13/04/2026
রেডমিট সহ প্রাণীজ খাদ্য নিয়ে যারাই ফেসবুকে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আসে সেখানে দেখা যায় প্রবাসীগণ তাদের ধোলাই দিচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের। কারণ তারা আসলে চাক্ষুষ দেখেন ব্যাপারটা। এজন্য সত্যটা সহজেই তারা বুঝতে পারছেন। এদেশে প্রাণীজ খাদ্য সহজলভ্য না, মানুষের অভ্যাস কম। তাই এর উপর ঐ ভন্ডগুলো মাংস নিয়ে মিথ্যাবাজি শুরু করলে মানুষ সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে যায়।
একটা অসুস্থ লোককে এনে হাজির করে তারপর তাকে দিয়ে বলায় গরুর মাংস, খাসির মাংস খাওয়া নিষেধ, প্রাণীজ তেল হার্টের ক্ষতি করে - এই-সেই! পুরো পিকচারের এক কোণা দেখিয়ে মানুষকে এভাবে বিভ্রান্ত করে। ঐ লোকের জীবনযাপনে, খাদ্যাভাসে কী কী ভুল ছিল সেসব কিছুই দেখাতে পারে না।
যাইহোক, আগে সত্য কথা বলার মানুষ ছিল না। ওরা সহজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করে দিত। এখন আলহামদুলিল্লাহ সৎ মানুষরা সক্রিয় থাকছেন। ফলে দেশের মানুষও সচেতন হচ্ছেন। প্রাণীজ খাদ্য যে কতটা স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে সত্যটা সকলের সামনে আসছে।
লাল মাংস সহ সবরকম প্রাণীজ খাদ্য পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাদ্য। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ এসব ঐতিহ্যবাহী খাদ্য খেয়ে থ্রাইভ করছে। আধুনিক সময়ে যেসব জাতি রেডমিট, হেলদি স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ খাদ্য, প্রাণিজ খাদ্য খাচ্ছে যেমন- হংকং, মংগোলিয়া, আরব, আফগানিস্তান, ফ্রান্স তারা সুস্থ-শক্তিশালীভাবে বাঁচছে। এটাই ফ্যাক্ট!
যারাই এর বিপরীতে মানুষকে ভুংচুং বুঝাতে আসবে তাদের জ্ঞানের অভাব থাকলে সুন্দরমতো সত্যটা বুঝান, আর ভন্ডামি করতে আসলে কঠিন ধোলাই দিন!
সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই গবাদিপশু পালন করুন।
শিশুদের ছোট থেকেই পশুর যত্ন নেয়া, মাংস প্রসেস করা ও হেলদিভাবে রান্না করে খাওয়া শিক্ষা দিন। বাকীসব এমনিই হবে।
আর যদি ঘুমিয়ে থাকেন তাহলে রেডি থাকেন: ওরা আপনার প্রাণী জবাই করে খাওয়ার ওপর 'নিষ্ঠুর' ট্যাগ মারবে, আপনার মাংস খাওয়া ব্যান করবে, পশু হত্যা করলে জেলে ভরবে। তারপর ফ্যাক্টরিতে উৎপাদিত আর্টিফিশিয়াল মাংস খেতে বাধ্য করবে সবাইকে!
এখনি যে চারদিকে মাংস খাওয়া নিয়ে প্রপাগাণ্ডা শুরু হয়েছে, উগ্র ভেগান মতবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে - সেটা ত কেবল শুরু মাত্র!
Mission: Captain Green
📺 Youtube-
💻 page-
📱 Facebook ID-
🟢 Whatsapp- wa.me/8801768788932
📱 Instagram-
📱 Upscrolled-