Saleheen Life

Saleheen Life Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Saleheen Life, Medical and health, Level 3, KF Tower, Temuki Point, Sadar, Sylhet.
(4)

এটা হোয়াটসঅ্যাপ : +88 01711-753835
ইমু: +88 01711-793440
বিস্তারিত সমস্যা লিখুন, অপেক্ষা করুন। অনেক বেশি মেসেজ থাকায় একটু রিপ্লাই পেতে দেরি হতে পারে।

আমাদের গ্রুপ ভিজিট করুন: Saleheen Life Ruqyah Center

ঢাকা মোহাম্মদপুরে তাদের বাসা।বেশিদিন হয়নি আশিক জ্বীনে আক্রান্ত এই বোনটির  রুকইয়াহ করে আসছি হোম সার্ভিসে গিয়ে। আজ ১৬ দিন ...
01/03/2026

ঢাকা মোহাম্মদপুরে তাদের বাসা।

বেশিদিন হয়নি আশিক জ্বীনে আক্রান্ত এই বোনটির রুকইয়াহ করে আসছি হোম সার্ভিসে গিয়ে।

আজ ১৬ দিন হলো, আলহামদুলিল্লাহ রোগীর অবস্থা অনেক স্বাভাবিক। তবে বোনটি এখনো আমাদের গাইডলাইন সাপোর্ট নিচ্ছেন। ৩০ দিন পর্যন্ত ফলোআপে থাকবেন। ইনশা আল্লাহ

ঢাকা শহরে রুকইয়াহ হোম সার্ভিসের শিডিউল নিতে বুকিং করুন: 01711-753835

01/03/2026

খুবই কষ্ট অনুভব করছি বোনটির জন্য, যার আজ ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত।
ইয়া রব আপনি চাইলে অসম্ভব কিছু নয়, আপনি বোনটির সংসার ফিরিয়ে দিন।

01/03/2026

হে আল্লাহ!
যারা স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদ করার জন্য জাদু করিয়েছে, সেই জাদুর প্রভাব তাদের জীবনেই ফিরিয়ে দিন। আমাদের ঘরকে আপনার রহমতে আগলে রাখুন।

আশিক জ্বীনে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান ৪ টি লক্ষ্মণ: নিজের সাথে মিলিয়ে নিন। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। দোয়া করুন। বিস্তারিত জানত...
01/03/2026

আশিক জ্বীনে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান ৪ টি লক্ষ্মণ: নিজের সাথে মিলিয়ে নিন।

আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। দোয়া করুন।

বিস্তারিত জানতে ফলো দিন: Saleheen Life

ভালোবাসার সংসারে হঠাৎ অশান্তির আগুন? এটি কি শুধুই ঝগড়া নাকি কারো 'বিষাক্ত নজর'? 💔​একটি সুখী দম্পতি যখন একে অপরের পরিপূরক...
01/03/2026

ভালোবাসার সংসারে হঠাৎ অশান্তির আগুন? এটি কি শুধুই ঝগড়া নাকি কারো 'বিষাক্ত নজর'? 💔

​একটি সুখী দম্পতি যখন একে অপরের পরিপূরক হয়ে ওঠে, তখন সেই সুন্দর সম্পর্কের ওপর শয়তান এবং কিছু হিংসুক মানুষের নজর পড়ে। অনেক সময় আমরা সাধারণ মনোমালিন্য মনে করে এড়িয়ে যাই, কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে গভীর কোনো আধ্যাত্মিক সমস্যা।

⛔ ​স্বামী-স্ত্রীর ওপর বদনজর ও হিংসার প্রধান লক্ষণসমূহ:

♦️​অকারণ দূরত্ব: কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই স্বামী বা স্ত্রীর মনে একে অপরের প্রতি হঠাৎ তীব্র ঘৃণা বা বিরক্তি আসা।

♦️​চেহারায় পরিবর্তন: একে অপরের দিকে তাকালে হঠাৎ করে অপরজনকে কুৎসিত বা ভয়ঙ্কর মনে হওয়া।

♦️​ঘরে ঢুকলেই অস্থিরতা: বাড়ির বাইরে থাকাকালীন একে অপরের অভাব বোধ করলেও, ঘরে পা রাখামাত্রই দম বন্ধ হওয়া বা মেজাজ খিটখিটে হওয়া।

♦️​কাছে আসতে অনিহা: শারীরিক ও মানসিক কোনো কারণ ছাড়াই একে অপরের স্পর্শ সহ্য করতে না পারা এবং দূরে সরে যাওয়ার তীব্র ইচ্ছা।

♦️​ইবাদতে বাধা: স্বামী-স্ত্রী মিলে দ্বীন পালন, সালাত বা কুরআন তিলাওয়াত শুরু করলে অকারণে ঝগড়া বেঁধে যাওয়া বা প্রচণ্ড অস্বস্তি লাগা।

♦️​অদৃশ্য দেয়াল: মনে হবে ভালোবাসার মাঝে এক অদৃশ্য দেয়াল দাঁড়িয়ে আছে, যা কিছুতেই ভাঙা যাচ্ছে না।

​🛡️ এই অশুভ শক্তি থেকে মুক্তির সুন্নাহ ভিত্তিক উপায় (রুকইয়াহ):

​নিজের সংসারকে হিংসুক আর যাদুকরদের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করতে আজই সতর্ক হোন:

​১. গোপনীয়তা রক্ষা করুন: নিজেদের একান্ত ছবি বা সুখের মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা থেকে বিরত থাকুন।

২. সুরক্ষা: প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস ৩ বার করে পাঠ করে নিজের শরীরে ফুঁ দিন।

৩. সুরা বাকারার আমল: ঘরে নিয়মিত সুরা বাকারা তিলাওয়াত করুন অথবা অডিও চালু রাখুন; এটি শয়তান ও হিংসুকদের প্রভাব দূর করতে অত্যন্ত শক্তিশালী।

​"আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল এবং সঠিক আমলই পারে আপনার ভাঙা সংসারকে পুনরায় জোড়া লাগিয়ে দিতে।" ✨🤲
প্রতিনিয়ত আমরা বলি, স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে অশান্তি লেগেই থাকলে ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে অন্তত একবার হলেও অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করুন।

আপনার পরিবারে এরকম সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রথমে অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হোন আপনার পরিবারে জ্বীন জাদু ও বদনজরের প্রভাব আছে কি না। ডায়াগনোসিস এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন সত্যিই সমস্যাটি মানসিক না আধ্যাত্মিক।

ডায়াগনোসিস করতে হোয়াটসঅ্যাপ: 01711-753835

বিস্তারিত জানতে ফলো করুন: Saleheen Life

01/03/2026

হিংসার নজর এতটাই ভয়াবহ যে আপনার সাজানো সুখের সংসার মুহুর্তে তছনছ করে দিতে পারে।

জাদু কি সত্যি কাজ করে? সুরা ফালাক ও সুরা নাসের নাজিলের প্রেক্ষাপট।ইসলামি আক্বিদা ও ইতিহাসের আলোকে জাদু একটি বাস্তব সত্য ...
01/03/2026

জাদু কি সত্যি কাজ করে? সুরা ফালাক ও সুরা নাসের নাজিলের প্রেক্ষাপট।

ইসলামি আক্বিদা ও ইতিহাসের আলোকে জাদু একটি বাস্তব সত্য এবং এর প্রভাবও অনস্বীকার্য। স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর জাদু করা হয়েছিল এবং সেই জাদুর প্রভাব থেকে মুক্তি দিতেই আল্লাহ তাআলা সুরা ফালাক ও সুরা নাস নাজিল করেছিলেন।

​জাদু কি সত্যি কাজ করে?

​হ্যাঁ, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী জাদুর অস্তিত্ব এবং এর কার্যকারিতা সত্য। তবে মনে রাখতে হবে, জাদুর নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই; আল্লাহর হুকুম বা অনুমতি ছাড়া জাদু কারো কোনো ক্ষতি করতে পারে না। আল-কুরআনে সুরা বাকারার ১০২ নম্বর আয়াতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, "তারা তা দিয়ে কারো ক্ষতি করতে পারত না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া।"

​জাদুর মাধ্যমে মানুষের শারীরিক অসুস্থতা, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ বা মানসিক অস্থিরতা তৈরি করা সম্ভব। তবে এটি একটি কুফরি কাজ এবং ইসলামে জাদুর চর্চা করা সম্পূর্ণ হারাম ও কবিরা গুনাহ।

​সুরা ফালাক ও সুরা নাসের নাজিলের প্রেক্ষাপট

​এই সুরা দুটিকে একত্রে "মুআওবিযাতাইন" (আশ্রয় চাওয়ার দুটি সুরা) বলা হয়।

এগুলোর নাজিলের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে:

​১. ইহুদি লবিদ বিন আসমের জাদু:

হুদায়বিয়ার সন্ধির পর মদিনার এক ইহুদি যার নাম ছিল লবিদ বিন আসম, সে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর কঠোর জাদু করে। সে একটি চিরুনির দাঁত এবং রাসুল (সা.)-এর মাথার চুল সংগ্রহ করে তাতে ১১টি গিট দেয় এবং একটি পুতুলের মাধ্যমে জাদুটি সম্পন্ন করে। এরপর সেটি 'যাওরান' নামক একটি কূয়ার পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখে।

​২. জাদুর প্রভাব:

এই জাদুর ফলে রাসুলুল্লাহ (সা.) শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি কোনো কাজ না করলেও মনে হতো তিনি তা করেছেন। তিনি প্রায়ই ভুলে যেতেন। তবে তার নবুওয়াতের দায়িত্ব বা ওহি প্রাপ্তিতে জাদুর কোনো প্রভাব পড়েনি; প্রভাব ছিল সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত শারীরিক বিষয়ের ওপর।

​৩. ফেরেশতাদের আগমন:

রাসুল (সা.) যখন আল্লাহর কাছে এর প্রতিকার চাইলেন, তখন একদিন ঘুমের মধ্যে দুজন ফেরেশতা (জিবরাইল ও মিকাইল আ.) আসলেন। তারা একে অপরের সাথে কথা বলার মাধ্যমে রাসুল (সা.)-কে জানিয়ে দিলেন যে, তাকে জাদু করা হয়েছে এবং সেই জাদুর সরঞ্জামগুলো কোথায় আছে।

​৪. সুরা নাজিল ও মুক্তি:

ফেরেশতাদের নির্দেশনায় রাসুল (সা.) হজরত আলী (রা.)-কে সেই কূয়ায় পাঠান এবং জাদুর সরঞ্জামগুলো উদ্ধার করা হয়। এরপর জিবরাইল (আ.) সুরা ফালাক ও সুরা নাস নিয়ে নাজিল হন। এই দুই সুরায় মোট ১১টি আয়াত রয়েছে (৫টি ফালাক-এ এবং ৬টি নাস-এ)।

​রাসুল (সা.) একেকটি আয়াত পাঠ করতেন আর জাদুর একেকটি গিট নিজে নিজেই খুলে যেত। যখন ১১টি আয়াত পড়া শেষ হলো, তখন ১১টি গিটই খুলে গেল এবং রাসুল (সা.) সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন। তিনি এমন বোধ করলেন যেন তার শরীরের ওপর থেকে কোনো ভারী বোঝা নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপট আমাদের শেখায় যে, যত বড় জাদুই হোক না কেন, আল্লাহর কালামের শক্তির সামনে তা টিকে থাকতে পারে না। তাই যেকোনো অনিষ্ট থেকে বাঁচতে এই দুই সুরা নিয়মিত পাঠ করা মুমিনদের জন্য শ্রেষ্ঠ সুরক্ষা।

01/03/2026

বাইরে থাকাকালীন একে অপরের প্রতি টান কাজ করলেও, ঘরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই একে অপরের প্রতি বিরক্তি ও রাগ কাজ করে??

ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত কাল হবে। জানিনা বোনটির ফায়সালা কি হবে। ইয়া রব আপনি তাদের দুজনের সম্পর্কে ভালোবাসা বৃদ্ধি করে দুজনের...
01/03/2026

ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত কাল হবে। জানিনা বোনটির ফায়সালা কি হবে।

ইয়া রব আপনি তাদের দুজনের সম্পর্কে ভালোবাসা বৃদ্ধি করে দুজনের সংসার ফিরিয়ে দিন। আমিন

বোনটি অনেক অসহায় অবস্থায় ইমার্জেন্সি ভাবেই Saleheen Life রুকইয়াহ সেন্টারের হোয়াটসঅ্যাপে বিস্তারিত শেয়ার করেন।

আমরা তাদের হিংসার বদনজরের প্রভাব পেয়েছি। রুকইয়াহ ও সম্পন্ন করেছি। এখন জানিনা আল্লাহর ফায়সালা কি।

সম্পর্কে হিংসার বদনজর অনেক ভয়াবহ। মুহুর্তেই সংসার জীবন তছনছ করে দেয়।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ওপর বদনজর ও হিংসার লক্ষণসমূহ ⚠️💔

​১. হঠাৎ অকারণ ঝগড়া: কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রচণ্ড ঝগড়া এবং চিৎকার শুরু হওয়া।

​২. চেহারায় পরিবর্তন অনুভব: স্বামী বা স্ত্রী একে অপরের দিকে তাকালে হঠাৎ চেহারা কুৎসিত বা ভয়ঙ্কর মনে হওয়া।

​৩. কাছে আসতে অনীহা: একে অপরের সঙ্গ বা স্পর্শ সহ্য করতে না পারা এবং অকারণে দূরে সরে যাওয়ার ইচ্ছা জাগা।

​৪. ইবাদতে অনীহা ও অশান্তি: স্বামী-স্ত্রী মিলে দ্বীন পালন বা কুরআন তিলাওয়াত শুরু করলে ঘরে প্রচণ্ড অস্থিরতা ও অস্বস্তি সৃষ্টি হওয়া।

​৫. মানসিক দূরত্বের দেয়াল: মনে হবে মাঝখানে কেউ এক অদৃশ্য দেয়াল তুলে দিয়েছে, যার ফলে ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

​৬. ঘরে ঢুকলেই মেজাজ পরিবর্তন: বাইরে থাকাকালীন একে অপরের প্রতি টান কাজ করলেও, ঘরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই একে অপরের প্রতি বিরক্তি ও রাগ কাজ করা।
প্রতিনিয়ত আমরা বলি, স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে অশান্তি লেগেই থাকলে ডিভোর্স এর সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে অন্তত একবার হলেও অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করুন।

আপনার পরিবারে এরকম সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রথমে অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হোন আপনার পরিবারে জ্বীন জাদু ও বদনজরের প্রভাব আছে কি না। ডায়াগনোসিস এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন সত্যিই সমস্যাটি মানসিক না আধ্যাত্মিক।

ডায়াগনোসিস করতে হোয়াটসঅ্যাপ: 01711-753835

বিস্তারিত জানতে ফলো করুন: Saleheen Life

ভণ্ড কবিরাজ চেনার উপায়: যারা কুফরি কালাম, নাম বা কাপড়ের টুকরো চায় তাদের থেকে সতর্ক করা।অনেকেই শারীরিক বা মানসিক সমস্যায় ...
01/03/2026

ভণ্ড কবিরাজ চেনার উপায়: যারা কুফরি কালাম, নাম বা কাপড়ের টুকরো চায় তাদের থেকে সতর্ক করা।

অনেকেই শারীরিক বা মানসিক সমস্যায় পড়ে সমাধান খুঁজতে গিয়ে অজান্তেই ঈমান হারিয়ে ফেলেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো গণক বা জ্যোতিষীর কাছে গেল এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর যা নাজিল হয়েছে (কুরআন), তা অস্বীকার করল।" (আবু দাউদ)

​আপনি যার কাছে পরামর্শ নিতে যাচ্ছেন, তিনি কি আসলেও 'রাকি' নাকি একজন জাদুকর? চিনে নিন এই ৫টি লক্ষণ:

​১. ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া: আপনার নাম, আপনার মায়ের নাম বা বাবার নাম জানতে চাওয়া। শরীয়তসম্মত রুকইয়াহতে এসবের কোনো প্রয়োজন নেই।

২. ব্যবহৃত জিনিস চাওয়া: আপনার ব্যবহৃত কাপড়, অন্তর্বাস, চিরুনি বা চুল চাওয়া। এগুলো জাদুর উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৩. অদ্ভুত সব দাবি: পশু-পাখি (যেমন কালো মুরগি বা কুচকুচে কালো ছাগল) নির্দিষ্ট রঙ বা বৈশিষ্ট্যের জবাই করতে বলা।

৪. অস্পষ্ট বা কুফরি কালাম: বিড়বিড় করে এমন কিছু পড়া যা বোঝা যায় না, অথবা কুরআনের আয়াতের সাথে শয়তানের নাম বা অপবিত্র কিছু মিশিয়ে পড়া।

৫. নির্জনতা ও অন্ধকার: আপনাকে অন্ধকার ঘরে একা থাকতে বলা বা আপনার শরীর স্পর্শ করে চিকিৎসা করার চেষ্টা করা (বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে)।

​সতর্কতা:
যারা তাবিজ দেয়, জিন হাজির করে কথা বলে বা গায়েবি খবর দেওয়ার দাবি করে, তারা মূলত শয়তানের সাহায্যকারী। এদের কাছে যাওয়া মানে নিজের দুনিয়া ও আখিরাত উভয়ই ধ্বংস করা।

আপনি যদি একরকম সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রথমে অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে নিশ্চিত হোন আপনার এরকম সমস্যার পেছনে জ্বীন জাদু ও বদনজরের প্রভাব আছে কি না। ডায়াগনোসিস এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন সত্যিই সমস্যাটি মানসিক না আধ্যাত্মিক।

ডায়াগনোসিস করতে হোয়াটসঅ্যাপ: 01711-753835

বিস্তারিত জানতে ফলো করুন: Saleheen Life

01/03/2026

আল্লাহর হুকুম ছাড়া কোনো জিন বা শয়তান আপনার বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারবে না। সবসময় আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখুন।

গর্ভবতী মায়েদের জন্য জিন ও নজর থেকে বাঁচার গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল এবং নাসিহাহ।গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের অত্যন্ত স্পর্শ...
01/03/2026

গর্ভবতী মায়েদের জন্য জিন ও নজর থেকে বাঁচার গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল এবং নাসিহাহ।

গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি সময়। এই সময়ে মা ও শিশু উভয়েরই আধ্যাত্মিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে জিন ও বদনজর থেকে বাঁচতে গর্ভবতী মায়েরা নিচের বিষয়গুলো মেনে চলতে পারেন:

​শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের এই সময়ে শয়তানের কুমন্ত্রণা বা জিনের উপদ্রব থেকে বাঁচতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো ওজু এবং জিকির।

চেষ্টা করতে হবে যতটুকু সম্ভব ওজু অবস্থায় থাকার এবং সারাদিন জিহ্বাকে আল্লাহর জিকিরে সিক্ত রাখা।

বিশেষ করে সকাল এবং সন্ধ্যার মাসনুন দোয়াগুলো কোনোভাবেই মিস করা যাবে না, কারণ এগুলো একজন মুমিনের জন্য ঢাল স্বরূপ।

​বদনজর বা নজর লাগা একটি সত্য বিষয়, যা গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এই সময়ে নিজের গর্ভাবস্থা বা শারীরিক অবস্থার কথা সবার কাছে প্রকাশ না করাই উত্তম।

বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেবি বাম্প বা গর্ভাবস্থার ছবি শেয়ার করা থেকে পুরোপুরি বিরত থাকা উচিত। কারণ হিতাকাঙ্ক্ষী ছাড়াও মানুষের মনে হিংসা বা কুদৃষ্টি থাকতে পারে যা মা ও শিশুর ক্ষতি করতে পারে।

​ঘরকে আধ্যাত্মিকভাবে সুরক্ষিত রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে ঘরে নিয়মিত সুরা বাকারা তেলাওয়াত করা হয়, সেখান থেকে শয়তান দূরে থাকে।

তাই ঘরে নিজেরা কোরআন তেলাওয়াত করুন অথবা অন্তত রেকর্ড চালিয়ে রাখুন। এছাড়া মাগরিবের সময় অর্থাৎ সূর্যাস্তের ঠিক আগে এবং পরে কিছুক্ষণ ঘরের জানালা ও দরজা বন্ধ রাখা এবং সন্তানদের ঘরের ভেতরে রাখা সুন্নাহসম্মত।

এই সময়ে জিন-শয়তানের বিচরণ বেশি থাকে।
​টয়লেটে প্রবেশ এবং বের হওয়ার সময় নির্দিষ্ট দোয়া পড়া অত্যন্ত জরুরি, কারণ অপবিত্র জায়গাগুলো জিনের আবাসস্থল।

এছাড়া গর্ভাবস্থায় মনকে প্রফুল্ল রাখতে এবং অহেতুক ভয়ভীতি দূর করতে বেশি বেশি সুরা মারইয়াম ও সুরা ইউসুফ তেলাওয়াত করা যেতে পারে। ঘুমের আগে আয়াতুল কুরসি এবং তিন কুল (সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে মুছে নেওয়া একটি শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা।

​সবশেষে, যদি মা অস্বাভাবিক স্বপ্ন দেখেন, খুব বেশি আতঙ্কিত বোধ করেন বা কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ অসুস্থ থাকেন, তবে অভিজ্ঞ কোনো আলেম বা রুকইয়াহ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে কোনোভাবেই কোনো কবিরাজ বা তান্ত্রিকের কাছে যাওয়া যাবে না যারা শিরকি তাবিয বা কুফরি উপায়ে চিকিৎসা করে।

গর্ভাবস্থায় মা ও সন্তানের শারীরিক ও আধ্যাত্মিক সুরক্ষার জন্য নিচের কোরআনিক দোয়া ও আমলগুলো অত্যন্ত কার্যকর। এগুলো নিয়মিত পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা জিন, শয়তান এবং বদনজর থেকে হিফাজত করেন:

​১. সন্তান ও নিজের সুরক্ষার জন্য বিশেষ দোয়া

​হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও আম্বিয়া কেরাম নিজ সন্তানদের জন্য এই দোয়াগুলো করতেন।

আপনিও নিয়মিত পড়তে পারেন:
​رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ
(রাব্বি হাবলি মিল্লাদুনকা যুররিয়্যাতান ত্বাইয়্যিবাতান, ইন্নাকা সামিউদ দুআ)
অর্থ: হে আমার পালনকর্তা! আপনার পক্ষ থেকে আমাকে পুত-পবিত্র সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী। (সুরা আলে ইমরান: ৩৮)

​رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
(রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইউনিউ ওয়াজআলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা)
অর্থ: হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ করুন। (সুরা ফুরকান: ৭৪)

​২. সকাল-সন্ধ্যার শক্তিশালী সুরক্ষা (তিন কুল)

​প্রতিদিন ফজর ও মাগরিবের পর সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক এবং সুরা নাস ৩ বার করে পাঠ করবেন। বিশেষ করে সুরা ফালাক ও নাস জিন ও মানুষের অনিষ্ট এবং হিংসুকদের নজর থেকে বাঁচার শ্রেষ্ঠ উপায়।

​৩. আয়াতুল কুরসি
​প্রতি ফরজ নামাজের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে এটি পাঠ করবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য একজন প্রহরী নিযুক্ত করা হয় এবং শয়তান তার কাছে আসতে পারে না।

​৪. বদনজর থেকে বাঁচার বিশেষ দোয়া

​রাসুলুল্লাহ (সা.) হাসান ও হুসাইন (রা.)-কে এই দোয়াটি পড়ে ফুঁ দিতেন। গর্ভবতী মায়েরা নিজের পেটে হাত রেখে এটি পড়তে পারেন:
​أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
(আউজু বি-কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিও ওয়া হাম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি আইনীল লাম্মাহ)
অর্থ: আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের উসিলায় প্রত্যেক শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর বদনজর থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। (সহিহ বুখারি)

​গর্ভাবস্থায় কিছু ছোট পরামর্শ:

​সুরা মারইয়াম ও সুরা ইউসুফ: এই সুরাগুলো নিয়মিত তেলাওয়াত করলে মন শান্ত থাকে এবং প্রসবকালীন জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।
​বিসমিল্লাহ বলে কাজ শুরু করা: ঘর থেকে বের হওয়া, খাবার খাওয়া বা কাপড় পরিবর্তন করার সময় 'বিসমিল্লাহ' বললে জিনের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

​অহেতুক ভয় না পাওয়া: মনে রাখবেন, আল্লাহর হুকুম ছাড়া কোনো জিন বা শয়তান আপনার বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারবে না। সবসময় আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখুন।

আপনি জ্বিন যাদুর কোনো রকম সমস্যার সম্মুখীন হোন, তাহলে দ্রুত অভিজ্ঞ রাক্বীদের মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে চেক করুন সমস্যা আসলে কী.? জ্বী*ন যা*দু বা বদনজরের কোনো ইফেক্ট আছে কি না, তা নিশ্চিত হোন।

ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করতে হোয়াটসঅ্যাপ: 01711-753835

বিস্তারিত জানতে ফলো করুন : Saleheen Life

Address

Level 3, KF Tower, Temuki Point, Sadar
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saleheen Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram