Dr. T. Tamanna

Dr. T. Tamanna Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. T. Tamanna, Obstetrician-gynaecologist, MH Tower, Jogaimore, Sirajganj.

08/12/2025

আমাদের দাদী নানীদের ১০-১২ জন করে বাচ্চা ছিল,আর আমাদের জেনারেশন এর এই অবস্থা কেন?

আগে তো এত সমস্যা ছিল না, এখন ঘরে ঘরে PCOS কেন?

চলুন দেখে নেই, ৫০-৬০ বছর আগে নারীদের লাইফস্টাইল কেমন ছিল?

✅ডায়েট :

আগেকার সময়ে সবাই যা খেত, ফ্রেশ খেত।
খাবারের প্রাচুর্য ছিল না, ফ্রিজ ছিলনা। তাই চাইলেই যখন তখন ইচ্ছামত খাওয়া যেত না।
এখনকার মত এত বাহারি প্রসেসড ফুড, packaged food ছিল না।

মাটি ছিল উর্বর, কেমিক্যাল ফার্টিলাইজার ইউজ করতে হত না বললেই চলে। শাকসবজি, শস্য সবকিছুর মধ্যেই নিউট্রিশনাল কন্টেন্ট এখনকার চেয়ে অনেক বেশি ছিল।

আর আমাদের জেনারেশন বড়ই হয়েছে unhealthy diet এর মধ্য দিয়ে।

Commercial biscuit, instant noodles, শিঙ্গাড়া - সমুচা, এগুলো ছোটবেলা থেকেই আমাদের নিত্যদিনের খাবার।

অতিরিক্ত সার - কীটনাশক use করার ফলে আমাদের শাকসবজি, শস্য তে এখন আর আগের মতো নিউট্রিশন নেই।

✅ফিজিক্যাল একটিভিটি:

ঘরে বাইরের কাজ নিয়ে মেয়েরা প্রচণ্ড এক্টিভ থাকত।
ঢেঁকি তে ধান ভানা, কলসী কাখে পানি নিয়ে আসা, মশলা বাটা , পুকুরে সাঁতার কাটা , গাছে চড়া এগুলো strenous একটিভিটি।

ফিজিক্যাল একটিভিটি যে শরীরের জন্য কত দরকার, তা বলে শেষ করা যাবেনা আসলে।

আর আমাদের জেনারেশন ছোটবেলা থেকেই ঘরবন্দী।

ফিজিক্যাল একটিভিটি মানেই "Gym করা" হয়ে দাঁড়িয়েছে, কি একটা অবস্থা!

✅স্লিপ সাইকেল:

ইলেক্ট্রিসিটি ছিল না, টিভি - মোবাইল ছিল না। সূর্য ডুবে গেলেই, কাজ শেষ করে সবাই ঘুমিয়ে যেত এবং পরদিন সূর্য উঠলেই আবার একটিভিটি স্টার্ট হত।

আর আমাদের? রাতেই যত কাজ! রাত ১-২ টা না বাজলে ঘুম আসেনা।

প্রকৃতির সাথে কোনো synchronization নেই আমাদের। Body clock confused থাকে সবসময়!

✅স্ট্রেস :

তখন কার সমাজ টা খুব সুন্দর ছিল। বিশাল FAMILY, পাড়া প্রতিবেশী দের মধ্যেও খুব ভাল সম্পর্ক থাকত। এই ধরনের রিলেশনশিপ এবং সোশ্যাল acitivities স্ট্রেস কমাতে খুব হেল্প করে।

সেই সাথে nature এর মধ্যেই দিনের অধিকাংশ সময় পার হত। বড় বড় উঠান, গাছপালা, পুকুর এগুলোর কাছাকাছি থাকা হত, স্ট্রেস রিলিভ হত।

✅রেডিয়েশন:

গ্যাজেটস ছিল না বলে এক্সট্রা কোন রেডিয়েশন ছিল না।

আর আমরা এখন বাস করছি 5G এর যুগে।

সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন, বাসায় WIFI রাউটার। এগুলো থেকে নির্গত রেডিয়েশনে শরীরের ক্ষতি হচ্ছে।

