Gazi Academy Medical Center

Gazi Academy Medical Center অসহায় গরীব দুংখী মানুষের চিকিৎসা সেব?

একজিমা, যার অন্য নাম হল এটোপিক ডারমাটাইটিস, একটি চর্মরোগবিশেষ। শরীরের ভিতর থেকে অথবা বাইরে থেকে কোন বস্তু যখন ত্বকের উপর...
07/01/2022

একজিমা, যার অন্য নাম হল এটোপিক ডারমাটাইটিস, একটি চর্মরোগবিশেষ। শরীরের ভিতর থেকে অথবা বাইরে থেকে কোন বস্তু যখন ত্বকের উপর প্রভাব ফেলতে থাকে, তখন দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতি-সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে ত্বকের উপরে একজিমা হয়। যে বস্তুগুলি দেহের বাইরে থেকে প্রভাব ফেলে সেগুলির মধ্যে আছে রাসায়নিক পদার্থ এবং ড্রাগস। ভিতর থেকে যেগুলি প্রভাব ফেলে সেগুলি হল বিভিন্ন এন্টিজেন (বিষাক্ত বা বাইরের বস্তু) এবং হ্যাপটেনস (এক ধরণের এন্টিজেন)। সাধারণত একজিমার উপসর্গগুলি হল চুলকানি, লাল হয়ে ফুলে যাওয়া, রস বার হতে থাকা এবং ছাল উঠে যাওয়া। একজিমার চিকিৎসা এবং এর আরোগ্যের সম্ভাবনা নির্ভর করে একজিমার ধরণের উপরে এবং রোগীর বয়সের উপরে

রোগ-ব্যাধিতে যে তাসবিহ ও দোয়া পড়বেনরোগ-ব্যাধিতে যে তাসবিহ ও দোয়া পড়বেনরোগ-ব্যাধি বান্দার জন্য যেমন পরীক্ষা তেমনি তা আল্ল...
29/03/2021

রোগ-ব্যাধিতে যে তাসবিহ ও দোয়া পড়বেন

রোগ-ব্যাধিতে যে তাসবিহ ও দোয়া পড়বেন
রোগ-ব্যাধি বান্দার জন্য যেমন পরীক্ষা তেমনি তা আল্লাহর আজাব-গজবেরও ইঙ্গিত বহন করে। জানা-অজানা অনেক কঠিন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় মানুষ। এসব রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হচ্ছে মহান আল্লাহর তাসবিহ ও তার কাছে ধরনা দেয়া।

কুষ্ঠ, অন্ধত্ব, পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগ-ব্যাধিসহ জটিল ও কঠিন অচেনা-অজানা সব রোগ-ব্যাধির চিকিৎসায় মহান আল্লাহর তাসবিহ এবং দোয়া পড়ার মধ্যে রয়েছে শান্তি এবং মুক্তি। তাহলো-- سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيْمِ وَبِحَمْدِهِ উচ্চারণ- ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি।’

অতপর এ দোয়া পড়া-- اللَّهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ مِمَّا عِنْدَكَ، وَأَفِضْ عَلَىَّ مِنْ فَضْلِكَ، وَانْشُرْ عَلَىَّ رَحْمَتَكَ، وَأَنْزِلْ عَلَىَّ مِنْ بَرَكَاتِكَউচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিম্মা ইনদাকা ওয়া আফিজ আলাইয়্যা মিন ফাদলিকা ওয়ানছুর আলাইয়্যা রাহমাতাকা ওয়ানজিল আলাইয়্যা বারকাতাকা।’ (তাবারানি ফি মুজামুল কাবির)অর্থ : হে আল্লাহ! তোমর কাছে যা আছে আমি তাই তোমার কাছে চাই। তোমার অনুগ্রহের একটু ধারা আমার দিকে প্রবাহিত করো এবং তোমার রহমতের একটু বারি আমার ওপর বর্ষণ করো আর তোমার বরকতসমূহ থেকে একটুখানি আমার প্রতি নাজিল করো।

আমল : সকাল-সন্ধ্যায় তথা ফজর ও মাগরিবের ফরজ নামাজের পর তাসবিহ তিনবার এবং দোয়াটি একবার নিয়মিত আমল করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত তাসবিহ ও দোয়া পড়ার মাধ্যমে সব কঠিন রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকতে তাঁরই কাছে ধরনা দেয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

 #চোখ_ব্যথার ঘরোয়া প্রতিকারচোখে ব্যথা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে এসব পন্থা অবলম্বন করে সহজেই নিরাময় করা যায়। তবে সমস্যা...
14/05/2020

#চোখ_ব্যথার ঘরোয়া প্রতিকার

চোখে ব্যথা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে এসব পন্থা অবলম্বন করে সহজেই নিরাময় করা যায়। তবে সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

ঠাণ্ডা পানি

কনজাংটাইভ বা চোখের সাদা অংশের প্রসারিত রক্তনালীগুলোর কারণে চোখ লাল হয়ে থাকে। ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে চোখের এই যন্ত্রনাদায়ক রক্তনালীগুলো শিথিল করার মাধ্যমে লালভাব দূর করা যেতে পারে। এছাড়াও পরিষ্কার কাপড়ে বরফের টুকরা নিয়ে আক্রান্ত চোখে ব্যবহার করলেও উপকার পাওয়া যায়।

কান্না

চোখ ব্যথা সারাতে কান্নাকাটিও করতে পারেন। চোখের পানি মূলত হালকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, যা চোখের ব্যকটেরিয়ার ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি চোখ আদ্র রাখে, ফলে চোখে ঘর্ষণের ফলে তৈরি ব্যথা কম হয়।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার

একই পরিমাণ পানি ও অ্যাপল সাইডার ভিণিগার মিশিয়ে তুলার বলের সাহায্যে চোখের পাতায় মাখিয়ে নিতে হবে। অ্যাপল সাইডার ভিনিগারের মাইক্রোবায়াল উপাদান ব্যকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়ক।

ঠাণ্ডা চামচ

বরফশীতল পানিতে দুতিন জোড়া চামচ ডুবিয়ে রাখে সেটা চোখের উপর ধরে রাখুন। চামচের ঠাণ্ডাভাব ফুরিয়ে গেলে চামচ পরিবর্তন করে নিতে হবে।

শসা

চোখের নিচের কালোদাগ ও ফোলাভাব দূর করতে সহায়ক এটা সবারই জানা। পাশাপাশি রূপচর্চায় যেভাবে ব্যবহার করা হয় সেভাবে ব্যবহার করলে চোখের ব্যথাও দূর করে এই সবজি।

গ্রিন টি ব্যাগ

চোখ ব্যথার সবচাইতে যন্ত্রনাদায়ক উপসর্গগুলো থেকে মুক্তি দেয় গ্রিন টি’য়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল উপাদান।

এক কাপ গরম পানিতে গ্রিন টি ব্যাগ ডুবিয়ে রাথতে হবে যতক্ষণ না গরম পানি ঘরের তাপমাত্রায় আসে। পরে কাপটি কয়েক মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। তারপর টি ব্যাগ থেকে বাড়তি পানি বের করে নিয়ে টি ব্যাগটি বন্ধ চোখের উপর রাখতে হবে।

অ্যালোভেরা জেল

জ্বলা, প্রদাহ ও আরও অনেকরকম ত্বকের সমস্যা দূর করতে সহায়ক অ্যালোভেরা জেল। চোখ ব্যথার উপসর্গ দূর করতেও এটা কার্যকর। পাতা থেকে জেল বের করে তা কয়েক মিনিট ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে চোখের পাতায় মাখতে পারেন।

গোলাপ জল

একটি তুলার বল দিয়ে বন্ধ চোখে গোলাপ জল মাখানোর মাধ্যমে চোখ ব্যথার উপসর্গ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

দুধ ও মধু

দুধে আছে শীতলকারী উপাদান আর মধু একটি সুপরিচিত অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল এজেন্ট। দুধ ও মধু একত্রে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ব্যথা ও প্রদাহ কমে তাৎক্ষনিকভাবে।

এক টেবিল-চামচ কুসুম গরম দুধে এক ফোঁটা মধু মিশিয়ে ড্রপারের সাহায্যে চোখে ব্যবহার করতে পারেন।

ঘরে থেকে  #ত্বকের_যত্ন এই সংকটের সময়েও ঘরে বসে নিয়মিত যত্ন নিন ত্বকের। প্রকৃতিতে এখন গ্রীষ্মকাল। করোনা ভাইরাসের কারণে ঘর...
29/04/2020

ঘরে থেকে #ত্বকের_যত্ন

এই সংকটের সময়েও ঘরে বসে নিয়মিত যত্ন নিন ত্বকের। প্রকৃতিতে এখন গ্রীষ্মকাল। করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরেই কাটছে সময়। এ সময়ে ত্বক সুস্থ ও সুন্দর রাখতে হাতের কাছে থাকা উপকরণই যথেষ্ট। ঠিকঠাক যত্ন নিতে পারলে ত্বক থাকবে সতেজ। আতঙ্কের এই সময়ে মনটাও ভালো থাকবে।

সময়টা অন্য রকম। একদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গৃহবন্দী জীবন। আর এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে পবিত্র রমজান মাস। সঙ্গে আছে গ্রীষ্মের উত্তাপ, কখনো আবার হঠাৎ কালো হয়ে আসা আকাশ—বৃষ্টি আর কালবৈশাখী। মনের আকাশেও মেঘ জমে সংকটকালীন চিন্তার চাপে। নানাবিধ পরিবর্তন জীবনধারায়। গৃহবন্দী সময়ে জীবনযাত্রার প্রয়োজনীয় সব উপকরণ হাতের কাছে সব সময় না-ও থাকতে পারে। রূপচর্চাতে তাই বেছে নিতে পারেন সহজলভ্য উপকরণ। ঘরে বসে এই ত্বকের যত্ন নিলে ত্বক তো বটেই, মনটাও ভালো থাকবে। করোনাকালে যা জরুরি।
বাড়িতে থাকা নানা উপকরণ দিয়েই চলুক ত্বকের যত্নহাতের কাছে উপকরণের কথা বলি এবার। এই যেমন শসা কেটে চোখের ওপরে রাখলে চোখের নিচের কালো দাগ কমে আসবে, আবার আরামও পাবেন। এটা বলছি, কারণ রাতের ঘুম কমে গেছে অনেকেরই। ত্বককে শীতল রাখতে আর ত্বকের স্নিগ্ধতা ধরে রাখতে এক ভাগ লেবুর রস, এক ভাগ গোলাপজল এবং চার ভাগ ঠান্ডা পানি নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে ছোট স্প্রে বোতলে রাখুন। প্রয়োজনমতো মুখে স্প্রে করুন। রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি জানালেন এমনটাই।

শারমিন কচি বলেন, ‘বাইরে বের হওয়া যাচ্ছে না বলে ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন নেই, এমন ভাবনা ভুল। ঘরে থাকা হলেও নিয়মিত যত্নের অভাবে ত্বকে নানাবিধ সমস্যা হতে পারে। তবে খুব বেশি কিছু করার দরকার নেই। সাধারণ ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারেই ত্বককে সুস্থ রাখা সম্ভব।’

