29/04/2026
বর্তমান সময়ে অনেক মেয়েই অফিস বা বাসায় শারীরিক হয়রানির শিকার হচ্ছে—এটা একটি কঠিন বাস্তবতা। আরও কষ্টের বিষয় হলো, অনেকেই পরিস্থিতির চাপে চুপ করে থাকে, কাউকে বলতে পারে না। এই নীরবতাই সমস্যাকে আরও বড় করে তোলে।
এই পরিস্থিতিতে কাউন্সিলিং খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রথমত, একজন ভুক্তভোগীর উচিত নিজের অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া—ভয়, লজ্জা বা দ্বিধা থাকতেই পারে, কিন্তু এসব চেপে রাখা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক ক্ষতি করে। একজন বিশ্বাসযোগ্য মানুষ—বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা পেশাদার কাউন্সিলরের সঙ্গে কথা বলা অনেকটা ভার কমিয়ে দেয়।
কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে একজন নারী বুঝতে পারে যে সে একা না, তার সাথে যা হয়েছে তা অন্যায় এবং এর জন্য সে দায়ী না। ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে, নিজের সুরক্ষা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ে। প্রয়োজনে আইনি সহায়তা নেওয়ার সাহসও তৈরি হয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—চুপ না থাকা। নিজের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করা, তারপর ধীরে ধীরে সহায়তা খোঁজা। সমাজেরও দায়িত্ব আছে—এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে একজন মেয়ে নির্ভয়ে কথা বলতে পারে, বিচার পাবে এই বিশ্বাস রাখতে পারে।
নীরবতা নয়, সচেতনতা আর সহমর্মিতাই পারে এই সমস্যার সমাধান আনতে।