Bichmillah H Health Center, Bahirgola Road, Chourasta, Sirajganj

Bichmillah H Health Center, Bahirgola Road, Chourasta, Sirajganj অসহায় মানুষদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সামান্য চেষ্টা করি !

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা চিকিৎসা করো। কারণ যিনি রোগ দিয়েছেন, তিনি তার প্রতিকারের জন্য ওষুধের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।’ এক ব্যক্তি মহানবী (সা.)-কে প্রশ্ন করেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমরা রোগ হলে চিকিৎসা করি, তা কি তাকদির পরিপন্থী নয়?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘না, চিকিৎসা গ্রহণ করাই হলো তাকদির।’

🚭 ধূমপান ছাড়তে সহায়ক ৩০টি হোমিও ঔষধ ও লক্ষণ:❤️👍 যেকোনো ধরনের ব্যাট হ্যাবিট/বদভ্যাস বাদ দিতে হলে আপনাকে অবশ্যই আগে মানসিক...
07/04/2026

🚭 ধূমপান ছাড়তে সহায়ক ৩০টি হোমিও ঔষধ ও লক্ষণ:

❤️👍 যেকোনো ধরনের ব্যাট হ্যাবিট/বদভ্যাস বাদ দিতে হলে আপনাকে অবশ্যই আগে মানসিকভাবে দৃঢ় হতে হবে।
ভালো মন্দের পার্থক্য বুঝতে হবে, তাহলে সেটা ত্যাগ করা আপনার জন্য সহজ হবে।

ধূমপান (Smoking) ছাড়ার জন্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় অনেক কার্যকরী ঔষধ রয়েছে, যা শরীর ও মনের নেশার টান, উদ্বেগ, রাগ, অনিদ্রা, ও নিকোটিন উইথড্রয়াল (Withdrawal) সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
নিচে ধূমপান ছাড়তে সহায়ক ৩০টি হোমিও ঔষধ ও তাদের প্রধান লক্ষণ/উপকারিতা দেওয়া হলো:-

💊1. Tabacum – তামাকের প্রতি প্রবল আসক্তি, মাথা ঘোরা, বমি, বমি বমি ভাব, নেশা ছাড়া অস্থিরতা।

💊2. Nux Vomica – ধূমপান ও মদ্যপানকারীদের জন্য, রাগ, বদহজম, ঘুমের সমস্যা।

💊3. Caladium Seguinum – ধূমপান ও যৌন দুর্বলতায় কার্যকর, তামাকের গন্ধে ঘৃণা সৃষ্টি করে।

💊4. Avena Sativa Q – নেশা ছাড়ার সময় মানসিক ও স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে, ঘুম ভালো আনে।

💊5. Ignatia Amara – উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ও ধূমপান ত্যাগে মানসিক অস্থিরতা।

💊6. Passiflora Incarnata Q – ধূমপান ছাড়ার সময় অনিদ্রা ও স্নায়ু উত্তেজনা কমায়।

💊7. Lobelia Inflata – তামাকের প্রতি বিরাগ তৈরি করে, বুক ভারী লাগা ও বমির ভাব কমায়।

💊8. Arsenicum Album – উদ্বেগ, ভয়, ও ধূমপান ছাড়ার পর দুর্বলতা দূর করে।

💊9. Sulphur – দীর্ঘদিন ধূমপানে আক্রান্তদের ফুসফুস পরিষ্কার করে।

💊10. Staphysagria – ধূমপান বন্ধের পর রাগ ও বিরক্তিভাব কমায়।

💊11. Chamomilla – নেশা ছাড়ার সময় রাগ, চঞ্চলতা, ও অস্থিরতা কমাতে সহায়ক।

💊12. Gelsemium – মানসিক চাপ, ভয় ও দুর্বলতা দূর করে।

💊13. Bryonia Alba – ধূমপান ছাড়ার পর স্নায়ু টান ও মাথা ব্যথায় সহায়।

💊14. Coffea Cruda – ধূমপান ছাড়া অবস্থায় নিদ্রাহীনতা ও মানসিক উত্তেজনা কমায়।

💊15. Phosphorus – দীর্ঘদিন ধূমপানকারীর ফুসফুসে জ্বালাভাব, কাশি ও ক্লান্তিতে উপকারী।

💊16. Antimonium Tartaricum – ধূমপানজনিত কাশি, শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুস দুর্বলতায়।

💊17. Drosera Rotundifolia – গভীর কাশি ও ধূমপানে ক্ষতিগ্রস্ত গলার সমস্যা।

💊18. Cocculus Indicus – ঘুম ঘুম ভাব, স্নায়ু দুর্বলতা ও নেশার প্রভাব কমাতে।

💊19. Argentum Nitricum – ধূমপান ছাড়ার পর অস্থিরতা ও উদ্বেগে সহায়ক।

💊20. China Officinalis – দুর্বলতা, ক্লান্তি ও রক্তস্বল্পতায় সাহায্য করে।

💊21. Natrum Mur – ধূমপান ছাড়ার পর মানসিক বিষণ্ণতা কমাতে।

💊22. Lycopodium Clavatum – দীর্ঘদিনের নেশার কারণে হজম সমস্যা, আত্মবিশ্বাসের অভাব।

💊23. Pulsatilla Nigricans – নরম মনের, মানসিকভাবে নির্ভরশীল রোগীদের জন্য উপযোগী।

💊24. Silicea – শরীর পরিশোধন ও ফুসফুস পরিষ্কার রাখতে সহায়ক।

💊25. Cinchona Officinalis – শক্তি ফেরায়, ধূমপান ছাড়ার পর দুর্বলতা কমায়।

💊26. O***m – ধূমপান ছাড়ার পর মানসিক অস্থিরতা ও ঘুম সমস্যা।

💊27. Kali Phosphoricum – মানসিক ক্লান্তি, স্নায়ু দুর্বলতা ও হতাশা কমায়।

💊28. Graphites – ধূমপানজনিত ত্বক সমস্যা ও হজম সমস্যা।

💊29. Calcarea Carb – ফুসফুস দুর্বলতা ও ধূমপানের পর ক্লান্তি, ঘাম ইত্যাদিতে।

💊30. Carbo Veg – দীর্ঘদিনের ধূমপানে ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুস পরিষ্কার করে ও শ্বাসপ্রশ্বাস উন্নত করে।

🧪বিশেষভাবে উপকারী মাদার টিংচার কম্বিনেশন:

🩻Avena Sativa Q – 15–20 drops × 2–3 times daily (in water)

🩻Passiflora Q – 15 drops × night

🩻Caladium Seguinum Q – 10 drops × 2 times daily

☺️ এই তিনটি একসাথে ব্যবহার করলে ধূমপান ছাড়ার মানসিক টান ও শারীরিক অস্থিরতা দ্রুত কমে যায়।

❤️👍সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।

ডাঃ নাজমুল আলম
বি এইচ এম এস ( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

👄Aphthous Ulcer/(মুখে ঘা) এর হোমিও ঔষধ 👄👅 Borax:-মুখে ঘা খুব ব্যথাযুক্ত ও জ্বালাপোড়া।-গরম বা ঝাল খাবারে ব্যথা বাড়ে।-শিশু...
04/04/2026

👄Aphthous Ulcer/(মুখে ঘা) এর হোমিও ঔষধ 👄

👅 Borax:
-মুখে ঘা খুব ব্যথাযুক্ত ও জ্বালাপোড়া।
-গরম বা ঝাল খাবারে ব্যথা বাড়ে।
-শিশুদের মুখের ঘায় বেশি কার্যকর।
-শিশুরা সামান্য শব্দে চমকে ওঠে।
-দোল খেতে ভয় পায়, নিম্নগামীতে ভয়।

👅 Mercurius solubilis:
-ঘা এর কারণে মুখে বেশি লালা জন্মে। ঘুমের ভেতর লালা পড়ে।
-মুখে দুর্গন্ধ।
-ঘা থেকে পুঁজ বা স্রাব হতে পারে।
-রাতে ব্যথা বাড়ে।

👅 Natrum muriaticum:
-বারবার মুখে ঘা হয়।
-মানসিক চাপ বা দুঃখ থাকে।
-ঠোঁট শুকনো ও ফাটে।
-লবণ এবং তিতা খাবার প্রিয়।
-ঠান্ডা ভালোবাসে এমনকি ঠান্ডা
পানি দিয়ে গোসল ও পছন্দ করে।

👅 Sulphur:
-ঘা লাল, জ্বালাযুক্ত।
-গরমে কষ্ট বাড়ে।
-দীর্ঘদিন ধরে ঘা বারবার হলে।
-ঘা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে।
-রোগী নোংরা প্রকৃতির।

👅 Nitric acid:
-ঘা খুব গভীর ও ছুরিকাঘাতের মতো ব্যথা।
-সামান্য স্পর্শেই ব্যথা
-রক্তপাত হতে পারে।
-প্রস্রাব -পায়খানায় প্রচন্ড গন্ধ।
-রোগী প্রচন্ড রাগী স্বভাবের। একবার রাগ করলে সহজে ক্ষমা করে না।

👅 Kali bichromicum:
-ঘা গোল ও গভীর।
-ঘা থেকে সুতার মতো স্রাব।
-মুখ থেকেও আঠালো সুতার মতো স্রাব বের হয়।
-জিহ্বা ও তালুতে বেশি হয়।

👅 Kali Chloricum:
-মুখে ঘা এর ভালো ঔষধ।
-মুখে তীব্র জ্বালা ও জ্বলনী সহ ঘা।
-খাওয়ার সময় জ্বালা বেড়ে যায়।

🙂‍↕️এছাড়া প্রোপার কেস টেকিংয়ের ভিত্তিতে যে কোন মেডিসিন আসতে পারে।

⚫⚫সবাইকে শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ ❤️👍

হামের জন্য লক্ষণ ভিত্তিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা রোগীর জন্য সবচেয়ে বেশি নিরাপদ এবং কার্যকরী। এটিই হলো পৃথিবীর সর্বোত্তম কার্...
30/03/2026

হামের জন্য লক্ষণ ভিত্তিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা রোগীর জন্য সবচেয়ে বেশি নিরাপদ এবং কার্যকরী। এটিই হলো পৃথিবীর সর্বোত্তম কার্যকরী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত চিকিৎসা। লক্ষণ ভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীর সামগ্রিক শারীরিক মানসিক আবেগীয় বিষয় বিবেচনা করা হয়। জীবনীশক্তির গভীর থেকে রোগের শিকড় উপড়ে দেয়া হয়। জীবনীশক্তি ও ইমিউনিটির কোয়ালিটি উচ্চতর হয়, শৃঙ্খলিত হয়। রোগের অস্তিত্ব ভিতরে রেখে শুধুমাত্র র‍্যাশ বা উদ্ভেদ চাপা দেয়ার প্রচলিত চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিক পটেন্সি মেডিসিনে কখনো ঘটেনা। বরং লক্ষণ ভিত্তিক পটেনটাইজড মেডিসিনে প্রথম ধাপে জীবনীশক্তি উন্নততর ও গতিশীল হয়। তারপর ইমিউনিটি সঠিক মিজারমেন্ট অনুসারে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ফিজিওলজির ব্যাতয়গুলো পয়েন্ট আউট করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশোধন করতে থাকে। ফলশ্রুতিতে ইন্টারন্যাল রোগের টক্সিন বের হতে শুরু করে । ভিতরে লুকায়িত উদ্ভেদ বাহ্যিকভাবে প্রকাশিত হয়ে যায়। সর্দি কফ মল ঘাম ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে হামের সাথে উতপন্ন সকল ক্ষতিকর টক্সিক ক্যামিকেল বের হতে শুরু করে। শ্বাসকষ্ট হওয়ার চান্স কমে যায়। প্রচুর শ্লেষ্মা নিঃসরণ হতে পারে। শিশুদের অস্থিরতা ও কান্নাকাটি এই ধাপে কমতে শুরু করে। মানসিক ও শারীরিক প্রশান্তি ফিরতে শুরু করে। বের হওয়া উদ্ভেদগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। ভিতর থেকে বাহির পর্যন্ত শেষ হয়। কোনভাবেই চাপা পড়েনা। নতুন রোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা একদমই থাকেনা। সামগ্রিক অসুস্থ মানুষটির জীবনের কোয়ালিটি সুন্দর ও শৃঙ্খলিত হয়। নূন্যতম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও রোগ চাপা দেয়া ছাড়া চিকিৎসা শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথিতেই সম্ভব। মিনিমাম ক্যামিকেল ও লেথাল ডোজের মেডিসিন ছাড়া আরামদায়ক চিকিৎসা দেয়া হোমিওপ্যাথির মূলমন্ত্র এবং মূলসূত্র।।।
(Afjal ভাই) #হাম

এ্যাব্রোটেনাম এই ঔষধের মাদার টিংচার দক্ষিণ ইউরোপের পার্বত্য এলাকার এক ধরনের ছোট গাছের টাটকা পাতার রস থেকে তৈরি হয়। গাছগ...
09/03/2025

এ্যাব্রোটেনাম

এই ঔষধের মাদার টিংচার দক্ষিণ ইউরোপের পার্বত্য এলাকার এক ধরনের ছোট গাছের টাটকা পাতার রস থেকে তৈরি হয়। গাছগুলি বেশি বড় হয় না ঝোপ টাইপের, তিন ফুটের মতন উচ্চতা হয়।

ডাঃ গ্যাটচেল নামের একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ঔষধটি সর্বপ্রথম পরীক্ষা করেন।

এই ঔষধের প্রধান প্রধান লক্ষনগুলি হচ্ছে ------

★ ভালো খাওয়া দাওয়া সত্ত্বেও বাচ্চাদের শরীর শুকিয়ে যেতে থাকে, বিশেষ করে পায়ের দিকে বা শরীরের নিচের দিকটা বেশি শুকিয়ে যায়, এবং এই শুকিয়ে যাওয়া ভাবটা পায়ের দিক থেকে আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠতে থাকে, কিন্তু পেটটা সর্বদা ফোলা থাকে, পেটটা যেন দিন দিন বড় হয়ে ওঠে।

( বাচ্চাদের শুকিয়ে যাওয়া ভাবটা শরীরের উপরের দিক থেকে হঠাৎ ঘাড়, কাঁধ, হাত, এইসব দিক থেকে আরম্ভ হয়ে শরীরের নিচের দিকে অর্থাৎ পায়ের দিকে নামে -- লাইকোপোডিয়াম, প্লাম্বাম)।

( আয়োডামেও এমাসিয়েশন বা শুষ্কতা আছে তবে তা এ্যাব্রোটেনামের মতন পায়ের দিক থেকে উপরের দিকে উঠে না, তা সর্বাঙ্গীণ। তাদের সারা শরীর একসাথে শুকাতে থাকে। তাছাড়া আয়োডাম খুব গরম কাতর, এ্যাব্রোটেনাম শীতকাতর। আয়োডামে শিশুদের মানসিক অস্থিরতা বেশি থাকে )।

★ শিশুদের চামড়া কুঁচকে যায়, চেহারার মধ্যে অকাল বার্ধক্যতা আসে। মুখ দেখতে বৃদ্ধদের মতন লাগে।

★ শুকিয়ে যেতে থাকলেও এইসব বাচ্চাদের ক্ষুধা খুব বেশী থাকে, বাংলায় যাকে রাক্ষুসে ক্ষুধা বলে। সর্বদাই খাই করে, ( সিনা )।

★ এ্যাব্রোটেনামের বাচ্চারা সাধারণত খুব রাগী, জেদী, উগ্র, হিংস্র বা নিষ্ঠুর প্রকৃতির হয়, এদের মনে দয়া মায়া খুব একটা থাকে না। বাচ্চাদের বাচালতা স্বভাবও খুব বেশী, তারা অনর্গল বকবক করতে থাকে।

★ ডেলিভারি হওয়ার পরে নবজাতকের আম্বিলিকাল কর্ড কাটার জায়গাটা, ( চলতি বাংলায় যাকে নাড়ি কাটা বলে) , বেশ কয়েকদিন হয়ে গেলেও মোটেই শুকাতে চায় না, চুঁয়ে চুঁয়ে রস বা রক্ত পড়তে থাকে, ( ক্যাল্কেরিয়া ফস৷)

★ শীত বেশি, ঠান্ডা বা আদ্র আবহাওয়ায় এরা কষ্ট পায়, এবং গরম আবহাওয়ায় বা গরম ঘরে ভালো থাকে। এজন্য শীতকালে, এবং বর্ষাকালে এদের সব রকম রোগবৃদ্ধি হয়। রাতের দিকেও রোগবৃদ্ধি হয়। বাচ্চাদেরকে ঠান্ডা জলে স্নান করাতে গেলে কান্নাকাটি আরম্ভ করে।

★ এইসব বাচ্চারা প্রায় ডায়েরিয়া বা উদরাময়ে ভোগে। গ্রহণ করা খাদ্যদ্রব্য প্রায়ই মলের সাথে অজীর্ণ অবস্থায় বের হয়। ইংরেজিতে একে লায়ানটেরিক স্টুল বলা হয়। কখনো কখনো কোন বাচ্চার কিছুদিন পাতলা পায়খানা তারপর আবার কিছুদিন শক্ত পায়খানা এমন পর্যায়ক্রম মলত্যাগ চলতে থাকে।

★ পর্যায়ক্রমে রোগের প্রকোপ দেখা যায়। যেমন, কিছুদিন উদরাময় তারপর কোষ্ঠবদ্ধতা, বা কিছুদিন বাতের ব্যথা চলতে থাকে, তারপর বাতের ব্যথা কমে গিয়ে আবার আমাশা আরম্ভ হয়, এইরকম।

★ তাড়াতাড়ি ডায়েরিয়া সারানোর জন্য যদি বিশেষ ধরনের কিছু এ্যালোপ্যাথিক ট্যাবলেট খেয়ে থাকে তাহলে তার পরে শরীরের কোথাও ব্যথা হতে পারে। ব্যথা সাধারণত রাতের দিকে বাড়ে , ঠান্ডায় বাড়ে, এবং গরম সেঁক দিলে ভালো লাগে।

★ রয়াল লন্ডন হোমিওপ্যাথিক হসপিটালের প্রখ্যাত শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ ডগলাজ বোরল্যান্ড তার " চিলড্রেন্স টাইপস ", বইয়ে বলেছেন, এ্যাব্রোটেনাম বহু ক্ষেত্রে বাচ্চাদের কনজেনিটাল পাইলোরিক স্টেনোসিস রোগটি সারাতে সক্ষম হয়।

★ অনেকে বলেছেন ছোট ছোট বাচ্চাদের হাইড্রোসিলে এ্যাব্রোটেনাম ঔষধটি ভাল কাজ করে, অর্থাৎ হাইড্রোসিল স্যাক থেকে জল এ্যাবজর্ব করতে পারে ।

শততমিক শক্তি ---৩০, ২০০, ১০০০, যদি মনে করা হয় কোন রকম সাপ্রেশন বা চাপা পড়ার পরে রোগ হয়েছে, এবং সেই সাপ্রেশন বা অবদমন বের করতে না বেরোলে রোগী সুস্থ হবে না, তাহলে ২০০ শক্তি বা তদুর্ধ শক্তি প্রয়োগ করতে হবে।

মেডোরিনাম: হোমিওপ্যাথির অন্যতম শক্তিশালী অ্যান্টি-সাইকোটিক নোসোড, যা গভীর মায়াজমেটিক বাধা ভেঙে আরোগ্যের ডাইনামিক পথ উন্ম...
04/02/2025

মেডোরিনাম: হোমিওপ্যাথির অন্যতম শক্তিশালী অ্যান্টি-সাইকোটিক নোসোড, যা গভীর মায়াজমেটিক বাধা ভেঙে আরোগ্যের ডাইনামিক পথ উন্মোচন করে -

মেডোরিনাম হোমিওপ্যাথির এক রহস্যময় এবং অতি শক্তিশালী Anti-Sycotic Nosode (সাইকোসিস মায়াজম নিরসনকারী গভীর কার্যকর ওষুধ), যা শুধুমাত্র ভাসাভাসা উপসর্গ-ভিত্তিক প্রয়োগ নয়, বরং রোগীর Genetic Imprint (জেনেটিক স্মৃতির ছাপ), Neurological Pathology (স্নায়বিক প্যাথলজি বা রোগপ্রক্রিয়া), এবং Constitutional Disposition (শারীরিক-মনের গভীর প্রবৃত্তি) বিবেচনায় গভীরে কাজ করে। এটি এমন এক ডাইনামিক নোসোড শক্তি যা সময়ের অতলে জমে থাকা Miasmatic Burden (শরীরে জমে থাকা বংশগত বা অর্জিত রোগের বাঁধা)—বিশেষত Sycotic Miasm (সাইকোসিস মায়াজম, যা অতিরিক্ত কোষবৃদ্ধি, সেক্রিশন এবং মানসিক বিকৃতি সৃষ্টি করে)—ধ্বংস করে, যেন রোগীর Vital Mechanism (জীবনীশক্তির স্বাভাবিক ব্যবস্থা) পুনরায় সচল হতে পারে।

মেডোরিনাম সেইসব রোগীদের জন্য উপযুক্ত, যাদের Memory Fog (স্মৃতির ঝাপসা ভাব), Time Perception Distortion (সময় সম্পর্কিত ধারণার বিকৃতি), এবং Detached Existence (বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি) প্রবলভাবে অনুভূত হয়। রোগী নিজেকে যেন বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করে—ঠিক যেন কেউ Parallel Universe (সমান্তরাল বাস্তবতা)-এ বাস করছে। সময় যেন তার কাছে রহস্যময় এক জিনিস যা অতি দ্রুত হারিয়ে যায়, কবে কি ঘটেছে মনে করতে পারে না, অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এক ঘোরের মধ্যে মিশে থাকে। "Time and space collapse into a single surreal moment." (সময় ও স্থানের সীমারেখা মিলিয়ে যায়, যেন এক অলীক মুহূর্তের সৃষ্টি হয়)।

এর গভীরে রয়েছে এক Paradoxical Nature (পরস্পরবিরোধী চরিত্র)—একদিকে আত্মবিশ্বাসের অভাব, অন্যদিকে Intense Sexual Cravings and Perversion (তীব্র যৌনাকাঙ্ক্ষা ও বিকৃত যৌনপ্রবৃত্তি)। এমন রোগী তীব্র Libido-Driven (যৌন বাসনা দ্বারা চালিত), কিন্তু একইসাথে হতাশাজনক অপরাধবোধও তাড়া করে তাকে। কিছু ক্ষেত্রে Sexual Perversion (অস্বাভাবিক যৌন প্রবণতা) এতটাই প্রবল হয়- যে ব্যক্তি নিজের মনকেই বিশ্বাস করতে পারে না, যেন ভিতরে লুকিয়ে থাকা এক গোপন অন্ধকার তাকে ক্রমাগত টেনে নিচ্ছে। অন্যদিকে, কিছু ক্ষেত্রে Complete Sexual Suppression (সম্পূর্ণ যৌন অনুভূতির দমন) বা Aversion (বিতৃষ্ণা) দেখা যায়, যেন শরীর ও মন তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে।

খাদ্যাভ্যাসেও একধরনের অস্বাভাবিক টান লক্ষ করা যায়—বিশেষত Salt Craving (অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার প্রবণতা) এবং Sour Food Desires (টক জাতীয় খাবারের আকাঙ্ক্ষা)। কোন কোন মেডোরিনাম রোগীকে লবণ এমনভাবে আকৃষ্ট করে, যেন সমুদ্রের লবনাক্ত পানিতেই তার ভাইটাল ডিজায়ার উতপত্তি লাভ করেছে ( অবশ্য সমুদ্রের তীরেও তার শারীরিক মানসিক রিফ্রেশমেন্ট তৈরি হয় অকল্পনীয়ভাবে)। খ্যাদ্যে আকাংখার কথা বলছিলাম-- চর্বিযুক্ত মাংস আর টক খাবারের প্রতি এমন আকাঙ্ক্ষিত হয়, যা তার বাসনাকে তীব্রতর করে। কোমল পানীয়ে দুর্দমনীয় আকর্ষণ- যেন শরীর - মন এই ঝাঝালো পানীয়ে তার ভিতরের টক্সিন থেকে মুক্ত হতে চায়।

শারীরিক ভঙ্গিমায়ও এই Sycotic Tendencies (সাইকোটিক প্রকৃতির লক্ষণ) স্পষ্ট। রোগীরা ঘুমের সময় Head-Resting Posture (মাথার নিচে হাত দিয়ে ঘুমানো) অবস্থায় থাকে, যেন নিজের অস্তিত্বকে সুরক্ষিত রাখছে। অনেকেই Folded Leg Sitting Posture (চেয়ারে পা তুলে বসার অভ্যাস) বা আরামের জন্য পা মুড়িয়ে বসতে পছন্দ করে, যা এক ধরনের Defensive Body Language (আত্মরক্ষামূলক দেহভাষা), যেন তারা সবসময় নিজেদের শরীরের ভেতর সুরক্ষা খুঁজছে।

এই মেডিসিনের Philosophical Core (দার্শনিক মূল ভাবনা) হলো—মানুষের গভীরে জমে থাকা Ancestral Trauma (বংশগত মানসিক আঘাত), Inherited Sin (বংশপরম্পরায় প্রাপ্ত অপরাধবোধ), এবং Collective Unconsciousness (সমষ্টিগত অবচেতন মন)-এর ডাইনামিক বাঁধাগুলো ভেঙে দেওয়া। এটা ঠিক যেন দীর্ঘদিন জমে থাকা এক Psychic Labyrinth (মানসিক গোলকধাঁধা), যেখানে রোগী হারিয়ে গিয়েছে, আর মেডোরিনাম সেই Ariadne's Thread (আরিয়াডনের সুতো), যা তাকে মুক্তির পথে ফিরিয়ে আনে।

একটু অন্যদিকে যায়, সুফি দর্শন বলে—"যে নিজেকে খোঁজে, সে বিশ্বকে খুঁজে পায়।" মেডোরিনামের এক গ্রুপের রোগী একটা সময় নিজেকে ঠিকই খুজে বেড়ায় - কিন্তু জেনেটিক বা অর্জিত পাপবোধ তাকে তীব্রভাবে তাড়া করে বেড়ায়, মুক্তির পথ খুজে পায়না। হোমিওপ্যাথিক পটেনটাইজড নোসোড ডাইনামিক মেডোরিনাম হলো সেই রহস্যময় দরজা, যা তাদেরকে আত্মার গভীর অন্ধকার থেকে মুক্তির পথে নিয়ে যায়। এটি শুধুমাত্র রোগ নিরাময়ের একটি সাধারণ রেমেডি নয়, বরং এক Existential Rebirth (অস্তিত্বের পুনর্জন্ম), যেখানে ব্যক্তি তার True Self (নিজের প্রকৃত সত্তা)-কে নতুন করে আবিষ্কার করে। ঠিক যেমন কোনো পুরনো শহর ধ্বংসের পর নতুন করে গড়ে ওঠে, তেমনই মেডোরিনাম পুরনো মানসিক জটিলতা, অপ্রক্রিয়াজাত আঘাত, এবং অজানা শেকলের বাঁধন খুলে দিয়ে নতুন মানসিক কাঠামো তৈরি করে। এটি এক ধরণের Spiritual Alchemy (আত্মার রূপান্তরের রহস্য), যা মানুষের Psycho-Spiritual Evolution (মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন)-এর পথকে উন্মুক্ত করে।

ঠিক যেন এক পথিক, যে দীর্ঘদিন দিকভ্রান্ত হয়ে ছুটে চলেছে অন্ধকারের পথে, অবশেষে নতুন এক আলো দেখতে পায়—এবং সেই আলো তার অন্তরের গভীর থেকে শুরু হয়ে সমগ্র অস্তিত্বকে আলোকিত করে। মেডোরিনাম সেই আলো, যা কেবল দেহের নয়, বরং ব্যাধিগ্রস্ত আত্মারও চিকিৎসা করে, এবং এক নতুন আত্মপরিচয়ের পথে আমাদের অগ্রসর হতে সাহায্য করে।
হোমিপ্যাথিস্ট আফজাল ইসলাম (((((((((( প্র‍্যাকটিশনার ও প্রবর্তক - রিমোট হোমিওপ্যাথি সিস্টেম / কোয়ান্টাম এপ্লিকেশন সিস্টেম অফ হোমিওপ্যাথিক পটেন্সি মেডিসিন)))))))))))।।।।।।।।।।
ধন্যবাদ ডাঃ আফজাল ভাই

 # # # # ত্বকের জন্য মটরশুঁটি খুব উপকারী। ত্বকের উজ্জ্বলতা ও চোখের দৃষ্টিশক্তিও বাড়িয়ে তোলে এ সবজি। এটি পেট পরিষ্কারে ...
27/01/2025

# # # # ত্বকের জন্য মটরশুঁটি খুব উপকারী। ত্বকের উজ্জ্বলতা ও চোখের দৃষ্টিশক্তিও বাড়িয়ে তোলে এ সবজি। এটি পেট পরিষ্কারে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে এটি বেশ কার্যকর। এছাড়া রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় মটরশুঁটি। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে এ সবজি দারুণ কাজ করে এবং শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ডায়াবেটিক রোগীরা খেতে পারেন। এছাড়া শরীরে হাড় শক্ত করতে মটরশুঁটি খুব ভালো। ফলিক এসিড থাকায় প্রসূতি মায়েরা এটি খেতে পারেন। মটরশুঁটি কাঁচা ও সেদ্ধ দু'ভাবে খাওয়া যায়। তবে সেদ্ধ করলে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের পরিমাণ কমে যায়। প্রতি ১০০ গ্রাম মটরশুঁটিতে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। এছাড়া কার্বোহাইড্রেট ১৪.৫ গ্রাম, ফ্যাট ০.৫ গ্রাম ও প্রোটিন থাকে ৫.৪ গ্রাম। এছাড়া ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন-সি, ফলিক এসিড, বিটাক্যারোটিন, ভিটামিন-এ, ফসফরাস, জিঙ্ক, ভিটামিন-বি কমপ্লেঙ্ থাকে। সামান্য পরিমাণে ভিটামিন কে-ও থাকে মটরশুঁটিতে। শিশু থেকে বড় সবারই পছন্দের সবজি মটরশুঁটি। এ সবজি খুব পুষ্টিকর খাদ্য ।

18/12/2024
12/12/2024

প্রাকৃতিক ভাবে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি মেটাতে
বেলা ১১টা থেকে ৩টা—এই সময়ের মধ্যে রোদে রাখা উচিত।

ডায়াবেটিস এর লক্ষনঃপ্রতি এক হাজার ব্যক্তির মধ্যে ১০০ জনই বুঝতে পারেন না তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কী না। অধিকাংশ মানুষই ...
15/11/2024

ডায়াবেটিস এর লক্ষনঃ

প্রতি এক হাজার ব্যক্তির মধ্যে ১০০ জনই বুঝতে পারেন না তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কী না। অধিকাংশ মানুষই ডায়াবেটিসের প্রধান লক্ষ্মণগুলো সম্পর্কেও অবহিত নন। যেমন, ওজন কমতে থাকা, কাঁটাছেঁড়া দেরিতে শুকানো, চোখে ঝাপসা দেখা, তৃষ্ণা পাওয়া, ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়া, ক্লান্ত লাগা ইত্যাদি।

 # পালসেটিলা :@ মানসিক লক্ষণ বা স্বভাবগত লক্ষণ:- পালসেটিলা রোগীর মানসিক লক্ষণসমূহ পরিবর্তনশীল। এই হর্ষ এই বিষাদ। রোগী খু...
19/10/2024

# পালসেটিলা :

@ মানসিক লক্ষণ বা স্বভাবগত লক্ষণ:-
পালসেটিলা রোগীর মানসিক লক্ষণসমূহ পরিবর্তনশীল। এই হর্ষ এই বিষাদ। রোগী খুবই শান্ত ও মৃদু স্বভাবের, সামান্য কারণে কাঁদিয়া ফেলে। রোগী কখনও ক্রোধান্বিত হয় না। তবে কুচিৎ কোনও বিশেষ কারণে খিটখিটে হইয়া থাকে। ইহার রোগী অত্যন্ত আবেগপ্রবণ। মানসিক অবস্থা এমনই আনন্দদায়ক যেন বসন্ত বহিয়া চলিতেছে। চূড়ান্ত আমোদ এবং চূড়ান্ত বেদনার অনুভূতি পোষণ করিয়া থাকিতে ইচ্ছা করে । পালসেটিলা রোগিনী নিজের কষ্টের কথা কাহাকেও খুলিয়া বলে না, নিজের মনেই কাঁদিয়া চলে। রোগিনী খুব অভিমামিনী, শাস্ত ও মৃদু স্বভাবের । মেজাজের পরিবর্তনশীলতার কারণে নিজের কারণে রোগী হয়ত এইমাত্র রাগিয়া উঠিল ও অভিমানে তাহার চক্ষু হইতে জল পড়িতে লাগিল, আবার পরক্ষণেই বেশ রাগ-দেশ শূন্য হইয়া নম্র ও বিনীত স্বভাবের পরিচয় দিল। সামান্য সান্ত নায় ও সামান্য সহানুভূতিপূর্ণ আচরণে তাহার সকল দুঃখের অবসান ঘটে। পালসের রোগিনী মনে মনে ভাবে সবাইর দুঃখের ইতিহাস শোনার লোক আছে কিন্তু তার নাই। বড় করুন ও মধুর এই সংসারের মায়া ত্যাগ করার কথা সে কল্পনাই করিতে পারে না। ধর্ম সম্পর্কে রোগীর এক আশ্চর্য খেয়াল। ধর্ম সংক্রান্ত সংস্কারগুলি সম্বন্ধে তাহার আলোচনা করার খুব ঝোঁক। সে মনে করে
যে, সে মনের এক আশ্চর্য শুদ্ধ অবস্থায় আছে অথবা পাপ করিয়া করুণা পাওয়ার দিনই হারাইয়া ফেলিয়াছে।
কপি

Father is in SULPHUR personality Son is in Belladonna personality.এই ছবিতে, বাবা এবং ছেলের চরিত্র থেকে হোমিওপ্যাথিক ব্যক...
08/10/2024

Father is in SULPHUR personality
Son is in Belladonna personality.

এই ছবিতে, বাবা এবং ছেলের চরিত্র থেকে হোমিওপ্যাথিক ব্যক্তিত্ব বিশ্লেষণ করা যায়, যেখানে বাবার চরিত্রে সালফার এবং ছেলের চরিত্রে বেলাডোনা প্রকাশ পায়। চলুন দেখি কেন এই বিশ্লেষণ প্রাসঙ্গিক।

বাবা সালফার টাইপ হিসাবে:
চেহারা: বাবার পোশাক অগোছালো, চুল এলোমেলো, আর পুরোটা দেখে ক্লান্ত লাগছে, যা সালফার ধরনের সাথে মিলে যায়। সালফার টাইপের মানুষ সাধারণত তাদের চেহারা নিয়ে উদাসীন থাকে, কিন্তু তারা খুবই দার্শনিক ও বুদ্ধিমান।

দার্শনিক মনোভাব: বাবা গভীর চিন্তায় বই পড়ছেন, যা সালফার ধরনের ক্লাসিক বৈশিষ্ট্য। সালফার মানুষদের ভেতর খুবই চিন্তাশীল প্রবৃত্তি থাকে, তারা দীর্ঘক্ষণ ধ্যান করতে পছন্দ করে এবং অনেক সময় তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

বিচ্ছিন্নতা: বাবা এক ছাদের উপর বসে আছেন, সমাজের সাধারণ জগৎ থেকে আলাদা, যা সালফার ধরনের বিচ্ছিন্ন বা একাকিত্বের প্রবণতা দেখায়। সালফার মানুষরা প্রায়ই নিজেদের আলাদা বা বিচ্ছিন্ন মনে করেন, তারা অনেক সময় একা থাকতে পছন্দ করেন যেন তারা নিজের চিন্তা নিয়ে থাকতে পারেন।

পরিবেশ: বাবার চারপাশে পুরনো বই, ভাঙা খেলনা দেখা যাচ্ছে, যা সালফার মানুষের ভৌত জগৎকে উপেক্ষা করার বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে যায়। তারা মানসিক কাজকর্মকে বেশি গুরুত্ব দেন, ফলে তাদের চারপাশের পরিবেশ বেশ অগোছালো হতে পারে।

ছেলে বেলাডোনা টাইপ হিসাবে:
শক্তিশালী এবং প্রকাশভঙ্গি: শিশুর মুখে বড় হাসি, সজীব শরীরের ভঙ্গি দেখে বোঝা যাচ্ছে, সে খুব প্রাণবন্ত এবং উচ্ছল, যা বেলাডোনা টাইপের মানুষের বৈশিষ্ট্য। বেলাডোনা শিশুদের মাঝে দ্রুত আবেগ পরিবর্তন, হঠাৎ উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

হঠাৎ এবং নাটকীয় স্বভাব: বেলাডোনা চরিত্রের বিশেষত্ব হলো হঠাৎ এবং নাটকীয় পরিবর্তন। বাবার গভীর চিন্তার সাথে শিশুর প্রাণবন্ত এবং উদ্দীপ্ত আচরণ বেলাডোনার এই বৈশিষ্ট্যের ইঙ্গিত দেয়।

সংবেদনশীলতা: বেলাডোনা ধরনের শিশুরা পরিবেশের প্রতি খুব সংবেদনশীল হয়। এখানে শিশুর হাসি দেখে বোঝা যায় যে, সে পরিবেশের প্রতি খুব সংবেদনশীল এবং তার প্রতিক্রিয়াও খুব দ্রুত হয়, যা বেলাডোনার শিশুদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

বিরোধপূর্ণ পরিবেশ: শিশুর হাসি এবং চারপাশের গম্ভীর পরিবেশ বেলাডোনা ধরনের মানুষের বিপরীত স্বভাবকেই দেখায়। তারা প্রায়শই আনন্দের মধ্যে থেকেও হঠাৎ বিপরীত অনুভূতির মধ্যে যেতে পারে, ঠিক যেমন বেলাডোনা প্রায়ই হঠাৎ হাসি থেকে কান্নায় চলে যেতে পারে।

ফাইনাল কথা হলো --
বাবা, গভীর চিন্তা ও বিচ্ছিন্নতার মধ্যে ডুবে আছেন, তার চেহারা ও পারিপার্শ্বিক উপেক্ষিত। এটা তাকে সালফার টাইপের মানুষের মতো দেখায়, যারা মানসিকভাবে দার্শনিক এবং বাহ্যিক দুনিয়া নিয়ে কম মাথা ঘামায়। অন্যদিকে, শিশু অত্যন্ত প্রাণবন্ত, হঠাৎ আবেগ প্রকাশ করে এবং শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখায়, যা তাকে বেলাডোনা টাইপের মানুষের সাথে মিলিয়ে দেয়।

ছবিটি খুব সুন্দরভাবে দেখাচ্ছে দুই ভিন্ন ধরনের হোমিওপ্যাথিক ব্যক্তিত্ব – একজন সালফার টাইপের বাবা, যার মন হারিয়ে গেছে চিন্তা-ভাবনার গভীরে, আর একজন বেলাডোনা টাইপের সন্তান, যিনি জীবনের প্রাণবন্ত শক্তিতে ভরপুর, হঠাৎ আবেগের মধ্যে দিয়ে নিজের চরিত্র প্রকাশ করছে।

# বন্ধু আফজাল

Address

Sirajganj
6700

Opening Hours

Monday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00

Telephone

+8801711066382

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bichmillah H Health Center, Bahirgola Road, Chourasta, Sirajganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Bichmillah H Health Center, Bahirgola Road, Chourasta, Sirajganj:

Share

Category