Gram Dr. Md. Mashuk Ahmed Abir

Gram Dr. Md. Mashuk Ahmed Abir Gram Dr. Md. Mashuk Ahmed Abir
VD RMP 82576 Dhaka
Governmental Training Obtain
Govt RTC No- A000957

১৩.১০.২০২৩বুকে ব্যথা মানেই হার্ট এ্যাটাক নয়..হার্ট এ্যাটাক হলে বুকের বামে নয়, ব্যথা হয় মূলত বুকের মাঝখানে ছবিতে তা নির্দ...
13/10/2023

১৩.১০.২০২৩
বুকে ব্যথা মানেই হার্ট এ্যাটাক নয়..

হার্ট এ্যাটাক হলে বুকের বামে নয়, ব্যথা হয় মূলত বুকের মাঝখানে ছবিতে তা নির্দেশিত, কখনো কখনো এ ব্যথা চোয়ালে, পিঠে, বাম হাতে ছড়াতে পারে।
হার্টের কারণে বুকে ব্যথার চেয়ে চাপ চাপ লেগে বেশি, শ্বাসকষ্ট ও হতে পারে, পরিশ্রমের পরে, খাওয়ার পরে, বাথরুমে গেলে যদি বুকে চাপ চাপ ভাব লাগে, দম খাটো হয়ে আসে তবে বুঝতে হবে এর সাথে হার্টের ব্লকের সমস্যা থাকতে পারে।
অন্যদিকে বুকের বামে বা ডানে চিন্নিত করে ব্যথা, খোঁচা লাগা, ডানে বামে নড়তে গেলে ব্যথা সাধারণত হার্টের কারণে হয়না।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, ভালোবাসা অবিরাম..

১২.১০.২০২৩ব্যথাযুক্ত ঋতুস্রাব বা (Dysmenorrhea) কি এক নজরে জেনে নেই, নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান..নারীর মাসিক ঋতুস্রাবের...
11/10/2023

১২.১০.২০২৩
ব্যথাযুক্ত ঋতুস্রাব বা (Dysmenorrhea) কি এক নজরে জেনে নেই, নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান..

নারীর মাসিক ঋতুস্রাবের সময় হওয়ার পূর্বে যে যন্ত্রনা অর্থাৎ মাসিক শুরু হবার আগে বা মাসিক চলাকালীন সময়ে নারী যে তীব্র ব্যথা অনুভব করে থাকেন থাকে (Dysmenorrhea) বা ব্যথাযুক্ত ঋতুস্রাব বলে, এবং ঋতুস্রাব শেষ হওয়ার সাথে সাথে যন্ত্রনাও কমে যায়।
এই সমস্যাটি বেশীর ভাগ কম বয়সী মেয়েদের, অবিবাহিতা ও বন্ধা মেয়েদের বেশি হয়, এই ব্যথাকে 'বাদক ব্যথা' ও বলা হয়, বিষয়টি সাধারণ হলেও অনেক ক্ষেত্রেই এই ব্যথা অসহনীয় হয়ে পড়ে, এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে অন্য রোগের উপসর্গ হিসেবেও পরিলক্ষিত হয়।

ডিসমেনোরিয়া বা মাসিক কালীন ব্যথা দুই ধরনের হতে পারে যেমন: ১. প্রাইমারী ও ২. সেকেন্ডারী।
১. প্রাইমারী ডিসমেনোরিয়া: এতে সাধারণত জরায়ুর অসুখ থাকেনা, মাসিক শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা শুরু হয়ে (২-৩ দিন ব্যথা থাকে) মাসিক শেষ হওয়ার সাথে সাথে তা চলে যায় এবং ৯০% বেলায় বয়স ২০ এর উপরে চলে গেলে দৈহিক হরমোন চক্র সুন্দর একটা রুটিনে চলে আসে বিধায় তা খুব কম দেখা যায়।

২. সেকেন্ডারি ডিসমেনোরিয়া: এক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী মাসিক ব্যথা দেখা দেয়, জরায়ু, ডিম্বাশয় বা প্রজনন তন্ত্রের যে কোন একটা অসুখের লক্ষণ হিসেবে সেকেন্ডারী ডিসমেনোরিয়া প্রকাশ পায় ইত্যাদি।

সেকেন্ডারী ডিসমেনোরিয়ার কারণ:
১. যৌন জীবাণুর ইনফেকশন ২. এন্ডোমেট্রিওসিস (Endrometriosis): এক্ষেত্রে জরায়ুর অভ্যন্তরীণ আবরণী টিস্যু জরায়ু সহ ফেলোপিয়ান টিউব, ডিম্বাশয় এবং পেলভিসে চলে আসে এবং ব্যথার সৃষ্টি করে।
১. ইউটেরাইন ফাইব্রোয়েডস (Uterine Fibroids) এই অবস্থায় জরায়ুর গাত্রে টিস্যু একত্রিত হয়ে পিন্ড সৃষ্টি করে, যার ফলে মাসিকের সময় ব্যথা হয়ে থাকে।
২. এডেনোমায়োসিস (Adenomyosis) এই অবস্থায় জরায়ুর অভ্যন্তরীণ আবরণী টিস্যু জরায়ুর পেশিবহুল দেয়ালে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
৩. পেলভিক ইনফ্লামেটরী ডিজিজ (পি.আই.ডি) এটি মহিলাদের জননাঙ্গের একটি ইনফেকশন যা সাধারণত অনিরাপদ যৌন মিলনের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে।
৪. সারভিকাল স্টেনোসিস (Cervical Stenosis) জরায়ুর মুখ ছোট হলে তা মাসিকের রক্ত প্রবাহে বাঁধা দেয় এবং জরায়ুতে চাপের সৃষ্টি করে ও ব্যথা হয়।
৫. ওভারিয়ান সিস্ট, ওভারিয়ান সিস্ট হলো ওভারিতে থাকা পানি বা তরল ভর্তি থলি।
৬. পেলভিক টিউবারকুলোসিস (টিবি) রোগ।
৭. অস্বাভাবিক গর্ভাবস্থা অথবা গর্ভপাত ইত্যাদি।

ডিসমেনোরিয়া লক্ষণগুলি কি কি?
১. তলপেটে ব্যথা, কখনো কখনো অস্বাভাবিক পেটে ব্যথা হয়।
২. পেটে চাপ চাপ ভাব হওয়া।
৩. নিতম্ব, পিছনে বা অভ্যন্তরের উরুতে ব্যথা।
৪. মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং বমি বমি ভাব।
৫. কখনো কখনো স্তনেও ব্যথা হতে পারে।

আনুসঙ্গিক অন্যান্য লক্ষণ থাকতে পারে যেমন:
১. মাসিক অনিয়মিত হওয়া।
২. মাসিক স্রাবের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।
৩. মাসিকের মধ্যে কয়েক বারে রক্তস্রাব হওয়া।
৪. যৌন ক্রিয়াতে কষ্ট অনুভব করা ইত্যাদি।

ডিসমেনোরিয়া প্রতিরোধের উপায় ও করণীয় যেমন:
সরাসরি তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও কিছু রিস্ক ফ্যাক্টরস আছে যা পরিহার করলে ব্যথার তীব্রতা তুলনা মূলক ভাবে কমতে পারে আর তা হলো,
১. অবসাদ গ্রস্থ ও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা।
২. অতিরিক্ত ক্যাফেইন (চা, কফি) গ্রহণ না করা।
৩. মদ্যপান পরিহার করা।
৪. অতিরিক্ত এবং ভারী কাজ না করা।
৫. নিয়মিত হাঁটাচলা করা।
৬. স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা।
৭. মাংস পেশীর সংকোচন ঘটায় এমন ওষুধ সেবনে সতর্কতা অবলম্বন করা।
৮. যৌনাঙ্গের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা ইত্যাদি।

