29/12/2025
১০৩ প্রবাসীকে সম্মাননা প্রদান, ‘সিলেটে এনআরবি বিনিয়োগ জোন হতে পারে’
সিলেটে ছয়টি ক্যাটাগরিতে ১০৩ জন প্রবাসীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সিলেট নগরীর কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত প্রবাসী সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ বছর নির্ধারিত সময়ে সম্মাননা পাওয়ার জন্য বিশ্বের ১১ টি দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের থেকে ৫৮২টি আবেদন জমা পড়ে। তার মধ্যে সিলেটের ডাক পত্রিকার অতিথি সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাসন, ইকবাল আহমেদ ওবিই, ড. ওয়ালি তছর উদ্দিন, ব্যারিস্টার নাজির আহমদ, স্পিকার আয়াস মিয়া, ড. জাকির খান, মুহিবুর রহমান মুহিব, আব্দুল মুনিম জাহিদী ক্যারল, মো. ইছবাহ উদ্দিন, ব্যারিস্টার কুতুবউদ্দিন সিকদার, শেখ ফারুক আহমদ, সাংবাদিক রহমত আলী সহ মোট ১০৩ জনকে ছয়টি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, প্রবাসীরা এদেশের গর্ব ও হৃৎস্পন্দন। তারা দূর প্রবাসে থেকেও হৃদয়ে লাল সবুজের পতাকা ধারণ করেন। তারা নিজেদের ঘাম, শ্রম আর ভালোবাসা দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছেন। প্রবাসীরা বিদেশে থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তারা সারা বছর যে অর্থ পাঠায় সেটিই এদেশের অর্থনীতির রক্তপ্রবাহ। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে মায়ের মুখে হাসি ফুটে, সন্তানের মনে পড়ালেখার আলো জ্বালিয়ে দেয় আর এদেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখে। শুধু রেমিট্যান্স নয়, তারা ভালোবাসা পাঠায়, আশার আলো জোগায়। এসময় প্রধান অতিথি প্রবাসীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা প্রদান, প্রতিবছর কিছু প্রবাসীকে ডিস্টিংগুইস বাংলাদেশি এক্সপাট্রিয়েট পদক দেওয়া, প্রবাসীদের জন্য এক্সক্লুসিভ বিনিয়োগ অঞ্চল গড়ে তোলা, প্রবাসীদের জন্য স্মার্ট সিটি গড়ে তোলা, প্রবাসীদের করমুক্ত ব্যবসায়ের সুবিধাসহ স্মার্ট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির জন্য পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য সিলেটে এনআরবি বিনিয়োগ জোন হতে পারে। পাশাপাশি সিলেটে একটি এনআরবি স্মার্ট সিটি গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। সেজন্য জমি, কাগজপত্র, নিরাপত্তা সহ সকল ভোগান্তি দূর করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, প্রবাসীরা এদেশের গর্ব ও হৃৎস্পন্দন। তারা দূর প্রবাসে থেকেও হৃদয়ে লাল সবুজের পতাকা ধারণ করেন। তারা নিজেদের ঘাম, শ্রম আর ভালোবাসা দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছেন। প্রবাসীরা বিদেশে থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তারা সারা বছর যে অর্থ পাঠায় সেটিই এদেশের অর্থনীতির রক্তপ্রবাহ। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে মায়ের মুখে হাসি ফুটে, সন্তানের মনে পড়ালেখার আলো জ্বালিয়ে দেয় আর এদেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখে। শুধু রেমিট্যান্স নয়, তারা ভালোবাসা পাঠায়, আশার আলো জোগায়। এসময় প্রধান অতিথি প্রবাসীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা প্রদান, প্রতিবছর কিছু প্রবাসীকে ডিস্টিংগুইস বাংলাদেশি এক্সপাট্রিয়েট পদক দেওয়া, প্রবাসীদের জন্য এক্সক্লুসিভ বিনিয়োগ অঞ্চল গড়ে তোলা, প্রবাসীদের জন্য স্মার্ট সিটি গড়ে তোলা, প্রবাসীদের করমুক্ত ব্যবসায়ের সুবিধাসহ স্মার্ট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির জন্য পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য সিলেটে এনআরবি বিনিয়োগ জোন হতে পারে। পাশাপাশি সিলেটে একটি এনআরবি স্মার্ট সিটি গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। সেজন্য জমি, কাগজপত্র, নিরাপত্তা সহ সকল ভোগান্তি দূর করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। (Collected)