Faysal Mahmud

Faysal Mahmud General Physician

17/04/2026
09/04/2026

সচেতনতা vs আতঙ্ক:
কোন একটা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা অনেক জরুরী কিন্তু আতঙ্কিত হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।

ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে আমাদের বাচ্চাদের জ্বর ,কাশি , পাতলা পায়খানা এবং শরীরে একটু একটু লালচে রেস হলেই বাবা-মারা আতঙ্কিত হয়ে যাচ্ছে। সাথে সাথে এই আশেপাশের ফার্মেসি থেকে অনেক ঔষধ, এন্টিবায়োটিক খাওয়াচ্ছেন। কেউ কেউ আবার হোমিওপ্যাথি ঔষধ /কবিরাজি ঔষধ করাচ্ছেন। আবার অনেকেই ডাক্তারের চেম্বারে ভিড় করছেন।
চেম্বারে আসার পর দেখা যাচ্ছে দুই তিনটা করে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো শেষ l এতে করে আপনার বাচ্চার বরং ক্ষতি হচ্ছে।
জ্বর কাশি পাতলা পায়খানা শরীরে লালচে দাগ এসব হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সাথে সাথে ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়া বা ফার্মেসি থেকে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানোর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু একটু সতর্কতার এবং জানার।
জ্বর সর্দি হলে বাসায় থাকুন বাচ্চাকে প্রচুর পরিমাণ তরল খাবার খাওয়ান ।প্রয়োজন হলে প্যারাসিটামল ও এন্টিস্টামিন খাওয়ান । সাথে যদি পাতলা পায়খানা থাকে খাবার স্যালাইন( ORS) খাওয়ান। এইসব রোগ অধিকতর ক্ষেত্রেই ভাইরাস জনিত, পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে এমনিতেই সেরে যাবে।
কখন ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করবেন:
যদি আপনার কাছে মনে হয় সাথে প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, ঘাড়ে ব্যাথা হচ্ছে ঘার নাড়াতে পারছে না, প্রচন্ড পানি শূন্যতা(Dehydration )এই ধরনের কিছু লক্ষণ দেখলে শুধুমাত্র ডাক্তারের চেম্বারে আসবেন অথবা আপনার নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করবেন ।

হাম (Measles) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এর লক্ষণগুলো সাধারণত ভাইরাসের...
01/04/2026

হাম (Measles) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এর লক্ষণগুলো সাধারণত ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ৭ থেকে ১৪ দিন পর প্রকাশ পেতে শুরু করে।
বাংলাদেশে বর্তমানে ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে শিশুদের মধ্যে হামের (Measles) প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে এবং অনেক শিশু এতে আক্রান্ত হচ্ছে

হামের লক্ষণসমূহ
হামের লক্ষণগুলো সাধারণত দুটি ধাপে দেখা দেয়:

১. প্রাথমিক ধাপ (১-৩ দিন):
তীব্র জ্বর: যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে (১০৩-১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে)।
সর্দি ও কাশি: নাক দিয়ে পানি পড়া এবং শুকনো কাশি।
চোখের সমস্যা: চোখ লাল হয়ে যাওয়া, পানি পড়া এবং আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা।
কোপ্লিক স্পট: মুখের ভেতরে ছোট ছোট সাদাটে দাগ দেখা দেওয়া।

২. পরবর্তী ধাপ (৪র্থ দিন থেকে):
লালচে দানা (Rash): প্রথমে মুখমণ্ডল ও কানের পেছনে লালচে দানা বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা পরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
দানা ঝরে যাওয়া: ৩-৪ দিন পর দানাগুলো কালচে হয়ে খুসকির মতো ঝরে যেতে শুরু করে।

প্রতিকার ও চিকিৎসা
হামের জন্য নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই; মূল লক্ষ্য হলো উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণ করা।
বিশ্রাম ও পুষ্টি: রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে দিন এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান।
তরল খাবার: ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা রোধে প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের রস ও স্যুপ পান করান।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের কখনোই অ্যাসপিরিন দেওয়া উচিত নয়।
ভিটামিন এ: জটিলতা কমাতে অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা ভিটামিন এ ক্যাপসুল ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
চোখের যত্ন: চোখ পরিষ্কার রাখতে ভেজা তুলা ব্যবহার করুন এবং ঘর কিছুটা অন্ধকার রাখুন।
প্রতিষেধক ও সচেতনতা
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা নেওয়া।
এমআর (MR) টিকা: শিশুদের ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে ১ম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে ২য় ডোজ টিকা দিতে হবে।
আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে: যদি কোনো ব্যক্তি টিকার আওতায় না থাকে এবং আক্রান্ত কারো সংস্পর্শে আসে, তবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টিকা নিলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
বিচ্ছিন্ন রাখা: আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থ ব্যক্তিদের থেকে আলাদা রাখা এবং তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র অন্যদের ব্যবহার করতে না দেওয়া।
চিকিৎসকের পরামর্শ: যদি শ্বাসকষ্ট, কানে ব্যথা বা অত্যধিক দুর্বলতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
আপনার শিশুর টিকা কার্ড পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন সে হামের সব ডোজ পেয়েছে কিনা। আপনার এলাকায় বর্তমানে কোনো টিকাদান কর্মসূচি চলছে কি না তা জানতে চান?

12/03/2026

রমজান মাসে ইফতার করার পর অধিকাংশ লোক মাথাব্যথা ও দুর্বলতা অনুভব করেন। এর অন্যতম কারণ হলো আমরা ইফতারের সময় অতিরিক্ত তেলে ভাজা চিনি /মিষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং সঠিক নিয়মে ইফতার না করা ।
রোজার মাসে সুস্থ থাকতে ইফতারে সঠিক নিয়ম মেনে পুষ্টিকর ও সহজে হজমযোগ্য খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি । দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর হুট করে অতিরিক্ত বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিক, পেট ব্যথা ও দুর্বলতা হতে পারে ।
নিচে ইফতারের সঠিক নিয়ম ও খাবারের তালিকা দেওয়া হলো:
ইফতারের নিয়ম
শুরুটা হোক হালকা: ইফতার শুরু করুন খেজুর ও পানি দিয়ে । এটি দ্রুত শরীরে শক্তি জোগায় এবং পানিশূন্যতা দূর করে ।
ধীরে খান: তাড়াহুড়ো না করে খাবার ভালো করে চিবিয়ে ধীরে ধীরে খান, এতে হজম সহজ হয়।
পর্যাপ্ত পানি পান: ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন যেন শরীর আর্দ্র থাকে । তবে একসাথে অনেক বেশি পানি পান না করাই ভালো ।
অতিরিক্ত মিষ্টি ও ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলা: তৈলাক্ত ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার বুক জ্বালাপোড়া ও ক্লান্তি বাড়ায়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই উত্তম ।
ইফতারে যা যা খাবেন
ইফতারের খাবার হওয়া উচিত সুষম ও পুষ্টিকর:
খেজুর ও পানি: ১-২টি খেজুর এবং ১ গ্লাস সাধারণ তাপমাত্রার পানি বা ডাবের পানি।
তরল খাবার ও শরবত: চিনি ছাড়া ঘরের তৈরি ফলের জুস (যেমন: বেল, পেঁপে, তরমুজ বা লেবুর শরবত) এবং ইসবগুল বা তোকমার শরবত ।
সহজপাচ্য শর্করা: দই-চিড়া, ওটমিল, চিয়া পুডিং বা অল্প পরিমাণ লাল চালের ভাত ।
ফল ও সবজি: সিজনাল টাটকা ফল এবং শসা বা সবজি সালাদ ।
প্রোটিন: সেদ্ধ ডিম, অল্প তেলে রান্না করা মাছ বা চর্বিহীন মুরগির মাংস এবং ডাল ।
স্যুপ: সবজি স্যুপ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।

আমলকিকে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে 'ধাত্রীফল' বা 'সুপারফুড' বলা হয়, যা এর অসাধারণ পুষ্টিগুণেরই প্রমাণ। ছোট এই ফলটি ভিটামিন সি-এর ...
12/03/2026

আমলকিকে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে 'ধাত্রীফল' বা 'সুপারফুড' বলা হয়, যা এর অসাধারণ পুষ্টিগুণেরই প্রমাণ। ছোট এই ফলটি ভিটামিন সি-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস—বলা হয়ে থাকে, একটি আমলকিতে আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে।
নিচে আমলকির প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো আলোচনা করা হলো:
১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
আমলকিতে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এটি সর্দি, কাশি এবং বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
২. হজমশক্তি ও লিভারের সুরক্ষা
হজম উন্নত করে: আমলকিতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
লিভার ডিটক্স: এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৩. চুল ও ত্বকের যত্ন
চুলের বৃদ্ধি: আমলকির রস চুলের গোড়া মজবুত করে, চুল পড়া কমায় এবং খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।
উজ্জ্বল ত্বক: এর অ্যান্টি-এজিং গুণাগুণ বলিরেখা ও ডার্ক সার্কেল কমিয়ে ত্বককে সজীব ও উজ্জ্বল রাখে।
৪. ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ: আমলকিতে থাকা ক্রোমিয়াম ইনসুলিন নিঃসরণে সাহায্য করে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে।
কোলেস্টেরল হ্রাস: নিয়মিত আমলকি খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে এবং হৃদপিণ্ড ভালো থাকে।
৫. মস্তিষ্কের ক্ষমতা ও দৃষ্টিশক্তি
স্মৃতিশক্তি: এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট মস্তিষ্কের কোষ রক্ষা করে এবং স্মৃতিশক্তি ও একাগ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে।
চোখের জ্যোতি: মধুর সাথে আমলকির রস মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয় এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
ব্যবহারের কিছু পরামর্শ
খাওয়ার নিয়ম: সকালে খালি পেটে কাঁচা আমলকি বা এর রস খাওয়া সবচেয়ে বেশি ফলপ্রসূ। প্রতিদিন ১-২টি আমলকি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণ করতে যথেষ্ট।
সতর্কতা: যাদের সুগার হঠাৎ কমে যায় (হাইপোগ্লাইসেমিয়া) বা যাদের কিডনি স্টোনের সমস্যা আছে, তাদের আমলকি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Faysal Mahmud
18/02/2026


Faysal Mahmud

Random clicks
28/10/2025

Random clicks

Address

Sylhet
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Faysal Mahmud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Faysal Mahmud:

Share

Category