Dr.Md.Hasan Masud

Dr.Md.Hasan Masud হোমিওপ্যাথিক যে কোন রোগ বা সমস্যার চিকিৎসা দেওয়া হয়..

09/12/2025

খুব তাড়াতাড়ি বাংলা মেটিরিয়া মেডিকা বই উপহার দেবো। আজ লিখছি টিউবারকিউলিনাম

ভূমিকা

টিউবারকিউলোসিস রোগের মূলে যে একটি জীবানু তা প্রথম আবিষ্কার করেন রবার্ট কচ ১৮৮২ সালে। তা জানার পরে আমেরিকার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাঃ সোয়ান একটি গরুর লিম্ফ গ্লান্ড থেকে কিছু টিসু নিয়ে টিউবারকিউলিনাম ঔষধটি তৈরি করেন।

পরে ডাঃ কেন্ট একই ফর্মুলায় নিজের তত্ত্বাবধানে একজন পশু চিকিৎসককে দিয়ে টি বি আক্রান্ত একটি ষাঁড়ের লিম্ফ গ্লান্ড থেকে টিসু কালেকশন করে ফিলাডেলফিয়ার বোরিক এ্যান্ড ট্যাফেল কোম্পানিকে দিয়ে আলাদাভাবে টিউবারকিউলিনাম ঔষধ তৈরি করান, এবং স্কিনার মেশিনে ৩০,২০০, ১০০০, ইত্যাদি উচ্চশক্তি বানান। কেন্ট তার তত্ত্বাবধানে তৈরি হওয়া টিউবারকিউলিনামের নাম দিলেন টিউবারকিউলিনাম বোভাইনাম। কারণ, বোভাইনাম ইংরাজি শব্দের অর্থ ষাঁড় জাতীয় গরু। যেহেতু ষাঁড়ের লিম্ফ গ্লান্ড থেকে তিনি ঔষধটি তৈরি করিয়েছিলেন তাই এই নামটি তিনি দিয়েছিলেন।

তবে টিউবারকিউলিনাম আর টিউবারকিউলিনাম বোভিনাম মোটামুটি একই ভাবে একই রকম কাজ করে।

এর বেশ কিছুদিন পরে লন্ডনের ডাঃ বার্নেট টি বি হওয়া একজন মানুষের ফুসফুসের অংশ কালেকশন করে নিজের তত্ত্বাবধানে ট্রাইটেশন করিয়ে 1X শক্তি তৈরি করান এবং পরে জাম্পিং পোটেনসির মাধ্যমে ৩০, ২০০, ১০০০, ইত্যাদি শক্তি বানান। তিনি এই প্রিপারেশনের নাম দেন ব্যাসিলিনাম। ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় লক্ষন মোটামুটি ঐ টিউবারকিউলিনামের মতন পাওয়া গেল।

তবে এই সব প্রিপারেশনগুলি ক্লিনিক্যালি পরীক্ষা হয়েছে। কোন প্রিপারেশন হ্যানিম্যানিয়ান পদ্ধতিতে প্রুভিং হয়নি।

ক্লার্কের ডিকসনারি অব মেটিরিয়া মেডিকা বা বোরিকের বইয়ের টিউবারকিউলিনাম ঔষধের রিলেশনে টিউবারকিউলিনাম কচ, টিউবারকিউলিনাম এ্যাভেরি, ইত্যাদি নামে কিছু ঔষধ দেখতে পাওয়া যায়। তবে এগুলি মোটেই নির্ভরযোগ্য নয়। ডাঃ পিয়ার স্মিথ তার Defective illness বইয়ে কিছু নোসোডস আলোচনা প্রসঙ্গে এইসব নতুন প্রিপারেশন সম্বন্ধে পরিষ্কারভাবে বলেছেন --As for the other Tuberculinum preparations, the indications we have are theoretical, arbitrary, conventional and empirical.

যাইহোক টিউবারকিউলিনাম এবং টিউবারকিউলিনাম বোভিনামের ক্লিনিক্যালি পাওয়া লক্ষণগুলি মোটামুটি একই রকম ----

প্রায় সর্দি কাশি লাগে, খুব সাবধানে থাকলেও কিভাবে যে সর্দি লাগে, কোথা থেকে লাগে, কেমন ভাবে লাগে, তা মোটেই বোঝা যায় না। দুই চার দিন অন্তর শুধু ঠান্ডা বা সর্দি কাশি লেগেই চলে। তাই মজা করে বলা যেতে পারে -- টিউবারকিউলিনাম রোগীর বিয়ের রাতে ঠান্ডা লাগলে তা সারে তার হানিমুন সফর শেষ হলেও সারে না।

( সহজে সর্দি লাগে -- ব্যারাইটা কার্ব, ক্যাল্কেরিয়া কার্ব, হিপার, কেলি কার্ব, নেট্রাম মিউর, নাইট্রিক এ্যাসিড, সোরিনাম, সাইলিসিয়া )

প্রচন্ড দুর্বলতা। দুর্বলতার কারণও বোঝা যায় না, খিদে ভালো, খায়-দায় ভালো, অথচ শরীরে ভীষণ দুর্বলতা। সবরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও খারাপ কিছু রোগ ধরা পড়ে না, কিন্তু শরীরে ভীষণ দূর্বলতা।

( ভীষণ দুর্বলতা --- আর্সেনিক, জেলস ) ,

শরীর দিন দিন শুকিয়ে যায়, অর্থাৎ রোগা হতে থাকে, ওজন কমতে থাকে। খায় দায় অথচ শরীর শুকিয়ে যেতে থাকে, গায়ে মোটেই মাংস লাগে না, চেহারার কোন উন্নতি নেই

( এ্যাব্রোটেনাম, আয়োডাম, নেট্রাম মিউর, স্যানিকিউলা, টিউবার, )

লম্বা রোগাটে চেহারা, বুকের ছাতি প্রশস্ত নয়, কাঁধ দুটি যেন ভিতরের দিকে ডেবে থাকে।

পরিচ্ছন্ন, আর্টিস্টিক এবং শিল্পী মনের --- এরা খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বা টিপটপ থাকতে ভালোবাসে। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেড়াতে ভালোবাসে। বাচ্চারা বড়দের হাত ধরে টেনে টেনে বাড়ির বাইরে নিয়ে যেতে চায়।

গান-বাজনা খুব একটা পছন্দ করে না।

অ্যাডভেঞ্চার টাইপের মানসিকতা ---কোন কিছু চিন্তা ভাবনা করে না, যখন যা মনে হয় তাই করে । হঠাৎ ডিসিশন নিয়ে কোন জায়গায় বেড়াতে বেরিয়ে পড়ে। অফিসে জানালো না, স্ত্রীর সাথে কোন আলোচনা করলো না, কোথায় থাকবে, কিছু অসুবিধা হবে কি না , এসব চিন্তা করার কোন মানসিকতা থাকে না। কুইক ডিসিশন, কুইক স্টার্ট।

যে খাবারে রোগ বৃদ্ধি সেই খাবার খেতে চায়, যে কারণে রোগবৃদ্ধি সেই কারণকে কোনরকম গুরুত্ব দিতে চায় না,

ঝড়-বৃষ্টি মেঘলা আবহাওয়া ভালোবাসে, এইরকম আবহাওয়ায় মনে রোমাঞ্চ অনুভব করে।
( কার্সিনোসিন, সিপিয়া)

( ঝড় বৃষ্টি মেঘলা আবহাওয়া ভালোবাসে না, ভয় পায়,বা শরীর খারাপ করে --- জেলস, নেট্রাম কার্ব, মেডো, নেট্রাম মিউর, নাইট্রিক এ্যাসিড, ফসফরাস, সোরিনাম, রানানকিউলাস , রডোডেনড্রন,)

ভীষণ রাগ, জেদ --- অতি সহজেই রেগে যায়, রাগ কিছুতেই কন্ট্রোল করতে পারে না, রাগের চোটে জিনিসপত্র ছুঁড়ে ফেলে বা ভেঙে ফেলে। অতিশয় রুক্ষ, ও অসন্তুষ্ট৷ কোন ব্যাপারে কোনরকম উৎকন্ঠ থাকে না।

মনের বড় পরিবর্তনশীলতা ---বৈচিত্রতাই এদের জীবনের অঙ্গ। এক জায়গা বেশিদিন ভালো লাগে না, এক চাকরি বেশিদিন ভালো লাগে না, একই জায়গায় থাকতে বেশি দিন ভালো লাগে না, একই রকম জামা প্যান্ট পরতে বেশি দিন ভালো লাগে না, এক বন্ধু বেশিদিন ভালো লাগেনা, একজন ডাক্তারকে বেশীদিন দেখাতে চায় না --দুই চার দিন পরেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। এদের সাথে যারা প্রেম করে তাদের কপালেও দুঃখ জোটে, হয়তো মেয়েটি স্বপ্ন দেখছিল ঘর বাঁধার, কিন্তু তার স্বপ্ন দেখার মাঝেই পাখি অন্য ডালে বসতে আরম্ভ করে!

