21/10/2025
Phrenology হচ্ছে, মানুষের মাথার বাহ্যিক আকৃতি, খুলির গঠন, দৈর্ঘ্য প্রস্থ উচ্চতা এসব মাপজোক করে তার ব্যক্তিজীবনের আচার আচরণ, বুদ্ধিমত্তা, চরিত্র, নৈতিকতা এসব অনুমান করা।
অর্থাৎ একজন মানুষের মাথার সাইজ শেইপ দেখে তার মেধা, চরিত্র এসব বলে দেয়ার একটা তত্ত্ব।
প্রায় আড়াইশ বছর পূর্বে জার্মান চিকিৎসক ফ্রান্জ গল খুব বেশি টেলেন্টেড কিছু মানুষকে নিয়ে গবেষণা শুরু করেন, যাদের আচার আচরন প্রায় অভিন্ন। তিনি তাদের মাথা বিভিন্নভাবে মাপজোক করে লক্ষ্য করেন, এদের সবারই মাথা তুলনামূলক বড় এবং একইরকম। তিনি ধারণা করেন, এদের ব্রেইনও তাহলে তুলনামূলক বড় এবং ফাংশন বেশি করে।
তাঁর এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তখন জাতিগত একটা শ্রেনী বৈষম্য দেখা দেয়। মাথার আকৃতিগত কারনে এক জাতি অন্যদের থেকে বেশি বুদ্ধিমান এবং শ্রেষ্ঠ দাবি করে ফুটানি মারতে থাকে।
১৮৫০ এর দিকে এই তত্ত্ব বিজ্ঞানভিত্তিক গ্রহনযোগ্যতা হারিয়ে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়। প্রমাণ হয়, মাথা মোটা চিকন বা ব্রেইনের সাইজের সাথে মানুষের বুদ্ধি বা চরিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই।
আধুনিক পৃথিবীর কিছু কিছু মানুষের মনের কোণে অল্প হলেও সন্দেহ, পৃথিবীর কোনো কোনো অঞ্চলের কোনো কোনো জাতির ব্রেইন আসলেই হয়তো বেশি ফাংশন করে।