Bangladesh Awami League Germany

Bangladesh Awami League Germany Nationalism - Democracy - Securalism - Socialism

05/06/2015

রফিকুল ইসলাম আকাশ বার্লিন থেকেঃ মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস (বার্লিন,জার্মান) এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা বশিরুল আলম সাবু ও শেখ বাদ...

02/08/2014

Nationalism - Democracy - Securalism - Socialism

04/04/2014

'ভাইয়া, আমাকে ছাত্রলীগের ছেলেপেলেরা মেরেছে। আমি হাসপাতালে ভর্তি। আমার অবস্থা খুব একটা ভালো নাই। এখানে কোনো চিকিৎসাও হচ্ছে না। তোমরা

04/04/2014

দেশাত্মবোধক গান - আমি বাংলায় গান গাই আমি বাংলায় গান গাই, আমি বাংলার গান গাই, আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই। আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, আমি বাংলায় বা...

16/03/2013

***জন্মদিনে শুভেচ্ছা নিও হে জাতির পিতা***

কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ট্রোর নাম গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ডে উঠেছে তার বিরুদ্ধে সর্বাধিক সংখ্যক হত্যা প্রচেষ্ঠা ব্যর্থ হবার কারণে। ৬৩৮ বার মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ফিদেলকে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় এবং পরবর্তীতে যার বিস্তারিত নিয়ে চ্যানেল ফোর প্রকাশ করে "638 ways to kill Castro" নামক ডকুমেন্টারিটি। অর্থাৎ, সর্বাধিক সংখ্যকবার হত্যা চেষ্টাই ইতিহাসের পাতায় অমর করেছে ফিদেলকে।

আমি নিশ্চিত গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড যদি কখনো কারো নামে সর্বাধিক সংখ্যক কুৎসা রটানোর কোনো তালিকা করে তবে এক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবে আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার জন্ম পরিচয় হতে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ধাপ নিয়ে নির্বিচারে নির্জলা মিথ্যাচার চালিয়েছে ছাগুরা। জীবনের বেশীরভাগ সময়েই অত্যাচারী পাকিস্তান সরকারের বিপক্ষে থাকায় এসব মিথ্যাচারে রসদ জুগিয়েছিল সে সময়কার সরকারগুলোও। কিন্তু দূর্ভাগ্য, ক্ষমতায় থাকার মাত্র তিন বছরের মাথায় তার হত্যাযজ্ঞের পর পুনরায় ক্ষমতাসীন হয় এদেশে প্রো-পাকিস্তানী রাজাকার চক্র, যারাও পূর্ববর্তী পাকিস্তান সরকারের মত কার্পণ্য করেনি তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে। শুধু তাই নয়, জাতির স্মৃতি থেকে মুজিবকে মুছে দিতে তার বিখ্যাত ৭ই মার্চের ভাষণের অরিজিনাল কপি পুড়িয়ে ফেলবারও আদেশ দিয়েছিলো তৎকালীন স্বৈরশাসকরা।

তা যাই হোক বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কি বলেছেন। ফিদেল ক্যাস্ট্রো বলেছেন, 'আমি হিমালয় দেখিনি, বঙ্গবন্ধূকে দেখেছি। তাঁর ব্যক্তিত্ব ও নির্ভীকতা হিমালয়ের মতো। এভাবেই তার মাধ্যমে আমি হিমালয়কে দেখেছি।'

প্রভাবশালী ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের মতে, 'শেখ মুজিব ছিলেন এক বিস্ময়কর ব্যক্তিত্ব।'

ফিনান্সিয়াল টাইমস বলেছে, 'মুজিব না থাকলে বাংলাদেশ কখনই জন্ম নিত না।'
ভারতীয় বেতার 'আকাশ বানী' ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট তাদের সংবাদ পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে বলে, 'যিশু মারা গেছেন। এখন লক্ষ লক্ষ লোক ক্রস ধারণ করে তাকে স্মরণ করছে। মূলত একদিন মুজিবই হবেন যিশুর মতো।'

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর দিনে লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় বলা হয়েছে, 'বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ লোক শেখ মুজিবের জঘন্য হত্যাকান্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করবে।'

নিউজউইকে বঙ্গবন্ধুকে আখ্যা দেওয়া হয়, "পয়েট অফ পলিটিক্স বলে"।

বৃটিশ লর্ড ফেন্যার ব্রোকওয়ে বলেছিলেন, "শেখ মুজিব জর্জ ওয়াশিংটন, গান্ধী এবং দ্যা ভ্যালেরার থেকেও মহান নেতা"।

আফসোস, আমরা এমন এক জাতি, অন্যরা বুঝলেও কী হারালাম তা আমরা নিজেরাই বুঝে উঠতে পারিনি কখনো।

তাই আসুন আজকের এই মহান মানুষটির জন্মদিনে শ্রুদ্ধা জানাই এই মানুষটির প্রতি। শ্রদ্ধাবনত কন্ঠে একবার হলেও বলিঃ

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

< মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোন >

16/03/2013

বাংলাদেশের রাজধানীর নাম মুজিবনগর রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দান

স্বাধীন বাংলাদেশের অদ্ভুদয় হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায়। লাহোর প্রস্তাবের বাষ্ট্রদর্শনের ভিত্তিতে ৬ দফা ছিল পাকিস্তানী বাঙ্গালী জাতির মুক্তির সনদ। ৬ দফার প্রতি মুজিব নের্তৃত্ব এতটা চেতনা এনেছিল যে, ১রা মার্চে জাতীয় সংসদ অধিবেসন স্থগিত ঘোষণার সাথে সাথে জাতি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। যুব ও ছাত্র নেতারা স্বাধীনতা ঘোষণার জন্যে বঙ্গবন্ধুর কাছে যায়।

বঙ্গবন্ধু তাদের বলেন, জনগণ রায় দিয়েছে ৬ দফায়। ৬ দফার কোথাও স্বাধীন বাংলার কথা নেই। আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে স্বাধীনতার কথাও বলেনি। পাকিস্তানও হয়েছে জাতির আকাঙ্খা, আন্দোলন, বহুত্যাগ ও সমর্থনে। হঠাৎ স্বাধীনতা ঘোষণা দিলে মধ্যবয়সী ও প্রবীণেরা সমর্থন নাও করতে পারে। তখন আমও যাবে, ছালাও যাবে। আগে সর্বস্তরে স্বাধীনতার আকাংঙ্খা জাগতে হবে। আন্তর্জাতিক সমর্থনের প্রেক্ষাপট তৈরী করতে হবে।

বঙ্গবন্ধু তাদের বলেন, ছাত্ররা যা পারে, আমি তা পারি না। ছাত্রদের দিয়ে পতাকা উঠা, ঘোষণা দে। আমার যা বলার, ৭ই মার্চ বলবো। ছাত্র সমাজের পক্ষে ডাকসুর তৎকালীন ভিপি আ স ম আব্দুর রবকে দিয়ে ২রা মার্চে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তলন করা হয় (প্রধান উদ্যোগী সিরাজুল আলম খানের মর্মকথা।) এরপর সারাদেশে ছাত্র-যুব সমাজ স্বাধীন বাংলার পতাকা উঠায়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ মুক্তি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা সঞ্চারী ও পাথেয়। এ ভাষণের পরে জনগণ অসহযোগ আন্দোলনে ঝাঁপয়ে পড়ে। সারাদেশে অফিস-আদালত বন্ধ হয়ে যায়। জনগণের মধ্যে মুক্ত ও স্বাধীনতার চেতনা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ২৫শে মার্চের মধ্যরাতে পাকসেনারা সশস্ত্র আঘাত হানে| ওয়ারলেস বার্তায় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণায় দেশব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। আমরা পাবনাবাসীরা ২৬শে মার্চ ভোরবেলা থেকে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করি। মেজর জিয়ার প্রভাবশীল ‘স্বাধীনতা ঘোষণার’ মূলেও ছিল ঐতিহাসিক ৬ দফা, ৭ই মার্চের ভাষণ ও মুজিব নেতৃত্বের প্রভাব।

২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে পাকসেনারা গ্রেপ্তার করে। ব্যক্তি মুজিবকে বন্দি করলেও মুজিব নের্তৃত্বকে কেউ বন্ধি করতে পারেনি। বরং আরও প্রভাবশীল হয়ে মুক্তিযুদ্ধে জাতীয় ঐক্য, প্রেরণা ও শক্তি দেয়। স্বাধীনবাংলা বেতারে ‘বজ্রকণ্ঠ’ ছিল জাতির মুক্তিযুদ্ধের প্রতিদিনের প্রেরণা। স্বাধীনবাংলার অস্থায়ী রাজধানী মুজিবনগর নামটিও মুক্তিযুদ্ধে বাড়তি শক্তি ছিল।

বাংলাদেশের মত যুক্তরাষ্ট্রও স্বাধীন হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ করে। শুরুতে জর্জ ওয়াশিংটন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না। জাতির ডাকে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগ দেন। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার হওয়ায় তাকে সামরিক প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয়। প্রজ্ঞা ও কর্ম দিয়ে তিনি প্রধান নের্তৃত্ব হন। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়ণে তিনি সমন্বয়কারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তার মৃত্যুর পরে যুক্তরাষ্ট্রবাসীরা রাজধানী ও একটি অঙ্গরাষ্ট্রের নাম ওয়াশিংটন রেখে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছে।

জাতি হিসাবে আমরা এখনও সময়ের কাজ সময়ে করতে শিখিনি। ১৬ই ডিসেম্বরের পরে স্বাধীনবাংলা সরকার ও দপ্তরগুলো ঢাকায় স্থানান্তর করেছি। কিন্তু অস্থায়ী রাজধানী মুজিবনগরকে আমরা ঢাকা জেলায় স্থানান্তর করিনি। বাংলাদেশের স্থায়ী রাজধানীর নাম তখন মুজিবনগর রাখা হলে বহু অনাকাংঙ্খিত বিতর্ক ও ঘটনার ঘটার অবকাশ থাকতো না। এ প্রস্তাবের বিরোধীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমার অতি ভক্তির কথা বলবেন। স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানীর নামতো মুজিবনগরই ছিল।

ঐতিহাসিক ৬ দফার বাষ্ট্রদর্শনের মর্মকথা হলো জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। বাংলাদেশ উদ্ভুদয়ে জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ না পাওয়ায় মুক্তিযুদ্ধ অসম্পূর্ণ রয়েছে এবং বার বার রাজনৈতিক সংকট । শুধু কথায় গণতন্ত্র, অধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয় না। এজন্যে কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা অপরিহার্য। আসুন, তাঁর জন্মদিনে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নিচের পুনর্গঠনগুলোর জন্যে সোচ্চার হই----

16/03/2013

Bongobondhu Sheik Mujib
Dr. Imran H sarker
vor 51 Minuten
একজন মায়ের জন্য জরুরি ভিত্তিতে আজ রবিবার (17-03-13)সকাল ৯ টার মধ্যে ১ ব্যাগ “এ নেগেটিভ” [A-ve] রক্তের প্র্রয়োজন। ওনার প্রচুর পরিমানে রক্ত-ক্ষরণ হচ্ছে। রক্ত-দান করতে আগ্রহি হলে এখনই যোগাযোগ করুন।

স্থান- CMH Hospital, Cantonment, Dhaka
[Family Ward, Cabin No- 04]
যোগাযোগ- 01683459250, 01776066238
Gef

23/02/2013

Protest against war criminal,Jamat-e-islami and Chatro shibir at Boon,Germany.

19/02/2013

গনজাগরনের সকল সৈনিক /সকল বন্ধু/ বান্ধবীদেরকে "চেতনায় ৭১, শাহাবাগের গনজাগরনে ইউরোপ৷" তে প্রবেশ করে ইউরোপ থেকে ৭১ , এর চেতনায় ও শাহাবাগের গনজাগরনে আমাদেরকে উৎফূল্ল ও জাগরিত করে তুলুন ৷ Admin

চেতনায় ৭১, শাহাবাগের গনজাগরনে ইউরোপ৷
Politische Organisation
Seite: 25 gefällt das

19/02/2013

Political Organization

11/10/2012

অবশেষে দীর্ঘ ৪১ বছর পর একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ ও বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার হতে যাচ্ছে। প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারে

Adresse

Frankfurt

Webseite

Benachrichtigungen

Lassen Sie sich von uns eine E-Mail senden und seien Sie der erste der Neuigkeiten und Aktionen von Bangladesh Awami League Germany erfährt. Ihre E-Mail-Adresse wird nicht für andere Zwecke verwendet und Sie können sich jederzeit abmelden.

Die Praxis Kontaktieren

Nachricht an Bangladesh Awami League Germany senden:

Teilen