✅XENOESTROGEN chemicals:

তখন ছিল না হাজার রকমের কসমেটিকস।
সাজসজ্জা বলতে বাসায় বানানো কাজল আর ঠোঁট রাঙানো হত পান খেয়ে।

আর আমাদের এখন ঘর ভর্তি কসমেটিকস।

এই কসমেটিকস গুলো থেকে harmful xenosestrogen শরীরে ঢুকে যাচ্ছে, ক্ষতি করছে আমাদের হরমোনাল হেলথ এর।

হ্যাঁ, সেই যুগের অনেক অনেক challenges ছিল, তবে তাদের হেলথ ভাল থাকার, ফার্টিলিটি ভাল থাকার পেছনে উপরের কারণ গুলোই রেসপনসিবল।

তারা বেঁচে ছিল প্রকৃতি করে আলিঙ্গন করে, তাই সুস্থ থাকতে পারতেন।

আর আমাদের লাইফস্টাইল টা এখন এত্ত বেশি messed up! আমরা প্রতিনিয়ত প্রকৃতির বিরুদ্ধে যেয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছি।

তাই এখন সময় আমাদের লাইফস্টাইল টা ঠিক করে নিয়ে আসার, নিজেদের শরীরকে ঠিক করে নিয়ে আসার।

আগের যুগের লাইফস্টাইল এ হয়ত আমরা পুরোপুরি ফিরে যেতে পারব না, তবে

👉Early ঘুমাতে পারব,

👉harmful processed খাবার গুলো avoid করতে পারব,

👉intentionally nutritious food গুলো খেতে পারব

👉 ফিজিক্যাল একটিভিটি বাড়াতে পারব

👉 আরো বেশি nature এর কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করতে পারব।
👉 Xeno estrogen chemicals avoid করতে পারব।

👉 ডিভাইস কম ইউজ করতে পারব।

এখনই যদি নিজেদের লাইফস্টাইল ঠিক করে নিয়ে না আসি, জীবনের বড় একটা সময় চলে যাবে হাসপাতাল এ দৌড়াতে দৌড়াতে আর ওয়ালেট ফাঁকা হয়ে যাবে ওষুধ- সাপ্লিমেন্ট এর পিছনেই।

তাই এখন সময় আমাদের লাইফস্টাইল টা ঠিক করে নিয়ে আসার, নিজেদের শরীরকে ঠিক করে নিয়ে আসার।

নিজেদের সময়, এনার্জি ইনভেস্ট করতে হবে ভাল থাকার পেছনে, ইন শা আল্লাহ। ♥️

Written By,
Dr-Tasfina Haque Toma ,

নিউইয়র্ক-প্রেসবিটেরিয়ান এবং কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থায় মায়ের অতিরিক্ত শারীরিক বা...
04/12/2025

নিউইয়র্ক-প্রেসবিটেরিয়ান এবং কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থায় মায়ের অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক চাপ অনাগত সন্তান জন্মের সম্ভাবনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। 'পিএনএএস' জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েরা গর্ভাবস্থায় বেশি চাপে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে ছেলে ভ্রূণ টিকে থাকার হার কমে যায় এবং পরিসংখ্যানগতভাবে মেয়ে সন্তান জন্মের হার বৃদ্ধি পায়।

গবেষণার প্রধান ড. ক্যাথরিন মঙ্ক জরায়ুকে শিশুর প্রথম ও প্রভাবশালী আবাসস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ১৮৭ জন গর্ভবতী নারীর ওপর চালানো এই জরিপে দেখা গেছে, যারা গর্ভাবস্থায় তীব্র মানসিক বা শারীরিক চাপের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন, তাদের মধ্যে মেয়ে শিশু জন্মের অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।

এর কারণ হিসেবে গবেষকরা জানান, পুরুষ ভ্রূণ জরায়ুর প্রতিকূল পরিবেশের প্রতি তুলনামূলক বেশি সংবেদনশীল বা দুর্বল হয়ে থাকে। অতিরিক্ত চাপের ফলে গর্ভাবস্থার একদম প্রাথমিক পর্যায়েই ছেলে ভ্রূণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা অনেক সময় মায়েদের অগোচরেই ঘটে যায়। অতীতেও নিউইয়র্ক সিটিতে ৯/১১-এর মতো বড় বিপর্যয়ের পর ছেলে শিশু জন্মের হার কমে যাওয়ার নজির দেখা গিয়েছিল, যা এই গবেষণার ফলাফলকে সমর্থন করে।
(সংশোধিত)

রোগী বাড়ি থেকে পিঠা গুলো পাঠিয়েছেন। এগুলোর রেসিপি জানলে দেন। দেখতে বাচ্চা পিঠা মনে হলেও খেতে কিন্তু ভালোই হয়েছে 😑
13/11/2025

রোগী বাড়ি থেকে পিঠা গুলো পাঠিয়েছেন।
এগুলোর রেসিপি জানলে দেন। দেখতে বাচ্চা পিঠা মনে হলেও খেতে কিন্তু ভালোই হয়েছে 😑

মেয়েটার বিয়ে হয়েছে ৩ মাস!আমার কাছে এসেছে মাথা ঘুরানো..বমি ভাব নিয়ে!হিস্ট্রি নিয়ে জানলাম তার পিরিয়ডও বন্ধ আড়াইমাস!স্বাভা...
13/11/2025

মেয়েটার বিয়ে হয়েছে ৩ মাস!আমার কাছে এসেছে মাথা ঘুরানো..বমি ভাব নিয়ে!হিস্ট্রি নিয়ে জানলাম তার পিরিয়ডও বন্ধ আড়াইমাস!

স্বাভাবিক ভাবেই তাকে জিজ্ঞেস করলাম - প্রেগনেন্সি টেস্ট করিয়েছে কিনা!সে জানাল -তেমন সম্ভাবনা নেই!কারণ সে বড়ি খায়!
জন্মনিয়ন্ত্রন বড়ি খেলেও মাথা ঘুরানো..বমি ভাব হতে পারে!কিন্তু যখন শরীরের সাথে মানিয়ে যায় তখন এ সমস্যা গুলোও সেরে যায়!
যেহেতু পিরিয়ড বন্ধ অবশ্যই বড়ি খাওয়াতে কোন ঘাপলা আছে!তাকে জিজ্ঞেস করলাম-বড়ি কিভাবে খান বলেন তো?
লজ্জা লজ্জা মুখে তিনি জানালেন- ক্যান ম্যাডাম..একদিন পর পর!!!

হায় আল্লাহ্ কয় কি!উত্তর শুনে আমারি মাথা ঘুরছে!!

আপনাকে কে এভাবে খেতে বলেছে? বড়ি খাওয়ার নিয়ম তো প্রতিদিন একটা করে!যদি কোনদিন ভুলে যান তাহলে পরদিন যখনি মনে পড়বে সংগে সংগে খেয়ে নিতে হবে!যান প্রেগনেন্সি টেস্ট করে আসেন!

টেস্টের রিপোর্ট যা ভেবেছি তাই!পজিটিভ!আল্ট্রা করে দেখলাম আড়াই মাস!!
সব কিছু বুঝিয়ে বলার পর সে খুব অবাক! আনমনে নিজে নিজেই বলছে- প্রতিদিন খেতে হবে!!!
তারপর কিছুটা অবিশ্বাস নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করলেন -তাহলে ম্যাডাম..আমার চাচী শ্বাশুড়ি যে বলল একদিন পর পর খেলেই হয়!প্রতিদিন খাওয়া লাগে না!
:আপনার চাচী শ্বাশুড়ি কি এসেছেন আপনার সাথে?
মেয়েটার হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়ানো দেখে তাকে ডেকে নিয়ে আসতে বললাম!

পন্ডিত চাচী শ্বাশুড়ি আরো এক ধাপ এগিয়ে!! তিনি শুধু সেই স্পেশাল দিনগুলোতে বড়ি খান!!

খুব কনফিডেন্টলি বললেন- ম্যাডাম আমার ১২ বছরের অভিজ্ঞতা !!কৈ কখনো তো কোন ঝামেলা হয়নি!

১২ বছরের অভিজ্ঞতা আর কনফিডেন্স দেখে আমি চুপসে গেলুম!!

উল্লেখ্য উনার ৫ খানা বাচ্চা কাচ্চা!!ঝামেলা কেমনে হৈলো না সেটাই বুঝিতে পারলুম না!!
তবুও মুখ বন্ধ রাখাই শ্রেয়..!!১২ বছরের অভিজ্ঞতা বলে কথা!!!!

যাহোক, চাচী শ্বাশুড়ি সহ বৌ কে “পরিবার পরিকল্পনা” নিয়ে সম্যক ধারণা দিয়ে আমি “পড়িবার পরিকল্পনা” করতে লাগলুম..................😜

কমেন্ট সেকশনে আপনার অনুভূতি জানান আমাদের। 😄

-বয়স কত চাচী আপনার?-চল্লিশ।-চল্লিশ? বেশী হবে মনে হয় একটু।-না। চল্লিশই।-তাইলে তো আপনি আমার চেয়েও ছোট!-হওয়া পারে। ওগে-শোকে...
13/11/2025

-বয়স কত চাচী আপনার?
-চল্লিশ।
-চল্লিশ? বেশী হবে মনে হয় একটু।
-না। চল্লিশই।
-তাইলে তো আপনি আমার চেয়েও ছোট!
-হওয়া পারে। ওগে-শোকে চেহারা তাই ইঙ্ক্যা হছ্যে।
-বাচ্চা কয়টা আপনার?
-ছ'ডা।
-ছোট বাচ্চার বয়স কত?
-ছোল ছোড নাই তো! সেয়ানা হছ্যে।
-ছয়টার মধ্যে সবশেষ বাচ্চার বয়স কত?
-হবি তাও তো তিরিশ বচ্ছর।
-ছোট বাচ্চার সাথে আপনার বয়সের পার্থক্য তাইলে দশ বছর।
-হওয়া পারে। ছোডতি বিয়া হ্যছলো তো!
-হুম। তাইলে তো চাচী আপনার বড় বাচ্চার বয়স আপনার থেকে একটু বেশীই হবে।
-হওয়া পারে। ছোডতি বিয়া হয়্যাই ছোল প্যাটোত আচ্চে!

মায়ের শরীরে সন্তানের কোষ সারাজীবন থাকেগর্ভাবস্থায় মা এবং সন্তানের মধ্যে শুধু খাবার আর অক্সিজেনই আদান প্রদান হয় না। তা...
11/11/2025

মায়ের শরীরে সন্তানের কোষ সারাজীবন থাকে

গর্ভাবস্থায় মা এবং সন্তানের মধ্যে শুধু খাবার আর অক্সিজেনই আদান প্রদান হয় না। তাদের কোষও একে অপরের শরীরে প্রবেশ করে।

সন্তান জন্মের পর মায়ের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, কিন্তু কোষগুলো থেকে যায়। বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মায়ের মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড, ফুসফুস এমনকি ত্বকেও ছড়িয়ে থাকে সন্তানের কোষ। কখনো কখনো মৃত্যু পর্যন্ত।

এই ঘটনাকে বলা হয় মাইক্রোচিমেরিজম। গ্রিক পুরাণের কাইমেরা নামক প্রাণীর মতো, যার শরীরে ছিল বিভিন্ন প্রাণীর অংশ।

আরও অবাক করা বিষয় হলো, এই বিদেশি কোষগুলো নিষ্ক্রিয় নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, মায়ের শরীরে কোনো ক্ষত হলে সন্তানের কোষগুলো সেখানে ছুটে যায় এবং সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। মায়ের হৃদরোগ হলে সন্তানের কোষ হৃদযন্ত্রের টিস্যু মেরামতে অংশ নেয়।

প্রকৃতি যেন নিশ্চিত করতে চায়, মা এবং সন্তানের বন্ধন শুধু আবেগের নয়, শারীরিকভাবেও তারা চিরকাল সংযুক্ত।

মাতৃত্ব আসলেই এক অলৌকিক বিজ্ঞান।

মনে হয় হাতে একটা স্বচ্ছ জেলির বুদবুদ রাখা আছে অথচ আসলে সেটাই একজন নারীর ডিম্বাশয়ের ভেতর থেকে বের হওয়া ওভেরিয়ান সিস্টনারী...
11/11/2025

মনে হয় হাতে একটা স্বচ্ছ জেলির বুদবুদ রাখা আছে অথচ আসলে সেটাই একজন নারীর ডিম্বাশয়ের ভেতর থেকে বের হওয়া ওভেরিয়ান সিস্ট

নারীদের শরীরে এই সিস্টগুলো অনেকটা নীরব ঘাতকের মতো তৈরি হয় শুরুতে হয়তো কোনো উপসর্গই থাকে না কিন্তু একসময় নিচের পেটের ব্যথা মাসিকের অনিয়ম কিংবা ফাঁপা অস্বস্তি জানান দিতে শুরু করে কারও ক্ষেত্রে হঠাৎ তীব্র ব্যথা দেখা দেয় কারণ সিস্ট ফেটে যায় বা পাক খেয়ে জরুরি অবস্থা তৈরি করে।

অনেকেই লজ্জা কিংবা অবহেলার কারণে বিষয়টা চেপে যান ভাবেন নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু দেরি করে ফেলার পরিণতি হয়ে দাঁড়ায় ভয়াবহ কিছু ক্ষেত্রে এটি টিউমার এমনকি ক্যান্সারের ইঙ্গিতও হতে পারে।

ওভেরিয়ান সিস্ট সবসময় ক্ষতিকর নয় ছোট সিস্ট নিজে নিজেই সেরে যায় আবার কিছু সিস্ট ওষুধে নিয়ন্ত্রণে আসে তবে বড় হলে অস্ত্রোপচার ছাড়া উপায় থাকে না।

তাই নিয়মিত পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে বড় সচেতনতা আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলে সহজেই ধরা পড়ে সময়মতো চিকিৎসা নিলে বিপদ এড়ানো যায়।

লজ্জা নয় সচেতনতা জীবন বাঁচায়
একজন নারী সচেতন হলে বাঁচে পুরো পরিবার।

মায়ের দুধ শুধু খাবার নয়, এতে রয়েছে প্রিবায়োটিক + প্রোবায়োটিক। দুধে থাকা HMOs (Human Milk Oligosaccharides) নামক বিশেষ কা...
06/11/2025

মায়ের দুধ শুধু খাবার নয়, এতে রয়েছে প্রিবায়োটিক + প্রোবায়োটিক। দুধে থাকা HMOs (Human Milk Oligosaccharides) নামক বিশেষ কার্বোহাইড্রেট শুধু উপকারী ব্যাকটেরিয়াকেই খাওয়ায়, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এগুলো খেতে পারে না! ফলে মায়ের দুধ খাওয়ানো শিশুদের গাটে Bifidobacteria প্রচুর বৃদ্ধি পায়, যা ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে!

ফর্মুলা ফিড (Formula Milk) এ HMOs থাকে না! ফলে শিশুর গাটে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি আসে ধীরে বা অসমভাবে! ফর্মুলা খাওয়ানো বেবিদের গাটে উল্টা আবার ক্লস্ট্রিডিয়া, ই-কোলাই, স্ট্যাফিলোকক্কাস এসব ক্ষতিকর জীবাণু বেশি থাকে! যা পরবর্তী জীবনে হজম, ইমিউন ও মেটাবলিক রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে!

