Dr.Rezwana Habiba- Psychiatrist

Dr.Rezwana Habiba- Psychiatrist chamber: Only in Sylhet
But online consultation available

Assistant Professor of Psychiatry

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও সাইকোথেরাপিষ্ট.
★আপনার মন ভালো আছে তো?★

মানসিক রোগ শারীরিক রোগের মতোই রোগ মাত্র
চিকিৎসায় যা ভালো হয়।মানসিক রোগ নিয়ে ভয় আর নয়।

 #প্যানিক_এট্যাক   #এংজাইটি বা  #টেনশনজনিত রোগ নিয়ে  আপনাদের প্রশ্ন ও সাইকিয়াট্রিস্ট হিসাবে আমার উত্তর:📌👉  এর লক্ষন কি?এ...
08/05/2026

#প্যানিক_এট্যাক #এংজাইটি বা #টেনশনজনিত রোগ নিয়ে আপনাদের প্রশ্ন ও সাইকিয়াট্রিস্ট হিসাবে আমার উত্তর:

📌👉 এর লক্ষন কি?

এতে মানুষটি প্রচন্ড আতঙ্কের শিকার হোন, সাথে বুক ধড়ফড়, শ্বাস কষ্ট, অশান্তি, হাত পা কাঁপা,মাথা ঘুরানো,হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ও প্রচন্ড ভয়ে মারা যাবো বা অজ্ঞান হয়ে যাবো এমন অনুভূতি হয়। এটা পচিঁশ -ত্রিশ মিনিটের মতো স্থায়ী হবার পর আবার ধীরে ধীরে চলে যায়।

📌 #এংজাইটি #উদ্বেগ বা #টেনশন জনিত রোগ এর লক্ষন কি কি?

• মাথাব্যথা, শরীর ব্যাথা,মাথা গরম হয়ে থাকা।
• বুক ধড়ফড় করা, বুকে চাপ লাগা বা শ্বাস নিতে অসুবিধা লাগা।
• অস্থির লাগা, অশান্তি লাগা, শরীর কাঁপা বা শরীর দূর্বল বোধ করা।
• ঘুমের সমস্যা হওয়া , বিরক্তি বা রাগ লাগা, ক্ষুধা কমে যাওয়া।
• মুখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বা গরম অনুভব করা।

📌 প্রশ্ন: এগুলোর তো অনেক লক্ষনই শারীরিক লক্ষন। বেশিরভাগ মানুষ এসব লক্ষন থাকলে শারীরিক রোগ মনে করেন? তাহলে এসব লক্ষন থাকলে কি করবো?

♦️উত্তর: আসলে #এংজাইটি কিংবা #টেনশন যে নামেই জানেন,এই সমস্যাগুলো সাধারণত শারীরিক লক্ষন দিয়ে প্রকাশ পায়, সাথে মানসিক লক্ষন থাকলেও বেশিরভাগ মানুষ শারীরিক রোগ মনে করে ভুল করে। কারন এংজাইটিতে শরীরের ভেতরে নিউরোক্যামিক্যাল ও স্নায়ু জনিত পরিবর্তনে মানসিক লক্ষনের পাশা শারীরিক লক্ষন ও দেখা দেয়।

যদি আপনি এসব সমস্যায় ভুগেন,আর ডাক্তার দেখিয়ে বা পরীক্ষা করে তেমন সমস্যা ধরা পড়েনি বলে মনে করেন,তখন অবশ্যই একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখান।

👉প্রশ্ন: প্যানিক বা এংজাইটি জনিত রোগীরা জীবনযাপনে কি ধরনের সমস্যা ফেইস করেন?

উত্তর: প্যানিকের রোগীরা বেশিরভাগ সময় ভয়ে থাকেন আবার এট্যাক হতে পারে ভেবে।
তাই তারা সচরাচর কতগুলো পরিস্থিতি ও কাজকে বিপদজনক মনে করে এড়িয়ে চলেন। যেমন, তারা একা একা বাড়ি থেকে দূরে কোথাও যাওয়া, ভীড়, ট্রাফিক জ্যাম, মার্কেট, লিফ্ট্ ব্যবহার, ট্রেন, বাস, লঞ্চ, প্লেন ইত্যাদি ব্যবহার, বড় সমাবেশ, বড় মসজিদের সামনের সারিতে নামাজ পড়া, ডাক্তার নেই এধরণের দূরবর্তী স্থান ইত্যাদি এড়িয়ে চলেন।

👉প্রশ্ন: প্যানিক এট্যাক এর চিকিৎসা কি?

উত্তর: ওষুধ ও সাইকোথেরাপি /কাউন্সিলিং দুটো মিলেই প্যানিক এট্যাকের চিকিৎসা হয়।

✅⭕অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলেন না এবং ঠিকমতো ঔষধ খান না,এতে করে রোগ সম্পূর্ন কমে না।

মহিলা সাইকিয়াট্রিস্ট ডা.রেজওয়ানা হাবীবা'র সিরিয়াল নিতে নাম্বারে যোগাযোগ করুন: ০১৭৭২ ১৩৪৮২৮

সিলেটে চেম্বারে এবং সারাদেশ থেকে অনলাইনে যে কেউ সিরিয়াল নিয়ে দেখাতে পারেন। সিরিয়াল সংক্রান্ত ব্যাপারে মেসেজ দিন 01772-134828 (WhatsApp e শুধু মেসেজ দিবেন).

📌📌সাইকোথেরাপির জন্য ও মেসেজে জেনে নিতে পারবেন।

#ডা_রেজওয়ানা_হাবীবা
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (সাইকিয়াট্রি)
সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্ট
সহকারী অধ্যাপক,
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

✅✅ছবিতে বিভিন্ন মানসিক রোগের লক্ষন দেয়া আছে। অসুস্থ হলে সঠিক চিকিৎসা নিন,সুস্থ থাকুন।মানসিক রোগ ও শারীরিক রোগের মতো রোগ মাত্র,চিকিৎসায় সুস্থ থাকা যায়।

☑️♻️✅ সিরিয়ালের জন্য:01772134828

📌প্রয়োজনে কিছু জানতে WhatsApp মেসেজ দিন (কল দিবেন না) 01772-134828 নাম্বারে।

চেম্বার:মনোরোগ হসপিটাল, বর্ণমালা পয়েন্ট, বাগবাড়ী,সিলেট
চেম্বার শুধুমাত্র সিলেটে।


Assistant professor,
Psychiatry

ব্যাপারটা ভাল্লাগসে!উনাদের সম্পর্কটা বেশ মজবুত বলেই মনে হয় আমার কাছে।উনারা একসাথে থাকলে বোঝা যায় সেটা,  একে অপরের প্রতি ...
02/05/2026

ব্যাপারটা ভাল্লাগসে!

উনাদের সম্পর্কটা বেশ মজবুত বলেই মনে হয় আমার কাছে।উনারা একসাথে থাকলে বোঝা যায় সেটা, একে অপরের প্রতি একটা নির্ভরতা,আশ্রয় থাকে তাদের আচরনে।

অথচ বিয়ের বেশ কিছু বছর পর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা একেবারে পানসে হয়ে যায়। এক বাসায় থেকেও হয়ে যান দূর দ্বীপের বাসিন্দা।

"কি লাগবে?" আর

তেল,নূন,ছেলে মেয়ের টিউশন ফী, কিংবা কখনো ওমুকের বিয়ের গিফট কি দেয়া হবে এসব নিয়েই আলোচনা চলে।

স্বামী স্ত্রী একত্রে বাইরে বেড়াতে যান ও কম।
গেলেও কারো বিয়েতে-দাওয়াতে....
কখনো ডাক্তারের কাছে,
কিংবা প্যারেন্ট মিটিংয়ে....

এক সাথে বসে,এক সাথে পায়ে পা মিলিয়ে হেঁটে নিজেদের নিয়ে কথা কি আর হয়!!

অনেকেই ভাবেন,"আমাদের আবার কি কথা?
বাচ্চাদের নিয়ে, সংসার নিয়ে কথা বলাই আমাদের কথা"!
বেশি দেখালে অনেকে আদিখ্যেতা ও মনে করে।

ব্যস্ত সময় গুলোতে স্বামী স্ত্রী একে অপরকে দেয়ার মতো সময় পান না ঠিকই,
কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে যখন হাতের সব কাজ ফুরোয়,কারো প্রয়োজনে আর লাগে না,সন্তানেরা ও নিজের আলয় খুঁজে নেয়,তখনই ফিরতে হয় ঘরে...

সেই মানুষটির কাছে,যে মানুষটির সাথে কথা বলার সময় বিগত বহু বছর আপনি বের করতে পারেন নি।

যদি সম্পর্কটা প্রথম থেকেই সুষম থাকে,শেষ বয়সে সম্পর্কটা নতুন মাত্রা পায়,নিজেদের সান্নিধ্য ভালো লাগে।
যদি পার্টনারকে নিজের ব্যস্ততার অযুহাতে দূরে সরিয়ে রাখেন,দিন শেষে যখন ঘরে ফেরার সময় হয়.....নিজেদের কেমন অচেনা মনে হয়। হাতে থাকে অফুরন্ত সময়,কিন্তু নিজেদের কোনো কথা থাকে না। দিন গুলো লম্বা মনে হয়,রাত গুলো দীর্ঘ।

সময় থাকতেই সংসার আর সন্তানের পাশাপাশি নিজেদের সম্পর্কটাও মজবুত করুন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আর ফার্স্ট লেডি ডা: জোবাইদা রহমানের সম্পর্কের কেমিস্ট্রি দারুন লাগে।
মনে হয়,
They are made for each other.

মানুষের অসহিষ্ণুতা কি পর্যায়ে গেছে,ভাবতেও ভয় লাগে! আজকাল বিভিন্ন রিলস,বিভিন্ন লেখায় এতো শ্বশুর বাড়ি আর শ্বাশুড়ি বিরোধী ...
24/04/2026

মানুষের অসহিষ্ণুতা কি পর্যায়ে গেছে,ভাবতেও ভয় লাগে!

আজকাল বিভিন্ন রিলস,বিভিন্ন লেখায় এতো শ্বশুর বাড়ি আর শ্বাশুড়ি বিরোধী লেখা দেখি।অবাক হয়ে যাই এসব মেয়েদের মেন্টালিটি দেখে!!

ধর্ম মানুষকে ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয় ,কিন্তু আজকাল ধর্মের লেবাস পরলেও ধর্মের মূল থিম মানুষ ধারন করতে পারছে না।

ইসলাম বলেছে,বউকে আলাদা রাখতে হবে,এটা হাদিস। ওয়াজি হুজুররা নিয়মিত এ বয়ান দেন। আবার সন্তান তার বাপ মা'এর প্রতি দায়িত্বের ব্যাপারে কোরআনে বারবার বলা আছে। এখানে ছেলে সন্তান কোনটা করবে?

এখানে এতো কন্ট্রোভার্সি কারা তৈরি করেছে?
এর ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে তো এখন!

তা,ছেলে তার বউকে নিয়ে আলাদা থাকলে তার বৃদ্ধ বাপ মা'কে কে দেখবে?
কয়টা ছেলের সামর্থ্য আছে আলাদা রেখে দুই সংসার চালানোর?
কয়টা ছেলের সামর্থ্য আছে দুই বাসা বানিয়ে বউ আর বাবা মা'কে আলাদা রাখা?
একমাত্র ছেলে বা একমাত্র দেশে থাকা ছেলে হলে সে কিভাবে বাপ মাকে একা ছেড়ে বউয়ের কোলে বসে থাকবে?
ছেলে সন্তান তার বৃদ্ধ বাপ মা'কে কি রাস্তায় ফেলে দিবে?
আলাদা বাসায় বৃদ্ধ বাপ মা কিভাবে একা জীবন যাপন করবে?

বিয়ের আগেই কে কিভাবে থাকতে চায়,এটার ব্যাপারে ক্লিনকাট সুরাহা হওয়া উচিৎ বলে মনে হয় আমার।

শ্বাশুড়ি বউয়ের সম্পর্ক এখন সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে দেখুন,একটা মেয়ে তার শ্বাশুড়িকে মেরে ফেলেছে,তারপর ও কমেন্ট বক্সে শ্বাশুড়ির বিরুদ্ধেই বলছে অনেক মহিলা,বলছে,"ভালো হয়েছে,নিশ্চয়ই বউকে কষ্ট দিয়েছে"। আমি দুইটা কমেন্ট দিলাম কমেন্ট বক্সে।

বউয়ের সাথে সম্পর্ক কেমন ছিলো,সেটা না জেনেই কিছু মহিলারা বলছে "ভালো হয়েছে"। সেইসব মহিলাদের কাছে,তাদের শ্বাশুড়িরা আসলে কতটা নিরাপদ? তারা একটা মানুষকে মেরে ফেলার ভ্যালিডেশন দিচ্ছে?

ইসলাম তো বারবার মায়ের সম্মান,মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশতের কথা বলেছে। কিন্তু আজকাল অনেক মহিলাই শ্বশুর শ্বাশুড়ির ব্যাপারে এটা মানতে নারাজ।

স্বামী বেঁচে থাকলে,স্বামীকে তার ফ্যামিলি থেকে আলাদা করে রাখা,স্বামীর ইনকামকে শুধু তার নিজের ইনকাম ভাবা,স্বামীর বাপ মা ভাই বোনকে বিষ নজরে দেখা....আজকাল কমন ব্যাপার।অনেক বউরা স্বামীকে তাদের সন্তানের মতো মনে করে,তারা ভাবে স্বামীটির জন্ম তার জন্যই,সে-ই স্বামীর টাকা পয়সার একচ্ছত্র অধিপতি।স্বামীর বাপ মা ভাই বোন হচ্ছে উচ্ছিষ্ট। আবার স্বামী মরলে ৬ মাস বা বছর পার হতেই নিজে বিয়ে করে ফেলে,এটাও আনকমন নয়,তখন যুক্তি থাকে " সারা জীবন একা কিভাবে থাকবে"।

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক যেমন পবিত্র,অনেক ক্ষেত্রে তেমনি ঠুনকো। তাই তো ডিভোর্স হয়,ঘৃনা তৈরি হয়,পরকীয়া হয়।
অথচ বাপ মায়ের সাথে সম্পর্ক তো আত্মার,রক্তের।
সেই রক্তের সম্পর্ক যতভাবে সম্ভব ততভাবেই ভেঙে ফেলতে চেষ্টা করে অনেক মেয়েরা বিয়ের পর।

এখনই সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
হুজুররা যে কোনো বয়ান,বুঝে শুনে দিতে হবে,কি দিচ্ছে,কে কিভাবে নিবে সেটা মাথায় রেখে বয়ান দিলে ভালো।

লেখাটা এই দেশের,এই সমাজের একজন অতি সাধারণ মানুষ হিসেবে কষ্ট নিয়েই লেখলাম।আজকাল চারপাশে যা দেখছি,তাতে না লিখে পারলাম না।

মেয়ের মায়েরা,
মেয়েদের শিক্ষিত করুন,সাথে বিয়ে যদি দিতে চান,নিজের অধিকার জানার সাথে সাথে শ্বশুর বাড়ি ও স্বামীর প্রতি দায়িত্ব শিখিয়ে বিয়ে দিবেন।নইলে কখন কারে মেরে বসে,আপনারাই পস্তাবেন শেষে।

ছেলের মায়েরা,
ছেলেকে ধর্মে আপনাদের প্রতি কি দায়িত্ব সেটা মনে করিয়ে দিন বারবার।আর ছেলের মেরুদণ্ড শক্ত করুন,ব্যাক্তিত্ববান করে গড়ে তুলুন।

হে পুরুষ জাতি,
আপনার কাছে মা আপন,বউও আপন । একদিকে হেলে যাবেন না।অনেক পুরুষ বউয়ের আঁচলে গিয়ে লুকোয়,কেউ কেউ মায়ের আঁচলে। এভাবে না লুকিয়ে ব্যালেন্স করতে হবে। না করলে এইসব পরিণতি হতে কতক্ষন!?

নারী জাতি যখন বউ।তখন অনেকেই সবকিছু শোনার ও বোঝার ঊর্ধ্বে থাকে।তাই উপদেশ দিলাম না আর। বলতে পারি,আপনাকে আপনার সন্তান ক্লোজ মনিটরিং করছে। যে কোনো আচরন বুঝে শুনেই করুন।

অনেকেই বিভিন্ন গ্রুপে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বলে কি ধরনের বিশেষজ্ঞ দেখাবেন জানতে চান।যার মধ্যে মানসিক বা সাইকিয়াট্রিক সমস্য...
14/04/2026

অনেকেই বিভিন্ন গ্রুপে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বলে কি ধরনের বিশেষজ্ঞ দেখাবেন জানতে চান।যার মধ্যে মানসিক বা সাইকিয়াট্রিক সমস্যার কথাও মানুষ জিজ্ঞেস করেন। যেমন : "আমার অশান্তি,বুক ধড়ফড় করে,দীর্ঘদিন মাথা ব্যাথা,বা সন্দেহ লাগে, বা মন খারাপ লাগে কিংবা ঘুমের সমস্যা " ইত্যাদি যেটাই হোক।মজার ব্যাপার হলো মানসিক সমস্যা গুলোর প্রায় ৯৫ ভাগ সমস্যাই শারিরীক সমস্যা রূপে প্রকাশ পায়। যেটা বেশিরভাগ মানুষ জানেন না। ফলে কেউ পরামর্শ দিতে কিসব কমেন্ট আসে দেখুন। ছবিতে একজনের কমেন্ট দিলাম।
একজন মানুষ মানসিক কিছু সমস্যায় হেল্প চাইছে,এবং অন্য একজন কমেন্টে "সাইকিয়াট্রিস্ট কে দেখান" বলায়, কমেন্টকারী বলছে " আরে উনি তো পাগলের ডাক্তার!"! বরং অন্য কাউকে দেখান।

কোনো রোগীকে পাগল বলা তাকে অপমান করা,এ বিষয়টি নিয়ে আজ কিছুই বলবো না। বলছি পাগল বলতে যে রোগীদের আপনারা বুঝেন, অর্থাৎ সিজোফ্রেনিয়া, সেই সিজোফ্রেনিয়া রোগীর হার মানসিক সব ধরনের রোগীর মধ্যে মাত্র এক ভাগ!!

সত্যি শুনেছেন। তো এই সিজোফ্রেনিয়া রোগী দেখেন বলে সাইকিয়াট্রিস্টরা পাগলের ডাক্তার,ঠিকাছে,সমস্যা নাই। কারন ভবের দুনিয়ায় সবাই পাগল!!
এবার তাহলে বলেন দেখি, মানসিক রোগীদের বাকি ৯৯ ভাগ রোগী কারা??আপনাদের জানতে ইচ্ছে করে না?? নাকি মনে করেন সাইকিয়াট্রিস্টরা শুধুই সিজোফ্রেনিয়া রোগী দেখেন।??

আসুন জেনে নেই।

মানসিক রোগীদের মধ্যে পাগল বা পাগলামি সমস্যা আছে এমন রোগী যদি বেশি করে ধরি, ৫ ভাগ ও হয়।তাহলে বাকি ৯৫ ভাগ মানসিক রোগী কারা ও তারা কি কি সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে যান,সেটা দেখুন, জানুন। না জানলে আপনাদেরই ক্ষতি। কারন বছরের পর বছর ডাক্তারের কাছে আপনারা ঘুরতে থাকেন,সঠিক মানসিক রোগ নির্নয়ের আর সঠিক চিকিৎসার অভাবে।

📣📌♦️মানসিক রোগের লক্ষন: ♦️

👉 নিচের লক্ষন গুলো দেখুন। সবগুলোই মানসিক দুশ্চিন্তা,স্ট্রেস বা অন্য মানসিক কারনে হয়।

[🔸 #সাইকিয়াট্রিস্ট ডা.রেজওয়ানা হাবীবা'র সিরিয়াল নিতে সরাসরি কল করুন 01772 134828 নাম্বারে।]

✅দেখে নিন লক্ষনগুলো:

📌সবসময় #মাথা_ব্যাথা, #অশান্তি, #বুক_ধড়ফড় করে,মাথা ঘুরানো,মাথা গরম হয়ে থাকা,বুকে চাপ লাগা বা শ্বাস নিতে অসুবিধা লাগা,কিংবা মন খারাপ থাকে? কখনো প্যানিক এট্যাক হয়,মনে হয় এই বুঝি মারা যাবো!

📌কিংবা পরিবারে অল্প বয়সী মেয়েটার হঠাৎ করে বারবার অজ্ঞান বা #ফিট_হয়ে_যাওয়া, শরীর কাঁপা,অস্বাভাবিক হাত পা নড়াচড়া, কথা বন্ধ হয়ে যাওয়া,হাটতে না পারা কেন হচ্ছে বুঝতে পারছেন না? পরীক্ষা নীরিক্ষার সব রিপোর্ট নরমাল।তাহলে কি হয়েছে রোগীর চিন্তা হচ্ছে?

📌ঘুম না হওয়া, অস্থির লাগা, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া।

📌অতিরিক্ত রাগ,নিজেকে আঘাত,আত্ম/ হত্যার প্রবনতা।

📌পরিচিত কারো অস্বাভাবিক কথাবার্তা, রাগ করা,কখনো চুপ করে (ধুন ধরা) বসে থাকা,কারন ছাড়াই অপরকে সন্দেহ করা,ভয় পাওয়া,কানে গায়েবী আওয়াজ পাওয়া।

📌অথবা কেউ একই কাজ বারবার করছে, #সন্দেহ থেকে যাচ্ছে কাজটি হয়নি তাই বারবার করে যাচ্ছে,অনেক আজেবাজে বা নেগেটিভ চিন্তা আসছে মনে,এই চিন্তাগুলো বন্ধ করা যাচ্ছে না আবার কাউকে বলাও যাচ্ছে না।বারবার ধোয়া মোছা করা ইত্যাদি।সব মিলিয়ে মানসিক কষ্ট হচ্ছে? অর্থাৎ ওসিডি।

📌অনেকে তার রাগ কন্ট্রোল করতে পারেই না,রেগে গেলে আত্মহত্যার চিন্তা করে,হাত কাটে,ওষুধ খেয়ে নেয় কয়েকটা,বাসা থেকে বের হয়ে যায়,কখনো মনে হয় কেউ তাকে বুঝে না,নিজের মনে কষ্ট পায়।এমনটা হয়?

📌কখনো মনে হয় সারা শরীর ব্যাথা,বা শরীরে কোনো খারাপ রোগ হয়েছে,অথচ রিপোর্ট সব নরমাল আসে?

📌 #ইন্টারনেট_এডিকশন,শিশুদের :আচরনে সমস্যা,অটিজম, ,টেম্পার টেন্ট্রাম,রাগ,বেয়াদবি,বুদ্ধি
মত্তার সমস্যা ইত্যাদি।

যদি আপনি বা আপনার পরিবার,আত্মীয়,প্রতিবেশী, প্রিয়জন কেউ উপরোক্ত সমস্যায় ভুগে, জেনে নিবেন তাকে সাইকিয়াট্রিস্ট, মানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে। কারন রোগ গুলো অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক লক্ষন দিয়ে প্রকাশ পেলে ও এগুলো মানসিক সমস্যা,আপনাকে মানসিক রোগের ডাক্তারই দেখাতে হবে।

♦️মহিলা সাইকিয়াট্রিস্ট ডা.রেজওয়ানা হাবীবা'র সিরিয়াল নিতে নাম্বারে যোগাযোগ করুন: ০১৭৭২ ১৩৪৮২৮

📌🙏সিলেটে চেম্বারে এবং সারাদেশ থেকে অনলাইনে যে কেউ সিরিয়াল নিয়ে দেখাতে পারেন। সিরিয়াল সংক্রান্ত ব্যাপারে মেসেজ দিন 01772-134828 (WhatsApp e শুধু মেসেজ দিবেন).

📌📌 #সাইকোথেরাপি বা #কাউন্সিলিং এর জন্য ও মেসেজে জেনে নিতে পারবেন।

ডা.রেজওয়ানা হাবীবা
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (সাইকিয়াট্রি)
সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্ট
সহকারী অধ্যাপক,
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

☑️♻️✅ #সিরিয়ালের_জন্য:01772134828
কোনো কারনে ফোনে না পাওয়া গেলে whatsapp এ মেসেজ দিয়ে সিরিয়াল নেয়া যাবে 01772-134828 (WhatsApp এ শুধু মেসেজ দিবেন)

চেম্বার:মনোরোগ হসপিটাল, বর্ণমালা পয়েন্ট, বাগবাড়ী,সিলেট
চেম্বার শুধুমাত্র সিলেটে।


Assistant professor,


​ #অতিরিক্ত_রাগ #মানসিক_স্বাস্থ্য #সাইকিয়াট্রিস্ট #সুস্থ_জীবন #ওসিডি #রেজওয়ানা_হাবীবা #মেন্টাল_হেলথ
#সাইকোলজি

আজ থেকে মাত্র কয়েক বছর আগেও খুব হৈ হুল্লোর করে নববর্ষ উদযাপন করতাম। ড্রেস বা শাড়ি কেনা,সক্কাল বেলাতেই রেডি টেডি হয়ে এমসি...
14/04/2026

আজ থেকে মাত্র কয়েক বছর আগেও খুব হৈ হুল্লোর করে নববর্ষ উদযাপন করতাম।

ড্রেস বা শাড়ি কেনা,সক্কাল বেলাতেই রেডি টেডি হয়ে এমসি কলেজের দিকে যেতে থাকা,দুপুরে কোথাও বসে খিচুড়ি ইলিশ খাওয়া।সিলেটে এমসি কলেজ আর সাস্টেই প্রোগ্রাম হতো বেশি। আরো কয়েক যায়গায় ও হতো,আমি যাইনি। প্রচন্ড জ্যাম থাকতো।সেইরকম গরমে আইসক্রিম, চটপটি খাওয়া...রিক্সা করে এখানে সেখানে ঘোরা,অনেক মেয়েরা পার্লারে শাড়ি পরে মেকাপ করে মাথায় ফুল গুঁজে বেড়াতে বের হতো,সব ছেলেরা পাঞ্জাবি। আমি চারিদিক তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতাম। হাসি আর আনন্দে চারপাশ ভরে থাকতো। ভীষন উৎসবমুখর থাকতো সারাটা দিন।

হঠাৎ করেই যেন সব হারিয়ে গেলো।
সময়ের অভাব,নাকি ইচ্ছের অভাব বুঝতে পারি না।

এখনো কি আগের মতো এমসি কলেজ, সাস্টে মানুষ ভীড় করে নববর্ষে?

#শুভ_নববর্ষ।
নতুন বছর আনন্দে কাটুক সবার।


psychiatrist

আজ থেকে প্রায় শত বর্ষ পূর্বে মেয়েদের বিয়ে হতো আট-ন'বছর বয়সে। বলা হতো গৌরীদান। গৌরী হচ্ছেন দেবী পার্বতী,এ বয়সী মেয়েদের দে...
04/04/2026

আজ থেকে প্রায় শত বর্ষ পূর্বে মেয়েদের বিয়ে হতো আট-ন'বছর বয়সে। বলা হতো গৌরীদান। গৌরী হচ্ছেন দেবী পার্বতী,এ বয়সী মেয়েদের দেবীর মতো পবিত্র গণ্য করে পিরিয়ড শুরু করার আগেই তাই বিয়ে দেয়া হতো।

অনেক মেয়ে বাচ্চাই বিয়ের পর মায়ের কাছে থাকতো, অনেকে শ্বশুর বাড়ি। তবে দাম্পত্য শুরু করতো পিরিয়ড শুরু হবার পর।

তার ও হাজার বছর আগে,এমনই অল্প বয়সে মেয়ে বিয়ে দেয়ার প্রচলন ছিলো অনেক দেশেই। বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে এখনো মেয়েদের একদম অল্প বয়সে বিয়ে দেয়া হয়।

তার মানে, মেয়েশিশু দের শিশু বয়সে বিয়ে দেয়ার বিষয়টি নতুন কিছু নয়,পুরাতন বিষয়।

তো,লুবাবা নামক মেয়েটির সম্ভবত ১৬ বছরে বিয়ে কিংবা বাগদান হয়েছে,এতে আসলে এক পক্ষের ছি ছি রি রি কিংবা আরেক পক্ষের খুশীতে হৈ হৈ রৈ রৈ করার কারনটা ঠিক বুঝতে পারছি না।

বিয়ে তো যে কোনো বয়সেই হতেই পারে। পারে না? আগে সিনেমায় দেখতাম,৩/৪ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদের দাদা দাদী শখ করে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। বাহ বেশ! যারা অল্প বয়সে বিয়ের পক্ষে,তারা তাদের মেয়েদের ৩/৪ বছর বয়সে বিয়ে দেন,সমস্যা কি!!

সত্যি,সমস্যা কি নেই?

আজ থেকে শত বছর পূর্বে,যখন বাচ্চা মেয়েদের বিয়ে দেয়া হতো, বছর বছর বাচ্চা হতে যেয়ে মেয়েগুলো যখন মারা যেতো,সমাজ- সংসারে -রান্নাঘরে ঠিকঠাক করে না চলতে পেরে শ্বশুর বাড়িতে অপমান অপদস্থ হতে হতো লাখো মেয়েকে...কে-ই তার খোঁজ রাখতো? হিসেব রাখতো? আপনি কি হিসেব রেখেছেন?

বাপ মা বিয়ে দিয়েই দায়িত্ব শেষ মনে করতো,স্বামী তাড়াতাড়ি নতুন স্ত্রীর সন্ধানে বের হয়ে যেতো মেয়েটি মরে যাওয়ার পর। রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র কিংবা সেসময়ের বইগুলো পড়েছেন যারা, তারা জানেন বৈ কি এসব।

আর এসব মেয়ে বাচ্চাদের মেন্টাল হেলথের খোঁজ নিতে বলা তো এখন ভয়ংকর এক অপকর্ম রূপেই দেখা দিবে।

যেসব মেয়েরা বাঁচতো,তারা বেঁচেই যেতো!! হাজারো মেয়েরা অল্প বয়সে বিধবা হয়ে বাপের বাড়িতে কাজের মহিলার সম্মান নিয়ে সে যুগে (এ যুগেও কি নেই?) বেঁচে থাকতে হতো। মেয়েদের নিয়ে কে-ই বা কবে ভেবেছে।

কেন অনেক মানুষ অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ের বিপক্ষে,তাদের ভিউ আমি জানিনা। তবে একটা মেয়ের বিয়ে মানেই তাকে বাচ্চা নিতে হবে যত দ্রুত সম্ভব,সমাজ সংসারে এটাই নিয়ম,এটাই দাবী সমাজের। ১৬-১৮ বছর বয়সে একটা টিনেজ মেয়ের bone maturity পায় মাত্র,ব্রেনের ম্যাচিউরিটি আসে আরো পরে। বাচ্চা হতে হলে তো আকাশ ফুড়ে বের হবে না,মেয়েটির শরীর ফুড়েই বের হবে। সৃষ্টি কর্তার দেয়া যে শরীর এখনো পরিপক্বই হয়নি, তাকে ১৩/১৪/১৫ বয়সে বিয়ে দিয়ে সেক্স তো করাতে পারবেন জোর করে তার শরীর পরিপক্ক হবার আগেই। তার শরীরটাকে যে ভেঙে শেষ করে দিচ্ছেন একের পর এক বাচ্চা জন্ম দিতে যেয়ে,তার দায় কে নিবে।

এদেশে,এই উপমহাদেশে মাতৃ মৃত্যুর, শিশু মৃত্যুর হার কেন এতো বেশি ছিলো? কত ছিলো আজ থেকে চল্লিশ কিংবা সত্তুর বছর আগেও,এখন কত? কেন ছিলো মাতৃ মৃত্যুর হার বেশি? কিংবা এখন কেন আগের চেয়ে কম, এসব প্রশ্ন কি কারো মাথায় কখনো এসেছে?

বিয়ে মানে রেস্পনসিবিলিটি নেয়া একটা পরিবারের। ১৪/১৫ বছরের একটা মেয়ে তার নিজের রেসপনসেবলিটিই নিতে পারে না,সে কি করে অন্য একটা মানুষের,নিজের বাচ্চার,অন্য পরিবারের রেসপনসেবলিটি নিবে? একটা শারীরিক ও মানসিক স্থিতি তো লাগে সবকিছুর জন্যই।

অল্প বয়সে আপনি আপনার ছেলেকে মেয়েকে বিয়ে দিতেই পারেন।দেন,সমাজ কি ই বা বলবে। কিন্তু বুকে হাত দিয়ে বলুন তো,সেই মেয়েটি কি পরিবার গঠন করে পরিবারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে সক্ষম?

নাকি শুধু সেক্সুয়াল ব্যাপারটাকেই বিয়ে হিসেবে ভাবছেন?


Psychiatrist

(( 📌 লুবাবার বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ তৈরি হয়ে গেছে। তাই সৃষ্টিকর্তারই দেয়া হিউম্যান এনাটমির যৎসামান্য নিয়ে বললাম, পরিসংখ্যানে কি আছে সেটা দেখতে বললাম।কারো বানানো কোনো কথা নয়,কারো পক্ষে বিপক্ষে ও নয়। এতেই কিছু মানুষজন কেন্দে দিচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে।

কেউ কেউ বলছে,"এতে নাকি প্রেম করা,বিয়ের আগে ফিজিক্যাল সম্পর্ককে জাস্টিফাই করা হচ্ছে!" বাট এটা কোথায় লেখা আছে,বলেন? পোস্টের বিষয় কি সেটা না বুঝেই পকপক করছে একদল মানুষ!

লেখায় ফ্যাক্ট তুলে ধরা হয়েছে।আপনি বিশ্বাস না করলে নাই!
বিয়ে, প্রেম আর নারী পুরুষের সম্পর্ক ছাড়া কি জীবনে আর কিছু নাই রে ! )।

নার্সিসাস গ্রিক পুরাণের এক অপূর্ব সুন্দর যুবক, যে নদী দেবতা সিফিসাস ও জলপরী লিরিউপির পুত্র। নার্সিসাস ছিলেন অতি অহংকারী।...
28/03/2026

নার্সিসাস গ্রিক পুরাণের এক অপূর্ব সুন্দর যুবক, যে নদী দেবতা সিফিসাস ও জলপরী লিরিউপির পুত্র। নার্সিসাস ছিলেন অতি অহংকারী। তার সৌন্দর্যে যারা তার প্রেমে পড়তো,সে তাদের প্রত্যাখ্যান করতো। শাস্তিস্বরূপ, প্রতিশোধের দেবী নেমেসিস তাকে নিজের প্রতিচ্ছবির প্রেমে ফেলে দেন। পানির মধ্যে নিজের রূপ দেখে মোহিত হয়ে সে সেখান থেকে সরতে পারেননি এবং অবশেষে আত্মপ্রেমের বলি হয়ে মারা যান সে।

আত্মপ্রেম বা নার্সিসিজম (Narcissism) শব্দটি এই পৌরাণিক চরিত্রের নাম থেকেই এসেছে। আর সে থেকেই এসেছে নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি।

#নার্সিসিস্টিক_পার্সোনালিটি (Narcissistic Personality)

আপনার আশেপাশে কোনো নার্সিসিস্ট আছে কি না দেখে নিন: কিছু লক্ষণ:

১.সবকিছুতেই নিজের কথা, নিজের সাফল্য ও নিজের গুরুত্বকে বেশি করে তুলে ধরতে চান।

২. অন্যের অনুভূতির প্রতি কম সহানুভূতি
অন্য কেউ কষ্ট পাচ্ছে বা সমস্যায় আছে—এটা তারা সহজে বোঝেন না বা গুরুত্ব দেন না।

৩.সব সময় অন্যদের কাছ থেকে প্রশংসা, স্বীকৃতি বা বিশেষ গুরুত্ব আশা করেন।

৪. কেউ ভুল ধরলে বা সমালোচনা করলে খুব দ্রুত রেগে যান বা প্রতিরক্ষামূলক আচরণ করেন।

৫. নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করা
অনেক সময় মনে করেন যে তারা অন্যদের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা বিশেষ।

৬. সম্পর্কে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা
কখনো কখনো সম্পর্কের মধ্যে অন্যকে নিজের মতো করে চালানোর বা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন। যেমন: দোষ চাপিয়ে দেয়া,গ্যাসলাইটিং ইত্যাদি।

সম্পর্কের শুরুতে একজন নার্সিসিস্টিক ব্যক্তিত্বের মানুষ খুব আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। কিন্তু ধীরে ধীরে সম্পর্কের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ, মানসিক চাপ এবং আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

আপনার আশেপাশেই আছে এমন নার্সিসিস্ট পার্সোনালিটি। সাইকিয়াট্রিতে নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার নামে একটা মেন্টাল ডিজওর্ডারই আছে। তাই নার্সিসিস্ট চেনা জরুরী। এসব মানুষের সাথে সাধারণত সহজ সরল বা সাধারনভাবে চিন্তা করতে ভালোবাসেন এরা চলতে পারে না।কারন আপনার পাশের নার্সিসিস্ট ব্যাক্তিটি তাকেই গুটি বানিয়ে বা সহজে ম্যানিপুলেট করে চালাতে পারেন।

নার্সিসিস্ট ব্যাক্তির লাগে অন্যের admiration,স্বীকৃতি। নিজের এ চাহিদার জন্য ওরা কখনো যে কোনো লেভেলে নামতে পারে। তাই নিজের শান্তি চাইলে নার্সিসিস্ট থেকে দূরে থাকুন। দাম্পত্য জীবনে নার্সিসিস্ট কি করতে পারে সেটা নিয়ে পরে একসময় বলবো।

Psychiatrist
Sylhet

For serial : offline & online: 01772 134828
Chamber only in Sylhet.

 #ইমোশনালি_অ্যাবসেন্ট !???পিউ খেলতে খেলতে মায়ের দিকে তাকিয়ে "মা" বলে চিৎকার করে ডাকলো,বললো,মা,i love u. মা হেসে টিভি দেখ...
27/03/2026

#ইমোশনালি_অ্যাবসেন্ট !???

পিউ খেলতে খেলতে মায়ের দিকে তাকিয়ে "মা" বলে চিৎকার করে ডাকলো,বললো,মা,i love u. মা হেসে টিভি দেখায় মন দিলেন। একটু পরই মায়ের কাছে এসে গা ঘেসে বসলো।তার যেন কথার ফুলঝুরি ছুটছে মুখে।

"মা,আমাকে শাড়ি পরিয়ে দেবে? তোমার মতো? "
"আজকে একটু সাজিয়ে দাও না মা...ও মা,শুনছো? স্নেহার মা তাকে কত্ত সুন্দর করে সাজিয়ে দেয়....ওমা!!"

"উফফ! পিউ!..ধমকে উঠলেন মা...'যাও তো,ঘ্যান ঘ্যান ভাল্লাগে না! যাও ড্র‍য়িং টিচার আসবেন।আগেই ড্রয়িং নিয়ে বসো"।

সাত বছরের পিউ'র কাছে মায়ের এ আচরণ নতুন নয়। মা তাকে ভালোবাসেন সে বুঝে,কিন্তু মা'কে কিছু বলতে গেলেই ধমকে উঠেন।

কেন সে বুঝে না! তার ভীষন মন খারাপ হয় প্রতিবার। এই তো দুদিন আগেও স্কুলে বান্ধবী রিয়ানা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে।ওকথা মা'কে বলতে যেয়েও ধমক খেলো,বললেন,'যাও তো,দেখছো না কাজ করছি,তুমি দুষ্টু তাই ধাক্কা দিয়েছে।""

সে বড় হতে থাকে,আর ধীরে ধীরে নিজের মধ্যে গুটাতে থাকে। কাউকে কিচ্ছুটি বলতে ইচ্ছে হয় না আর।
-------------------

লিরা খুব গল্প করতে ভালোবাসে। আগে স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি থেকে এসে মা'কে তার সারাদিনের বৃন্তান্ত বলতো। মা হয়তো রান্নাঘরে,কখনো গাছের যত্নে...সে মায়ের পেছনে পেছনে হাঁটতে হাঁটতে সারাদিনের কাহিনী কাব্য বলতো,আর মা-ও মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। বিয়ের পরও প্রথম প্রথম অভ্যাসটা রয়ে গিয়েছিলো। সামিন অফিস থেকে ফিরলে হাতে চা'টা নিয়ে গল্পের ঝাঁপি খুলে বসতো। সামিন প্রথম দিকে হ্যাঁ হু করলেও,এখন কথা শুনতেই চায় না। এমনকি বাসার দৈনন্দিন কাজ,কিংবা ফ্যানে সমস্যা,রান্নাঘরে কলে সমস্যা এগুলো শুনলেও বিরক্ত হয়।
বলে,টাকা দেয়া থাকে তো,তুমি মিস্ত্রী আনিয়ে ঠিক করে নিবা! আমি এসব ঘরকন্নার কথা শুনে কি করবো! আজব!

লিরা মাঝে মাঝে বলার চেষ্টা করে,ঘর সংসার তো দুজনেরই।আমার ও তো ইচ্ছে হয় তোমার সাথে গল্প করি টুকটুক করে। মিস্ত্রী দিয়ে কি সব ঠিক করা যায়? মনটাও...?

সামিন বিরক্ত হয়,বলে,"সারাদিন অফিস করে এসে প্যান প্যানানি ভালো লাগে না। আমার একটু রিলাক্স চাই। তাই মোবাইল দেখি। আমার আরাম তোমার সহ্য হয় না! অথচ তোমার খাওয়া পরা কোনো কিছুতেই তো কমতি রাখি নাই আমি।ব্যাংকের কার্ডও দিয়ে রেখেছি তোমার কাছে।আর কি চাও"?!

লিরা চুপ করে যায়। আসলে আর কিছু বলার থাকেই না এসব কথার পর!

মানুষ পরিবার গঠন করে,কিছু মানুষকে একদম নিজের বলার জন্য। সেই সব মানুষ তাকে বুঝবে,তার ব্যাথায় কষ্ট পাবে। কিন্তু অনেকেই আছে সংসারে,সে বাবা-মা-স্বামী-স্ত্রী তারা দায়িত্ব হয়তো পালন করে যায়,কিন্তু পার্টনার বা সন্তানের কাছে থাকে ইমোশনালি আনএভেইলেবল।

আমরা আজকাল কিছু স্মার্ট জেনারেশন পাই,তারা আসে আমাদের কাছে,মনের কথা গুলো বলতে চায়,তারা বলে,তাদের প্যারেন্টরা,কারো পার্টনাররা ইমোশনালি আনএভেইলেবল বা এবসেন্ট কিংবা আবেগীয়ভাবে অনুপস্থিত তাদের জীবনে।

এর ফলে তারা কিছুই শেয়ার করতে পারেন না,পারেন নি,কখনো নিজের সমস্যাগুলো নিয়ে আলাপ করতে পারেন নি,কখনো ভুল পথে পা বাড়িয়েছেন।কখনো নিমজ্জিত হয়েছেন ডিপ্রেশনে, এংজাইটিতে।

বেশিরভাগ মানুষই চায়,"কেউ একজন থাকবে,যে মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনবে।তার কথার গুরুত্ব দেবে।" খুব যে সমাধান দিয়ে ফেলবে,তেমনটা কিন্তু তারা চায় না।

অনেকেই হয়তো বুঝেনই না ইমোশনালি আনএভেইলেবল বা এবসেন্ট বলতে কি বুঝায়।

♦️ইমোশনালি আনএভেইলেবল বাবা-মা/প্যারেন্ট কি:

বাবা বা মা বাসায় আছেন, কিন্তু বাচ্চা কিছু বলতে চাইলে শোনেন না। বাচ্চা কাছে এসে কথা বলতে চাইলে এড়িয়ে যান। কাজ, মোবাইল বা অন্য ব্যস্ততার কারণে বাচ্চার সাথে আবেগগত বা ইমোশনাল যোগাযোগ তৈরি করেন না।

বাচ্চা দুঃখ পেলে বা কাঁদলে বলেন: “এগুলো নিয়ে এত ভাবার কিছু নাই” ফলে বাচ্চা মনে করে তার অনুভূতি গুরুত্বপূর্ণ না। ধীরে ধীরে সে দূরে সরে যায়,কখনো তার মধ্যে পিতা মাতার প্রতি আক্রোশ তৈরি হয়।

♦️ ইমোশনালি এবসেন্ট স্বামী-স্ত্রী/স্পাউস:

স্বামী বা স্ত্রী একই ঘরে থাকেন, কিন্তু সঙ্গীর অনুভূতি, দুঃখ বা আনন্দ নিয়ে কথা বলেন না। সমস্যার সময় কোনো সমর্থন দেন না। সঙ্গী যখন সম্পর্ক নিয়ে বা অন্য সমস্যা নিয়ে কথা বলতে চান, তখন বিষয়টা এড়িয়ে যায়।
কমিটমেন্ট বা আবেগ নিয়ে আলোচনা করতে অস্বস্তি বোধ করে। তারা নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসে।

For serial: 01772 134828


Psychiatrist
Sylhet

পঞ্চান্ন বছর আগে দেশ স্বাধীন হওয়ার যুদ্ধটা  মার্চেই শুরু হয়েছিলো। সে সময়ের দেশের বীর সন্তানেরা এদেশের মানুষকে স্বাধীনতা ...
25/03/2026

পঞ্চান্ন বছর আগে দেশ স্বাধীন হওয়ার যুদ্ধটা মার্চেই শুরু হয়েছিলো। সে সময়ের দেশের বীর সন্তানেরা এদেশের মানুষকে স্বাধীনতা উপহার দেন। একটা একদম নিজের মতো বলার জন্য এদেশের মাটি,নিজের মতো করে কথা বলার স্বাধীনতা এনে দেন।
কিন্তু এতো বছরেও নিরাপত্তা নাই কেন এদেশের মানুষের?
জীবনের মূল্যটাই যেন সবচেয়ে কম এখন!

স্বাধীন দেশে নিশ্চিন্ত ভাবে বেঁচে থাকার স্বাধীনতাটুকু চাই,
জীবনের নিরাপত্তা চাই।

স্বাধীনতা দিবসে এটাই চাওয়া।

22/03/2026

#ওসিডি ( ) রোগের লক্ষন :
আসুন দেখে নেই ওসিডির লক্ষন: হলো একটি মানসিক রোগ, যেখানে থাকে:
> ময়লা বা জীবাণু নিয়ে অতিরিক্ত ভয়।
>বারবার সন্দেহ: দরজা বা গ্যাস বন্ধ করেছি কিনা।
>ধর্মীয় চিন্তা বা গুনাহ করে ফেলবো—এই ভয়।
>নিষিদ্ধ যৌন চিন্তা,যাতে নিজেকে অপরাধী মনে হয়।
> কাউকে ক্ষতি করে ফেলবো—এই চিন্তা।
> সবকিছু একদম পারফেক্ট বা না হলে অস্থির লাগা।
> নির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে ভয় বা বিশ্বাস।
> বারবার হাত ধোয়া বা গোসল।
> দরজা, লাইট, গ্যাস বারবার চেক করা।
> জিনিস নির্দিষ্টভাবে সাজানো।
> দোয়া বা শব্দ বারবার বলা।
> নির্দিষ্ট সংখ্যক বার কিছু করা।
> বারবার অন্যের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া।

😔ওসিডি থাকলে বিষণ্নতা ও anxiety যুক্ত হতে পারে।

তাহলে কি বুঝলাম।ওসিডি একটা রোগ মাত্র।রোগ হলে সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলেই আপনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবেন।
OCD কিন্তু পাগলামি না
এটি সম্পূর্ণ চিকিৎসাযোগ্য রোগ।
তাই সাইকিয়াট্রিস্ট এর অধীনে দ্রুত সঠিক চিকিৎসা নিন।

ডা:রেজওয়ানা হাবীবা
সহকারী অধ্যাপক
সাইকিয়াট্রি
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট।

চেম্বার : সিলেট মনোরোগ হসপিটাল, বর্নমালা পয়েন্ট,সিলেট।

সিরিয়ালের জন্য : 01772 134828
মানসিক রোগ নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা কিছু জানতে মেসেজ দিন 01772-134828


Psychiatrist
sylhet

 #কবিতাতোমার সঙ্গে ভালো করে কথা বলাই হলো না...একটা জন্ম এমনি এমনি কেটে গেলো।একটা জীবন দেখতে দেখতে চলে যাচ্ছে।একটা জন্ম র...
17/03/2026

#কবিতা
তোমার সঙ্গে ভালো করে কথা বলাই হলো না...

একটা জন্ম এমনি এমনি কেটে গেলো।
একটা জীবন দেখতে দেখতে চলে যাচ্ছে।

একটা জন্ম রেখেছিলাম তোমার সঙ্গে কথা বলার,
একটা জীবন রেখেছিলাম কাঁঠালতলায় মাদুর পেতে
তোমার পাশে কাটিয়ে দেবো।
একটা জন্ম রেখেছিলাম বাঁশকাগজে স্টিলের নিবে
এমনি এমনি পদ্য লেখার,
একটা জীবন রেখেছিলাম তোমার জন্য পদ্য লেখার
একটা জীবন এমনি এমনি চলে গেলো।

একটা জন্ম জোড়াতালির, ভাত কাপড়ের তক্কে তক্কে
একটা জীবন মাথা গোঁজার ফন্দি খুঁজে,
একটা জীবন বাক্স মাথায় ভুল শহরে
ভুল ঠিকানায় ঘুরে ঘুরে,
একটা জন্ম এমনি এমনি কেটে গেল,
একটা জীবন দেখতে দেখতে চলে যাচ্ছে।

তোমার সঙ্গে ভালো করে কথা বলাই হলো না।

তারাপদ রায়ের কবিতা

Address

Sylhet

Telephone

+8801772134828

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Rezwana Habiba- Psychiatrist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Rezwana Habiba- Psychiatrist:

Share