Aahban Psychotherapy and Counselling Center

Aahban Psychotherapy and Counselling Center সাইকোথেরাপি এবং কাউন্সেলিং এর জন্য সিলেট শহরের একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান

"আহবান সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার"-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটি সিলেট বিভাগে অভিজ্ঞ চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী দ্বারা পরিচালিত প্রথম বেসরকারি মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র।

মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যা নিরসন ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নই "আহবান সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার"-এর মূল উদ্দেশ্য।

⚽🏀🏈খেলা কেন জরুরি 🏏🏸🎳শিশুর সামগ্রিক বিকাশে খেলার গুরুত্ব অপরিসীম। খেলা শুধুমাত্র আনন্দের মাধ্যম নয়, বরং এটি শিশুর শারীরি...
27/11/2024

⚽🏀🏈খেলা কেন জরুরি 🏏🏸🎳

শিশুর সামগ্রিক বিকাশে খেলার গুরুত্ব অপরিসীম। খেলা শুধুমাত্র আনন্দের মাধ্যম নয়, বরং এটি শিশুর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক এবং আবেগিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের বিকাশের বিভিন্ন দিক খেলার মাধ্যমে অর্জিত হয়। এগুলো হলো:

🌿শারীরিক বিকাশ:
খেলার মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়ে। দৌড়ানো, লাফানো, খেলনা নিয়ে খেলা ইত্যাদি শিশুর পেশী শক্তি, হাত-পা সমন্বয় (মোটর স্কিল) এবং শারীরিক ভারসাম্য রক্ষা করার দক্ষতা উন্নত করে।

🌿মানসিক বিকাশ:
খেলা শিশুর সৃজনশীলতা এবং চিন্তাশক্তি উন্নত করে। যেমন, পাজল দিয়ে খেলা, ব্লক দিয়ে খেলা, ধাঁধা সমাধান বা নির্মাণ জাতীয় খেলা শিশুদের যুক্তিবোধ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতাকে বাড়ায়। খেলার মাধ্যমে তারা নতুন ধারণা তৈরি করতে এবং নতুন নতুন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে শিখে।

🌿সামাজিক বিকাশ:
খেলার মাধ্যমে শিশুর মধ্যে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর মাধ্যমে শিশুরা একে অপরের সাথে মিলেমিশে খেলা, দলগত কাজ, নিয়ম-কানুন মেনে চলা এবং সহানুভূতিশীল হওয়া শেখে। এটি তাদের মাঝে সহযোগিতার মনোভাব তৈরি করে। নতুন নতুন সামাজিক পরিবেশে মানিয়ে নিয়া শেখে এই খেলার মাধ্যমে।

🌿আবেগিক বিকাশ:
খেলার মাধ্যমে শিশু তার আবেগকে বোঝে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে। জয় বা পরাজয়ের অভিজ্ঞতা গুলো, আনন্দ বা দুঃখের অনুভূতিগুলো শিশুকে নিজস্ব আবেগ সম্পর্কে সচেতন করতে এবং সেই আবেগগুলি স্বাস্থ্যকরভাবে প্রকাশ করার দক্ষতা শেখাতে সহায়তা করে।

🌿ভাষাগত বিকাশ:
খেলা শিশুদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক। বন্ধুদের সাথে কথা বলে, গল্প শুনে বা খেলার সময় নতুন নতুন শব্দ শেখা এবং ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের শব্দভান্ডার বৃদ্ধি পায় এবং তাদের যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত হয়।

তাই শিশুকে খেলতে বারন করবোনা, বরং বেশি বেশি খেলতে উৎসাহিত করবো। শিশুর ঘরে এবং বাইরে পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ তৈরি করবো।

========
🖋️আব্দুল্লাহ জিয়াদ
এম এস (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, ঢাবি)
এম এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
বি এস (সাইকোলজি, ঢাবি)

চাইল্ড সাইকোলজিস্ট
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল
মৌলভীবাজার।

📞01684340534

10/11/2024

🌿🌿🌿হ্যাবিট রিভার্সাল ট্রেনিং🌿🌿🌿

হ্যাবিট রিভার্সাল ট্রেনিং (এইচআরটি) হল একটি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল যা মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত অভ্যাসগুলো কমাতে বা দূর করতে সাহায্য করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, বিশেষ করে যে অভ্যাসগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক বা স্বয়ংক্রিয়, যেমন নখ কামড়ানো, চুল টানানো বা মোটর/ভোকাল টিক।

এটি মূলত Tourette Syndrom এবং Trichotillomania (চুল-টানার ব্যাধি) এর জন্য তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু তারপর থেকে এটি অন্যান্য বিভিন্ন আচরণগত সমস্যার ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়েছে।

➡️কৌশলটিতে বেশ কয়েকটি ধাপ রয়েছে:

1. সচেতনতা প্রশিক্ষণ:
প্রথম ধাপ হল অনাকাঙ্ক্ষিত অভ্যাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এর মধ্যে ব্যক্তিকে কখন এবং কোথায় অভ্যাসটি ঘটে, কত ঘন ঘন এবং কোন পরিস্থিতিতে ঘটে তা সনাক্ত করতে সহায়তা করা হয়। এই ধাপে ব্যক্তি ট্রিগারগুলো সনাক্ত করতে শিখে যা তাকে অভ্যাসের দিকে পরিচালিত করে।

2. বিকল্প প্রতিক্রিয়া:
অভ্যাসটি শনাক্ত হয়ে গেলে, থেরাপিস্ট ব্যক্তিকে একটি বিকল্প প্রতিক্রিয়া গড়ে তুলতে সাহায্য করে। বিকল্প প্রতিক্রিয়া হলো এমন একটি আচরণ যা অনাকাঙ্ক্ষিত অভ্যাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি নখ কামড়ানোর অভ্যাস হয়, তাহলে ব্যক্তিকে তাদের নখ কামড়ানোর তাগিদ অনুভব করলে তাদের মুষ্টি আঁকড়ে ধরতে বা হাতে কিছু ধরতে শেখানো হতে পারে বা মুখে কিছু চাবাতে হতে পারে।

3. সাপেক্ষ পুরস্কার প্রদান:
এই ধাপে একটি ইতিবাচক পুরস্কার নির্ধারণ করা হয় যা প্রদান করা হয় যখন ব্যক্তি সফলভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের পরিবর্তে বিকল্প প্রতিক্রিয়া ব্যবহার করে। এটি নতুন, কাঙ্খিত আচরণকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

4. রিলাক্সেশন প্রশিক্ষণ (ঐচ্ছিক কিন্তু প্রায়শই ব্যবহার করা হয়): যদি অনাকাঙ্ক্ষিত অভ্যাসটি না করার ফলে ব্যক্তির মাঝে চাপ বা উদ্বেগ তৈরি হয়, তবে অনাকাঙ্ক্ষিত অভ্যাসের পুনরাবৃত্তি না করে ব্যক্তিকে এই চাপ বা উদ্বেগের অনুভূতিগুলো মোকাবিলা করতে সাহায্য করার জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা ধারাবাহিক পেশী শিথিলায়নের ব্যায়ামের মতো শিথিলকরণ কৌশল শেখানো যেতে পারে।

হ্যাবিট রিভার্সাল ট্রেনিং অনাকাঙ্ক্ষিত পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণের জন্য অত্যন্ত কার্যকর এবং ধারাবাহিকভাবে অনুশীলন করলে দীর্ঘমেয়াদী অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ পরিবর্তন হতে পারে।

=====================
✒️আব্দুল্লাহ জিয়াদ

এসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এন্ড সাইকোথেরাপিস্ট
এম ফিল, পার্ট-১ (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, ঢাবি)
এম এস (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, ঢাবি)
এম এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
বি এস (সাইকোলজি, ঢাবি)

📞01684-340534

26/10/2024

🧩🧩🧩ডিভোর্স পরবর্তী সময়ে সন্তানের লালন-পালনে পিতা-মাতার করণীয়🧩🧩🧩

১. সন্তানের মঙ্গল সবসময় অগ্রাধিকার দেয়া। তাদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

২. সন্তানের সামনে ঝগড়াঝাটি বা উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করা থেকে বিরত থাকা।

৩. পিতা বা মাতা একে অপরের ব্যাপারে সন্তানের কাছে নালিশ বা নেতিবাচক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা।

৪. পিতা এবং মাতা উভয়েরই সন্তানের বিষয়গুলোতে আলোচনার সুযোগ রাখা। যাতে করে উভয়ই সন্তানের লালন-পালনে অংশগ্রহণ করতে পারে।

৫. সন্তানের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য বিষয়ে সমঝোতা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং একে অন্যের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো।

৬. পিতা-মাতা উভয়ই সন্তানের অনুভূতির প্রতি মনোযোগ দেয়া। তাদের সমস্যা গুলো শোনার চেষ্টা করা। যাতে সন্তান অনুভব করতে পারে যে, বাবা-মা উভয়ই তাকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন।

৭. পিতা এবং মাতা উভয়েরই সন্তানের সঙ্গে কোয়ালিটি সময় কাটানো নিশ্চিত করা। এতে তারা অনুভব করবে যে পিতা-মাতা উভয়ই তাদের কাছে আছেন।

৮. সন্তান বিচ্ছেদের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সন্তানের বয়স বিবেচনা করে তাকে বুঝিয়ে বলা যে, একে অন্যের সম্মান বজায় রাখতে বাবা-মা আলাদা থাকছে।

উপরোক্ত করনীয় গুলো বিবেচনায় রাখলে আশা করা যায় ডিভোর্স পরবর্তী সময়ে সন্তানের উপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তা অনেকাংশে কমে আসবে এবং সর্বোপরি সন্তানের জন্য একটি নিরাপদ, স্নেহময় এবং ভালোবাসাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হবে।

================

✒️আব্দুল্লাহ জিয়াদ

এসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এন্ড সাইকোথেরাপিস্ট
এম ফিল, পার্ট-১ (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, ঢাবি)
এম এস (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, ঢাবি)
এম এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
বি এস (সাইকোলজি, ঢাবি)

📞01684-340534

22/10/2024

🎭ক্ষমা নাকি প্রতিশোধ?🎭

ক্ষমা এবং প্রতিশোধ দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি। কারো কাছ থেকে আঘাত বা কষ্ট পেলে, রাগ বা ক্ষোভের জন্ম নেয়। সেই রাগ বা ক্ষোভের পরে নিজেক মনকে শান্ত করতে আমাদের সামনে দুইটি রাস্তা খোলা থাকে। একটি হচ্ছে ক্ষমা আরেকটি হলো প্রতিশোধ।

ক্ষমা মানে অন্যের ভুল বা অপরাধকে স্বীকার করে নিয়ে তাকে মাফ করে দেয়া এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। অন্যদিকে, প্রতিশোধ হলো প্রাপ্ত আঘাতের বদলা হিসেবে প্রতিপক্ষ কে পালটা আঘাত করা, তাকেও কষ্টের বদলে কষ্ট ফেরত দেয়া।

ক্ষমা আমাদের মনকে প্রশান্তি দেয়া এবং প্রতিপক্ষকে অনুতপ্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়। অন্যদিকে, প্রতিশোধ দীর্ঘমেয়াদে ঘাত-প্রতিঘাতের রাস্তা তৈরি করে দেয়।

আপনি কোনটি বেছে নিতে চান?

🖋️আব্দুল্লাহ জিয়াদ
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এন্ড সাইকোথেরাপিস্ট
=====================

আপনার যেকোন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় সাইকোথেরাপি সেবা নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের সাথে যোগাযোগের নাম্বার-
📞 +8801684-340534

আমাদের ঠিকানা-
আহবান সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার
🏪 ব্লক-এ, রোড ৪, বাসা ১১, শাহ্জালাল উপশহর, সিলেট।
📬 Email: aahban.org@gmail.com
🌐 www.aahban.org
https://www.facebook.com/aahbancounselingcenter/

🌿🌿🌿খারাপ সময় নিজেকে স্থির রাখার জন্য কিছু কার্যকর কৌশল🌿🌿🌿===================================1. **শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়...
12/07/2024

🌿🌿🌿খারাপ সময় নিজেকে স্থির রাখার জন্য কিছু কার্যকর কৌশল🌿🌿🌿
===================================

1. **শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন**: ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে পারেন। নাক দিয়ে ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং আপনার মনকে শান্ত করতে পারে।

2. **ইতিবাচক চিন্তা করুন**: নেতিবাচক চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। আপনার জীবনের ভালো দিক এবং মূহুর্ত গুলো নিয়ে ভাবুন এবং সেগুলোকে মূল্যায়ন করুন।

3. **ধ্যান বা মাইন্ডফুলনেস**: প্রতিদিন কিছুক্ষণ ধ্যান বা মাইন্ডফুলনেস অভ্যাস করলে মানসিক চাপ কমে। মাইন্ডফুলনেস মানে হলো বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দেয়া এবং চিন্তা ও অনুভূতিগুলোকে নিরপেক্ষভাবে গ্রহণ করার একটি কৌশল যা মনকে প্রশান্ত করে।

4. **নিজেকে সময় দিন**: নিজের জন্য কিছু সময় বের করুন এবং সেই সময়টি নিজেকে ভালোবাসার কাজে ব্যয় করুন। প্রিয় বই পড়া, গান শোনা বা প্রিয় পছন্দের কাজে সময় কাটানো যেতে পারে।

5. **সামাজিক সহায়তা গ্রহণ করুন**: আপনার বিশ্বস্থ বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের সঙ্গে আপনার সমস্যাগুলো শেয়ার করুন। তাদের থেকে মানসিক সহায়তা ও পরামর্শ গ্রহণ করুন।

6. **ব্যায়াম করুন**: নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম আপনার মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি আপনার শরীরের পাশাপাশি মনের উপরেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

7. **পর্যাপ্ত ঘুম**: পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন ঘুম নিশ্চিত করুন। ঘুমের অভাবে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পেতে পারে।

8. **স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস**: সঠিক ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ আপনার মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

9. **কৃতজ্ঞতার অভ্যাস**: প্রতিদিন আপনার জীবনের জন্য আপনি যে সমস্ত বিষয়ের জন্য কৃতজ্ঞ তা লিখুন। এটি আপনার মনকে ইতিবাচক দিকে পরিচালিত করবে।

10. **পেশাদার সাহায্য গ্রহণ করুন**: প্রয়োজনে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। পেশাদার সাহায্য আপনার মানসিক চাপ ও উদ্বেগ মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে পারে।

এসব কৌশলের ব্যবহার আপনার খারাপ সময়ে নিজেকে স্থির রাখতে এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

===================================
✒️আব্দুল্লাহ জিয়াদ
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এন্ড সাইকোথেরাপিস্ট
এম এস (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, ঢাবি)
এম এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
বি এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
📞01684-340534

10/05/2024
⭕⭕⭕ডিভোর্সের আগে জানা জরুরি⭕⭕⭕===================================🖋️আব্দুল্লাহ জিয়াদএম.এস. (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, ঢাবি)এম...
11/10/2023

⭕⭕⭕ডিভোর্সের আগে জানা জরুরি⭕⭕⭕
===================================
🖋️আব্দুল্লাহ জিয়াদ
এম.এস. (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি, ঢাবি)
এম.এস. (সাইকোলজি, ঢাবি)
বি.এস. (সাইকোলজি, ঢাবি)
===================================

বিবাহ বন্ধন একটি আবেগঘন সামাজিক বন্ধন। প্রতিটি বিয়েই শুরু হয় আজীবন সম্পর্কটিকে টিকিয়ে রাখার প্রতিশ্রুতি নিয়ে। কিন্তু কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো এই আবেগঘন বন্ধনের ইতি টানতে হয়। নিতে হয় ডিভোর্সের মত কঠিন এবং জটিল সিদ্ধান্ত। কখনো কখনো এই কঠিন এবং জটিল সিদ্ধান্তই হয়ে যায় জরুরি যখন সম্পর্কের মাঝে নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যার উদয় হয়। এই কঠিন এবং জটিল সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে ভুল করে ফেলার সম্ভাবনা আছে ব্যাপক। তাই কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলা যাক, যা এই সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে পারে।

📌১. চিন্তা ও আবেগ উভয়কেই গুরুত্ব দেয়া:
কোন বিষয়গুলো আপনাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে আগ্রহী করছে? এমন কি ঘটেছিলো, যার পর থেকে মনে হলো এই সম্পর্কে টিকে থাকা আর সম্ভব নয়? এই সম্পর্কের মাঝে এমন কিছু কি আছে কিনা যার জন্য এই সম্পর্ক ধরে রাখা যায়? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা থাকলে আপনার সিদ্ধান্তের পেছনে আপনার চিন্তা ও আবেগ সম্পর্কে আপনি সচেতন থাকবেন।

📌২. উন্মুক্ত যোগাযোগ:
আপনার উদ্বেগ এবং অনুভূতি সম্পর্কে আপনার পার্টনারের সাথে খোলামেলা এবং সততার সাথে কথা বলুন। এ পর্যায়ে একটু বিবেচনা করা দরকার, আপনি কি আপনার ইচ্ছে গুলো বা যে সকল পরিবর্তন আপনি চান তা স্পষ্টভাবে আপনার পার্টনারের নিকট তুলে ধরেছেন কিনা। অথবা কি হলে আপনি এই ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতেন তা কি আলোচনা করেছেন কিনা। এই সম্পর্কের সন্তোষ এবং অসন্তোষের জায়গাগুলো কি স্পষ্ট করে উপস্থাপন করেছেন কিনা।

📌৩. পেশাদার মনোবিজ্ঞানীর সহায়তা গ্রহণ:
উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে কোন সুরাহা না হলে একজন পেশাদার মনোবিজ্ঞানীর সহযোগিতা নিন। একজন পেশাদার মনোবিজ্ঞানী আপনাকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবেন যেখানে আপনি নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা, সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো একটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে পারবেন।

📌৪. পুনর্মিলন বাস্তবসম্মত কিনা বিবেচনা করা:
আপনার বর্তমান পার্টনারের সাথে সম্পর্ক পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত সময়, প্রচেষ্টা এবং প্রতিশ্রুতি ব্যয় করতে ইচ্ছুক কিনা তা ভেবে দেখুন। একটি বৈবাহিক সম্পর্ক কখনও কখনও পুনরুজ্জীবিত হতে পারে যখন স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ই এনিয়ে কাজ করতে ইচ্ছুক থাকে। অনেক দম্পতি নিজেদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের পার্থক্যগুলো মেনে নিয়েই সম্পর্ক পুনর্নির্মাণে এগিয়ে আসে। আবার অনেকেই হাল ছেড়ে দিয়ে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

📌৫. দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করা:
বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ থাকা অথবা ডিভোর্সে চলে যাওয়ার সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি কী হতে পারে? ডিভোর্সর সিদ্ধান্তটি আপনার ভবিষ্যতের মানসিক সুস্থতা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সামগ্রিক সুখকে ইতিবাচকভাবে নাকি নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে সে সম্পর্কে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে চিন্তা করে তবেই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া দরকার। প্রয়োজনে নিজেকে প্রশ্ন করতে পারেন যে, "আগামী পাঁচ বছরে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখলে আপনাকে কি কি অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে আর সম্পর্কের ইতি টানলে কি কি অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে?" আর এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আপনার সম্পর্ক চলাকালীন সময়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারেন। আর এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই আপনার ব্যক্তিগত ডায়েরিতে লিখে রাখবেন।

📌৬. পরিবার এবং বন্ধুদের মাঝে বিশ্বস্তদের পাশে রাখা:
আপনার পরিবার এবং বন্ধু মহলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষদের এই সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়টিতে আপনার পাশে থাকতে বলুন। তাদের প্রত্যেকের কাছে পরামর্শ না চেয়ে বরং তাদেরকে এমন একটি সাপোর্টিভ পরিবেশ আপনার জন্য তৈরি করতে বলুন যাতে করে আপনি একটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কারণ ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত হতে হবে একান্তই নিজের, সেখানে অন্য কারো প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হবে।

📌৭. নিজের যত্নকে অগ্রাধিকার দেয়া:
আপনাকে মনে রাখতে হবে যে আপনি একটি মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আর এই সময়টাতে নিজের যত্নের ব্যাপারে আমাদের বেখেয়ালি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই এই সময়ে প্রতিদিন নিজের যত্নের বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। নিজের যত্ন মানেই হলো নিজের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে কিছু করা। তাই প্রতিদিনের কার্যতালিকা এমন কিছু রাখতে হবে যা আপনাকে শারীরিকভাবে প্রশান্তি দেয়া এবং মানসিক ভাবেও আনন্দ দেয়।

পরিশেষে বলতে চাই, বিবাহ বিচ্ছেদ যেহেতু একটি জটিল এবং কঠিন সিদ্ধান্ত, সেহেতু শারীরিক এবং মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারলেই এই সময়ে তুলনামূলক কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। আর এই কঠিন সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে তাড়াহুড়ো না করে কিছুটা সময় নেয়াই শ্রেয়।

🟰🟰🟰🟰🟰🟰🟰🟰

আপনার যেকোন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় সাইকোথেরাপি সেবা নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের সাথে যোগাযোগের নাম্বার-
📞 +8801684-340534

আমাদের ঠিকানা-
আহবান সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার
🏪 ব্লক-এ, রোড ৪, বাসা ১১, শাহ্জালাল উপশহর, সিলেট।
📬 Email: aahban.org@gmail.com
🌐 www.aahban.org
https://www.facebook.com/aahbancounselingcenter/

আপনার যেকোন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় সাইকোথেরাপি সেবা নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।আমাদের সাথে যোগাযোগের নাম্বার-📞 +880...
10/10/2023

আপনার যেকোন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় সাইকোথেরাপি সেবা নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের সাথে যোগাযোগের নাম্বার-
📞 +8801684-340534

আমাদের ঠিকানা-
আহবান সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার
🏪 ব্লক-এ, রোড ৪, বাসা ১১, শাহ্জালাল উপশহর, সিলেট।
📬 Email: aahban.org@gmail.com
🌐 www.aahban.org
https://www.facebook.com/aahbancounselingcenter/

♥️সম্পর্কে জড়ানোর আগে ♥️=====================🖋️ আব্দুল্লাহ জিয়াদএম এস (ক্লিনিক সাইকোলজি, ঢাবি)এম এস (সাইকোলজি, ঢাবি)বি...
06/08/2023

♥️সম্পর্কে জড়ানোর আগে ♥️
=====================
🖋️ আব্দুল্লাহ জিয়াদ
এম এস (ক্লিনিক সাইকোলজি, ঢাবি)
এম এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
বি এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
=====================

ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িত হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যা আমাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। একটি সম্পর্কের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা এবং কিছু দিক সম্পর্কে সচেতন হওয়া অপরিহার্য। তেমনই কিছু বিষয় বা দিক সম্পর্কে চলুন আলোচনা করা যাক।

১. আত্ম-সচেতনতা:
সম্পর্কে জড়ানোর আগে আমার নিজের সম্পর্কে জানা জরুরি। আমার মূল্যবোধ, আমার লক্ষ্য এবং আমার আকাঙ্খাগুলোকে বোঝা দরকার। আত্ম-সচেতনতা আমাকে জানতে সহায়তা করবে যে আমি এই সম্পর্কটি থেকে কি চাই। আমার আত্মসচেতনতা আমার ইচ্ছা গুলোর আমার সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরবে।

২. পরিচয় জেনে নেওয়া:
সম্পর্কে জড়ানোর আগে অবশ্যই আমি যে মানুষটির সাথে সম্পর্কে জড়াতে চাচ্ছি তার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে তার ব্যক্তি জীবন, তার পারিবারিক জীবন, তার শিক্ষাগত জীবন, তার পেশাগত জীবন সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা আবশ্যক। দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য পছন্দের মানুষটির শারীরিক, মানসিক, এবং সামাজিক সুস্থতা আছে কিনা তা সম্পর্কেও জেনে নিতে হবে সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগেই।

৩. যোগাযোগ:
সম্পর্কে জড়ানোর আগে পছন্দের মানুষটির সাথে আমাদের যোগাযোগের ধরনটি বিবেচনা করা প্রয়োজন। একটি সুস্থ সম্পর্ক উন্মুক্ত ও সৎ যোগাযোগের মাধ্যমে গড়ে ওঠে। আমাকে আমার অনুভূতি, চিন্তা এবং উদ্বেগ গুলো আমার পছন্দের মানুষদের সামনে তুলে ধরতে হবে। এবং পছন্দের মানুষটির কথাও শোনার জন্য নিজেকে উন্মুক্ত রাখতে হবে।

৪. সামঞ্জস্যতা:
আমার এবং আমার সম্ভাব্য পার্টনারের মূল্যবোধ, ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা এবং জীবনের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাগুলো সামঞ্জস্য কিনা তা যাচাই করে দেখা দরকার। প্রতিটা মানুষই আলাদা, তাদের চিন্তার ধরনও আলাদা। তারপরেও একটি দীর্ঘস্থায়ী সুসম্পর্কের জন্য মূল্যবোধ, ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা, এবং পরিকল্পনার মাঝে মৌলিক সামঞ্জস্য থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৫. আবেগীয় পরিপক্কতা:
ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানোর আগে আমার এবং আমার সঙ্গীর আবেগীয় পরিপক্কতা থাকা জরুরী। যেকোনো চাপমূলক পরিস্থিতিতে অথবা পারস্পরিক দ্বন্দ্বে আমি বা আমার পছন্দের মানুষটি আবেগ নিয়ন্ত্রণে রেখে এবং সহনশীল থেকে সেই পরিস্থিতি বা দ্বন্দ্ব সমাধান করতে পারছে কিনা তা যাচাই করে দেখা উচিত। সম্পর্কে জড়ানোর আগে অবশ্যই নিজের আবেগ এবং আচরণের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরী।

৬. বিশ্বাস:
বিশ্বাস হল যেকোনো সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি। আমি এবং আমার পছন্দের মানুষটি একে অন্যের প্রতি বিশ্বস্ত কিনা এবং একে অন্যকে নিরাপদ বোধ করি কিনা এই বিষয়টি অবশ্যই ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানো আগে বিবেচনায় রাখতে হবে।

৭. সম্মান:
একটি সুস্থ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে পারস্পারিক শ্রদ্ধা এবং সমর্থন অবশ্যই থাকা প্রয়োজন। প্রতিটি মানুষই আলাদা আলাদা সত্তা। তাই সম্পর্কে জড়ানোর আগে একে অপরের মতামত এবং ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে পারছি কিনা এ বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে।

৮. সময় এবং প্রচেষ্টা:
সম্পর্কের পরিচর্যা এবং উন্নতি সাধনের জন্য পর্যাপ্ত সময় এবং প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আর তাই সম্পর্কে জড়ানোর আগে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আমার এবং আমার পছন্দের মানুষটির পর্যাপ্ত সময় আছে কিনা সম্পর্ক পরিচর্যা করার জন্য।

৯. অতীতে সম্পর্কের অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান:
অতীত সম্পর্কের ইতি টেন নতুন কোন সম্পর্কে জড়ানোর আগে অবশ্যই অতীতের সম্পর্কের যাবতীয় অমীমাংসিত সমস্যা সমাধান করে নেওয়া প্রয়োজন। পরিপূর্ণভাবে মানসিকভাবে স্থিতিশীল অবস্থায় এসে তবেই নতুন সম্পর্ক শুরু করা উচিত। এতে করে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা মুক্ত একটি নতুন সম্পর্ক শুরু করার সুযোগ তৈরি হয়।

১০. ব্যক্তিগত বাউন্ডারি সম্পর্কে সচেতনতা:
নতুন সম্পর্কে জড়ানোর আগে অবশ্যই আমার এবং আমার পছন্দের মানুষটির ব্যক্তিগত বাউন্ডারি সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। ব্যক্তিগত কোন বিষয়গুলো আমি আপোষ করতে পারব আর কোন বিষয়গুলো আমি আপোষ করতে ইচ্ছুক নই তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন।

১১. স্বাধীনতা:
নতুন সম্পর্ক শুরু করার আগে অবশ্যই ব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। সুস্থ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে অবশ্যই ব্যক্তিগত চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশ করার এবং ইচ্ছেগুলো পূরণ করার স্বাধীনতা থাকতে হয়। তাই আমি নিজে স্বাধীনতার অনুভূতি বজায় রাখার চেষ্টা করব এবং আমার পছন্দের মানুষটিকেও একই কাজ করতে উৎসাহিত করব।

১২. দ্বন্দ্ব সমাধান:
পারস্পারিক দ্বন্দ্ব যেকোনো সম্পর্কের একটি স্বাভাবিক অংশ। আমি এবং আমার পছন্দের মানুষটি গঠনমূলক উপায় আমাদের দৈনন্দিন দ্বন্দ্বগুলো সমাধান করতে পারছি কিনা তা বিবেচনা করেই তার সাথে সম্পর্কে জড়াবো।

১৩. সাপোর্ট সিস্টেম:
নতুন সম্পর্কে জড়ানোর আগে অবশ্যই ভেবে দেখবো আমার এবং আমার পছন্দের মানুষটির পর্যাপ্ত সাপোর্ট সিস্টেম আছে কিনা। অর্থাৎ সম্পর্কের টানাপোড়নের সময় মানসিক চাপ মোকাবিলা করতে সহযোগিতা করার জন্য পর্যাপ্ত ভরসা করার মতো মানুষ আছে কিনা।

১৪. আর্থিক সামঞ্জস্য:
সম্পর্কে জড়ানোর আগেই আমার পছন্দের মানুষের অর্থ উপার্জনের উৎস এবং অর্থ ব্যয় করার পদ্ধতি গুলো আমার ব্যক্তিগত মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্য হচ্ছে কিনা তা বিবেচনা করা জরুরী।

১৫. দায়িত্ব বণ্টন:
দৈনন্দিন পারিবারিক দায়িত্ব গুলো কিভাবে পালন করা হবে বা পারিবারিক সিদ্ধান্তগুলো কিভাবে নেয়া হবে এই নিয়ে আমার সাথে আমার পছন্দের মানুষটির পরিকল্পনা সামঞ্জস্য হচ্ছে কিনা তা আলোচনা করে নেওয়া জরুরী।

১৬. ভবিষ্যত প্রত্যাশা:
সম্পর্কে জড়ানোর আগেই একে অপরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যেমন বিয়ে, সন্তান, কর্মজীবনের লক্ষ্য ইত্যাদি নিয়ে ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করে নেওয়া দরকার। দীর্ঘমেয়াদ ভালোবাসার সুসম্পর্ক বজায় রাখতে একে অপরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় সামঞ্জস্যতা থাকা জরুরী।

১৭. অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি:
নতুন সম্পর্কে জড়ানোর আগে একে অপরের অতীত সম্পর্ক নিয়ে অতিরিক্ত ঘাটাঘাটি করা থেকে বিরত থাকাটাই সবচেয়ে শ্রেয়। আমার ব্যক্তিগত তিক্ত বা গোপনীয় কোন অভিজ্ঞতা যদি থেকে থাকে যা আমি শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি না তা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকবো। পাশাপাশি আমার পছন্দের মানুষটির ব্যক্তিগত কোন তিক্ত বা গোপনীয় অভিজ্ঞতা জানতে চেয়ে তাকে বিব্রত করব না। বরং আমি এবং আমার পছন্দের মানুষটি বর্তমানে কেমন আছি বা ভবিষ্যতে কেমন থাকবো তাই নিয়ে আলোচনা করতে চেষ্টা করব।

সর্বোপরি, একটি ভালোবাসার সম্পর্ক হল অংশগ্রহণমূলক আচরণ। ভালোবাসার সম্পর্কটুকু ভালো রাখতে হলে অংশগ্রহণের বিকল্প নেই। তাই ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানোর আগে বা সম্পর্কের প্রতিশ্রুতি দেয়ার আগে অবশ্যই সেই অংশগ্রহণটুকু কেমন হবে তা যাচাই-বাছাই করে নেওয়া মঙ্গলজনক।

=============

আপনার যেকোন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় সাইকোথেরাপি সেবা নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের সাথে যোগাযোগের নাম্বার-
📞 +8801684-340534

আমাদের ঠিকানা-
আহবান সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার
🏪 ব্লক-এ, রোড ৪, বাসা ১১, শাহ্জালাল উপশহর, সিলেট।
📬 Email: aahban.org@gmail.com
🌐 www.aahban.org
https://www.facebook.com/aahbancounselingcenter/

-----------------------‌‌মনের যত্ন কিভাবে নেব?----------------======================================🖋️ আব্দুল্লাহ জিয়াদ...
25/07/2023

-----------------------‌‌মনের যত্ন কিভাবে নেব?----------------
======================================

🖋️ আব্দুল্লাহ জিয়াদ
এম এস (ক্লিনিক সাইকোলজি, ঢাবি)
এম এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
বি এস (সাইকোলজি, ঢাবি)
==========================

মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া সামগ্রিক সুস্থতা এবং সুখের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলুন আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে ভালো রাখার জন্য এখানে কিছু ব্যবহারিক টিপস জেনে নেয়া যাক:

১. পেশাদারের সাহায্য নেয়া: যদি আপনি মনে করেন আপনার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্বেও আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে, তাহলে অবিলম্বে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না। একজন পেশাদার মনোবিজ্ঞানী অথবা মনোচিকিৎসক আপনার মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় সহায়তা, নির্দেশনা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করতে পারেন।

২. সম্পর্কের পরিচর্যা করা: পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধুদের সাথে সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখুন। তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করুন। সুস্থ সামাজিক সম্পর্ক আমাদের মানসিক চাপ মোকাবেলা করতে এবং একাকীত্বের অনুভূতি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

৩. সেলফ কেয়ার অনুশীলন করা: এমন কার্যক্রমে নিজেকে জড়িত করুন যা আপনাকে নিরাপদ রেখে আনন্দের অনুভূতি দেয় এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে আপনাকে শিথিল করে। এর মধ্যে যেকোনো শখের কাজ, ব্যায়াম, বই পড়া, ধ্যান বা অন্য যেকোন কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

৪. নিয়মিত ব্যায়াম করা: শারীরিক কার্যকলাপ শুধুমাত্র আপনার শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, আপনার মানসিক সুস্থতার জন্যও উপকারী। নিয়মিত ব্যায়াম এন্ডোরফিন নিঃসরণ করে, যা আপনার মাঝে ভালো অনুভূতি তৈরি করতে পারে এবং চাপ কমাতে পারে।

৫. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা: প্রতি রাতে পর্যাপ্ত ঘুম অগ্রাধিকার দিন। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস তৈরি করুন। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব আপনার মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক কার্যকারিতাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

৬. স্ট্রেস মোকাবিলা করা: আপনার জীবনে স্ট্রেসের উৎসগুলো সনাক্ত করুন এবং সেগুলো মোকাবিলা করার জন্য স্বাস্থ্যকর উপায়গুলো অনুসন্ধান করুন৷ এর মধ্যে টাইম ম্যানেজমেন্ট, ডেইলি এক্টিভিটি সিডিউলিং, প্রবলেম সলভিং বা রিলাক্সেশন এর ব্যায়াম ইত্যাদি কৌশল অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

৭. মাইন্ডফুলনেস অনুশীলন করা: মাইন্ডফুলনেস আপনাকে বর্তমানে উপস্থিত থেকে একটি নির্দিষ্ট কাজে পূর্ণ মনোনিবেশ করতে এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়াও মাইন্ডফুলনেস আপনার মনোযোগের মাত্রাকে বাড়িয়ে আপনাকে আরো বেশি প্রোডাক্টিভ করতে পারে।

৮. মাদক পরিহার করা: যে কোন নেশা জাতীয় দ্রব্যের অপব্যবহার আপনার মস্তিষ্কের ফাংশনাল পরিবর্তন ঘটিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। মাদক আপনাকে সাময়িকভাবে কিছু প্রশান্তি দিতে পারলেও দীর্ঘদিন ব্যবহারে এগুলো আপনাকে গুরুতর মানসিক রোগের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

৯. বাস্তববাদী লক্ষ্য নির্ধারণ করা: নিজের জন্য কিছু স্বল্প মেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন যেগুলো পরিমাপ যোগ্য, অর্জন যোগ্য এবং আপনার সাথে সম্পর্কিত। বড় লক্ষ্যগুলোকে ছোট ছোট লক্ষে ভাগ করুন। ছোট ছোট লক্ষ্যগুলো পূরণের সাফল্যকে উপভোগ করুন বড় লক্ষ্য পূরণের দিকে এগিয়ে যান।

১০. নেতিবাচক চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করা: নিজের নেতিবাচক চিন্তা গুলোকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করুন, সেগুলোকে লিখে রাখুন, এবং সেগুলোর পক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তি খোঁজার মাধ্যমে সেগুলোকে চ্যালেঞ্জ করুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নিতে পারেন। নিজের সাথে ইতিবাচক কথোপকথন করুন এবং নিজের সাথে দয়ালু থাকুন।

১১. নতুন কিছু শেখা: ক্রমাগত নতুন কিছু শেখার এবং জানার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। এটি আপনার ব্যক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আপনাকে আত্মপরিপূর্ণতার অনুভূতি প্রদান করবে।

১২. স্ক্রিন টাইম সীমিত করা: প্রযুক্তির প্রচুর সুবিধা থাকলেও অতিরিক্ত স্ক্রীন টাইম আপনার মানসিক স্বাস্থ্যকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। স্ক্রিন থেকে নিয়মিত বিরতি নিন এবং নন স্ক্রিন কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে ঘুমের আগে ডিভাইসের স্ক্রিন থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

১৩. অন্যদের সাহায্য করা: স্বেচ্ছাসেবী কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন বা প্রয়োজনে অন্যদের সাহায্য করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে পারেন। এটি আপনাকে একটি আত্মতৃপ্তির অনুভূতি প্রদান করবেন যা আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই কার্যকরী।

১৪. প্রকৃতির সাথে সময় কাটানো: গতানুগতিক যান্ত্রিক জীবনের বাইরে এসে প্রকৃতির সাথে কিছু নিবিড় সময় কাটাতে পারেন। প্রকৃতির মাঝে লুকায়িত ছোট ছোট সৌন্দর্যগুলো আবিষ্কার করার চেষ্টা করতে পারেন। হতে পারে সেটা সকাল বেলায় পাখিদের কিচিরমিচির অথবা সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে লাল সূর্যের অস্ত যাওয়া।

১৫. আত্মসমালোচনা করা: প্রতিদিন ঘুমের আগে নিজের সাথে নিজের কিছু বোঝাপড়া করে নিতে পারেন। অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা না করে বরং নিজের সাথেই নিজের তুলনা করা যেতে পারে। একটু ভেবে দেখতে পারি আজকের দিনটি আমার কেমন ছিল, কি কি করা যেত, কি হলে আরো ভালো হতো, আগামী দিনটি আমি কেমন করে সাজাতে চাই, কি হলে আমার আগামীকালের দিনটি আজকের তুলনায় তুলনামূলক তৃপ্তিদায়ক হবে।

মনে রাখা শ্রেয় যে, আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া একটি চলমান প্রক্রিয়া। নিজের সাথে দয়ালু থেকে, ধৈর্য ধরে, সময়ের সাথে ধীরে ধীরে উন্নতি করা হতে পারে এই প্রক্রিয়ার মূল মন্ত্র। প্রতিটি মানুষই আলাদা, তাদের গন্তব্যও আলাদা, তাদের জীবন চলার পথও আলাদা। তাই আপনার জন্য সবচেয়ে ভাল কাজটি খুঁজে বের করুন এবং আপনার মঙ্গলকে অগ্রাধিকার দিন।

=============







আপনার যেকোন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় সাইকোথেরাপি সেবা নিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

আমাদের সাথে যোগাযোগের নাম্বার-
📞 +8801684-340534

আমাদের ঠিকানা-
আহবান সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার
🏪 ব্লক-এ, রোড ৪, বাসা ১১, শাহ্জালাল উপশহর, সিলেট।
📬 Email: aahban.org@gmail.com
🌐 www.aahban.org
https://www.facebook.com/aahbancounselingcenter/

(অ্যাপয়েন্টমেন্ট এর জন্য উক্ত নাম্বারে SMS করতে পারেন অথবা what's app এ ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন)

হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন নিয়ে আমাদের মাঝে নানা জল্পনা কল্পনা। কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষের সকলে...
10/02/2023

হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন নিয়ে আমাদের মাঝে নানা জল্পনা কল্পনা। কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষের সকলের কাছে এটি একটি রহস্যময় ব্যাপার। কতশত ব্যাখ্যা প্রচলিত আছে এটি নিয়ে তার কোন হিসেব নেই। কারো কাছে এটি জঘন্য পাপ, কারো কাছে এটি যৌন বাসনা নিবারনের অন্যতম পদ্ধতি। তারপর যুগ যুগ ধরে এই প্রথা চলে আসছে। সে যাই হোক, এই হস্তমৈথুন তখনই আমাদের অনেকের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় যখন দেখা যায় এটি আমাদের অসক্তিতে পরিনত হচ্ছে এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

➡️হস্তমৈথুন আসক্তি কি?

হস্তমৈথুনের আসক্তি বলতে অত্যধিক বা বাধ্যতামূলক হস্তমৈথুনকে বোঝায়। যদিও এটি মানসিক রোগের তালিকাভুক্ত কোন রোগ বা সমস্যা নয়, তবুও যাদের জন্য এই যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তাদের ক্ষেত্রে এটি দৈনন্দিন কাজের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পরে।

বৈজ্ঞানিকভাবে হস্তমৈথুন কোন ক্ষতিকারক কার্যকলাপ নয় বরং যারা কোন প্রকার শারীরিক সম্পর্কের বাইরে রয়েছে বা যাদের কোন স্থায়ী যৌনসঙ্গী নেই তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে এটি একটি কার্যকরী পদ্ধতি হতে পারে।

➡️কখন বুঝবো হস্তমৈথুন আসক্তিতে পরিনত হয়েছে?

যদিও নিয়মিত হস্তমৈথুনে জড়িত থাকাকে আমরা মানসিক অসুবিধা বলে বিবেচনা করতে পারিনা, তবে নিচের বৈশিষ্ট্য গুলো যদি প্রকাশ পায় তখন বুঝে নিতে হবে যে সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করার সময় এসেছে:

🔹যদি হস্তমৈথুন আপনার জীবন থেকে অনেক সময় নিয়ে নেয়।
🔹যদি হস্তমৈথুনের কারণে আপনার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
🔹যদি অতিরিক্ত হস্তমৈথুন আপনার যৌনতৃপ্তি কমিয়ে দেয়।
🔹যদি আপনি ব্যক্তিগত ক্রিয়াকলাপের চেয়ে হস্তমৈথুন কে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
🔹যদি আপনি জনসম্মুখে বা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন পরিবেশে নিজেকে হস্তমৈথুন করা থেকে বিরত রাখতে পারছেন না।
🔹যদি আপনি মন থেকে পছন্দ না হলেও হস্তমৈথুন থেকে নিজেকে বিরত রাখতে না পারেন।
🔹যদি আপনি নেতিবাচক আবেগের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হস্তমৈথুন করাকেই একমাত্র উপায় হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।
🔹যদি হস্তমৈথুনের সময় বা পরে আপনার মাঝে প্রচন্ড অপরাধবোধ বা বিরক্ত কাজ করে কিন্তু তাও নিজেকে বিরত রাখতে না পারেন।
🔹যদি হস্তমৈথুন নিয়েই নানাবিধ চিন্তা সারাক্ষণ মাথায় আসতে থাকে।

➡️হস্তমৈথুন আসক্তির কারণ কি?

হস্তমৈথুন আসক্তি তৈরি হওয়ার কারণগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং এর সুনির্দিষ্ট কোন কারন খুজে পাওয়া যায়না। তবে কিছু ব্যাক্তিগত, সামাজিক এবং শারীরিক কারণ এই আসক্তি তৈরির পেছনে ভূমিকা পালন করতে পারে। যেমনঃ
🔹মস্তিষ্কের বিভিন্ন রাসায়নিক ভারসাম্যহীনতা
🔹মস্তিষ্কে আঘাত জনিত সমস্যা
🔹যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করার মত উপাদানের সহজলভ্যতা (যেমনঃ পর্নোগ্রাফি)
🔹মাদকাসক্তি এবং পর্নোগ্রাফি আসক্তি
🔹অন্য কোন মানসিক অসুস্থতা (যেমনঃ বিষন্নতা ও দুশ্চিন্তা)
🔹পরিবার বা বন্ধু-বান্ধব দের মাঝে হস্তমৈথুন আসক্তি
🔹শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার ইতিহাস

➡️হস্তমৈথুন আসক্তি জন্য চিকিৎসা কি?

আপনার যদি অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের সমস্যা থেকে থাকে এবং নিজে নিজে এই সমস্যা থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসতে ব্যার্থ হন, তখন একজন পেশাদার সাইকিয়াট্রিস্ট অথবা সাইকোলজিস্ট এর সাহায্য নেয়া হবে সবচেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ। হস্তমৈথুন আসক্তর চিকিৎসা পদ্ধতি হলো দুটি, যথাঃ সাইকোথেরাপি এবং সাইকোফার্মাকোথেরাপি

🔹সাইকোথেরাপি (ঔষধ বিহীন চিকিৎসা)
সাইকোথেরাপি আপনাকে আপনার হস্তমৈথুন আসক্তির অন্তর্নিহিত কারণ নির্ধারণ করতে সাহায্য করতে পারে, যা আপনাকে এই আচরণ কমানোর কৌশল আয়ত্ত করতে সহযোগিতা করবে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি অতীতের কোন তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করেন তবে আপনার থেরাপিস্ট আপনাকে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার যন্ত্রণা থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসা এবং তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে সৃষ্ট মানসিক কষ্টকে আরো ভাল করে মোকাবেলা করার দক্ষতা খুঁজে পেতে সহায়তা করতে পারেন।

উপরন্তু, আপনি যদি জীবনের মানসিক চাপ মোকাবেলা করার উপায় হিসাবে হস্তমৈথুন ব্যবহার করেন, তাহলে একজন সাইকোথেরাপিস্ট আপনাকে মানসিক চাপ মোকাবিলা করার আরো কার্যকরী দক্ষতা আয়ত্ত করতে সাহায্য করতে পারেন।

আর এটি জেনে থাকা জরুরি যে, সাইকোথেরাপি কোন যাদুমন্ত্র নয়। এটি একটি ঔষধবিহীন বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতি যা একটি সমস্যার অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলো কাজ করে, আর তাই এই জন্য আপনাকে কয়েক সপ্তাহ বা মাস এই চিকিৎসায় সাথে ধৈর্য্য ধরে অংশগ্রহন করতে হবে।

🔹সাইকোফার্মাকোথেরাপি (ঔষধনির্ভর চিকিৎসা)
যদিও হস্তমৈথুনের আসক্তির চিকিৎসার জন্য কোনও অনুমোদিত ওষুধ নেই, তবে আপনার শারীরিক ও মানসিক লক্ষনগুলো বিবেচনা করে একজন সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোচিকিৎসক কিছু ঔষধ প্রদান করতে পারেন।

➡️হস্তমৈথুন আসক্তি থেকে বের হবার জন্য নিজে থেকে কি করা যায়?

🔹আপনি যে কাজগুলো করতে সবচেয়ে উপভোগ করেন (অবশ্যই নিজের বা অন্যের কোন ক্ষতি হয়না এমন কাজ), সে কাজ গুলোর একটি তালিকা তৈরি করে রাখতে পারেন। যাতে করে যখনই হস্তমৈথুনের চিন্তা মাথায় আসে তখন সেই উপভোগ্য কাজ গুলোতে নিজেকে জড়াতে পারেন। এতে করে আপনার মনোযোগ হস্তমৈথুন থেকে সরে গিয়ে অন্য একটি উপভোগ্য আচরণের দিকে ধাবিতে হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

🔹হস্তমৈথুন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক এবং ধর্মীয় সঠিক ব্যাখ্যা আপনি জেনে নিতে পারেন, প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের স্বরনাপন্ন হতে পারেন। এতে করে হস্তমৈথুন সম্পর্কে যাবতীয় প্রচলিত ভুল ধারনা থেকে আপনি মুক্ত থাকতে পারবেন যা আপনাকে মানসিকভাবে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় রাখবে।

🔹আপনার ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলোতে আপনার অংশগ্রহণ বাড়াতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার পরিবারের সদস্য এবং বন্ধু-বান্ধবদের সাথে কোয়ালিটি টাইম ব্যয় করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারেন। এতে করে বারবার হস্তমৈথুনে নিয়োজিত হওয়ার জন্য একা থাকার তাগিদ কমে আসবে এবং হস্তমৈথুনের বাইরেও আপনার জীবনে আনন্দের নতুন নতুন মাধ্যম তৈরি হবে। আর আপনার প্রিয়জনদের সাথে আপনার সম্পর্কগুলোকে তো শক্তিশালী করবেই।

🔹আপনার ট্রিগার বা যে সকল বিষয় আপনার মধ্যে হস্তমৈথুনে জড়ানোর আগ্রহ তৈরি করে সে সকল বিষয়গুলো সনাক্ত করতে পারেন। হয়তো বিরক্ত হওয়া, একা একা থাকা, মানসিক চাপ ইত্যাদি আপনাকে হস্তমৈথুনে জড়ানোর জন্য ট্রিগার করে। যদি তাই হয়, তাহলে এই ট্রিগারগুলোকে মোকাবিলা করার জন্য ভিন্ন কোন উপায় আপনি চিন্তা করে বের করার চেষ্টা করতে পারেন।

🔹এছাড়াও পর্নোগ্রাফি সহ সকল প্রকার কৃত্রিম যৌন উত্তেজক উপাদান থেকে নিজেকে যথাসম্ভব দূরে রাখা আপনাকে সহযোগিতা করবে। কেননা পর্নোগ্রাফি আপনার স্বাভাবিক যৌন উত্তেজনাকে ব্যহত করে এবং যৌনতা সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনা আপনার মাঝে তৈরি করে।

পরিশেষে বলা যায়, নিজে নিজে চেষ্টা করেও আপনি যদি আপনার হস্তমৈথুন করার তাগিদ দূর করতে না পারেন এবং আপনার দৈনন্দিন কাজ ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রতি মনোযোগ দেওয়া ক্রমাগত কঠিন হয়ে পড়ে, তাহলে একজন প্রশিক্ষিত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আপনাকে এই সমস্যা থেকে বের করে নিয়ে আসতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে পারবেন।






Address

Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 16:00 - 21:00
Tuesday 16:00 - 21:00
Wednesday 16:00 - 21:00
Thursday 16:00 - 21:00
Saturday 16:00 - 21:00
Sunday 16:00 - 21:00

Telephone

+8801647068864

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aahban Psychotherapy and Counselling Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Aahban Psychotherapy and Counselling Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram