Dietitian Efat

Dietitian Efat Israt Jahan Efat, BSc, MS, MPH, PGT, CND is a nationally recognized Dietitian & Nutrition Consultant, 10 years experience

Professional Bio:
Israt Jahan Efat, BSc, MS, PGT, CND is a nationally recognized Dietitian & Nutrition Consultant, healthy cooking expert, and captivating communicator inspiring millions of people to eat and live well. She graduated under the University of Dhaka with a Bachelor of Science in Food & Nutrition. Efat received a Masters of Science in Food & Nutrition under the University of Dhaka. She

has completed her internship at BIRDEM General Hospital, Dhaka. Efat has conducted many media interviews over the past decade, including guest appearances on TV channel such as Channeli, News24, etc. She has also written for newspapers such as kalerkantho, Prothom Alo. She worked as Honorary Dietitian at BIRDEM Hospital, Nutrition Executive at Index Group, Research Assistant at Games P Grant School of Public Health and Nutritionist at GlaxoSmithKline also. Efat has done PGT (Clinical Nutrition & Dietetics) BIRDEM

PGT (Weight Management) EMORY University, USA
PGT (Dietary Management of Diabetes) University of Copenhagen, Denmark
& Training on Pregnancy Nutrition, Ludwig-Maximilians-Universität München, Germany.

19/05/2026

কোরবানির মাংস সংরক্ষণে বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক উপায়

19/05/2026

কোরবানির ঈদে বিভিন্ন বয়সী বিভিন্ন রোগাক্রান্ত ব্যক্তিগণ খাবারের বিষয়ে যেভাবে সচেতন থাকবেন

19/05/2026

কোরবানির ঈদে বিভিন্ন মানুষের জন্য পরিমিত পরিমান ঠিক কতটুকুন ?জানতে ভিডিওটি দেখুন

19/05/2026

সামনে কোরবানির ঈদ, জেনে নিন লিনমিট কি এবং কারা খাবেন

19/05/2026

ব্যাচেলর যারা থাকেন তাদের খাবার অভ্যাস যেমন হওয়া উচিত

১৯ মে – বিশ্ব IBS দিবস ২০২৬এই বছরের World IBS Day-এর প্রতিপাদ্য বিষয় হলো:“Breaking the Silence Around IBS” — অর্থাৎ, আইব...
19/05/2026

১৯ মে – বিশ্ব IBS দিবস ২০২৬
এই বছরের World IBS Day-এর প্রতিপাদ্য বিষয় হলো:
“Breaking the Silence Around IBS” — অর্থাৎ, আইবিএস নিয়ে নীরবতা ভাঙুন, সচেতনতা বাড়ান।

Irritable Bowel Syndrome বা আইবিএস এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি গাট বা অন্ত্রজনিত সমস্যা, যেটিতে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ভুগলেও অনেকেই বুঝতেই পারেন না যে তাদের সমস্যার নাম আইবিএস। কারও দীর্ঘদিন গ্যাস, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পাতলা পায়খানা, খাবার খেলেই অস্বস্তি বা টয়লেট ক্লিয়ার না হওয়ার সমস্যা থাকলেও তারা এটিকে সাধারণ “গ্যাস্ট্রিক” ভেবে এড়িয়ে যান।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, আইবিএস শুধু পেটের অসুখ নয়; এটি গাট-ব্রেইন কানেকশন, হরমোন, স্ট্রেস, ঘুম, খাদ্যাভ্যাস এবং গাট ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত একটি জটিল লাইফস্টাইল ডিজঅর্ডার।

আইবিএস সাধারণত ৩ ধরনের হয়

১) IBS-C (Constipation Predominant)

এই ধরনের রোগীদের প্রধান সমস্যা কোষ্ঠকাঠিন্য।

বাথরুম ক্লিয়ার না হওয়া

পেট শক্ত বা ফুলে থাকা

অতিরিক্ত গ্যাস

খাবারের পর অস্বস্তি

২) IBS-D (Diarrhea Predominant)

এই ধরনের রোগীদের বারবার পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া হয়।
সাথে থাকে—

পেট ব্যথা

গ্যাস

ব্লোটিং

খাবার সহ্য না হওয়া

৩) IBS-M বা Mixed Type

এই রোগীদের কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য, আবার কখনো ডায়রিয়া হয়।
একই ব্যক্তির ক্ষেত্রেও উপসর্গ সময় অনুযায়ী বদলে যেতে পারে।

আইবিএস কি পুরোপুরি ভালো হয়?

বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞানে আইবিএসের নির্দিষ্ট “কিওর” বা স্থায়ী ওষুধ নেই।
তবে সুখবর হলো— সঠিক লাইফস্টাইল, ব্যক্তিভিত্তিক ডায়েট, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং গাট হেলথ ঠিক রাখলে অধিকাংশ রোগী দীর্ঘদিন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

অর্থাৎ,
আইবিএস “ম্যানেজ” করা যায় অত্যন্ত ভালোভাবে, যদি রোগী নিজের ট্রিগারগুলো বুঝতে শেখেন।

আইবিএস রোগীর ডায়েট কেন এত ব্যক্তিভিত্তিক?

