01/03/2026
অনেক সময় আত্ম*হত্যা “মরতে চাওয়ার” সিদ্ধান্ত নয়।
বরং অসহনীয় মানসিক কষ্ট থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টা।
যখন বিশ্বাসভঙ্গ, অপমান, একাকীত্ব, হতাশা একসাথে জমতে থাকে, তখন মানুষের ভেতরের শক্তিটা ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়। বাইরে থেকে আমরা বলি:
“একটা মা হয়ে কীভাবে পারলো?”
“সে তো সফল ছিল!”
“শুধু পরকীয়ার জন্য?”
“অনেকে তো এর থেকেও বেশি কষ্ট পায়!”
কিন্তু গভীর মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে মানুষ যুক্তি দিয়ে ভাবে না। তখন তার মনে হতে পারে এই কষ্ট থেকে মুক্তির আর কোনো পথ নেই।
তবে আত্ম*হত্যা সাধারণত একক কোনো ঘটনার ফল নয়। মানুষের মধ্যে আগে থেকেই কিছু মানসিক দুর্বলতা বা চাপ থাকলে, একটি বড় ঘটনা ক্রাইসিস তৈরি করতে পারে।এজন্যই একই কষ্ট একজনের কাছে সহনীয়, অন্যজনের কাছে ভেঙে পড়ার কারণ হতে পারে।
তীব্র মানসিক চাপের ফলে মানুষের লজিক্যাল ও ইমোশনাল ব্রেনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় এবং সিদ্ধান্ত হয়ে যেতে পারে ইম্পালসিভ। তাই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কখনো আবেগের চরম মুহূর্তে নেওয়া উচিত নয়।
আমাদের দেশে এখনো মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক স্টিগমা আছে। আত্ম*হত্যা কোন সমাধান নয় কিন্তু আত্ম*হত্যা অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিরোধযোগ্য।
আমাদের উচিতঃ
*মানুষের মানসিক কষ্ট মনোযোগ দিয়ে শোনা
* বিচার বা নেতিবাচক মন্তব্য নয় বরং বোঝাপড়া ও সমানুভূতি দেখানো
*নীরব সংকেতগুলো গুরুত্ব দেওয়া
*মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা নিতে উৎসাহ দেওয়া
যদি কেউ হতাশা, একাকীত্ব বা আত্মহত্যার চিন্তায় ভুগে থাকেন, তাহলে দেরি না করে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর সাহায্য নিন।
“মানসিক স্বাস্থ্যও শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ”