Dr.Pijush Astrologer

Dr.Pijush Astrologer Get Your own Personal Horoscope today-Know your Desire & Fullfill your Desire . Your questions or feedback are always welcome at Ratna Jyoti .

Join in a conversation with one of our Dr.Pijush Sashtri's Astrology Consultants to help you make the right decision.Communicate the way you prefer. Need an immediate answer? See our frequently asked questions below.


*. You Direct Visit Online Live Your Astro File & Any Direct Online Consultancy to www.ratnajyoti.com
*. Ratna Jyoti Must Give to Party 100% Sure Guranted Astrological Predictions if Party Give to Ratna Jyoti 100% Real Birth Date+Time+Place.

জ্যোতিষশাস্ত্র--> সনাতন ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।‘ज्योतिषमयानन् चक्षुः’ মানে জ্যোতিষশাস্ত্র বেদের অংশ।জ্যোতিষশাস্ত্র হলো ...
24/04/2026

জ্যোতিষশাস্ত্র--> সনাতন ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
‘ज्योतिषमयानन् चक्षुः’ মানে জ্যোতিষশাস্ত্র বেদের অংশ।
জ্যোতিষশাস্ত্র হলো পরম -তত্ত্বের অন্তর্গত শিখার বিজ্ঞান।
‘জ্যোতিষ’ শব্দটি দুটি শব্দ থেকে উদ্ভূত—‘জ্যোত’, যার অর্থ দীপ্তি বা আভা, এবং ‘ঈশ’, যার অর্থ ঈশ্বর; সুতরাং এটি এমন একটি বিজ্ঞান, যা ঐশ্বরিক দীপ্তিতে সমৃদ্ধ।
विनैतदखिलं श्रौतस्मार्तं कर्म न सिद्धति ।
तस्माज्जगद्धितायेदं ब्रह्मणा रचितं पुरा ॥
প্রাচীনকালে দেবতা ব্রহ্মা জগতের কল্যাণের উদ্দেশ্যে—কাল বা সময়-সংক্রান্ত জ্ঞান হিসেবে—জ্যোতিষশাস্ত্রের সৃষ্টি করেছিলেন; কারণ এই শাস্ত্র ব্যতিরেকে শ্রৌত ও স্মার্ত কর্মসমূহ সম্পাদন করা সম্ভব নয়।
‘চতুর্লক্ষং তু জ্যোতিষম্’—এর অর্থ হলো, এই জ্যোতিষশাস্ত্রটি চার লক্ষ পবিত্র শ্লোক দ্বারা গঠিত। অধিকাংশ ভক্তই তাঁদের জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে এই শাস্ত্রের আশ্রয় গ্রহণ করেন এবং তাঁদের অনেকেই এর মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার অধিকারী হয়েছেন।
জ্যোতিষশাস্ত্রকে মিথ্যা বা ভুয়া আখ্যা দেওয়া মানেই হলো বেদকে মিথ্যা বলা!
জ্যোতিষশাস্ত্র হলো বেদের ছয়টি অংশের (বেদাঙ্গের) অন্যতম। ঋগবেদে ৩৬টি, যজুর্বেদে ৪৪টি এবং অথর্ববেদে ১৬২টি পবিত্র মন্ত্র রয়েছে, যা সরাসরি জ্যোতিষশাস্ত্রের সাথে সম্পর্কিত। এটিই বেদের সাথে জ্যোতিষশাস্ত্রের গভীর ও সুদৃঢ় সংযোগের বিষয়টি প্রমাণ করে। তাই একে মিথ্যা বলে অভিহিত করা মানেই হলো বেদকে মিথ্যা বলা।
সুতরাং, জ্যোতিষশাস্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করা মানে হলো হিন্দুদের ভোগ করা সেই ধর্মীয় স্বাধীনতাকেই প্রত্যাখ্যান করা। ফলস্বরূপ, জ্যোতিষশাস্ত্রের বিরোধিতা করা মানেই হলো হিন্দু ধর্মের বিরোধিতা করা।
যদি এটি ভুয়া হতো, তবে কি জ্যোতিষশাস্ত্র টিকে থাকত?
যদি কোনো জ্যোতিষী কোনো ব্যক্তির জীবনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোনো ঘটনার ভবিষ্যদ্বাণী করেন এবং তা সত্য প্রমাণিত হয়, তবে সেই ব্যক্তির জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস না করার কী কারণ থাকতে পারে? লক্ষ লক্ষ মানুষ এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। যারা জ্যোতিষশাস্ত্রকে নিছক প্রহসন বলে মনে করেন, তাদেরও এই বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবা উচিত। কাউকে প্রতিবারই বোকা বানানো সম্ভব নয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ জ্যোতিষীদের পরামর্শ গ্রহণ করেন; সুতরাং, এর মধ্যে নিশ্চয়ই কিছুটা সত্যতা নিহিত রয়েছে। সময়ের প্রবাহে বহু কিছুই বিলীন হয়ে গেলেও, জ্যোতিষশাস্ত্র সহস্র সহস্র বছর ধরে আজও টিকে আছে—কেবল এই বিষয়টিই এর সত্যতার অকাট্য প্রমাণ।
জ্যোতিষশাস্ত্র—জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রবক্তা সকল ঋষিই ছিলেন সর্বজ্ঞ। ‘অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতি’-র সদস্যরা বৈদিক শাস্ত্র অধ্যয়নের পূর্বেই জ্যোতিষশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা করার প্রয়াস পান; আর ঠিক এই কারণেই তাঁরা মনে করেন যে, জ্যোতিষশাস্ত্র নিছকই একটি প্রহসন। জ্যোতিষশাস্ত্রের আঠারোজন প্রবক্তা বা ব্যাখ্যাকার—যথা: দেবতা ব্রহ্মা, সূর্যদেব, এবং ঋষি বশিষ্ঠ, অত্রি, মনু, সোম, লোমেশ, মরীচি, অঙ্গিরা, ব্যাস, নারদ, শৌনক, ভৃগু, চ্যবন, যবন, গর্গ, কশ্যপ ও পরাশর—এর নাম ইতিহাসে লিপিবদ্ধ রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করা মানে হলো, এই আঠারোজন পরমাত্মার বিরুদ্ধে জ্যোতিষশাস্ত্রের আড়ালে প্রতারণা করার অভিযোগ আনা।
পূজনীয় ঋষি নারদ জ্যোতিষশাস্ত্রের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন, যা নিচে বর্ণিত হলো:---
सिद्धान्तसंहिताहोरारूपस्कन्धत्रयात्मकम् ।
वेदस्य निर्मलं चक्षुर्ज्योतिःशास्त्रमनुत्तमम् ॥
জ্যোতিষশাস্ত্র একটি মহৎ বিজ্ঞান এবং বেদের একটি পবিত্র অংশ। এটি তিনটি স্কন্ধ বা ভাগে বিভক্ত—সিদ্ধান্ত (নিয়মাবলি), সংহিতা (শাস্ত্রগ্রন্থ) এবং হোরা (বৈদিক কাল-বিভাজন পদ্ধতি)।
জ্যোতিষশাস্ত্রও একটি বিজ্ঞান – পরমপূজ্য (ড.) রঘুনাথ শুক্লা, অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী, ন্যাশনাল কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি (NCL)
৩৫ বছরের গবেষণার পর আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, জ্যোতিষশাস্ত্রও একটি শাস্ত্র; এটি কেবল সীমাবদ্ধতাযুক্ত একটি সাধারণ বিজ্ঞান নয়। আমি গর্ববোধ করি যে, এই বিষয়টি সম্পর্কে আমি যেসব মহান বিজ্ঞানীকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, তাঁদের প্রত্যেকেই এটি মেনে নিয়েছেন। আমি ১২ জন নোবেল বিজয়ীর সাথে কথা বলেছি এবং তাঁদের জিজ্ঞাসা করেছি যে, তাঁরা কীভাবে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁরা জানান যে, সেই সময়ে তাঁরা কোনো এক দিব্যদর্শন লাভ করেছিলেন কিংবা এমন কিছু শুনেছিলেন, যা নিয়ে তাঁরা গবেষণাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান; সেই পরীক্ষা সফল হয় এবং তাঁরা নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
সংবিধানে জ্যোতিষশাস্ত্রের উল্লেখ
শুধুমাত্র কয়েকজন বিজ্ঞানী জ্যোতিষশাস্ত্রের বিরোধিতা করেন বলেই যে এই বৈজ্ঞানিক যুগে জ্যোতিষশাস্ত্র একটি প্রহসন—এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই। সুপ্রিম কোর্টও এই রায় প্রদান করেছে। এমনকি বর্তমানে আমাদের সংবিধানও একে ‘জ্যোতিষশাস্ত্র’ হিসেবেই উল্লেখ করে। সুতরাং, ভারতের কোনো রাজ্যেরই কোনো ব্যক্তি আর জ্যোতিষশাস্ত্রকে প্রহসন হিসেবে আখ্যায়িত করে এর অবমাননা করতে পারবেন না।
অভিজ্ঞতার এক বিজ্ঞান, যা ভাগ্যের তীব্রতাকে প্রশমিত করে
এক অর্থে, জ্যোতিষশাস্ত্র সময়ের ব্যবস্থাপনার গুরুদায়িত্ব পালন করে চলেছে। এটি মানুষকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় সহায়তা প্রদান করে। তা সত্ত্বেও, জ্যোতিষশাস্ত্রকে হেয় প্রতিপন্ন করার এবং এর ওপর ক্রমাগত আক্রমণ চালানোর অপচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই অপতৎপরতার মোকাবিলায় আমাদের প্রাচীন শাস্ত্রসমূহ ও জ্ঞানভাণ্ডারকে রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন—যে জ্ঞানধারা এই বিষয়ের প্রামাণ্য বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে বংশপরম্পরায় আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। শাস্ত্রসমূহ হলো শাশ্বত সত্যের আধার। এই শাস্ত্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান আসলে কতটা গভীর? এই বিশাল শাস্ত্রভাণ্ডারের ব্যাপ্তি আমরা কতটুকুই বা অনুধাবন করতে পারি? জ্যোতিষশাস্ত্র কেবলই গাণিতিক হিসাব-নিকাশ নয়; এটি একইসাথে অভিজ্ঞতালব্ধ এক বিজ্ঞানও বটে। জাতক-জাতিকার জন্মকুষ্ঠি বা রাশিফল ​​বিচার করে জ্যোতিষীরা এমন সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যার মাধ্যমে পূর্বজন্মে কিংবা বর্তমান জন্মে কৃত পাপের ফলে সৃষ্ট দুঃখ-কষ্টের তীব্রতা প্রশমিত করা সম্ভব হয়। এর ফলে সেই দুঃখের তীব্রতা এমন এক সহনীয় মাত্রায় নেমে আসে, যা মানুষ তার নিয়তি বা ভাগ্য হিসেবে সহজেই বরণ করে নিতে সক্ষম হয়।
জ্যোতিষশাস্ত্র কেবল ভাগ্যে যা ঘটতে নির্ধারিত, তার ভবিষ্যদ্বাণীই করে না; বরং তা অতিক্রম করার প্রতিকারও প্রদান করে—অর্থাৎ, সেই ভাগ্যকে জয় করতে হলে সচেতনভাবে ঠিক কোন কাজটি সম্পাদন করতে হবে, তা ব্যাখ্যা করে।
জ্যোতিষকে বলা হয় 'নয়ন' বা পথপ্রদর্শক, যা ভাগ্যের গতিপ্রকৃতি নির্ণয় করে।
জ্যোতিষশাস্ত্র মূলত 'প্রারব্ধ' (যা আমরা নিয়ে জন্মেছি) নির্ধারণ করে।
জ্যোতিষ গ্রহের স্থিতি দেখে রত্ন বা রুদ্রাক্ষ বা হোম-যজ্ঞ বা দান বা পূজা -জপ এর মাধ্যমে প্রতিকার করা হয় ।
প্রতিকারের কার্যকারিতা সম্পর্কে বলা হয়েছে:
​"মন্ত্রৌষধি বশীকৃতৌ যদ্গ্রহাশ্চৈব সংস্থিতাঃ।"
​অর্থ: মন্ত্র এবং ওষধি দ্বারা গ্রহদের অশুভ প্রভাবকেও বশীভূত করা সম্ভব। অর্থাৎ গ্রহ অনুকূল না থাকলেও জ্যোতিষ বিধানে তাদের শান্ত করা যায়।
​"সর্বেভ্যশ্চৈব দেবেভ্যঃ শক্তিঃ শ্রেষ্ঠতমা মতা।
শক্তিরূপং জগৎ সর্বং শক্তিঃ সর্বং প্রতিষ্ঠিতম্।।"
​ব্যাখ্যা: সমস্ত দেবতার ঊর্ধ্বে শক্তিই শ্রেষ্ঠ। এই জগত শক্তিরই রূপ।
গ্রহের অশুভ প্রভাব কাটানোর জন্য যখন এই দৈব শক্তির আশ্রয় নেওয়া হয়, তখন গ্রহের প্রতিকূলতা পরাভূত হয়।
"জ্যোতিষং কেবলং জ্ঞানং"
অর্থাৎ জ্যোতিষ হলো জ্ঞান ।
জ্যোতিষ রোগের নির্ণয় (Diagnosis) করে। আপনার ভাগ্যে কেন বাধা আসছে তা চিহ্নিত করে।
রত্ন ধারণের চেয়েও নির্দিষ্ট বীজমন্ত্র জপ অনেক সময় সূক্ষ্ম স্তরে বেশি গভীর প্রভাব ফেলে।
বীজমন্ত্র জপ পদ্ধতি অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই এটি কোনো অভিজ্ঞ সাধক বা শাস্ত্রজ্ঞ গুরুর নির্দেশেই করা উচিত।

পূর্ব জন্মের কর্মানুসারে এই জন্মে জ্যোতিষ কুন্ডলীটা (রোড ম্যাপটা) নিয়ে এসেছেন তাঁরা তো নিজেরাই এক একটি রত্ন মানে তাদের গ...
24/04/2026

পূর্ব জন্মের কর্মানুসারে এই জন্মে জ্যোতিষ কুন্ডলীটা (রোড ম্যাপটা) নিয়ে এসেছেন তাঁরা তো নিজেরাই এক একটি রত্ন মানে তাদের গ্রহগত অবস্থান সঠিক থাকায় রত্ন পরতে হয় না।
যাদের গ্রহগত অবস্থান একটু এদিক ওদিক– তাঁরা পরে সেই গ্রহটি শক্তি শালী করতে এটাই মুল কথা।

যারা সব কিছু নিয়ে আসে তারা জ্যোতিষ সাবজেক্টটাই বিশ্বাস করে না করলেও এর ধারে পাশে যায় না আর যারা জনমের গরীব বা ভিখিরি তারাও এসব মানে না এদের অ্যাতটাই গ্রহের কন্ডিশন খারাপ।
আর যাদের মঙ্গল শনি একটু শক্তি শালী তারা সব সময় কর্মকেই প্রাধান্য দেয় এরাও জ্যোতিষ মানে না।

বিশ্বের এবং ভারতের বহু নামি-দামি ও প্রভাবশালী ব্যক্তি জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাস, সৌভাগ্যের খাতিরে বিভিন্ন রত্ন (পাথর নয়) ব্যবহার করে থাকেন।

নিচে এমনই কয়েকজন প্রভাবশালীর তালিকা দেওয়া হলো:
ভারতের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব
১. অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan): নীলকান্তমণি (Blue Sapphire) ও ওপল।
২. নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রায়শই নীলকান্তমণি (Blue Sapphire) এবং মুক্তা (Pearl) ধারণ করতে দেখা যায়।
৩. সলমন খান (Salman Khan): ফিরোজা (Turquoise) পাথর বসানো রুপোর ব্রেসলেট।
৪. নীতা আম্বানি (Nita Ambani): পান্না (Emerald)।
৫. মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani) পীত পোখরাজ
৬. অজয় দেবগন (Ajay Devgn): নীলকান্তমণি ও রুবি।
৭. রাজনাথ সিং (Rajnath Singh): লাল প্রবাল (Red Coral)।
৮. একতা কাপুর (Ekta Kapoor): পোখরাজ, পান্না ও গোমেদ।
৯. শিল্পা শেঠী (Shilpa Shetty): পোখরাজ ও পান্না।
১০. এমএস ধোনি (MS Dhoni): নীলকান্তমণি ও ক্যাটস আই।
১১. প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী(টলিউডের শিল্পী) - পোখরাজ, পান্না
১২. বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাউ -- পান্না, চুনি

বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব:
১. রানী এলিজাবেথ (Queen Elizabeth I): মুক্তা, নীলা (Pearl)।
২. উইনস্টন চার্চিল (Winston Churchill): কার্নেলিয়ান (Carnelian)।
৩. অ্যাঞ্জেলিনা জোলি (Angelina Jolie): পান্না (Emerald)।
৪. বেয়ন্স (Beyoncé): পান্না (Emerald)।
৫. টেলর সুইফট (Taylor Swift): রুবি (Ruby)।

রত্ন ধারণের উদ্দেশ্য:
সাধারণত, এই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা তাদের কর্মজীবন, স্বাস্থ্য, এবং সামগ্রিক সাফল্যের জন্য এবং ভাগ্যের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্যে জ্যোতিষীর পরামর্শে এই রত্নগুলো পরে থাকেন।

14/04/2026

তবে গৃহস্থাশ্রমেও বিধি-নিষেধ আছে, বর্ণাশ্রম ধর্ম আছে। তাহার ব্যভিচার করিলে গৃহস্থধর্মও কলুষিত হয়।

14/04/2026

বাত বা বায়ু দোষের পরিচয়:
বাত অথবা বায়ু তিন দোষের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাত এবং বায়ু এই শব্দ দুটি সংস্কৃত "বা গতিগন্ধয়:" ধাতু থেকে জাত। যে তত্ত্ব শরীরে গতি বা উৎসাহ উৎপন্ন করে তাকে অথবা বায়ু বলা হয়। শরীরে সমস্ত রকমের গতি এর দ্বারাই হয়। বাত কে 'প্রাণ' বলে ।
'অথর্ববেদে 'সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ড' কে প্রাণের বশ বলা হয়েছে।
'চরকে 'এ বায়ুকেই অগ্নির প্রেরক, সকল ইন্দ্রিয়ের প্রেরক এবং আনন্দ ও উৎসাহের উৎপত্তি স্থান বলা হয়েছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী শরীরের সকল প্রকার রোগের কারণ বায়ুর কুপিত হওয়া।
সাতটি রোগের সৃষ্টিতে বাতের ভূমিকা রয়েছে।
কিন্তু কেবলমাত্র বাতের প্রকোপে সৃষ্ট রোগের সংখ্যা হলো আশিটি।
বাত যখন সম অবস্থায় থাকে তখন শরীরে কিছু বোঝা যায় না।
বায়ু কুপিত হলে বা দূষিত হলে যে আটটি লক্ষণ প্রকোটিত হয় সেগুলি হল -
১.শরীরে রুক্ষতা, স্বরতন্ত্রে সমস্যা, ঘুম কম হওয়া।
২.শরীরের গতি যেন দুর্বল হয়ে পড়ে। শরীরে হালকা ভাব দেখা যায়।
৩.হাত, পা, চোখ, ভুরু, ঠোট, মাথা সব জায়গায় যেন অস্থিরতা অনুভব হয়।
৪.তাড়াতাড়ি রেগে যাওয়া, তাড়াতাড়ি ভয় পাওয়া, দ্রুত কোন কিছু পছন্দ হওয়া আবার অপছন্দ করা অর্থাৎ দ্রুততার সাথে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
৫.ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা,শরীরে কম্পন আসা।
৬.মাথার চুল, নখ, দাঁত, মুখ, হাত পায়ে রুক্ষতা দেখা যায়।
৭.হাত পা সোজা করা বা ভাজ করার সময় কটকট শব্দ।
৮.অতিরিক্ত কথা বলা, সিরাগুলি উঁচু হয়ে থাকা।
বায়ু কুপিত হওয়ার কারণ :
বেগ অর্থাৎ মলমূত্র হাঁচি ইত্যাদি স্বাভাবিক ইচ্ছাগুলি চেপে রাখা। খাদ্য গ্রহণ করার পর সেই খাবার পরিপাকের আবার খাওয়া। অনেক আগ পর্যন্ত জেগে থাকা। জোরে কথা বলা। নিজের শরীরের ক্ষমতার থেকে বেশি শ্রম করা। তিক্ত খাদ্য পদার্থ অতিরিক্ত গ্রহণ করা ঝাল।অত্যধিক চিন্তা করা, মানসিকভাবে পরিশ্রান্ত থাকা, ভয় পাওয়া, উপবাস থাকা, বেশি মাত্রায় খাদ্য গ্রহণ করা, বেশি ঠান্ডা খাওয়া এইসব জন্য শরীরে বাত কুপিত হয়। বর্ষা ঋতুতে এই কারণগুলো ছাড়াই বাতের প্রকোপ স্বাভাবিকভাবে হয়। যেসব ব্যক্তি নত প্রকৃতির তাদের অল্প কারণেই বাতের প্রকোপ হয়।

14/04/2026

সত্যের জন্য দাঁড়াও, অন্যায়ের সামনে মাথা নোয়ানো মানে নিজের আত্মাকে বিক্রি করা!”

14/04/2026

মাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ
বেদে বারবার মাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ভাগবতে বলা হয়েছে যে কলিযুগের প্রধান পাপের স্তম্ভ হলো প্রাণী হত্যা ও মাংস ভক্ষণ।
যঃ পৌরুষেয়েণ ক্রবিষা সমঙ্ক্তে যো অশ্ব্যেন পশুনা যাতুধানঃ।
যো অঘ্ন্যায়া ভরতি ক্ষীরমগ্নে তেষাং শীর্ষাণি হরসা বৃশ্চ।।...........ঋগ্বেদ (১০.৮৭.১৬)
অনুবাদ: যারা মানুষের মাংস, ঘোড়া বা অন্য পশুর মাংস ভক্ষণ করে এবং যারা গাভীর দুধ হরণ করে (গাভীকে কষ্ট দেয়), হে অগ্নি! তুমি তাদের মস্তক ছিন্ন করো।
ইমং মা হিংসীরেকশফং পশুং কনিনিক্রদং বাজিনং বাজিনেষু।..........যজুর্বেদ (১৩.৪৭)
অনুবাদ: এই একখুর বিশিষ্ট পশুদের (ঘোড়া ইত্যাদি) এবং অন্য কোনো পশুকে হিংসা বা হত্যা করো না।
যদদন্নি মহদ্দন্তৌ জিহ্বা বা ব্রত ধিন্বতী।
ব্রহ্মণস্পতির্মা মা হিংস্যতমা মা হিংস্যতম্।।......অথর্ববেদ (৬.১৪০.২)
অনুবাদ: হে মানব! তোমাদের জিহ্বা ও দাঁত যেন কেবল ভাত, যব, ডাল ও তিল খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। কখনো কোনো প্রাণীকে হিংসা বা হত্যা করো না।
যাতযামং গতরসং পূতি পর্যুষিতং চ যৎ।
উচ্ছিষ্টমপি চামেধ্যং ভোজনং তামসপ্রিয়ম্।।.............শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (১৭.১০)
অনুবাদ: যা অর্ধপক্ক, গতরস, দুর্গন্ধযুক্ত, বাসি ও অমেধ্য (অশুদ্ধ বা যা খাওয়ার অযোগ্য যেমন মাংস)—সেই ভোজন তামসিক ব্যক্তিদের প্রিয়।
অভ্যর্থিতস্তদা তস্মৈ স্থানানি কলয়ে দদৌ।
দ্যুতং পানং স্ত্রিয়ঃ সূনা যত্রাধর্মশ্চতুুর্বিধঃ।।........................শ্রীমদ্ভাগবত (১.১৭.৩৮)
অনুবাদ: কলিরাজ যখন পরীক্ষিৎ মহারাজের কাছে থাকবার স্থান চাইলেন, তখন মহারাজ তাকে চারটি স্থান দিলেন: ১. দ্যুতক্রীড়া (জুয়া), ২. মদ্যপান, ৩. অবৈধ স্ত্রী-সঙ্গ এবং ৪. সূনা (প্রাণী হত্যা বা কসাইখানা)। অর্থাৎ যেখানে প্রাণী হত্যা হয়, সেখানে কলির বাস।
ন দদ্যাদামিষং শ্রাদ্ধে ন চাদ্যাদ্ধর্মতত্ত্ববিৎ।
মুন্যন্নৈঃ স্যাৎ পরা প্রীতিঃ যথা ন পশুহিংসয়া।।...........শ্রীমদ্ভাগবত (৭.১৫.৭)
অনুবাদ: যারা ধর্মের প্রকৃত তত্ত্ব জানেন, তারা শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে কখনো আমিষ (মাংস-মাছ) দান করবেন না এবং নিজেরাও তা খাবেন না। মুনিদের যোগ্য অন্ন (ফল, মূল, তিল ইত্যাদি) দিয়ে শ্রাদ্ধ করলে পিতৃপুরুষরা অত্যন্ত তৃপ্ত হন, পশুবলি বা পশুরু মাংস দ্বারা নয়।
অনুমন্তা বিশসিতা নিহন্তা ক্রয়বিক্রয়ী।
সংস্কর্তা চোপহর্তা চ খাদকশ্চেতি ঘাতকাঃ।।..............মনুস্মৃতি (৫.৫১)
অনুবাদ: ১. যিনি হত্যার অনুমতি দেন, ২. যিনি পশু কাটেন, ৩. যিনি হত্যা করেন, ৪. যিনি মাংস কেনেন বা বেচেন, ৫. যিনি মাংস রান্না করেন, ৬. যিনি মাংস পরিবেশন করেন এবং ৭. যিনি মাংস খান—এই ৮ জনই শাস্ত্রানুসারে ঘাতক বা হত্যাকারী হিসেবে গণ্য হন।
শ্রাদ্ধে মাংস দেওয়া মহাপাপ। আপনি যদি পারমার্থিক মঙ্গল এবং একটি সুস্থ সমাজ চান, তবে বৈদিক আদর্শ মেনে সাত্ত্বিক নিরামিষ ভোজন আয়োজন করা উচিত।

14/04/2026

যারা শাস্ত্রের অনুশাসন মানেন, তারা অবশ্যই গুরুতত্ত্ব গ্রহণ করেন।
আর যারা শাসন-অনুশাসন মানেন না, তারা কিছুই মানবেন না—এটাই স্বাভাবিক।
নিজে নিজে বই পড়ে বা ইউটিউব দেখে মন্ত্র জপ করা—
❌ সম্পূর্ণ ভ্রান্তি
❌ নিস্ফল প্রয়াস
পাখিরা যখন এই গাছের ফল খেয়ে অন্যত্র বিসর্জন দেয়, তখনই সেই বীজ থেকে নতুন বৃক্ষের জন্ম হয়।
ঠিক সেইরূপ—বীজমন্ত্রও গুরু পরম্পরায় বহমান।
সতর্কতা
নিজে থেকে মন্ত্র জপ করলে— সেই মন্ত্রের অধিপতি দেবতার দ্বারা অভিসম্পাত (বিপরীত ফল) হতে পারে
কারণ—
মন্ত্রজপের সঠিক পদ্ধতি, নিয়ম, শক্তি— শুধুমাত্র গুরুর হাতেই ন্যস্ত।

7 Mukhi Rudraksha
14/04/2026

7 Mukhi Rudraksha

14/04/2026

যেখানে ভয় দেখিয়ে প্রতিজ্ঞা আদায় হয়, সেখানে ভক্তি নয়—সরাসরি প্রতারণা।

14/04/2026

মানুষ ভাবে—“আমি মারা গেলে আমার পরিবারের কি হবে” কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। পৃথিবী কারো জন্য থেমে থাকে না। পরিবার, সমাজ—সবই নিজের গতিতে চলতে থাকে। কারোর মৃত্যু প্রথমে একটু শূন্যতা অনুভূত হয়, কিছুদিন স্মৃতি নিয়ে কথা হয়, তারপর ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটাই জীবনের চিরন্তন নিয়ম।
তাই জীবনের আসল প্রশ্ন হওয়া উচিত—আমি কী রেখে যাচ্ছি?
শুধু সম্পদ বা ভোগের স্মৃতি নয়, বরং এমন কিছু কাজ, যা মানুষের উপকারে আসে, সমাজকে আলোকিত করে। যে মানুষ সমাজের জন্য কিছু করে যায়—জ্ঞান, সেবা, ভালোবাসা বা ন্যায়ের পথ দেখায়—সে মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকে মানুষের হৃদয়ে। আর যে ব্যক্তি ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে নিঃস্বার্থভাবে কর্ম করে, সে পায় অন্তরের শান্তি ও চিরন্তন কৃপা।
জীবনের সত্য হলো—দেহ একদিন বিলীন হবে, কিন্তু কর্ম ও ভক্তি অমর হয়ে থাকবে।
তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—
👉 এমন কাজ করা, যা মানুষের উপকারে আসে।
👉 এমন জীবন যাপন করা, যা ঈশ্বরের কৃপা অর্জনের যোগ্য হয়।
শেষ পর্যন্ত, এই দুইটিই আমাদের প্রকৃত পরিচয় হয়ে থাকে—
মানবকল্যাণের জন্য আমাদের অবদান এবং ঈশ্বরের প্রতি আমাদের ভক্তি।।

14/04/2026

ধর্ম কাকে বলে বা ধর্ম কি ???
উত্তর :-
পানিনি ব্যাকরণ মতে "ধৃ" ধাতু থেকে "ধর্ম" শব্দটি এসেছে , আর "ধৃ" শব্দটির অর্থ হলো " ধারণ করা " l অর্থাৎ শাস্ত্রানুসারে যিনি সবকিছুকে ধারণ করে রেখেছেন তিনিই একমাত্র স্বয়ং "ধর্ম " স্বরূপ l আর বেদান্ত মতে "ব্রহ্ম-ই " একমাত্র অনন্ত ব্রম্ভান্ডকে স্বয়ং ধারণ করে রেখেছেন , তাই বেদান্ত মতে "ব্রহ্ম-ই " একমাত্র স্বয়ং "ধর্ম " স্বরূপ l অন্য কেহ নহে l
তাহলে আমরা বেদান্ত থেকে জানলাম যে -- "ব্রহ্ম-ই " একমাত্র স্বয়ং "ধর্ম " স্বরূপ l অন্য কেহ নহে l আর এই "ব্রহ্মকে " জানা বা পাওয়া কেই শাস্ত্রে
ব্রহ্মজ্ঞান বা ব্রহ্মস্থিতি বলে , আর এই "ব্রহ্মকে " জানা বা পাওয়া এর জন্যে শাস্ত্রানুসারে যে আচরণ -তাকেই একমাত্র "ধর্মাচরণ" বলেধর্ম লাভের উদ্দেশ্য কি ???
উত্তর :-
1.শাস্ত্রানুসারে তিন স্তর যথা:- 1.ধর্ম আচরণ 2.সাধনা 3.নির্বীজ সমাধি বা সম্যক সমাধি পার করে স্বয়ং"ধর্ম " স্বরূপ "ব্রহ্মকে "জানা বা পাওয়া যায় বা লীন / যুক্ত হওয়া যায় l
2.স্বয়ং"ধর্ম " স্বরূপ "ব্রহ্মকে "জানা বা পাওয়া বা লীন / যুক্ত হওয়ার পর মানুষ পূর্ণ ব্রহ্মজ্ঞান ও ব্রাহ্মীস্থীতি লাভ করে l
3.শাস্ত্রে বলেছে "পূর্ণধর্মলাভ" = ব্রহ্মজ্ঞান ও ব্রাহ্মীস্থীতি লাভ অবস্থাকেই সিদ্ধপুরুষ বা মহাপুরুষ বা ব্রহ্মজ্ঞানী অবস্থা বলে ।
4. ব্রহ্মজ্ঞান ও ব্রাহ্মীস্থীতি ব্যতিত সম্যক মোক্ষ সম্ভব নয়- এই অনুসারে "পূর্ণধর্মলাভ" = ব্রহ্মজ্ঞান ও ব্রাহ্মীস্থীতি লাভ হওয়া মাত্র "পূর্ণমোক্ষ" বা "পূর্ণমুক্তি" লাভ হয় l
৫.অষ্টাদশ বন্ধন থেকে মুক্তি লাভ হয়
6. রিপু যন্ত্রনা থেকে পূর্ণমুক্তি লাভ হয়
7.16 প্রকারের দোষ এর পূর্ণমুক্তি লাভ হয় এবং পূর্ণসিদ্ধপুরুষ বা পূর্ণমুক্তপুরুষ অবস্থা প্রাপ্ত হয়
8. জন্ম-মৃত্যু এর যে বাধ্যতামূলক যে চক্র তার থেকে পূর্ণমুক্তি লাভ হয়
9. ইষ্টদেব এর সাক্ষাৎ দর্শন ও ইষ্টদেব এর সঙ্গে চিরকালের জন্যে যুক্ত হওয়া যায়
10.জ্ঞানমার্গের পূর্ণ ও সর্ব শেষ প্রাপ্তি হয় ও অচ্যুত ব্রহ্মজ্ঞান এ ব্রাহ্মীস্থীতি লাভ স্থিতি হয়
11 ভক্তিমার্গের পূর্ণ ও সর্ব শেষ প্রাপ্তি হয় ও অচ্যুত ভাবে ভগবানে পূর্ণ ভক্তি স্থিতি হয়
12.কর্মমার্গের পূর্ণ ও সর্ব শেষ প্রাপ্তি হয় ও নিষ্কামকর্ম যোগের পূর্ণতা লাভ হয়
13.যোগমার্গের পূর্ণ ও সর্ব শেষ প্রাপ্তি হয় ও ধর্মসমাধি লাভ হয়
14.তন্ত্রমার্গের পূর্ণ ও সর্ব শেষ প্রাপ্তি হয় ও দিব্যাচার গতি প্রাপ্ত হয়
15.সেবামার্গের পূর্ণ ও সর্ব শেষ প্রাপ্তি হয় ও পঞ্চভাব ই সৎগতির পূর্ণতা প্রাপ্তি হয়
16.ভগবানের নিত্যলীলাতে প্রবেশ করার পূর্ণ অধিকার প্রাপ্ত হয়
17.ভগবানের সিঙ্গারসাধনের পূর্ণ যোগ্যতা লাভ হয়
18.শিব জ্ঞানে জীব সেবা করার যে যোগ্যতা তা পূর্ণরূপে লাভ হয়
19. সমস্থ সংস্কার ও বিকার এবং দ্বন্দ থেকে চিরকালের জন্যে পূর্ণমুক্তি লাভ হয়
20 সদা-সর্বদা দেহাতীত অবস্থায় থাকা সম্ভব হয়
21.সুখ-দুঃখ , শীত-গ্রীষ্ম , লাভ-ক্ষতি , জয়-পরাজয় , সম্মান-অপমান , প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিতে...ইত্যাদিতে সমজ্ঞান প্রাপ্তি হয়ে -সর্ব দ্বন্দ থেকে চিরকালের জন্যে পূর্ণমুক্তি লাভ হয়
22.বাকসিদ্ধি পূর্ণরূপে লাভ হয়
23.তার সর্ব সংকল্প মুহুতে সিদ্ধ বা পূর্ণ হয়
24.কোনো নারী বা পুরুষ বা দেব বা অসুর বা পশু বা ভুত-পিশাচ কেউই তাকে কোনো ভাবেই দমন করতে পারে না
25.সর্বজ্ঞাতা শক্তি লাভ হয়
26.আন্তর্জামিত্ম শক্তি লাভ হয়
27. একসঙ্গে বহু শরীর বহু স্থানে একই সঙ্গে ধারণ ক্ষমতা লাভ হয়
28. তার প্রতিটি কাজ লোক কল্যাণকারী হয় - কারণ সে সর্বদা জন্যে মঙ্গলস্থীতি প্রাপ্তি হয়েছেন - তার দ্বারা কোনো কারণেই কখনোই কোনো অমঙ্গল হতে পারে না
29.তার কোনো আশীর্বাদ মিথ্যা হয় না - তা পূর্ণ অবশ্যই হয়
30.তিনি যে কোনো শুদ্ধ আধারের লোক কে মুক্তির পথ দিতে সমর্থ
31.অষ্টাদশ সিদ্ধি লাভ হয়
32. তিনি যে কোনো লোক যে কোনো সময় ইচা মাত্র যেতে পারেন
ধর্ম লাভের যার কত কথা বলবো -এটা শেষ হবার নয় তাই মূল কিছু কথা বললাম মাত্র

Address

Asansol
713322

Opening Hours

Monday 9am - 7pm
Tuesday 9am - 7pm
Wednesday 9am - 7pm
Thursday 9am - 7pm
Friday 9am - 7pm
Saturday 9:01am - 7pm
Sunday 9am - 7pm

Telephone

+919732150484

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Pijush Astrologer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Pijush Astrologer:

Share