একই ধরনের উপসর্গ থাকা দুইজন আইবিএস রোগীর খাবারের ট্রিগার সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে।
কারও দুধে সমস্যা হয়, কারও গমে, কারও শাকে, আবার কারও পেঁয়াজ-রসুনে।

এ কারণেই আইবিএস রোগীর জন্য “একটি সবার জন্য উপযোগী ডায়েট চার্ট” বাস্তবে কাজ করে না।
বিজ্ঞানভিত্তিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডায়েট পরামর্শ

১) প্রোবায়োটিক গাটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক আইবিএস রোগীর গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

একটি ভালো মানের প্রোবায়োটিক গাটের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

প্রোবায়োটিকের উৎসঃ

টক দই

পান্তা ভাত

ফারমেন্টেড খাবার

তবে যাদের দুধে সমস্যা আছে, তারা ল্যাকটোজ ফ্রি বা প্ল্যান্ট বেসড বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

২) সব ফাইবার এক রকম নয়

ফাইবার মূলত দুই ধরনেরঃ

Soluble Fiber (পানিতে দ্রবণীয়)

এগুলো পানি টেনে জেল তৈরি করে এবং মল নরম রাখতে সাহায্য করে।

উৎসঃ

ওটস

আপেল

ইসবগুলের ভুসি

যব

এগুলো বিশেষ করে IBS-C রোগীদের জন্য উপকারী।

Insoluble Fiber

এগুলো অন্ত্রের গতি বাড়ায় কিন্তু অনেক IBS রোগীর ক্ষেত্রে গ্যাস ও ডায়রিয়া বাড়াতে পারে।

উৎসঃ

গম

শাক

ব্রাউন রাইসের কিছু অংশ

বিশেষ করে IBS-D রোগীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ইনসলিউবল ফাইবার উপসর্গ বাড়াতে পারে।

৩) ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স ও IBS

অনেক IBS রোগীর ক্ষেত্রে গরুর দুধ খেলে—

পেট ফাঁপা

গ্যাস

ডায়রিয়া

অস্বস্তি বাড়ে

কারণ তাদের শরীরে Lactase এনজাইম কম থাকে।

বিকল্প হতে পারেঃ

Soy milk

Almond milk

Cashew milk

৪) গ্লুটেন ও IBS

গমে থাকা গ্লুটেন নামক প্রোটিন কিছু মানুষের অন্ত্রে প্রদাহ, ব্লোটিং এবং অস্বস্তি বাড়াতে পারে।

সব IBS রোগীর গ্লুটেন সমস্যা না থাকলেও, কিছু গবেষণায় Gluten-reduced বা Low-FODMAP diet উপকারী দেখা গেছে।

বিকল্পঃ

ওটস

কিনোয়া

বাকহুইট

গ্লুটেন ফ্রি রাইস

৫) ইসবগুলের ভুসি

Psyllium Husk বা ইসবগুলের ভুসি IBS-C রোগীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গবেষণাসমর্থিত ফাইবারগুলোর একটি।

এটি মল নরম করতে এবং বাওয়েল মুভমেন্ট নিয়মিত রাখতে সাহায্য করতে পারে।

৬) প্রসেসড ফুড IBS ট্রিগার করতে পারে

অতিরিক্ত—

চিনি

ট্রান্স ফ্যাট

প্রিজারভেটিভ

কৃত্রিম রঙ

অতিরিক্ত লবণ

গাট ইনফ্লামেশন বাড়াতে পারে এবং অনেকের IBS উপসর্গ ট্রিগার করে।

৭) চিনি ও Artificial Sweetener

অতিরিক্ত চিনি অন্ত্রে ফারমেন্ট হয়ে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও ব্লোটিং তৈরি করতে পারে।

আবার Aspartame বা Sucralose-এর মতো Artificial Sweetener অনেক IBS রোগীর গাট ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

বিকল্প হিসেবে Stevia তুলনামূলক ভালো সহনীয় হতে পারে।

৮) পেঁয়াজ ও রসুন কেন সমস্যা করে?

পেঁয়াজ ও রসুনে Fructans নামক FODMAP উপাদান থাকে।
অনেক IBS রোগীর শরীর এগুলো ভালোভাবে ভাঙতে পারে না।

ফলে হতে পারে—

গ্যাস

পেট ব্যথা

ব্লোটিং

৯) স্ট্রেস ও IBS — গাট-ব্রেইন কানেকশন

স্ট্রেস IBS-এর সবচেয়ে বড় ট্রিগারগুলোর একটি।

কারণ আমাদের অন্ত্র এবং মস্তিষ্কের মধ্যে সরাসরি স্নায়বিক যোগাযোগ রয়েছে, যাকে বলা হয়:

Gut–Brain Axis

অতিরিক্ত মানসিক চাপ অন্ত্রের নড়াচড়া, হজম ও গাট ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।

সহায়ক হতে পারেঃ

ব্রিদিং এক্সারসাইজ

মেডিটেশন

পর্যাপ্ত ঘুম

নিয়মিত হাঁটা

স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট

১০) IBS রোগীদের পুষ্টিঘাটতি

দীর্ঘদিন খাবার সীমিত করে চললে অনেক IBS রোগীর মধ্যে দেখা যায়—

Vitamin B deficiency

Vitamin D deficiency

Iron deficiency

Calcium deficiency

তবে সাপ্লিমেন্ট অবশ্যই ব্যক্তিভিত্তিক এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত।

Low-FODMAP Diet কী?

বর্তমানে IBS ম্যানেজমেন্টে সবচেয়ে বেশি গবেষণাসমর্থিত খাদ্য পদ্ধতিগুলোর একটি হলো Low-FODMAP Diet।

এতে এমন কিছু কার্বোহাইড্রেট সীমিত করা হয় যেগুলো অন্ত্রে ফারমেন্ট হয়ে গ্যাস ও ব্লোটিং বাড়ায়।

তবে এটি দীর্ঘমেয়াদে নিজে নিজে না করে একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের তত্ত্বাবধানে করা উচিত।

আইবিএস কোনো “সাধারণ গ্যাস্ট্রিক” নয়।
আবার এটি এমনও নয় যে জীবন শেষ।

সঠিকভাবে নিজের শরীরের ট্রিগার বুঝে, ডিসিপ্লিনড লাইফস্টাইল মেনে, ব্যক্তিভিত্তিক ডায়েট ফলো করলে অধিকাংশ IBS রোগী দীর্ঘদিন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
নিজের শরীরকে বুঝতে শেখা এবং প্রয়োজন হলে একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া।

খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
ইসরাত জাহান ইফাত, ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা 10 বছর
এমএসসি বিএস সি ইন ফুড এন্ড নিউট্রিশন (DU) এম পি এইচ (SUB)
স্পেশাল ট্রেনিং অন ক্লিনিক্যাল এন্ড থেরাপিটিক নিউট্রিশন (বারডেম)
এডভান্স ট্রেনিং অন ওয়েট ম্যানেজমেন্ট (USA)
এডভান্স ট্রেনিং অন ডায়াবেটিক ডায়েট ম্যানেজমেন্ট (Denmark)
ইন্টার্নশিপ (BIRDEM)
CND training (বারডেম)
সিনিয়র ক্লিনিক্যাল ডায়েটেশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালটেন্ট, বাংলাদেশ সাইক্রিয়াটিক কেয়ার লিমিটেড ঢাকা।
চেম্বার:
বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক কেয়ার ক্লিনিক
ধানমন্ডি, ঢাকা
চেম্বারে দেখানোর জন্য যোগাযোগ করুন 09604604604, প্রতিদিন 8.30 to 10.30pm, 9am to 11am .
ডায়েট কনসাল্টেশন সেবাটি অনলাইনে 15 দিন পর থেকে এভেলেবল আছে সে ক্ষেত্রে সিরিয়ালের জন্য 01971433044 হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন

International Medical & Nutrition Guidelines References

American College of Gastroenterology — ACG Clinical Guideline for Management of Irritable Bowel Syndrome

British Society of Gastroenterology — British Society of Gastroenterology IBS Guidelines

National Institute for Health and Care Excellence — NICE IBS Management Guideline

Monash University — Evidence-based Low-FODMAP Diet Research

World Gastroenterology Organisation — IBS Global Clinical Practice Guidelines

Academy of Nutrition and Dietetics — Evidence-Based Nutrition Practice Guidelines for IBS















IBS নিরাময়ে কিছু খাদ্য তালিকা মেনে চললে স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়িয়ে চলা সম্ভব। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন পুষ্টিব.....

আপনি কি জানেন, PCOS now Renamed PMOS!!PCOS (Polycystic O***y Syndrome) এখন শুধু “ওভারির রোগ” হিসেবে দেখা হচ্ছে না। আধুনি...
14/05/2026

আপনি কি জানেন, PCOS now Renamed PMOS!!
PCOS (Polycystic O***y Syndrome) এখন শুধু “ওভারির রোগ” হিসেবে দেখা হচ্ছে না। আধুনিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নে এটিকে আরও বিস্তৃতভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য বর্তমানে “Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome (PMOS)” ধারণাটি গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ এই অবস্থাটি শুধু ডিম্বাশয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি multisystem endocrine-metabolic disorder, যা হরমোন, বিপাকক্রিয়া (metabolism), মানসিক স্বাস্থ্য, প্রজনন ক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকির সাথেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।

অর্থাৎ, PMOS মানে শুধু ovarian cyst নয়— পুরো শরীরের hormonal signaling, insulin metabolism, inflammatory pathway এবং reproductive function এর জটিল সমন্বয়ের একটি syndrome।

PMOS শব্দটি ভেঙে বললে পাওয়া যায়—

P – Polyendocrine
অর্থাৎ একাধিক endocrine gland ও hormonal pathway জড়িত থাকে। Hypothalamus–Pituitary–Ovarian axis ছাড়াও insulin pathway, adrenal androgen pathway, thyroid function এমনকি cortisol regulation পর্যন্ত প্রভাবিত হতে পারে।

M – Metabolic
এখানে insulin resistance, hyperinsulinemia, visceral obesity, dyslipidemia, metabolic inflammation এবং type-2 diabetes risk বৃদ্ধি পায়। অনেক ক্ষেত্রে এটি metabolic syndrome-এর পূর্বধাপ হিসেবেও কাজ করে।

O – Ovarian
ডিম্বাশয়ের স্বাভাবিক follicular maturation ব্যাহত হয়। Ovulation অনিয়মিত বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যার ফলে infertility, irregular menstruation এবং multiple immature follicles দেখা যায়।

S – Syndrome
অর্থাৎ এটি একটি single disease নয়; বরং একাধিক শারীরিক, হরমোনাল ও মানসিক উপসর্গের সমষ্টি।

PMOS-এর মূল pathophysiology বুঝতে হলে তিনটি প্রধান সিস্টেম বুঝতে হবে—
১. Hormonal Dysregulation
PMOS-এ সাধারণত androgen hormone বেড়ে যায়, যাকে hyperandrogenism বলা হয়। এর ফলে
• Acne বা ব্রণ
• Hirsutism (অবাঞ্ছিত লোম বৃদ্ধি)
• Scalp hair thinning
• Irregular menstruation
• Ovulation disturbance দেখা যায়।

LH/FSH ratio imbalance এর কারণেও follicle maturation ব্যাহত হয়। Estrogen-Progesterone imbalance দীর্ঘমেয়াদে endometrial hyperplasia-এর ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

২. Insulin Resistance & Metabolic Dysfunction
এটি PMOS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি। শরীরে insulin থাকলেও cell সেটিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে না। ফলে pancreas অতিরিক্ত insulin তৈরি করে।

এই hyperinsulinemia আবার ovarian androgen production বাড়িয়ে দেয়। এর ফল—
• Belly fat বৃদ্ধি
• Excess appetite ও sugar craving
• Rapid weight gain
• Fatigue
• Prediabetes ও Type-2 diabetes risk বৃদ্ধি
• Fatty liver ও dyslipidemia হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

ঘাড়, বগল বা শরীরের ভাঁজে কালচে দাগ (Acanthosis Nigricans) insulin resistance-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ clinical sign হতে পারে।

৩. Ovarian Dysfunction
Follicle নিয়মিত mature হতে না পারলে ovulation কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়। এতে fertility challenge দেখা দিতে পারে। Ultrasound-এ multiple immature follicles দেখা যেতে পারে, যদিও সব PMOS রোগীর ultrasound-এ একই ছবি নাও থাকতে পারে।

PMOS শুধু শারীরিক সমস্যা নয়, এটি mental health-এর সাথেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। গবেষণায় দেখা গেছে PMOS আক্রান্ত নারীদের মধ্যে anxiety, depression, body image dissatisfaction, emotional eating এবং chronic stress তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। Chronic stress cortisol hormone বাড়িয়ে insulin resistance আরও worsen করতে পারে।

PMOS হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ factor জড়িত বলে মনে করা হয়—
• Genetic predisposition
• Insulin resistance
• Chronic low-grade inflammation
• Sedentary lifestyle
• Sleep deprivation
• Ultra-processed food intake
• Chronic psychological stress
• Environmental endocrine disruptor exposure

দীর্ঘমেয়াদে untreated PMOS থেকে যেসব জটিলতা হতে পারে—
• Type-2 Diabetes Mellitus
• Hypertension
• Cardiovascular Disease
• Non-alcoholic Fatty Liver Disease (NAFLD)
• Infertility/Subfertility
• Sleep Apnea
• Endometrial Hyperplasia ও Endometrial Cancer risk
• Chronic systemic inflammation

তাহলে করণীয় কী?

PMOS management-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো lifestyle intervention। International evidence-based guideline অনুযায়ী প্রথম চিকিৎসাই হচ্ছে nutrition therapy, exercise এবং metabolic correction।

খাদ্যাভ্যাসে যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—
• High-fiber low glycemic foods
• Adequate protein intake
• Omega-3 rich খাবার
• Seasonal colorful vegetables
• Whole grains
• Nuts & seeds
• Fermented foods ও gut-friendly খাবার

যেসব খাবার কমাতে হবে—
• Sugary beverages
• Refined carbohydrate
• Excess bakery foods
• Ultra-processed খাবার
• Trans fat ও deep fried foods

Exercise guideline অনুযায়ী—
• সপ্তাহে অন্তত ১৫০–৩০০ মিনিট moderate physical activity
• Resistance training সপ্তাহে ২–৩ দিন
• Daily হাঁটা
• Breathing exercise ও stress management অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

Sleep hygiene-ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কম ঘুম cortisol বাড়িয়ে insulin resistance worsen করতে পারে।

বর্তমান guideline অনুযায়ী শুধুমাত্র weight loss নয়, বরং metabolic flexibility, insulin sensitivity, hormonal balance এবং inflammatory reduction-ই PMOS management-এর মূল লক্ষ্য।

মনে রাখতে হবে, PMOS মানেই জীবন থেমে যাওয়া নয়। সঠিক lifestyle modification, nutrition therapy, mental health care এবং প্রয়োজনীয় medical support-এর মাধ্যমে অধিকাংশ নারীই সম্পূর্ণ স্বাভাবিক, সুস্থ ও reproductive জীবনযাপন করতে পারেন। মানে problem টা শুধু o***y তে না, পুরো metabolic environment এ।

আর সবচেয়ে important part হলো -
PMOS/PCOS মানেই lifelong hopeless condition না।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই -
- lifestyle change
- sleep fix
- stress management
- balanced diet
- movement
- weight management
এর মাধ্যমে symptoms গুলো অনেকটাই reverse করতে দেখা যায়।

তাই হতাশ না করে সিগনাল গুলো বুঝুন। সে অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস এবং লাইফস্টাইল চেন্জ করুন। ডক্টরের চিকিৎসার পাশাপাশি একজন অভিজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।

Reference Guidelines & Consensus:
• International Evidence-based Guideline for the Assessment and Management of PCOS (2023 Update)
• American College of Obstetricians and Gynecologists (ACOG) Guideline
• Endocrine Society Clinical Practice Guideline
• ESHRE/ASRM International PCOS Consensus Guideline
• Academy of Nutrition and Dietetics – Medical Nutrition Therapy for PCOS
• International Federation of Gynecology and Obstetrics (FIGO) Recommendations
• WHO Recommendations on Women’s Metabolic Health
খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
ইসরাত জাহান ইফাত, ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা 10 বছর
এমএসসি বিএস সি ইন ফুড এন্ড নিউট্রিশন (DU) এম পি এইচ (SUB)
স্পেশাল ট্রেনিং অন ক্লিনিক্যাল এন্ড থেরাপিটিক নিউট্রিশন (বারডেম)
এডভান্স ট্রেনিং অন ওয়েট ম্যানেজমেন্ট (USA)
এডভান্স ট্রেনিং অন ডায়াবেটিক ডায়েট ম্যানেজমেন্ট (Denmark)
ইন্টার্নশিপ (BIRDEM)
CND training (বারডেম)
সিনিয়র ক্লিনিক্যাল ডায়েটেশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালটেন্ট, বাংলাদেশ সাইক্রিয়াটিক কেয়ার লিমিটেড ঢাকা।
চেম্বার:
বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক কেয়ার ক্লিনিক
ধানমন্ডি, ঢাকা
চেম্বারে দেখানোর জন্য যোগাযোগ করুন 09604604604, প্রতিদিন 8.30 to 10.30pm, 9am to 11am .
ডায়েট কনসাল্টেশন সেবাটি অনলাইনে এভেলেবল আছে সে ক্ষেত্রে সিরিয়ালের জন্য 01971433044 হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন

🥭 “আম খেলে কি ডায়াবেটিস বাড়বে?” — না কি সঠিক নিয়ম জানলেই আম খেয়েও ওজন ও সুগার দুটোই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব?গরমের এই সময়টা...
13/05/2026

🥭 “আম খেলে কি ডায়াবেটিস বাড়বে?” — না কি সঠিক নিয়ম জানলেই আম খেয়েও ওজন ও সুগার দুটোই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব?
গরমের এই সময়টায় চেম্বারে আসা অনেক রোগীর সবচেয়ে কমন প্রশ্নগুলোর একটি হলো —
“আমি আম খুব ভালোবাসি… তাহলে কি পুরো সিজনেই আম খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে?”
আর সত্যি বলতে, বাংলাদেশে আম-কাঁঠালের মৌসুম মানেই এক ধরনের ইমোশন।
গ্রীষ্মকালের সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপারগুলোর একটি হলো পাকা আমের ঘ্রাণ। 🧡
তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনোই অযথা খাবার নিষিদ্ধ করার পক্ষে না। কারণ নিউট্রিশন মানে শুধু রেস্ট্রিকশন না, বরং স্মার্ট রেগুলেশন।
মন ভালো থাকলে মানুষ দীর্ঘদিন ডায়েট মেইনটেইন করতে পারে। তাই আমি রোগীর পছন্দের খাবারকে প্রাধান্য দিয়েই ডায়েট প্ল্যান করি — এমনকি আম, কাঁঠাল রেখেও।
তাহলে আসল প্রশ্ন —
🥭 ডায়াবেটিস বা ওজন কমানোর ডায়েটে আম খাওয়া যাবে?

উত্তর হলো — বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই “হ্যাঁ”, তবে পরিমাণ ও সময় বুঝে।

🥭 তাহলে কতটুকু আম খাওয়া নিরাপদ?
International nutrition guidelines ও portion control principle অনুযায়ী সাধারণতঃ

✅ প্রায় ৬০–১০০ গ্রাম আম
অর্থাৎ প্রায় আধা কাপ ম্যাংগো কিউবস
বা ছোট একটি আমের সমপরিমাণ অংশ

বেশিরভাগ মানুষ পরিমিতভাবে খেতে পারেন।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় আম্রপালি ধরলে —
প্রায় ১ স্লাইস বা ছোট একটি অংশ যথেষ্ট।

🍈 কাঁঠাল কি ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবেন?

হ্যাঁ, তবে সেটাও পরিমাণ বুঝে।

কাঁঠাল পুষ্টিগুণে ভরপুর — এতে রয়েছে ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
তবে এর গ্লাইসেমিক লোডও তুলনামূলক বেশি হতে পারে যদি একসাথে অনেক কোষ খাওয়া হয়।

✅ সাধারণত 5–7 কোষ কাঁঠাল পরিমিত পরিমাণ হিসেবে ধরা যায়।

🕒 কখন আম বা কাঁঠাল খাওয়া সবচেয়ে ভালো?

সময় নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি সকালের নাস্তার রুটি ওটস চিড়া মুড়ি এই জাতীয় কার্বোহাইড্রেট এর পরিবর্তে ছোট একটা আম অথবা 60 থেকে 100 গ্রাম অথবা কাঁঠাল 6 থেকে 8 কোয়া খেতে পারেন একই সাথে অবশ্যই ডিম দই দুধ বাদাম ইত্যাদি কোন একটি প্রোটিন রাখবেন এবং সবজি বা স্যালাড থাকবে,

❌ ভাত খাওয়ার পরপরই না, বরং দুপুরের খাবারে মাছ মাংস শাকসবজি দই খাওয়ার পর ভাত না খেয়ে অল্প আম বা কাঁঠাল রাখতে পারেন
❌ রাতে না
❌ জুস করে না

বরং—

✅ সকাল ও দুপুরের মাঝখানে
অথবা
✅ দুপুর ও রাতের মাঝের স্ন্যাকস টাইমে

খেলে ব্লাড সুগার রেসপন্স তুলনামূলক ব্যালেন্সড থাকে।

🥭 ব্লাড সুগার কম স্পাইক করাতে কিছু স্মার্ট স্ট্র্যাটেজি

১️⃣ আমের সাথে নাটস বা সিডস খান

বাদাম, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড বা পাম্পকিন সিডের হেলদি ফ্যাট ও ফাইবার গ্লুকোজ এবজর্পশন ধীর করতে সাহায্য করে।

২️⃣ ইয়োগার্ট + ম্যাংগো কম্বিনেশন ট্রাই করুন

Unsweetened yogurt অথবা বাড়িতে বানানো টক দই খাওয়ার পর এর সাথে অল্প আম খেলে স্যাটাইটি বাড়ে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে।

৩️⃣ জুস নয়, পুরো ফল খান

Whole fruit এর ফাইবার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
জুস করলে সেই ফাইবার অনেকটাই কমে যায়।

৪️⃣ কাঁচা আম অনেক সময় ভালো অপশন হতে পারে

ডালের সাথে কাঁচা আম, বা সরিষার তেল-মরিচ দিয়ে কাঁচা আম — তুলনামূলক কম সুগার লোড দিতে পারে।

৫️⃣ কমার্শিয়াল আচার এড়িয়ে চলুন

অনেক আচারেই অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও তেল থাকে।

ডায়েট মানেই প্রিয় খাবারকে ভয় পাওয়া না।
বরং শেখা —
কীভাবে খাবো, কতটুকু খাবো, কখন খাবো।
কারণ সমস্যা “আম” না —
সমস্যা হয় যখন পরিমাণ, টাইমিং ও লাইফস্টাইলের ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যায়।
তাই সঠিক গাইডলাইন মেনে চললে, অনেক ক্ষেত্রেই আম-কাঁঠাল খেয়েও ওজন কমানো, ব্লাড সুগার ব্যালেন্স রাখা এবং হরমোনাল হেলথ সাপোর্ট করা সম্ভব। 🧡

🍋 কেন আম নিয়ে এত সতর্কতা?
আমে প্রাকৃতিক চিনি (ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ, সুক্রোজ) থাকে এবং এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) মাঝারি পর্যায়ের, প্রায় ৫০–৫৫ এর মধ্যে।
অর্থাৎ এটি রক্তে সুগারের মাত্রা তুলনামূলক দ্রুত বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যদি—

• একসাথে অনেক বেশি খাওয়া হয়
• জুস করে খাওয়া হয়
• খালি পেটে খাওয়া হয়
• বা খুব পাকা ও অতিরিক্ত মিষ্টি আম হয়

তবে মনে রাখতে হবে —
একটি খাবার “ভালো” না “খারাপ” — এটা শুধু সেই খাবারের উপর নির্ভর করে না।
বরং নির্ভর করে আপনারঃ
✔️ ইনসুলিন সেনসিটিভিটি
✔️ মেটাবলিক হেলথ
✔️ পোরশন সাইজ
✔️ মোট ক্যালোরি ইনটেক
✔️ এবং পুরো দিনের খাবারের প্যাটার্নের উপর।

⚠️ যাদের ক্ষেত্রে একটু বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন
নিচের কন্ডিশনগুলো থাকলে অবশ্যই পোরশন ও টাইমিং খুব কেয়ারফুলি মেইনটেইন করতে হবেঃ
• আনকন্ট্রোলড ডায়াবেটিস
• ইনসুলিন-ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস
• সিভিয়ার ইনসুলিন রেজিস্টেন্স
• PCOS বা হরমোনাল ইমব্যালেন্স
• ফ্যাটি লিভার (বিশেষ করে গ্রেড ২ এর বেশি)
• ফ্রিকুয়েন্ট ব্লাড সুগার ফ্লাকচুয়েশন

📩 আপনার শরীরের বর্তমান কন্ডিশন, ব্লাড সুগার, PCOS, ওজন বা হরমোনাল সমস্যার উপর ভিত্তি করে পারসোনালাইজড ডায়েট ও কনসাল্টেশনের জন্য ইনবক্স করতে পারেন।
খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
ইসরাত জাহান ইফাত, ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা 10 বছর
এমএসসি বিএস সি ইন ফুড এন্ড নিউট্রিশন (DU) এম পি এইচ (SUB)
স্পেশাল ট্রেনিং অন ক্লিনিক্যাল এন্ড থেরাপিটিক নিউট্রিশন (বারডেম)
এডভান্স ট্রেনিং অন ওয়েট ম্যানেজমেন্ট (USA)
এডভান্স ট্রেনিং অন ডায়াবেটিক ডায়েট ম্যানেজমেন্ট (Denmark)
ইন্টার্নশিপ (BIRDEM)
CND training (বারডেম)
সিনিয়র ক্লিনিক্যাল ডায়েটেশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালটেন্ট, বাংলাদেশ সাইক্রিয়াটিক কেয়ার লিমিটেড ঢাকা।
চেম্বার:
বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক কেয়ার ক্লিনিক
ধানমন্ডি, ঢাকা
চেম্বারে দেখানোর জন্য যোগাযোগ করুন 09604604604, প্রতিদিন 8.30 to 10.30pm, 9am to 11am .
ডায়েট কনসাল্টেশন সেবাটি অনলাইনে এভেলেবল আছে সে ক্ষেত্রে সিরিয়ালের জন্য 01971433044 হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন

10/05/2026

শিশুর সুস্থ আগামীর জন্য জন্মের প্রথম ছয় মাস শুধু মাতৃদুগ্ধই একমাত্র ভরসা। 🤱✨
কিন্তু অনেক সময় পুষ্টির অভাব বা দুশ্চিন্তায় পর্যাপ্ত দুধ তৈরি হয় না, যা একজন মায়ের জন্য বড় টেনশন। 😔 মায়ের এই কষ্টের সমাধানে এবং শিশুর সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে আমরা নিয়ে এসেছি Lactony। 🌿
আপনার সোনামণির সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আজই বেছে নিন ল্যাক্টনি। 👶
🛒 অর্ডার করতে ভিজিট করুন:
🌐 ওয়েবসাইট: https://nirog.com.bd
📲 নিরোগ অ্যাপ: https://play.google.com/store/apps/details?id=nirogkids.com

10/05/2026

এখনকার মায়েরা বাচ্চারা ঠিকমতো খায় না বলে খুবই টেনশন এ থাকেন, বাচ্চার ওজন এবং উচ্চতা বয়স অনুযায়ী অনেক কম বাচ্চার গ্রোথ ঠিকমতো হচ্ছে না, ঘনঘন অসুস্থ হচ্ছে, বাচ্চা ঠিক মত ঘুমাচ্ছে না ইত্যাদি নানা ধরনের কমপ্লেন আমরা কিন্তু পেয়ে থাকি, সে ক্ষেত্রে সহজ সমাধান হলো মনামিক্স এর মাল্টিভিটামিন সিরাপ যেটা আপনার বাচ্চার হজম শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি খাবারের প্রতি ক্ষুধামন্দা দূর করে খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে রুচি বাড়াবে যেটা খুব সহজেই আপনার বাচ্চার গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করবে।

সন্তানের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বাবা-মা হিসেবে আপনাকে এখন থেকেই সচেতন হতে হবে, বর্তমানে বাংলাদেশে শিশুদের একটি বড় সংখ্যা অপষ্টিতে আক্রান্ত হয় শুধুমাত্র বাবা-মায়ের সচেতনতার অভাবে, বাচ্চার বয়স প্রথম ছয় মাস হওয়া পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ বা এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং পিরিয়ড পার করার পর বাচ্চাকে যখন ধীরে ধীরে ঘরের খাবারে অভ্যস্ত করানো হয় সেক্ষেত্রে তাকে দিতে হবে সুষম এবং পুষ্টিকর খাবার, অবশ্যই বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে দিতে হবে ভিটামিন মিনারেল আয়রন জিঙ্ক সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভাইটাল নিউট্রিয়েন্টস, তাই আপনার সন্তানের যথাযথ পুষ্টি নিশ্চিত করতে প্রতি বেলায় সুষম পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন দিতে পারেন জুনিয়র মনামিক্স মাল্টিভিটামিন সিরাপ, মনোমিক্স হলো এমন একটি ন্যাচারাল মাল্টিভিটামিন নিউট্রিশন সাপ্লিমেন্ট যা আপনার শিশুর ফিজিক্যাল এন্ড মেন্টাল হেলথ এর ডেভেলপমেন্ট এ সাহায্য করবে, কারণ এটাতে রয়েছে খাবার হজমে সহায়ক ন্যাচারাল ফাঙ্কশনাল ফুড ও প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান যেটা নিউট্রিসিওটিকালস হিসেবে কাজ করে, পাশাপাশি এতে বিদ্যমান ভিটামিন ও মিনারেল আপনার শিশুর খাবারের প্রতি রুচি বাড়ায় ঘুম বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বাচ্চাকে সারাদিন এনার্জি ঠিক রাখে, সব থেকে ভালো দিক হলো এটি কমপ্লিটলি সেইফ নিরাপদ ইফেকটিভ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি সম্পূর্ণ কেমিক্যাল ফ্রি। আপনার শিশুর ভবিষ্যৎ সুস্থতার জন্য এবং বর্তমানে রোগমুক্ত থাকার জন্য নিশ্চিন্তে আপনার শিশুকে মনামীক্স দিতে পারেন।
অনেক মা বাবাই মনে করেন শিশু ঠিকমতো পেট ভরে খেলেই ভালো যেটা অনেকক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে কারণ ওভার ওয়েট এবং আন্ডার ওয়েট দুটোই অপুষ্টি জনিত অবস্থা বা মেলনিউট্রিশন, শিশুদের পাকস্থলী ছোট হবার কারণে তারা পর্যাপ্ত খাবার খেতে পারে না, তাই মাত্র অতিরিক্ত বেশি খাবার নয়, তাই সঠিক সমাধান হচ্ছে শিশুর শরীরের প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা যাতে তারা ঘরের পুষ্টিকর খাবার সঠিক পরিমাণে খেতে পারে, বাচ্চার মুখে রুচি বাড়ানো এবং বাচ্চার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং যা শিশুকে লম্বা হতেও সাহায্য করবে । কিন্তু চাইলেও বাচ্চাদের অরুচি ও অন্যান্য সমস্যার কারণে সঠিক পরিমাণে পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না, সেক্ষেত্রে সহজ সমাধান হতে পারে মনামীক্স মাল্টিভিটামিন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি যেটা সম্পূর্ণ সাইড ইফেক্ট ফ্রি ও কেমিক্যাল ফ্রী, ফাংশনাল ফুড ও হারব্স নিউট্রাসিউটিক্যালস দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে এটা সম্পূর্ণ নিরাপদ। মনোমিক্স মাল্টিভিটামিনে সঠিক পুষ্টি উপাদানের কম্বিনেশন রয়েছে যা বাচ্চাদের মুখের রুচি বাড়াতে সাহায্য করে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে সাহায্য করে, দাঁত ও হাড়ের গঠন শক্ত ও মজবুত করবে, তার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করবে ফলে ঘনঘন আপনার বাচ্চা অসুস্থ হবে না, বাড়িতে তৈরি সুষম পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিদিন নোনা মিক্স মাল্টিভিটামিন সিরাপ খেলে আপনার শিশু থাকবে এনার্জেটিক এক্টিভ এবং ফিট।
health

10/05/2026

এখনকার মায়েরা বাচ্চারা ঠিকমতো খায় না বলে খুবই টেনশন এ থাকেন, বাচ্চার ওজন এবং উচ্চতা বয়স অনুযায়ী অনেক কম বাচ্চার গ্রোথ ঠিকমতো হচ্ছে না, ঘনঘন অসুস্থ হচ্ছে, বাচ্চা ঠিক মত ঘুমাচ্ছে না ইত্যাদি নানা ধরনের কমপ্লেন আমরা কিন্তু পেয়ে থাকি, সে ক্ষেত্রে সহজ সমাধান হলো মনামিক্স এর মাল্টিভিটামিন সিরাপ যেটা আপনার বাচ্চার হজম শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি খাবারের প্রতি ক্ষুধামন্দা দূর করে খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে রুচি বাড়াবে যেটা খুব সহজেই আপনার বাচ্চার গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করবে।

সন্তানের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বাবা-মা হিসেবে আপনাকে এখন থেকেই সচেতন হতে হবে, বর্তমানে বাংলাদেশে শিশুদের একটি বড় সংখ্যা অপষ্টিতে আক্রান্ত হয় শুধুমাত্র বাবা-মায়ের সচেতনতার অভাবে, বাচ্চার বয়স প্রথম ছয় মাস হওয়া পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ বা এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং পিরিয়ড পার করার পর বাচ্চাকে যখন ধীরে ধীরে ঘরের খাবারে অভ্যস্ত করানো হয় সেক্ষেত্রে তাকে দিতে হবে সুষম এবং পুষ্টিকর খাবার, অবশ্যই বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে দিতে হবে ভিটামিন মিনারেল আয়রন জিঙ্ক সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভাইটাল নিউট্রিয়েন্টস, তাই আপনার সন্তানের যথাযথ পুষ্টি নিশ্চিত করতে প্রতি বেলায় সুষম পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন দিতে পারেন জুনিয়র মনামিক্স মাল্টিভিটামিন সিরাপ, মনোমিক্স হলো এমন একটি ন্যাচারাল মাল্টিভিটামিন নিউট্রিশন সাপ্লিমেন্ট যা আপনার শিশুর ফিজিক্যাল এন্ড মেন্টাল হেলথ এর ডেভেলপমেন্ট এ সাহায্য করবে, কারণ এটাতে রয়েছে খাবার হজমে সহায়ক ন্যাচারাল ফাঙ্কশনাল ফুড ও প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান যেটা নিউট্রিসিওটিকালস হিসেবে কাজ করে, পাশাপাশি এতে বিদ্যমান ভিটামিন ও মিনারেল আপনার শিশুর খাবারের প্রতি রুচি বাড়ায় ঘুম বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বাচ্চাকে সারাদিন এনার্জি ঠিক রাখে, সব থেকে ভালো দিক হলো এটি কমপ্লিটলি সেইফ নিরাপদ ইফেকটিভ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি সম্পূর্ণ কেমিক্যাল ফ্রি। আপনার শিশুর ভবিষ্যৎ সুস্থতার জন্য এবং বর্তমানে রোগমুক্ত থাকার জন্য নিশ্চিন্তে আপনার শিশুকে মনামীক্স দিতে পারেন।
অনেক মা বাবাই মনে করেন শিশু ঠিকমতো পেট ভরে খেলেই ভালো যেটা অনেকক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে কারণ ওভার ওয়েট এবং আন্ডার ওয়েট দুটোই অপুষ্টি জনিত অবস্থা বা মেলনিউট্রিশন, শিশুদের পাকস্থলী ছোট হবার কারণে তারা পর্যাপ্ত খাবার খেতে পারে না, তাই মাত্র অতিরিক্ত বেশি খাবার নয়, তাই সঠিক সমাধান হচ্ছে শিশুর শরীরের প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা যাতে তারা ঘরের পুষ্টিকর খাবার সঠিক পরিমাণে খেতে পারে, বাচ্চার মুখে রুচি বাড়ানো এবং বাচ্চার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং যা শিশুকে লম্বা হতেও সাহায্য করবে । কিন্তু চাইলেও বাচ্চাদের অরুচি ও অন্যান্য সমস্যার কারণে সঠিক পরিমাণে পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না, সেক্ষেত্রে সহজ সমাধান হতে পারে মনামীক্স মাল্টিভিটামিন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি যেটা সম্পূর্ণ সাইড ইফেক্ট ফ্রি ও কেমিক্যাল ফ্রী, ফাংশনাল ফুড ও হারব্স নিউট্রাসিউটিক্যালস দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে এটা সম্পূর্ণ নিরাপদ। মনোমিক্স মাল্টিভিটামিনে সঠিক পুষ্টি উপাদানের কম্বিনেশন রয়েছে যা বাচ্চাদের মুখের রুচি বাড়াতে সাহায্য করে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে সাহায্য করে, দাঁত ও হাড়ের গঠন শক্ত ও মজবুত করবে, তার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করবে ফলে ঘনঘন আপনার বাচ্চা অসুস্থ হবে না, বাড়িতে তৈরি সুষম পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিদিন নোনা মিক্স মাল্টিভিটামিন সিরাপ খেলে আপনার শিশু থাকবে এনার্জেটিক এক্টিভ এবং ফিট।

Adresse

Ammi Moussa

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Dietitian Efat publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter La Pratique

Envoyer un message à Dietitian Efat:

Partager