তারপর জন্ম থেকে ৩ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর গাট মাইক্রোবায়োম দ্রুত, ব্যাপক ও বৈচিত্র্যময়ভাবে পরিবর্তন হয়। ৩ বছর বয়সে গিয়ে তা প্রায় প্রাপ্তবয়স্কের মতো স্থিতিশীল হয়ে যায়। মানে এই বয়সে গাটে যা কলোনি গড়ে ওঠে, তা অনেকাংশেই সারাজীবন থেকে যায়।
তাই এই ক্রিটিক্যাল সময়ে শিশুদের—
- সবরকম টক্সিক, প্রসেসড, প্যাকেজড ফুড সম্পূর্ণ এড়ানো উচিত
- অ্যান্টিবায়োটিক না দেওয়া উচিত
- ফাইবার-সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাবার ধীরে ধীরে যুক্ত করা উচিত
- মাটি, প্রকৃতি, পশুপাখি এসব প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকা উচিত, কারণ এগুলো ব্যাকটেরিয়ার বৈচিত্র্য বাড়ায়।

শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দিলে শুধু রোগজীবাণু নয়, উপকারী গাট ব্যাকটেরিয়াও মারা যায়। ফলে মাইক্রোবায়োমের অসমতা (Dysbiosis) তৈরি হয়। এতে ভবিষ্যতে অ্যালার্জি, হাঁপানি, স্থূলতা, লিভার ফ্যাট, গাট ডিজঅর্ডার ইত্যাদির ঝুঁকি বাড়ে!

আবার, ভদ্দরনোকি মারানো অতিরিক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান, অত্যধিক স্টেরাইল লাইফস্টাইল মাইক্রোবায়োমের বৈচিত্র্য কমিয়ে একটা "অ্যালার্জিক বডি" তৈরি করে!

প্রকৃতিতে না যাওয়া, মাটি-ঘাস-পানি দেহে না লাগানো, সবকিছুতে সবসময় ডেটল, স্যানিটাইজার, সাবান, স্প্রে ব্যবহার ইত্যাদির কারণে তখন প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া এক্সপোজার ঘটে না। ফলে ইমিউন সিস্টেম ঠিকভাবে শত্রু-বন্ধু শনাক্ত করতে শেখে না। এতে অটোইমিউন রোগ, অ্যালার্জি, অ্যাজমা বাড়ে!

অন্যদিকে, যেসব শিশু প্রকৃতির মাঝে বড় হয়, মাটি-জল-পশুপাখির সঙ্গে সম্পর্ক থাকে, প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার খায় সেসব শিশুদের গাট মাইক্রোবায়োম বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী হয়। তারা সুস্থ-সবলভাবে বেড়ে উঠে, একটা সুন্দর সুস্থ জীবন লাভ করে।

04/11/2025

♦️রাতের বেলা এক রোগী আসলো। যার বায়স ২০ ছিলো। পেটে প্রচুর ব্যথা।পাচঁ মাসের গর্ভ।একটু একটু রক্ত ভাংতিছে।

আল্ট্রা করলাম দেখলাম সুন্দর পাচঁ মাসের বাচ্ছা। নড়াচড়া করছে।বার বার জিজ্ঞেস করলাম আপনার এত ব্যথা হওয়ার কারন কি? কিছু খেয়েছেন কিনা?

কিছু বলল না। আমার একটু সন্দেহ হলো। বললাম আপনার হাসবেন্ড কোথায়? বলল হাসবেন্ডের সাথে রাগারাগি হয়েছে কালকে রাতে। তাই আসে নি সাথে। তখন আমার আরো বেশি সন্দেহ হলো।বললাম আপনি যদি না বলেন কোন কিছু লুকালে আপনাকে অন্য ঔষধ দিলে কিন্তু আপনাকে বাচাঁতে পারব না।

পরে রোগী স্বীকার করলো যে তিনি হাসবেন্ডের সাথে রাগ করে বাচ্ছা নষ্ট করার ঔষধ খেয়েছেন। এর পর থেকেই পেট ব্যথা। আমি মাথায় হাত দিয়ে বসে রইলাম।

পাচঁ মাসের বাচ্ছা নিয়ে মানুষ এমন কাজ করে!!হাসবেন্ডের সাথে রাগ হতেই পারে। তাই বলে এর শাস্তি বাচ্ছা পাবে। এটা কেমন কথা!!

আমার মন টাই ভেঙে গেলো।কারন এখন কোন নিশ্চয়তা নেই।অনেক চেষ্টা করা হয়েছিলো বাচ্ছাটিকে বাচাঁনোর জন্য। মা নিজরে হাতে বাচ্ছা মারার জন্য যা করার দরকার ছিলো করে ফেলছেন।এখন কিছু করেও লাভ নেই।

বাচ্ছাটি রাত ৩ টায় ডেলিভারি হয়ে যায়। বাচ্ছাটি বের হয়েও করেকবার শ্বাস নিলো। এর পর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে চলে গেল। মা বাবার সংসারের ঝামেলার কারনে একটি নিষ্পাপ শিশুর মৃত্যু হলো।

" আজব এই দুনিয়ায় আজব মানুষদের বসবাস।"

কিছু কিছু মানুষ এগুলো বিশ্বাস করতে চান না। নিজের বাচ্ছাকে কেউ এই ভাবে মারতে পারে এমন প্রশ্নই করবেন।কিন্তু বাস্তবতা হলো এটাই সংসারের ঝামেলার কারনে সবই হতে পারে। কিন্তু একজন ডাক্তার সব কিছুর স্বাক্ষী হয়ে থাকেন।

জুম করা নিষেধ।  ৯ মাস চলমান এক সন্তানসম্ভবা পুরুষ শুয়ে আছেন প্রসূতি ওয়ার্ডে 😊
02/11/2025

জুম করা নিষেধ। ৯ মাস চলমান এক সন্তানসম্ভবা পুরুষ শুয়ে আছেন প্রসূতি ওয়ার্ডে 😊

যদি আমি আগেই জানতাম..."নিশ্চুপ হয়ে বসে আছেন এক মা। চোখের সামনে তার শিশুটি—একটুও নড়ছে না কোমর থেকে নিচের দিকে।ডাক্তার বলল...
30/10/2025

যদি আমি আগেই জানতাম..."

নিশ্চুপ হয়ে বসে আছেন এক মা। চোখের সামনে তার শিশুটি—একটুও নড়ছে না কোমর থেকে নিচের দিকে।
ডাক্তার বললেন, “আপনার বাচ্চার জন্ম হয়েছে Spina Bifida নিয়ে… ওর মেরুদণ্ডটা ঠিকভাবে গঠিত হয়নি।”
মায়ের মুখ শুকিয়ে গেল। তিনি শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলেন।

হাসপাতালের করিডরে কেবল একটা কথাই কানে বাজছিল—
“এই ত্রুটি হলে বাচ্চা হয়তো কখনো হাঁটতে পারবে না…”

কেন এমন হলো?
সে তো নিয়মিত খাবার খেয়েছে, প্রার্থনা করেছে, আল্লাহর কাছে সুস্থ সন্তান চেয়েছে।
কিন্তু জানেন কি?
এই ভয়ংকর জন্মগত ত্রুটি—Spina Bifida, অনেক সময় একেবারেই প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল…
একটা ছোট্ট ট্যাবলেট খেলে।
হ্যাঁ, নামটা ফলিক অ্যাসিড (Folic Acid)।

গর্ভাবস্থার শুরুতে বা গর্ভধারণের আগে থেকেই যদি একজন নারী প্রতিদিন মাত্র ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড খেতে পারেন,
তাহলে Spina Bifida ও Neural Tube Defect হওয়ার ঝুঁকি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।

এ রোগে শিশুর মেরুদণ্ড ও স্নায়ুতন্ত্র সঠিকভাবে গঠিত হয় না।
কারও পিঠে দেখা যায় জন্মদাগ বা চুলের গুচ্ছ, কারও ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডের অংশ ফেটে বাইরে বেরিয়ে আসে।
ফলে দেখা দিতে পারে আজীবন চলাচল অক্ষমতা, পায়খানা-প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণে সমস্যা কিংবা মানসিক বিকাশের প্রতিবন্ধকতা।

চিকিৎসা আছে—কিন্তু তা কঠিন, ব্যয়বহুল এবং সবসময় সফল হয় না।
তাই প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় চিকিৎসা।

যেভাবে বাঁচানো যায়—

গর্ভধারণের আগে থেকেই প্রতিদিন ফলিক অ্যাসিড খাওয়া শুরু করুন।

গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাস নিয়মিত চালিয়ে যান।

সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শে চলুন।

মনে রাখবেন
একটি ছোট ট্যাবলেট হয়তো আপনার সন্তানের আজীবনের অন্ধকার থেকে রক্ষা করবে।
এই সচেতনতা একজন মা, একজন পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মকে বাঁচাতে পারে।

চলুন, প্রতিটি গর্ভবতী মায়ের হাতে পৌঁছে দিই এই বার্তাটি।

ছবি: Medical Media

একটা ভিডিও এখন চারদিকে ঘুরছে। একজন মহিলা পুলিশ কনস্টেবল অন ডিউটিতে, ইউনিফম পরে, মাথা একটু হেলানো, চোখ আধো বন্ধ। গরমের মধ...
27/10/2025

একটা ভিডিও এখন চারদিকে ঘুরছে। একজন মহিলা পুলিশ কনস্টেবল অন ডিউটিতে, ইউনিফম পরে, মাথা একটু হেলানো, চোখ আধো বন্ধ। গরমের মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকা, হয়তো ক্লান্তি জমেছে চোখে মুখে। যে কেউ দেখলেই বুঝবে, মানুষটা পরিশ্রান্ত।কিন্তু না আমাদের নোংরা সমাজ সেটা বুঝতে চায় না।

ভিডিওর ক্যাপশন বা নিচে কমেন্ট খুললেই দেখা যায়, উত্তেজিত, মুডে আছে, যৌবনের ঠেলা, সে*ক্স উটে গেছে, এইসব বিকৃত মন্তব্যে ভরে গেছে। যেন মেয়েদের শরীর মানেই কামনা, যেন নারী মানেই প্রলোভনের প্রতীক।

আমাদের চিন্তার মান এখন এত নিচে নেমেছে যে একটা মেয়ের ক্লান্ত চোখকেও আমরা যৌ'নতার চশমা দিয়ে দেখি। একজন মানুষ একটু হেলান দিলেই, একটু নিশ্বাস ফেললেই, একটু চোখ বন্ধ করলেই, আমরা ধরেই নিই ওটা কোনো অশ্লীল ইঙ্গিত।

সিরিয়াসলি? একজন ডিউটি করা নারী পুলিশ, গরমে ঘেমে, মাথা ভার হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন আর তোমরা ভাবছ, তিনি “উত্তেজিত”?

না ভাই, এটা যৌনতা না এটা ক্লান্তি। এটা মানুষের শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া, যখন মন চায় বিশ্রাম, শরীর চায় আরেকটু বাতাস। যে সমাজ একটা ক্লান্ত মেয়ের মুখেও কামনা খোঁজে, সে সমাজ আসলে নিজের পচনটাই প্রকাশ করছে। কিছু মানুষের মন এতটাই বিকৃত হয়ে গেছে যে, তারা নারীকে মানুষ হিসেবে দেখার যোগ্যতাটাই হারিয়েছে।

আমরা ভুলে গেছি একটা নারী পুলিশও মানুষ। তারও ঘুম আসে, বিরক্তি আসে, ক্লান্তি আসে, মাথা ঝিমায়। সব নড়াচড়া, সব দৃষ্টি, সব নিশ্বাসের মানে “সে"ক্স” না।

সময় এসেছে, এই বিকৃত চোখে আয়না ধরার। যৌ'নতার বাইরেও জীবন আছে, অনুভূতি আছে, ক্লান্তি আছে আর সেটা বোঝার মানসিকতা যার নেই, সে-ই আসলে সবচেয়ে অসভ্য।

লেখা - সংগৃহীত

Address

MH Tower, Jogaimore
Sirajganj
6700

Opening Hours

Monday 16:00 - 21:00
Tuesday 16:00 - 21:00
Wednesday 16:00 - 21:00
Thursday 16:00 - 21:00
Saturday 16:00 - 21:00
Sunday 16:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. T. Tamanna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram