Runway Surgicals BD

  • Home
  • Runway Surgicals BD

Runway Surgicals BD We provide all surgical items and other traditional goods. One can buy real product from us. Its a online based shop.

 ানির_উপকারীতা_____একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ০১. মাইগ...
05/07/2021

ানির_উপকারীতা_____

একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ
০১. মাইগ্রেন
০২. উচ্চ রক্তচাপ
০৩. নিম্ন রক্তচাপ
০৪. জয়েন্ট এর ব্যথা
০৫. হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি এবং হ্রাস
০৭. কোলেস্টেরলের মাত্রা
০৮. কাশি
০৯. শারীরিক অস্বস্তি
১০. গাটের ব্যথা
১১. হাঁপানি
১২. কাশি
১৩. শিরায় বাধা
১৪. জরায়ু ও মূত্র সম্পর্কিত রোগ
১৫. পেটের সমস্যা
১৬. ক্ষুধার সমস্যা
১৭. মাথা ব্যথা

*কীভাবে গরম পানি পান করবেন?*
নিয়মিত রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে, প্রথম দিকে ২ গ্লাস পানি পান করতে সক্ষম নাও হতে পারে কেউ তবে আস্তে আস্তে এটি করতে পারবে।

*বিঃদ্রঃ: গরম পানি পান করার পরে ৪৫ মিনিট কোনো কিছুই খাওয়া যাবে না।*

গরম পানি থেরাপি যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে যে সমস্ত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির সমাধান করবে, নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো : -

৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস
৩০ দিনের মধ্যে রক্তচাপ
১০ দিনের মধ্যে পেটের সমস্যা
০৯ মাসের মধ্যে সমস্ত ধরণের ক্যান্সার
০৬ মাসের মধ্যে শিরার বাধার সমস্যা
১০ দিনের মধ্যে ক্ষুধা জাতীয় সমস্যা
১০ দিনের মধ্যে জরায়ু এবং এর সম্পর্কিত রোগগুলি
১০ দিনের মধ্যে নাক, কান এবং গলার সমস্যা
১৫ দিনের মধ্যে মহিলাদের সমস্যা
৩০ দিনের মধ্যে হৃদরোগ জাতীয় সমস্যা
০৩ দিনর মধ্যে মাথা ব্যাথা / মাইগ্রেন সমস্যা
০৪ মাসের মধ্যে কোলেস্টেরল সমস্যা
০৯ মাসের মধ্যে মৃগী এবং পক্ষাঘাত সমস্যা
০৪ মাসের মধ্যে হাঁপানি সমস্যা

*ঠান্ডা পানি পান করা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! যদি অল্প বয়সে ঠাণ্ডা পানি প্রভাবিত না করে, তবে এটি বৃদ্ধ বয়সে ক্ষতি করবেই।*

*ঠান্ডা পানি হার্টের ৪টি শিরা বন্ধ করে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ হ'ল কোল্ড ড্রিঙ্কস।

*এটি লিভারেও সমস্যা তৈরি করে। এটি লিভারের সাথে ফ্যাট আটকে রাখে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা পানি পান করার কারণে এর শিকার হয়েছেন।

*ঠান্ডা পানি পেটের অভ্যন্তরীণ দেয়ালকে প্রভাবিত করে। এটি বৃহত অন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ফলস্বরূপ ক্যান্সারে রুপ নেয়।

*দয়া করে এই তথ্যটি নিজের কাছে রাখবেন না কাউকে বলুন, এটি কারওর জীবন বাঁচাতে পারে।*

সংগ্রহ করা, জাপানি ডাঃ মেনসাহ-আসরে হতে।

আমড়া ফলের উপকারিতাএখন চলছে নানা রকম মৌসুমী ফলের ভরা  মৌসুম। এদের মধ্যে সুস্বাদু একটি হলো আমড়া। বাংলাদেশে পুষ্টিকর এই ফল...
28/09/2020

আমড়া ফলের উপকারিতা

এখন চলছে নানা রকম মৌসুমী ফলের ভরা মৌসুম। এদের মধ্যে সুস্বাদু একটি হলো আমড়া। বাংলাদেশে পুষ্টিকর এই ফলটির দুটি প্রজাতির চাষ হয়। দেশি আমড়া ও বিলাতি আমড়া। তবে দেশি আমড়ার চাষ ইদানীং একেবারেই কমে গেছে। এর স্থান দখল করে নিয়েছে বিলাতি আমড়া। বিলাতি আমড়া দেশি আমড়ার মতো টক নয়। এটি খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এতে শাঁস বেশি, আকারেও বড়। বিলাতি আমড়া কাঁচা খাওয়া হয়। বিলাতি ও দেশি দই’ধরনের আমড়া থেকেই সুস্বাদু আচার, চাটনি এবং জেলি তৈরি করা যায়। তরকারি হিসেবে রান্না করেও আমড়া খাওয়া যায়।

মুখে রুচি বৃদ্ধিসহ অসংখ্য গুনাগুন রয়েছে আমড়ার। পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমড়ায় প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি, আয়ারন, ক্যালসিয়াম আর আঁশ আছে, যেগুলো শরীরের জন্য খুব দরকারি। হজমেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তেল ও চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়ার পর আমড়া খেয়ে নিতে পারেন; হজমে সহায়ক হবে।

আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় এটি খেলে স্কার্ভি রোগ এড়ানো যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাল ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও লড়তে পারে আমড়া। অসুস্থ ব্যক্তিদের মুখের স্বাদ ফিরিয়ে দেয়। সর্দি-কাশি-জ্বরের উপশমেও আমড়া অত্যন্ত উপকারী।

শিশুর দৈহিক গঠনে ক্যালসিয়াম খুব দরকারি। ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস এই আমড়া। শিশুদের এই ফল খেতে উৎসাহিত করতে পারেন। এছাড়া এটি রক্তস্বল্পতাও দূর করে। কিছু ভেষজ গুণ আছে আমড়ায়। এটি পিত্তনাশক ও কফনাশক। আমড়া খেলে মুখে রুচি ফেরে, ক্ষুধা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

এছাড়া আমড়ায় থাকা ভিটামিন সি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। খাদ্যে থাকা ভিটামিন এ এবং ই এটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত থেকে রক্ষা করে।

প্রতি ১০০ গ্রাম ভক্ষণযোগ্য আমড়ায় ১ দশমিক ১ গ্রাম প্রোটিন, ১৫ গ্রাম শ্বেতসার, শূন্য দশমিক ১০ গ্রাম স্নেহ জাতীয় পদার্থ এবং ৮০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন আছে। এ ছাড়াও আছে শূন্য দশমিক ২৮ মিলিগ্রাম থায়ামিন, শূন্য দশিমক শূন্য চার মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন, ৯২ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং তিন দশমিক নয় মিলিগ্রাম লৌহ। আমড়ার খাদ্যশক্তি ৬৬ কিলোক্যালোরি। খনিজ পদার্থ বা মিনারেলসের পরিমাণ শূন্য দশমিক ছয় গ্রাম।

আমড়া কষ ও অম্ল স্বাদযুক্ত ফল। এতে প্রায় ৯০%-ই পানি, ৪-৫% কার্বোহাইড্রেট ও সামান্য প্রোটিন থাকে। ১০০ গ্রাম আমড়ায় ভিটামিন-সি পাওয়া যায় ২০ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ২৭০ মাইক্রোগ্রাম, সামান্য ভিটামিন-বি, ক্যালসিয়াম ৩৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪ মিলিগ্রাম। আমড়ায় যথেষ্ট পরিমাণ পেকটিনজাতীয় ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টজাতীয় উপাদান থাকে।

ফল ভিটামিন-সি-সমৃদ্ধ (প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ২০ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়)।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্টজাতীয় উপাদান থাকায় আমড়া বার্ধক্যকে প্রতিহত করে।
আমড়াতে প্রচুর আয়রন থাকায় রক্তসল্পতা দূর করতে বেশ কার্যকর।
আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয়।
মুখের রুচি ফিরে আসায় ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।
বদহজম ও কোষ্টকাঠিন্য রোধে আমড়া উপকারী।
রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
সর্দি কাশির ক্ষেত্রে এটি বেশ উপকারী।
হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে।

ঘৃতকুমারী (বৈজ্ঞানিক নাম: Aloe vera), (ইংরেজি: Medicinal aloe, Burn plant) একটি রসালো উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি এলো পরিবারের এ...
22/09/2020

ঘৃতকুমারী
(বৈজ্ঞানিক নাম: Aloe vera), (ইংরেজি: Medicinal aloe, Burn plant) একটি রসালো উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি এলো পরিবারের একটি উদ্ভিদ। ঘৃতকুমারী গাছটা দেখতে অনেকটাই কাঁটাওয়ালা ফণীমনসা বা ক্যাকটাসের মতো। অ্যালোভেরা ক্যাক্টাসের মত দেখতে হলেও, ক্যাক্টাস নয়। লিলি প্রজাতির উদ্ভিদ।এর আদি নিবাস আফ্রিকার মরুভূমি অঞ্চল ও মাদাগাস্কার। অ্যালোভেরা আজ থেকে ৬০০০ বছর আগে মিশরে উৎপত্তি লাভ করে।ভেষজ চিকিৎসা শাস্ত্রে এলোভেরার ব্যবহার পাওয়া যায় সেই খৃীষ্টপূর্ব যুগ থেকেই।

ঘৃতকুমারীর পাতা ও শাঁস ব্যবহার করা হয়। এর পাতার রস যকৃতের জন্য উপকারী। ঘৃতকুমারীর পাতার শাস বেঁটে ফোঁড়ায় লাগালে যন্ত্রণা কমে যাবে। পোড়া স্থানে লাগালে উপকার হয়। হাপানি ও এলার্জি প্রতিরোধে ঘৃতকুমারী বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকরী। ইহা ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। ত্বকের দাগ,ব্রণ, এবং শুষ্কতা দূর করতে অনেক কার্যকরী ।

অ্যালোভেরা

ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা
হার্ট সুস্থ রাখতে অ্যালোভেরা :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরার জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণ করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।

মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

দাঁতের যত্নে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরার জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। দাঁতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ওজন হ্রাস করতে অ্যালোভেরা :- ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে অ্যালোভেরা :- হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে। অ্যালোভেরা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধেও অনেক ভাল কাজ করে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। সুতরাং খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন তাহলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা :- ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। অ্যালোভেরার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ম্যাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ একটি গাছ। অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পান করলে রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের টক্সিন উপাদান করে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

মুখের দূরগন্ধ দূর করতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরায় আছে ভিটামিন-সি, যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। গবেষণাই দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরার জেল মাউথ ওয়াশ এর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

চুল সুন্দর করতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরার গুনাগুন বলে শেষ করা যাই না, মাথায় খুশকি দূর করতে এর কোন তুলনা নেই। এমনকি ঝলমল চুলের জন্যেও অ্যালোভেরা অনেক উপকারী। সুতরাং চুলের যত্নে অ্যালোভেরা আপনার নিত্যসংগী।

মুখের ঘা সারাতে অ্যালোভেরা :- অনেকের মুখে ঘা হয়, আর এই মুখের ঘা দূর করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকারী। ঘায়ের জায়গায় এলভেরার জেল লাগিয়ে দিলে মুখের ঘা ভাল হয়।

ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা :- গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার ছড়ানো থেকে রোধ করে। এছাড়াও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।

রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে :- অ্যালোভেরার অনেক গুনাগুনের মধ্যে আর একটি হল রক্তচাপ কমাতে এর কোন তুলনা নেই। অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।

ক্ষতিকারক পদার্থ অপসারণ করতে :- কিছু ক্ষতিকর পদার্থ দেহের মধ্যে প্রবেশ করে নানা ধরনের রোগের সৃষ্টি করতে পারে। ফলে তা দেহের জন্য মোটেও ভাল কিছু নয়।এই সকল ক্ষতিকর পদার্থ দেহ থেকে অপসারণ প্রয়োজন। অ্যালোভেরার রস পান করলে দেহের ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করতে পারে না। আর যদি প্রবেশ করেও ফেলে, তাহলেও অ্যালোভেরার জুস পানে তা অপসারণ হতে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার জুসের গুন অপরিসীম।

ক্লান্তি দূর করতে :- দেহের দুর্বলতা দূর করতে অ্যালোভেরার জুসের গুন অনেক। আপনি যদি অ্যালোভেরার জুস নিয়মিত পান করেন তাহলে দেহের ক্লান্তি দূর হবে এবং দেহকে সতেজ ও সুন্দর রাখবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে:- অ্যালোভেরার জুসের মধ্যে যে জেল থাকে তার অনেক গুন। এই জেল নিয়মিত পানে পেটের সমস্যা দূর হবে। আর যদি সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করেন তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হওয়া সম্ভাব। এছাড়া অ্যালোভেরা জেলে প্রায় ২০ রকম অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা ইনফ্লামেশন এবং ব্যাকটেরিয়া রোধ করে হজম, বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে থাকে।

তাল শাঁসের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতাকী আছেপাকা তালের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে রয়েছে-খাদ্যশক্তি ৮৭ কিলোক্যালরিজলীয় অংশ ...
18/09/2020

তাল শাঁসের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

কী আছে

পাকা তালের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে রয়েছে-

খাদ্যশক্তি ৮৭ কিলোক্যালরি

জলীয় অংশ ৭৭.৫ গ্রাম

আমিষ .৮ গ্রাম

চর্বি .১ গ্রাম

শর্করা ১০.৯ গ্রাম

খাদ্য আঁশ ১ গ্রাম

ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম

ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম

আয়রন ১ মিলিগ্রাম

থায়ামিন .০৪ মিলিগ্রাম

রিবোফ্লাভিন .০২ মিলিগ্রাম

নিয়াসিন .৩ মিলিগ্রাম

ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম

তাল কিভাবে খাবেন

তালসত্ত্ব : তালের রস ও চিনি দিয়ে বানানো হয় তালসত্ত্ব।

তালের জুস : তালের রস, দুধ, চিনি দিয়ে জুস বানানো যায়। ডায়াবেটিক ও হৃদরোগীরা চিনি না দিয়ে খেতে পারবেন।

তালের পিঠা : তালের গোলার সঙ্গে ডিম, চালের গুঁড়া, গুড় বা চিনি এবং কখনো নারিকেল দিয়ে তালের পিঠা বানানো হয়।

তালের কেক : কেকের সব উপকরণের সঙ্গে তালের রস মেশানো হয়। তালের কেকের মধ্যে চিনি কম এবং ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করলে ডায়াবেটিক ও হৃদরোগীদের জন্য ভালো খাবার হতে পারে। কাঁচা তালের রসের বরফিও তৈরি করা হয়। শুধু তালের শাঁস আলাদাভাবেও খাওয়া যায়।

উপকারিতা

* তাল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণসমৃদ্ধ হওয়ায় ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম। এ ছাড়া স্বাস্থ্য রক্ষায়ও তাল ভূমিকা রাখে। স্মৃতিশক্তি ভালো রাখে।

* তাল ভিটামিন বি-এর আধার। তাই ভিটামিন বি-এর অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধে তাল ভূমিকা রাখে।

* তালে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস আছে, যা দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়ক।

* কোষ্ঠকাঠিন্য ও অন্ত্রের রোগ ভালো করতে তাল ভূমিকা রাখে।

কারা খাবেন না

* যাঁরা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তাঁরা ডিমের কুসুম ও দুধ থাকে এমন তালের খাবার খাবেন না।

* যাঁদের ডায়াবেটিস কিংবা কোলেস্টেরল বেশি তাঁরা তালের পিঠা খাবেন না।

আখতার নাহার আলো

প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান ইব্রাহিম মেমোরিয়াল হাসপাতাল

সাজিনা পাতার ২৬ গুণাগুণসামান্য হাঁচি কাশি হলেই আমরা ডাক্তারের কাছে দৌড়ে যাই। অথচ আমাদের প্রকৃতিতেই এমন কিছু উপাদান আছে য...
18/09/2020

সাজিনা পাতার ২৬ গুণাগুণ
সামান্য হাঁচি কাশি হলেই আমরা ডাক্তারের কাছে দৌড়ে যাই। অথচ আমাদের প্রকৃতিতেই এমন কিছু উপাদান আছে যা খেলে রোগ নিরাময় হয়। এমন একটি উপাদান হচ্ছে সাজিনা। আমাদের হাতের কাছে পাওয়া সাজিনা ও এর পাতার ২৪ ধরণের গুণাগুণ রয়েছে, যার সবগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

১. রক্তল্পতায়ঃ শরীরে রক্তের পরিমান কমে গেলে পানি দিয়ে সজনেডাঁটা সেদ্ধ করে তার ক্বাথ এবং ডাঁটা চিবিয়ে খেলে রক্তল্পতা দূর হয়। তবে বেশ কিছুদিন নিয়মিত খাওয়া দরকার।

ক্বাথ তৈরীরর নিয়মঃ ১০০ গ্রাম সজনে ডাঁটার খোসা ছড়িয়ে ৪০০ মিলিলিটার পানিতে সেদ্ধ করতে হবে। পানি ফুটে এক কাপ পরিমান হলে, পাত্র আগুন থেকে নামিয়ে রাখা দরকার। সম্পূর্ণ ঠান্ডা হলেই খাওয়া উচিত।

২. ব্ল্যাড প্রেসারঃ খাবার লবন অর্থাৎ ‘সোডিয়াম ক্লোরাইড’ ব্ল্যাড প্রেসার রোগীদের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অপরদিকে, ‘পটাশিয়াম লবন’ কোন ক্ষতি করেনা। সাজনে ডাঁটাতে সোডিয়াম ক্লোরাইড নেই বললেই চলে। কাজেই এতে ব্ল্যাড প্রেসার নিয়ন্ত্রিত থাকে।

৩. বসন্ত রোগ প্রতিরোধঃ সাজনে ডাঁটা এবং ফুল ভাজা বা তরকারী খেলে জল ও গুটি এ দু’ধরনের বসন্তে আক্রান্ত হবার কোন সম্ভাবনা থাকেনা।

৪.আয়ুর্বেদ মতে , সজিনার শিকড় কষায় ও উত্তেজক।

৫. মূলের ছাল নাশক, হজম বৃদ্ধিকারক এবং হৃদপিন্ড ও রক্ত চলাচলের শক্তিবর্ধক হিসাবে কাজ করে।

৬. মূলের ছালের জলীয় নির্যাস স্নায়ুবিদ দূর্বলতা, তলপেটের ব্যাথা ও হিস্টিরিয়া চিকিৎসার উপকারি।

৭. সাজিনার ফলের নির্যাস যকৃৎ ও প্লীহার অসুখে ধনুষ্টংকার ও প্যারালাইসিসে উপকারী।

৮. সাজিনার বিচির তেল বাত রোগের চিকিৎসায় মালিশ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

৯. সাজিনার মূলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মূত্র প্রবৃত্তি হয়। এর রস হাপানি নিবারক ও মূত্রকারক।

১০. সাজিনার ডাঁটা কৃমিনাশক ও জ্বরনাশক বলে দেশীয় ডাক্তাররা পক্ষাঘাত রোগে প্রয়োগ করেন। এর আঠা গর্ভস্রাবকারক।

১১. সাজিনার আঠা দুধে বেটে কপালে লাগালে মাথাধরা আরাম হয় এবং উপদংশজনিত বাগিতে প্রদান করা হয়।

১২. কৃমিনাশক হিসাবেও সাজনার ব্যবহার অতীব গুরুত্বপূর্ণ। মূল ও ছালের রস নিয়মিত ৩/৪ দিন খেলে শরীর কৃমি মুক্ত হয়ে যায়।

১৩. এটি রক্ত সংবহণতন্ত্রের ক্ষমতাও বাড়ায়। সাজনার কচি পাতার রস নিয়মিত ব্যবধানে খেলে রক্তের উচ্চচাপ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে য়ায়। মায়ানমারের চিকিৎসকদের মতে, সাজিনার পাকা পাতার টাটকা রস দুবেলা আহারের ঠিক পূর্বে ২/৩ চামচ করে খেলে এক সপ্তাহের মধ্যে কমে যাবে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা এটি ব্যবহার করবেননা।

১৪. সাজিনার শিকরের ক্বাথ ঘুৎড়িকাশি, হাঁপানি, গেটে বাত, কটি বেদনা ও সাধারণ বাত রোগে দুধের সাথে ব্যবহার হয়।

১৫. সাজিনার পাতা বেটে রসুন, হরিদ্রা, লবন ও গোলমরিচ সহ খেলে কুকুরের বিষ্ট নষ্ট হয় এবং দুষ্টস্থানে প্রলেপ দিলে ৫/৬ দিনে ফুলা কমে যায় ও জ্বরে আরাম হয়।

১৬. এর ছালের রস গুড়ের সাথে পান করলে শিরঃপীড়া আরাম হয়।

১৭. ২৫০ গ্রাম পাতার রস ১৫ গ্রাম সৈন্ধব লবনের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে বহূমুখে আরাম হয়।

১৮. সাজিনা পাতা রেধে খেলে ইনফ্লুয়েঞ্জার জ্বর ও যন্ত্রনাদায়ক সর্দিতে আরাম হয়।

১৯. সাজিনার শেকর, লেবুর রস এবং জলফলের মিশ্রন পেটফাঁপা নিবারক ও উত্তেজক।

২০. এর ছালের রস গুড়ের সাথে পান করলে শিরঃপীড়া আরাম হয়।

২১. এর মূলের ছালের প্রলেদে দাদ কমে। তবে প্রতিদিন ব্যবহার করা উচিত নয়।

২২. শ্লেষ্মাঘটিত কারনে দাঁতের মাড়ি ফুলে গেলে পাতার ক্বাথ মুখে ধারন করলে ফুলা কমে যায়।

২৩. অপুষ্টি হলো অন্ধত্বের অন্যতম কারন। অন্ধত্ব নিবারনে প্রচুর Indian royal commonwealth society for blind –এ ভিটামিন সমৃদ্ধ সজনে পাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

২৪. সজনে পাতার ছালের বড়ি অম্ল রোগে বিশেষ উপকারী। সজনে ছালের শাঁস, জঙ্গী হরিতকরি দানা ও যোয়ান আলাদা করে বেটে সমপরিমান একত্রে মিশিয়ে কুলের বিচির আকারে ছোট ছোট বড়ি তৈরী করে রোদে শুকাবেন। এগুলো বাটার সময় পানি না দিয়ে লেবুর রস দিবেন। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে রাতে ঘুমের আগে গরম পানি দিয়ে একটি করে বড়ি খাবেন। এতে অম্ল রোগের উপকার পাবেন। কোষ্ঠকাঠিন্য না থাকলে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন।

২৫. শরীরের কোন অঙ্গ মচকালে বা থেতলালে আদা ও সজনে ছাল বাটা প্রলেপ দিলে উপশম হয়।

২৬. হিক্কা হতে থাকলে ২/৪ ফোটা করে সজনে পাতার রস দুধের সাথে মিশিয়ে ২/৩ বার খাবেন।

সূত্র: বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় গাছ-গাছড়া।

17/09/2020

Welcome to Runway Surgicals BD online shop

04/09/2020

ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণসমূহ

দীর্ঘ গবেষণায বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, দ্রুত নগরায়ন, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এবং ক্রমাগত মানসিক চাপের ফলে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। এবার জেনে নেওয়া যাক ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণগুলো-

১. ঘন ঘন পিপাসা লাগা

২. মুখ শুকিয়ে যাওয়া

৩. ঘন ঘন ক্ষুধা লাগা

৪. বার বার প্রস্রাব লাগা

৫. রাতে প্রস্রাবের কারণে ঘুম ভাঙ্গা

৬. ওজন কমতে থাকা

৭. চোখে ঝাপসা দেখা

৮. বমি বমি ভাব হওয়া

৯. মাঝে মাঝে মাথা ব্যথা হওয়া

১০. মিষ্টি খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যাওয়া

১১. একটুতেই উত্তেজিত হওয়া বা মন খারাপ করা

১২. মনসংযোগের অভাব হতে থাকা

অনেক রোগীর ক্ষেত্রে উপরের কোনও লক্ষণই থাকে না। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে এক বা একাধিক লক্ষণ থাকতে পারে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস ধরা পড়ে অন্য রোগের চিকিৎসা বা চেক-আপ করার সময়।

ডায়াবেটিস নির্ণয়ের উপায়-

১. প্রস্রাব পরীক্ষায় প্রস্রাবে গ্লুকোজের উপস্থিতি

২. রক্ত পরীক্ষায় রক্তের গ্লুকোজ লেভেল বেশি থাকা-

৩. সকালে খালি পেটে ৭.০ মিলিমোল/লিটার বা এর বেশি হলে

৪. র‌্যানডোম ১১.০ মিলিমোল/লিটার বা এর বেশি হলে

একটু সচেতনতা ও সাবধানতাই পারে আমাদের জীবনটাকে সুস্থ্য ও নিরাপদে রাখতে।সুস্থ থাকুন ও নিরাপদে পথ চলুন।🛒 অর্ডারের জন্য ইনবক...
04/09/2020

একটু সচেতনতা ও সাবধানতাই পারে আমাদের জীবনটাকে সুস্থ্য ও নিরাপদে রাখতে।
সুস্থ থাকুন ও নিরাপদে পথ চলুন।

🛒 অর্ডারের জন্য ইনবক্স বা কল করুনঃ
📲 01537472189
Runway Surgicals BD
Online Shop

04/09/2020

আসসালামু আলাইকুম
Runway Surgicals BD Online shop থেকে আপনাদের সকলকে স্বাগতম ।
আপনারা আমাদের কাছে বাসা বাড়িতে বব্যবহার উপযোগী সকলধরনের সার্জিক্যাল ইকুইপমেন্ট এবং সার্ভিস পাবেন। আমাদের কাছে আপনারা মেডিকেল সকলধরনের items পাবেন ( Alpak2 bpm, Nebulizer ........) পাচ্ছেন ঘরে বসে অর্ডার এর মাধ্যমে।
আমরা আপনাদের সকলধরনের মেশিন দিতে পাররো ইনশাআল্লাহ
🚛 চট্টগ্রামের বাহিরে কুরিয়ার খরচ আগে পাঠাটে হবে।
🚚 চট্টগ্রামের ভিতর ডেলিভারি চার্জ ১০০টাকা
আপনাদের পছন্দের কোন মডেল থাকলে আমাদের মেসেজ করুন, অথবা আমাদের হটলাইন নম্বরে কল দিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন
☎01537472189
📧Gmail: runwaysurgicalsbd@gmail.com
এই করোনা ভাইরাস এর মধ্যে ঘরে থাকুন, নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখুন, ধন্যবাদ।

Digital Blood Pressure Monitor_ALPK2 WS-910 (Japan)Price: 2800 tk only.Features:Model ALPK2 WS-910Brand ALPK2Display Scr...
04/09/2020

Digital Blood Pressure Monitor_ALPK2 WS-910 (Japan)
Price: 2800 tk only.

Features:

Model ALPK2 WS-910
Brand ALPK2
Display Screen 3-digit LCD display.
Inflation Automatic
Arm Size L (12.6 – 18.0 inch)
Operating principle Oscillometric method
Pressure indication range 0-300 mmHg
Measuring range 50-250 mmHg (Sys) 40-180mmHg (Dia) 40-160 Pulses/min
Accuracy ±3 mmHg (cuff pressure) &±5% (Reading Pulse Rate)
Operating principle Oscillometric method
Pressure indication range 0-300 mmHg
Measuring range 50-250 mmHg (Sys) 40-180mmHg (Dia) 40-160 Pulses/min
Accuracy ±3 mmHg (cuff pressure) &±5% (Reading Pulse Rate)
Power supply 2 AAA.
Battery Life Checker. The battery saving mode automatically turns off after 3 minutes of inactivity,
TUV Health Standard ISO13485 and European Circulation Certificate CE.
EMC safety standards (IEC60601-1-2: 1993), EN1060-1 and EN1060-3.
Origin Japan

Address


4209

Telephone

+8801537472189

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Runway Surgicals BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Runway Surgicals BD:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram