07/12/2025
২০২৫ সালে জন্মানো বাচ্চারাই শুরু করলো “জেনারেশন বেটা”—
এক প্রজন্ম যারা বড় হবে AI, অ্যালগরিদম, স্ক্রিন আর স্মার্টগ্যাজেটের ভিড়ে।
এই পরিবর্তন নিয়ে যেমন উত্তেজনা আছে, তেমনি দুশ্চিন্তাও কম নয়।
গবেষকরা বলছেন—এই প্রজন্মের শেখা, আবেগ, সম্পর্ক, যোগাযোগ—সবকিছুই প্রযুক্তিতে প্রভাবিত হবে।
কিন্তু প্রশ্নটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—
আমরা কি শিশুদের মানুষ করছি, নাকি “ডিজিটাল-ডিপেন্ডেন্ট মানব” তৈরি করছি?
একটা অস্বস্তিকর সত্য আছে—
আজকাল কান্না থামাতে ইউটিউব,
বিরক্তি কাটাতে ফোন,
এবং কয়েক মিনিট শান্ত থাকলে আমরা বলি “কি ভালো বাচ্চা!”
এটাই আধুনিক parenting culture।
এখন প্রশ্ন—
AI-ready হওয়া জরুরি, নাকি emotionally-ready হওয়া বেশি জরুরি?
স্ক্রিন-স্কিল আগে, নাকি সোশ্যাল-স্কিল?
অ্যাপ আগে, নাকি বাস্তব অভিজ্ঞতা?
এখানেই আমাদের প্রাচীন জ্ঞানের অবস্থান—
ভগবদ্গীতা বলে:
“ইন্দ্রিয়নিগ্রহ ছাড়া মন স্থির হয় না।” (ভাবার্থ: গীতা ৬.২৬)
অর্থাৎ, ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে মন অস্থির হয়ে পড়ে।
আজকের সবচেয়ে বড় “ইন্দ্রিয়-প্রলোভন” হলো—স্ক্রিন।
ছোটবেলা থেকেই ডোপামিন-চালিত স্ক্রলিং অভ্যাস হয়ে গেলে
মনোযোগ, ধৈর্য, স্থিরতা—সবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তাই শুধু modern science বলছে না,
আমাদের own wisdom-ও বলে—
মনকে শক্ত করতে হলে ইন্দ্রিয়কে লাগাম দিতে হয়।
আমার বিশ্বাস—
AI যতই স্মার্ট হোক, smart parenting-এর বিকল্প নেই।
প্রযুক্তি প্রয়োজন, কিন্তু
মা-বাবার সময়, আদর, গল্প, মূল্যবোধ—এটাই জেনারেশন বেটার আসল শক্তি।