অনেকেই ব্যথাকে স্বাভাবিক মনে করে চিকিৎসকের কাছে যেতে চায়না, ডিসমেনোরিয়া সহ ঋতুস্রাবের সমস্যা শুরুতেই চিকিৎসা হলে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। তবে দেরী করে ফেললে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপারেশন এর প্রয়োজন পড়ে, যেহেতু অনেক কারণে এটা হতে পারে আপনার ক্ষেত্রে কোন কারণ এর জন্য দায়ী তা বের করে রোগের চিকিৎসা করতে হবে।
সুতরাং শারীরিক সমস্যাকে উপেক্ষা না করে একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হন যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, ভালোবাসা অবিরাম।

ছাত্রের কাছে উস্তাদ, ছাত্র হলো ডাক্তার, আর উস্তাদ হলেন শিক্ষক।
10/10/2023

ছাত্রের কাছে উস্তাদ, ছাত্র হলো ডাক্তার, আর উস্তাদ হলেন শিক্ষক।

১১.১০.২০২৩পিঠ ও কোমর ব্যথায় যা যা করণীয়, এক নজরে জেনে নেই, নিজে জানুন এবং অন্যকে তা জানান..মানব জাতির অন্যতম Common একটা...
10/10/2023

১১.১০.২০২৩
পিঠ ও কোমর ব্যথায় যা যা করণীয়, এক নজরে জেনে নেই, নিজে জানুন এবং অন্যকে তা জানান..

মানব জাতির অন্যতম Common একটা রোগ হলো পিঠে বা কোমরে ব্যথা যা (Back Pain) নামে পরিচিত, এই ব্যথা তীব্র (কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের জন্য স্থায়ী হয়) কিংবা দীর্ঘস্থায়ী (৩ মাস বা তার বেশী স্থায়ী) ভাবে থাকতে পারে।
যদি ব্যথাটা পা বা কুঁচকিতে খুব বেশী যন্ত্রণাদায়ক হয় বা খচখচানির ভাব সৃষ্টি করে এবং মাঝে মধ্যে অবশ হয়ে যায়, দৈনন্দিন চলাফেরায় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে কিংবা প্রস্রাব বা মলত্যাগে যন্ত্রনার সৃষ্টি করে তাহলে অনতিবিলম্বে চিকিৎসা গত পরিচর্যার দরকার কারণ আপনি ইতি মধ্যেই অনেক দেরী করে ফেলেছেন।

পিঠে বা কোমরে ব্যথা সাধারণত কেনো হয় তার কারণ,
১. দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা (সামান্য বিশ্রামেই সাধারনত ঠিক হয়ে যাওয়া)।
২. নুইয়ে ভারী কোনো কাজ করা বা ভারোত্তলন করা বা ভারোত্তলনের চেষ্টা করা।
৩. হঠাৎ পিঠের বা কোমরের পেশীর খিঁচুনি ভাব।
৪. যে কোনো ধরনের আঘাত পাওয়া।
৫. স্লিপড বা হার্নিয়েটেড ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক এর সমস্যা।
৬. মেরুদন্ডের অস্থিভঙ্গ।
৭. সায়াটিকা বা স্নায়ু সংকোচন।
৮. বয়সের কারণে আর্থ্রাইটিস।
৯. অস্টিওপোরোসিস (হরমোনগত পরিবর্তন অথবা বিভিন্ন কারণে হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি)।
১০. অটোইসমিউন ডিজঅর্ডার।
১১. স্পাইনাল স্টেনোসিস (মেরুদন্ডগত কোন দেহনালীর সংকীর্ণ অবস্থা)।
১২. মেরুদন্ডের বিকৃতি।
১৩. ক্যান্সার।
১৪. কখনো কখনো মানসিক চাপও পিঠ ও কোমর ব্যথার কারণ হয় বলে জানা যায়, যা প্রায়ই অবহেলা করা হয়ে থাকে।
১৫. দীর্ঘ মেয়াদি বা পুরোনো কিডনি রোগ।
১৬. বয়স্ক মায়েদের জরায়ুর রোগ (উদাহরণঃ ফাইব্রয়েড, মাসিকের ব্যথা বা গর্ভাবস্থা ইত্যাদি)।
১৭. Spinal TB।

পিঠ ও কোমর ব্যথার উপসর্গ ও লক্ষণ গুলো কি কি,
১. বসা, শুয়ে থাকা, ওজন তোলা বা ঝুঁকে পড়লে ব্যথা আরও খারাপের দিকে চলে যায়।
২. পা বা নিতম্বের দিকে পিঠের বা কোমরের ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে।
৩. পা অথবা কুঁচকি গুলিতে খচখচানি বা অবশ হওয়া।
৪. প্রস্রাব বা মলত্যাগের সময় যন্ত্রনার সৃষ্টি করা ।
৫. বসা, দাঁড়ানো অথবা চলাফেরার সময় পিঠে বা কোমরে শক্তভাব অনুভুত হওয়া।
৬. অনেক সময় পিঠের ব্যাথা তলপেট পর্যন্ত ছড়িয়ে যায় বা ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হয়।

প্রাথমিক অবস্থায় সাধারনত ঔষধ এবং জীবন যাত্রার মান পরিবর্তনের দ্বারাই এই রোগের অনেকাংশে উপশম ঘটানো সম্ভব, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঔষধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপিও অনেক উপকার বয়ে আনতে পারে।
তবে রোগের বয়স ও রোগের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে চিকিৎসা পদ্ধতিও জটিল হতে থাকে, রোগ সৃষ্টির কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপারেশনেরও প্রয়োজন হয়ে থাকে।
সঠিক চিকিৎসা এবং জীবন যাত্রার মান সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে এই সমস্যা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব, আর তাই ধরনের কোনো সমস্যা দেখা দিলে দেরী না করে অতি দূত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন, ভালোবাসা অবিরাম..

১০.১০.২০২৩জন্ডিস কি এবং জন্ডিস কেনো হয়..?এক নজরে জেনে নেই, নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান..লিভারের নিচেই পিত্তথলি অবস্থান ক...
09/10/2023

১০.১০.২০২৩
জন্ডিস কি এবং জন্ডিস কেনো হয়..?
এক নজরে জেনে নেই, নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান..

লিভারের নিচেই পিত্তথলি অবস্থান করে, পিত্তথলি হতে পিত্তনালি দিয়ে পিত্তরস ডিওডেনামে অবস্থিত খাদ্যেবস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়।
যদি কেনো কারণে পিত্তনালিতে বাঁধা সৃষ্টি হয় তাহলে পিত্তরস পিত্তনালিতে জমে বৃদ্ধি পেতে থাকে, এবং সময় সময় শরীরের প্রবাহমান রক্তের সাথে মিশ্রিত হয়।
ফলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায়, এ অবস্থায় হাত, পা মুখমন্ডল, জিহবা, চোঁখ, নখ, ত্বক এমনকি প্রস্রাব পর্যন্ত হলুদ বর্ণ ধারন করে, এটাই হলো জন্ডিস, এটা কোনো রোগের নাম নয়, রোগের লক্ষণ মাত্র।

★রক্তে অতিরিক্ত বিলিরুবিন সঞ্চিত হয়ে জন্ডিসের সৃষ্টি হয়, প্রতি ১০০ মিলি লিটার সিরাম বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা ০.৩-১.২ মিলিগ্রাম, এ মাত্রা ২ মিলি গ্রামের উপরে উঠলে চোঁখের সাদা অংশ হলুদ হয়।

★জন্ডিস ৩ প্রকার এগুলো কি কি,
১. লিভার এর কৌষিক জন্ডিস (Hepatocellular Jaundice)/ সংক্রমণ জনিত জন্ডিস (Infective Jaundice)
২. পিত্তবাহী নালীবদ্ধতাজনিত জন্ডিস (Obstructive Jaundice)
৩. লৌহিত রক্ত কণিকা বিন্যাস জনিত জন্ডিস (Haemolytic Jaundice)
১. লিভার এর কৌষিক জন্ডিস (Hepatocellular Jaundice)/ সংক্রমণ জনিত জন্ডিস (Infective Jaundice) লিভারের কোষ নষ্ট হয়ে গেলে তখন লিভার বিলিরুবিনকে পিত্তথলিতে পাঠিয়ে দিতে পারেনা ফলে জন্ডিস দেখা দেয়, একে যকৃত কৌষিক (Hepatocellular Jaundice) জন্ডিস বা সংক্রমণ জনিত জন্ডিস বলে।
এই জন্ডিস ২ ধরনের হতে পারে:
১. একিউট হেপাটাইটিস ও
২. ক্রনিক হেপাটাইটিস।

★কারণ:
১. হেপাটাইটিস ভাইরাস সমূহ- একিউট হেপাটাইটিসের জন্য দায়ী ভাইরাসগুলো,
২. ঔষধ যেমন- হ্যালোথেন, আইসোনিয়াজিড, প্যারাসিটামল, অ্যানাবোলিক স্টেরয়েড, মেথোট্রেক্সেট, গতৃনিরোধক বড়ি, ইস্ট্রাজেন, এন্ড্রোজেন ইত্যাদি।
৩. মদ- দীর্ঘ দিন মদ পান করলে,
৪. ক্রনিক বা দীর্ঘ মেয়াদী লিভার সংক্রমণ/ হেপাটাইটিস।
৫. সিরোসিস অব লিভার,
৬. দীর্ঘকাল পাকস্থলী সংক্রান্ত বা লিভার সংক্রান্ত রোগে ভূগা।
৭. লিভারের লৌহিত রক্ত কণিকা হতে পিত্ত তৈরীতে ত্রুটি হলে,
২. পিত্তবাহী নালীবদ্ধতা জনিত জন্ডিস (Obstructive Jaundice) পিত্তরসের গতি কোনো কারণে বাঁধা প্রাপ্ত হলে জন্ডিস হয় একে পিত্তবাহী নালীবদ্ধতা জনিত জন্ডিস বা কলেস্টাটিক জন্ডিস (Cholestatic Jaundice) বলে।
কারণ,
১. ঔষধ যেমন- ক্লোরপ্রোমাজিন (লারগ্যাকটিল/অপসোনিল)
২. মদ্যপান
৩. ভাইরাল হেপাটাইটিস বা ক্রনিক হেপাটাইটিস।
৪. সিরোসিস অব লিভার
৫. গুরুতর ব্যাকটেরিয়া প্রদাহ।
৬. অপারেশনের পরে
৭. হজকিন্স লিমফোমা।
৮. গর্ভধারণ
৯. অটোইস্মিউন হেপাটাইটিস।
১০. বিলিয়ারি অবস্টাকশন,
যেমন:- পিত্তথলিতে পাথর, সিমটিক ফাইব্রোসিস, প্যারাসাইট, প্রদাহ, প্যানক্রিয়াসে ক্যান্সার, বাইলডাক্টে ক্যান্সার, বিলিয়ারি টিউমার, মেটাস্টাটিক টিউমার, এমপোলারি করাসিনোমা।
১১. পিত্তনালি সরু হলে,
৩. লৌহিত রক্ত কণিকা বিন্যাস জনিত জন্ডিস (Haemolytic Janudice) কোনো কারণে রক্তের লৌহিত কনিকা ভেঙ্গে বিলিরুবিন এর মাত্রা বেড়ে গেলে যে জন্ডিস দেখা দেয় থাকেই লৌহিত রক্ত কণিকা বিন্যাস জনিত জন্ডিস (Haemolytic Janudice) বলে। এক্ষেত্রে মৃদু জন্ডিস দেখা দেয়, কারণ:-
১. অ্যানজাইম গ্লাইকোলাইসিস কমে গেলে বা না থাকলে।
২. স্ফোরোসাইটোসিস।
৩. হিমোগ্লোবিনোপ্যাথি, যেমন- থেলাসেমিয়া।
৪. পুঁড়ে গেলে।
৫. ঔষধ যেমন, Dapsone।
৬. ম্যালেরিয়া জ্বর।
৭. কোনো গুরুতর প্রবাহ কিংবা টিউমার এগুলোর সাথে জড়িত বিষাক্ত পদার্থ।
৮. ইনফেকটিভ ইরাইথ্রোপয়েসিস।
৯. এরিথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস।
১০. কোনো কারণে পিত্ত বেশী পরিমাণে নিঃশ্বরণ হলে।
১১. পিত্তের স্বাভাবিক পরিবর্তনের ত্রুটি হলে।

★লক্ষণ,
১. মুখ, চোঁখ, নখ, থুথু এবং ত্বক হলুদ হয়।
২. মুত্র সরিষার তেলের মতো আবার কখনো হলুদ রঙ্গের হয়।
৩. বমি বমি ভাব এবং বমি হয়।
৪. পেট ফাঁপা, পাতলা পায়খানা এবং অরুচি থাকে।
৫. মলে পিত্ত থাকেনা ফলে মল ফ্যাকাশে হয়।
৬. দীর্ঘদিন ভূগলে রোগী নিলাভ হয়ে যায় এবং বমি বেশী হয়।
৭. শরীরে জ্বালা পোঁড়া এবং চুলকানি থাকতে পারে।
৮. প্লীহা বড় হয়ে যেতে পারে।
৯. ওজন কমবে।
১০. পেটে ব্যথা ও জ্বর থাকতে পারে।
১১. রক্তস্বল্পতা দেখা দিবে।

★পরামর্শ:
পূর্ণ বিশ্রামে থাকবেন, প্রচুর পরিমাণে পানি, তাজা ফলের রস, বাতাবিলেবু, আনার (ডালিম), ডাবের পানি, গ্লুকোজ, আখের রস, ছোট মাছ ও মুরগীর ঝোল, পেঁপে, পটল ও করলার তরকারি খাবেন।
তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাদ্য দ্রব্যাদি পরিহার করতে হবে, লবণ খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে, রৌদ্রতাপ এড়িয়ে চলতে হবে, বাসি, খোলা খাবার ও অফুটানো পানি বর্জন করুন, কোমল পানিয় (Cold Drinks) পরিত্যাজ্য এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শে থাকুন, এবং জন্ডিস জাতীয় কোনো সমস্যা দেখা দিলে দেরী না করে দূত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আজকে এই পর্যন্ত, সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, সুন্দর থাকুন, ভালোবাসা অবিরাম..

08/10/2023

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল
টিপস্ পেতে,
আমার এই পেইজটিতে
ফলো করুন।
গ্রাম ডাঃ মোঃ মাসুক আহমদ আবির

০৯.১০.২০২৩হাইপারটেনশন (Hypertension) বা উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন কি এক নজরে জেনে নেই, নিজে জানুন এবং অন...
08/10/2023

০৯.১০.২০২৩
হাইপারটেনশন (Hypertension) বা উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন কি এক নজরে জেনে নেই, নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান।

★ রক্তচাপ হচ্ছে রক্তনালীর উপরে রক্তের প্রদেয় চাপ, স্বাভাবিক ভাবে সমস্ত দিনে বিভিন্ন সময়ে রক্তচাপ বাড়তে বা কমতে পারে, যখন এই রক্তচাপ দীর্ঘ সময় একই ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে তখন এই রক্তচাপকে হাইপারটেনশন (Hypertension) বা উচ্চ রক্তচাপ বলে, সকল বয়সের লোকের এই উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে।
প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ লোক জানেনা যে তাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে, প্রায় ৯০% মধ্য বয়সী লোকেরই এই উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে।

★ দৈনন্দিন জীবন-যাপনে অথবা প্রয়োজন বেধে ঔষধের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ অথবা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব, রক্তচাপ সাধারনত ২টি ভাবে প্রকাশ বা লিপিবদ্ধ করা যায়।
প্রথম এবং উপরের পরিমাপকে সিষ্টোলিক, এবং শেষ বা নিচের পরিমাপকে ডায়াষ্টোলিক, রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার বলা হয়।
পূর্ণ বয়স্কদের ক্ষেত্রে সিষ্টোলিক রক্তচাপ ১৪০ মি.মি মার্কারী অথবা ডায়াষ্টোলিক রক্তচাপ ৯০ মি.মি মার্কারী এর উপরে হলে উচ্চ রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার হয়ে থাকে।
প্রি-হাইপারটেনশন বা প্রাথমিক উচ্চ রক্তচাপ হচ্ছে সিষ্টোলিক রক্তচাপ ১২০-১৩৯ মি.মি মার্কারী, অথবা ডায়াষ্টোলিক রক্তচাপ ৮০-৯০ মি.মি মার্কারী, এই গ্রুপের রোগীদের ভবিষ্যতে উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে।
স্বাভাবিক রক্তচাপ হচ্ছে সিষ্টোলিক রক্তচাপ ১২০ মি.মি মার্কারী এর কম,
এবং ডায়াষ্টোলিক রক্তচাপ ৮০ মি.মি মার্কারী এর কম।

★ স্বাভাবিক Systolic চাপ,
13 বছর পর্যন্ত শিশু- 100 সি.সি মার্কারী
14 বছর থেকে 30 বছর- 100 সি.সি মার্কারী
31 বছর থেকে 50 বছর- 125-140 সি.সি মার্কারী
51 বছর থেকে 70 বছর- 140-150 সি.সি মার্কারী।
এর চেয়ে বেশী হলে হাই ও নিচু হলে লো প্রেসার বলা হয়ে থাকে।

★ উচ্চ রক্তচাপের প্রকারভেদ:
১. এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন: শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ রোগীর উচ্চ রক্তচাপের কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়না, এই ধরনের উচ্চ রক্তচাপকে এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন বলে।
২. সেকেন্ডারী হাইপারটেনশন: কিছু কিছু ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারন খুঁজে পাওয়া যায়,
এই জাতীয় উচ্চ রক্তচাপকে সেকেন্ডারী হাইপারটেনশন বলে।
এই জাতীয় উচ্চ রক্তচাপ কিডনী রোগ, জন্মগত ত্রুটি অথবা অন্যান্য কারনে হতে পারে,
অনেক ক্ষেত্রে এই জাতীয় রক্তচাপের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।
৩. হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ মাপার পরিমাপ:
উচ্চ রক্তচাপ সাধারনত রক্ত মাপার যন্ত্র স্পেগমোমেনোমিটার (Sphygmomanometer) এর মাধ্যমে হয়, এই যন্ত্রটি উচ্চ রক্তচাপকে মি.মি মার্কারী (mm of Hg) হিসেবে প্রকাশ করে।
বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন মাপা যায়, যেমন- মার্কারী, অ্যানরয়েড, ডিজিটাল ইত্যাদি।

★ সঠিক ভাবে ব্লাড প্রেসার মাপার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলি খেয়াল রাখা খুব প্রয়োজন:
১. সাধারণত বসে বা শুয়ে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ মাপতে হবে।
২. বৃদ্ধ, ডায়াবেটিস রোগী এবং যাদের Postural Hypertension আছে বলে মনে হয় তাদের ক্ষেত্রে দাঁড়ানো অবস্থাতেও হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ মাপা যাবে।
৩. বাহু থেকে শক্ত ভাবে এটে থাকা কাপড় সরাতে হবে, এবং বাহুকে হার্টের সমান সমতলে রাখতে হবে।
৪. যদি কারো হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ হয় তাহলে অতি দূত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, সুন্দর থাকুন, ভালোবাসা অবিরাম!!

Address

Bhadeshwar
Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gram Dr. Md. Mashuk Ahmed Abir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category