( সবকিছুতে পরিবর্তনশীলতা নয়, শুধু যৌনসংসর্গ অর্থাৎ সহবাস করার জন্য বা সেক্স ডিজায়ার চরিতার্থ করার জন্য নিত্য নতুন পার্টনার চায়, সম্পর্ক একবার হয়ে গেলে আর যোগাযোগ রাখতে চায় না --- ফ্লুওরিক এ্যাসিড )

বড় আশবাদী ----নানান রকম রোগে ভুগলেও, এবং ভীষণ শারীরিক দুর্বলতা থাকলেও এরা খুব আশাবাদী, কোনরকম নৈরাশ্যবোধে ভোগে না, সহজে হতাশ হয় না।

( মোটেই আশাবাদী নয়, সহজে হতাশ বা আশাহত হয় -- সোরিনাম )

রোগের পরিবর্তনশীলতা ---এই ঔষধে শুধু একজন মানুষের মনের পরিবর্তন হয় তা নয়, একজন মানুষের শরীরের বিভিন্ন রোগেরও পরিবর্তন দেখা যায়, রোগ এক অর্গান থেকে অন্য অর্গানে, বা এক সিস্টেম থেকে অন্য সিস্টেমে ধাবিত হয়। যেমন কিছুদিন রেসপিরেটরি সিস্টেমের শ্বাসকষ্টের রোগ চলার পরে ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের পাকস্থলী বা ইনটেসটিনের রোগ আরম্ভ হয়। কিছুদিন পর পর রোগের এইরকম সিস্টেমের পরিবর্তন হওয়ার পিছনে আপাতগ্রাহ্য কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

টিউবারকিউলার ডায়াথেসিসের উন্নতি হয় ---- টিউবারকিউলার ডায়াথেসিস রোগীদের ঠিক করতে বা সুস্থ রাখতে এই ঔষধের উচ্চশক্তির দুই এক ডোজ লক্ষন মিলিয়ে দিলে রোগীদের অত্যন্ত উপকার হয়।

ব্যাপারটা কি? ডায়াথেসিস কথার অর্থ হলো প্রবণতা বা টেন্ডেন্সি। যেমন, রোগীর টি বি হয়নি। বাহ্যিক কোন পরীক্ষা নিরীক্ষায় টি বির কোন জার্ম পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু টি বি রোগ হলে যে সব কমন সিমপটমসগুলি দেখা যায়, সেইরকম কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যেমন --শরীরে জ্বর জ্বর ভাব থাকছে বিশেষ করে রাতের দিকে, খিদে কম হচ্ছে, চেহারা শুকিয়ে যাচ্ছে , ওজন কমে যাচ্ছে, প্রায়ই সর্দি কাশি লাগছে, রাতে ঘুমের মধ্যে শরীরে অল্পস্বল্প ঘাম হচ্ছে, ঘাড়ের লিম্ফ গ্লান্ড দুই একটা ফুলে থাকছে, ইত্যাদি।

এ্যলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা এমন স্টেজে টি বির মতন লক্ষণ পেলেও যেহেতু সব রিপোর্ট নেগেটিভ, তাই টি বির কোন ঔষধ দিতে পারবে না, আর দিলেও তা মারাত্মক ক্ষতিকর হবে। এই ক্ষেত্রে আমাদের শক্তিকৃত টিউবারকিউলিনাম রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করতে পারে।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে -- রক্তে টি বির জার্ম নেই, তবু এমন টি বি, রোগের লক্ষনের মতন ভাব হচ্ছে কেন? উত্তর হচ্ছে -- রোগীর শরীরে টিবির জার্ম ঢুকেছে, তারা শরীরে অবস্থান করছে, কিন্তু জীবণী শক্তির সঙ্গে লড়াই করে ঠিক মতন আক্রমণ সানাতেতে পারছে না। রোগের এই অবস্থাকে বলা যেতে পারে সুপ্ত প্যাথলজি বা ডাইনামিক প্যাথলজি। বাজারে যেসব প্যাথলজি বা প্রাকটিস অব মেডিসিন বই পাওয়া যায়, যা বিভিন্ন কোর্সে পড়ানো হয়, যা চিকিৎসকরা জানে, পড়ে, মানে, তা হচ্ছে সবই ডায়নামিক প্যাথলজির পরের স্টেজ, অর্থাৎ গ্রস প্যাথলজি, অর্থাৎ স্ট্রাকচারাল প্যাথলজি। ডায়নামিক প্যাথলজির কথা কোন প্রাকটিস অব মেডিসিনে বইয়ে বলা নেই।

মাংস, ও মিষ্টি পছন্দ করে, পাতে কাঁচা নুনও অনেকে খেতে চায়৷ তবে মাংস কখনো অপছন্দের তালিকায়ও থাকে।

রোগী শীতকাতর কি গরম কাতর তা পরিষ্কার বোঝা যায় না, তবে কিছুটা গরম কাতর বলা যেতে পারে,তাই এই বিষয় নিয়ে বেশি মাথা না ঘামানোই ভালো।

সামান্য চলাফেরায় বা পরিশ্রমে শরীরে খুব ঘাম হয়, তার সাথে থাকে দুর্বলতা।

রোগীর আগে একবার টি বি হয়েছিল, ঔষধ খেয়েছিল, ঔষধের কোর্স কমপ্লিটও করেছিল। কিন্তু তারপর থেকেই শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, প্রায় সর্দি কাশি লাগছে, ঘাড়ের কাছে গ্লান্ড ফুলছে, খিদে ভালো হচ্ছে না, এমন ক্ষেত্রে টিউবারকিউলিনাম উচ্চশক্তির দুই এক ডোজ ঐ রোগীকে সুস্থ করে।

সব লক্ষণ মিললেও সুনির্দিষ্ট ঔষধে কোনো কাজ হচ্ছে না, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন ঔষধ দিতে থাকলেও স্যাটিশফ্যাক্টরি বা আশাতীত ফল পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু বংশে কারুর টি বি ছিল, তা সে মায়ের বাড়ির দিকেই হোক বা বাবার দিকেই হোক, এমন ক্ষেত্রে টিইবারকিউলিনাম উচ্চশক্তির এক ডোজ প্রয়োজন হতে পারে, এবং দ্রুত রোগী উন্নতির দিকে যেতে পারে।

ট্যাকিকার্ডিয়া, অর্থাৎ হার্ট রেট কারুর কারুর বেশি হতে পারে।

জিভের উপরটা অনেকের লিচু ফলের বা স্ট্রবেরি ফলের বাইরের মতন ডুমো ডুমো দেখা যায়। একে বলা হয় Strawberry tongue.

পিপাসা ভালো, ঠান্ডা জল খেতে চায়।

ক্ষুধা পরিবর্তনশীল, কখনো ভালো ক্ষুধা, আবার কখনো একেবারেই ক্ষুধা থাকে না।

অনেক লক্ষণ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

যদি কিছু চরিত্রগত লক্ষন মেলে তবে উপকার পাওয়া যেতে পারে নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যাল কন্ডিশনগুলিতে --

* মহিলাদের ব্রেস্ট টিউমারে ,

* মহিলাদের মাসিকের সময় পেট ব্যথায়,

* মর্নিং ডায়েরিয়া অর্থাৎ সকালের দিকে পাতলা পায়খানা চলতে থাকলে ,

* তীব্র মাথা যন্ত্রণায়, বিশেষ করে ডান দিকের, এবং স্কুলে যাওয়া মেয়েদের ,

* বহুদিন ধরে ভুগতে থাকা টনসিলাইটিস রোগে,

* বিষফোঁড়া যখন দলে দলে বের হয়, ( সালফার )

* শরীরের স্থানে স্থানে একজিমা হতে থাকলে

* টিউবারকিউলার মেনিনজাইটিস রোগে , ইত্যাদি।

#টিউবারকিউলিনাম -
DrRabin Barman - চলবে.... ✍️

17/07/2025

স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটি থেকে বাদ যাচ্ছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা!
সুন্দর সিদ্ধান্ত 🩵

★সকল মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।🙂 Be positive, think positive 😘 #মেয়েদের_যোনি_নিয়ে_একটি_গুরুত্বপ...
08/07/2025

★সকল মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।
🙂 Be positive, think positive 😘

#মেয়েদের_যোনি_নিয়ে_একটি_গুরুত্বপূর্ণ_তথ্যঃ ❤
টাটা ক্যান্সার হাসপাতালের মেডিকেল অনুশীলন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জরায়ু ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার কারন সমর্পক এ তারা গবেষনা করে দেখেছে যে,যেসব নারীরা সঠিক পন্থা অবলম্বন করে না তাদের যোনি তে ক্যান্সার সৃষ্টি হচ্ছে। যাহাতে একাধিক জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে নিমেষের ভিতরে।
❌দয়া করে আপনার যোনি সাবান দিয়ে ধোবেন না।শুধুমাত্র পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সাবানের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক আছে, সাধারণত এটা খুবই বিপজ্জনক এবং এটা থেকেই ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
📢একটি সমিক্ষাতে হুয়িস্পার, স্টেফ্রি,
সোফি,সেনোরার মতো প্যাডগুলিকে ব্যবহার করার কারণে ৫৫৬ জন জরায়ু ক্যান্সার এ মেয়ে মারা গিয়েছে।
❌একটি প্যাডকে আপনি সারাদিন ব্যবহার করবেন না,আপনি সেটিকে ৫ঘন্টা ব্যবহার করুন।হুয়িস্পারের মত প্যাড গুলিতে আল্ট্রা ন্যাপকিন ব্যবহার করা হয়, যা তরল ন্যাপকিনে রূপান্তরিত করে,এটি ব্লাডার ও জরায়ুতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে । সুতরাং অনুগ্রহ করে কটন তৈরি প্যাড ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং যদি আপনি আল্ট্রা প্যাড ব্যবহার করেন, তবে অনুগ্রহ করে ৫ ঘন্টার মধ্যে এটি পরিবর্তন করুন। । সময় যদি দীর্ঘায়িত হয় রক্ত সবুজ হয়ে যায় এবং ছত্রাক গঠন জরায়ু ও শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে।
#লক্ষণ সমূহ:
১.যোনি থেকে সাদাস্রাবের মতো তরল বের হওয়া।
২.যোনিরস বের হওয়া বন্ধ হওয়া।
#সতর্কতাঃ
1⃣ কালো প্যান্টি পরবেন না।
2⃣ ভেজা প্যান্টি পরবেন না।
3⃣ যোনিতে কোন ক্যামিকেল ব্যবহার করবেন না।
4⃣ ফরেন অবজেক্ট ঢুকাবেন না।
#স্তন ক্যান্সার কিভাবে বন্ধ করবেন?
1⃣প্রতিদিন আপনার ব্রা ধুয়ে নিন ।
2⃣গ্রীষ্মে কালো ব্রা এড়িয়ে চলুন।
3⃣ঘুমানোর সময় ব্রা পরবেন না ।
4⃣খুব ঘন ঘন ব্রা পরবেন না ।
5⃣আপনি যখন সূর্যের নিচে থাকবেন তখন সবসময় আপনার ওড়না দিয়ে আপনার বুক পুরোপুরি ঢেকে রাখুন ।
6⃣একটি ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করুন, যেটি এন্টি antiperspirant নয় ।
সব মহিলাদের কাছে এটা পৌছান যাতে করে তারা এটি নিজে নিজেই যত্ন নিতে পারে।
এটি শেয়ার করতে লজ্জা করবেন না, সে ছেলে হোক কিংবা মেয়ে।
আমি প্রচারণা শুরু করলাম আপনিও শুরু করুন আপনার মা,বোন,স্ত্রীর কিংবা নিজের জন্য।

ধন্যবাদ সবাইকে।

#তথ্যঃ টাটা ক্যান্সার হাসপাতাল এর গবেষনা টিম।

#সংগৃহীত

05/06/2025

🧿☘️ #হোমিপ্যাথিক_টিপস---
1✍️পা ফস্কাইয়া পড়িয়া,হোচট খাইয়া,ভারীদ্রব্য উঠাইতে গিয়া,কোন আঘাত প্রাপ্ত হয়ে গর্ভস্রাবের আসঙ্কায় সদৃশ ঔষধ ঃআর্ণিকা।
2✍️গোসলে সালফারের সার্বদৈহিক,রাসটক্সে চর্মরোগ ও বাত,নেট্রাম সাল্ফে হাঁপানি,ক্যালকেরিয়া কার্বে আমবাত ও বাতের বৃদ্ধি।
3✍️অগ্নিদগ্ধ স্হানে ক্যান্থারিস মাদার এক আউন্স উষ্ণ গরম পানিতে ৪/৫ফোটা মিলিয়ে পরিস্কার কাপড়ের টুকরা ভিজিয়ে পট্টি দিলে দগ্ধ স্হানে জ্বালাপোড়া কমে যায় এবং ফোস্কা পড়ে না।দগ্ধ স্হানে ফোস্কা পড়ার পরে আসলে রোগীর জন্য ৬,৩০,২০০ শক্তি সেবন করতে দিলে ক্ষত হয় না।দগ্ধ স্হানে ক্ষত সারতে বিলম্ব হলে কষ্টিকাম সেবনে দ্রুত আরোগ্য লাভ করবে।
4✍️গাড়িতে চড়লে রোগ বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ কোকুলাস ইন্ডিকা,গাড়িতে উঠলে উপশম হলে সদৃশ ঔষধ এসিড নাইট্রিক।
5✍️পানি দেখে বা পানির শব্দে রোগ বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ:লাইসিন,উজ্জ্বল আলোয় রোগ বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ ষ্ট্রামোনিয়াম।
6✍️শিশুর গায়ে অম্লগন্ধ,বারবার ধৌত করা সত্ত্বেও দুর না হলে সদৃশ ঔষধ:
এসিড সাল্ফ,হিপার সাল্ফ,ম্যাগ কার্ব,রিউম ইত্যাদি।
7✍️যে সকল রোগীর সকল রোগ বজ্রপাতের সময় ও পুর্বে বৃদ্ধি পায় তাদের সদৃশ ঔষধ: ফসফরাস,সোরিনাম,মেডোরিনাম,সিপিয়া,রডোডেন্ড্রন।
8✍️মাথা ব্যাথার সময় জোরে চেপে ধরলে আরামদায়ক সদৃশ ঔষধ পালসেটিলা,গরম কাপড়ে চেপে বাধিয়া রাখিলে আরামে সাইলেসিয়া।
9✍️থুজা অক্সিডেন্টালের রোগী চিত্রঃমণের মাঝে বদ্ধমূল ধারনা,অনিদ্রা,নিদ্রাকালে ঘর্ম,লবন প্রিয়,মৃত ব্যাক্তির স্বপ্ন,আঁচিল ইত্যাদি।
10✍️রমনীর ঋতুস্রাব সময়ের পূর্বে ও অতিরিক্ত,গর্ভপাতের পর শরীরটা ভালো যাচ্ছে না,অমাবস্যায় একমাত্রা সালফার জরুরি।**ডাঃ লিলি।
11*মৎস্য খাইতে বেশি প্রীয় রোগীর সদৃশ ঔষধ: ফসফরাস,নেট্রাম মিউর,নেট্রাম সাল্ফ রিউম ইত্যাদি।
12*নেট্রাম মিউরের রোগী সান্ত্বনায় রোগযন্তনা বৃদ্ধি পায়,পালসেটিলার রোগী সান্ত্বনা চায়,আর্জেন্টাম নাই রোগী উৎকন্ঠায় ব্যাকুল।
13*ভিরেট্রাম এলবমের রোগী চিত্র:মল দুর্গন্ধ,ঘর্ম,বমন অতিরিক্ত,অদম্য পিপাসা,অম্লখাদ্যের ইচ্ছা,উন্মাদন,অশ্লীল বাচালতা ইত্যাদি।
14*মাথায় অতিরিক্ত ঘর্মাক্ত হলে সদৃশ ঔষধ: ক্যালকেরিয়া কার্ব,স্যানিকুলা, সাইলেসিয়া,ম্যাগনেসিয়া মিউর ইত্যাদি।
15*মাথা ব্যাথার সময় জোরে চেপে ধরলে আরামদায়ক সদৃশ ঔষধ পালসেটিলা,গরম কাপড়ে চেপে বাধিয়া রাখিলে আরামে সাইলেসিয়া উপযোগী।
16*শরীরের বিশেষ স্থানের মাংসপেশী নেচে নেচে উঠলে সদৃশ ঔষধ:এগারিকাস,ইগ্নেসিয়া, জিঙ্কাম,ক্রোকাস স্যাট ইত্যাদি।
17*ওপিয়ামের রোগীচিত্রঃঅর্ধনির্মীলিত চক্ষু,নিদ্রালুতা,নাকডাকা,পক্ষাঘাতের মত দুর্বলতা ও অনুভুতিহীন,কোষ্ঠবদ্ধতা,গরমকাতর ইত্যাদি।
18*শিশুর গায়ে অম্লগন্ধ,বারবার ধৌত করা সত্ত্বেও দুর না হলে সদৃশ ঔষধ:এসিড সাল্ফ,হিপার সাল্ফ,ম্যাগ কার্ব,রিউম ইত্যাদি।
19*ঋতুস্রাবের আগে সময় ও পরে স্নায়বিক মাথাব্যথার সদৃশ ঔষধ:ল্যাকেসিস,লিলিয়ান, সিকেলি,ক্রোকাস স্যাট ইত্যাদি।
20*এসিড ফ্লোর ও এসিড পিকরিক ছাড়া আর সকল এসিডের রোগীর স্বাধারন লক্ষণ হলো দুর্বলতা ও শীতকাতরতা।
21*বাত রোগীর কেলি কার্ব প্রথম বৃদ্ধি ছাড়া ক্রিয়া শুরু করে না।রোগ বৃদ্ধি দেখে ঘাবড়ে ঔষধ পাল্টিয়ে ভুল করবেন না।
22*শিশুর দাঁত উঠার সময়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হলে সদৃশ ঔষধ: ক্রিয়োজোট,
ষ্ট্যাফিসাগ্রিয়া,ক্যালকেরিয়া ফ্লোর,ক্যালকেরিয়া ফস ইত্যাদি
23*রোগীর ঢেকুরে পঁচা ডিমের গন্ধ বের হলে সদৃশ ঔষধ :আর্ণিকা মন্টেনা, গ্রাফাইটিস, এন্টিম টার্ট,সোরিনাম ইত্যাদি।
24*প্রস্রাবে ঘোড়ার চোনার মতো ঝাঁঝালো গন্ধ থাকা রোগীর সদৃশ ঔষধ: এসিড নাইট্রিক, এসিড বেঞ্জোয়িক,মেডোরিনাম ইত্যাদি।
25*বোরাক্সের রমনীর গাঢ় স্বেতপ্রদর,মাসিক কম,বাধক,সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কম,১/২টি সন্তান হয়, কোঁকড়ানো চুল ইত্যাদি।
26*চুল গুচ্ছ বদ্ধ কোঁকড়ানো রোগীর সদৃশ ঔষধ:বোরাক্স,লাইকোপোডিয়াম,এসিড ফ্লোর,সোরিনাম,টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।
27*নানা প্রকার টিকার কুফল যুক্ত রোগীর চিকিৎসা করার প্রারম্ভে এক মাত্রা উচ্চ শক্তির থুজা প্রয়োগে রোগীর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় পরে সুনির্দিষ্ট ঔষধ সেবনে রোগ সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করে।থুজা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে ব্যর্থ হলে সালফার অথবা সোরিনামের প্রয়োজন হয়। এই সকল ঔষধ বিফলে পাইরোজিনাম ২/১মাত্রা প্রয়োগের ফলে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়,রোগীর সদৃশ ঔষধটি দ্রুত কার্যকর হবে, রোগীর আদর্শ আরোগ্য লাভ করবে।
28*ভীষণ স্বার্থপর রোগীর সদৃশ ঔষধ: সালফার,আর্সেনিক,লাইসিন, ল্যাকেসিস,পালসেটিলা, সিপিয়া,টিউবারকুলিনাম ইত্যাদি।
29*রোগী সামান্য প্রতিবাদ সহ্য করতে পারে না রেগে যায়,সদৃশ ঔষধ: ইগ্নেসিয়া,ফেরামমেট,এনাকার্ডিয়াম,কোকুলাস ইন্ডিকা ইত্যাদি
30*ক্রুদ্ধ স্বভাবের রোগীর সদৃশ ঔষধ:নাক্স ভুমিকা,হিপার সাল্ফ, আর্সেনিক,সোরিনাম,স্ট্যাফিসেগ্রিয়া,এসিড নাইট্রিক ইত্যাদি।
31*বংশগত মানসিক রোগীর সদৃশ ঔষধ:ল্যাকেসিস,ফসফরাস,সিফিলিনাম,ভিরেট্রাম এলবাম,আর্জেন্ট নাই/মেট,অরাম এনাকার্ডিয়াম ইত্যাদি।
32*ঠান্ডা লাগার প্রবনতা আরোগ্যে সদৃশ ঔষধঃক্যাল-কার্ব,ক্যাল-ফস,কেলি-কার্ব, কেলিফস,লাইকো,মার্ক,হিপার,ব্যারাইটা কার্ব ইত্যাদি।
33*কেলি কার্বের রোগী চিত্র:মোটাদেহ,ক্রোধী,ঝগড়াটে,ভীত,শীতকাতর,খাদ্য গ্রহণের পর ও রাত ৩টা-৫টায় রোগ বৃদ্ধি।
34*ধাতুগত গভীর কার্যকররী:সাইলেসিয়া,ফসফরাস,হিপারসাল্ফ,সালফার,কেলি কার্বের প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যুর আশংকা থাকে।
35*ডাঃ বার্নেটের মতে টিকার কুফলে মৃগী,দৃষ্টিলোপ,নখবিকৃতি,হাঁপানি,ঋতুর গোলযোগ,টিউমার,ফোঁড়া,চর্মরোগ,মস্তিষ্কের বিকৃতি ইত্যাদি হয়।
36*ঋতুস্রাব কালে রমনীর চোখমুখে আগুনের হলকা প্রবাহিত হলে সদৃশ ঔষধ:ফেরম মেট,স্যাংগুনেরিয়া নাইট,গ্লোনইন ইত্যাদি।
37*স্পাইজেলিয়ার রোগী:সামান্য কারণে ক্রোধ,অসন্তুষ্টি,শব্দ,নড়াচড়া অসহ্য,সূচালো বস্তুতে ভয়,ক্রিমি গ্রস্থ,স্পর্শে শিউরে উঠে ইত্যাদি।
38*অস্ত্রপাচার স্হানে সুচফোটানো বেদনা আরোগ্যে ষ্ট্যাফিসাগ্রিয়া একমাত্র ঔষধ।মর্ফিয়ার চেয়েও বেশি কার্যকর।
39✍️সিপিয়ার রমনীকে কখনোই স্নেহময়ী জননী বা প্রেমময়ী স্ত্রী বলা যায় না।উভয়ের প্রতি উদাসীন।এই ঔষধটিকে রজকিনীর ঔষধ বলা হয়।কাপড় ধোয়ার সময় অসুস্থ হয়,সামান্য ঠান্ডা সহ্য হয় না।ভীষণ কোষ্ঠকাঠিন্য মলত্যাগ করতে কষ্ট মনে করে মলদ্বারে একটি বল দ্বারা অবরুদ্ধ রয়েছে।মূত্রে ঝাঁঝালো গন্ধ।জরায়ুর দূর্বলতা যোনিদ্বার দিয়ে নেমে আসে। পিঁড়িতে বসতে ভীত যেন সবকিছু যোনিদ্বার দিয়ে বেরিয়ে আসবে।
40✍️সিকেলি করের স্হূলমাত্রা প্রয়োগে গর্ভধারণে বাধা দেয়,গর্ভস্রাব করায়,গর্ভফুল নিস্ক্রান্ত করতে এ্যালোপ‍্যাথিতে ব‍্যবহৃত হয়।সিকেলির এই অপপ্রয়োগে রমনীদের স্বাস্হ্যহানীর কারণ হয়।
41✍️সিকেলির করের রোগিনী ক্রোধী,দুর্বল,ক্ষীনদেহ,রক্তস্রাব প্রবণতা,স্রাবের ক্ষতকারিত্ব ও দূর্গন্ধ,সর্বাঙ্গে সুড়সুড়ি বোধ ইত্যাদি।
42✍️জিঙ্কাম মেট রোগীর বৈশিষ্ট্য:হাতপায়ের কম্প,উত্তেজনার পরে অবসাদ,উদ্ভেদ,স্রাব,দাত উঠতে বাধাগ্রস্ত হয়ে তড়কা,মেনিঞ্জাইটিস ইত্যাদি।
43✍️ইগ্নেসিয়ার রোগীর সবকিছুতেই অসঙ্গতি যেমন অর্শরোগীর চলাফেরায় আরাম,পাকস্থলী খালি/খাইলে আরাম নাই,ধামলে কাশি বৃদ্ধি ইত্যাদি।
44✍️পালসেটিলার রোগীই শুধু খোলা আবহাওয়ায় রোগ হ্রাসের লক্ষণ আছে।এরুপ লক্ষণ সিপিয়া,ফেরম মেট ও কেলি আইয়োডেও আছে।
45✍️গাড়িতে চড়লে কানের শ্রবণ রোগ বৃদ্ধির সদৃশ ঔষধ কোকুলাস ইন্ডিকা,গাড়িতে উঠলে উপশম হলে সদৃশ ঔষধ এসিড নাইট্রিক।
46✍️উদারাময়ের ঔষধ নির্বাচণঃ-
দুষিত জল পানে উদরাময় হলে ক্যাম্ফর,জিন্জিবার উপযোগী সদৃশ ঔষধ।
47✍️এলুমিনা :-মেরুদন্ড মধ্যে তপ্ত লৌহশলকা প্রবিষ্ট হইবার ন্যায় বেদনা;পক্ষাগাত, অন্ধকারে বা চক্ষুমুদ্রিত করিয়া চলিতে পারেনা।
48✍️ক্রোধের কারণে জন্ডিসে ক‍্যামোমিলা,বালকদের পেটের বেদনায় ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া,আন্ত্রিক লক্ষণে ব্রাইয়োনিয়া উপযোগী সদৃশ ঔষধ।
49✍️চায়না বা সিঙ্কোনার রোগীচিত্র:বল/বীর্য/রক্তক্ষরণে ভঙ্গস্বাস্থ্য,কুইনের কুফল,শীতার্ত, রক্তস্রাব প্রবণ,অজীর্ণ,পেটফাপা,ডিসপেপসিয়া---।
50✍️আর্জেন্ট নাইট্রিকামের রোগী চিত্র: চিকন দুর্বল,উৎকণ্ঠা,উদ্বেগপূর্ণ ভবিষ্যতে অমঙ্গলের ভয়,গরমকাতর,গলা শ্লেষ্মাময়,গলা খেকড়ানী স্বভাব ইত্যাদি।
🌻আইসক্রিম খেয়ে উদরাময় হলে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আর্সেনিক,ব্রাইয়োনিয়া।
🌻রসালো ফল খেয়ে উদরাময় হলে সদৃম ঔষধ ভেরেট্রাম এলবম,চায়না।
🌻পেঁয়াজ খেয়ে উদরাময় হলে সদৃশ ঔষধ থুজা।
🌻শামুক খেয়ে উদরাময় হলে ব্রোমিয়াম,লাইকোপোডিয়াম।
🌻দুধ পানে উদরাময় হলে ক্যালকেরিয়া কার্ব,নেট্রাম কার্ব,নিকোলাস,সালফার
🌻নিম্ন শক্তিতে ব্যবহার এর পর হাড় নরম ,ভঙ্গুর হতে পারে:- ক্যালকেরিয়া ফস,ক্যাল্ক ফ্লুওর,ক্যালরিয়া কার্ব, ক্যালকেরিয়া হাইপো ফস ইত্যাদি।

19/05/2025
13/04/2025

I've received 2,900 reactions to my posts in the past 30 days. Thanks for your support. 🙏🤗🎉

21/03/2025

ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় ফিলিস্তিনের মুসলমানদের উপর ইসরাইলের নির্জাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

15/03/2025

ঠাকুরগাঁও ভুল্লী থানার আউলিয়াপুরের ভুট্টা ক্ষেত থেকে এক নারীর ম/র/দে/হ উ/দ্ধার

I got 2,600 reactions and comments on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
13/03/2025

I got 2,600 reactions and comments on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

12/03/2025

একসঙ্গে চার সন্তান জন্ম দিয়েছেন বালিয়াডাঙ্গীর মুন্নি নামে এক গৃহবধূ।
আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় ঠাকুরগাঁও রেইনবো হাসপাতালে এই চার সন্তানের জন্ম দেন তিনি। জন্ম নেওয়া নবজাতকদের মধ্যে তিন মেয়ে ও এক ছেলে। অপারেশনের পর মা সুস্থ রয়েছেন ও নবজাতকরা মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা

Address

Ranisankail

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Md.Hasan Masud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Md.Hasan Masud:

Share

Category