#সিরকায় রূপচর্চা

টোনার হিসেবে ভিনেগার বা সিরকা দারুণ। ২ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার কাপড়ের সাহায্যে এটি দিয়ে মুখের ত্বক পরিষ্কার করুন। শুকিয়ে এলে পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন করা যাবে।

ফেসমাস্ক ব্যবহার করতে পারেন সপ্তাহে ১-২ দিন। প্রতিটি প্যাক লাগানোর পর ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে, সবশেষে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। ঘরে তৈরি ফেসমাস্কগুলোর মধ্যে মধুর ফেসমাস্কই সেরা বলে জানালেন শারমিন কচি। তবে কোনো উপকরণে অ্যালার্জি থাকলে তা এড়িয়ে চলুন।

#শসা ও টমেটো কিংবা আলু

১ টেবিল চামচ শসার রস ও ১ চা-চামচ টমেটোর রস মিশিয়ে ফেসমাস্ক তৈরি করুন। এটি শুষ্ক ত্বককে মসৃণ করতে সাহায্য করে।
কাঁচা আলু থেঁতো করে এর রসটা ফেসমাস্ক হিসেবে কাজে লাগানো যায়। দাগ-ছোপ দূর করতে সাহায্য করবে।

#নানা গুণের মধু

* ২ টেবিল চামচ মধুতে ১ চা-চামচ ওটস গুঁড়া ও আধা চা-চামচ টক দই ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ত্বকে আলতোভাবে মালিশ করুন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
* ২ চা-চামচ মধু ও ছোট আকারের একটি পাকা কলা (কিংবা বড় আকারের কলার অর্ধেকটা) একসঙ্গে ব্লেন্ড করে ঘন পেস্ট করে নিন। এটি ত্বককে আর্দ্র ও কোমল রাখে।
* ত্বক শুষ্ক প্রকৃতির হলে মধু ও দুধের সরের প্যাক তৈরি করতে পারেন।

#জলপাই_তেল

জলপাই তেলে সাধারণত সব ধরনের ত্বকেই জলপাই তেল ব্যবহার করা যায়। রোজ গোসলের কিছুক্ষণ আগে মুখে ও শরীরে জলপাই তেল দেওয়া ভালো। এ ছাড়া জলপাই তেল ও মধুর একটি হালকা মিশ্রণ বানিয়ে ফেসমাস্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন (২৫-৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে পারেন)। চাইলে এ মিশ্রণ সারা রাত লাগিয়েও রাখা যায়। এ মিশ্রণ ত্বকের মৃতকোষ তুলে ফেলতে সাহায্য করে।

#টক দই টক দইয়ের আরও মাস্ক

ভালো মানের টক দইয়ের ফেসমাস্ক ব্যবহার করলে ফেস স্পা করার কোনো প্রয়োজন হবে না বলেই জানালেন শারমিন কচি। এটি ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করে, লোমকূপকে ছোট করে আনতে সাহায্য করে। ১ চা-চামচ টক দই, ১ চা-চামচের চার ভাগের এক ভাগ পরিমাণ লেবুর রস, ১ চা-চামচ অ্যালোভেরা জেল ও ১ চামচ মধু মিশিয়ে নিন। পুরো মুখে সমানভাবে লাগিয়ে নিয়ে অন্তত ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ঠান্ডা পানিতে মুখ পরিষ্কার করে নিন।

#নারকেল তেলনারকেল তেল

শুষ্ক-অনুজ্জ্বল ত্বকের জন্য নারকেল তেল ভালো। কুসুম গরম নারকেল তেল ত্বকে কয়েক মিনিট ধরে আলতো করে মালিশ করুন রোজ। চাইলে সারা রাত রেখে দিতে পারেন। ত্বক এক্সফলিয়েট করতে চিনি ও নারকেল তেলের মিশ্রণ ত্বকে মালিশ করুন ১৫ মিনিট (সপ্তাহে একবার বা ১৫ দিনে একবার)। খুব বেশি চামড়া উঠলে ২ দিন পরপরই এক্সফলিয়েশন করে একটু স্বাভাবিক অবস্থায় এনে নিন ত্বক, এরপর প্রয়োজনমতো।

* ১ ভাগ গ্লিসারিন ও ২ ভাগ গোলাপজল (না পেলে পানি) মিশিয়ে ব্যবহার করলে ফাটা ভাব থাকবে না। রাতে লাগিয়ে নিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলতে পারেন।
* ২ মগ পানিতে অর্ধেকটা লেবুর রস মিশিয়ে তাতে হাত-পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন (আধঘণ্টা, সপ্তাহে ১-২ দিন)।
* কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সঙ্গে টমেটো পেস্ট মিশিয়ে নিয়ে হাতে-পায়ে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন (সপ্তাহে ১-২ দিন)।

 #পুরুষের_চুলে কোন তেল দেবেন?চুলের জন্য তেল খুব জরুরি; তা সে নারী বা পুরুষ, যে-ই হোক না কেন। বিশেষ করে আসন্ন এই গরমে তেল...
28/04/2020

#পুরুষের_চুলে কোন তেল দেবেন?

চুলের জন্য তেল খুব জরুরি; তা সে নারী বা পুরুষ, যে-ই হোক না কেন। বিশেষ করে আসন্ন এই গরমে তেলের আলাপ খুবই প্রাসঙ্গিক। তবে আজ পুরুষের চুলের যত্নে কিছু উপকারী তেল নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে :

অ্যাভোকাডো তেল

স্তরপূর্ণ, ভঙ্গুর ও ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য এই তেল। অ্যাভোকাডো তেল হালকা ও মসৃণ এবং এতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি। এ ছাড়া এই তেলে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ডি ও ই। আছে আয়রন, অ্যামাইনো এসিড ও ফলিক এসিড। এই তেল ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হবে, আগা ভাঙবে না; চুলের গোড়া শক্ত হবে।

নারিকেল তেল

সব ধরনের চুলের জন্যই প্রযোজ্য। চুলের বৃদ্ধি থেকে শুরু করে চুলসংক্রান্ত সব কিছুতেই যেন নারিকেল তেল অপরিহার্য। এই তেল মাথার ত্বককে শুষ্কতা থেকে বাঁচাবে এবং চুলে খুশকি হতে দেবে না।

জোজোবা তেল

শুষ্ক আর ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য বড়ই উপকারী এই তেল। চুলের শুষ্কতা, খুশকি ও জট ছাড়াতে এই তেল খুবই কার্যকরী। নন-স্টিকি ও নন-গ্রেসি এই তেল চুলকে করে মসৃণ ও ঝরঝরে।

আমন্ড তেল

আপনার কাজ যদি হয় সারা দিন পথে পথে ঘুরে বেড়ানো বা এদিক-সেদিক যাওয়া তবে চুলে ব্যবহারের জন্য বেছে নিতে পারেন এই তেল। এটাকে অনেকেই ‘থিনিং অয়েল’ বলে ডাকে। এর কাজ হলো চুলের সব রকম ময়লা ও গাদ দূর করে চুলকে ফুরফুরে ও সতেজ রাখা। এ ছাড়া ভিটামিন ই সমৃদ্ধ এই তেল চুল বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।

অলিভ তেল

এই তেল সাধারণত স্পর্শকাতর চুলের জন্য। এতে রয়েছে চুলের উপযুক্ত দারুণ কন্ডিশনার। এর কোনো অ্যালার্জেটিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। স্কাল্প বা মাথার খুলির স্বাস্থ্যের জন্য এটি বেশ কাজ করে। কেননা এতে আছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামাটরি ময়েশ্চারাইজিং।

 #গলার_ব্যথা মানেই কী করোনা?বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অসুস্থ হওয়ার পূর্ব লক্ষণ হিসেবে গলা ব্যথা করে। গলা ব্যথার অপর নাম হলো ফ্য...
24/04/2020

#গলার_ব্যথা মানেই কী করোনা?

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অসুস্থ হওয়ার পূর্ব লক্ষণ হিসেবে গলা ব্যথা করে। গলা ব্যথার অপর নাম হলো ফ্যারিঞ্জাইটিস। সাধারণত ঠান্ডা এবং ফ্লুর (ইনফ্লুয়েঞ্জা) মতো জীবাণুর সংক্রমণের মাধ্যমে গলার এই সমস্যা হয়। গলায় শুষ্ক চুলকানি হয় এবং খাবার গিলতে ও ঢোঁক গিলতে সমস্যা হয়। গলা ব্যথাকে অনেকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না। গলা ব্যথা অনেক সময় মারাত্মক অসুখের উপসর্গের কারণ হতে পারে।

এ বিষয়ে জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মাহামুদুল হাসান বলেন, গলা ব্যথা হলে সাধারণত গলা খসখসে হয়, চুলকায় এবং ফুলে যায়, শ্বাস নেওয়ার সময়, কথা বলার সময় এবং ঢোঁক গিলার সময় ব্যথা অনুভূত হয়। ঠান্ডার কারণে গলা ব্যথা হলে এর পাশাপাশি কাশি, জ্বর, সর্দি, হাঁচি এবং শরীরে ব্যথা হয়। গলা ব্যথা একটু মারাত্মক আকার ধারণ করলে, টনসিল ফুলে গিয়ে খাবার গিলতে বা ঢোঁক গিলতে অসুবিধা হয়।

সাধারণ গলা ব্যথায় চিকিৎসা
১. লবণ পানি দিয়ে গড়গড়া করাটা সবচেয়ে সাধারণ এবং একই সঙ্গে কার্যকর পদ্ধতি। দিনে অন্তত ৪ বার লবণ পানি দিয়ে গড়গড়া করা। গলার সাধারণ ব্যথা বা গলা ভাঙার জন্য ভালো একটি ওষুধ হলো গরম বাষ্প। ফুটন্ত পানির বাষ্প যদি দৈনিক অন্তত ১০ মিনিট মুখ ও গলা দিয়ে টানা হয়, তবে গলার উপকার হয়।
২. ভাঙা গলায় হালকা গরম লেবু পানি, আদা বেশ কার্যকর। শুকনো আদায় ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান রয়েছে, যা গলার বসে যাওয়া স্বরকে স্বাভাবিক করে তুলতে পারে।
তবে এমন সব চিকিৎসাও অনেক সময় কাজে দেয় না। দিনের পর দিন ধরে গলার ব্যথা ও স্বর বসে থাকে। গলা দিয়ে কথা বের হতে চায় না। স্বর বদলে যায়। ফ্যাসফ্যাসে আওয়াজ হয়। সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কাদের গলা ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি বেশি?
* শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা
* যারা ধূমপান করে অথবা ধূমপায়ী ব্যক্তির কাছাকাছি থাকে
* ধুলাবালু থেকে যাদের অ্যালার্জি হয়
* ঘরে ব্যবহৃত জ্বালানি ও রাসায়নিক বস্তুর সংস্পর্শে এলে
* যাদের দীর্ঘদিন ধরে সাইনাসের সমস্যা আছে
* যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম

গলা ব্যথা থেকে কী ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে?
গলা ব্যথার ফলে অনেক মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে টনসিলে প্রদাহ, সাইনাসে প্রদাহ, কানের সংক্রমণ, কিডনির প্রদাহ, বাতজ্বর দেখা দিতে পারে।

পরামর্শ
* উষ্ণ, আরামদায়ক, স্যাঁতসেঁতে নয় এ রকম ঘরে থাকতে হবে
* আক্রান্তকালীন কথা কম বলতে হবে। এ সময় প্রচুর তরল খাবার যেমন পানি, ফলের রস, গরম চা গ্রহণ করতে হবে
* সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে বিশ্রাম নিতে হবে। হাঁচি ও কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখতে হবে। এর ফলে অন্যরা সংক্রমিত হবে না
* ধোঁয়া এবং বায়ু দূষিত করে এমন কিছু থেকে দূরে থাকতে হবে
* বাড়ির বাতাস শুষ্ক হলে তা আর্দ্র রাখার ব্যবস্থা করতে হবে
* ধূমপান এবং ধূমপানের ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশ থেকে দূরে থাকতে হবে

ইতিহাসটা একটু দেখে নিন।
23/04/2020

ইতিহাসটা একটু দেখে নিন।

 #রোজার_স্বাস্থ্য_উপকারিতাঅনেকের মতে রোজায় সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের মতে...
22/04/2020

#রোজার_স্বাস্থ্য_উপকারিতা
অনেকের মতে রোজায় সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের মতে আমাদের অজান্তেই রোজা রাখার মাধ্যমে স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ধরনের উন্নতি হয়। এমনকি অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্যও রোজা রাখা উপকারী...

অনেকের মতে রোজায় সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের মতে আমাদের অজান্তেই রোজা রাখার মাধ্যমে স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ধরনের উন্নতি হয়। এমনকি অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্যও রোজা রাখা উপকারী।

তবে রোজা রাখার কারণে যদি কোনো রোগ বৃদ্ধি পায় অথবা রোগী বেশ কষ্ট পায় তবে এ বিষয়ে মুফতিদের সঙ্গে আলোচনা করে নেয়াই ভালো। রোগীদের সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত রোজা না রাখার অনুমতি ইসলামে রয়েছে। আসুন জেনে নিই রোজা রাখার ফলে আমাদের স্বাস্থ্যের কোন উপকার সাধন হয়।


স্থূলকায় রোগীদের জন্য

অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের কারণে অনেকেই অনেক সমস্যায় ভুগছেন। তাই তো ইসলাম অতিরিক্ত আহার গ্রহণের পক্ষে নয়। অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে দেহে প্রচুর চর্বি জমে যায়, ফলে শরীর অস্বাভাবিক মোটা হয়ে যায়, যা স্বাভাবিক জীবনযাপনকে ব্যাহত করে। বাড়তি চর্বি চামড়ার নিচে, শিরা-উপশিরা এমনকি হৃৎপিন্ডে জমা হতে পারে। ফলে রক্তনালিতে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল করতে পারে না। কিন্তু রোজা রাখলে শরীরে জমে থাকা এসব চর্বি শরীরের কাজে ব্যবহৃত হয় ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এসব রোগীর অবশ্যই ইফতার ও সেহরিতে কম ক্যালরির হালকা খাবার খাবেন।

ধূমপানকারীদের জন্য

ধূমপান করা মানেই বিষপান করা। এ কথা আধুনিক যুগে কে না জানে। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের এ আবিষ্কারের বহু আগেই ইসলাম ধূমপান নিষিদ্ধ করেছিল। ধূমপানের ফলে ফুসফুসের ওপর নিকোটিনের দাগ পড়তে পড়তে এক সময় ধূমপায়ী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

রমজানের রোজার ফলে ধূমপান থেকে বিরত থাকার কারণে ফুসফুস দীর্ঘসময় পর্যন্ত নিকোটিনের বিষক্রিয়া মুক্ত থাকে। ফলে ফুসফুস রোগমুক্ত থাকে এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসে। যারা ধূমপান করেন রমজানের রোজা তাদের জন্য অবশ্যই উপকারী। ধূমপান বর্জনেরও এটা উত্তম সময়।

পেপটিক আলসার

একসময় ধারণা ছিল, পেপটিক আলসারে আক্রান্ত রোগীরা রোজা রাখতে পারবেন না, তাদের ঘন ঘন খাওয়ার খেতে হবে। অনেকক্ষণ পেট খালি রাখা যাবে না। অনেকে মনে করেন, রোজা পেপটিক আলসারের ক্ষতি করে এবং এসিডের মাত্রা বাড়ায়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব ধারণা ঠিক নয়। রোজায় নিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়ার কারণে এসিডের মাত্রা কমে যায়। তাই সঠিকভাবে রোজা রাখলে এবং সঠিক খাবার দিয়ে সেহরি ও ইফতার করলে রোজা বরং আলসারের উপশম করে। এ ছাড়া রোজা গ্যাস্ট্রাইটিস, আইবিএস ইত্যাদি রোগেও উপকারী।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য

যেসব মানুষ ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য মুখে ওষুধ গ্রহণ করছেন, খাদ্যতালিকা মেনে চলছেন এবং ওজন কমাতে চাচ্ছেন্ল তাদের জন্য রোজা খুবই উপকারী। বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে হাইপো গস্নাইসেমিয়া হয়ে না যায়। যারা দুই বেলা ইনসুলিন নিচ্ছেন তাদের জন্য তো কথাই নেই বরং যারা দু'বেলার অধিক ইনসুলিন নেয়, তাদেরও চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ডোজ অ্যাডজাস্ট করে রোজা রাখতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।

হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও হাঁপানি রোগীদের জন্য

হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও হাঁপানি রোগীদের জন্য রোজা উপকারী। রোজার ফলে রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। তা ছাড়া রোজা রাখার কারণে স্ট্রেস হরমোন করটিসেলের নিঃসরণ কমে।

এতে বিপাক ক্রিয়া ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। রোজার ফলে মস্তিষ্কের সেরিবেলাম ও লিমরিক সিস্টেমের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ে বিধায় মনের অশান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর হয়, কর্মোদ্দীপনাও বাড়ে, যা উচ্চ রক্তচাপের জন্য মঙ্গলজনক। অধিকাংশ হাঁপানি রোগীর ক্ষেত্রেই রোজা উপকারী।

অ্যালার্জি, সর্দি-কাশির রোগীদের জন্য

অ্যালার্জি, সর্দি-কাশির রোগীদের রোগের অসিলা দিয়ে অযথা নিজ সিদ্ধান্তে রোজা না রাখার কোনো ভিত্তি নেই। এসব রোগে ব্যবহৃত এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টোমিন কিংবা স্টেরয়েড স্প্রে দিনে দু'বার বা একবার খেলে বা ব্যবহার করলেই চলে। তবে খানাখাদ্যের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

পরিপাকতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে

রোজা রাখা সময়টাতে সর্বক্ষণ চলতে থাকা পরিপাকতন্ত্রটি একটু হলেও বিশ্রাম পায়। তবে অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন পুরো দিন রোজা রেখে একসাথে অনেক খাবার খেয়ে ফেলবেন না যেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের জন্য

রোজার সময় যেহেতু দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকতে হয়, তাই কারও কারও পানি স্বল্পতা হতে পারে। যা কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের জন্য সমস্যার ব্যাপার। তারা ইফতার ও সেহরিতে প্রচুর পরিমাণ পানি, ডাবের পানি, ফলের রস, শরবত, শাক-সবজি, সালাদ, ইসবগুলের ভুসি খেলে আরাম করে রোজা রাখতে সমস্যা হবে না। গরু বা খাসির গোশত, ইলিশ ও চিংড়ি মাছ এবং যেসব খাবার খেলে মল শক্ত হয়ে যায় তা না খাওয়াই ভালো।

রোজার বিষয়ে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী ডা. শেলটন বলেছেন, উপবাসকালে শরীরের মধ্যকার প্রোটিন, ফ্যাট, শর্করাজাতীয় পদার্থগুলো স্বয়ং পাচিত হয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলোর পুষ্টি বিধান হয়। এই পদ্ধতিকে 'অ্যাস্টোলিসিস' বলা হয়।


স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী ডা. আব্রাহাম জে হেনরি রোজা সম্পর্কে বলেছেন, রোজা হলো পরমহিতৈষী ওষুধ বিশেষ। কারণ রোজা পালনের ফলে বাতরোগ, বহুমূত্র, অজীর্ণ, হৃদরোগ ও রক্তচাপজনিত ব্যাধিতে মানুষ কম আক্রান্ত হয়।

স্বাস্থ্য গবেষকদের মতে, সারা বছর অতিভোজ, অখাদ্য, ভেজাল খাদ্য খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে যে জৈব বিষ জমা হয় তা দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এক মাস রোজা পালনের ফলে তা সহজেই দূরীভূত হয়ে যায়।

 #নতুন_চুল গজানোর 8 টি উপায়!চুল পড়ে যাচ্ছে অথবা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে এমন সমস্যা অনেকেরই। এই সমস্যা থেকে মুক্তি ...
12/04/2020

#নতুন_চুল গজানোর 8 টি উপায়!

চুল পড়ে যাচ্ছে অথবা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে এমন সমস্যা অনেকেরই। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দুটি কাজ করতে হবে। একটি হলো চুল ঝরে যাওয়া রোধ করা, অপরটি নতুন চুল গজানো। চুল ঝরে যাওয়া রোধ করা নিয়ে আমরা প্রায়ই বিভিন্ন লেখালেখি দেখি। সেই তুলনায় নতুন চুল গজানোর উপায় নিয়ে জানার সুযোগটা কম। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে নতুন চুল গজানো সম্ভব।

মূলত, আমাদের বয়স বাড়ার কারণে অথবা বংশগত বা পরিবেশের প্রভাবে চুল পড়ে যেতে থাকে। এ কারণে আমাদের মন তো খারাপ হয়ই, আবার মনে হয় যদি কৈশোরের মতো চুল আবার হতো কোনো ভাবে। আমাদের মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পে যদি আমরা উদ্দীপনা দিতে পারি, তাহলে মাথায় নতুন চুল গজানো সম্ভব। প্রতিটি চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালনের ব্যবস্থা রয়েছে। এটাকে যদি বাড়ানো যায়, তাহলেও নতুন চুল গজানো সম্ভব।

প্রথম উপায় হলো ম্যাসাজ করা। নিয়মিত চুল ম্যাসাজ করতে হবে। এতে করে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং স্ক্যাল্প উদ্দীপিত হবে। এক টেবিল চামচ ভিটামিন ই নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করতে থাকুন। ভিটামিন ই চুলের জন্য প্রয়োজনীয় নিউট্রিশন এর যোগান দেয়। ভিটামিন ই এর সাথে চা এর নির্যাস যোগ করতে পারেন। এই দুটো ভালো ভাবে মিশিয়ে হাতের তালু এবং আঙ্গুলের সাহায্যে পুরো মাথার চুলের গোড়ায় গোড়ায় লাগিয়ে নিন। ৫-৬ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিন। চুলগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে সম্পূর্ণ চুল আঁচড়ে নিন।

কিছুক্ষণ পর সাধারণ ভাবে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুল গজানোর জন্য দিনে ৩ বার ম্যাসাজ করতে হবে এই নিয়মে। কিন্তু বারবার শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ক্ষতি হবে।

দ্বিতীয় উপায়

চুলের গোঁড়ায় হেয়ার ফলিকল থাকে। ভাইব্রেশনের মাধ্যমে যদি ফলিকল উদ্দীপিত করা যায় তবে নতুন চুল গজানো সম্ভব। বাজারে ভাইব্রেটিং ম্যাসেজার কিনতে পাওয়া যায়।

এর সাহায্যে আপনি স্ক্যাল্পে চক্রাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাথায় ভাইব্রেটিং ম্যাসাজ নিতে পারেন। যে জায়গায় বেশি চুল পড়ে যাচ্ছে, তাতে বেশি মনোযোগ দিন। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট আপনার স্ক্যাল্প ভাইব্রেট করুন।
ভালো ফল পেতে এটাও আপনাকে দিনে ৩ বার করতে হবে।

তৃতীয় উপায়

এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে যেটা আপনার স্ক্যাল্পের মৃত কোষগুলো ঝরে যেতে সাহায্য করবে। এই মৃত কোষগুলো স্ক্যাল্পের ফলিকল ব্লক করে রাখে, যে কারণে নতুন চুল গজানোর পথে বাঁধা দেয়। কেননা তখন স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। অল্প পরিমাণ শ্যাম্পু নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ়ের মত করে লাগিয়ে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

এটা দিনে একবার করতে হবে।

চতুর্থ উপায়

এই পদ্ধতি হল মেডিকেশন। চুলের জন্য ওষুধ। অনেক গবেষণার পর ফেনাস্টেরাইড আর মিনোক্সিডিল নামের দুটো ওষুধ চুল গজানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। দুটি ওষুধের-ই সাইড ইফেক্ট আছে। মিনোক্সিডিল এর দুইটা কনসেনট্রেশন পাওয়া যায়। ২% আর ৫%। ২% মিনোক্সিডিল মেয়েদের জন্য আর ৫% মিনোক্সিডিলছেলেদের জন্য। এটা বাজারে জেনোগ্রো নামে পাওয়া যায়। স্প্রে করে মাথার স্ক্যাল্পে দিতে হয়।

এই উপায় ছাড়াও আপনাকে খাদ্যাভ্যাস আর কিছু সাধারণ যত্ন নিতে হবে।

নতুন চুল গজানোর জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন

(১) প্রোটিন

পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন – আমাদের চুল মূলত কেরাটিন দিয়ে গঠিত। এটি অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি এক ধরণের প্রোটিন। তাই নতুন চুল গজানোর জন্যে অবশ্যই আপনার শরীরকে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করতে হবে। মাছ, মাংস, পনির, দুধ, ডিম – আপনার খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই এগুলোর অন্তত একটি রাখার চেষ্টা করুন।

সয়াবিন, মটরশুঁটি, কলা, বাদাম ইত্যাদি থেকেও পেতে পারেন। তবে নন-ভেজিটেরিয়ান খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

(২) আয়রন আর জিঙ্ক

আয়রন আর জিঙ্ক আপনার মাথার কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে নিতে সহায়তা করবে আর নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষয়রোধে সহায়তা করবে। পরিমিত পরিমাণে আয়রন আর জিঙ্ক নতুন এবং দ্রুত চুল গজানোর জন্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মটরশুঁটি, বাদাম, কলিজা, মাংস, দুধে আপনার প্রয়োজনীয় জিংক আর আয়রন বিদ্যমান।

(৩) ভিটামিন সি

পেয়ারা, লেবু, কমলা, আনারস, কামরাঙা, কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক।

(৪) কালোজিরা

কালোজিরা নতুন চুল গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার খুব ভালো ফল দেয়।

কিছু সাধারণ যত্ন

১. নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা এবং আঁচড়ানো। কিন্তু অতিরিক্ত আঁচড়ানো চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়।
২. পেঁয়াজ এর রস চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০ মিনিট রাখুন | নিয়মিত ব্যবহার করলে নতুন চুল গজাবে।

৩. মেহেদি পাতা কিছু দিন ঘন ঘন ব্যবহার করুন। পাতা বেটে লাগিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৪. শুকনা আমলকি পানিতে ভিজিয়ে লাগাতে পারেন।
৫. খাঁটি কালো জিরা তেল বা নির্যাস বেশি বেশি ব্যবহার করতে পারেন।

কথায় বলে যতনে রতন মেলে। নিয়মিত যত্ন নিন, পদ্ধতিগুলো মেনে চলুন। দেখবেন আপনার মাথায় নতুন চুল গজাতে শুরু করেছে।

 #দাড়ি না গজালে কী করবেন?কৈশোর পেরিয়ে পা রেখেছেন যৌবনে। কিন্তু আপনার মুখে দাড়ির দেখা নেই। আবার অনেকে ছেলেদের ক্ষেত্রে দে...
11/04/2020

#দাড়ি না গজালে কী করবেন?

কৈশোর পেরিয়ে পা রেখেছেন যৌবনে। কিন্তু আপনার মুখে দাড়ির দেখা নেই। আবার অনেকে ছেলেদের ক্ষেত্রে দেখা যায় মুখে দাড়ি গজিয়েছে কিন্তু তাকে পরিপূর্ণভাবে দাড়ি গজানো বলে না।
কোথাও অল্প দাড়ি, কোথাও আবার তা-ও নেই। এ নিয়ে সমস্যায় ভোগেন অনেক কিশোর কিন্তু লজ্জায় হয়তো বলতেও পারেন না।

জেনে রাখা ভালো এটি কোনো স্থায়ী সমস্যা নয়। এই সমস্যা থেকে আছে মুক্তির উপায়।

অনেকের ধারণা দাড়ি কাটলে দাড়ি ঘন হয়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। শুরুর দিকে দাড়ি যতটা বাড়ে, বাড়তে দিন। ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ পরে ছাঁটুন।
আসুন জেনে নেই দাড়ি না গজালে কী করবেন।
মুখের যত্ন নিন
মুখের যত্ন নিন। ভালো করে ঘষে ত্বকের ওপর থেকে মৃত কোষ দূর করার চেষ্টা করুন। এর ফলে নতুন দাড়ি গজানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে।
চামড়া পরিষ্কার
মুখের চামড়া পরিষ্কার রাখুন। অন্তত সকালে ও সন্ধ্যায় একবার করে গরম পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিন। ক্লিনজিং মিল্ক ব্যবহার করলে আরও ভালো।
ইউক্যালিপটাস
ইউক্যালিপটাস দেয়া আছে, এই রকম ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে দ্রুত দাড়ি গজাবে।
পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজের রস মুখের ওপর লাগালে দাড়ি বাড়তে সাহায্য করে। পেঁয়াজের মধ্যে থাকা সালফার এই কাজ করে থাকে।
কোঁকড়ানো দাড়ি
বিক্ষিপ্তভাবে কোঁকড়ানো দাড়ি থাকলে, তা কেটে ফেলুন। এগুলো সুষমভাবে দাড়ি বৃদ্ধিতে সমস্যা তৈরি করে।
বিশ্রাম নিন
সারা দিনে যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রাম নিন। তার ফলে ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো সেরে উঠবে। দ্রুত দাড়ি গজাবে।
স্ট্রেস কমান
স্ট্রেস কমান। শুনতে আশ্চর্য লাগলেও, বিজ্ঞানীরা বলছেন, চাপ কমলে বা রিল্যাক্সড থাকলে দাড়ি গজায় তাড়াতাড়ি।
শরীরচর্চা
শরীরচর্চা করুন। তার ফলে মুখমণ্ডলে রক্ত-সঞ্চালন বাড়ে, যা দাড়ি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
ভিটামিন
খাদ্য তালিকায় নিয়মিত ভিটামিন ও মিনারেলযুক্ত ফল এবং শাকসবজি রাখুন। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স দাড়ি বাড়ানোয় সাহায্য করে। চিকিৎসকের পরামর্শমতো নানা ধরনের হেলথ সাপ্লিমেন্ট ও ভিটামিন খেয়েও দাড়ির বৃদধি পয়।

 #ত্বকের_যত্নে দুধের ৫ ব্যবহারচিকিত্সকদের মতে, রাতে উষ্ণ দুধ খেয়ে শুতে পারলে ভাল ঘুম হয়। একই সঙ্গে ত্বক কোমল ও দীপ্তিময় ...
09/04/2020

#ত্বকের_যত্নে দুধের ৫ ব্যবহার

চিকিত্সকদের মতে, রাতে উষ্ণ দুধ খেয়ে শুতে পারলে ভাল ঘুম হয়। একই সঙ্গে ত্বক কোমল ও দীপ্তিময় হয়ে ওঠে। বেকফাস্টেও দুধ খেতে পারেন। যারা সকালে জিম বা শরীরচর্চা করেন, তাদের জন্য ব্রেকফাস্টে দুধ অপরিহার্য।
তবে শুধু শরীর-স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, আমাদের ত্বকের জন্যেও দুধ অত্যন্ত উপকারী! আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক...
১) শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় দুধ অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ত্বকের রুক্ষ, শুষ্ক ভাব কাটাতে ১ কাপ দুধের সঙ্গে একটা কলা চটকে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এ বার এই প্যাক ৩০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ফল পাবেন হাতেনাতে।
২) ত্বকে ট্যান পড়েছে? ত্বকের ট্যান তুলতে আধা কাপ দুধের সঙ্গে সমপরিমাণ গ্রিন টি মিশিয়ে নিন। এ বার এই মিশ্রণ তুলোয় ভিজিয়ে গোটা মুখে আলতো করে মাখিয়ে নিন। তার পর মিনিট পনেরো রেখে জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন স্নানের আগে এই পদ্ধতি কাজে লাগালে দ্রুত ফল পাবেন।
৩) ক্লিনজার হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোয় করে দুধ গোটা মুখে আলতো করে মাখিয়ে নিন। আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে মিনিট দশেক মালিশ করে উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন।
৪) ত্বকের ডেড সেল বা মরা চামড়া তুলতে দুধ ও মধু মিশিয়ে মিনিট পনেরো স্ক্রাব করুন। তার পর উষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে নিন। ফল পাবেন হাতেনাতে।
৫) পায়ের গোড়ালির ত্বক রুক্ষ আর শক্ত? হালকা উষ্ণ দুধে ও জল মিশিয়ে তার মধ্যে পা ডুবিয়ে কিছু ক্ষণ (অন্তত ১৫-২০ মিনিট) বসে থাকুন। তার পর হালকা করে ঘষে নিন। দেখবেন পায়ের গোড়ালি নরম আর পরিষ্কার হয়ে যাবে।

Address

Satkhira
9455

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gazi Academy Medical Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Gazi Academy Medical Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram