Agartala Govt Medical College & GBP Hospital

Agartala Govt Medical College & GBP Hospital To provide best Health Care facilities to the people of the Tripura and North-Eastern Region. To be a leader in Medical Education. We learn to serve humanity.

To have a state of the art Medical College fully equipped in all respect.

প্রেস রিলিজআয়ুষ্মান ভারতের প্রাপ্ত ইনসেনটিভকে ব্যবহার করে এজিএমসি ও জিবিপি হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম দান করলেন ট্রমা কে...
03/03/2026

প্রেস রিলিজ
আয়ুষ্মান ভারতের প্রাপ্ত ইনসেনটিভকে ব্যবহার করে এজিএমসি ও জিবিপি হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম দান করলেন ট্রমা কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসকরা

আয়ুষ্মান ভারতের প্রাপ্ত ইনসেনটিভকে ব্যবহার করে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের ইনচার্জ ডাঃ পুলক সাহা সহ অন্যান্য চিকিৎসকদের সৌজন্যে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে বিশেষ চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান করা হয়েছে আজ। এই অনুদানের মধ্যে রয়েছে একটি এমআরআই কম্প্যাটিবল অক্সিজেন সিলিন্ডার, একটি হিপ স্পাইকা টেবিল এবং দুটি বোলার-ব্রাউন স্প্লিন্ট । উক্ত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামসমূহ গ্রহণ করার জন্য চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জিবিপি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন হয়েছে। এই আধুনিক ও বিশেষ সরঞ্জামসমূহ ট্রমা ও অস্থি-সংক্রান্ত জরুরী চিকিৎসা পরিষেবা আরও কার্যকর ও মানসম্মতভাবে প্রদান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। চিকিৎসকরা তাঁদের ইনসেনটিভের অর্থের একটি অংশ প্রদান করে এই তহবিলটি গঠন করেছেন। এই উদ্যোগ রোগীদের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।

প্রেস রিলিজ  আগরতলা গভর্নমেন্ট  মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের রক্ত সঞ্চালন বিভাগে স্বরক্ত সঞ্চালন (Autologous Blood...
17/02/2026

প্রেস রিলিজ

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের রক্ত সঞ্চালন বিভাগে স্বরক্ত সঞ্চালন (Autologous Blood Transfusion) চালু
আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের রক্ত সঞ্চালন বিভাগে রোগীদের উন্নত ও নিরাপদ চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে স্বরক্ত সঞ্চালন (Autologous Blood Transfusion) পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। এই আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে রোগী নিজেই নিজের রক্ত সংরক্ষণ করে ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করতে পারবেন।
এই ব্যবস্থায় অপারেশন বা নির্ধারিত অস্ত্রোপচারের পূর্বে রোগীর কাছ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজনে সেই রক্তই পুনরায় রোগীকে সঞ্চালন করা হয়। এর ফলে অন্যের রক্ত গ্রহণের প্রয়োজন কমে এবং সংক্রমণ ও অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
স্বরক্ত সঞ্চালনের প্রধান সুবিধাসমূহ হল, অন্যের রক্ত গ্রহণজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি (যেমন হেপাটাইটিস, এইচআইভি ইত্যাদি) হ্রাস, রক্তের গ্রুপ অমিল না হওয়ার ঝুঁকি থাকে না,রোগীর ইমিউন প্রতিক্রিয়া ও অ্যালার্জির সম্ভাবনা কম। রক্তের স্বল্পতার সময়েও নিরাপদ বিকল্প হিসেবে এটি কার্যকর।পরিকল্পিত অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে রোগীর আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে যেমন, সব রোগীর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রযোজ্য নয়, বিশেষ করে যাদের হিমোগ্লোবিন কম বা গুরুতর অসুস্থতা রয়েছে।জরুরি অবস্থায় এই ব্যবস্থা সবসময় সম্ভব নয়। সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়। সময়মতো রক্ত সংগ্রহ ও পরিকল্পনা প্রয়োজন।
এই পরিষেবা চালুর মাধ্যমে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতাল রাজ্যের রোগীদের জন্য আরও আধুনিক, নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি ও প্রোটোকল প্রস্তুত করেছে এবং খুব শীঘ্রই রোগীরা এই পরিষেবার সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
রোগী ও সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শের জন্য হাসপাতালের রক্ত সঞ্চালন বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য ঋষ্যমুখের বাসিন্দা সুমন বৈদ্য প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরে কর্মরত। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি,২০২৬ নিজের রক্ত এজিএমসি ব্লাড ব্যাংকে তিনি তার রক্ত পরবর্তী সময়ে তার অপারেশনের কাজে লাগানোর জন্য জমা রাখেন।

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ এর উদ্যোগে  সিপাহীজলা জেলায় মেগা  স্পেশালিস্ট স্বাস্থ্য শিবিরআগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল ক...
12/02/2026

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ এর উদ্যোগে সিপাহীজলা জেলায় মেগা স্পেশালিস্ট স্বাস্থ্য শিবির

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ এর উদ্যোগে, অল ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন, সিপাহীজলা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এর কার্যালয় , টাকারজলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সহায়তায় টাকারজলার দূরতম প্রান্তে কলইবাড়িতে আজ ১২ ফেব্রুয়ারি এক মেগা স্পেশালিস্ট স্বাস্থ্য শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিবিরে শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে। আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ এন্ড জিবিপি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এই স্বাস্থ্য শিবিরে উপস্থিত থেকে স্বাস্থ্যপরিষেবা প্রদান করেন । মোট ১১ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এই স্বাস্থ্য শিবিরে পরিষেবা প্রদান করেন। এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সিপাহীজলা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ দেবাশিস দাস, আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজের ডাঃ কনক চৌধুরী (জেনারেল মেডিসিন), ডাঃ মহেন্দ্র দেববর্মা ( জেনারেল মেডিসিন), ডাঃ দীপ্তেন্দু চৌধুরী (জেনারেল সার্জারি), ডাঃ চয়ন চাকমা (শিশুরোগ বিভাগ), ডাঃ দেবাশিস সাহা (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ), ডাঃ অনিন্দ্য দেবনাথ (অর্থোপেডিক্স), ডাঃ রাকেশ দাস (পিএমআর), ডাঃ সত্যকাম চক্রবর্তী (ইএনটি), ডাঃ পারুলদীপ চাকমা (চক্ষু বিভাগ) , ডাঃ কমল দাস (চর্মরোগ), ডাঃ অভিক দেব (ইএমডি ), সিপাহীজলা জেলার ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অফিসার ডাঃ দীপ দেববর্মা এবং টাকারজলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডাঃ বিমল কলই। রাজ্যের প্রধান হাসপাতালে প্রাপ্ত পরিষেবা যাতে গ্রামস্তরেও মানুষ পেতে পারেন সেই লক্ষ্যে এই আয়োজন। ইতিপূর্বে বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের মেগা স্বাস্থ্য শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার সুফল পেয়েছেন অগণিত মানুষ।

প্রেস রিলিজঅঙ্গদান ও প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া জোরদার করতে রাজ্যে কর্মশালারাজ্যে অঙ্গদান ও অঙ্গ প্রতিস্থাপন ব্যবস্থাকে আরও ...
16/01/2026

প্রেস রিলিজ
অঙ্গদান ও প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া জোরদার করতে রাজ্যে কর্মশালা
রাজ্যে অঙ্গদান ও অঙ্গ প্রতিস্থাপন ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে স্টেট অর্গান এন্ড টিস্যু ট্রান্সপ্লান্ট অর্গানাইজেশন ত্রিপুরার উদ্যোগে এবং মোহন ফাউন্ডেশন –এর সহযোগিতায় আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজে একদিনের একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

“ অর্গান ডোনেশন এন্ড ট্রান্সপ্লান্টেশন প্রসেস স্ট্রেংদেনিং" শীর্ষক এই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে। তিনি তাঁর বক্তব্যে অঙ্গদানকে একটি মানবিক ও জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর সফল বাস্তবায়নে আইসিইউ পর্যায়ে চিকিৎসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকারের অধিকর্তা ডাঃ এইচ. পি. শর্মা। এছাড়া আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ বিপ্লব নাথ এবং মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ বিধান গোস্বামী উপস্থিত থেকে কর্মসূচিকে সমর্থন জানান।

কর্মশালায় রিসোর্স ফ্যাকাল্টি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইমস, নিউ দিল্লির নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ দীপক গুপ্ত এবং মোহন ফাউন্ডেশন–এর একজিকিউটিভ ডাইরেক্টর শ্রীমতী পল্লবী কুমার। তাঁরা ব্রেন ডেথ সনদীকরণ, আইসিইউ-ভিত্তিক ডোনার শনাক্তকরণ, কাউন্সেলিং এবং এনওটিপি নির্দেশিকা অনুযায়ী সমন্বিত অঙ্গদান ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

এই কর্মশালায় আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ আইজিএম, টিএমসি এবং আইএলএস হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন। এসওটিটিও ত্রিপুরার নোডাল অফিসার ডাঃ মণিরুল ইসলাম জানান, এই ধরনের প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যে মৃতদেহভিত্তিক অঙ্গদান ও প্রতিস্থাপন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

আয়োজকদের মতে, এই কর্মশালা রাজ্যে নৈতিক, স্বচ্ছ এবং সংগঠিত অঙ্গদান ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রেস রিলিজপ্রয়াত  চাঁদ মোহন সাহার স্মৃতিতে জিবিপি হাসপাতালে হুইলচেয়ার প্রদানপ্রয়াত চাঁদ মোহন সাহার স্মৃতির উদ্দেশ্যে অশ...
14/01/2026

প্রেস রিলিজ
প্রয়াত চাঁদ মোহন সাহার স্মৃতিতে জিবিপি হাসপাতালে হুইলচেয়ার প্রদান

প্রয়াত চাঁদ মোহন সাহার স্মৃতির উদ্দেশ্যে অশোক পেট্রোলিয়াম এজেন্সি পরিবারের পক্ষ থেকে গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালে ১০টি হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এই হুইলচেয়ারগুলি মূলত জিবিপি হাসপাতালে আগত রোগীদের এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে যাতায়াত, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা পরিষেবায় যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে। হুইলচেয়ারগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান ডাঃ বিধান গোস্বামীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এই হুইলচেয়ার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ তপন মজুমদার, ডেপুটি মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ কনক চৌধুরী, ডেপুটি মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট (আরকেএস) ডাঃ অভিজিৎ সরকার, আরএমও ডাঃ বিকাশ দেববর্মা, ইএনটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ বিপ্লব নাথ সহ এজিএমসি’র অন্যান্য ফ্যাকাল্টি সদস্যগণ। অনুষ্ঠান শেষে অশোক পেট্রোলিয়াম এজেন্সি পরিবারের পক্ষ থেকে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগীদের মধ্যে ফল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের পক্ষ থেকে অশোক পেট্রোলিয়াম এজেন্সি পরিবারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

প্রেস রিলিজজিবিপি হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ তরুণীর হৃদপিন্ডে সফল অস্ত্রোপচার    আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিপিপ...
07/01/2026

প্রেস রিলিজ
জিবিপি হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ তরুণীর হৃদপিন্ডে সফল অস্ত্রোপচার

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিপিপি হাসপাতালের চিকিৎসকদের হৃদপিন্ডে সফল অস্ত্রোপচারে প্রাণ রক্ষা পেল এক তরুণীর। খুমুলুঙ এডিসির সদর দপ্তর এলাকার শ্যামানন্দ পাড়ার দীপালি দেববর্মা (৩০) নামে এক মহিলাকে তার ভাই গুরুতর আহত অবস্থায় গত ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ শনিবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন তার ভাই চিকিৎসকদের জনান যে, অসাবধানতাবশত বন্দুকের একটি গুলি দীপালি দেববর্মার শরীরে লাগে এবং তাতে তিনি জখম হয়েছেন। এর সঙ্গে সঙ্গেই জিবিপি হাসপাতালে তাকে নিয়ে তিনি চলে আসেন। চিকিৎসকরা দ্রুত রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন এবং মহিলার শারীরিক অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন করে চিকিৎসকরা তৎক্ষণাৎ হাসপাতালের সিটিভিএস অ্যান্ড আইআর ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞ সিটিভিএস সার্জন ডাঃ কনক নারায়ণ ভট্টাচার্যের মতামত নেবার জন্য যোগাযোগ করেন। এরপর বিশেষজ্ঞ সিটিভিএস সার্জন ডাঃ কনক নারায়ণ ভট্টাচার্য মহিলার শারীরিক অবস্থার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে তিনি রোগীর চিকিৎসা শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সেই অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ সিটিভিএস সার্জন ডাঃ কনক নারায়ণ ভট্টাচার্যের তত্ত্বাবধানে দশ সদস্যক সিটিভিএস অ্যান্ড আইআর ডিপার্টমেন্টের সার্জিকেল টিম রোগীর হার্টে পেরিকার্ডিয়ামের মধ্যে বিদ্ধ হয়ে থাকা গুলিটি ক্যাথল্যাব এর ফ্লুরোসকপি যন্ত্রের দ্বারা ধাতব গুলিটি চিহ্নিত করেন এবং সেখান থেকে সফলভাবে বের করে আনেন। বর্তমানে রোগী সংকটমুক্ত এবং আইসিইউ-তে চিকিৎসকদের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছে। উক্ত অস্ত্রোপচারে সিটিভিএস সার্জন ডাঃ কনক নারায়ণ ভট্টাচার্যের সাথে অনান্য চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন কার্ডিয়াক অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট ডাঃ রিমঝিম চাকমা, ফিজিশিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্ট সুদীপ্ত মণ্ডল, ওটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলেন জয়দীপ চক্রবর্তী, অভিজিৎ রায়, অন্নবাহাদুর জমাতিয়া, সৌরভ শীল,মৌসুমী দেবনাথ, ক্যাথলেব টেকনিশিয়ান সঞ্জয় ঘোষ, অভিজিৎ পাল, ক্যাথলেব নার্স প্রাণকৃষ্ণ দেব, সৌরভ ত্রিপুরা, দেবব্রত দেবনাথ প্রমুখ।

সিটিভিএস অ্যান্ড আইআর ডিপার্টমেন্টের সাফল্যজিবিপি হাসপাতালে হার্টের টিউমারের বিরল  অপারেশনআগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ...
20/12/2025

সিটিভিএস অ্যান্ড আইআর ডিপার্টমেন্টের সাফল্য
জিবিপি হাসপাতালে হার্টের টিউমারের বিরল অপারেশন

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে হার্টের টিউমারের বিরল অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করলেন সিটিভিএস অ্যান্ড আইআর ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞ কার্ডিয়াক সার্জন সহ মেডিক্যাল টিম।
দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার সাব্রুম মহকুমার মনু এলাকার ২২ বছরের লেভিতা ত্রিপুরা নামে এক যুবতী স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জিবিপি হাসপাতালের ফিমেল মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হন। ব্রেন স্টোকে তার শরীরের ডান দিক প্যারালাইসিস হয়ে যায় । সেখানে ৭ দিন যাবত বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিউরোলজি ওয়ার্ডে তাকে শিফট করা হয়। উনার শারীরিক অবস্থা উন্নতির জন্য কিছু ফিজিওথেরাপি ও ব্যায়াম শুরু করানো হয় । সপ্তাহ-দশ দিন বাদে উনার শ্বাসকষ্ট ও বুকে ধড়ফড় শুরু হয় এবং ক্রমান্বয়ে অবস্থার অবনতি হয়। গত ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সিটিভিএস অ্যান্ড আইআর ডিপার্টমেন্টে রেফারেল পাঠানো হয়। ওপিডিতে ডাঃ কনক নারায়ণ ভট্টাচার্যের (কার্ডিয়াক সার্জন) তত্ত্বাবধানে সঙ্গে সঙ্গে ট্রান্সইসোফেজিয়াল(TEE) ইকোকার্ডিওগ্রাম করার পর দেখা পায়, রোগিনীর হার্টের বাম অলিন্দে একটি বড় টিউমার আছে, যার অতিশীঘ্রই অপারেশন করা জরুরি । বিজ্ঞানের পরিভাষায় যার নাম এট্রিয়াল মিক্সোমা। দেখতে আঙুরের থোকার মত এই হার্টের টিউমারের অংশ মূল টিউমার থেকে খুলে গিয়ে রক্তে প্রবাহিত হয়ে মস্তিষ্কের রক্তনালীতে আটকে যায়( এম্বোলাইজেশন) , এবং রোগীনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। অতি সত্ত্বর তার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয় । চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুসারে গত ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ উনার ওপেন হার্ট সার্জারির মাধ্যমে হার্টের টিউমার বের করা হয়। জানা গেছে অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। অপারেশনে সময় লাগে প্রায় ছয় ঘন্টা। বলাবাহুল্য, ওপেন হার্ট সার্জারির মাধ্যমে এই ধরনের হার্ট টিউমার অপারেশন জিবিপি হাসপাতালের দ্বিতীয় সফল অস্ত্রোপচার। প্রথমটি হয়েছিল ২০ মার্চ ২০২৩ । আয়ুষ্মান কার্ডের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এই অস্ত্রোপচার বিনামূল্যে করা হয় । যদি এই অস্ত্রোপচার বাইরে যে কোনো হাসপাতালে করা হতো, তাতে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকারও বেশি খরচ হত ।
অপারেশনের পর রোগী সুস্থ আছেন এবং চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছেন। এই জটিল অপারেশন সম্পূর্ণ সরকারি সহায়তায় (এবি পিএম-জেএওয়াই) প্রকল্পের অধীনে সম্পূর্ণ সরকারি খরচে করা হয়েছে। তারপরও রোগীকে আইসিইউতে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। বর্তমানে উনার শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক ।
এই অপারেশন তথা চিকিৎসায় ছিলেন ডাঃ কনক নারায়ণ ভট্টাচার্য (সিটিভিএস সার্জন), ডাঃ রিমঝিম চাকমা (কার্ডিয়াক অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট), ডাঃ মণিময় দেববর্মা (ক্রিটিকাল কেয়ার)। ফিজিশিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলেন সুদীপ্ত মণ্ডল, ওটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলেন রতন মন্ডল, জয়দীপ চক্রবর্তী ও অভিজিৎ রায, পারফিউশনিস্ট সুজন সাউ ও সৌরভ ত্রিপুরা, ওটি নার্স মৌসুমী দেবনাথ, অন্নাবাহাদুর জমাতিয়া, সৌরভ শীল ও অর্পিতা সরকার, সিটিভিএস আইইউ কো-অর্ডিনেটর অভিষেক দত্ত, রিচাশ্রী সরকার ও জ্যামসন দেববর্মা। অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় রোগীর পরিবার ও আত্মীয় স্বজনরা রাজ্য সরকার এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ।

🌀প্রেস রিলিজ এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে নিউরোলজি ডিপার্টমেন্টে উপকৃত হলেন তিনজন রোগীএজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি নিউরোলজ...
17/12/2025

🌀প্রেস রিলিজ
এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে নিউরোলজি ডিপার্টমেন্টে
উপকৃত হলেন তিনজন রোগী
এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি নিউরোলজি বিভাগের ধারাবাহিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন রোগীরা। আজ ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ জিবিপি হাসপাতালে সোনামুড়ার বাসিন্দা,বিশ্রামগঞ্জের বাসিন্দা এবং ধর্মনগরের বাসিন্দা,এই ৩ জন রোগীকে বোটুলিনাম টক্সিন (বটক্স) ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’জন পোস্ট-স্ট্রোক স্প্যাস্টিসিটি-র রোগী। স্ট্রোকের পর হাত-পা শক্ত হয়ে যাওয়া, নড়াচড়ায় অসুবিধা ও দৈনন্দিন কাজ করতে না পারার কষ্ট তাঁদের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ছিল।এই ইনজেকশনের মাধ্যমে পেশীর অতিরিক্ত টান ধীরে ধীরে কমবে, চলাফেরা ও ফিজিওথেরাপির সুযোগ বাড়বে এই আশাই আজ তাঁদের চোখে ধরা পড়েছে।অন্য একজন রোগী দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন মাইগ্রেনের তীব্র ও বারবার ফিরে আসা মাথা ব্যথায়। নিয়মিত ওষুধেও যখন তেমন উপকার হচ্ছিল না, তখন বোটুলিনাম টক্সিন(বটক্স)ইনজেকশন তাঁর জীবনে নতুন আশার আলো দেখাল—মাথা ব্যথার তীব্রতা ও ঘনত্ব কমার প্রত্যাশা নিয়ে।এই বোটুলিনাম টক্সিন(বটক্স)ইনজেকশন প্রদান করেন নিউরোলজি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নিউরোলজিস্ট ডাঃ অবির লাল নাথ ও নিউরোলজিস্ট ডাঃ অর্পণ মিত্র। বোটুলিনাম টক্সিন (বটক্স) ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা করা খুবই ব্যয়বহুল। এই অত্যাধুনিক চিকিৎসা যেন আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কারও নাগালের বাইরে না থাকে সেই জন্য বিপিএল কার্ডের মাধ্যমে এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রোগীদের দেওয়া হয়। ডাঃ আবীর লাল নাথের সঙ্গে অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের উক্ত টিমে ছিলেন ডাঃ অভিজিৎ আচার্য, ডাঃ সুপ্রতিম সাহা, ডাঃ শুভ্রজিৎ দাস, ডাঃ পৌলমী নাগ, ডাঃ অর্কপ্রভ রায় চৌধুরী এবং নার্সিং অফিসার সেবিকা দত্ত, রোজি চক্রবর্তী, সুরজিৎ সূত্রধর, আর্ণিকা সিনহা, আবুল হোসেন প্রমুখ।

🌀প্রেস রিলিজজিবিপি হাসপাতালে  কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের সাফল্য  পায়ের রক্তনালী শুকিয়ে যাওয়া সংকটাপন্ন রোগী কার্ডিওলজিস...
10/12/2025

🌀প্রেস রিলিজ

জিবিপি হাসপাতালে কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের সাফল্য
পায়ের রক্তনালী শুকিয়ে যাওয়া সংকটাপন্ন রোগী কার্ডিওলজিস্টদের চিকিৎসায় সম্পূর্ণ সুস্থ

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কার্ডিওলজিস্ট চিকিৎসকদের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ফলেই প্রাণ ফিরে পেল সোনামুড়ার ৫৬ বৎসর বয়সী একজন সংকটাপন্ন রোগী। গত ছয় মাস যাবৎ হাঁটা-চলা করার সময় রোগীর দু’পায়ে প্রচন্ড ব্যথা হত এবং এই ব্যথার জন্য রোগী রাতে ঘুমোতে পারতেন না। গত এক মাস ধরে রোগীর এই ব্যাথা চরম আকার ধারণ করে এবং রোগীর দু’পায়ে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উক্ত সমস্যা নিয়ে রোগীকে জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ রাকেশ দাসের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করা হয়। ডাঃ দাস গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ রোগীর এনজিওগ্রাফি করেন। আর এই এনজিওগ্রাফি রিপোর্ট বিচার বিশ্লেষণ করে ডাঃ দাস দেখেন যে রোগীর দু’পায়ের রক্তনালী শুকিয়ে গেছে। এই উপসর্গকে পেরিফেরাল আর্টেরিয়াল ডিজিজ বা পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ বলা হয়ে থাকে। এটি একটি রক্তনালীর রোগ, যেখানে হৃৎপিণ্ড বা মস্তিষ্কের বাইরের ধমনী, শিরা বা লিম্ফ্যাটিক ধমনীগুলি সরু হয়ে যায়। এক্ষেত্রে রোগীর ডান পায়ের রক্তনালী প্রায় একশ শতাংশ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং রক্তনালীর উৎপত্তি থেকে হাঁটু পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। এই সমস্যাটির নিরসনে কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ রাকেশ দাস রোগীকে দ্রুত অস্ত্রোপচার করার পরামর্শ প্রদান করেন। সেই অনুযায়ী গত ২ ডিসেম্বর ২০২৫ রোগীর রক্তনালীতে স্টেন্ট বসানো হয়। এই অস্ত্রোপচারের পর রোগী সুস্থ হয়ে উঠে স্বাভাবিক হাঁটা-চলা করতে পারছেন এবং রোগীর পায়ে রক্ত চলাচলও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। উল্লেখ্য, এই অস্ত্রোপচারে কোন কাটা ছেঁড়া করা হয় নি। আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই চিকিৎসা করা হয়। গত ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়। এই অস্ত্রোপচার অন্য কোন বেসরকারি হাসপাতালে করতে প্রায় তিন লক্ষ টাকার মতো ব্যয় হতো। উক্ত অস্ত্রোপচারে ছিলেন আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ রাকেশ দাস, সহকারী অধ্যাপক এবং কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের বিভাগীয় প্রধান ডাঃঅনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী, কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ মান্না ভট্টাচার্য, কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের জুনিয়র চিকিৎসক ডাঃ অর্ঘ্য প্রতিম নাথ, ডাঃ অন্বেষা দেবনাথ, ডাঃ প্রান্তিক রায়, সহ ক্যাথ ল্যাব টেকনিশিয়ান সঞ্জয় ঘোষ, ক্যাথ ল্যাব নার্স দেবব্রত দেবনাথ,প্রাণকৃষ্ণ দেব,মানস দত্ত,তিতিক্ষা মজুমদার এবং ইকো টেকনিশিয়ান কিষাণ রায় প্রমুখ। বহির্রাজ্যে না গিয়ে রাজ্যেই জিবিপি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট চিকিৎসকদের হাতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা লাভ করে সুস্থ হয়ে উঠায় রোগীর পরিবার-পরিজনেরা চিকিৎসকসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগে বাংলাদেশি নাগরিকের সফল পলিপ্যাকটমিগভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজে...
10/12/2025

এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগে বাংলাদেশি নাগরিকের সফল পলিপ্যাকটমি

গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবায় আকৃষ্ট হয়ে বাংলাদেশি নাগরিকের চিকিৎসা গ্রহণের দৃষ্টান্ত অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশের কুমিল্লার কাপ্তান বাজারের বাসিন্দা মোঃ আনোয়ার হোসেনের পুত্র মোঃ সাহাব উদ্দিনের (৩২ ) বুকে জ্বালা -পোড়া, হজমের অসুবিধা ও পেটব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ ছিল। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তিনি জিবিপি হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ডিপার্টমেন্টে আসেন। সেখানে দেখানোর পর জিবিপি হাসপাতালের এস.এস.ব্লকে ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডাঃ শুভদীপ পালের পরামর্শে উনি এন্ডোস্কোপি করতে রাজি হন। এন্ডোস্কোপি রিপোর্টে উনার পলিপ ধরা পড়ে। ডাঃ শুভদীপ পাল অত্যাধুনিক সিভি ১৯০ এন্ডোস্কোপি মেশিনের দ্বারা দক্ষতার “হট স্নেয়ার পলিপ্যাকটমি” করেন। পলিপটি অপসারণের পর কোনও রক্তপাত হয়নি। বর্তমানে রোগী সুস্থ আছেন। অপারেশনের পর রোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে ছুটি দেয়া হয়। জিবিপির এস.এস.ব্লকে পলিপটির চিকিৎসা না করালে তা ভবিষ্যতে ক্যান্সারের রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা ছিল । এই টিমে ডাঃ শুভদীপ পালের সাথে ছিলেন ওটি নার্স পাপড়ি ভৌমিক, ওটি টেকনিশিয়ান সুমন কুমার শীল এবং সুলভ কর্মী হিসেবে ছিলেন মিনতি চক্রবর্তী ও বিজয়া দত্ত বণিক। লোকাল এনেস্থেসিয়া দিয়ে হয়েছে পেট না কেটেই পলিপ্যাকটোমি করা হয়েছে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরকারি খরচে পলিপ্যাকটোমি করে দেয়া হয়েছে। তিনি জিবিপি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ডাঃ শুভদীপ পালকে অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

প্রেস রিলিজএজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগের সাফল্য"মুদ্রার মতো ছোট, জীবনের মতো বড়: ইন্ট্রা-কার্ডিয়াক...
05/12/2025

প্রেস রিলিজ
এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগের সাফল্য
"মুদ্রার মতো ছোট, জীবনের মতো বড়: ইন্ট্রা-কার্ডিয়াক পেসমেকার প্রতিস্থাপন
"মুদ্রার মতো ছোট, জীবনের মতো বড়: ইন্ট্রা-কার্ডিয়াক পেসমেকার এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে নিয়ে এলো আশা ও আরোগ্য"। এজিএমসি-তে প্রথম 'লিডলেস পেসমেকার' স্থাপন করে ৭১ বছর বয়সী সংকটাপন্ন রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হলো। এক যুগান্তকারী সাফল্যে, মাল্টিডিসিপ্লিনারি মেডিক্যাল টিম অত্যন্ত সফলভাবে একটি 'লিডলেস পেসমেকার' স্থাপন করেছে। ছোট একটি মুদ্রার আকারের এই যন্ত্রটি স্থাপন করে গুরুতর অসুস্থ ৭১ বছর বয়সী এক রোগীর জীবন রক্ষা করা হয়েছে, যিনি একাধিক জীবন-হুমকির সম্মুখীন হয়েছিলেন। রোগীটিকে সম্পূর্ণ হার্ট ব্লক, ইন্ট্রাপ্যারেনকাইমাল রক্তক্ষরণ সহ গুরুতর আঘাতজনিত মস্তিষ্কের আঘাত এবং সেপটিক শকের মতো অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছিল। এর জন্য একটি উদ্ভাবনী ও সমন্বিত জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে, ইমার্জেন্সি মেডিসিন, নিউরোসার্জারি, মেডিসিন আইসিইউ এবং কার্ডিওলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞরা একত্রে কাজ করে কয়েক দিনের মধ্যে তাঁকে স্থিতিশীল করতে সক্ষম হন। কার্ডিওলজি বিভাগ হাসপাতালের ইতিহাসে প্রথমবার 'লিডলেস পেসমেকার' স্থাপন করে হৃদরোগের চিকিৎসায় এক বিশাল অগ্রগতি অর্জন করল। প্রথাগত পেসমেকারের জন্য যেখানে বুকে কাটাছেঁড়া এবং হৃদপিণ্ডে তার সংযুক্তির প্রয়োজন হয়, সেখানে এই ক্ষুদ্র যন্ত্রটি একটি শিরার মাধ্যমে প্রবেশ করিয়ে সরাসরি হৃদপিণ্ডের অভ্যন্তরে স্থাপন করা হয়। এটি সংক্রমণের ঝুঁকি কমায় এবং দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়তা করে। রোগী এখন স্থিতিশীল এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি লাভ ঘটেছে। এই ঘটনাটি আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং সম্মিলিত দক্ষতার গুরুত্বকে তুলে ধরে। "সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে গিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। এই সাফল্য সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের প্রতিশ্রুতির, দক্ষতার এবং দলবদ্ধ কাজের প্রতিফলন,এটি একজন বরিষ্ঠ কার্ডিওলজিস্ট এর বক্তব্য । চিকিৎসা সমাজের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি গর্বের মুহূর্ত। এই সফল পদ্ধতিটিকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কম জটিলতা এবং দ্রুত সুস্থতার মাধ্যমে গুরুতর হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। হাসপাতালের নেতৃত্ব জীবন রক্ষাকারী এই যাত্রায় জড়িত প্রতিটি চিকিৎসা পেশাদারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। চিকিৎসক দলে ছিলেন ডাঃ অনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী (সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট, ইন-চার্জ বিভাগীয় প্রধান, কার্ডিওলজি বিভাগ), ডাঃ রাকেশ দাস (কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট, কার্ডিওলজি বিভাগ), ডাঃ মান্না ভট্টাচার্য্য (কার্ডিওলজিস্ট, কার্ডিওলজি বিভাগ), কার্ডিওলজি বিভাগের জুনিয়র চিকিৎসকগণ ডাঃ অর্ঘ্য প্রতিম নাথ, ডাঃ অন্বেষা দেবনাথ, ডাঃ প্রান্তিক রায়, দেবব্রত দেবনাথ (ক্যাথল্যাব নার্স), প্রাণকৃষ্ণ দেব (ক্যাথল্যাব নার্স), মানস দত্ত (ক্যাথল্যাব নার্স) তিতিক্ষা মজুমদার (ক্যাথল্যাব নার্স), কিষাণ রায় (ইকো টেকনিশিয়ান), সঞ্জয় ঘোষ (ক্যাথ টেকনিশিয়ান)।

প্রেস রিলিজ এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে মহিলার পিত্তনালীতে সফল অস্ত্রোপচারধলাই জেলার আমবাসার চন্দ্রাইছড়া এলাকার ৪০...
05/12/2025

প্রেস রিলিজ
এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে মহিলার পিত্তনালীতে সফল অস্ত্রোপচার
ধলাই জেলার আমবাসার চন্দ্রাইছড়া এলাকার ৪০ বৎসর বয়সী এক মহিলার দীর্ঘদিন ধরে পেটের ব্যথা,বমি ইত্যাদি উপসর্গে ভুগছিলেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মহিলার পিত্তথলিতে পাথর (গলব্লাডার স্টোন) সহ লিভার এর সমস্যা ধরা পরে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি কুলাই জেলা হাসপাতালে গলব্লাডার অস্ত্রোপচার করার জন্য ভর্তি হন। তখন ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ মহিলার গলব্লাডার অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পর আবার উনার তীব্র পেট ব্যথা এবং বমি শুরু হয়। এজন্য মহিলাকে আবার কুলাই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তখন চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন যে উনার বিলিরুবিনের মাত্রা অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবস্থায় তখন কুলাই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসকরা মহিলাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জিবিপি হাসপাতালে রেফার করেন। মহিলাকে তখন এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের সার্জিক্যাল ডিপার্টমেন্টে ভর্তি করা হয়। এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ মহিলার এমআরআই রিপোর্টে পিত্তনালীর সংকোচন ও বাইল (পিত্ত রস) লিকেজ দেখতে পান। এদিকে আবার মহিলার জন্ডিসের উপসর্গ দেখা দেয়। এই সমস্যাটি একটি গুরুতর সংক্রমণ এবং এই বাইল লিকেজ বন্ধ করার জন্য মহিলাকে জরুরী ভিত্তিতে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। তখন মহিলাকে এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ গ্যাস্ট্রোএন্ট্রেরোলজিস্ট চিকিৎসক ডাঃ দীপঙ্কর শংকর মিত্রের তত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করা হয়। ডাঃ মিত্রের তত্ত্বাবধানে পিত্তনালীর সংকোচনজনিত এই সমস্যাটির অস্ত্রোপচার সরকারি ভাবে জিবিপি হাসপাতালেই সম্ভব হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ এই জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লিভারের ভেতর থেকে পিত্তনালীর সংকোচন মুক্ত অংশ বার করার জন্য ইন্টেসটাইনের বাইপাস পথ তৈরী করা হয়। এই অস্ত্রোপচারে ডাঃ দীপঙ্কর শঙ্কর মিত্রের সাথে অন্য সহ চিকিৎসকগণ ছিলেন ডাঃ শ্রাবণা চৌধুরী, ডাঃ সৌরভ গোস্বামী,অ্যানেস্থেসিস্ট ছিলেন ডাঃ অনুপম সরকার এবং নার্সিং অফিসার ছিলেন সঙ্গীতা দাস। এভাবে হাসপাতালে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে দীর্ঘ তিন সপ্তাহ থাকার পর তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠলে গত ১৫ অক্টোবর ২০২৫ মহিলাকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী আয়ুষ্মান জন আরোগ্য যোজনার অধীন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উক্ত অস্ত্রোপচার করা হয়। এই মহিলাকে পুনরায় এক মাস ফলোআপ চিকিৎসা করার পর তিনি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেন। বর্তমানে এই ধরনের পিত্তনালীর সংকোচন জনিত সমস্যা খুব গুরুত্বপূর্ণ রোগ। তাতে রোগী দুর্বল হয়ে যায়, সঙ্গে জন্ডিস ও পেটের ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ থাকে এবং অস্ত্রোপচারই হল এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা। এই ধরনের রোগের চিকিৎসা এখন উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে নিয়মিত ভাবেই প্রদান করা হচ্ছে। দীর্ঘ এক মাস এই মহিলা এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের আইসিইউ এবং ওয়ার্ডে ভর্তি থাকার পর সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরেন। এজন্য মহিলার পরিবার-পরিজনেরা এজিএমসি অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ গাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট চিকিৎসক এবং উনার পুরো টিম সহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Address

Agartala Government Medical College & GBP Hospital Agartala
Agartala
799006

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Agartala Govt Medical College & GBP Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share