হোমিওপ্যাথি ডাক্তার সিলেট Best Homeopathy doctor Sylhet

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • হোমিওপ্যাথি ডাক্তার সিলেট Best Homeopathy doctor Sylhet

হোমিওপ্যাথি ডাক্তার সিলেট Best Homeopathy doctor Sylhet Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from হোমিওপ্যাথি ডাক্তার সিলেট Best Homeopathy doctor Sylhet, Alternative & holistic health service, লোহারপাড়া গল্লির মুখে, শাহিন স্কুলের পাশে , আম্বরখানা, সিলেট । 01646265036, Sylhet.

বন্ধ্যাত্ব, টিউমার, মূত্রনালীর সংকোচন, নাকের পলিপাস, পাইলস, গনোরিয়া, যৌন দূর্বলতা, মানসিক সমস্যা, শিশুদের বৃদ্ধি জনিত সমস্যার সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক।
স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন টিপস পেতে লাইক দিন।
হোমিওপ্যাথি ডাক্তার সিলেট Best Homeopathy doctor Sylhet

বাত ব্যথার হোমিওপ্যাথিক ঔষধ।📶  Aconitum napellus : একোনাইট ব্যথার একটি সেরা ঔষধ। সাধারণত ভয়ঙ্কর ধরণের ব্যথা, ছুড়ি মারার ...
23/05/2026

বাত ব্যথার হোমিওপ্যাথিক ঔষধ।

📶 Aconitum napellus : একোনাইট ব্যথার একটি সেরা ঔষধ। সাধারণত ভয়ঙ্কর ধরণের ব্যথা, ছুড়ি মারার মতো ব্যথা, হুল ফোটানোর ব্যথা, ব্যথার চোটে দম বন্ধ হয়ে আসে, ব্যথা যদি হঠাৎ দেখা দেয় এবং ব্যথার চোটে যদি ‘এখনই মরে যাব’ এমন ভয় হতে থাকে, তবে একোনাইট খেতে হবে।

🔴 Arnica montana : যে-কোন ধরনের আঘাত,থেতলানো,মচকানো, মোচড়ানো বা উপর থেকে পতনজনিত ব্যথায় আর্নিকা খেতে হবে।পেশী বা মাংশের ব্যথায় আর্নিকা এক নম্বর ঔষধ। শরীরের কোন একটি অঙ্গের বেশী ব্যবহারের ফলে যদি তাতে ব্যথা শুরু হয়, তবে আর্নিকা খেতে ভুলবেন না। যদি শরীরের কোন অংশে এমন তীব্র ব্যথা থাকে যে, কাউকে তার দিকে আসতে দেখলেই সে ভয় পেয়ে যায় (কারণ ধাক্কা লাগলে ব্যথার চোটে তার প্রাণ বেরিয়ে যাবে); এমন লক্ষণে আর্নিকা প্রযোজ্য। আঘাত পাওয়ার কয়েক বছর পরেও যদি সেখানে কোন সমস্যা দেখা দেয়, তবে আর্নিকা সেটি নিরাময় করবে।

📶 Bryonia alba : মাথা ব্যথা, জয়েণ্টের ব্যথা, হাড়ের ব্যথা, মাংশের ব্যথা, বুকের ব্যথা, বাতের ব্যথা প্রভৃতিতে ব্রায়োনিয়া সেবন করতে পারেন যদি সেই ব্যথা নড়াচড়া করলে বেড়ে যায়। ব্রায়োনিয়ার লক্ষণ হলো আক্রান্ত অঙ্গ যত বেশী নড়াচড়া করবে, ব্যথা তত বেশী বৃদ্ধি পেতে থাকে।

🔴 Rhus Toxicodendron : পক্ষান্তরে মাথা ব্যথা, জয়েণ্টের ব্যথা, হাড়ের ব্যথা, মাংশের ব্যথা, বুকের ব্যথা, বাতের ব্যথা প্রভৃতিতে রাস টক্স সেবন করতে পারেন যদি সেই ব্যথা নড়াচড়া করলে কমে যায়। রাস টক্সের লক্ষণ হলো আক্রান্ত অঙ্গ যত বেশী নড়াচড়া করবে, ব্যথা তত বেশী কমতে থাকে।খুব ভারী কিছু উঠাতে গিয়ে কোমরে বা শরীরের অন্য কোন স্থানে ব্যথা পেলে রাস টক্স এক নাম্বার ঔষধ।

📶 Chamomilla : যদি ব্যথার তীব্রতায় কোন রোগী দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূণ্য হয়ে পড়ে, তার ভদ্রতাজ্ঞানও লোপ পেয়ে যায়, সে ডাক্তার বা নার্সকে পযর্ন্ত গালাগালি দিতে থাকে;তবে তাকে ক্যামোমিলা খাওয়াতে হবে। ক্যামোমিলা হলো অভদ্র রোগীদের ঔষধ।

🔴 Colchicum autumnale : কলচিকাম গেটে বাত বা জয়েন্টের ব্যথায় ব্যবহৃত হয়। ছোট ছোট জয়েন্টের বাতে এবং বিশেষত পায়ের বৃদ্ধাঙুলের বাতের ব্যথায় কলচিকাম প্রযোজ্য। কলচিকামের প্রধান লক্ষণ হলো খাবারের গন্ধে বমি আসে এবং আক্রান্ত অঙের জোর/শক্তি কমে যায়।

📶 Hypericum perforatum : যে-সব আঘাতে কোন স্মায়ু ছিড়ে যায়, তাতে খুবই মারাত্মক ব্যথা শুরু হয়, যা নিবারণে হাইপেরিকাম খাওয়া ছাড়া গতি নেই। শরীরের সপর্শকাতর স্থানে আঘাত পেলে বা কিছু বিদ্ধ হলে হাইপেরিকাম খেতে হবে ঘনঘন।যেমন- ব্রেন বা মাথা, মেরুদন্ড, (পাছার নিকটে) কণ্ডার হাড়ে, আঙুলের মাথায়, অণ্ডকোষে ইত্যাদি ইত্যাদি। (তবে যে-সব ক্ষেত্রে পেশী এবং স্নায়ু দুটোই আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে বলে মনে হয়, তাতে আনির্কা এবং হাইপেরিকাম একত্রে মিশিয়ে খেতে পারেন।) আঘাতের স্থান থেকে প্রচণ্ড ব্যথা যদি চারদিকে ছড়াতে থাকে বা খিঁচুনি দেখা দেয় অথবা শরীর ধনুকের ন্যায় বাঁকা হয়ে যায় (ধনুষ্টঙ্কার), তবে হাইপেরিকাম ঘনঘন খাওয়াতে থাকুন।

🔴 Ledum palustre : সূচ, আলপিন, তারকাটা, পেরেক, টেটা প্রভৃতি বিদ্ধ হলে ব্যথা কমাতে এবং ধনুষ্টঙ্কার / খিচুনি ঠেকাতে লিডাম ঘনঘন খাওয়ান। অর্থাৎ যে-সব ক্ষেত্রে কোনকিছু শরীরের অনেক ভেতরে ঢুকে যায়, তাতে লিডাম প্রযোজ্য। এই ক্ষেত্রে লিডাম ব্যথাও দূর করবে এবং ধনুষ্টংকার হলে তাও সারিয়ে দেবে।চোখে ঘুষি বা এই জাতীয় কোনো আঘাত লাগলে লিডাম এক ঘণ্টা পরপর খেতে থাকুন। বাতের ব্যথায় উপকারী বিশেষত যাদের পা দুটি সব সময় ঠান্ডা থাকে।

📶 Kali bichromicum: ক্যালি বাইক্রোম প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা আঙুলের মাথার মতো খুবই অল্প জায়গায় হয়ে থাকে,ব্যথা ঘন ঘন জায়গা বদল করে ইত্যাদি ইত্যাদি।

🔴 Plantago Major : দাঁত, কান এবং মুখের ব্যথায় প্লানটাগো মেজর এমন চমৎকার কাজ করে যে, তাকে এক কথায় যাদু বলাই যুক্তিসঙ্গত।পত্রিকায় দেখলাম, একজন প্রখ্যাত সাংবাদিকের দাঁতব্যথা সারাতে না পেরে ডেন্টিস্টরা শেষ পযর্ন্ত একে একে তাঁর ভালো ভালো চারটি দাঁতই তুলে ফেলেছেন। আহা ! বেচারা ডেন্টিস্টরা যদি প্লানটাগো’র গুণের কথা জানত, তবে প্রবীন এই সাংবাদিকের দাঁতগুলো বেচেঁ যেতো।

📶 Pulsatilla pratensis : পালসেটিলা’র ব্যথার প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা ঘনঘন স্থান পরিবর্তন করে। আজ এক জায়গায় তো কাল অন্য জায়গায় কিংবা সকালে এক জায়গায় তো বিকালে অন্য জায়গায়।

🔴 Lac caninum : ল্যাক ক্যান-এর ব্যথার প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা ঘনঘন সাইড/ পার্শ্ব পরিবর্তন করে। আজ ডান পাশে তো কাল বাম পাশে কিংবা সকালে সামনের দিকে তো বিকালে পেছনের দিকে।

📶 Bellis perennis : প্রচণ্ড গরমের সময় অথবা পরিশ্রম করে ঘর্মাক্ত শরীরে আইসক্রিম বা খুব ঠান্ডা পানি খাওয়ার পরে যদি ব্যথা বা অন্য যে-কোন রোগ দেখা দেয়, তবে বেলিস পিরেনিস খাওয়া ছাড়া আপনার মুক্তির কোন বিকল্প রাস্তা নাই।

🔴 Magnesia phosphorica : ম্যাগ ফস স্মায়বিক ব্যথার এক নম্বর ঔষধ। ইহার ব্যথা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছুড়ি মারার মত।


হাত-পা ফাটার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। 🛑 পেট্রোলিয়ামঃ শীতের দিনে ভীষন ভাবে হাত-পা ফাটা।ফাটা অনেক গভীর ও রক্তপাত হয়।ফাটা স্থা...
23/05/2026

হাত-পা ফাটার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

🛑 পেট্রোলিয়ামঃ

শীতের দিনে ভীষন ভাবে হাত-পা ফাটা।
ফাটা অনেক গভীর ও রক্তপাত হয়।
ফাটা স্থান খুব ব্যাথা হয় ও চুলকায়
পদতলে প্রচুর দূর্গন্ধ যুক্ত ঘাম হয়।
শীত কালে চর্মপীড়ার বৃদ্ধি।
পেট্রলের ধোয়ার গন্ধ ভাল লাগে।
শীতকালীন পা ফাটার একটি চমৎকার ঔষধ পেট্রলিয়াম

🛑 গ্রাফাইটিসঃ

ধাতুগত বৈশিষ্ট হল- মোটা চটা ফাটা (Fair, Flabby, Fatty)
পায়ের গোড়ালী ফেটে যায়।
চটচটে আঠালো রস নির্গত হয়।
শরীরে ঘাম কম।
ফেটে যাওয়া জায়গা চুলকায় ও ব্যাথা হয়।
শীতকালে রোগ লক্ষণ বাড়ে।

🛑 সালফারঃ

গাত্র চর্ম নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন।
হাত পা ও মাথার তালু ব্জালা।
চর্মরোগ প্রবন শরীর।
গোসলে রোগ লক্ষণ বাড়ে।
পায়ের ফাটা জায়গা খুব চুলকায়।
অনেক সময় রক্তপাত হয়।
রোগী গরম কাতর।

গাত্র চর্ম নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন।
হাত পা ও মাথার তালু ব্জালা।
চর্মরোগ প্রবন শরীর।
গোসলে রোগ লক্ষণ বাড়ে।
পায়ের ফাটা জায়গা খুব চুলকায়।
অনেক সময় রক্তপাত হয়।
রোগী গরম কাতর।

নোটঃ রোগীর লক্ষন মিলে যদি একটি ঔষধেই হবে মুক্তি সেটাই প্রকৃত হোমিওপ্যাথি।

23/05/2026

ঘুম না হলে শরীরে কি হয়?

বাঁচতে হলে জানতে হবে।

23/05/2026

পুরুষদের গনোরিয়া রোগের লক্ষন সমূহঃ

১।লিঙ্গ থেকে সাদা,হলুদ বা সবুজ তরল স্রাব।
২।ব্যথা ও প্রস্রাব করার সময় জ্বালা।
৩।টেস্টিকুলার ব্যথা বা ফোলা।

#গনোরিয়া #হোমিও #হোমিওপ্যাথিক

অর্শ  বা পাইলস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও মেডিসিন।অর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনঃ ⭕ অনেক হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানী...
23/05/2026

অর্শ বা পাইলস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও মেডিসিন।

অর্শ বা পাইলস রোগের হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনঃ

⭕ অনেক হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানী পাইলসের রোগীদেরকে সকালে Sulphur এবং সন্ধ্যায় Nux vomica ঔষধ দুইটি খেতে দিতেন। সাধারণত ৩০ শক্তিতে কয়েক মাস খেলে অধিকাংশ পাইলস ভালো হয়ে যায়। অন্য কোন ঔষধের প্রয়োজন হয় না। এই ঔষধ দুটি সরাসরি পাইলস নিরাময় করে না বরং কোষ্টকাঠিন্য সারানোর মাধ্যমে এরা পাইলস নির্মূল করে থাকে। এমনকি কোন কোন চিকিৎসাবিজ্ঞানী এমনও বলেছেন যে, সালফার, নাক্স ভমিকা এবং থুজা মাত্র এই তিনটি ঔষধ দিয়ে পৃথিবীর এমন কোন রোগ নাই যা সারানো যায় না ।

⭕ Calendula officinalis : পায়খানার রাস্তা যদি মাত্রাতিরিক্ত ফোলে যায়, ইনফেকশান হয়ে যায়, ঘায়ের মতো হয়ে যায়, ব্যথায় টনটন করতে থাকে, তবে ক্যালেন্ডুলা ঔষধটি নিম্নশক্তিতে (মাদার টিংচার) কিছু পানির সাথে মিশিয়ে তাতে তুলা ভিজিয়ে সেখানে দু’চার ঘন্টা পরপর প্রয়োগ করুন। দু’চার ঘণ্টা পরপর বা অথবা আরো ঘনঘন প্রয়োগ করুন। যত মারাত্মক ইনফেকশান বা ফোলা-ব্যথা-আলসার হোক না কেন, দেখবেন দুয়েক দিনের মধ্যে সব চলে গেছে। এলোপ্যাথিতে যেমন ডেটল, স্যাভলন, হেক্সিসল ইত্যাদি আছে, তেমনি হোমিওপ্যাথিতে আছে ক্যালেন্ডুলা। তবে ক্যালেন্ডুলার ক্ষমতা তুলনাবিহীন। আক্রান্ত স্থানে লাগানোর পাশাপাশি দশ / বিশ ফোটা করে খেতেও পারেন। অথবা লক্ষণ মতে অন্য কোন ঔষধ খান। পাশাপাশি যে-কোন ধরনের কাটা-ছেড়া-ঘা-ইনফেকশানে ক্যালেন্ডুলার সাহায্য নিতে ভুলবেন না।

⭕ পাইলস থেকে উজ্জল লাল রঙের রক্তপাত হলে Millefolium ঔষধটিদশ/বিশ মিনিট পরপর খেতে থাকুন যতক্ষণ না রক্তপাত বন্ধ হয়।অন্যদিকে কালো / কালচে রক্তপাত হলে Hamamelis Virginicaঔষধটি দশ/বিশ মিনিট পরপর খেতে থাকুন। পায়খানার রাস্তা থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে শরীর দুরবল হয়ে পড়লে, রক্তশূণ্যতা দেখা দিলে China officinalis অথবা Acidum Phosphoricum ঔষধটি খান। পাশাপাশি ভিটামিন জাতীয় অন্যান্য ঔষধগুলিও খেতে পারেন।

⭕ Aesculus Hippocastanum : এসকিউলাসকে বলা যায় সবচেয়ে সেরা পাইলসের ঔষধ। এই ঔষধের কাজের মূল কেন্দ্র হইল তলপেটের যন্ত্রপাতি। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো কোষ্টকাঠিন্য (পায়খানার সাইজ বড় বড় এবং শক্ত), রক্তক্ষরণযুক্ত অথবা রক্তক্ষরণবিহীন পাইলস, পায়খানার রাস্তায় কেহ আলপিন দিয়ে খোচা মারছে এমন ব্যথা, পায়খানার রাস্তা শুকনা শুকনা লাগা, তলপেটে দুরবলতা, পায়ে অবশ অবশ ভাব, হাটঁলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়, রোগী খুবই বদমেজাজি ইত্যাদি। ঔষধ নিম্নশক্তিতে খেলে রোজ দুই/তিন বার করে খাবেন আর উচ্চ শক্তিতে খেলে দশ/পনের/বিশ দিন পরপর এক মাত্রা করে।

⭕ Collinsonia canadensis : ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ পেট এবং পায়খানার রাস্তার অসুখের সাথে মাথাব্যথা, নাভী এবং তলপেটে ব্যথা, কোষ্টকাঠিন্য, কোথানি, অবসন্নতা, আম ও রক্তযুক্ত পায়খানা, মাসিকের সময় পাইলস, পায়খানার রাস্তার মাংস বেরিয়ে পড়া (Prolapse of the re**um), রোগের লক্ষণ শরীরের ওপর থেকে নীচের দিকে যায়, হার্টের সমস্যা এবং পাইলসের রক্তক্ষরণ ঘুরেফিরে আসে, বিভিন্ন জয়েন্টের বাতের ব্যথা, বুকে ব্যথা ইত্যাদি ইত্যাদি।

⭕ Aloe socotrina : এলু সকোট্রিনার প্রধান প্রধান লক্ষণ কোষ্টকাঠিন্য, পেট, তলপেট এবং মাথায় রক্তসঞ্চয়, অদল-বদল করে মাথাব্যথা এবং কোমরের বাত, শীতকালে পাইলসের উৎপাত বৃদ্ধি পায়, দুরবলতা, খাওয়ার পরপরই পায়খানার বেগ হওয়া, শক্ত পায়খানা (ঘুমের মধ্যে) নিজের অজান্তেই বিছানায় পড়ে থাকে, পাইলেসের চেহারা দেখতে আঙুরের থোকার মতো, সারাক্ষণ নীচের দিকে ঠেলামারা ব্যথা, রক্তক্ষরণ, টনটনে ব্যথা, স্পর্শ করা যায় না, গরম, ঠান্ডা পানিতে আরাম লাগে ইত্যাদি ইত্যাদি।

⭕ Peonia officinalis : পিওনিয়ার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো পায়খানার রাস্তায় জ্বালাপোড়া, চুলকানি, ফোলে যাওয়া, (বিছানা-জুতার) চাপ থেকে ঘা হওয়া, পায়খানার রাস্তার ফোড়া, ফেটে যাওয়া(fissure), ভগন্দর (fistula), রক্তনালী ফোলে যাওয়া (varicose veins), ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখা (nightmare), নড়াচড়া-হাঁটা-স্পর্শে রোগের কষ্ট বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি।

অর্শ_রোগের_হোমিওপ্যাথিক_মেডিসিন
অর্শ_রোগের_হোমিও_মেডিসিন
#পাইলস_রোগের_হোমিওপ্যাথিক_মেডিসিন
#পাইলস_রোগের_হোমিও_মেডিসিন

#অর্শ #পাইলস

23/05/2026

শরীর সুস্থ রাখার ৭টি সহজ অভ্যাস।

#হেলথ #হেলথটিপস

পারকিনসন রোগের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ🛑Causticum : যাদের পেশি খুব শক্ত হয়ে যায় তাদের জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকর। এই রোগী...
22/05/2026

পারকিনসন রোগের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

🛑Causticum : যাদের পেশি খুব শক্ত হয়ে যায় তাদের জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকর। এই রোগীদের পিঠ ও পায়ের পেশি অত্যন্ত দৃঢ় হয়ে যায়, যার ফলে তাদের ভারসাম্য রক্ষা করে হাঁটা কঠিন হয়। তারা ধীরে হাঁটে এবং সহজেই পড়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। বসা বা শোয়া অবস্থা থেকে উঠতে তাদের খুব কষ্ট হয়। এই ঔষধটি পারকিনসন রোগীদের হাত কাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঘন ঘন প্রস্রাব, রাতে প্রস্রাব, মাথা ঘোরানো, পেশি ব্যথা, বিষণ্ণতা, উদ্বেগ এবং ঘুমের সমস্যার মতো অ-মোটর লক্ষণগুলির জন্যও উপযোগী।

🛑Rhus tox : এটি পায়ের পক্ষাঘাতের (paralysis) ক্ষেত্রে খুব কার্যকর। পায়ে অনেক শক্ত ভাব থাকে এবং হাঁটার সময় পা টেনে টেনে চলে। এটি অস্থিরতাযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী রোগীদের জন্য বিশেষ উপযোগী।

🛑Gelsemium : এটি স্নায়বিক রোগের চিকিৎসায় চমৎকার ফল দেয়। যেসব রোগী আবেগ বা হঠাৎ ভয়ে সহজেই উত্তেজিত হয়ে পড়ে, তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী। এতে রোগীর হাত, পা বা জিভ কাঁপতে থাকে। এই কাঁপুনি মানসিক উত্তেজনায় আরও খারাপ হয়। রোগী সবসময় ক্লান্ত, উৎসাহহীন এবং ঘুম ঘুম ভাব অনুভব করে। এদের হাঁটার গতি খুব ধীর হয় এবং হাঁটার সময় ভারসাম্য রাখতে কষ্ট হয়। কথা বলার সময় তোতলামি থাকলে এই ঔষধটি উপকার দিতে পারে।

🛑Plumbum metallicum : পারকিনসন রোগের কারণে যাদের নড়াচড়ার গতি অত্যন্ত ধীর হয়ে যায় (ব্রাডিকাইনেশিয়া) তাদের জন্য এটি খুব কার্যকর। এই রোগীদের শরীরের পেশি খুব ধীরে ও অলসভাবে চলে। রোগীর সমস্ত কাজ খুব ধীরে হয়। এর সাথে পেশির দুর্বলতা বা ক্ষয় দেখা যায়। রোগীর চিন্তা ও বোঝার ক্ষমতাও ধীর হয়ে যায়। হাঁটার সময় ভারসাম্যহীনতার কারণে টলমল করে। হাত কাঁপে এবং হাতের পেশি ক্ষয় হয়ে যায়। রোগীর মুখে একটি অভিব্যক্তিহীন, ফাকা ভাব দেখা যায়।

🛑Zincum metallicum : হাত কাঁপার চিকিৎসায় এই ঔষধটি পরামর্শ দেওয়া হয়। এর একটি প্রধান লক্ষণ হলো পায়ের অবিরাম নড়াচড়া। এটি দুর্বল স্নায়ুকে শক্তিশালী করে।

🛑Merc-sol : রোগীর হাত খুব বেশি কাঁপে। পারকিনসন রোগীদের মুখ থেকে লালা ঝরা কার্যকরভাবে এই ঔষধ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। জিভও কাঁপতে পারে এবং কথা বলতে সমস্যা হতে পারে। মুখ থেকে একটি অপ্রীতিকর গন্ধ আসে। বেশিরভাগ সমস্যা রাতে বাড়ে। যেসব রোগীর খুব বেশি ঘাম হয় এবং সেই ঘামের দুর্গন্ধ থাকে, তাদের জন্য এটি উপকারী। রোগী ঠাণ্ডা ও গরম উভয় পরিবেশেই চরম সংবেদনশীল হয়।

🛑Argentum nitricum : এই ঔষধটি হাত কাঁপা এবং হাঁটার সময় ভারসাম্য হারানোর জন্য উপযোগী। রোগীর ভারসাম্যহীনতা ও এলোমেলো হাঁটার কারণে প্রায়ই পড়ে যায়। পায়ের পেশি শক্ত হয়ে যায়, বিশেষ করে উরুর পেছনের পেশি দৃঢ় হওয়ায় হাঁটা আরও কষ্টকর হয়। যেসব রোগীর মিষ্টি খাওয়ার প্রতি আকর্ষণ থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এটি দেখা যায়।

🛑Agaricus : পেশি শক্ত হওয়া, ঝাঁকুনি ও কাঁপুনি, আক্রান্ত স্থানের চারপাশে চুলকানি এবং মেরুদণ্ডের অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা এর প্রধান লক্ষণ। রোগীর স্পর্শকাতরতা থাকে। ঝাঁকুনি এবং কাঁপুনি একটি শক্তিশালী লক্ষণ। ঘুমের সময় ঝাঁকুনি ও পেশির স্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়। পায়ের পক্ষাঘাতের সাথে হাতের পেশিতে স্পাসমোডিক উপসর্গ দেখা যায়। পা ক্রস করে বসলে পা অবশ হয়ে যায়।

🛑Lathyrus : হাতের কাঁপুনি এবং পায়ের পক্ষাঘাত ও দুর্বলতার জন্য এই ঔষধটি ব্যবহৃত হয়। পায়ের পেশি ভারী ও শক্ত মনে হয়। রোগীর মনে হয় মেঝে অসমতল এবং সে তার পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ করতে নিচে তাকাতে বাধ্য হয়। এটি সাধারণত মেরুদণ্ডের পাশের ও সামনের কলামে প্রভাব ফেলে। এতে কোনো ব্যথা থাকে না।

🛑Heloderma : এই ঔষধটি হাত-পায়ের কাঁপুনি, ক্লান্তি, অতিরিক্ত ভয়, দুর্বলতা, মূর্ছা যাওয়া এবং অসাড়তার অনুভূতির জন্য উপযোগী। রোগী মনে করে যেন সে স্পঞ্জের উপর দিয়ে হাঁটছে। হাঁটার সময় স্বাভাবিকের চেয়ে পা বেশি উঁচু করে এবং গোড়ালি শক্তভাবে মাটিতে ফেলে। পেশি ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যথা নড়াচড়ায় উপশম হয়।

#পারকিনসন_রোগের_চিকিৎসায়_হোমিওপ্যাথিক_ঔষধ
#পারকিনসন_রোগের_হোমিওপ্যাথিক_ঔষধ
omeopathy #পারকিনসন

বন্ধ্যাত্ব নারীর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন গুলোর সংক্ষিপ্ত বর্ননা। ✅ বন্ধাত্বের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক ম...
22/05/2026

বন্ধ্যাত্ব নারীর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন গুলোর সংক্ষিপ্ত বর্ননা।

✅ বন্ধাত্বের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন

🛑 কালোফাইলমঃ সাদা স্রাবের কারনে নারী গর্ভধারনে অসমর্থ হলে কলোফাইলম উপযোগী।

🛑 নেট্রাম কার্বঃ স্বামী-স্ত্রী সহবাসের পর স্বামীর বীর্য স্রীর যোনি হইতে বাহির হইয়া আসে বিধায় স্তান লাভ করতে অসমর্থ হয় তবে নেট্রাম কার্ব উপযোগী।

🛑 হেলোনিয়াসঃ অত্যন্ত খিটখিটে স্বভাব,গভীর বিষাদপুর্ন।জরায়ুর নানা রোগ ভোগগের কারনে সন্তান না হলে এ ঔষধটি উপযোগী।

🛑 কোনিয়ামঃ নারীর অনিয়মিত মাসিক,মাসিক কম,মাসিকের সময় স্তনে বেদনা এই লক্ষণ সমষ্টি যে নারীর মাঝে পাওয়া যায় তার জন্য উপযোগী।

🛑 অরাম মিউর নাটঃ জরায়ু রোগাক্রান্ত রোগিনীর জন্য অরাম মিউর নাট উপযোগী।জরায়ুতে ছোট ছোট টিউমার,বেশী বেশী রক্ত প্রদর ইত্যাদি লক্ষনে উপযোগী।

🛑 বোরাক্সঃ ডিমের সাদা অংশের মত প্রচুর সাদা স্রাব সব সময় যোনী ভিজিয়া থাকে।চুল জরিয়ে যায়,উপর হতে নিচে নামতে ভয় নেই বন্ধ্যা নারীল জন্য উপযোগী।

🛑 অরাম মেটঃ সন্তান না হওয়ার কারনে ভীষণ মনোকষ্ট,সর্বদা মনমরা,সন্তান পাওয়ার চিন্তা সবসময় চিন্তিত সেইরোগীর জন্য অরাম মেট উপযোগী।

🛑 এগনাস্টাস ক্যাকটাসঃ যে রমনীর মাসিক অনিয়মিত,স্বল্পস্রাব,সাদা বা হলুদ প্রদর স্রাব কাপড়ে দাগ পরে সেই নারীর বন্ধ্যাত্বের জন্য উপযোগী।

🛑 উথানিয়াঃ ইহার অপর নাম অশ্বগন্ধা এই ঔষধটি নিয়মিত বন্ধ্যা নারীকে নিয়মিত দিলে সে সন্তান লাভের উপযোগী হয়।এ ঔষধটি সেবনে নারীর স্বাস্হ্য সবল হয় ডিম্বানু উৎপন্ন হয় ও সন্তান লাভের উপযুক্ত হয়।

🛑 আয়োডিয়ামঃ রাক্ষুষে ক্ষুধা রোগিনী ঠিকমত খায় কিন্তু শরীর ক্রমশ: শুকাইয়া যায়।স্তন শুষ্ক,ডিম্বকোষ,জরায়ুর রোগ ভোগ ইত্যাদির কারনে নারী সন্তান উৎপাদনে অসমর্থ হলে আইয়োডিয়াম উপযোগী।

🛑 প্লাটিনাঃ রোগিনী প্রবল কামাতুর,নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করে তলপেটে একটি জীবিত কোন বস্তুর নড়াচড়া অনুভব করেনমণ মণ সর্বদা পরিবর্তনশীল এই রমনীর জন্য প্লাটিনা উপযোগী।

🛑 পালসেটিলাঃ নম্র স্বভাবের রমনী,ক্রন্দনশীল,মন পরিবর্তনশীল,জরায়ু তলপেট,কোমর বেদনায় কাতর,বাধক বেদনা মাসিক কম ইত্যাদি লক্ষণ সমষ্টি যে নারীর মাঝে পাওয়া যায় তার জন্য পালসেটিলা উপযোগী।
জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের বিকৃতির জন্য অধিকাংশ স্ত্রীলোক বন্ধ্যা হইয়া থাকে।এই জন্য জন্য সকল লক্ষণ বিবেচনায় ঔষধ প্রয়োগ জরুরী।ধাতু দোষের কারনেও বন্ধ্যাত্ব হতে পারে তাহার জন্য ক্যালকেরিয়া কার্ব, সিমিসিফুগা, ব্যাসিলিনাম, ফেরামমেট, ডাস্কোরিয়া, ফসফরাস, এসিড ফস, স্যাবাইনা, সিপিয়া, সালফার প্রভৃতি ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

✅ নারীর বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় বায়োকেমিক ব্যবহৃত ঔষধসমুহের লক্ষন সহ আলোচনা করা হলঃ

🛑 নেট্রামমিউরঃ
লবনপ্রীয় রোগীনির মাসিকের গোলযোগ,সহবাসে অনিচ্ছাসহ নেট্রাম মিউরের সার্বলাক্ষনিক বিবেচনায় যদি নেট্রাম মিউরের উপযোগী রোগী হয় তবে এ ঔষধটি একটি মুল্যবান ঔষধ।

🛑 ক্যালকেরিয়া ফ্লোরঃ জরায়ুতে টিউমার,পলিপাস সাদাস্রাব ও ওভারীর রোগসমুহ যে রোগীর মাঝে আছে সেই রোগীর জন্য ক্যালকেরিয়া ফ্লোর উপযোগী।

🛑 সাইলেসিয়াঃ ঋতুর পরিবর্তে সাদাস্রাব,স্রাবের পরিমান অনেক বেশী,হাজাকারক,স্রাব হওয়ার আগে তলপেটে বেদনা অনুভব ,ফেলোপিয়ান টিউবে পুজ বা পানি জমা। যোনি ফোলা,স্রাবে অত্যন্ত দুর্গন্ধ,অনিয়মিত মাসিক ,ইত্যাদি লক্ষন যে রেগিনীর মাঝে আছে তার জন্য অত্যন্ত প্রযোজনীয় ঔষধ।

🛑 ক্যালকেরিয়া ফসঃ জরায়ুর দুর্বলতা,মনে হয় জরায়ু নিচে নেমে যাচ্ছে,পায়খানা প্রস্রাবের পরে রোগ বেশী মনে হয়,জরায়ুর স্হানচ্যুতি।সাদা স্রাব দুধেরমত সাদা। মাসিকের পরে সাদা স্রাব।মাসিকের রং কখনও লাল কখনও কাল ইত্যাদি রোলক্ষন যে রোগিনীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য ক্যালকেরিয়া ফস উপযোগী।

🛑 নেট্রাম ফসঃ জরায়ু ও যোনির স্রাহ হলুদ,পাতলা,অম্ল গন্ধ যুক্ত ঘ্রানে বমি আসলে সেই রোগিনীর জন্য নেট্রাম ফস অত্যন্ত উপযোগী ঔষধ।

#বন্ধ্যাত্ব
#হোমিও

হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন রাসটক্স Homeopathic Medicine Rhus Tox✅ মানসিক লক্ষনঃ 🛑 রোগী খেয়ালী প্রকৃতির।🛑 উত্তাপে উপশম ও রাত্রে...
22/05/2026

হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন রাসটক্স Homeopathic Medicine Rhus Tox

✅ মানসিক লক্ষনঃ

🛑 রোগী খেয়ালী প্রকৃতির।

🛑 উত্তাপে উপশম ও রাত্রে বৃদ্ধি।

🛑 স্বপ্নে দেখে যেন পৃথিবী অগ্নিময় হয়েছে।

🛑 শুনা কথা ও কুসংস্কারে বিশ্বাস করে।

✅ চারিত্রিক লক্ষণঃ

🛑 রোগী উত্তপ্ত অবস্থায় অল্পক্ষন পানিতে ভিজিলে অথবা নদী ও পুকুরে স্নান করিলে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

🛑 শান্ত স্বভাবের ব্যক্তিগণের পীড়া, স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে বসবাস হেতু অসুস্থ হইয়া পড়ে।

🛑 বাত ও সন্ধিবাত। ঝড়বৃষ্টির পূর্বে বেদনার বৃদ্ধি হয় এবং হাত পা শক্ত হইয়া থাকে ।

🛑 অত্যাধিক পরিশ্রমের পর জলে ভিজিয়া পীড়া।

🛑 রোগী শরীর আবৃত করিয়া রাখে অথচ হাত বাহির করিলেই কাশি আসে।

🛑 পেশীতে ছিঁড়িয়া ফেলার মত বেদনা ।

🛑 ক্ষুধা থাকে কিন্তু আহারের স্পৃহা থাকে না। মুখ গহ্বর ও গলায় অত্যান্ত শুষ্কতার সহিত প্রবল তৃষ্ণা। বিশেষত: রাত্রি কালে মুখ অত্যন্ত শুষ্কতার সহিত ঠান্ডা পানীয় পানের অদম্য তৃষ্ণা । কিন্তু ঠান্ডা পানীয়ে শীত ও কাশি দেখা দেয়।

🛑 জিহ্বা খসখসে ও শুষ্ক। ধারগুলি লাল, ডগা লাল অথবা কাটা কাটা দেখায়।

🛑 দিনে অস্থিরতা থাকে না, রাত্রে অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়, একভাবে শয়নে থাকিলে কষ্টানুভব।

🛑 বাম অঙ্গের পেশীসমূহের বাত, বাম অঙ্গে সায়েটিকা বা এক প্রকার স্নায়ুশূল ও বাত।

🛑 মাংস পেশীতে টাটান ব্যথা। আক্রান্ত স্থান খুলিলেই ক্ষতের মত ব্যথা বোধ।

🛑 ঠোঁটের কোণে ঘা, মুখের ও ঠোঁটের চতুর্দিকে জ্বর ঠুটো।

🛑 মুখ, গলা, জিব সবই শুষ্ক, অত্যন্ত পিপাসা।

🛑 শরীরের স্থানে স্থানে আম বাতের মত ফোলা, তাহাতে চুলকানি।

🛑 লালাস্রাব, খাদ্যদ্রব্য তিক্তাস্বাদ, রুটি ও চিংড়ি মাছ খাওয়ার ইচ্ছা।

🛑 পুরাতন আমাশয় ও উদরাময়।

সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।

#হোমিও #হোমিওপ্যাথি #হোমিওপ্যাথিক #রাসটক্স

স্তন টিউমার  নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও কার্যকরী মেডিসিন✅ টিউমার কি?বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর শরীর অসংখ্য ছোট ছোট কোষের...
21/05/2026

স্তন টিউমার নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও কার্যকরী মেডিসিন

✅ টিউমার কি?
বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর শরীর অসংখ্য ছোট ছোট কোষের মাধ্যমে তৈরি। এই কোষগুলো একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর মারা যায়। এই পুরনো কোষগুলোর জায়গায় নতুন কোষ এসে জায়গা করে নেয়। সাধারণভাবে কোষগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে এবং নিয়মমতো বিভাজিত হয়ে নতুন কোষের জন্ম দেয়। সাধারণভাবে বলতে গেলে যখন এই কোষগুলো কোনও কারণে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে তখনই ত্বকের নিচে মাংসের দলা অথবা চাকা দেখা যায়। একেই টিউমার বলে।

✅ পরীক্ষাঃ-
স্তনে হাত দিয়ে চেপে দেখতে হবে কোন চাকা বা গুঁটির মতো আছে কি না। যদি গুটির মতো পাওয়া যায় টিউমারের প্রকৃতি জানার জন্য মেমোগ্রাম (Breast Mammogram) পরীক্ষা বা আল্ট্রাসনো (Breast Ultrasound) পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়। ক্যান্সারে আক্রান্ত কিনা জানতে এফ.এন.এ.সি (FNAC) বা বায়োপসি (Biopsy) পরীক্ষা করতে হয়। হোমিওপ্যাথি ডাক্তার গন FNAC/Biopsy পরীক্ষা অতি প্রয়োজন না হলে দিবেননা কারণ এতে রোগ আরো জটিল ও দুরারোগ্য হতে পারে।

✅ টিউমারের কারণ:-
বংশগত বা অর্জনগত মায়া-জমের প্রভাবে শরীরে টিউমারের ক্ষেত্র বা রোগপ্রবনতা তৈরি হয়। এ রোগপ্রবনতা যার শরীরে রয়েছে, উপযুক্ত পরিবেশে তার শরীরে টিউমার রোগ হিসাবে বিকশিত হয়।

✅ স্তন টিউমারের চিকিৎসা:-
হোমিওপ্যাথিতে স্তন টিউমার ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করে আরোগ্য করা সম্ভব। হোমিওপ্যাথিতে ১০০ জন রোগী ‘স্তন টিউমারের’ জন্য চিকিৎসা নিলে প্রায় ৭৫ জন রোগী বিনা অপারেশনে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়। যারা চিকিৎসা নিতে চান তারা লক্ষণ সমূহ হতে কোনটা আপনার রোগের সাথে মিলে তা ডাক্তারকে স্পষ্ট করে জানালে চিকিৎসা পেতে সহজ হবে। (লক্ষণ সমূহের গাইডলাইন নির্দেশনা:-

🛑 Conium maculatum : স্তন টিউমারের এক নাম্বার ঔষধ হলো কোনায়াম। এক লক্ষ (CM) শক্তিতে এক ড্রাম বড়ি কিনে আনুন এবং তা থেকে মাত্র দুটি বড়ি খান। তারপর দুই মাস অপেক্ষা করুন। তখন যদি দেখেন যে, আপনার স্তনে আর কোন টিউমার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তবে হিসাব করে দেখলে দেখতে পাবেন আপনার চিকিৎসায় খরচ হয়েছে সাকুল্যে দশ পয়সা !!! অবশ্য আমার চেম্বারে এসে প্রেসক্রিপশান নিলে তার সাথে আরো ৫০০ টাকা যোগ করতে হবে ! সে যাক, যদি দুই মাস পর দেখেন যে আপনার টিউমার পরোপুরি নির্মূল হয় নাই রবং তার সাইজ অনেক ছোট হয়ে গেছে। তাহলে আরেক মাত্রা খেতে পারেন।

🛑 Thuja occidentalis : সাধারণত যাদের অতীতে নানা রকমের টিকা নেওয়ার ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে থুজা ঔষধটি খেতেই হবে। আপনি ২০০ শক্তিতে সপ্তাহে এক মাত্রা করে কয়েক মাস খান অথবা এক লক্ষ শক্তিতে (CM) দুই মাস পরপর এক মাত্রা করে খেতে পারেন।

🛑 Phytolacca decandra : ফাইটোলেক্কা ঔষধটি স্তন টিউমারের আরেকটি সেরা ঔষধ। এটি নিম্নশক্তিতে (Q) ২০ ফোটা করে রোজ দুই বেলা হিসাবে খান দুই মাস ছয় মাস যত দিন লাগে।
আরো ঔষধ আছে যেগুলো হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারগু লক্ষন সাপেক্ষে প্রয়োগ করবেন।

এছাড়াও লক্ষণ সদৃশ মেডিসিন লাগতে পারে।

হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ফ্রাক্সিনাস আমেরিকানা Homeopathic Medicine Fraxinus Americana✅ উৎসঃ উদ্ভিজ✅ প্রাকৃতিক বর্গঃ বাকল হত...
21/05/2026

হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ফ্রাক্সিনাস আমেরিকানা Homeopathic Medicine Fraxinus Americana

✅ উৎসঃ উদ্ভিজ
✅ প্রাকৃতিক বর্গঃ বাকল হতে অরিষ্ট প্রস্তুুত করা হয়।
✅ রোগসমূহঃ জরায়ূর বহিঃনির্গমন,জরায়ূর টিউমার।
✅ বৈশিষ্ট্যঃ ফ্রাক্সিনাসের প্রধান ব্যবহারকারী হচ্ছে ডাঃ বার্নেট।তিনি এই ঔষধকে জরায়ূর টনিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জরায়ূর ভারি অবস্হা তার সাথে বহিঃনির্গমন
পেশির সিথিলতা।
জরায়ূর টিউমার বিশেষত ফ্রাইবয়েড টিউমার,সাথে কোথ পাড়া ব্যাথা।
✅ লক্ষনসমষ্টিঃ-
✅ মস্তকঃ মাথা ঘোড়া এরপর জ্বর,মাথা ও ঘাড়ের পিছনে দপ দপ ব্যাথা।
✅ মুখমন্ডলঃ ঠোটে জ্বর, ফোস্কা।
✅ মল ও মলদ্বারঃ কোষ্ঠকাঠিন্য।
✅ প্রস্রাব যন্ত্রঃ পস্রাব পরিমানে অল্প ও বাদামী।
✅ স্ত্রী জননেন্দ্রীয়ঃ জরায়ূর বহিঃনির্গমন,সুতার মত টিউমার।
✅ বাহুসমূহঃ রাত্রী দ্বিপ্রহরের পর পায়ে খিলধরা।
✅ নিদ্রাঃ রাত্রের প্রথম অংশ জাগ্রত অবস্হা,রাত্রের শেষ অংশে দুংসপ্ন দেখে।
✅ জ্বরঃ শরীল ঠান্ডায় শির শির করে।

এখানে গুরুত্বপূর্ন সিম্পটমগুলো আলোচনা করা হয়েছে।বিস্তারিতভাবে জানতে মেটেরিয়া মেডিকা স্ট্যাডি করা আবশ্যক।
✅ সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা
ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।

Address

লোহারপাড়া গল্লির মুখে, শাহিন স্কুলের পাশে , আম্বরখানা, সিলেট । 01646265036
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 08:00 - 00:00
Tuesday 08:00 - 00:00
Wednesday 08:00 - 00:00
Thursday 08:00 - 00:00
Friday 08:00 - 00:00
Saturday 08:00 - 00:00
Sunday 08:00 - 00:00

Telephone

+8801646265036

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হোমিওপ্যাথি ডাক্তার সিলেট Best Homeopathy doctor Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to হোমিওপ্যাথি ডাক্তার সিলেট Best Homeopathy doctor Sylhet:

Share