02/02/2026
জ্বীন মানুষের শরীরে মরণব্যাধি ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে-এই কথা শুনে সেদিন আমি শুধু অবাক হইনি, ভেতর থেকে কেঁপে উঠেছিলাম।
চোখ বড় করে, নিঃশ্বাস চেপে ধরে আমি পুরো ঘটনাটি শুনতে থাকি।
আজ এই সিক্রেট প্রকাশের পর, যখন এই লেখা হাজার হাজার
মানুষ পড়বে-
কেউ স্তব্ধ হয়ে যাবে,
কারও মাথার ভেতর ঝড় উঠবে,
আর যারা জ্বীনের অস্তিত্বই অস্বীকার করে—তারা একে আষাঢ়ে গল্প বলে উড়িয়ে দেবে।
কিন্তু একটা কথা নিশ্চিত করে বলছি—
পুরো ঘটনা পড়লে অবিশ্বাসীরাও অন্তত একবার ভয়ে চুপ করে যাবে।
কিছুদিন আগে একজন বয়সজ্যেষ্ঠ, প্রখ্যাত ও অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য আলেম আমাকে ফোন দেন। কণ্ঠ ভারী, যেন বুকের ভেতর বহু বছরের চাপা ভয় জমে আছে। তিনি বলেন- "আমি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এমন একটি ঘটনা বলতে যাচ্ছি, যা বলতে আমাকে বহু বছর ধরে আমার সঙ্গে থাকা জ্বীনরা নিষেধ করেছে। কিন্তু আমি চাই—বাংলাদেশ প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটররা এটি জানুক। গবেষণায় লাগুক, মানুষ উপকৃত হোক।”
তিনি বলেন-
কামিল পাশ করার কয়েক বছর পর, একদিন তাহাজ্জুদ নামাজ শেষ করে ঘুমিয়ে পড়েন। সেই রাতে স্বপ্নে এক বৃদ্ধ আসে। চেহারায় ভয় নেই, কণ্ঠে অদ্ভুত প্রশান্তি।
সে বলে-
“ভয় পাবেন না। আমি একজন ভালো জ্বীন। আপনার আমল, ইলম আর তাকওয়া দেখে আমি আপনার ছাত্র হতে চাই। আমি আপনার কোনো ক্ষতি করব না। বরং আপনার সঙ্গে থেকে অসহায় মানুষদের সাহায্য করব। তবে মনে রাখবেন-আমার উপকারের সীমা আছে। আমি আমার পুরো শক্তি প্রয়োগ করতে পারব না।”
বড় হুজুর তখন স্বপ্নেই সাফ জানিয়ে দেন- “আমি জ্বীন রাখতে চাই না।”
কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
এই স্বপ্ন তিনি প্রতিদিন দেখতে থাকেন। একদিন হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে যা দেখেন—
রক্ত হিম হয়ে যায়।
স্বপ্নের সেই বৃদ্ধ জ্বীন বাস্তবেই তার সামনে বসে আছে।
অনেক অনুরোধ, কান্না আর মিনতির পর—যেহেতু জ্বীনটি নিজেকে নত, বাধ্য ও ক্ষতিকর নয় বলে দাবি করে-অবশেষে বড় হুজুর শর্তসাপেক্ষে তাকে থাকতে দেন।
এর ঠিক তিন বছর পর মূল ঘটনা শুরু হয়।
একদিন অজিহা নামের এক নারী তার কাছে আসে। বয়স কম, বিয়ের পাঁচ বছর হয়েছে। কিন্তু গত দুই বছর ধরে সে এমন এক অসুখে ভুগছে-যার কোনো স্পষ্ট কারণ কেউ খুঁজে পাচ্ছে না।
তার উপসর্গগুলো ছিল-
মাঝরাতে হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে আসা
বুকের ভেতর সারাক্ষণ অদ্ভুত চাপ ও যন্ত্রণা
হঠাৎ কণ্ঠস্বর ভারী ও বদলে যাওয়া
শেষ ছয় মাসে ৫-৬ বার রক্ত বমি
ডান পায়ের গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা, হাঁটতে গেলে মনে হয় পা ভেঙে যাবে
সব শুনে বড় হুজুর বলেন-
“আজ নয়। আজ রাতে আমি জানব। তুমি কাল আসবে।” সেই রাতে তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা জ্বীনকে স্মরণ করে ঘুমান। স্বপ্নে জ্বীন এসে হাজির হয়। অজিহার সমস্যার কথা বলতেই জ্বীন হঠাৎ চমকে ওঠে।
কিছুক্ষণ চুপ থেকে সে বলে এমন এক কথা— যাতে বড় হুজুর নিজেও ভয়ে স্তব্ধ হয়ে যান।
“এই মুহূর্তে অজিহার প্রাথমিক ফুসফুস ক্যান্সার হয়েছে।
কিছুদিনের মধ্যেই এটি ভয়ংকর স্টেজে যাবে। ঠিক তার মা আর নানীর মতো।”
হুজুর থমকে যান।
কারণ অজিহা কখনো বলেনি তার মা ও নানী কীভাবে মারা গেছেন।
তিনি জিজ্ঞেস করেন-
“জ্বীন কীভাবে জানলে? আর জ্বীন কীভাবে মানুষের শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টি করে?"
জ্বীন মুচকি হেসে বলে—
"কাল তাকে জিজ্ঞেস করবেন তার মা আর নানী কীভাবে মারা গেছে। আমি ঠিক বলছি কি না—নিজেই বুঝবেন।
কিন্তু ক্যান্সার কীভাবে সৃষ্টি করি-তা এখনো বলব না।”
পরদিন অজিহা এলে বড় হুজুর জিজ্ঞেস করেন— “তোমার মা ও নানী কীভাবে মারা গেছেন?”
অজিহার চোখে পানি চলে আসে-
“আমার নানী ক্যান্সারে মারা যান। কয়েক বছর পর আমার আম্মুও ক্যান্সারে মারা যান।”
এই কথা শুনে বড় হুজুর আর কিছু বলেন না। শুধু বলেন- “তুমি তিন দিন পর আবার আসবে। একদিনও মিস করবে না।”
এই তিন দিন বড় হুজুর অস্বাভাবিকভাবে বেশি আমল, নফল নামাজ ও দোয়ায় ডুবে যান। এক রাতে তাহাজ্জুদের সময় জ্বীন এসে জিজ্ঞেস করে-
"আপনি এত আমল করছেন কেন?"
হুজুর বলেন-
"অজিহার আরোগ্যের জন্য শক্ত কাফফারা দিচ্ছি।”
তখন জ্বীন গম্ভীর কণ্ঠে বলে—
“যে মানুষ অন্যের আরোগ্যের জন্য নিজেকে ভেঙে ফেলে- আমি তাকে সাহায্য করব।
আজ আপনাকে আমাদের সবচেয়ে ভয়ংকর গোপন কথা বলব..."
জ্বীন বলে-
“মহান রব আমাদের এমন ক্ষমতা দিয়েছেন-আমরা বাতাসের চেয়েও অদৃশ্য হতে পারি।
আমাদের মধ্যে যারা খারাপ-তারা মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন বসবাস করে ধীরে ধীরে ভয়ংকর রোগ সৃষ্টি করতে পারে।”
তারপর সেই বাক্য-যা শুনলে বুকের ভেতর কাঁপুনি ধরে- “মানুষ আজ যাকে ক্যান্সার বলে—আমরা তাকে বলি আগ্রিজা।
মানুষ যখন এই রোগের নামই জানত না—তখন আমরা নিশ্চুপে লক্ষ লক্ষ মানুষকে আগ্রিজা দিয়ে মেরে ফেলেছি।”
হুজুর শিউরে উঠেন।
জ্বীন আরও বলে-
“খারাপ জ্বীন প্রথমে নারী জ্বীন দিয়ে পুরুষকে, আর পুরুষ জ্বীন দিয়ে নারীকে আসক্ত করে।
যদি সে মানুষটি ধর্মজ্ঞানহীন হয়, আমলহীন হয়—তাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করা হয়।”
তারপর আসে সবচেয়ে ভয়ংকর অংশ-
“এরপর মশার চুলের মতো অতি ক্ষুদ্র তিন্দ্র মানুষের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।
এই তিন্দ্র যদি ২১ মাস শরীরে থাকে।
আপনি বা আপনার পরিবার যদি এরকম জ্বীন জাদুর সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রথমে অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হোন আপনার পরিবারে জ্বীন জাদু ও বদনজরের প্রভাব আছে কি না। ডায়াগনোসিস এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন সত্যিই সমস্যাটি মানসিক না আধ্যাত্মিক।
ডায়াগনোসিস করতে হোয়াটসঅ্যাপ: 01711-753835
বিস্তারিত জানতে ফলো করুন: Saleheen Life