Dr hye dermatologist

Dr hye dermatologist Professor of Dermatology as well as Deputy Director (Finance) in JRRMC For appointment pl call
01712 291 887 from 9:30 pm to 9:00pm.

হঠাৎ পায়ে ঝিঁঝি ধরলে ছাড়াবেন কীভাবে?অনেক সময় ধরে এক জায়গায় বসে থাকলে হঠাৎ দেখা যায় পা আর নাড়ানো যাচ্ছে না। পা ভারী ভারী ...
23/01/2026

হঠাৎ পায়ে ঝিঁঝি ধরলে ছাড়াবেন কীভাবে?

অনেক সময় ধরে এক জায়গায় বসে থাকলে হঠাৎ দেখা যায় পা আর নাড়ানো যাচ্ছে না। পা ভারী ভারী লাগে। পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে গিয়ে অনুভব করলেন যে ঝিঁঝি ধরেছে। এখন এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

লাইফস্টাইল ডেস্ক

১ মিনিটে পড়ুন

র্দীঘ সময় ধরে একই ভঙ্গিতে বসে বসে কাজ করতে থাকলে বা বসে থাকলে, প্রায়ই দেখা দেয় যে পা ভারী ভারী লাগছে। তবে এমনটা হওয়ার কারণ কী?

মূলত পায়ের পেশিগুলো যে স্নায়ু নিয়ন্ত্রণ করে তার ওপর চাপ পড়লেই পায়ে এমনটা অনুভব হয়। তখন পায়ে সাড়া পাওয়া যায় না। একই ভঙ্গিতে অনেক সময় ধরে বসে থাকলে পায়ের কয়েকটি অংশে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। এসময় ঝিঁঝি অনুভূতি আরও বেড়ে যায়।

পায়ে ঝিঁঝি ধরলে তা ছাড়ানোর সহজ কিছু উপায় কী?

আরও পড়ুন: রাশিফলে জেনে নিন, কেমন যাবে আজকের দিন

১) ঝিঁঝি অনুভব হলে পায়ের বুড়ো আঙুলে কিছু সময়ের জন্য চেপে ধরুন। এভাবে কিছুক্ষণ বসে থাকলে ঝিঁঝি অনুভূতি ছেড়ে যেতে পারে।

২) অনেক ক্ষণ ধরে বেকায়দায় বসে থাকলে পা ঝিঁঝি অনুভব হয়। এসময় মাথা এ পাশ হতে ও পাশ ‍কিছুক্ষণ দোলালে সাধারণত শরীরের সব স্নায়ুতে চাপ পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে ঝিঁঝি ছেড়ে যেতে পারে।

৩) যদিও ঝিঁঝি ধরলে হঠাৎ করে বসা থেকে উঠে দাঁড়ানো যায় না। তবে দাঁড়িয়ে কিছু সময় ধীরে ধীরে হাঁটার চেষ্টা করুন। যেহেতু পায়ের পেশিতে সঙ্কোচনের কারণে ঝিঁঝি ধরে, সেহেতু কিছুক্ষণ হাঁটলেই ঝিঁঝি অনুভূতি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

এটি লিবিয়ার অবিসংবাদিত নেতা মোয়ামার গাদ্দাফির কন্যা আইশা গাদ্দাফির বক্তব্য। তবে এটা শুধু আইসা গাদ্দাফির  বক্তব্যই নয়,প...
17/01/2026

এটি লিবিয়ার অবিসংবাদিত নেতা মোয়ামার গাদ্দাফির কন্যা আইশা গাদ্দাফির বক্তব্য। তবে এটা শুধু আইসা গাদ্দাফির বক্তব্যই নয়,পৃথিবীর পতিত সব স্বৈরাচারীদের কন্যাদের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি। । তার কথাগুলো যথেষ্ট আবেগঘন ও পৃথিবীর আগ্রাসন বিরোধী বিপ্লবী মানুষদের জন্য উদ্দীপনামুলক। তিনি বর্তমানে ওমানে নির্বাসিত জীবন পার করছেন। সম্প্রতি এ মহিলাটি ইরানের জনগণের উদ্দেশে এক ঐতিহাসিক বার্তা পাঠিয়েছেন,- শুধু ইরানের জন্য নয়, যা তৃতীয় বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ :

“হে স্বাধীনতাপ্রেমী, দৃঢ়চেতা ইরানের জনগণ!

আমি সেই এক নারীর কণ্ঠস্বর, যে নিজের দেশকে ধ্বংস হতে দেখেছে—খোলাখুলি শত্রুর হাতে নয়, বরং পশ্চিমাদের প্রতারণামূলক হাসি ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে।

আমি কথা বলছি এক বিধ্বস্ত, বেদনাভরা ও বিশ্বাসঘাতকতায় ক্ষতবিক্ষত হৃদয় থেকে। আমি আপনাদের সতর্ক করছি—পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের প্রতারণামূলক কথা ও শ্লোগানে বিশ্বাস করবেন না। তারা একসময় আমার পিতা কর্নেল গাদ্দাফিকে বলেছিল,

‘আপনি যদি আপনার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করেন, তবে বিশ্বের দরজা আপনার জন্য খুলে যাবে।’

আমার পিতা সৎ উদ্দেশ্য ও সংলাপের প্রতি আস্থা রেখে ছাড় দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা দেখেছি কীভাবে ন্যাটোর বোমাবর্ষণে আমাদের ভূমি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলো। লিবিয়া রক্তে ডুবে গেল, আর তার জনগণ দারিদ্র্য, নির্বাসন ও ধ্বংসের মধ্যে বন্দি হয়ে পড়ল।

হে আমার ইরানি ভাই ও বোনেরা, নিষেধাজ্ঞা, গুপ্তচর ও অর্থনৈতিক যুদ্ধের মুখেও আপনাদের সাহস, মর্যাদা ও দৃঢ়তা তৃতীয় বিশ্বকে সাহস যুগিয়েছে । আপনাদের জাতি আত্মসম্মান ও প্রকৃত স্বাধীনতা সাহসের সাথে রক্ষা করে চলছে। শত্রুর কাছে ছাড় দেওয়া মানেই ধ্বংস, বিভাজন ও দুর্ভোগ ডেকে আনা। নেকড়ের সঙ্গে আলোচনা করলে ভেড়ার রক্ষা হয় না, স্থায়ী শান্তিও আসে না—বরং তা কেবল পরবর্তী খাবারের তারিখ নির্ধারণ করে দেয়!

ইতিহাস প্রমাণ করেছে—যারা দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে ছিল--- কিউবা, ভেনেজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া থেকে শুরু করে ফিলিস্তিন পর্যন্ত—তারা আজও বিশ্বের বীরদের হৃদয়ে জীবিত এবং সম্মানের সঙ্গে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। আর যারা আত্মসমর্পণ করেছিল, তারা ছাই হয়ে গেছে, তাদের নাম হারিয়ে গেছে বিস্মৃতির অতলে।

ইরানের সাহসী জনগণকে সালাম!

ইরানি প্রতিরোধকে সালাম!

ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে বৈশ্বিক সংহতিকে সালাম!

ভালোবাসা ও সহমর্মিতাসহ,

আইশা গাদ্দাফি”

নোট:
বাংলাদেশেও যারা দেশপ্রেম ধারণ করে, সব ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে –---ত্যাগ তিতিক্ষা স্বীকার করে, দৃঢ় মনোবল নিয়ে রাজনীতির ময়দানের টিকে থাকবে, শেষ পর্যন্ত তারাই বিজয়ী হবে। যারা বিদেশী শক্তির সাথে বিশ্বাস কোন চুক্তি অথবা আঁতাত করে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হবে, তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চরম অপমান ও ধ্বংসের মুখোমুখি হবে।

।।।।।।।।অধ্যাপক মোহাম্মদ হাই।।।১৬।০১।২০২৬।।।।।।।।।।।।।

বাংলাদেশ যখন একটি কারাগার …………………………………রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ও আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার ব্যক্ত...
15/01/2026

বাংলাদেশ যখন একটি কারাগার
…………………………………

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ও আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার ব্যক্তিগত ও আচরণগত কোন পরিবর্তন ছিল না। একদিন তিনি তার নিরাপত্তা কর্মীদের একটি রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবারের জন্য নিয়ে গেলেন । তারা একসাথে বসেছিলেন এবং প্রত্যেকে মেনু দেখে নিজ নিজ খাবারের অর্ডার দিচ্ছিলেন।

পাশেই একটি টেবিলে, একজন লোক খাবারের অর্ডার দিয়ে অপেক্ষা করছিল। তাকে পরিবেশন করার পর, ম্যান্ডেলা একজন রক্ষীকে বললেন, "যাও এবং এই ভদ্রলোককে আমাদের সাথে যোগ দিতে বলো।" সৈন্যটি নিমন্ত্রণ তাকে পৌঁছে দিল। লোকটি উঠে দাঁড়াল, তার প্লেটটি নিয়ে পাশে বসল।

যখন সে খাচ্ছিল, তার হাত ক্রমাগত কাঁপছিল, বারবার সে পানি পান করছিল। সে তার খাবার থেকে মাথা তুলল না। সবার খাবার যখন শেষ হলো, তখন সে ম্যান্ডেলার দিকে না তাকিয়ে বিদায় জানাল। নেলসন ম্যান্ডেলা তাকে হাত নাড়িয়ে বিদায় জানালেন ।

পাশে বসা একজন রক্ষী ম্যান্ডেলার উদ্দেশ্যে বলল:

—- মাদিবা, এই লোকটি নিশ্চয়ই খুব অসুস্থ ছিল, কারণ খাওয়ার সময় তার হাত কাঁপছিল।

–--- একদম না! কারণ অন্য কিছু। আর সেটা আমি খুব ভালোই জানি।

সৈনিকরা তার দিকে উদগ্রীব হয়ে তাকিয়ে রইল।

ম্যান্ডেলা ধীরে ধীরে বললেন :

“আমি যে কারাগারে ছিলাম, এই লোকটি তার ওয়ার্ডেন ছিল। আমাকে প্রায়ই সে নির্যাতন করতো। একদিন তার নিষ্ঠুর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে তার কাছে খাওয়ার পানি ভিক্ষা চেয়েছিলাম। সে তখন উপহাস করছিল এবং আমাকে নানাভাবে অপমান করছিল। এক পর্যায়ে, পানি দেওয়ার পরিবর্তে, সে আমার মুখে প্রস্রাব করে দিল। আজ সে অসুস্থ ছিল না, সে ভয় পেয়েছিল। আমি এখন দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি। ইচ্ছে করলেই আমি তাকে কারাগারে পাঠাতে পারি এবং সে আমার সাথে যা করেছে, তার যথাযথ প্রতিশোধ নিতে পারি। “

মেন্ডেল একটু থামলেন। —-”‘তবে, আমি সেরকম নই; এ ধরনের আচরণ আমার চরিত্রের অংশ নয়, আমার নীতিরও অংশ নয়। কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় আমি জানতাম, আমি যদি রাগ, ঘৃণা প্রতিশোধপরায়ণতা জেলের ভিতর ফেলে না যাই, তবে বাইরের পৃথিবী ও আমার জন্য একটি কারাগার হয়েই থাকবে। প্রচলিত যেকোন কারাগারের চাইতে মনের ভেতরের হিংসা -দ্বেষ – আর ও ভয়ংকর একটা কারাগার। ‘

নেলসন ম্যান্ডেলা উঠে দাঁড়ালেন –---’"প্রতিশোধপরায়ণ নেতারা রাষ্ট্র ধ্বংস করে, আর যারা পুনর্মিলন-রিকনসিলেশন চায়, তারাই জাতি গড়ে তোলে। “

নোট:
গত ৫৫ বছর ধরে বাংলাদেশ প্রতিশোধ আর হিংসার পিঠে সওয়ার হয়ে চলছে। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান জাতিকে কিছুটা পরিবর্তনের সুযোগ এনে দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু প্রতিহিংসার রাজনীতির বৃত্ত থেকে এক চুল ও বেরিয়ে আসতে পারেনি। বরং হিংসার রাজনীতি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ২৪ শে জুলাই এর সম্যে রাজনীতিতে শত্রু ছিল শুধু স্বৈরাচার। আর এখন সময় যত গড়াচ্ছে, নির্বাচন যত কাছে আসছে, প্রতিহিংসা তত বাড়ছে। হিংসা দ্বেষ এখন শুধু কথিত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয়, বরং বরং বর্তমান রাজনীতির মাঠের শক্তিগুলোর নিজেদের মধ্যেই। প্রতিটি দলেরই মধ্যে যুক্ত হচ্ছে ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে পরস্পরের প্রতি দুর্নিবার প্রতিহিংসা।

হিংসা ও প্রতিশোধের কারাগার থেকে এই জাতির মুক্তির সম্ভাবনা আপাতত নেই। মহান আল্লাহতাআলা সবার সহায় হোন।

।।।।।।।।।।।।।অধ্যাপক মোহাম্মদ হাই।।।।।১৫।০১।২০২৬।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

ক্রিকেট ও ভারতের রাজনীতি- সমাজনীতি …………………………………………….প্রিমিয়ার লিগ আইপিএল থেকে মুস্তাফিজকে বিতাড়ন করার পিছনে ভারত তেমন ...
10/01/2026

ক্রিকেট ও ভারতের রাজনীতি- সমাজনীতি
…………………………………………….

প্রিমিয়ার লিগ আইপিএল থেকে মুস্তাফিজকে বিতাড়ন করার পিছনে ভারত তেমন কোন স্পষ্ট যুক্তি উল্লেখ করেনি। তবে সহজে যেসব পয়েন্ট অনুমান করা যেতে পারে তা হচ্ছে :

১. মুস্তাফিজ একজন বাংলাদেশের নাগরিক। যেহেতু এ দেশটি ভারতের দাদাগিরি এখন আগের মত মানছে না, তাই বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড়কে এদেশে স্বাগত জানানো উচিত নয়।

২.মুস্তাফিজ শুধু একজন বাংলাদেশী নাগরিক নয়, একজন মুসলমান ও। ওর বদলে যদি এখানে লিটন দাস বা সৌম্য সরকার থাকতো তবে হয়তো অবস্থা অন্যরকম হতো। এটা ভারতের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির একটি মাইল ফলক। মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পিছনে অন্য যত ফ্যাক্টর কাজ করেছে, ধর্ম করেছে তার চেয়ে বেশি। এমনকি কলিকাতা নাইট রাইডার্স মুস্তাফিজকে রিক্রুট করার কারণে এ দলের অন্যতম মালিক শাহরুখ খানকে পর্যন্ত অপমানিত করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য, শাহরুখ খান একজন মুসলিম। আরো ও উল্লেখ্য, শাহরুখ খান কলকাতা নাইট রাইডার্স ক্লাবের একমাত্র মালিক নন। জয় মেহতা, জুহি চাওলা ও এ দলের মালিক। কিন্তু শাহরুখ খানের মতো তাদেরকে এ বিষয়ে কেউ অপমানিত করেনি বা ভারত ছেড়ে বাংলাদেশের চলে যাওয়ার কথা বলেনি।

৩. বাংলাদেশের প্রতি তাদের সবসময়ই একটি অবজ্ঞা সূচক মনোভাব। বরাবরই তারা বাংলাদেশের সাথে খেলতে কখনোই উৎসাহিত বোধ করেনি। এমনকি, মুস্তাফিজ যখন আইপিএলে খেলার জন্য ৯ কোটি রুপিতে চুক্তিবদ্ধ হলো, তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক কমেন্ট এসেছে। সব কমেন্টের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, বাংলাদেশের একজন খেলোয়াড় ভারত থেকে নয় কোটি টাকা নিয়ে চলে যাবে এটা কেমন করে হয়? মূলত সারা ভারতেই তাদের জনগণের মধ্যে ধর্মীয় গোঁড়ামি, হীনমন্যতবোধ অত্যন্ত বেশি। ভালো লোকেরা এখন কোনঠাসা। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হচ্ছে, এরকম একটি দেশ বাংলাদেশের বড় প্রতিবেশী। পৃথিবীতে অনেক কিছু পরিবর্তন করা যায়, কিন্তু প্রতিবেশী পরিবর্তন করা যায় না। এটাই আমাদের ট্রাজেডি ।

