Tungipara Surgical Clinic - TSC

Tungipara Surgical Clinic - TSC Service to the suffer is service to the Creature. To provide health care we are always with you. Well-come in our page. Surgery by expert Surgeon. Any question?

OUR PURPOSE:
To provide a sufficient holistic health care to people is our view. To prevent disease
Surgery without further injury. Prevent preoperative infection
Prevent postoperative infection
YOUR ADVANTAGE:
Getting care by experienced nurse. Treatment within low cost. please send us message to ask or know any information.

01/05/2024
18/08/2023

ডেঙ্গু নিয়ে দুচার কথা

শহরে,গ্রামে গঞ্জে ও এখন যথেষ্টই দাপট ডেঙ্গির। তাই কষ্ট করে একটু পড়ে দেখুন।
1. রোগটা যেহেতু মশা (এডিস) দ্বারা ছড়ায়, তাই এই বেলা বাড়ির পাশের জমা জল, ডাবের খোল, নারকেলের মালাই, থার্মকলের প্লেট, মাটির হাঁড়ি উল্টে দিন, ভেঙে ফেলুন। এমশার জন্মভিটে এগুলিই।

2. সকালের দিকে আর বিকেলের দিকে সবথেকে বেশি কামড়ায় এডিস মশা। এসময় হাত পা ঢাকা পোশাক পড়ুন।

3. জ্বর, সামান্য সর্দি, গা হাত পা, গিটে গিটে ব্যথা, পাতলা পায়খানা,লাল রাশ, চোখের পেছন দিকে, কপালে ব্যথা হলেই ডাক্তার দেখান, রক্ত পরীক্ষা করুন।

4. ডেঙ্গুর টেস্ট মূলত ns1(নন স্ট্রাকচার প্রোটিন ওয়ান) এবং ডেঙ্গু আই জি এম। জ্বর আসার প্রথম চার পাঁচ দিনের মধ্যে এলিজা পধ্যতিতে ns1, করানো উচিত। প্রথম ns 1 নেগেটিভ মানেই ডেঙ্গু নেগেটিভ, তা কিন্তু নয়। সেক্ষেত্রে জ্বর আসার থেকে টেস্ট করার দিন অনুযায়ী রিপিট ns 1, বা ig M টেস্ট করতে হতে পারে। সাথে অবশ্যই CBC টেস্ট করে দেখে নিতে হবে প্লেটলেট এবং PCV, পজিটিভ রুগীর ক্ষেত্রে কিছু ক্ষেত্রে দুবেলা PCV, প্লেটলেট করতে হবে। কেন এই পরীক্ষা? আসলে ডেঙ্গুর মূল বিপদ ক্যাপিলারী লিকেজ। ধমনী থেকে জল বের হয়ে যাওয়া। সেটি বোঝার উপায় PCV।

5. কি করবেন ডেঙ্গু হলে? সব ক্ষেত্রেই কিন্তু ভর্তি করতে হয় না। যতক্ষণ না রিপোর্ট আসছে ততক্ষন জল,ors, ফলের রস, ডাল, ডাব খান। জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল দিন। কোনোভাবেই আইবুপ্রুফেন, অ্যাসপিরিন দেবেন না। পেঁপে পাতার রস বারণ।তাতে অন্ত্রে ঘা হয়ে ব্লিডিং হতেও পারে। পেচ্ছাপের পরিমাণ খেয়াল রাখুন। ডেঙ্গু হলে মশারির ভেতর থাকুন। এতে রোগ টি অন্যদের মধ্যে ছড়াবে না। পর্যাপ্ত জল। বড়দের ক্ষেত্রে হার্ট বা কিডনির রোগ না থাকলে প্রায় 4লিটার তরল খান। ছয় ঘণ্টায় পেচ্ছাপ না হলে, বা রক্তপাত হলে সাথে সাথে হাসপাতালে যান। মনে রাখবেন অল্প থাকতে সতর্ক হলে বিপদ আটকানো সম্ভব।

লেখক: খুঁজে বেড়াচ্ছি

13/06/2022

WHO criteria অনু্যায়ী আমরা তখনই Anemia বলবো ।যখন ,

🧔🏻 : ছেলেদের Hb level 13 gm/dl এর কম হবে । এবং

👩🏻 : মেয়েদের Hb level 12 gm/ dl এর কম হবে।

এখন আরেক টা Confusion থাকে অনেকের । যে কখন Anemia কে Mild , moderate and Severe বলবো।
সেটার উত্তর হলো। 10.5 এর উপরে Hb থাকলে সেখানে Dietary intake বাড়িয়ে দিলেই হবে । কিন্তু Hb 10.5 এর কম হলে সেটাকে নীচের মতো করে ভাগ করা যায়।

👉 Hb level ( 9.1 -10.5 ) g/ dl = Anemia
👉Hb level ( 6.0- 9.0 ) g/dl = Anemia
👉Hb level Less than 6.0 gm/dl = Anemia

এখন কথা আসে যে এইটা যদি Iron Deficiency Anemia হয় তাহলে Treatment কিভাবে করবো ?
কখন Oral Iron দিবো ? কখন I/V iron দিবো ? আর কখনই বা Blood Transfusions দিতে হবে ?
একদম সংক্ষেপে বলছি।

👉Mild + Moderate Anemia তে ,
আমাদের Treatment of Choice হবে Oral Iron .
Iron খালি পেটে ভাল Absorption হয়। তাই সকালে খালি পেটে Ferrous Sulfate Tablet খেতে হবে। Daily 200 mg গ্রাম করে।Vitamin C iron Absorption promote করে । তাই সাথে তরকারী তে লেবু খাওয়া যেতে পারে। Iron এর Response কেমন হচ্ছে এটা দেখতে 3 সপ্তাহ পর আমরা Hb % দেখবো।
যদি প্রতি সপ্তাহে 1 gm/ dl মাত্রায় Hb বাড়তে থাকে তাহলে বোঝা যাবে বেশ ভাল Response এটা।
সেক্ষেত্রে আরো 3 মাস iron চালিয়ে যেতে হবে। Iron এর Storage কে শক্তিশালী করার জন্য।

👉 অনেকের ধারনা আছে যে IV iron মনে হয় বেশি দ্রুত কাজ করে। ব্যাপার টা আসলে তেমন নয়। I/V iron আমরা তখনই দিবো। যদি রোগীর কোন
💕 থাকে। কারন সেক্ষেত্রে Oral Iron Absorption হয় না। যেমন Coeliac Disease .

💕কিংবা যে নিচ্ছে তাকেও আমাদের IV iron দিতে হয়।

এছাড়া IV iron দেবার জোড়ালো কোন Indication নেই।

👉 তে অর্থাৎ Hb 6 gm/dl এর থেকে কম হলে সেক্ষেত্রে আমাদের Blood / Red cell Transfusion দিতে হবে।

💕মনে রাখবেন RBC / Blood Transfusion এর Indication হলো

1) With like

👉
👉 etc

2) ( Hb < 6 gm/dl )

এক্ষেত্রে অনেক সময় Volume Overload হতে পারে। সেক্ষেত্রে রোগী কে Furosemide দেয়া যেতে পারে। এক্সট্রা fluid গুলো বের করে দেয়ার জন্য।

আজ এই পর্যন্তই। আবার অন্য কিছু নিয়ে কথা হবে।

: Harrison + Davidson + Rapid Review of Hematology

25/05/2022

মাঙ্কিপক্স পোষা প্রাণী থেকে ছড়ায়। তাই এটি রোধে পোষা প্রাণী থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভিসি অধ্যাপক ডা: শারফুদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (২৪ মে) বিএসএমএমইউ-তে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, মাঙ্কিপক্স একটি ডিএনএ ভাইরাস। কাউপক্স, ভ্যাক্সিনিয়া ও ভ্যারিওলা (স্ম্যালপক্স) এই গ্রুপের ভাইরাস। এটি একটি জুনোটিক ভাইরাস যার প্রাথমিক সংক্রমণ সংক্রমিত প্রাণীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে বা সম্ভবত তাদের অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা গোশত খাওয়ার মাধ্যমে ঘটে বলে বিশ্বাস করা হয়। উদাহরণ- জংলি কুকুর, ইঁদুর, খরগোশ, কাঁঠবিড়ালি, বানর, সজারু ইত্যাদি। ১৯৫৮ সালে ল্যাবরেটরিতে প্রথম বানরের দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল বলে ১৯৭০ সালে এর নামকরণ হয় মাঙ্কিপক্স।

ডা: শারফুদ্দিন আহমেদ জানান, বাংলাদেশে এখনো এই রোগের কোনো রোগী ধরা পড়েনি। বিএসএমএমইউ-তেও এখন পর্যন্ত মাঙ্কিপক্সের আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, তবে করোনা মহামারীকে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে যেমনভাবে বাংলাদেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে দেইনি, সেরকমভাবে আমরা মাস্কিপক্স ভাইরাসের জন্যও প্রস্তুত আছি। দেশের মানুষকে যেকোনো ধরনের গুজব বা আতঙ্ক এড়িয়ে চলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো এই রোগ থেকেও আমরা জাতিকে নিরাপদ রাখতে পারবো।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিএসএমএমইউতে মাঙ্কিপক্সের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। যা ছিল নিছক একটি গুজব। বিষয়টি প্রথমে আমাদের নজরে আনেন গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল কিছু সংখ্যক সাংবাদিক ভাই। তাদের এ তথ্যে আমাদের প্রশাসন আরো তৎপর হয়ে পড়ে। এহেন ঘটনার পরপরই আমরা খোঁজ নেয়া শুরু করি আসলে কী ঘটেছে।

অধ্যাপক ডা: মো: শারফুদ্দিন আহমেদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ ১৪টি দেশে একটি ফুসকুড়িসহ জ্বরের ঘটনা ঘটেছে যা মাঙ্কিপক্স হিসেবে নির্ণয় করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা মাঙ্কিপক্সকে শনাক্তযোগ্য ও বর্ধনশীল ব্যাধি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইতোমধ্যে সংক্রামক রোগ ‘মাঙ্কিপক্স’ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের প্রতিটি স্থল, নৌ এবং বিমানবন্দরে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।তিনি বলেন, এই ভাইরাসের দুটি স্ট্রেইন আছে। কঙ্গো বেসিন স্ট্রেন পশ্চিম আফ্রিকার স্ট্রেইনের চেয়ে বেশি মারাত্মক। এই ভাইরাস পশু থেকে প্রাণী এবং পশু থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণই সবচেয়ে ভয়ংকর মাধ্যম বলে বিবেচিত। ৯০ শতাংশ রোগী ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু। গুটিবসন্তের টিকা বন্ধ করা এর একটি কারণ হতে পারে। আফ্রিকাতে এক থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত মৃত্যুর হার প্রতিবেদন করা হয়েছে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালে প্রাদুর্ভাবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। জটিলতার মধ্যে রয়েছে স্থায়ী ক্ষত, বিকৃত দাগ, সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, ব্রঙ্কোপনিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, কেরাটাইটিস, কর্নিয়ার আলসারেশন, অন্ধত্ব, সেপ্টিসেমিয়া ও এনসেফালাইটিস। গুটিবসন্তের টিকা মাঙ্কিপক্স থেকে ৮৫% সুরক্ষা দেয়। দুই সপ্তাহের মধ্যে, সম্ভব হলে চার দিনের মধ্যে এটি ব্যবহার করতে হবে।

ইনকিউবেশন পিরিয়ড গড়ে ১২ দিন, চার থেকে ২১ দিন পর্যন্ত। প্রড্রোম এক থেকে ১০ দিন স্থায়ী হয়। জ্বরজনিত অসুখের সাথে ঠাণ্ডা লাগা, ঘাম, প্রচণ্ড মাথাব্যথা, পিঠে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, ফ্যারিঞ্জাইটিস, শ্বাসকষ্ট ও কাশি হয়ে থাকে।

তিনি আরো বলেন, লিম্ফ্যাডেনোপ্যাথি জ্বরের পরে দুই-তিন দিনের মধ্যে ঘাড়ের চারদিকে দেখা যায়। এক থেকে ১০ দিনের মধ্যে ফুসকুড়ি তৈরি হয়। ফুসকুড়ি প্রায়ই মুখে শুরু হয় এবং তারপর শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এটি দুই থেকে চার সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে। এগুলো মুখমণ্ডল, শরীর, হাত-পা ও মাথার ত্বক জড়িত। হাতের তালু ও পায়ের পাতায় ক্ষত দেখা যেতে পারে। এগুলো ব্যথাহীন হয়। যদি ব্যথা থাকে তাহলে এটি সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে হতে পারে। চুলকানি থাকতে পারে।

হেমোরেজিক এবং ফ্ল্যাট ফর্ম, যা গুটিবসন্তের সাথে দেখা যায়, মাঙ্কিপক্সের রোগীদের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায় না। আক্রান্ত বা সন্দেহযুক্ত প্রাণীর সংস্পর্শে যাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। প্রাণীর কামড়, আঁচড় ও লালা বা প্রস্রাবের স্পর্শ থেকে বেঁচে থাকা অপরিহার্য। আর আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে সকল ক্ষত শুকানো পর্যন্ত আইসোলেশন আর কোয়ারেন্টিন করে চিকিৎসা করা আবশ্যক।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে, এফডিএ গুটিবসন্ত বা মাঙ্কিপক্স সংক্রমণের জন্য উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দেয়ার জন্য একটি লাইভ, নন-রিপ্লিকেটিং স্মলপক্স ও মাঙ্কিপক্স ভ্যাকসিন অনুমোদন দিয়েছে। সিডোফোভির-মাঙ্কিপক্সের জন্য অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ স্মলপক্স ভ্যাকসিন, মাঙ্কিপক্স ভ্যাকসিন উভয়ই লাইভ অ্যাটেনুয়েটেড ভ্যাক্সিনিয়া স্ট্রেন থেকে উদ্ভূত।

সংবাদ সম্মেলনে বিএসএমএমইউ’র প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা: মো: জাহিদ হোসেন, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা: ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, প্রো-ভিসি (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা: এ কে এম মোশাররাফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ হোসেন, ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ আলী আসগড় মোরল, প্রক্টর অধ্যাপক ডা: মো: হাবিবুর রহমান দুলাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা: স্বপন কুমার তপাদার উপস্থিত ছিলেন।

24/05/2022

NCD বা Non Communicable Disease.
যে সকল রোগ ছড়ায় না কিন্তু কোন ব্যাক্তির একান্ত রোগ হিসাবে পরিচিত সেগুলোই নন কম্যুনিকেবল ডিজিজ। যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, ক্যান্সার, কিডনির রোগ, মানসিক সমস্যা, হাপানি, বার্ধক্যজনিত সমস্যা, আঘাত, প্যারালাইসিস ইত্যাদি। আর কমুনিকেবল গুলা বা সংক্রামক রোগ অগনিত, যেমন, কলেরা, হেপাটাইটিস, এইডস, টাইফয়েড, বসন্ত, করোনা ইত্যাদি।
এখন এই রোগগুলো এক সময় ভালো হয়ে যেতে পারে কিন্তু NCD পুরাপুরি নির্মূল করা প্রায় অসম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন প্রাথমিক পর্যায়ে একে সনাক্ত করা, ও এটা যাতে না হয় এর জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সমীক্ষা ২০১৮ অনুযায়ী আমেরিকাতে NCD তে মৃত্যুর হার ৮৮%, ইংল্যান্ড এ ৮৯%, চীনে ৮৯%, জাপানে ৮২%, ভারতে ৬৩%, পাকিস্তান ৫৮% শ্রীলঙ্কা ৮৩% সবশেষে বাংলাদেশ ৬৭%।

এই ৬৭% এর ৩০% এ মৃত্যু হয় হৃদরোগ ও উচ্চরক্তচাপ এর জন্য।

ডায়াবেটিস এর জন্য ৩%

১২% ক্যান্সার এর জন্য

শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে ১০%

এর অর্থ হল আমাদের দেশে এখনো লাগামের ভেতর আছে। তবে যত উন্নতি হচ্ছে ততই এই হার বাড়ছে।
আজ থেকে ১৫ বঁছর আগের দৃশ্য ভাবলে দেখবেন খেলাধূলার একটা চল ছিল, সাতার, নৌকা বাইচ ইত্যাদি ছিল কিন্তু এখন সব ডিভাইস নিয়ে ব্যস্ত। রাস্তা খারাপ থাকার জন্য মানুষ পায়ে হেটে চলত কিন্তু এখন যেভাবে শহরায়ন হচ্ছে এতে স্বল্প দূরত্ব ও মানুষ পায়ে চলে না। ঘরে ঘরে মোটরসাইকেল, বাই সাইকেল নেই বললেই চলে, অটো, ভ্যান, রিক্সা, গাড়ি ইত্যাদিতে রাস্তায় পা ফেলাই দায়। ক্ষুধা লাগলে অনলাইনে অর্ডার করে খাওয়া। আমাদের এতে শারীরিক পরিশ্রম কমে গিয়েছে, যার ফলে বাড়ছে বিভিন্ন নন কমুনিকেবল রোগ বা অসংক্রামক রোগ।

এখন প্রতিরোধের উপায় বলতে যে কাজ গুলো করতে হবে-
খাওয়া কন্ট্রোল করতে হবে। কথায় বলে যে মানুষ সাপের কামড়ে না মড়লেও নিজের কামড়ে মরে। অর্থাৎ খেয়ে খেয়ে নিজেকে শেষ করে দিচ্ছে।
সাদা ভাত, কোল্ড ড্রিংকস, মিষ্টি ইত্যাদি পর্যাপ্ত না খেয়ে পরিমিত খাওয়ার দরকার।

খাওয়ার লবন খাওয়ার প্রবনতা কমাতে হবে। অনেকের ধারনা যে কাচা লবন না খেয়ে ভাজা লবন খাওয়া জায়েজ। কিন্তু এটা সম্পুর্ন ভুল। একজন মানুষের দিনে এক চা চামচের বেশি লবন খাওয়া উচিৎ না। তাই পরিবারে যে কজন সদস্য সেই কয় চামচ লবন তরকারিতে দিয়ে রান্না করে সেটা ভাগ করে খান তাহলে পরিমিত খাওয়া হবে। এছাড়াও বাইরে আচার খান, সস, চিপস যাই খান না কেন লবন আছে সেখানে। সুতরাং বাসায় লবন খাওয়া আরো কমিয়ে দিতে হবে। নয়তো উচ্চ রক্তচাপ কমানো কঠিন।

সকল তামাক যেমন গুল, জর্দা, সিগারেট, এলকোহল এসব খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

একই তেল দিয়ে পরের দিন রান্না করবেন না।

ইলেকট্রনিক ডিভাইস এর দাসত্ব থেকে বের হতে হবে। পরিবার ও বন্ধুদের সময় দিন এর পরিবর্তে।

নিয়মিত ৩০ মিনিট হাটতে হবে।

আর প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ে NCD কর্নার এর ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখান থেকে ফ্রিতে আপনার উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস এর চিকিৎসা ও পরিমাপের বই করে, নিয়মিত ভিজিট করবেন এবং বিনামূল্যে ওষুধ গ্রহণ ও সেবন এর মাধ্যমে সুস্থ থাকার চেষ্টা করুন।
হৃদয় দিয়ে হৃদয়ের যত্ন নিন ভালো থাকুন।

22/05/2022

আমার সন্তান গর্ভে উল্টো অবস্থায় আছে, এক্ষেত্রে কি নরমাল ডেলিভারি সম্ভব?
এমন প্রশ্নের উত্তরে হ্যাঁ অথবা না বলার সুযোগ খুব কম। কেননা গর্ভে সন্তানের অবস্থান সময়ভেদে পরিবর্তন হতে থাকে। একদম শেষের দিকের ৪ সপ্তাহে শিশুর অবস্থানের উপর বিবেচনা করে চিকিৎসক গন যেকোন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

আজকের আর্টিকেল টি তে যা থাকছেঃ
১। গর্ভস্থ্য সন্তান মোট কয়টি পজিশনে থাকতে পারে?
২। কোন কোন পজিশন ন্যাচারাল/ ভ্যাজাইনাল ডেলিভারির জন্য উপযুক্ত?
৩। উল্টো সন্তান কে সঠিক পজিশনে আনতে কি করতে পারি?

গর্ভকালীন সময়ে আমাদের প্রায় আল্ট্রা-সনোগ্রাফির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আল্ট্রা শেষে একটি রিপোর্ট পেপার দেয়া হয় যেখানে সন্তানের ওজন, উচ্চতা, হার্ট বিট কাউন্ট, গর্ভে পানির পরিমাণ এবং বাচ্চার অবস্থান নিয়ে বিষদ বিবরণ থাকে। সেখান থেকেই চিকিৎসক গন বাচ্চার অবস্থান সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারনা পান। গর্ভে সন্তান সোজা নাকি আড়াআড়ি কিভাবে অবস্থান করছে সেটার উপর নির্ভর করে মোট ৪ ভাগে ভাগ করেছে মেডিকেল সায়েন্স।

১।অ্যান্টেরিওর ফেইস/ সেফালিক প্রেজেন্টেশনঃ
সহজ কথায় এই পজিশনে সন্তান এর মাথা থাকবে নিম্নমুখী এবং মুখমণ্ডল কোমরের দিকে ঘুরানো। আস্ত একটি পোটলার মত করে পা গুলো গুটিয়ে থাকবে বুকের দিকে। ডেলিভারির সময় নবজাতক এই পজিশনে খুব সহজে সারভিক্স দিয়ে মাথা গুঁজিয়ে বের হয়ে আসতে পারে বলে একে সবচেয়ে নিরাপদ এবং আদর্শ পজিশন বলা হয়ে থাকে। পুরো প্রেগ্ন্যান্সিতে উল্টা অবস্থায় থাকলে ও বেশির ভাগ শিশু ৩৩ থেকে ৩৬ সপ্তাহের মধ্যে এই সেফালিক পজিশনে চলে আসতে পারে।

২। পোস্টেরিওর ফেইসঃ
এই পজিশনে ও শিশুর মাথা নিম্নমুখী অবস্থায় থাকে কিন্তু মুখমণ্ডল থাকে পেটের দিকে ঘুরানো। এই পজিশনে থাকলে সাধারণত মা শিশুর মুভমেন্ট কিছুটা কম বুঝতে পারেন এবং পুরো প্রেগন্যান্সি তে অনেক বেশি কোমড় ব্যাথায় ভোগেন। ন্যাচারাল ডেলিভারি তে এটি কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করলেও স্বাভাবিক সময় এর চেয়ে কিছুটা বেশি সময় নিতে পারে।

৩। ব্রীচ প্রেজেন্টেশনঃ
এই পজিশনে বাচ্চার মাথা থাকে পুরোপুরি উল্টো ভাবে অর্থাৎ, মাথা বুকের দিকে অবস্থান করে এবং পশ্চাৎদেশ নিম্নভাগে। যদি ও বেশির ভাগ শিশু এই অবস্থায় সুস্বাস্থ্য নিয়ে জন্মগ্রহণ করে তবু ও এটা কে ন্যাচারাল ডেলিভারির জন্য কখনওই একটি আদর্শ পজিশন হিসেবে ধরা হয় না। কেননা, এই ক্ষেত্রে ডেলিভারির সময়ে জন্মগত ত্রুটির আশংকা অনেকাংশে বেড়ে যায়।

বাইরের দেশ গুলোতে শিশুকে ব্রীচ থেকে সেফালিক পজিশনে আনতে একটি প্রসিডিওর সাজেস্ট করা হয়। যা কিনা একজন এক্সপার্ট এর মাধ্যমে ডেলিভারির শেষ সপ্তাহের আগে করানো হয়। বাইরে থেকে পেটে কিছুটা প্রেশার দিয়ে বাচ্চার মাথা কে নিচের দিকে ঘুরানোর এই মাধ্যম কে বলা হয় এক্সটারনাল সেফালিক ভার্শন (ECV)।

এই পদ্ধতিতে ৫০% চান্স থাকে স্বাভাবিক পজিশনে আসার, তাই অবস্থা বুঝে আগে থেকেই সিজারিয়ান সেকশন বেছে নেন অনেকে।

৪। ট্রান্সভার্স লাইঃ
খুবই দুর্লভ এই পজিশনে শিশুর অবস্থান থাকে সম্পূর্ণ আড়াআড়ি ভাবে। ডেলিভারির আগে যদি স্বাভাবিক পজিশনে শিশু না ঘোরে তবে সিজারিয়ান সেকশন ছাড়া উপায় থাকেনা। কেননা, এক্ষেত্রে নবজাতকের ডেলিভারির আগে নাড়ি বের হয়ে আশার চান্স থাকে যেটা মেডিকেল ইমারজেন্সি ক্রিয়েট করতে পারে।

কারো কোন হস্তক্ষেপ ছাড়াই গভস্থ্য শিশু সেফালিক / সঠিক পজিশনে আসতে পারে। আবার সময় থাকতে কিছু ব্যায়াম এর মাধ্যমেও এটা সম্ভব।

১। প্রতিদিন কিছু সময় এক্সারসাইজ বল/ বার্থ বলে বসার চেষ্টা করুন।
২। বলে বসার পর আপনার হিপ জয়েন্ট /কোমর যেন হাঁটু থেকে উপড়ে থাকে সেই বিষয় টি খেয়াল রাখুন।
৩। দিনের বেশির ভাগ কাজ যদি আপনার বসা অবস্থায় হয় তাহলে কিছুসময় পরপর বিরতি নিয়ে আশেপাশে হাঁটাহাঁটি করুন।
৪। গাড়িতে বসার সময় সিটের উপড়ে একটি কুশন দিয়ে আপনার পশ্চাৎ ভাগ কিছুটা সামনে আগানো অবস্থায় রাখুন।
৫। দিনে কয়েকবার দুই হাত আর দুই পায়ে ভর দিয়ে সম্পূর্ণ উপুড় হয়ে সামনের দিকে এগুনোর চেষ্টা করুন। এটি শিশুকে সেফালিক পজিশনে আনতে অনেকাংশে সাহায্য করে।

মনে রাখবেন, গর্ভস্থ্য শিশুর অবস্থানের উপর আপনার কোন হাত নেই। সে তার নিজের মত পুরো নয় মাস ঘুরতে পারে। আপনি হয়ত শেষ দিকে কিছুটা চেষ্টা করতে পারেন তবে সেটাতেও স্ট্রেসড না হওয়ার অনুরোধ করছি। ন্যাচারাল ডেলিভারি হোক অথবা সিজারিয়ান, দিনশেষে আমরা কিন্তু একটি সুস্থ্য সন্তান ই আশা করি।
সবাই কে শুভকামনা।
রাবেয়া সুলতানা
কো-ফাউন্ডার, S A F E D E L I V E R Y R I G H T S: সচেতন নারী, নিরাপদ মাতৃত্ব
©️collected

16/05/2022

Rabeprazole(গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ) কে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
Rabeprazole এর ব্রান্ডগুলো হল Finix, Rabe, Acifix, Paricel, Xorel, Rabepes. এগুলা ক্যান্সারের ঝুকি বাড়ায়।
#জনস্বার্থে

06/04/2022

ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে :
সতর্ক হতে হবে:
ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।অনেকে হার্ট এটাকের ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।

যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে গেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?
পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও।
টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার গিলতে থাকি।
তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।

তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান।
নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।

Collected

GUIDELINES for Anaphylaxis due to vaccination
25/02/2022

GUIDELINES for Anaphylaxis due to vaccination

23/02/2022

চলতি মাসের ২৬ তারিখ করোনা ভাইরাস এর সকল প্রথম ডোজ বন্ধ।
কিছু কথাঃ অ্যাস্ট্রোজেনিকা ভ্যাকসিন একটা ভায়ালে ১০ ডোজ থাকে। তাই এই ভায়াল ভাংলে ১০ জন কে এক সাথে দেয়া হয়। অনেকের ধারনা আমি সকাল বেলায় কার্ড জমা দিয়েছি আমার এতপর কেন ডাকা হল। আসলে একদুই জনের জন্য ভায়াল ভাংলে বাকিটা ড্যামেজ হতে পারে। তাই অপচয় কমাতে ১০ জন হলে অ্যাস্ট্রোজেনিকার ভায়াল ভাঙা হয়। তেমনি সিনোভ্যাক এর ভায়ালে ২ টি ডোজ থাকে। আর ভেরোসেল এ একটি।
অনেকে ফাইজার ভ্যাকসিন নেবার জন্য উদগ্রিব থাকেন। কিন্তু ফাইজার ও ৬ জন না হলে ভাঙা হয়না।

যদি কারো ভ্যাকসিন নেবার পর তীব্র শ্বাসকষ্ট বা এলার্জি হয় সে জন্য ও ইমার্জেন্সি বক্সে জীবন রক্ষাকারী এড্রেনালিন ও হাইড্রোকর্টিসোন প্রস্তুত রাখা হয়।
অনেকের ভ্যাক্সিন নেবার পর তীব্র ডায়রিয়া, জ্বর, মাংসপেশি সংকোচন ইত্যাদি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভয়ের কিছু নেই। ডায়রিয়াতে শরীর থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খনিজ বের হয়ে গেলে মাংসপেশির সংকোচ ও অধিক মাত্রায় বের হলে কিডনি ফেইল করতে পারে। সে ক্ষেত্রে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

গর্ভবতী মহিলাদের ভ্যাক্সিন নেয়াতে সমস্যা নেই। কিন্তু অনেক রোগীর স্বজনেরা গর্ভকালীন জটিলতার জন্য ভাক্সিনেশন কে দায়ী করতে পারে তাই চিকিৎসক এর কাছে তাদের পাঠানো হয়।

ভ্যাক্সিন দেবার পূর্বে টিকা কার্ড গুলোকে বিশেষ এপ্লিকেশন এর মাধ্যমে স্ক্যান করা হয় যাতে সহজে সনদ তোলা যায়। তাই তারাহুরো না করে, লাইন ধরে অপেক্ষা করে বুথ কর্মীদের সহায়তা করুন।

উন্নত দেশগুলোতে ভ্যাক্সিন দেবার আগে ও পরে রোগীদের অবজারভেশনে রাখা হয় কাউন্সিল করা হয়। কিন্তু আমাদের সুসজ্জিত অবস্থা ও জনচাপের জন্য এসব করা দূরহ।
বয়স্ক ও গর্ভবতী মহিলাদের আগে ভ্যাক্সিন নেবার সুযোগ করে দিন। একটু ঢিলে পোষাক পরে আসুন ভ্যাক্সিন এর জন্য। যাতে সঠিক স্থানে ভ্যাক্সিন দেওয়া যায়।
- ধন্যবাদ
নূরুল ওয়াদী
upazila Health Complex B/Pur Sunamganj

01/01/2022

Happy New Year 2022

Address

Patgati, Bus-stand
Tungipara
8120

Telephone

+8801714719649

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tungipara Surgical Clinic - TSC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Tungipara Surgical Clinic - TSC:

Share

Category