ান (১ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে সাধারণত ডিমের সাদা অংশ না দেওয়াই ভালো)।

* **মাছ ও মাংস:** নরম কাঁটাবিহীন মাছের কিমা বা মুরগির মাংস খুব ভালোভাবে সেদ্ধ করে ম্যাশ করে খিচুড়ির সাথে মিশিয়ে দিন।

* **ডাল:** ডাল প্রোটিনের খুব ভালো উৎস, যা খিচুড়িতে যোগ করা সহজ।

# # # ৩. সবজি ও ফলঃ
* **সবজি সেদ্ধ:** গাজর, আলু, মিষ্টি কুমড়া, পেঁপে বা ব্রকলি সেদ্ধ করে চটকে (ম্যাশ করে) খাওয়ানো যায়।

* **ফলের পিউরি:** পাকা কলা, আপেল সেদ্ধ, নাশপাতি বা পাকা পেঁপে চটকে পিউরি তৈরি করে দিন। এতে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে।

# # # ৪. দুগ্ধজাত খাবারঃ-
* **দই:** টক দই বা মিষ্টি ছাড়া ঘরে পাতা দই হজমের জন্য ভালো এবং ক্যালসিয়ামের উৎস।

* **পনির:** নরম পনির ছোট ছোট টুকরো করে বা গ্রেট করে খাবারে মেশানো যায়।

# # # কিছু জরুরি টিপস:
* **চিনি ও লবণ পরিহার:** ১ বছর বয়স হওয়ার আগ পর্যন্ত শিশুর খাবারে আলাদা করে লবণ বা চিনি যোগ করবেন না। এটি তাদের কিডনি ও লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

* **মায়ের দুধ:** পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি অন্তত ২ বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে।

* **খাবারের ঘনত্ব:** শুরুতে খাবার খুব নরম বা সেমি-লিকুইড হতে হবে। শিশু অভ্যস্ত হয়ে গেলে ধীরে ধীরে দানাদার বা আধা-শক্ত খাবার দিন।

* **মধু ও গরুর দুধ:** ১ বছরের আগে শিশুকে মধু বা গরুর দুধ (সরাসরি পানের জন্য) দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

* **পরিচ্ছন্নতা:** খাবার তৈরির আগে এবং শিশুকে খাওয়ানোর আগে হাত ও বাসনপত্র ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।

বিঃদ্রঃ শিশুর পছন্দ ও হজম ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ধীরে ধীরে নতুন নতুন খাবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। একদিনে একটির বেশি নতুন খাবার শুরু না করাই ভালো, যাতে কোনো খাবারে অ্যালার্জি আছে কি না তা বোঝা যায়।

হাম (Measles) থেকে শিশুদের সুরক্ষা পেতে এবং আক্রান্ত অবস্থায় দ্রুত সেরে উঠতে পুষ্টিকর খাবারের ভূমিকা অপরিসীম। হামের ভাইর...
04/04/2026

হাম (Measles) থেকে শিশুদের সুরক্ষা পেতে এবং আক্রান্ত অবস্থায় দ্রুত সেরে উঠতে পুষ্টিকর খাবারের ভূমিকা অপরিসীম। হামের ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) বাড়ানোই হলো প্রধান লক্ষ্য।
বাচ্চাদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

১. ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার:-
হামের জটিলতা কমাতে ভিটামিন-এ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি চোখের সুরক্ষা দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

* শাকসবজি: গাজর, মিষ্টি কুমড়া, পালং শাক এবং লাল শাক।
* ফল: পাকা পেঁপে, আম ও কাঁঠাল।
* প্রাণিজ উৎস: কলিজা, ডিমের কুসুম এবং দুধ।

২. ভিটামিন-সি যুক্ত ফল:-
ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবং জ্বর পরবর্তী দুর্বলতা কাটাতে ভিটামিন-সি খুব কার্যকর।

* লেবু, কমলা, মাল্টা, পেয়ারা এবং আমলকী।
* এগুলো শরীরের ক্ষত শুকাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৩. পর্যাপ্ত তরল খাবার:-
হাম হলে শরীরে অনেক জ্বর থাকে, যার ফলে পানি শূন্যতা (Dehydration) হতে পারে।

* বুকের দুধ: বাচ্চা যদি ছোট হয় (৬ মাসের কম), তবে তাকে বারবার বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।
* অন্যান্য: ডাবের পানি, তাজা ফলের রস, পাতলা খিচুড়ি এবং স্যুপ।

৪. প্রোটিন জাতীয় খাবার:-
শরীরের কোষ পুনর্গঠন এবং শক্তি ফিরে পেতে প্রোটিন দরকার।

* মাছ, মুরগির মাংস, এবং ডাল।
* যদি বাচ্চা শক্ত খাবার খেতে না চায়, তবে চাল-ডাল ও সবজি দিয়ে নরম খিচুড়ি রান্না করে দেওয়া ভালো।

৫. জিংক সমৃদ্ধ খাবার:-
জিংক শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

* বাদাম, শিমের বিচি এবং দানা জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

কিছু জরুরি পরামর্শ:-
* সহজপাচ্য খাবার: হামের সময় বাচ্চার হজম শক্তি কমে যায়, তাই তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে নরম ও সহজপাচ্য খাবার দিন।
* পরিচ্ছন্নতা: বাচ্চার চারপাশ পরিষ্কার রাখুন এবং নিয়মিত কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিন।
* টিকাদান: হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সঠিক সময়ে MR টিকা দেওয়া।

সতর্কতা: যদি বাচ্চার প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হয়, চোখ লাল হয়ে যায় বা কান দিয়ে পুঁজ পড়ে, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
পরামর্শঃ ০১৮২৭৪৪২২৪৪

04/04/2026

৩ মাস বয়স থেকে বাচ্চাদের বাড়ন্ত শুরু হয়। কথা বলা শেখা শুরু হয়। তাই তার সাথে কথা বলুন।

হাম (Measles) আউটব্রেক: যা জানা জরুরি ও আমাদের করণীয়ডাঃ হানিফ তাহসীনবিইউএমএস (হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়), এমপিএইচ (খাদ্য ও ...
31/03/2026

হাম (Measles) আউটব্রেক: যা জানা জরুরি ও আমাদের করণীয়
ডাঃ হানিফ তাহসীন
বিইউএমএস (হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়), এমপিএইচ (খাদ্য ও পুষ্টি)- হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়

বর্তমানে হামের প্রকোপ রোধে সচেতনতা ও সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি। নিচে হামের লক্ষণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. হাম বা Measles কী?
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস জনিত রোগ, যা Measles Virus-এর মাধ্যমে ছড়ায়। এটি মূলত শিশুদের রোগ হলেও যেকোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে।
২. এটি কীভাবে ছড়ায়?/ How it spreads:-
বাতাসের মাধ্যমে: আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
পৃষ্ঠতলে স্থায়িত্ব: এই ভাইরাস বাতাস বা কোনো বস্তুর ওপর প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে।
সংক্রমণ ক্ষমতা: এটি এতোটাই ছোঁয়াচে যে, কোনো এলাকায় একজনের হাম হলে তার সংস্পর্শে আসা টিকা না নেওয়া ৯০% মানুষই আক্রান্ত হতে পারে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১০-১৮ জনকে সংক্রমিত করতে সক্ষম।
৩. প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গ (Main Signs & Symptoms):-
⚠️ ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ৭-১৪ দিন পর লক্ষণ দেখা দেয়:
• প্রাথমিক ধাপ: তীব্র জ্বর, অনবরত কাশি, সর্দি (নাক দিয়ে পানি পড়া) এবং চোখ লাল হয়ে পানি পড়া।
• কোপলিক স্পট: লালচে র‌্যাশ ওঠার আগেই গালের ভেতরের অংশে ছোট ছোট সাদাটে দাগ দেখা দিতে পারে।
• র‌্যাশ (Rash): সাধারণত মুখ ও ঘাড় থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

⚠️ সতর্কতা:/Warning:- ( শরীরে র‌্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকে এবং ৪ দিন পর পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যের মধ্যে রোগটি ছড়াতে পারে।

৪. জটিলতা ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ/ Complications and risk groups:-
⚠️ সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে হাম থেকে মারাত্মক জটিলতা হতে পারে:
 জটিলতা: নিউমোনিয়া (ফুসফুসের সংক্রমণ), কানের সংক্রমণ, মস্তিষ্কের প্রদাহ (Encephalitis) এবং দীর্ঘমেয়াদী অপুষ্টি।
 ঝুঁকিতে কারা: ৫ বছরের কম বয়সী শিশু, অপুষ্ট শিশু, গর্ভবতী নারী এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।
৫. আক্রান্ত হলে করণীয় (বাসায় যত্ন)/ What to do if infected (home care):-
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিক যত্নে হাম সেরে যায়। তবে কিছু নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক:
* আইসোলেশন: রোগীকে অন্য সবার থেকে আলাদা ঘরে রাখুন।
* জ্বর নিয়ন্ত্রণ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল সেবন।
* পুষ্টি ও তরল খাবার: পর্যাপ্ত পানি, খাবার স্যালাইন, স্যুপ, ডাবের পানি এবং সহজপাচ্য খাবার (যেমন: নরম খিচুড়ি, কলা, লেবু-ভাত) দিন।
* ভিটামিন-এ (Vitamin A): হামের সময় চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো অত্যন্ত জরুরি। এটি চোখের ক্ষতি ও মৃত্যুঝুঁকি কমায়।
⚠️ কখন হাসপাতালে যাবেন?/ When to go to the hospital?:-
• যদি শিশুর শ্বাসকষ্ট হয়,
• খিঁচুনি দেখা দেয়,
• কান দিয়ে পুঁজ পড়ে,
• শিশু একদম খেতে না পারে বা ৫ দিনের বেশি তীব্র জ্বর থাকে-তবে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিন।
৬. প্রতিরোধই সেরা উপায়: টিকা (Vaccination):-
হাম প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায় হলো টিকা।
 MR/MMR ভ্যাকসিন: বাংলাদেশে ইপিআই (EPI) কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ টিকা দেওয়া হয়।
 হার্ড ইমিউনিটি: অন্তত ৯৫% মানুষ টিকা নিলে সমাজ থেকে রোগটি নির্মূল করা সম্ভব।
 পরামর্শ: যারা আগে টিকা নেননি, তারা চিকিৎসকের পরামর্শে ৪ সপ্তাহের ব্যবধানে ২ ডোজ Catch-up Vaccination নিতে পারেন।
৭. স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা
সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি:
 নিজেদের ২ ডোজ টিকা নেওয়া নিশ্চিত করুন।
 রোগী দেখার সময় সবসময় উন্নতমানের মাস্ক ব্যবহার ও হাত জীবাণুমুক্ত (Hand Hygiene) রাখুন।
 ভাইরাসের সংস্পর্শে (Exposure) এলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টিকা নিন এবং ২১ দিন পর্যন্ত নিজের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করুন।
বিশেষ আহ্বান: স্কুল বা বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে ভর্তির সময় ভ্যাকসিনেশন কার্ডের কপি বাধ্যতামূলক করা হলে টিকাদানের হার শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সুস্থ প্রজন্ম গড়তে আসুন আমরা সবাই সচেতন হই।
জনস্বার্থে: ডাঃ হানিফ তাহসীন

হাম (Measles): কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকারহাম বা 'রুবোল্লা' (Rubeola) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি মূলত শ্বাসতন্...
30/03/2026

হাম (Measles): কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার
হাম বা 'রুবোল্লা' (Rubeola) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি মূলত শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং দ্রুত একজনের থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে পড়ে।
১. সংক্রমণের কারণ
* ভাইরাস: এটি 'প্যারামিক্সোভাইরাস' পরিবারের অন্তর্ভুক্ত রুবোল্লা ভাইরাস দ্বারা হয়।
* সংক্রমণ ক্ষমতা: এটি এতোটাই ছোঁয়াচে যে, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই সংক্রমিত হতে পারেন।
* ছড়ানোর মাধ্যম: আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে বাতাসে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।
২. প্রধান লক্ষণসমূহ
সাধারণত ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ৭ থেকে ১৪ দিন পর লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে:
* তীব্র জ্বর: শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে।
* শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা: প্রচণ্ড কাশি এবং নাক দিয়ে পানি পড়া।
* চোখের সমস্যা: চোখ লাল হওয়া, পানি পড়া ও জ্বালাপোড়া করা।
* ফুসকুড়ি: জ্বরের ৩-৪ দিন পর প্রথমে মুখে এবং পরে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে।
৩. সময়কাল ও সংক্রমণ ঝুঁকি
* স্থায়িত্ব: লক্ষণ প্রকাশের ৭-১৪ দিন পর ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
* ঝুঁকির সময়: শরীরে ফুসকুড়ি ওঠার ৪ দিন আগে থেকে শুরু করে ফুসকুড়ি ওঠার ৪-৫ দিন পর পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়াতে পারেন।
৪. সম্ভাব্য জটিলতা
সঠিক সময়ে যত্ন না নিলে হাম থেকে মারাত্মক কিছু সমস্যা হতে পারে, যেমন:
* নিউমোনিয়া (ফুসফুসের সংক্রমণ)।
* এন্সেফালাইটিস (মস্তিষ্কের প্রদাহ)।
* মারাত্মক ক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি।
৫. চিকিৎসা ও পরিচর্যা
হাম একটি ভাইরাল রোগ হওয়ায় এর নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। তবে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়:
* জ্বর ও ব্যথানাশক: চিকিৎসকের পরামর্শে জ্বর ও কাশির ওষুধ সেবন।
* পর্যাপ্ত বিশ্রাম: রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখা।
* তরল খাবার: প্রচুর পরিমাণে পানি ও পুষ্টিকর তরল খাবার নিশ্চিত করা।
* ভিটামিন-এ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল সেবন (যা জটিলতা কমাতে সাহায্য করে)।
৬. প্রতিরোধই সেরা সুরক্ষা
* MMR টিকা: হাম, মাম্পস এবং রুবেলা (MMR) প্রতিরোধে টিকা দেওয়া সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
* সতর্কতা: আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের (বিশেষ করে শিশুদের) থেকে আলাদা রাখা।
> বিশেষ দ্রষ্টব্য: শিশুর মধ্যে লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

👶💇 নবজাতকের চুল — কবে কাটবেন?কোন তাড়াহুড়ো নয়? 💖নতুন অতিথিকে ঘিরে আনন্দের শেষ নেই ✨অনেক পরিবারে জন্মের পরপরই চুল ফেলে দ...
18/02/2026

👶💇 নবজাতকের চুল — কবে কাটবেন?
কোন তাড়াহুড়ো নয়? 💖

নতুন অতিথিকে ঘিরে আনন্দের শেষ নেই ✨
অনেক পরিবারে জন্মের পরপরই চুল ফেলে দেওয়ার রীতি আছে। অনেকে ভাবেন —
এতে বেবি আরাম পায় বা চুল ভালো হয়।

কিন্তু বাস্তবতা কী? 🌸
🚫 জন্মের পর প্রথম ১ মাসে নবজাতকের মাথার চুল কাটানো সাধারণত নিরুৎসাহিত করা হয় — যদি না বিশেষ কোনো চিকিৎসাগত কারণ থাকে।

💚 কারণ:
✔️ নবজাতকের শরীরের তাপের বড় অংশ মাথা দিয়ে বের হয়
✔️ মাথার চুল তাপ ধরে রাখতে সহায়তা করে।
✔️ হঠাৎ চুল কেটে ফেললে ঠান্ডা লাগার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
✔️ জীবনের প্রথম কয়েক সপ্তাহে শিশুর শরীর বাইরের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে শেখে।
🌼 এই সময়ে অতিরিক্ত এক্সপোজার বা অপ্রয়োজনীয় পরিবর্তন এড়ানোই নিরাপদ।

✅ কি করবেন?
• মাথার ত্বক পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
• প্রয়োজনে নরম সুতি টুপি ব্যবহার করুন।
• চুল কাটানোর আগে শিশুর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করুন।
• চুল কাটালে অবশ্যই পরিষ্কার ও নিরাপদ উপায়ে করুন।

⚠️ যদি থাকে:
• স্ক্যাল্প ইনফেকশন
• সেবোরিক ডার্মাটাইটিস (Cradle cap)
• ত্বকের অন্য সমস্যা

তাহলে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
💖 মনে রাখবেন —
রীতি সম্মান জনক, কিন্তু শিশুর নিরাপত্তা সবার আগে 🌸
ভালোবাসার সাথে সঠিক তথ্যও সমান জরুরি।
💬 আপনার বেবির চুল কবে প্রথম কাটিয়েছিলেন?
রীতি না চিকিৎসকের পরামর্শ — কোনটা অনুসরণ করেছেন? 😊👇
ডাঃ হানিফ তাহসীন
💚

😪 Infantile Colic 😥ইনফ্যান্টাইল কলিক (Infantile Colic)৬ সপ্তাহ থেকে ৬ মাস বয়সী শিশুদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময়ে (সাধ...
16/02/2026

😪 Infantile Colic 😥

ইনফ্যান্টাইল কলিক (Infantile Colic)
৬ সপ্তাহ থেকে ৬ মাস বয়সী শিশুদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময়ে (সাধারণত সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যে) টানা ৩ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে, সপ্তাহে কমপক্ষে ৩ দিন এবং এভাবে টানা ৩ সপ্তাহের বেশি কান্নাকাটি করাকে ইনফ্যান্টাইল কলিক বলা হয়।

​🔎 কলিকের "৩-৩-৩" সূত্র:
​৩ ঘণ্টা: দিনে একটানা ৩ ঘণ্টার বেশি কান্না।
​৩ দিন: সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন এমন হওয়া।
​৩ সপ্তাহ: টানা ৩ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে এই সমস্যা চলা।
👉 টানা ৩ ঘণ্টা
👉 সপ্তাহে ৩ দিনের বেশি
👉 এবং টানা ৩ সপ্তাহের বেশি কান্না করলে
তাকে ইনফ্যান্টাইল কলিক বলা হয়।
🔎 লক্ষণসমূহ:
• মুখ লাল হয়ে যায়
• হাতের মুঠো শক্ত করে রাখে
• হাঁটু ভাঁজ করে রাখে
• নাক-চোখ দিয়ে পানি পড়ে
• দুধ খেতে চায় না
• থামাহীন কান্না

🩺 করণীয়:
✅ শান্ত পরিবেশ রাখুন
✅ দ্রুত সাড়া দিন
✅ পেটে হালকা ম্যাসাজ করুন
✅ সাইকেল ব্যায়াম করান
✅ দুধের পর ঢেঁকুর তুলান
✅ অলিভ অয়েল দিয়ে হালকা মালিশ করুন

👩‍🍼 মায়ের জন্য:-
• গ্যাস বা অ্যালার্জি হয় এমন খাবার এড়িয়ে চলুন
• মানসিক চাপ কমান

⚠️ অস্বাভাবিক কিছু মনে হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডা. হানিফ তাহসীন
01744977111

🍼 ইনফ্যান্টাইল কলিক
(অতিরিক্ত কান্না সমস্যা)
📌 ৬ সপ্তাহ–৬ মাস বয়সী শিশু
📌 প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা কান্না
📌 সপ্তাহে ৩ দিনের বেশি
📌 ৩ সপ্তাহের বেশি চললে
লক্ষণ:
✔ মুখ লাল
✔ হাঁটু ভাঁজ
✔ মুঠো শক্ত
✔ দুধ না খাওয়া

সমাধান:
✔ শান্ত পরিবেশ
✔ পেট ম্যাসাজ
✔ সাইকেল ব্যায়াম
✔ ঢেঁকুর তুলানো
✔ অলিভ অয়েল মালিশ
⚕ প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ
📞 যোগাযোগ করুন
ডা. হানিফ তাহসীন
০১৭৪৪৯৭৭১১১

14/02/2026

Suzarn/সূজার্ন
#বর্ণনা:
১. সূজার্ন প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া,
২. মূত্রনালির সংক্রমণ,
৩. মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণ,
৪. শ্বেতপ্রদর,
৫. গণোরিয়া
৬. মূত্রথলির দুর্বলতায় অত্যন্ত সুফলদায়ক প্রাকৃতিক ওষুধ।

#উপাদান: প্রতি ট্যাবলেটে আছে- Pinus longifolia (গন্ধবিরজা) ১৬৬.৬৭ মিগ্রা, Cicer arietinum (ছোলা) ১৬৬.৬৬ মিগ্রা এবং Pinctada margaritifera (ঝিনুক ভষ্ম) ১৬৬.৬৭ মিগ্রা।

#নির্দেশনা: গণোরিয়া, প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া, মূত্রনালির সংক্রমণ, শ্বেতপ্রদর।

#সেবনবিধি: ১ ট্যাবলেট দৈনিক ২ বার আহারের পূর্বে অথবা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।

#প্রতিনির্দেশ: কোন প্রতিনির্দেশ নেই।

#পার্শ্ব_প্রতিক্রিয়া: নির্ধারিত মাত্রায় সেবনে কোন উল্লেখযোগ্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি।
Dr Hanif Tahsin
BUMS (HUB), MPH in Nutrition (HUB)
Mobile: +880 1744977111

14/02/2026

ওভাসিস্ট (ডি-কায়রো-ইনোসিটল ৫০০ মিগ্রা
বর্ণনা:-
ওভাসিস্ট ক্যাপসুলে রয়েছে ডি-কায়রো-ইনোসিটল যা দক্ষিণ ইউরোপের সেরাটোনিয়া সিলিকুয়া নামক উদ্ভিদের ফলের খোসার নির্যাস থেকে প্রস্তুতকৃত। পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে (পিসিওএস) আক্রান্ত মহিলাদের জন্য এটি একটি আদর্শ হার্বাল ওষুধ। পিসিওএস সাধারণত হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের কারণে হয়ে থাকে। এছাড়া এটি সামগ্রিক ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা এবং ডিম্বস্ফোটনের উন্নতি ঘটায়। ওভাসিস্ট মূলতঃ রক্তে সঞ্চালিত ইনসুলিনের পরিমাণ হ্রাস করে এবং গ্লুকোজের প্রতি সংবেদনশীলতা উন্নত করে। ওভাসিস্ট ক্যাপসুলের মূল কার্যকারিতা হল স্বাভাবিক ঋতুস্রাব পুনরুদ্ধার করে, পিসিওএস-এর সাথে যুক্ত লক্ষণগুলো যেমন- অ্যালোপেসিয়া, হিরসুটিজম (মুখের চুল) ইত্যাদি হ্রাস করে। ওভাসিস্ট ক্যাপসুল গর্ভধারণে সহায়তা করে এবং বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি হ্রাস করে।

উপাদান:-
প্রতি ক্যাপসুলে আছে-
ডি-কায়রো-ইনোসিটল ৫০০ মিগ্রা স্ট্যান্ডার্ডাইজড নির্যাস।

নির্দেশনা:-
১. পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস),
২. ডিম্বনিঃসরণ না হওয়া বা অ্যানোভুলেশন,
৩. ওভারিয়ান হাইপারথেকোসিস,
৪. অনিয়মিত ঋতুস্রাব বা অ্যামেনোরিয়া,
৫. হাইপারঅ্যান্ড্রোজেনিজম জনিত বিভিন্ন সমস্যা যেমন- মুখে অস্বাভাবিক লোমের আধিক্য,
৬. মাথায় টাক পড়া,
৭. ত্বকের বিভিন্ন অংশে যেমন ঘাড়, কপাল ও অন্যান্য স্থানে বাদামী থেকে কালো দাগ হওয়া
৮. এবং ব্রণ।

সেবনবিধি
দৈনিক ১-২ টি ক্যাপসুল অথবা রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শমত সেব্য। সেবনের

সময়কাল: ন্যূনতম ২ মাস সেবন করতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:-
নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহারে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি।

প্রতি-নির্দেশ:-
ওভাসিস্ট এর উপাদান ডি-কায়রো-ইনোসিটল এর প্রতি যাদের অতিসংবেদনশীলতা আছে তাদের ক্ষেত্রে সেবনে প্রতিনির্দেশ রয়েছে।

সতর্কতা:-
শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

সংরক্ষণ:-
৩০° সেলসিয়াস-এর নিচে সংরক্ষণ করুন, আলো এবং আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষিত রাখুন।
পরিবেশনা
প্রতি বাক্সে আছে অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার প্যাকে ২ X ৬ ক্যাপসুল।
⛔ হোম ডেলিভারি পসিবল ☑️
🚛 ডেলিভারিতে চার্জ - দেশব্যাপী ১২০ টাকা
যোগাযোগ - ⤵️
What's App - +880 1744977111

Indications of Ovacyst 500 mg:-
Ovacyst 500 mg capsule is indicated for the treatment and prevention of- Polycystic o***y syndrome (PCOS) Anovulation Menstrual disorders such as amenorrhea Hyperandrogenism complaints such as hirsutism, Alopecia, acanthosis nigricans, acne Ovarian hyperthecosis.

Composition:-
1 capsule (500 mg) contains- Energy Value: 1.9 Cal Proteins: 0 mg Carbohydrates: ≥ 0.475 mg Sugars: ≥0.475 mg Total Fat: 0 mg Saturated Fat: 0 mg Trans Fat: 0 mg Fiber: 0 mg Mineral (Sodium): ≤ 0.01 mg

Dosage of Ovacyst 500 mg:-
Orally 1-2 capsules daily or as advised by the physician. Duration of the treatment should be minimum 2 months.

Interaction of Ovacyst 500 mg:-
Concurrent use with digoxin may result in increased digoxin toxicity.

Contraindications:-
Contraindicated in patient with known hypersensitivity to Ovacyst 500 mg.

Side Effects of Ovacyst 500 mg:-
Well tolerated in recommended dose.

Storage Conditions:-
Store at temperature of below 30˚C, protect from light & moisture. Keep out of reach of children.

Drug Classes:-
Trophic Hormones & Related Synthetic Drugs
Mode Of Action:-
Ovacyst 500 mg is extracted by a patented process from Carob (Ceratonia siliqua) pod that mostly found in Southern Europe. Deficiency of Ovacyst 500 mg in peripheral tissue causes insulin resistance that leads to hyperandrogenism in ovaries which results polycystic o***y syndrome (PCOS). Ovacyst 500 mg helps to regulate the balance between androgen and estrogen by decreasing luteinizing hormone and serum testosterone level. It improves glucose tolerance and reduces circulating insulin. It reduces oxidative stress on follicle and decreases total cholesterol and triglyceride levels. Ovacyst 500 mg has been clinically proven as an effective treatment of ovarian cyst and PCOS associated metabolic disorders. It helps to improve and regulate normal ovulation after two weeks of administration. It also reduces hyperandrogenism related skin disorders like hirsutism, alopecia, acanthosis nigricans and acne. It lowers cardiovascular risk in women who are suffering from PCOS by controlling arterial pressure.

Pregnancy:
Several human studies have been conducted with inositol has no clinically relevant adverse effects.

10/02/2026

Hamdard Jawarish Bisbasa/জওয়ারিশ বিসবাসা
-পেট ফাঁপা, গ্যাস, পাকস্থলীর দুর্বলতা

Indigestion/বর্ণনা:
জওয়ারিশ বিসবাসা-এর প্রধান উপকারিতা:
হজমকারক: এটি পাকস্থলীর কার্যকারিতা বাড়িয়ে হজম প্রক্রিয়া সহজ করে ।
পাকস্থলীর দুর্বলতা দূর: পাকস্থলীর দুর্বলতা ও অস্বস্তি দূর করে ।
পেট ফাঁপা ও গ্যাস: পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পেটের অস্বস্তি কমায় ।
অম্বল ও ক্ষুধাহীনতা: অম্লত্ব হ্রাস করে এবং ক্ষুধাবৃদ্ধি করে ।
অর্শ ও বমিভাব: অর্শ এবং বমিভাবের চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয় ।
মূল উপাদান:
জওয়ারিশ বিসবাসা একটি বহু-ভেষজ বা পলিহারবাল ইউনানি ফর্মুলেশন, যার প্রধান উপাদান হলো 'বিসবাসা' বা জয়ত্রীর উপরের আবরণ (Myristica fragrans) । এছাড়া এতে এলাচ, আদা (শুঁঠ), দারুচিনি, এবং গোলমরিচ ইত্যাদি উপাদান থাকতে পারে ।
সেবন বিধি:
সাধারণত, খাওয়ার পর ১-২ চা চামচ (৫-১০ গ্রাম) দিনে ১-২ বার অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবনযোগ্য। মেডেক্স ও অ্যারোগা এর তথ্য অনুযায়ী এটি সেবন করা উচিত ।
সতর্কতা:
যেকোনো ওষুধের মতো, এটি সেবনের আগে একজন ইউনানী বা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Address

Dhaka
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Hanif Tahsin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category