যাইহোক মুস্তাফিজ কান্ডের পরে বাংলাদেশের ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন, তা অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত। নিজ দেশের আত্মমর্যাদা রক্ষা করে ভারতের ধর্মীয় রাজনীতি ও আধিপত্যবাদী কর্মকান্ডের উপযুক্ত জবাব ছিল এটাই। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ভারতের সামনে বাংলাদেশে এভাবে কখনো চোখে চোখ রেখে দাঁড়ায়নি। এমনকি ভারতের অনেক পত্রিকায় এসেছে যে, মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যে এ ধরনের প্রতিক্রিয়া আসবে, তা ভারত কল্পনাও করেনি। এ ঘটনা ভারতকে যথেষ্ট বিপদে ফেলে দিয়েছে। জুলাইই বাংলাদেশকে এ পরিবর্তন এনে দিয়েছে, যে কোন বড় শক্তি বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতে শিখিয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে সব সময় জুলাইয়ের সৈনিকদের প্রতি অত্যন্ত দুর্বল, তাদের ছোটখাটো ভুল ত্রুটিগুলি আমি কখনোই গুরুত্ব দেই না। যারা ওদের পেছনে সব সময় লেগে থাকে, এরা মতলবাজ, এদেরকে ঘৃণা করি।

এ মুহূর্তে বাংলাদেশের সামনে পথ একটাই। আত্ম সম্মানবোধ রেখে লড়াই চালিয়ে যাওয়া। বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে যদি শ্রীলঙ্কায় গিয়ে খেলতে দেওয়া না হয় তাহলে ওয়ার্ল্ড কাপ বয়কট করা। একটি সহজ মাথার লোক ও বুঝে, যেখানে মাত্র একজন খেলোয়াড় কে নিরাপত্তা ভারত দিতে পারেনি, সেখানে পুরো একটি দল, তার কোচিং স্টাফ, দলের সফরসঙ্গী সাংবাদিকবৃন্দ, সর্বোপরি বাংলাদেশের হাজার হাজার দর্শকদের ভারতের মতো একটি উগ্র সম্প্রদায়িক দেশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এ সময়ে কোনভাবেই নিরাপত্তা দিতে পারবে না।

খেলা বয়কট পৃথিবীতে নতুন ঘটনা নয়। শুধু নিরাপত্তা বোধ নয়, বর্ণবাদসহ অনেক কারণেই অতীতে গুরুত্বপূর্ণ খেলা বয়কটের দৃষ্টান্ত রয়েছে। এতে আইসিসি কোন দলকে বড় কোন শাস্তি দিয়েছে এমন কোন উদাহরণ নেই।

কিছু সুশীল এবং মাথামোটা প্রাক্তন খেলোয়াড় ইনিয়ে বিনিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করছে, ভারতের সাথে আলোচনার কথা বলছে। এরা মূলত হীনমন্যতা ভোগছে। ভারতের সাথে খেলার সময় দেখেছি,গোহারা হারার পরেও অনেক খেলোয়াড় কিভাবে সৌরভ গাঙ্গুলী, বা শচিনের টেন্ডুলকারে সাথে হাত মিলানো বা ছবি তোলার প্রতিযোগিতায় নামতো।

পুরনো এসব দিন এখন শেষ হয়ে গেছে। যে খেলোয়াড় চোখে চোখ রেখে কথা বলবেনা, চোখে চোখ রেখে খেলবে না, নিজের ও দেশের আত্মমর্যাদা পতাকার মতো উড়াবে না, তাদের এ দেশের ক্রিকেটের সাথে সম্পর্ক না থাকলেও চলবে।

মুস্তাফিজের কাটার বউলিং শুধু প্রতিপক্ষের স্ট্যাম্পই নয়, ভেঙ্গে ফেলুক ক্রিকেটের দীর্ঘদিনের অহংকার, অবিচার। বাংলাদেশের জয় হোক।

।।।।।।।।। মোহাম্মদ হাই।। ০৯।০১।১৯২৬।।।।।।।।।।

২৪শের পুলিশ,  ২৬ শের পুলিশ ……………………………….২৪শের বিপ্লবের গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র ছিল পুলিশ। সরকারের কর্মকর্তা -কর্মচারী  ...
06/01/2026

২৪শের পুলিশ, ২৬ শের পুলিশ
……………………………….
২৪শের বিপ্লবের গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র ছিল পুলিশ। সরকারের কর্মকর্তা -কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী– সবার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সমালোচিত ছিল পুলিশ।জনগণের ধারনা, আইনশৃংখলা রক্ষার চেয়ে সরকারকে রক্ষার ভূমিকাই ছিল তাদের প্রধান । তারা জনগণের পুলিশ না হয়ে একটি দলের পুলিশ হয়ে উঠেছিল। সরকারের সব বাহিনী -কর্মকর্তাদের মধ্যে জনগণের রোষ তাদের উপরেই ছিল বেশি। ফলে ২৪ শের আগস্টে অজস্র থানায় আক্রমণ ঘটেছে, বেশ কিছু পুলিশের দুঃখজনক মৃত্যু ঘটেছে। এই মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে অনেক রাজনীতি হয়েছে। সরকারি হিসেবে সংখ্যাটি ৪৯। স্বৈরাচারের সুশীলরা সংখ্যাটাকে বানিয়েছে ১০০০০, আর আবুলরা সংখ্যাটাকে ৫০ হাজারের উপরে ছড়িয়ে দিয়েছে। এ গুষ্টিটি পুলিশের জন্য যত কান্নাকাটি করেছে, তত কান্না মনে হয়, তাদের মা-বাবা বা স্বজনদের মৃত্যুতেও করেনি।

যাইহোক, পুলিশের প্রতি জনগণের যে বিরূপ মনোভাব, তাতে পুরো বাস্তবতা ফুটে ওঠে না । বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে এখনো ভালো মানুষদের সংখ্যাই বেশি। এদের একটি বড় অংশ হৃদয়ে জুলাইয়ের চেতনা কে লালন করে। তারা কোন স্বৈরাচারী দলের খুনি হিসাবে থাকতে চায় না। ব্যক্তিগতভাবে আমার বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে অনেক পুলিশ রয়েছেন, আমার রোগীদের মধ্যেও অনেক পুলিশ রয়েছেন। আমি তাদের খুব ভালো করে জানি। বাংলাদেশের মতো একটি অর্ধসভ্য, নোংরা রাজনীতির দেশে পুলিশের কাজ যে কত কঠিন, এটাও আমরা বুঝি। এর মধ্যেও বাংলাদেশের পুলিশের এক বড় অংশ , খুব অল্প সুযোগ সুবিধার মধ্যেও সুচারুভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ২৪শে করাল দুঃসময়ের মধ্যেও তারা নিজ সংযমের পরিচয় দিয়েছেন।

কিন্তু সমস্যা ছিল দলবাজ পুলিশদের নিয়ে। যারা অনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য মানুষের বুক বরাবর গুলি চালিয়েছে। এরা মানুষ নয়, নিকৃষ্ট প্রাণী বা তার চেয়েও অধম। এদের পরিণতি যতই খারাপ হোক, এতে কারো কোন আফসোস নেই। বেনজির, হারুনদের পুলিশী কার্যক্রম সবাই দেখেছেন, পতিত স্বৈরাচার তাদের কার্যক্রমে খুবই সন্তুষ্ট ছিলেন। এরা কিন্তু কারো জন্য তাদের কাজগুলো করেনি, শুধুমাত্র পদ-পদবী ও হাজার কোটি টাকার মালিক হওয়ার জন্য তারা এটা করেছে। এরা এখন দেশের উচ্চসম্পদশালীদের বড় অংশ। এরা মূলত পুলিশ ছিল না, ভাড়াটে খুনি ছিল। এরাই পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। সাধারণ পুলিশরা এদেরকে ভীষণভাবে ঘৃণা করে।

খুনি গুন্ডাদের একটি বড় অংশ এখনো পুলিশে কাজ করছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভুলের মধ্যে একটি হচ্ছে , এদেরকে সনাক্ত করার উদ্যোগ না নেওয়া।

এটা খুবই দুঃখজনক যে, বিপ্লবী সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায়, ওসমান শরীফ হাদীর মত বিপ্লবী স্বৈরাচারীর গুন্ডাদের হাতে খুন হল এবং তার মৃত্যুর এতদিন পরেও কেউ খুনির কেশাগ্র ও স্পর্শ করতে পারেনি। একবিংশ শতাব্দীতে প্রযুক্তি ও অপরাধ বিজ্ঞানের যতটুকু বিকাশ হয়েছে, তাতে পুলিশের পক্ষে কোন খুনিকে খুঁজে না পাওয়ার কোন কারণ নেই। কিন্তু স্বৈরাচারীর সুবিধাভোগী পুলিশদের হাদির খুনিকে ধরার কোন সদিচ্ছাই ছিল না এবং আমি মনে করি হাদির খুনিকে ভবিষ্যতেও ধরা সম্ভব হবে না।

হবিগঞ্জে জুলাই সৈনিক মাহদী হাসানকে যখন গ্রেফতার করা হলো, তখন আমি আশ্চর্য হয়েছি। বিপ্লবের মাত্র এক বছর হয়েছে এখনই পুলিশ তার পূর্বের সংস্কৃতিতে ফিরে গেছে। অনেক সুশীল প্রশ্ন করেছেন, সন্ধ্যায় গ্রেফতার করে সকলেই কেন ওকে ছেড়ে দেওয়া হলো। আমি বলি, ও তো হাজতে কয়েক ঘন্টা ছিল, একজন বিপ্লবীকে কয়েক মিনিটও ধরে রাখার কোন নৈতিক অধিকার পুলিশের নেই। কারণ, এসব পুলিশরা অভিযুক্ত, তারা বিপ্লবীদের বুকে সরাসরি গুলি করেছে। বিপ্লবীদের ধরে বিচার করার আগে তেদের বিচার হওয়াখু উচিত।গাজীপুরের সুরভী। প্রচন্ড সাহসী একটা মেয়ে। চব্বিশের জুলাইয়ে তার বক্তব্য আন্দোলনের মাঠকে অনেকবারই কাপিয়ে দিয়েছিল।একটা দালাল সাংবাদিক তাকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য একটি কেইস হয়তো করেছে, এজন্য কি পুলিশকে গভীর রাতে তাকে বিছানা থেকে উঠিয়ে থানায় নিতে হবে? কোনটা ভুয়া মামলা আর কোনটা সত্যিকারের - সেটা বোঝার মতো কমন সেন্স কী পুলিশের নেই? পুলিশ কিভাবে একটি সতের বছরের মেয়ের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিল? কোন কুলাংগার মাজিস্ট্রেট আবার সেই রিমান্ড মঞ্জুর করে? বিপ্লবীদের নড়াচড়া দেখে এই চোর বাটপারদের জামিন দিতেও দেরি হয় না। নৈতিকভাবে চুড়ান্ত দুর্বল হলেই মানুষ এভাবে কাজ করে।

পুলিশ- প্রশাসন বারবার এগুলো করছে এবং আরো করবে। এগুলোর কোনো বিচার ও হবে না। গণধিকার পরিষদের নুরুল হক কে হাতের শখ মিটিয়ে বেধড়ক পেটালো, কোনো বিচার হননি।

দোষী পুলিশদের বিচারের আওতায় আনতে না পারলে এরকম ঘটতেই থাকবে। আমি বলব, অবশ্যই বাংলাদেশের যত এলাকায় জুলাইয়ের আন্দোলনে মানুষ শহীদ হয়েছে তত এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আদালতে মামলা করা উচিত। ফেব্রুয়ারির পরে কিন্তু দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। দলীয় সরকার আসার পরই এসব দলবাজ পুলিশদের জামাই আদর শুরু হবে। এসব পুলিশ্ ই তখন বেছে বেছে বিপ্লবীদের উপর তীব্র প্রতিশোধ নেবে।

কিছু কাজ ফেব্রুয়ারির ভেতরে শেষ করা উচিত। শত্রুকে সময়মত এবং জায়গামতো আঘাত করতে হয়।
শরীফ হাদীর মৃত্যুর পর তার জানাযায় লক্ষ মানুষের ঢল দেখে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে–জুলাইয়ের চেতনা এখনো ক্ষয় হয়নি। চেতনাকে সংহত রাখতে হবে।

মনে রাখতে হবে, বর্তমানে যে অন্তবর্তী সরকার -সেটা কোন প্রচলিত আইনি সরকার নয়, এর কোন আইনগত ভিত্তি নেই। জুলাইয়ের বিপ্লবই এ সরকারের একমাত্র ভিত্তি ও শক্তি। যারা জুলাইকে ধারন করবে না, তারাই দেশবিরোধী ও বেআইনী শক্তি। তাই স্বৈরাচারীর দোসররা যেখানেই থাকুক, জনগন তাদেরকে দ্রুত পাকড়াও করে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।

সময় খুব বেশি বাকি নেই।

।।।।।।। মোহাম্মদ হাই।।।০৬।১২।২০২৬।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

02/01/2026

ভিডিওটি সম্ভবত বেগম খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের গৃহ থেকে বিতাড়নের কিছুদিন পর। আগুন রঙ্গের শাড়ি পড়ে যে মহিলা এমপি বক্তব্য রেখেছিলেন, তার নামটা আমি জানিনা। তবে তার শাড়ির রং এবং তার ভাষনের রং ছিল একই।

সোনা পোড়ালে খাঁটি হয়। স্বৈরাচারীর দীর্ঘ পাথুরে সময়ের পর, তার আগুনপোড়া কথাগুলো আজ কতটুকু বাস্তব!

ওই সাহসী এমপি সাহেবার নামটা আমি জানিনা। ওনাকে হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে অনেক ধন্যবাদ।

31/12/2025
আওয়ামী লীগের কিছু আবুল খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফেসবুকে শোক বার্তার স্ট্যাটাস দিতে গিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেটা ছিল ...
31/12/2025

আওয়ামী লীগের কিছু আবুল খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফেসবুকে শোক বার্তার স্ট্যাটাস দিতে গিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেটা ছিল এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের শেষ দিকে তোলা খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার একটি যুগ্ম ছবি।

মূর্খতার পরিমাণ কতটুকু বেশি হলে মানুষ এ কাজটি করতে পারে তা আমি ভেবে পাইনা । দুজনই জাতীয় নেত্রী। এ ব্যাপারে অবশ্যই কোনো বিতর্ক নেই, কিন্তু দুজনের ব্যক্তিত্ব, আচার-আচরণ, রাজনীতি পুরোটা ছিল ভিন্ন। যদিও দুজনের স্বজন প্রতিপক্ষের হাতে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন কিন্তু শেখ হাসিনা তার শাসনের শেষ ১৬ বছর ছিলেন পুরোপুরি প্রতিহিংসায় উন্নত। কাউকে গুম করেছেন, কাউকে খুন করেছেন, কাউকে জেলে ভরেছেন, আর সর্বোপরি যেটা করেছেন– প্রতিপক্ষকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ। বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে তার মধ্যে যে integrity ও ব্যক্তিত্বের প্রকাশ থাকার কথা ছিল তার বিন্দুমাত্র তার মধ্যে ছিল না।

অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংযত, পরিশীলিত আদিপত্যবাদ বিরোধী একজন নেত্রী। একজন বলেছিলেন বাংলাদেশ ছাড়া আমরা অন্য কোন ঠিকানা নেই, আর অন্যজন “ শেখ হাসিনা পালায় না বলে “ ব্যাগ বস্তাসহ অন্য দেশে পাড়ি দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত আমি এখানে বলে রাখি –বেগম খালেদা জিয়া এমন একজন বিশ্বমানের নেত্রী ছিলেন, যার কোন যোগ্য দল ছিল না। আর শেখ হাসিনা এমন একজন অযোগ্য নেত্রী ছিলেন, যার দীর্ঘ ঐতিহ্যমন্ডিত একটি শক্তিশালী দল ছিল।

যাই হোক, এভাবে দুজনের যুগ্ন ছবি প্রকাশ করে শোক প্রকাশ হয় না, শুধু কিছু বুদ্ধিহীনতা ও মতলবের প্রকাশ ঘটে।

তবে এখন যদি আবুলদের কেউ এ বিষয়ে পোস্ট দিতে চান, তবে এই পোষ্টের দুটি ছবি পাশাপাশি রেখে পোস্ট দিতে পারেন।

নক্ষত্রেরও মৃত্যু হয়। হয় নাকি? হয়তো হয়। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু  সত্যিকারের এক নক্ষত্রের পতন। বাংলাদেশের ইতিহাসের দী...
30/12/2025

নক্ষত্রেরও মৃত্যু হয়।
হয় নাকি?
হয়তো হয়। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সত্যিকারের এক নক্ষত্রের পতন। বাংলাদেশের ইতিহাসের দীর্ঘ সময়ের প্রধানতম ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। রাজনীতির চিরাচরিত পথে তিনি হাঁটেননি, বরং সৃষ্টি করেছেন রাজনীতিতে নতুন পথ। তিনি সিদ্ধান্তে ছিলেন সবসময়ই দৃঢ় ও অনমনীয়। কিন্তু কখনোই কোনো উগ্রতা তাকে স্পর্শ করেনি। প্রতিপক্ষ তাকে বারবার অশালীন বাসায় আক্রমণ করেছে কিন্তু তিনি কখনোই শালীনতার সীমা অতিক্রম করেননি। একদিকে দৃঢ়তা ও অনমনীয়তা, অন্যদিকে সংযম ও পরিশীলতা - এটাই ছিল তার রাজনীতির মূল দর্শন। এদেশ সংকীর্ণ রাজনীতির বিপরীতে তার উপস্থিতি ছিল এক মহীরুহের মত।

প্রতিহিংসায় উন্মত্ত প্রতিপক্ষের হাতে বারবার তিনি ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। দীর্ঘ স্মৃতি বিজড়িত বাসভবন হতে অপমানজনকভাবে বিতাড়িত হয়েছেন। দুই পুত্রের উপর অমানবিক নির্যাতন স্বচক্ষে দেখে একা একা কেঁদেছেন কিন্তু কখনোই ভেঙ্গে পড়েন নি। মিথ্যা মামলায় যেল কেটেছেন- যে জেলখানাটি ছিল একটি পরিতক্ত ভবন। যেখানে একমাত্র আসামি ছিলেন তিনি নিজেই। প্রিয় পরিজন ছাড়া গৃহকর্মী ফাতেমার সাথেই তার কেটেছিলো দীর্ঘ জীবন। বৃদ্ধ বয়সেও কাঙ্খিত চিকিৎসা কখনই তিনি পাননি।
এরপরও কখনো নমনীয় হননি, আপস ও করেননি নি। জনগণকে ফেলে কখনোই বিদেশে পাড়ি জমানোর কথা চিন্তা করেননি। দেশকে ভালবেসেছেন, দেশের মানুষকে ভালবেসেছেন। দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে কখনো তিনি বৃহৎ শক্তির কাছে মাতা নোয়াননি। বৃহৎ প্রতিবেশী ভারত তার এই অনন্যমনীয়তাকে কখনোই পছন্দ করেনি। দীর্ঘ ১৭ বছর ওরা তাকে ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। তবে সারা বিশ্বই জানতো বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হচ্ছেন এই মহিলাই। পরিত্যক্ত জেল হোক আর হাসপাতালের বিছানা হোক, যেখানেই থাকুন না কেন তিনিই ছিলেন এদেশের রাজনীতির প্রাণ ভোমরা।

তার প্রতিপক্ষের চাওয়া ছিল তার তিলে তিলে মৃত্যু। তার মৃত্যু হয়েছে। খালেদা জিয়া চিরদিনের জন্য চলে গেছেন। কিন্তু এতে তার শত্রুর বিজয় হয়নি। জয় হয়েছে তার নিরব মৃত্যুর।

ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ইতিহাস যেভাবেই লেখা হোক না কেন, খালেদা জিয়া ছাড়া ইতিহাস পরিপূর্ণতা পাবে না। কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের নেত্রী হিসেবেই ইতিহাসে তিনি স্থান করে নেবেন।

আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে,
প্রতিহিংসা রাজনীতির বিপক্ষে,
খালেদা জিয়ার অনমনীয় ও পরিশীলিত নেতৃত্ব বাংলার রাজনীতিকে পথ দেখাবে যুগে যুগে।
……………………….
।।।।।।।মোহাম্মদ হাই।।।।।৩০।১২।২০২৫।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

শরীফ ঊসমান হাদী………………………যেদিন তোমার মাথার খুলি ভেদ করে গেলো ঘাতকের বুলেট। সেদিন আমার বুকেও  বিধে ছিল এক কষ্টের শেল। সেদি...
20/12/2025

শরীফ ঊসমান হাদী
………………………

যেদিন তোমার মাথার খুলি ভেদ করে গেলো ঘাতকের বুলেট। সেদিন আমার বুকেও
বিধে ছিল এক কষ্টের শেল। সেদিন থেকেই স্তম্ভিত ছিলাম।

আজ তোমার চলে যাওয়ার ঘন্টাধ্বনি শুনে বুকের পাথর গলে অবিরাম ঝরছে অশ্রু।
আহা, মিছিলে মিছিলে, দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে কী ভালোবাসাই না পেয়েছিলে তুমি।
তোমার সারল্যে মাখা মুখ এখন ভেসে বেড়াচ্ছে ইথারে ইথারে ।
মানুষের অশ্রু আহাজারীতে এখন শুধুই তুমি।

আহারে বাংলাদেশ! আতুরঘর থেকে বের হয়েই দেখলো স্বৈরাচার আর লুটেরাদের ক্রুর হাসি।
মসনদের মানুষরা কতোবার বদলালো। বদলালোনা শুধু লুঠেরাদের অবয়ব ।
ভুয়া সব নির্বাচনে মানুষ বার বার পেলো এক হীরক রাজার দেশ।
এখানে মানুষেরই কোন জীবন ছিল না । ছিলো শুধু জয় রাজা।
বিচারকের কাজ ছিলো নিপীড়িতদের জেলে ঢোকানো।
বুদ্ধিজীবীর কাজ ছিল মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে হাততালি দেওয়া।
আমলার কাজ ছিল শুধু ক্ষমতাকে কুর্নিশ করা,
সিপাইদের কাজ ছিলো মানুষ পেটানো,
কবির কাজ ছিল রাজার প্রশংসায় নুতন নুতন শব্দের উদ্ভাবন।
শিল্পীদের কাজ ছিল শুধু স্তুতিগান ।
গোপাল ভাড়ে ভরে গিয়ে ছিলো দেশের পথ প্রান্তর।

একদিন রাজপথ প্রকম্পিত করে জেগে উঠেছিল এক ঝাঁক বিপ্লবী।

অবশেষে রাজা পালালো, সভসদরাও।
গা ঢেকে দিয়ে রয়ে গেলো বাকি সব।

ব্যাংকের ভল্টে টাকা নেই।
লক্ষ কোটি টাকার বান্ডিল দেশ থেকে উড়ে চলে গেছে।
গোরস্তানগুলো ভরে গেছে বিপ্লবীদের নতুন কবরে।
আয়নাঘরগুলো বেকার দাঁড়িয়ে আছে ।

আরেক লুঠেরা দল এখন এখন জেগে উঠেছে। তারা হীরকরাজার সিংহাসনের অপেক্ষায়।
খুলে দিয়েছে সিংহ দুয়ার।
তোষামোদকারী, লুঠেরা, বেহায়াদের দল
ফাঁকফোকড় দিয়ে বের হয়ে আসছে।
সিঁড়ি বেয়ে থর থর করে ওরা পৌঁছে গেছে লুঠেরাদের প্রাসাদে।

বিপ্লবীরা ক্লান্ত হয়ে একটু ঘুমিয়েছিল। ওসমান হাদীর চোখে ঘুম ছিল না।
তার যাকড়া চুল নাড়িয়ে দিয়েছিলো প্রাসাদের সব স্তম্ভ ।
প্রাসাদথেকেই ছুটে আসা গুলি বিদ্ধ করেছে হাদির মাথার খুলি।

আমি অনেকদুর থকে শুয়োরের খোয়াড় থেকে বীভৎস উল্লাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছি।
উচ্ছিস্টভোগী হায়েনাদের নৃত্য কান পেতে ঠের পাই।

আবার কী হীরক রাজা ফিরবে? রাজসভায় বসবে তোষামোদকারী, তস্কর, আর লুটেরাবনিকদের মচ্ছব?
নাকি বিপ্লবী দের রক্তে আবার জলবে বারুদ? ধূলায় মিশিয়ে দেওয়া হবে হীরক রাজার হিরন্ময় সব প্রাসাদ?

আমি চোখ বন্ধ করেও দেখতে পাচ্ছি, বিপ্লবীদের মিছিলের সারি লম্বা হচ্ছে। শোক আর দ্রোহের স্ফুলিঙ্গ একই মশালে জ্বলছে। আলোয় আলোয় ভরে গেছে জমিন-আসমান ।

দেশ এখন আবার বিপ্লবীদের হাতে
ওরা মরে না, বার বার ওদের পুনর্জন্ম হয়।
যুগে যুগে জয় হয় বিপ্লবীদেরই।

।।।।।।।।মোহাম্মদ হাই।।।।১৭।১২।২০২৫।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

11/12/2025

কানাডার সাস্কাটুনে আজকের তুষারপাতের দিন.....

30/11/2025

কানাডার ইমিগ্রেশন আইনে সাম্প্রতিক বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। এ ভিডিওতে এ বিষয়েই খানিকটা আলোকপাত করা হলো।

Address

22, Stadium Market(1st Floor)
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 18:00 - 22:00
Tuesday 18:00 - 22:00
Wednesday 18:00 - 22:00
Thursday 18:00 - 22:00
Saturday 18:00 - 22:00
Sunday 18:00 - 22:00

Telephone

+8801711737043

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr hye dermatologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr hye dermatologist:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category