Modern Health Care Pharmacy

Modern Health Care Pharmacy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Modern Health Care Pharmacy, Pharmacy / Drugstore, Sylhet.

Serves patients by preparing medications, best health care team, physician orders and detecting therapeutic incompatibilities, prepares medications, healthcare practitioners about proper medication therapies for patients

লকডাউন এখন আর নেই তাই, আমরা আমাদের কাজের জায়গাতে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করছি । যেকোন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারের...
24/09/2020

লকডাউন এখন আর নেই তাই, আমরা আমাদের কাজের জায়গাতে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করছি । যেকোন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকুন। যতটা সম্ভব সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং জনাকীর্ণ জনসমাগমে একটি মাস্ক ব্যবহার করুন।

and Your Friends to the Page.

.



.

://www.facebook.com/ModernHealthCarePharmacy

://www.facebook.com/MMH.HealthCare

হাতের নখে সাদা দাগ হয় কেন? জানুনঃনখ আমাদের শরীরের তথা হাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ৷ বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে এই নখের গ...
19/09/2020

হাতের নখে সাদা দাগ হয় কেন? জানুনঃ

নখ আমাদের শরীরের তথা হাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ৷ বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে এই নখের গুরুত্ব একটু বেশিই বলা যায়৷ কিন্তু মাঝে মধ্যেই আমরা দেখতে পাই নখে বেশ কিছু সাদা দাগ রয়েছে৷ কথায় আছে, নখে সাদা দাগ মানে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব৷ সেই প্রচলিত ধারণার কথা স্মরণ করে অনেকেই ভয় পেয়ে যান৷ কিন্তু সত্যিই কী ভয়ের কিছু রয়েছে?

জানা যায়, নখে সাদা দাগ মানেই ক্যালসিয়ামের অভাব কথাটি গল্পকথা ছাড়া আর কিছুই নয়৷ বরং বলা যেতে পারে, এই সাদা দাগগুলির পিছনে যে রহস্য রয়েছে তা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণও নয়৷ তাহলে কোথা থেকে আসে এই দাগ?

চিকিৎসা বিজ্ঞানে নখের সাদা দাগের নাম ‘punctate leukonychia’৷ অধিকাংশ সময়ে এই দাগের আবির্ভাব হয় নখে ধাক্কা বা চোট লাগলে৷ তবে এই আঘাত যে খুব গুরুতর হতে হবে তার কোন মানে নেই৷ টেবিলে ক্রমাগত নখ দিয়ে আওয়াজ করা বা দাঁত দিয়ে নখ কাটাও এই সাদা দাগ উদ্ভবের কারণ হতে পারে৷ আসলে এই সাদা দাগগুলি হল নখের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ৷

তবে নখের কিছু কিছু জায়গায় সাদা দাগ কোন চিন্তার কারণ নয়৷ কিন্তু আপনার নখটি পুরো সাদা হয়ে যায় তাহলে তা গুরুতর হতে পারে৷ কারণ পুরোপুরি সাদা নখ শরীরের অন্য কোন বড় সমস্যার জানান দিতে পারে৷ যেমন-লিভার সমস্যা, কিডনী সমস্যা অথবা হার্টের সমস্যা৷

এছাড়া যখন এই সাদা দাগগুলি সারি দিয়ে থাকে তখন তা রক্তে প্রোটিনের স্বল্পতাকেই ইঙ্গিত করে৷ তাই সাদা দাগ যদি পুরো নখ জুড়ে থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷



and Your Friends to the Page.

.



.

://www.facebook.com/ModernHealthCarePharmacy

://www.facebook.com/MMH.HealthCare

PR segment is short in WPW syndrome, prolonged in heart block and depressed in acute pericarditis.Wolff-Parkinson-White ...
13/09/2020

PR segment is short in WPW syndrome, prolonged in heart block and depressed in acute pericarditis.
Wolff-Parkinson-White (WPW) syndrome is a relatively common heart condition that causes the heart to beat abnormally fast for periods of time. The cause is an extra electrical connection in the heart. This problem with the heart is present at birth (congenital), although symptoms may not develop until later in life.


and Your Friends to the Page.

.



.

://www.facebook.com/ModernHealthCarePharmacy

://www.facebook.com/MMH.HealthCare

20/08/2020
30/07/2020

অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা.......................................................... ঈদ মোবারক

হরমোনাল ইমব্যালেন্স | কিভাবে আনবেন খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইলে চেঞ্জ?আমরা এমন একটা সময়ে বাস করি যেখানে সবাই সৌন্দর্য বা স্...
20/07/2020

হরমোনাল ইমব্যালেন্স | কিভাবে আনবেন খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইলে চেঞ্জ?

আমরা এমন একটা সময়ে বাস করি যেখানে সবাই সৌন্দর্য বা স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য নিজের ওজন ও ফিগারের দিকে চড়া নজর রাখি। সেখানে হঠাৎ যদি একদিন দেখি শখের জামাটার হাতা টাইট হয়ে যাচ্ছে, শরীরের এখানে সেখানে নতুন কিছু চর্বির আস্তর তখন যে কতটা কষ্ট হয় সেটা আমরা সবাই কমবেশি জানি। হরমোনাল ইমব্যালেন্স এ ক্ষেত্রে অনেকটা ভূমিকা রাখে! হরমোনাল ইমব্যালেন্স নিয়ে বিস্তারিত বলবার পূর্বে কিছু কথা বলে নিই…

রোজ যেমনটা খান তেমনই খাওয়া-দাওয়া, কাজকর্ম, হালকা এক্সারসাইজ করছেন। কিন্তু কথা নেই, বার্তা নেই হঠাৎ ৫ কেজি ওজন বেড়ে গেল! টেরই পেলেন না! এমনটা কি আপনার সাথেও হয়? আর যারা ওজন লক্ষ্য করেন না তারা তো মিনিমাম ১৫-২০ কেজি বাড়ার আগে নিজের এই চেঞ্জ নিয়ে তেমন চিন্তাই করেন না! আবার কেউ কেউ আছেন, প্রাণপন চেষ্টা করেও ওজন কমাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বাতাসেও যেন ওজন বাড়ে, তাই না?

উপরের একটা সিচুয়েশনেও যদি আপনি পড়ে থাকেন কখনো, আজ আপনার সাথেই কথা বলতে চাই…!

কি ভাবছেন নতুন একটা ‘ডায়েট চার্ট‘ নামক বস্তু দিব? না না, এক্সারসাইজ আর হেলদি লাইফস্টাইল ছাড়া যে স্বাস্থ্য, ফিগার কোনটাই কনট্রোলে আনা সম্ভব না সেটা আমরা ভালোভাবেই জানি। অনেক সময় সেসব কিছুই কাজ করে না, কিন্তু কেন? আমাদের দেশের অধিকাংশ নারীই প্রবলেমের গভীরে যাবার চিন্তাটুকুও না করে বছরের পর বছর ‘ক্রাশ ডায়েট’ নামক টর্চার নিজের উপরে চালান। লাভতো কিছুই হয় না, ফ্রি হিসেবে পান গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটির জীবনভর সমস্যা!

একটা বিশাল অংশের মানুষের অস্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধির মূল কারণ হরমোনাল ইমব্যালেন্স। আর এই ক্ষেত্রে ওজন কমানোর চিন্তা করার আগে হরমোন লেভেল কনট্রোল করতে হবে। এছাড়া কোন উপায় আসলে নেই। আর শুধু মাত্র ডায়েট বা লাইফস্টাইল দিয়েও আবার হরমোন লেভেল কন্ট্রোলে রাখাটা সম্ভব নয়। এজন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেডিকেল হেল্পের দরকার হয়।

হরমোনাল ইমব্যালেন্স এর ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইলের কিছু চেঞ্জ
অনেকে ভাবে যে হরমোনের কারণে ওজন বেড়ে যাওয়াটা মেইন প্রবলেম। তা কিন্তু নয়। হরমোনাল ইমব্যালেন্স মেইন প্রবলেম! আর ওজন বেড়ে যাওয়া এই হরমোনাল ইমব্যালেন্স এর কারণে তৈরি রোগ ব্যাধির একটা ‘উপসর্গ’ মাত্র। তাই মেইন প্রবলেমটা কোথায় সেটা বের করে ট্রিট যত জলদি করবেন ততই ভালো। হরমোনাল ইমব্যালেন্স, খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল নিয়ে চলুন জেনে নেই বিস্তারিত…

করটিসল (Cortisol)
শরীরে তৈরি প্রধান ‘স্ট্রেস হরমোন’। নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে যেকোনো স্ট্রেসফুল সিচুয়েশনে অ্যাডরেনাল গ্ল্যাণ্ড ‘করটিসল’ প্রডিউস করে। আর দেহে প্রচুর পরিমাণে করটিসল থাকলে দেহ ‘ইনফ্লেমেটোরি মুডে’ চলে যায়। যার লং টার্ম রেজাল্ট ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, বিভিন্ন অটো ইমিউন রোগ ব্যাধি। খুব অল্প সময়ের স্ট্রেসে করটিসল আমাদের অ্যাংজাইটি কমাতে হেল্প করে, বাট সবসময় এই হরমোনের লেভেলে ইমব্যালেন্স থাকলে দেহের পুরো সিস্টেম ধ্বংসও সে একাই করতে পারে। যেমন- অতিরিক্ত ইনসুলিন প্রোডাকশন এবং ফ্যাট সেল প্রোডাকশন (ওজন বাড়ার কারণ)।

স্ট্রেসে করটিসল হরমোনাল ইমব্যালেন্স -

কি করবেন?
অবশ্যই যেকোনো মূল্যে প্রতি রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমাবেন। রোজকার রুটিনে স্ট্রেস কন্ট্রোল করা শহরের বিজি লাইফে খুবই জটিল। কিন্তু উপায় নেই। তাই মেডিটেশন করার ট্রাই করুন। অবশ্যই যেকোনো ভাবে প্রসেসড ফুড, প্রিজারভেটিভ এভয়েড করবেন।

থাইরয়েড (Thyroid)
আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষ হরমোনের সমস্যা বলতে এক প্রজনন হরমোন আর এই থাইরয়েডকেই চেনে! তাই একে নতুন করে পরিচিত করিয়ে দেবার কিছু নেই। থাইরয়েড প্রবলেমে ওজন বাড়ে, কমন নলেজ, কিন্তু কেন? ভেবেছেন কখনো? বলছি, থাইরয়েড গ্ল্যাণ্ড থেকে নিঃসরিত হরমোনের একটা প্রধান কাজ আমাদের মেটাবোলিজম, ঘুম, হার্ট রেট, বৃদ্ধি কন্ট্রোল করা। যখন যথেষ্ট হরমোন শরীরে তৈরি হয় না, তখনই হাইপারথাইরয়েডিজম হতে পারে। কেন দরকারি হরমোন ঠিকভাবে তৈরি হচ্ছে না? ডাক্তাররা অস্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল আর জেনেটিকস কে দায়ি করেন। ম্যালনিউট্রিশন, টক্সিক আবহাওয়া- এসবও বেশ বড় কালপ্রিট! থাইরয়েডের অভাবে একি সাথে বডির মেটাবোলিজম মানে ক্যালোরি থেকে এনার্জি কনভার্সনের রেট বাধাগ্রস্থ হয়, ফ্যাট বাড়তে থাকে এবং দেহে পানি জমতে থাকে। দুই মিলে কি হয়? হঠাৎ করে ২০ কেজি ওজন বেড়ে যায়!

হাইপারথাইরয়েডিজম এর কারণ সমূহ যা হরমোনাল ইমব্যালেন্স ঘটায় -

কি করবেন?
থাইরয়েড রিলেটেড সমস্যা আছে সন্দেহ থাকলে কোন দিকে না তাকিয়ে সাথে সাথে ডাক্তার দেখাবেন। আর মেডিকেশনের সাহায্যে সবসময় হরমোন ব্যালেন্সে রাখার চেষ্টা করবেন। আয়োডিন যুক্ত লবণ খাবেন এবং কাঁচা শাক সবজি এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করবেন। ডাক্তারের সাহায্য ছাড়া কোনভাবেই এই প্রবলেম আপনি কন্ট্রোল করতে পারবেন না।

লেপটিন (Leptin)
খাবারের সময় পেট ভরেছে কি ভরে নি এটা আপনি কিভাবে বোঝেন বলুনতো? এই ‘ভরপেট ফিলিং’ দেবার পেছনে হাত আছে ‘লেপটিন’ নামক আমাদের কাছে মোটামুটি অপরিচিত এই হরমোনের। লেপটিন আমাদের বডিকে সিগন্যাল দেয় যে কখন তার ফুয়েল ট্যাংক পুরো ভরে গেছে, তাই আমরা সেটা টের পেয়ে খাওয়া বন্ধ করি। কিন্তু অতিরিক্ত প্রসেসড খাবার, প্রিজারভেটিভ, চিনি এবং চিনি যুক্ত খাবার আমাদের দেহে অতিরিক্ত লেপটিন তৈরি করে। এতে কি হয়? দেহের ‘লেপটিন সেনসিটিভিটি’ কমে যায়। অর্থাৎ লেপটিন তৈরি হলেও তখন বডি এটা বোঝে না যে তার আর খাবারের দরকার নেই যথেষ্ট হয়েছে। সে অতিরিক্ত খাবার খেয়েই যায় । আর এরই ফল অতিরিক্ত ওজনের ভার।

হরমোনাল ইমব্যালেন্স না থাকায় লেপটিন সিগন্যাল -

কি করবেন?
দুই তিন ঘণ্টা পরপর স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খান। অতিরিক্ত চিনি, মিষ্টি এবং মিষ্টি ফল পরিহার করুন। এবং প্রচুর প্রচুর পানি খান। বিস্কিট, চানাচুর, সাদা চিনি, কোল্ড ড্রিংক খাওয়া একেবারেই বন্ধ করুন।

মেলাটোনিন (Melatonin)
‘ঘুমের হরমোন’ নামেই এর পরিচিতি বেশি। আজকাল অনেকেই ঘুমের ন্যাচারাল সাইকেল মেনটেন করতে মেলাটোনিন সাপ্লিমেনট খেয়ে থাকেন। পিনিয়াল গ্ল্যাণ্ড থেকে তৈরি এই হরমোন আমাদের ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে এবং রোজ একই সময়ে ঘুমানোর সিগন্যাল দেবার কাজটা করে। ন্যাচারালি রাতে দেহে মেলাটোনিন বেশি নিঃসরিত হয় এবং সকালে কমে আসে (সান সাইকেলের সাথে তাল রেখে) এজন্য সকালে ঘুমানো স্বাভাবিক মানুষের জন্য কঠিন এবং রাতে ঘুমিয়ে পড়াটা সহজ। দেহ রাতের ঘুমের সময়টাতে দেহের ক্ষয় ক্ষতিগুলো সারিয়ে তোলে। কিন্তু ঘুমের সাইকেল এবং মেলাটোনিন-এর লেভেলে অসামাঞ্জস্য দেখা দিলে এই রিপেয়ারের কাজগুলো ঠিকভাবে হয় না। এতে ইনফ্লেমেশন বাড়ে, দেহে অতিরিক্ত পানি জমে যায়, মেটাবলিসম স্লো হয়ে যায় এবং ফলাফলে ওজন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

কি করবেন?
রাত ১০ টার পড়ে ঘরে কোন আলো জ্বালাবেন না, চোখের সামনে ব্লু লাইট (যেকোনো স্ক্রিন যেমন ফোন, পিসি, টিভি ব্লু লাইট নিঃসরণ করে) রাখবেন না। পিসি, ফোনে নাইট লাইট সেটিং ইউজ করুন যাতে সূর্য ডোবার সাথে সাথে কালার টোন কুল থেকে ওয়ার্ম হয়ে যায়। এতে অনেক রাত পর্যন্ত “ঘুমাতে পারছি না” এই অজুহাতে জেগে থাকার সমস্যা কমবে। কাঠবাদাম, চেরি, সূর্যমুখীর বীজ, এলাচি এসব হচ্ছে ন্যাচারাল মেলাটোনিনের সোর্স। তাই খাবার তালিকায় এসব রাখার ট্রাই করুন।

ইসট্রোজেন (Estrogen)
প্রধান নারী প্রজনন হরমোন। কিন্তু নারী পুরুষ দুইয়ের দেহেই ন্যাচারালি বা আর্টিফিশিয়ালি এই হরমোনের লেভেল কন্ট্রোলের বাইর চলে যেতে পারে। সমস্যাটা তখনি শুরু হয়। আপনি কি জানেন, খাবারের মাধ্যমেও আপনার দেহে এক্সেস ইসট্রোজেন আসতে পারে? স্পেশালি পেসটিসাইড আর গ্রোথ হরমোন দিয়ে তৈরি খাবার খেলে এই সমস্যা এড়ানোর উপায় নেই বললেই চলে। আবার অনেকের দেহে জেনেটিক কারণেই অতিরিক্ত হরমোন তৈরি হয়! ইসট্রোজেন লেভেল বেড়ে গেলে দেহে ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা কমে আসে। আর তখনি অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি (একচুয়ালি অতিরিক্ত মেদ বৃদ্ধি) শুরু হয়। ফলাফলে প্রজননে সমস্যাসহ আরও অনেক জটিল শারীরিক রোগ ব্যাধি দেখা দেয়।

কি করবেন?
হরমোনাল ইমব্যালেন্স রুখতে এক্সারসাইজ -

সাদা ময়দা, সাদা ভাত, সাদা চিনি এসব বাদ দিন। হোল ফুড খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। যতটা পারেন ক্লিন অরগানিক প্রোডাক্ট খান। রোজ ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ দেহের নিজের হরমোন লেভেল ঠিক রাখতে হেল্প করবে। ফার্মের গ্রোথ হরমোন দেয়া পোলট্রি, রেডমিট, ডেইরি একেবারেই বাদ দিন।

কি? থাইরয়েডের সমস্যা বা পিরিয়ডের সমস্যাতেই যে শুধু ওজন বাড়ে না সেটা দেখে চমকে গেছেন? দেহে অনেক ধরনের বিক্রিয়াই চলে যা আমরা নিজের হাতে নষ্ট করি, তারপরে সেটাকে অবহেলা করে বছরের পর বছর ‘ডায়েট’ আর ‘শর্ট জিম কোর্স’ করে একমাসে ২০ কেজি কমানোর আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখি, এরপর গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডিটি, ডায়াবেটিসে বিধ্বস্ত নিজের ভাঙ্গা চোরা শরীরটা টানতে টানতে ডাক্তারের চেম্বারে ফেলে দিয়ে হতভম্ব ডাক্তারের ১৪ পুরুষ তুলে গালি দেই।

কিন্তু কি জানেন? দিন রাত কোঁকাতে কোঁকাতে জীবনটা কিন্তু আপনাকেই পার করতে হবে। তাই সময় থাকতে একটু সেন্সও গ্রো করার চেষ্টা কেন করি না সবাই? উপসর্গ দেখা মাত্র ট্রিট করুন।হরমোনাল ইমব্যালেন্স এর সমস্যায় তখন আর পড়তে হবে না।

and Your Friends to the Page.

.



.

://www.facebook.com/ModernHealthCarePharmacy

://www.facebook.com/MMH.HealthCare

মৃত সন্তান প্রসবের ৯টি কারণ জানা আছে কি?মৃত সন্তান প্রসব করা বলতে প্রসবের পূর্বে গর্ভেই ভ্রূণের মৃত্যু হওয়াকে বুঝায়। এতে...
19/07/2020

মৃত সন্তান প্রসবের ৯টি কারণ জানা আছে কি?

মৃত সন্তান প্রসব করা বলতে প্রসবের পূর্বে গর্ভেই ভ্রূণের মৃত্যু হওয়াকে বুঝায়। এতে প্রসব হওয়া সন্তানের মধ্যে প্রাণের কোন চিহ্নই থাকে না। এটি গর্ভস্রাব এবং জীবিত সন্তান জন্ম দেয়া থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। গর্ভস্রাব হচ্ছে গর্ভধারণের প্রথম দিকেই সন্তানহানী হওয়া এবং জীবিত সন্তান জন্ম দেওয়ার পরপরই সন্তান মারা যাওয়া মৃত সন্তান প্রসব করা থেকে একেবারেই আলাদা। মৃত সন্তান জন্ম দেওয়া হচ্ছে গর্ভধারণের ২০ থেকে ২৮ সপ্তাহে বা তার পরবর্তীতে ভ্রূণের গর্ভেই মৃত্যু হয়ে যাওয়া। কিন্তু এর কারণ কি? কেন হচ্ছে এই সমস্যা? প্রায়শই এর কারণ অজ্ঞাত থেকে যায়। বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হয়ে থাকে। আজকে আমরা আপনাদের জানাবো মৃত সন্তান প্রসবের ৯টি কারণ।

মৃত সন্তান প্রসবের কারণ
চিকিৎসা বিজ্ঞানে মৃত সন্তান প্রসবের সঠিক কারণ এখনো কারো জানা নেই। কিন্তু তারপরও কিছু কারণ আছে যা রোগীদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে চিকিৎসকরা বের করেছেন। বিভিন্ন কারণেই সন্তান গর্ভে মারা যেতে পারে। মায়ের দুর্বল স্বাস্থ্য, অতিরিক্ত ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি এমন অনেক কারণে সন্তান মায়ের গর্ভেই মৃত্যুবরণ করে থাকে। কিন্তু এই কারণগুলো অজানাই থেকে যায়। যার জন্য পরবর্তীতে আবারো একই ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। চলুন যেনে নেই কি কি কারণে সন্তান গর্ভেই মৃত্যুবরণ করে।

(১) মায়ের দুর্বল স্বাস্থ্য
মৃত সন্তান জন্ম দেওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে মায়ের দুর্বল স্বাস্থ্য। একজন মায়ের সুস্বাস্থ্যই একটি সুস্থ্য সন্তান জন্মদানের প্রধান চাবিকাঠি। মায়ের স্বাস্থ্য দুর্বল থাকলে সন্তান সঠিক পুষ্টিগুণ পায় না যার ফলে গর্ভেই মৃত্যুবরণ করে।

(২) অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস
মৃত সন্তান প্রসব ঠেকাতে ডায়বেটিস পরীক্ষা -

মায়ের অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস সন্তান গর্ভে মৃত্যুবরণ করার উল্লেখযোগ্য একটি কারণ। অনেক মা জানেনই না তার ডায়বেটিস আছে। ফলে ডায়বেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকে এবং সন্তান পেটেই মারা যেতে পারে।

(৩) ভ্রূণ বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হলে
ভ্রূণ বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হলে সন্তান পেটেই মারা যায়। দুর্বলতার জন্য এবং সঠিক পুষ্টি না পেলে ভ্রূণ বৃদ্ধি পায় না এবং মারা যায়।

(৪) মায়ের উচ্চ রক্তচাপ বা হাই প্রেশার
মৃত সন্তান প্রসব ঠেকাতে উচ্চ রক্তচাপ পরিক্ষা -

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই প্রেশার পেটে সন্তান মারা যাওয়ার আরেকটি অন্যতম কারণ। অতিরিক্ত প্রেশারের ফলেও অনেক মা পর্যাপ্ত মেডিসিন খাচ্ছেন না। আবার কেউ মেডিসিন খেলেও প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না যার ফলে পেটেই সন্তান মারা যাচ্ছে।

(৫) মায়ের বয়স ৩৫ বছরের বেশি হওয়া
একজন নারীর বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে তার সন্তান ধারণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কমে যায়। তাই মায়ের বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলেও অনেক সময় পেটে সন্তান মরে যেতে পারে।

(৬) গর্ভাবস্থায় নেশাজাত দ্রব্য গ্রহণ করলে
গর্ভাবস্থায় নেশাজাত দ্রব্য যেমন অ্যালকোহল, নিকোটিন অথবা কোন বিরূপ ঔষধ গ্রহণ করলে সন্তানের উপর প্রভাব পড়বে এমনকি সন্তান গর্ভেই মারা যেতে পারে।

(৭) গর্ভাবস্থায় চিৎ এবং কাত হয়ে ঘুমালে
মৃত সন্তান প্রসব ঠেকাতে চিৎ এবং কাত হয়ে না শোয়া -

গর্ভধারণের ২৮ সপ্তাহ পর মা যদি চিৎ অথবা কাত হয়ে ঘুমায় তাহলে বাচ্চা পেটে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

(৮) থাইরয়েড হলে
মায়ের থাইরয়েড এর সমস্যা থাকলে অনেক সময় সন্তান গর্ভে মারা যায়। থাইরয়েড হরমোন বেড়ে গেলে ভ্রূণের গর্ভে বৃদ্ধিতে বাধা আসে। ফলে ভ্রূণ গর্ভেই মারা যায়।

(৯) শারীরিক আঘাত
গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরের পেটের জায়গায় বা তার আশেপাশে কোন আঘাত লাগলে গর্ভে থাকা সন্তানের উপর প্রভাব পড়ে এবং গর্ভেই সন্তান মারা যেতে পারে।

এছাড়া গর্ভে বাচ্চার নাড়ি ছিড়ে গেলে, মায়ের ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ কিন্তু বাবার নেগেটিভ হলে আবার গর্ভে থাকা সন্তানের পজেটিভ হলেও সন্তান অনেক সময় গর্ভেই মারা যেতে পারে।

এখন কিভাবে বুঝবেন গর্ভেই সন্তান মারা গেলো কিনা?
গর্ভেই সন্তানের অবস্থা বুঝতে ডাক্তারি পরীক্ষা -

বাচ্চা পেটে নড়াচাড়া কমিয়ে দিলেই বুঝে নিতে হবে কোন সমস্যা হচ্ছে। সাধারণত প্রথম দিনেই বুঝতে পারবেন না। লক্ষ্য করবেন আগে বাচ্চা দিনে ১০ বার নড়াচাড়া করলেও হঠাৎ তা কমে ৬ বার, তার পরদিন ৩ বার, পরে একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। তখনই বুঝে নিতে হবে বাচ্চার কিছু হয়েছে। সাধারণত প্রথম দিনে নড়চাড়া একটু কমলেই ডাক্তারের কাছে গিয়ে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা করালে অনেক সময় বাচ্চা বাঁচানো সম্ভব হয়।

সন্তান গর্ভে মারা গেলে মায়ের চিকিৎসা
সন্তান গর্ভে মারা যাওয়ার পরবর্তী চিকিৎসা -

সন্তান ২ দিনের বেশি গর্ভে নড়াচাড়া বন্ধ করে দিলে ডাক্তার আপনার কিছু পরীক্ষা করবেন। বাচ্চার হার্টবিট শুনে নিশ্চিত হওয়া যায় বাচ্চাটি বেঁচে আছে নাকি নেই। মাতৃগর্ভে বাচ্চা মারা গেলে তৎক্ষণাৎ কোন ক্ষতি হয় না। সাধারণত বাচ্চা মারা যাওয়ার ২ সপ্তাহ পর লেবার পেইন শুরু হয়। আপনি চাইলে ২ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে পারেন এবং স্বাভাবিকভাবে ভ্রূণটি বের হয়ে যেতে দিতে পারেন। কিন্তু ২ সপ্তাহ পর লেবার পেইন শুরু না হলে আর অপেক্ষা করা যাবে না। কেননা ২ সপ্তাহের বেশি বাচ্চাটি মায়ের গর্ভে থাকলে তা রক্তে বিভিন্ন ধরণের পরিবর্তন আনতে পারে যা মায়ের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ২ সপ্তাহের মধ্যে প্রসব না হলে কৃত্রিম উপায়ে প্রসব প্রতিষ্ঠা করা হয়।

অনেকে মৃত বাচ্চা গর্ভে নিয়ে এত দিন থাকতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে না। সেক্ষেত্রে কৃত্রিম উপায়ে প্রসব প্রতিষ্ঠা করে ভ্রূণ বের করে আনা হয়। মৃত বাচ্চাটি প্রথম সন্তান হলে তা কোনভাবেই সিজারিয়ান পদ্ধতিতে বের করা হয় না। কিন্তু যদি মায়ের এর আগেও সিজার করা হয় এবং এবারের বাচ্চাটি গর্ভেই মারা যায় সেক্ষেত্রে সিজারের মাধ্যমে পেট থেকে মৃত বাচ্চাটি বের করা হয়। এ সময় মায়ের অনেক রক্তক্ষরণ হয় এবং খুব দুর্বল হয়ে পড়ে। সে ক্ষেত্রে আগে থেকে রক্তের ব্যবস্থা করে রাখতে হবে। একবার বাচ্চা গর্ভে মারা গেলে পরবর্তী বাচ্চাটির মারা যাওয়ার ঝুঁকি ২.৫% থাকে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে। ডাক্তার আগের সন্তান মারা যাওয়ার কারণ বের করে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবেন।

একটি সন্তান একটি পরিবারকে পরিপূর্ণ করে। সেক্ষেত্রে মৃত সন্তান কোনভাবেই কাম্য নয়। সচেতনতাই পারে আপনার সন্তান এবং আপনাকে একটি সুন্দর জীবন দিতে। তাই হতে হবে সচেতন। নিজের যত্ন নিন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সব নিয়ম কানুন মেনে চলুন।

and Your Friends to the Page.

.



.

://www.facebook.com/ModernHealthCarePharmacy

://www.facebook.com/MMH.HealthCare

শিশুর জন্মগত হৃদরোগ | লক্ষণ রোগ নির্ণয় চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কী?একটি সুস্থ শিশু বয়ে নিয়ে আসে আশার আলো। কিন্তু, সৌভাগ্যের দী...
03/07/2020

শিশুর জন্মগত হৃদরোগ | লক্ষণ রোগ নির্ণয় চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কী?

একটি সুস্থ শিশু বয়ে নিয়ে আসে আশার আলো। কিন্তু, সৌভাগ্যের দীপশিখা জন্মগত ত্রুটি নিয়ে বেড়ে ওঠা শিশু ও তার পরিবারকে নিয়ে যায় হতাশার সমুদ্রে, সেও পরবর্তীতে জাতির জন্য বোঝা হয়ে উঠে। শিশুর জন্মগত হৃদরোগ এমনই একটি রোগ যার শুরু মায়ের গর্ভে। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতি ১০০০ জন জীবিত শিশুর মধ্যে ৮ জন শিশু জন্মগত হৃদরোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। এই ১০০০ জনের ৮ জনের মধ্যে আবার ২-৩ জনের রোগের লক্ষণ জন্মের প্রথম ৬ মাসের মধ্যেই নানাবিধ উপসর্গ সহ প্রকাশ পায়। বাকিদের পরবর্তীতে জীবনের যেকোনো সময় তা প্রকাশ পেতে পারে । বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৫ থেকে ৩০ হাজার শিশু জন্মগত হৃদরোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। আজকে আমরা শিশুর জন্মগত হৃদরোগ নিয়ে আলোচনা করব।

শিশুর জন্মগত হৃদরোগ কী?
মায়ের গর্ভে থাকাকালীন অবস্থায় শিশুর হৃদযন্ত্র তৈরি ও বিকশিত হবার প্রাক্কালেই যদি কোনো প্রকার ত্রুটি হয় এবং শিশু সেই হৃদযন্ত্র নিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়, তবে তাকে জন্মগত হৃদরোগ বলে। অনেক সময় একে শিশুর হার্ট এ ফুটা বা ছিদ্র আছে এমন শব্দ ব্যবহার করা হয়।

শিশুর জন্মগত হৃদরোগ হওয়ার কারণ
জন্মগত শিশু হৃদরোগের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায় নাই। তবে গর্ভাবস্থায় ও গর্ভ পরিকল্পনাকালীন সময়ে বিভিন্ন ঔষধ, রাসায়নিক দ্রব্য, রেডিয়েশান, মায়ের ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ, প্রভৃতি রোগ, গর্ভাবস্থায় মায়ের রুবেলা সংক্রমণ ইত্যাদির সাথে শিশু হৃদরোগের যোগসূত্র পাওয়া যায়। এছাড়াও জেনেটিক কিছু রোগ যেমন – ডাউন সিনড্রোম (Down Syndrome), টারনার সিনড্রোম (Turner Syndrome) নিয়ে জন্মানো শিশুরা হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে।

লক্ষণসমূহ –
জন্মের পর থেকেই ঘন ঘন ঠান্ডাকাশি ও শ্বাসকষ্ট, মায়ের বুকের দুধ টেনে খেতে অসুবিধা ও অল্পতেই হাঁপিয়ে যাওয়া , হাত ও পায়ের আঙ্গুল ও ঠোঁটে নীলাভ ভাব, ওজন ও শারীরিক বৃদ্ধির অপ্রতুলতা ইত্যাদি।

শিশুর প্রতি মায়েদের লক্ষণীয় বিষয় –
১. শিশুটির জন্মের পর পরই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা ।

২. ভীষণ রকমের কালচে বা নীলাভ ভাব তার ঠোঁটে বা চামড়ায় দেখা যাচ্ছে কিনা

৩. শিশুটির হার্ট বিট যদি অস্বাভাবিক রকমের কম বা বেশি হয় অথবা ছন্দোবদ্ধ না হয়ে অস্বাভাবিক ভাবে চলে ।

৪. বাচ্চাটি জন্মগ্রহণ করার পর মায়ের দুধ পান করার সময় হাঁপিয়ে যায় কিনা।

৫. অল্প অল্প দুধ পান করে ক্লান্ত হয়ে ছেড়ে দিয়ে আবার কিছু সময় পর দুধ পান করছে কিনা।

৬. দুধ পান করার সময় শিশুটি অস্বাভাবিক রকমের ঘামছে অথবা শ্বাসকষ্ট হচ্ছে।

৭. শিশুটি অন্য সব বাচ্চাদের মত ওজনে বাড়ছে না।

৮. জন্মের পর থেকেই শিশুর বার বার ঠাণ্ডা কাশি লেগেই আছে কিনা এবং সে কারণে বার বার হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে বা ডাক্তারের কাছে যেতে হচ্ছে।

৯. শিশুটি কান্নার সময় অস্বাভাবিক রকমের কালো হয়ে যায় এবং একই সাথে শ্বাস কষ্ট হয়। একটু বড় বাচ্চারা খেলার সময় একটু দৌড়াদৌড়ি করলেই কালো হয়ে যায়, শ্বাস কষ্ট হয় এবং উপুড় করে শুইয়ে দিলে বা বড় বাচ্চারা হাঁটু গেড়ে বসলে তাদের স্বস্তি আসে। বড় বাচ্চাদের কখনো কখনো বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদিও হতে পারে।

উপরের যেকোনো একটি লক্ষন দেখা দিলেই শিশুকে দ্রুত ডাক্তার এর কাছে নিতে হবে।

রোগ নির্ণয় –
সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করতে পারলে বেশির ভাগ হৃদরোগ চিকিৎসায় ভালো হয়।

একটি মাত্র পরীক্ষা যদি করা হয় রোগ সনাক্তের জন্য তাহলে সেটা হলো কালার ডপলার ইকোকারডিওগ্রাফী ( Color Doppler Echocardiography)। এখন মোটামুটি সব হাসপাতাল বা হৃদরোগ সেন্টার, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ইকোকারডিওগ্রাফী পরীক্ষা হয়। এছাড়াও চেস্ট এক্সরে, ইসিজি, হলটার মনিটরিং, ক্যাথ স্টাডি, কার্ডিয়াক সিটি স্কান, এম আর আই ইত্যাদি।

চিকিৎসা –
ঔষধের মাধ্যমে ।
ইন্টারভেনশান বা বিনা অপারেশনে রক্তনালীর মাধ্যমে ।
সার্জারি বা অপারেশন ।
কিছু জন্মগত হৃদরোগের নাম ও চিকিৎসা পদ্ধতি –
এএসডি- ASD

একে এট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট বলা হয়। হার্ট এর উপরের অংশের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝে একটি অস্বাভাবিক ফুটো থাকার নামই এএসডি।

এএসডি ছোটো হলে ২-৫ বছরের মধ্যে নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বড় এএসডি হলে অথবা নিজে নিজে বন্ধ না হলে অপারেশনের দ্বারা অথবা ক্যাথেটার করে ডিভাইস ক্লোজার (ইন্টারভেনশান বা বিনা অপারেশনে রক্তনালীর মাধ্যমে) করা যায়।

অনেক সময় পরিণত বয়স বা বার্ধক্যে এসে এই রোগটি ধরা পড়ে।

ভিএসডি- VSD-

একে ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট বলা হয়। হার্ট এর নিচের অংশের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝে একটি অস্বাভাবিক ফুটো থাকার নামই ভিএসডি।

বিভিন্ন ধরনের ভিএসডি আছে, খুব জটিল প্রকৃতির না হলে এটাও ২ বছরের মধ্যে নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অধিকাংশ ভিএসডি ই অপারেশনের দ্বারা অথবা ক্যাথেটার করে ডিভাইস ক্লোজার (ইন্টারভেনশান বা বিনা অপারেশনে রক্তনালীর মাধ্যমে) করে বন্ধ করতে হয়।

এএসডির মত এই রোগটিও অনেক সময় পরিণত বয়স বা বার্ধক্যে এসে ধরা পড়ে।

টফ (টেট্রালজি অব ফেলট)-TOF-
এটি বেশ জটিল একটি জন্মগত রোগ। হার্ট এর আভ্যন্তরীন চারটি ত্রুটির সমন্বয়ে এই রোগটি হয়। জন্মের সপ্তাহ দুয়েক পর থেকেই শিশুর শ্বাস কষ্ট দেখা দেয় এবং খাবার সময় অথবা কান্না করলে শিশুটি নীল হয়ে যেতে থাকে। ক্রমান্বয়ে এই লক্ষন গুলো বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিও ব্যাপক ব্যহত হয়। মাঝে মাঝে হঠাৎ করেই সে নীল হয়ে যায়, তবে এই মুহূর্ত গুলোয় মলত্যাগের ভঙ্গিমায় বসে থাকলে রোগীর আরাম হয়।

অপারেশনই এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা। অপারেশন না করালে অধিকাংশ শিশু শৈশবেই জীবন হারাতে পারে।

পিডিএ – PDA
পুরো নাম প্যাটেন্ট ডাক্টাস আর্টারিওসাস। ফুসফুসের ধমণীর সাথে মহাধমণীর (এওরটা) অস্বাভাবিক সংযোগই পিডিএ। সাধারণত পূর্ণ পরিণত হবার আগেই যেসব শিশু জন্ম গ্রহণ করে তদের এই রোগ বেশি হয়। অভিজ্ঞ চিকিৎসক রোগীকে পরীক্ষা করেই রোগ নির্ণয় করতে পারেন।

এটির আকার ছোটো হলে ক্যাথেটার দ্বারা ডিভাইস ক্লোজার (ইন্টারভেনশান বা বিনা অপারেশনে রক্তনালীর মাধ্যমে)

বড় হলে সার্জারি করা লাগে।

জন্মগত হৃদরোগ প্রতিরোধে করনীয় –
মহিলাদের রুবেলা টিকা দেওয়া।
গর্ভাবস্থায় যথাযত পরিচর্যা এবং ফলিক এসিডের ঘাটতি পূরণ করা।
গর্ভাবস্থায় রাসায়নিক পদার্থ ও তেজস্ক্রিয়তা থেকে সতর্ক থাকা।
গর্ভধারণের পূর্বেই ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, খিচুনি জাতীয় রোগে আক্রান্ত মায়েদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ।
শিশুর সুন্দর –সুস্থ- স্বাভাবিক জীবন আমাদের কাম্য । সময়মত সমস্যাগুলি নির্ণয় ও তার সঠিক চিকিৎসা করে আপনিই পারেন তার চলার পথ সুন্দর ও সাবলিল করতে। ধন্যবাদ ।

and Your Friends to the Page.

.

://www.facebook.com/ModernHealthCarePharmacy

://www.facebook.com/MMH.HealthCare

Address

Sylhet
3108

Telephone

+8801533396239

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Modern Health Care Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Modern Health Care Pharmacy:

Share