Disease and homoeopathic medicine

Disease and homoeopathic medicine Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Disease and homoeopathic medicine, Medical and health, Dilip Giri, vill-Gadadharpur, p. o/uttar asda, Dist/pashchim Medinipur, pin/721443, Contai.

12/02/2026

Causes of Diabetes Mellitus type 1
The exact cause of type 1 diabetes is unknown. Most likely it is an autoimmune disorder.
This is a condition that occurs when the immune system mistakenly attacks and destroys healthy body tissue.
With type 1 diabetes, an infection or another trigger causes the body to mistakenly attack the cells in the pancreas that make insulin.
The tendency to develop autoimmune diseases, including type 1 diabetes, can be passed down through families.
Risk factors of Diabetes Mellitus Type 1
Some known risk factors for type 1 diabetes include:

Family history. Anyone with a parent or sibling with type 1 diabetes has a slightly increased risk of developing the condition.
The presence of certain genes indicates an increased risk of developing type 1 diabetes.
The incidence of type 1 diabetes tends to increase as you travel away from the equator.
Although type 1 diabetes can appear at any age, it appears at two noticeable peaks. The first peak occurs in children between 4 and 7 years old, and the second is in children between 10 and 14 years old.
Complications of Diabetes Mellitus Type 1
Eventually, diabetes complications may be disabling or even life-threatening.

Heart and blood vessel disease. Diabetes dramatically increases your risk of various cardiovascular problems, including coronary artery disease with chest pain (angina), heart attack, stroke, narrowing of the arteries (atherosclerosis) and high blood pressure.
Nerve damage (neuropathy). Excess sugar can injure the walls of the tiny blood vessels (capillaries) that nourish your nerves, especially in the legs and eventually lose all sense of feeling in the affected limbs.


Damage to the nerves that affect the gastrointestinal tract can cause problems with nausea, vomiting, diarrhea or constipation. For men, erectile dysfunction may be an issue.
Kidney damage (nephropathy). The kidneys contain millions of tiny blood vessel clusters that filter waste from your blood. Diabetes can damage this delicate filtering system. Severe damage can lead to kidney failure or irreversible end-stage kidney disease, which requires dialysis or a kidney transplant.
Eye damage. Diabetes can damage the blood vessels of the retina (diabetic retinopathy), potentially causing blindness such as cataracts and glaucoma.
Foot damage. Nerve damage in the feet or poor blood flow to the feet increases the risk of various foot complications. Left untreated, cuts and blisters can become serious infections that may ultimately require toe, foot or leg amputation.


Diabetic foot ulcer
Skin and mouth conditions. Diabetes may leave you more susceptible to infections of the skin and mouth, including bacterial and fungal infections. Gum disease and dry mouth also are more likely.
Pregnancy complications. High blood sugar levels can be dangerous for both the mother and the baby. The risk of miscarriage, stillbirth and birth defects increases when diabetes isn’t well-controlled. For the mother, diabetes increases the risk of diabetic ketoacidosis, diabetic eye problems (retinopathy), pregnancy-induced high blood pressure and preeclampsia.
Signs and Symptoms of Diabetes Mellitus Type 1
The following symptoms may be the first signs of type 1 diabetes. Or they may occur when blood sugar is high.

Being very thirsty
Feeling hungry
Feeling tired all the time
Having blurry eyesight
Feeling numbness or tingling in your feet
Losing weight without trying
Urinating more often (including urinating at night or bedwetting in children who were dry overnight before)
For other people, these serious warning symptoms may be the first signs of type 1 diabetes. Or, they may happen when blood sugar is very high (diabetic ketoacidosis):

Deep, rapid breathing
Dry skin and mouth
Flushed face
Fruity breath odor
Nausea or vomiting; inability to keep down fluids
Stomach pain
Diagnosis and Test
A fasting blood glucose test measures your blood glucose level after 8 hours of fasting (no food or drink, except water). This test is not always reliable, and tends to be more accurate in the morning. Multiple tests conducted at separate times are generally required for a diabetes diagnosis.
Oral glucose tolerance test. If your initial fasting blood glucose test results are normal, but you have some symptoms or risk factors for diabetes, this test is used to diagnose.
A random blood glucose test measures your glucose level at an unspecified time. A high blood glucose level, in addition to having one or more symptoms of diabetes, could indicate that you have the disease. This test is less accurate than a fasting glucose or oral glucose tolerance test.
The glycated hemoglobin test, or A1C test, is a different kind of blood test that provides an overview of your blood glucose levels for the past few months, rather than just a snapshot of your current level. It measures the percentage of blood sugar attached to the oxygen-carrying protein in red blood cells (hemoglobin). The higher your blood sugar levels, the more hemoglobin you’ll have with sugar attached. An A1C level of 6.5 percent or higher on two separate tests indicates diabetes.
Treatment and Medications
Type 1 diabetes occurs because your body doesn’t produce any insulin. This means you’ll need regular insulin treatment to keep your glucose levels normal. People with type 1 diabetes therefore require lifelong insulin therapy. Insulin comes in several different preparations, each of which works slightly differently.
🔴ডায়াবেটিস এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ (লক্ষণ অনুযায়ী):

🔶1. Syzygium Jambolanum– রক্তে চিনি কমায়,প্রস্রাবে সুগারের পরিমাণ কমিয়ে আনতে এবং সুগার দূর করতে এই ঔষধ শ্রেষ্ঠ। শরীরে ঘামাচির ন্যায় উদ্ভেদ দেখা দেয় এবং তাতে প্রচন্ড চুলকানি থাকে। প্রচুর পানির পিপাসা,গাল গলা শুকিয়ে যায় এবং দুর্বলতা ও জীর্ণশীর্ণ চেহারা।

🔶2. Phosphoric Acid – ক্লান্তি, দেহের ওজন কমে যায় মানসিক দুর্বলতা । দুঃখ এবং মানসিক আঘাতের কুফল। বারেবারে প্রচুর জলের মতো, দুধের মত প্রস্রাব। প্রস্রাবের আগে উদ্বেগ ও পরে জ্বালা। রাতে বারে বারে প্রস্রাবের বেগ এবং প্রস্রাবে ফসফেট ও সুগারের উপস্থিতি থাকে।

🔶3. Uranium Nitricum – অতিরিক্ত প্রস্রাব, পিপাসা ও ক্ষুধা । প্রস্রাবের বেগ ধরে রাখলে ব্যথা হয়। প্রস্রাবে কষ্ট এবং অসাড়ে প্রস্রাব হয়ে যায়। ঘন ঘন প্রস্রাব, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কম হয়।

🔶4. Lactic Acid–ডায়াবেটিস এবং বাতরোগে এই ঔষধ বিশেষভাবে কার্যকরী। জিহ্বা শুষ্ক ও খসখসে। পিপাসা প্রচুর এবং রাক্ষুসে ক্ষুধা। বারে বারে প্রচুর পরিমাণে প্রস্রাব ত্যাগ। প্রস্রাবের শর্করার উপস্থিতি থাকে। গলায় পিন্ড থাকার অনুভূতি যার কারণে বারবার ঢোক গিলতে থাকে।

🔶5. Abroma Augusta– সব সময় মুখের ভিতর,জিহ্বা,ঠোঁট শুষ্ক থাকে । প্রচন্ড পানির পিপাসা। একবারে অনেকখানি ঠান্ডা পানি খায় তবুও এই শুষ্কতা দূর হয় না।দিনে এবং রাতে ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ।তাছাড়া প্রস্রাবের বেগ ধরে রাখতে পারেনা। প্রস্রাবে মাছের গন্ধ এবং এতে সেডিমেন্ট পড়ে।

🔶Cephalendra Indica
-ডায়াবেটিস এ এটা ও চমৎকার ঔষধ।
এর মূল কথা হলো-হাতপায়ে জ্বালা।
-এই জ্বালার সাথে ঘন ঘন মূত্রত্যাগ,মূত্রে ও জ্বালা থাকে।এটার নিম্নশক্তি বেশি উপকারী।

Medical & health

12/02/2026
Follow everyone
06/02/2026

Follow everyone

গাড়ী বা যানবাহনে বমি। যারা গাড়ি বা যানবাহন বা নৌকা বা যে কোনো যানবাহন চলাফেরা করলেই বমি হয় তাদের জন্য ভালো উপকারী এই হোম...
27/01/2026

গাড়ী বা যানবাহনে বমি।

যারা গাড়ি বা যানবাহন বা নৌকা বা যে কোনো যানবাহন চলাফেরা করলেই বমি হয় তাদের জন্য ভালো উপকারী এই হোমিও ঔষধ টি।

হোমিও ঔষধ টি নাম।

Coculus Indi 200 Power homoeopath medicine

খাবারের নিয়ম। ২ ফোঁটা করে দিনে ৩ বার খাবারের আগে সেব্য

হোমিও অনুসন্ধান।

হাঁটু ফোলা ও ব্যথা।যাদের অতিরিক্ত হাঁটু ফোলা ও ব্যথার সমস্যা ভুগছেন তাদের জন্য ভালো উপকারী। যদি জানতে পারেন যে, ব্যথা না...
27/01/2026

হাঁটু ফোলা ও ব্যথা।

যাদের অতিরিক্ত হাঁটু ফোলা ও ব্যথার সমস্যা ভুগছেন তাদের জন্য ভালো উপকারী।

যদি জানতে পারেন যে, ব্যথা নাড়াচাড়া করলে ভালো লাগে আর বসে থাকলে যন্ত্রণা বা ব্যথা বাড়ে। এই ধরনের লক্ষনে যদি কারো সাথে মিলে তাহলে এই হোমিও ঔষধ টি খাইতে পারেন।

হোমিও ঔষধ টি নাম।

Rhus tox 200 power homoeopath medicine

খাবারের নিয়ম।

২ ফোঁটা করে দিনে ২ বার খাবারের আগে সেব্য

26/01/2026

এটি রোগীর / ঔষধের লক্ষণ, কার কার এসব লক্ষণ আছে?

রোগের নাম যাই হোকনা কেন, এসব লক্ষণে আমরা তাকে এটি প্রয়োগেই আরোগ্য করবো ইনশাআল্লাহ।

রোগীর মূল লক্ষণ: রোগী সবকিছুতেই ধীরগতির, মারাত্মক স্লো। যেন কনফিশনে থাকে, তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে অপারগ। মনটা ধীর, শুষ্ক, মনে হয় পক্ষাঘাতগ্রস্থ বা প্যারালাইজড্। প্রশ্নের উত্তর দিতে অনেক কসরত করতে হয়। যেন একপ্রকার মস্তিষ্কের কোষ্ঠকাঠিন্য, কথা বলতেও কোঁথ দেয়া লাগে। শারীরিক স্তরেও শুষ্কতা ও পক্ষাঘাতের লক্ষণ, তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য, শুষ্ক ত্বক, মাংশপেশীর পক্ষাঘাত। এটা কেন্দ্রীয় ও প্রান্তীয় নার্ভাস সিস্টেমকে প্রভাবিত করে।

মূলকথা, শুষ্কতা, শারীরিক-মানসিক-আবেগিক সকল স্তরের ধীরগতি, যা পক্ষাঘাত অবস্থার দিকে ধাবমান। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য ইত্যাদি।

মানসিক লক্ষণ: ধীরগতি, বিভ্রান্তি, মনের নিস্তেজতা। নিজেকে প্রকাশ করতে পারেনা, মানসিক কার্যকলাপের অস্পষ্টতা। পার্থক্য বিচার করতে পারেনা। কিছু জিজ্ঞাসা করলে অতি ধীরে ধীরে উত্তর দেয়।

নিজের পরিচয় নিয়ে কনফিউশন, নিজেকে প্রশ্ন করে “Who am I”। সবকিছুই অবাস্তব মনে হয়।

সময় খুব ধীরে যায়।

ছুরি/চাকু, পিন, ইনজেকশনের ভয় করে। রক্ত বা ছুরির দিকে তাকাতে পারেনা। কারণ, ছুরি বা রক্ত দর্শনে তার আত্মহত্যার চিন্তা ও ইচ্ছা জাগে।

দৈহিক লক্ষণ: ত্বক ও মিউকাস ঝিল্লীর শুষ্কতা।

মারাত্মক কোষ্ঠকাঠিন্য। মলদ্বারের নিষ্ক্রিয়তা, এমনকি নরম মলত্যাগের ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় কোঁথ দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। দীর্ঘদিন যাবত মলত্যাগের কোন বেগই হয়না। যখন হয় তখন মেকানিক্যালি বা যান্ত্রিকভাবে মল নি:সরণ করতে হয় যেমন- আংগুল ঢুকিয়ে তার সাহায্যে মল বের করে আনতে হয়।

পায়ের তলা ও পায়ের অবশভাব, পা ভারিবোধ, হাটতে গেলে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।

শুষ্ক ত্বক। ত্বক চুলকায় অথচ সেখানে কোন চর্মরোগ/ উদ্ভেদ দেখা যায়না। রক্ত না বেরুনো পর্যন্ত চুলকাতে থাকে।

মাথা ঘোরায়। চোখ ঘষলে বা রগড়ালে বা মুছলে মাথাঘোরা উপশমিত হয়। মাথাঘোরার সময় পিছন দিকে পড়ে যাবার প্রবণতা।

আলু খেতে অনীহা, খেলেও লক্ষণ বৃদ্ধি, শুষ্ক খাবারে অতি আগ্রহ।

তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য, প্যারালাইসিস, মাল্টিপল স্কেলোরোসিস, আলঝেইমার্স ইত্যাদি রোগে অধিক ব্যবহৃত হয়।

হ্রাস-বৃদ্ধি (Modalities):

বৃদ্ধি: আলুতে, পরিশ্রমে, কথা বলার পর।
হ্রাস/উপশম: মুক্ত বায়ুতে, উষ্ণ পানিয়ে, গোসল করলে।
আগ্রহ: শুষ্ক খাদ্যে, চা, ভাত, ভাতের মাড় ও কয়লায়।
অনীহা: আলুতে, বিয়ার, গোশতে।

Medicine: Alumina

26/01/2026

যেকোন রোগির ঔষধ দেবার জন্য দরকার :-

১। নিবিষ্ট মনে রোগীর পর্যবেক্ষণ
২। কথাগুলো মন দিয়ে শোনা
৩। ঠিক ঠিক পরীক্ষা করা
৪। পরিবেশ লক্ষ্য করা
৫। পরিজন দের কথা শোনা
---
----------------------------------------------------
এবার রোগীর শ্রেণী বিভাগ
----------------------------------------------
১। রোগির কষ্ট গুলো সাময়িক। সামান্য বিশ্রাম নিতে হবে, হয়তো। বা, কিছু পানীয় জলের অভাবে কষ্ট হচ্ছে, জল পান করলেই কিছুক্ষণ পর ঠিক হয়ে যাবে।

২। সামান্য নির্বাচিত কয়েকটা সমস্যা বা 'রোগ' নিয়ে বা মামুলি কোনও কষ্টের জন্য ডাক্তারখানায় ঢুকে পড়েছে, ফাঁকা আছে, তাই। ওদিকে "বড় বড়" ডাক্তার এর ওষুধ চলছে! এখানে সস্তা হবে, তাই এই ডাক্তার কে দেখিয়ে নেবে, আর কি!



EDITING CONTINUING ::::
মাদার টেক্সচার এবং তাদের ইঙ্গিতগুলি (Copied).

1. চেলিডোনিয়াম কি - লার্জ লিভার, আলগা গতির সাথে জন্ডিস।
২. কার্ডুয়াস মার.- বর্ধিত লিভার, জন্ডিসের সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য।
৩.এগাল মার্। - ডায়রিয়া এবং বদহজম
৪.কুরচি Q - অ্যামোবিক আমাশয়
5. চ্যাপারো অ্যাম কিউ - ব্যাকিলারি আমাশয়
Cra. ক্রেটাগাস কিউ - হার্ট টনিক এবং করোনারি ধমনী বাধা
6. আভেনা সাতিভা কি - স্নায়ুর জন্য টনিক
7. আলফালফা কি - সাধারণ টনিক, ক্ষুধা এবং চর্বি উত্পাদক
8. অ্যাসিডোস্পার্মা কিউ - হাঁপানি, ব্রঙ্কো ডায়িলেটর।
9. ব্লাটা প্রাচ্য। প্রশ্ন - হাঁপানি
10. ট্রিলিয়াম। প্রশ্ন - জরায়ু লাল রঙ থেকে রক্তক্ষরণ
11. মেলিফোলিয়াম। প্রশ্ন - গা dark় জরায়ু রক্তপাত এবং এপিস্ট্যাক্সিস
12. হাইড্রাস্টিস। প্রশ্ন - ডিসপেস্পিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, লিভারের কর্মহীনতা
13. বারবেরিস ভালগারিস । প্রশ্ন - কিডনিতে পাথর
14. হাইড্রঞ্জা কিউ - কিডনিতে পাথর ভাঙার জন্য
15. সরসপরিলা কিউ - কিডনিতে পাথর পরিষ্কার করার জন্য, কিডনিতে বালু
16. Gentiana লুট। প্রশ্ন - শিশুদের মধ্যে ক্ষুধার্ত
17. জেন্টিয়ানা। চিরতা। প্রশ্ন - দীর্ঘস্থায়ী জ্বর এবং রক্ত ​​পরিশোধক
18. Echinacea Q - রক্ত ​​পরিশোধক অ্যান্টিসেপটিক
19. ক্যালেন্ডুলা কিউ - জখমের এন্টিসেপটিক ধোয়ার জন্য
20. প্যাসিফ্লোরা কিউ - নিদ্রাহীনতা এবং প্রশান্তি হিসাবে
21 অ্যাকালিফা ইন্ডিকা কিউ - ফুসফুস টিবিতে রক্তক্ষরণ
22. জাবোতান্দি কিউ - চুল পড়ার জন্য মাম্পস এবং স্থানীয় ব্যবহারের জন্য
23. আর্নিকা কিউ - চোটের জন্য স্থানীয় ম্যাসেজ
24. আলেটারিস কি - দুর্বলতার সাথে লিউকোরিয়া
25. Viburnum Opul। প্রশ্ন - বেদনাদায়ক মাসিক
26. দামিয়ানা কি - যৌন দুর্বলতা এবং কম শুক্রাণু
27. যোহিম্বিনাম কিউ - যৌন দুর্বলতা এবং শুরুর দিকে বীর্যপাত
28. প্লান্টাগো কিউ - দাঁতের ব্যথা এবং মাড়ির ফোলাভাবের জন্য স্থানীয় ব্যবহার
29. মুল্লাইন অয়েল কিউ - কানের ব্যথার জন্য স্থানীয় ব্যবহার
30. ক্যাসকারা। সাগ। প্রশ্ন - কোষ্ঠকাঠিন্য
31. অর্জুন প্রশ্ন - একটি হার্ট টনিক
32. আটিস্তা ইন্ডিকা কিউ - সব ধরণের পোকার জন্য
32। বার্বারিস একা। প্রশ্ন - pimples এবং দাগ জন্য বাহ্যিক ব্যবহার
33. ব্যাপটিসিয়া কিউ - টাইফয়েড জ্বর
34. স্যানোথাস। প্রশ্ন - বিস্তৃত প্লীহা এবং কালা আজর
35. কারিকা পেঁপে কিউ - বর্ধিত লিভার এবং প্লীহা এবং বদহজম
36. কিওনানথাস কিউ - পিত্তথলির পাথর
37. সাইনোডন ডেক্ট কি - যে কোনও ধরণের রক্তপাত
38. ফিকাস রেল প্রশ্ন - শরীরের কোনও কক্ষ থেকে উজ্জ্বল লাল রক্ত
39. ফ্রেক্সিনাস আমেরিকানা কিউ - রক্তক্ষরণ সহ প্রসারিত জরায়ু
40. জাস্টিসিয়া কিউ - কাফের
41. লুফা বিন্দাল - পিত্তথলি
42. জাথথক্সিলন প্রশ্ন - অল্প বয়সী মেয়েদের মধ্যে বেদনাদায়ক মাসিক
43. স্ট্রেকুলিয়া কিউ - স্ট্যামিনা / অ্যাথলিটদের জন্য
44. আসোকা কিউ - মহিলার জন্য টনিক
45. হাইড্রোকোটাইল কিউ - লিউকোডার্মিয়া
46. ​​নাট্রাম হাইপোসাল্ফ কি - স্থানীয় এবং অভ্যন্তরীণভাবে লিভার স্পটগুলির জন্য
47. পিনাস এলটি কি - বিবাহিত মহিলাদের মধ্যে অনিয়মের বিষয়টি উল্লেখ করে
48. ভেসিকারিয়া কিউ - কিডনির ব্যর্থতা এবং ডিসুরিয়া

Medical & health

25/01/2026

বায়োকেমিক ১২ টি ঔষধের সংক্ষিপ্ত পরিচয়:

✅ বায়োকেমিক ঔষধ গ্রহণ করলে দেহ রোগমুক্ত হয় । এই ঔষধগুলো সাধারণত পাউডার অথবা ট্যাবলেট রূপে পাওয়া যায় । শক্তির মাত্রা ৩এক্স,৬এক্স,১২এক্স ইত্যাদি ।

✅ ট্যবলেটগুলি সাধারণত ৩/৪টি করে দিনে ৩/৪ বার খেতে হয় । গরম পানিতে গুলে খেলে এর ক্রিয়া ভালভাবে হয় । সম্ভব না হলে চিবিয়েও খাওয়া যায় ।

✅আবার এই ১২টি ঔষিই হোমিওপ্যাথি পদ্ধতিতে শক্তিকৃত করে হোমিওপ্যাথি মতে (সদৃশ্য বিধান) রোগীর দেহে প্রয়োগ করা হয় । সেক্ষেত্রে শক্তির মাত্রা ৩/৬/৩০/২০০/১০০০/১০,০০০/১০০,০০০ এই রকম ।

✅আমরা এই মহা মুল্যবান ১২টি ঔষধের ক্রিয়া আলোচনা করব ।

🟥ক্যালকেরিয়া ফ্লোরঃ

💠 পরিচয় : ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড,ফ্লোরম্পার ।

🛑 প্রয়োগ ক্ষেত্র – চোখের ছানি, কোমর ব্যথা, মচকা ব্যথা, স্তনে গুটি, দাঁত উঠতে দেরি হওয়া, দাঁতের ক্ষয় ও প্রদাহ, চামড়া ফাটা, সহজেই রক্তপাত, বংশগত সিফিলিস,এ্যাডিনয়েডস ।

🟥 ক্যালকেরিয়া ফসঃ

💠পরিচয় : ক্যালসিয়াম ফসফেট,ফসফেট অফ লাইম ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – স্নায়ুর দুর্বলতা, মৃগী, অন্ত্রের প্রদাহ, পরিপোষণ বা মেটাবলিজমের ত্রুটি, দাঁত উঠতে দেরি হওয়া, ক্ষয়রোগ, পায়খানার সাথে অভুক্ত দ্রব্য, পেটে বায়ু । ডায়াবেটিস রোগীদের অস্তিভঙ্গ, মস্তিস্কের অবসাদ, ব্রাইটস ডিজিস, রসযুক্ত চর্মরোগ ।

🟥 ক্যালকেরিয়া সালফঃ

💠 পরিচয় : ক্যালসিয়াম সালফেট,জিপসাম, প্লাস্টার অফ প্যারিস ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – ফোঁড়া, কার্বাঙ্কল, পুঁজযুক্ত ব্রণ, পোড়া ঘাঁ, চুলকানি, ফিস্টুলা, গ্রন্থিস্ফীতি, স্নায়বিক দুর্বলতা, জনন ইন্দ্রিয়ের দুর্বলতা, পরিবর্তনশীল মানসিকতা, পায়ের তালুতে জ্বালা-পড়া এবং চুলকানি, অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ খাওয়ার পর শারীরিক দুর্বলতা।

🟥 ফেরাম ফসঃ

💠 পরিচয় : ফেরোসো ফেরিক ফসফেট, ফসফেট অফ আয়রণ ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – অ্যানিমিয়া, রক্তপাতের ফলে রক্তাল্পতা, নাড়ীর গতি দ্রুত, মাথার যন্ত্রণা, জিভের প্রদাহ, জিভ লেপাকৃত অথবা রক্তাভ, অক্ষুধা, দেহের ওজন এবং শক্তি কমে যাওয়া, শিশুদের মানসিক ও দৈহিক বল হ্রাস, শীর্নতা, ক্ষুধামান্দ্য ।

🟥 ক্যালি মিউরঃ

💠 পরিচয় : পটাসিয়াম ক্লোরাইড ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – হার্ট এর দুর্বলতা, বুক ধড়ফড় করা, হৃদপিণ্ড বৃদ্ধি পাওয়া, পেরিকাডা©ইটিস, থ্রম্বসিস, গ্রন্থ বৃদ্ধি, ফুসফুস প্রদাহ, নিউমোনিয়া, পিত্ত নিঃসরণ কম হওয়ার ফলে অজীর্ণ , অক্ষুধা, গলক্ষত, লিভারের দুর্বলতা ।

🟥 ক্যালি ফসঃ

💠পরিচয় : পটাসিয়াম ফসফেট ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – মানসিক দুর্বলতা, মানসিক বিপর্যয় , মানসিক অবসাদ, মানসিক কারণে মাথার যন্ত্রণা, মস্তিস্কের দুর্বলতা ও অবসাদ, পেটে বায়ু এবং সে কারণে হৃদপিণ্ডের অপক্রিয়া, দুর্গন্ধযুক্ত পায়খানা, উঠে দাড়ালে মাথা ঘোরা, সেরিব্রাল অ্যানিমিয়া, জননাঙ্গের দুর্বলতা।

🟥 ক্যালি সালফঃ

💠 প্রয়োগ ক্ষেত্র – হাম,বসন্ত , বুকে ঘড়ঘড় শব্দযুক্ত হাঁপানী, বিকালের জ্বর,চর্মের উপর ইহার ক্রিয়া অনেক বেশি,স্রাব আঠালো, সবুজবর্ণ , দুর্গন্ধ যুক্ত, ইহার অভাবে চর্ম থেকে খুশকি উঠে ।

🟥 ম্যাগ ফস
পরিচয় : ম্যাগনেসিয়াম ফসফেট ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – বিভিন্ন প্রকার ব্যথা ও যন্ত্রণা, মাথার যন্ত্রণা, পেটে ব্যথা, স্নায়ুশূল, স্প্যাজমেডিক পেইন, স্মৃতিশক্তিহীনতা, চিন্তাশক্তির দুর্বলতা, স্নায়বিক দুর্বলতা, দাঁড়ানো অবস্থায় এবং চলতে চলতে মলত্যাগের ইচ্ছা । এই ঔষধটি স্নায়ুকোষে পুষ্টি জোগায় ।

🟥 ন্যাট্রাম মিউরঃ

💠পরিচয় : সোডিয়াম ক্লোরাইড ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – নুন বেশি খাওয়ার প্রবণতা, কোষ্টকাঠিন্য, মাথা যন্ত্রণা (হাপানি সহ), সর্দি কাশির প্রবণতা, হাঁচি, নাক দিয়ে কাঁচা পানি পড়া, হিস্টিরিয়াম, সংজ্ঞালোপ, টাইফয়েড, জ্বরে প্রলাপ বকা, পেটে শূল বেদনা, লিভারের গোলযোগ, বোধ শক্তির অভাব, ক্রিমি, মস্তিস্কের দুর্বলতা ।

🟥 ন্যাট্রাম ফসঃ

💠 পরিচয় : সোডিয়াম ফসফেট ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – অম্লরোগ, পাকস্থলী এবং অন্ত্রের গোলযোগ, শিশুদের অতিরিক্ত দুধ খাওয়ানোর ফলে ল্যাকটিক এসিড বৃদ্ধি পাওয়া, গনোরিয়া জিভে হালকা প্রলেপ, বুকের বাঁদিকে ব্যথা (নিপ্ল এর নীচে) ডান কাধে বাত জনিত ব্যথা, স্বপ্নদোষ ব্যতিত ধাতুক্ষয়, অপথ্যালমিয়া, কান থেকে রস পড়া ।

🟥 ন্যাট্রাম সালফঃ

💠 পরিচয় : সোডিয়াম সালফেড, প্লবারস সল্ট ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – গ্যাসট্রাইটিস, পেটে বায়ু, পেটে ব্যথা, লিভারের গোলমাল, নখের গোড়ায় প্রদাহ এবং পুজ, অবসাদ, তন্দ্রলুতা, আঁচিল - চোখের চার পাশে, মাথায়, মুখে, বুকে ও মলদ্বারে, নেফ্রাইটিস, মেরুদন্ডে ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, সেক্রামে ব্যথা ।

১২/ সাইলিসিয়া

💠 পরিচয় : সিলিকা, সিলিসিক অক্সাইড ।

🔹প্রয়োগ ক্ষেত্র – রিকেট, বাতরোগ, প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি, মধ্য কানের প্রদাহ, দেহের কোথাও পুঁজ, গেঁটেবাত, কোষ্টকাঠিন্য, অম্ল, অজীর্ণ , পুরানো কাশি ।

Medical & health

24/01/2026

♦🍀একক লক্ষনে হোমিওপ্যাথি।

🌺হোমিওপ্যাথি আয়ত্ব করতে যাদের কষ্ট হয়/বা আত্মস্ত করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য পোষ্টটি গুরুত্বপূর্ন।এখান থেকে প্রাথমিক ধারনা নিয়ে বসে যান মেটেরিয়া মেডিকা নিয়ে।৫০টির ধারনা দেওয়া হল।প্রতিটি অন্তরে গেথে নিন।

1🎯 আঘাত পেয়ে যেকোন রোগ হলে- Arnica
2🎯 হঠাৎ আসা তরুণ বা যেকোন রোগে- Aconite
3. গলায় মাছের কাটা বিধলে-Silicia 200
4. ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে গেলে-Staphysagria
5. পিন, তারকাটা, পেরেক, লোহা বিধলে-Ledum Pal 200
6. অতিরিক্ত হাঁচি আসলে-Natrum Mur 30
7. যানবাহনে চড়ে বমি হলে-Cocculus Ind
8. ঘুমের মাঝে নাক ডাকলে- O***m
9. ঘুম না আসলে- O***m
10. অত্যধিক ঘুমের জন্য লেখা পড়ার ক্ষতি হলে-Ferrum Phos 3x
11. চোখের পাতায় বার বার অঞ্জলি/তেলেঙ্গা হলে-Staphysagria
12. যেকোন স্থানে, যেকোন ব্যথায়-Mag phos 6x
13. ক্ষুধা ও বলশক্তি বৃদ্ধির জন্য-Nux Vom Q
14. খাবারে রুচি না থাকলে-Amloki Q
15. শরীরের কোন স্থান কেটে রক্তপাত ঘটলে-Calendula Q (বাহ্যিক)
16. বর্ষা/বৃষ্টির কারণে যেকোন রোগ হলে-Rhus Tox
17. আমাশয় হলে-Merc Sol
18. আমাশয়ে রক্ত গেলে-Merc Cor
19. শরীরের যেকোন স্থান দিয়ে টাটকা লাল রক্ত স্রাব হলে-Sinaberis
20. কি ঔষধ প্রয়োগ করবেন না জানলে-NuxVom- 30
21. নড়াচড়া বা চাপলে আরাম-RhusTox
22. চুপচাপ থাকলে আরাম-Bryonia Alb
23. স্কুল কলেজ/অবিবাহিত যুবকদের কামরিপু দমনের জন্য Cantharis
24. গায়ক/বক্তার স্বর ভেঙ্গে গেলে-Custicum/Arg Nit
25. স্মরণশক্তি লোপ পেলে-Anacardium
26. খিটখিটে মেজাজ বদ-রাগি লোকদের যেকোন রোগে-Camomila
27. আগুন, গরম ও রৌদ্রজনিত যেকোনো রোগে বা সমস্যায়-Glonoine
28. শুঁচিপায়ি রোগির জন্য- Syphillinum-10m
29. বাচ্চারা বিছানায় প্রস্রাব করলে-Cina
30. মৌমাছি হুল ফুটালে-Apis Mel
31. চুন খেয়ে জিহ্বা পুড়লে/সমস্যা হলে-Causticum
32. পিঠে ব্যথায়-Lycopodium
33. ঘাড় ব্যথার জন্য-Conium
34. দুরগন্ধযুক্ত যেকোন স্রাব হলে-Achinesia
35. সোরাইসিসের জন্য-Gynocardium Q
36. যা খায় তাই বমি করে, কোন খাবার হজম হয়না-Symphoricur pus 30
37. মাথায় যন্ত্রনা বা ব্রেনের যেকোন সমস্যায়- Kali Phos 6x
38. মহিলাদের জরায়ু ঝুলে গেলে-Sipia 200
39. মহিলাদের তল পেটে ব্যথা হলে-Colophylom Q
40. প্রস্রাব ধারনে অক্ষমতা-Causticum 200
41. গুরুপাক খাবার খেয়ে অসুখ হলে-Pulsitilla
42. যেকোনো বাতের জন্য -Guacum
43. শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে-Calcaria phos-6x
44. শরীরে আইরনের অভাব হলে-Ferum phos-6x
45. শরীরে মাল্টিভিটামিনের প্রয়োজন হলে- Five Phos
46. ছাত্র-ছাত্রীদের পড়তে গেলে মাথাব্যথা-Calcaria phos
47. রোগী কথায় কথায় “ #যদি” শব্দ থাকলে- Arg Nit 200
48. মুখ ও গলার ভিতর যেকোন রোগে- Marc Sol
49🎯ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঔষধ- Eupatorium Perfoliatum
50🎯 হৃদরোগের মহা ঔষধ- Crataegus Oxyacantha

বিঃদ্রঃ সংগৃহীত তর্থ্যগুলো শুধুমাত্র প্রাথমিক ধারনা পেতে সহযোগীতা করবে।বিষদভাবে জানতে মেটেরিয়া মেডিকা আবশ্যক।

Medical & health

21/01/2026

হোমিওপ্যাথিক মণিমুক্তা-------

হোমিওপ্যাথি শাস্ত্র একটি সমুদ্র বিশেষ, যেন এর কোন আদি ও অন্ত বলতে কিছুই নেই। এই সমুদ্র তীরে ডুবুরীর মত মণিমুক্তা খুঁজতে খুঁজতে বিভিন্ন হোমিও মহাপন্ডিত গণ তাঁদের অভিজ্ঞতার মহামূল্যবান তথ্যগুলো যাহা লিপিবদ্ধ করে গেছেন। তাহা এই অধ্যায় সকল চিকিৎসকের জন্য তুলে ধরলাম। যেন তাহা থেকে চিকিৎসাজীবনে উপকৃত হতে পারে।

 প্রত্যেক চিকিৎসকের হাতের কাছে 30, 200, 1M, 10M, 50M, CM, DM, & MM শক্তির ঔষধ মজুত রাখা উচিত। অত্যন্ত স্নায়ুবিক প্রকৃতির মহিলা ও শিশুদের উপসর্গে ৩০ হতে ১০এম শক্তি অত্যন্ত ফলপ্রদ। স্নায়ুবিক নয় এমন প্রকৃতির ক্রণিক রোগে ১০এম হতে এমএম শক্তি ভাল কাজ দেয়। তরুণ উপসর্গে ১এম হতে ১০এম শক্তি অত্যন্ত উপযোগী। (কেন্ট- লেসার রাইটিং)

 টিউবারকুলোসিস সন্দেহে সাধারণতঃ সালফার, সাইলি, অথবা ফস দিতে নেই কারণ এতে রোগীর কষ্ট বেড়ে যায়।

 আর্থাইটিস রোগের বর্ধিত অবস্থায় কেলি কার্ব দিতে নাই।

 সাধারণ বাতে সাধারণতঃ উত্তাপে, গরম সেঁক দিলে উপশম পায় কিন্তু ইউরিক এ্যাসিড বেড়ে গিয়ে গিটবাতে সাধারণতঃ ঠান্ডায় ও নড়াচড়ায় উপশম হয়।

 ল্যাকেসিস লক্ষণযুক্ত রোগীতে ২০০ শক্তি দিয়ে শুরু করতে নেই, এতে রোগ লক্ষণ বেড়ে যায়। ৩০ শক্তিই এক্ষেত্রে শ্রেয়।

 ল্যাকেসিসের পর মধ্যবর্তী ঔষধরুপে সালফার প্রয়োগ করলে উপকার পাওয়া যায়।

 কপালে আড়াআড়িভাবে হাত রেখে শোয়ার অভ্যাসযুক্ত রোগী লিভারের অসুখে ভুগছে বুঝতে হবে।

 স্নায়ুরোগ জনিত যন্ত্রণায় সদৃশ ঔষধ একমাত্রা দিয়ে উপযুক্ত সময় অপেক্ষা করাই শ্রেয় নতুবা পুনঃ প্রয়োগে রোগ যন্ত্রণা বহুলাংশে বেড়ে যায়। ৩০ শক্তির নীচে প্রয়োগ করা বাঞ্ছনীয়।

 পেপটিক আলসারের রোগী বিন্দুমত স্থানে আঙ্গুলটিপে যন্ত্রণার কথা বলে, ডুওডেনাল আলসারের বাথ্য সাধারণতঃ পিঠের মধ্য দিয়ে ডান দিকের স্ক্যাপুলায় নীচে ভেতরের কোণে হতে থাকে। পেপটিক আলসারের ব্যথা কিছু খাওয়ামাত্র বেড়ে যায়। ডুওডেনাল আলসারে খাওয়ার ২/৩ ঘন্টা বাদে বাথ্য শুরু হয়। কিছু খেলে সাময়িক উপশম হয়। সাধারণতঃ “এ” ব্লাড গ্রুপের রোগীতে পেপটিক আলসার, এবং “ও” ব্লাড গ্রুপের রোগীতে ডুওডেনাল আলসার হয়।

 রাত্রে ঘুম না হয়ে মাংসপেশীতে ব্যথা ব্যথা ভাব ও অত্যন্ত ক্লান্তিভাব, আর্ণিকা ২০০ শক্তি একমাত্রা ঐ সব উপসর্গ দুর করতে পারে।

 ধুমপায়ী যারা তাদের ইনফ্লুয়েঞ্জায় যখন ধুম পানের ইচ্ছা একেবারেই থাকে না এমন লক্ষণে আর্ণিকা ১এম শক্তি তিনঘন্টা বাদে বাদে ৩/৪ দিলে রোগ সেরে যায়।

 ক্যাল্কে- কার্ব সাধারনতঃ ডানদিকে রোগলক্ষণে কার্যকরী তবে বাঁদিকের টনসিলের ক্রণিক রোগে ভালই কাজ করে।

 হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলে বা ঘুমের অসুবিধা হলে ক্যাল্কে কার্ব, এর শিশুরোগী নখ দিয়ে মাথা আচঁড়াতে থাকে।

 সিমিসিফুগার লক্ষণে সিমিসি দিয়ে রোগ সম্পূর্ণ না সারলে ঐ একই শক্তি কলোফাইলাম প্রয়োগে অবশিষ্ট লক্ষণ সেরে যায়।

 ব্লাড ইউরিয়ার পরিমাণ কমাতে Eel’s Serum ৬ বা ৩০ শক্তি দিনে দুবার প্রয়োগ দারুণ উপযোগী- স্বাভাবিক না হওয়া অবধি ঔষধ চলবে। ব্লাড ইউরিয়া স্বাভাবিক মাত্রা 15-40mg, 100ml.

 ইউফ্রেসিয়ার রোগীর তোৎলামো আছে, তবে আশ্চর্য এই যে গান গাইবার সময় একদম তোৎলামী থাকে না।

 প্রস্রাব হলুদ এমন অবস্থায় কখনই জেলস প্রয়োগ করা উচিত নয়।

 মেয়েদের গালে (দাড়ি) ও উপর ঠোঁটের উপর (গোফ) চুল গজালে রাত্রে শোওয়ার সময় থুজা ১এম একমাত্রা দিয়ে ওলিয়াম জ্যাকোরিস এ্যাসেলি ৩শক্তি দিনে দুবার দিয়ে যেতে হয়, যতক্ষণ না ঐ চুলদাড়ি উঠা বন্ধ হয়।

 খালি পেটে এবং ৬ শক্তির নীচে ফসফরাস ব্যবহার করতে নেই।

 মদ খাওয়ার অভ্যাস দুর করতে ষ্ট্রীকনিক নাইট্রি (Strychninc Nit.) ২ বা ৩ শক্তি দিনে দুবার করে অন্ততঃ ১৫ দিন ব্যবহার করতে হয়। যেই মুহুর্তে মদ খাওয়ার লিন্সা কমে আসে তখন ঔষধ বন্ধ করা উচিত।

 পেটে তীব্র যন্ত্রণায় (ডুওডেনাল আলসার জনিত) লাইকো ১২ শক্তির উর্দ্ধে ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ অন্ত্রে ফুটো হতে যেতে পারে। (ডা. এইচ.ডব্লিউ বয়েড)

 গর্ভবতী মহিলাদের লাইকো ২০০ শক্তি ব্যবহার না করাই ভাল এতে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে- বহুবার এ রকম হতে দেখেছি। ( ডা. মিস মাহেওয়ারি)

 লাইকো ও ল্যাকেসিস ২০০শক্তি অনেকক্ষেত্রে রোগ লক্ষণ অবাঞ্ছিতভাবে বাড়িয়ে দেয় বহুবার চিন্তা করে এই দুটো ঔষধের ক্ষেত্রে এই শক্তি ব্যবহার করা উচিত। ( ডা. জেমস টেইলার কেন্ট)

 নিশ্চিতভাবে সমস্ত রোগ লক্ষণ পালসেটিলাকে নির্দেশ না করলে তরল শ্লেষ্মাযুক্ত রোগীতে পালস দেওয়া নিষিদ্ধ; কারণ এই ঔষধ পায়ই কাশি কঠিন ও শুকনো করে তোলে। রোগ না সেরে কষ্ট বহুগুণ বেড়ে যায়। (ই.এ ফ্যারিংটন)

 সিপিয়া সন্ধ্যায় প্রয়োগ করা উচিত, কারণ সকালে সিপিয়া প্রয়োগ করলে সারাদিন রোগী কষ্টভোগ করতে থাকে। ( ডা. আর.এ.এফ জেক)

 সোরিনামের রোগী যতক্ষণ কফি পান অভ্যাস ত্যাগ না করে, ততক্ষণ উন্নতি লক্ষ্য করা যায় না। (ডা. প্রমদাপ্রসন্ন বিশ্বাস)

 ঠান্ডা লেগে ব্রঙ্কাইটিস লক্ষণে পালস এর রোগী ক্ষেত্রে পালস দিয়ে পরে কেলি সালফ দিলে দ্রুত সুফল দেয়। (ডা. ডি.এম ব্রল্যান্ড)

 কোমরের বাতে রাস- টক্স দিয়ে ব্যর্থ হলে ক্যাল্কেরিয়া ফ্লেুার সারিয়ে দেয়। (ডা. থ্রাস্টোন)

 কলোসিস্থ লক্ষণযুক্ত পেটে শূলবেদনায় কলোসিস্থ দিয়ে ব্যথা কমে আবার ব্যথা শুরু হয়। এইরুপ চলতে থাকলে পরে কেলি কার্ব প্রয়োগ করলে রোগ একেবারে সেরে যায়। (ডা. টি.কে মুর)

 যেক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে, সেক্ষেত্রে প্রথমে প্রদত্ত ঔষধের ক্রিয়াকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। ( ডা. এইচ এলেন)

 ব্রঙ্কাইটিস ও তরুণ বাতরোগের লক্ষণে যেক্ষেত্রে ব্রায়োনিয়া প্রযোজ্য হবে সেক্ষেত্রে দু-একমাত্রা একোনাইট প্রয়োগ না করে ব্রায়োনিয়া দিলে শীঘ্র সুফল মেলে না। (ডা. ই.এম হেল)

 শিশুদের হাঁপানিরোগে যেক্ষেত্রে নেট সালফ, আর্স- এ ও আরও অন্যান্য ঐ জাতীয় ঔষধ দিয়ে সুফল না পেলে ঐসব রোগীতে মর্গান ২০০ বা ১০০০শক্তি দিয়ে সারিয়ে তুলেছি। রোগী সম্পূর্ণ সেরে উঠতে মর্গান ২০০ হতে লক্ষণশক্তি পর্যন্ত প্রয়োজন হয়। (ডা. ডব্লিউ.বি গ্রিগিস)

 আঙ্গুল থেৎলে গেলে হাইপেরিকামের ধারে কাছে কেউ আসে না। ( ই.এ ফ্যারিংটন)

 ভাঙ্গাহাড় জুড়তে সিম্ফাইটাম ৩০ শক্তির জুড়ি নেই। দিনে দু-তিনবার করে এক সপ্তাহ ধরে ঔষধ দিতে হয়। (ডা. পি সামিড)

 বোলতা ডাঁশ কামড়ালে তা থেকে প্রদাহ জ¦ালা ও ফোলা ক্যান্থারিস ২০০ শক্তির অভ্যন্তরীণ প্রয়োগ প্রায় সাথে সাথে সব কষ্ট দূর করে। (ডা. টি.কে মুর)

 প্রসবের পর প্রসূতিকে আর্ণিকা দিলে বহু উপসর্গ দুর হয়। (ডা. ক্রোফ্রেথ রাইট)

 সাইলিশিয়ার ক্রণিক রোগী শীতকাতর কিন্তু তরুণ রোগের ক্ষেত্রে গরমকাতর হতেও দেখা যায়। (ডা. এফ.কে বেলোকোসি)

 ঠান্ডা জলপানের অদম্য তৃঞ্চা ফসফরাসের একটি বহু আলোচিত লক্ষণ, কিন্তু বহুক্ষেত্রে তৃঞ্চা একদম থাকে না যা আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। (ডা. আর.এফ রাভে)

 হোমিওপ্যাথিক শাস্ত্রে প্রচলিত রেপাটর্রীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উপযোগী কোনটি? এর উত্তরে জে.এইচ ক্লার্ক এর উক্তিটি প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন,“চিকিৎসকের নিজের স্মৃতিশক্তিই সবচেয়ে উপযোগী রেপাটর্রী।”

 গিঁটবাতে লক্ষণে কলচিকাম দিয়ে সুফল না পেলে বেঞ্জায়িক এসিড দাও। (ডা. ডব্লিউ বোরিক)

 জ¦র হলেই জ¦ও কমাতে একোনাইট দিও না অথবা অন্য ঔষধের সাথে পর্যায়ক্রমে একোনাইট দিওনা। যদিও সত্য সত্যই একোনাইটের রোগী হয়, তবে একাই তা সারিয়ে দিবে। (ডা. ডারহাম)

 সন্তান জন্মদান কালে প্রসূতি অত্যন্ত কষ্টভোগ করলে একোনাইট সূচিত হয়, তবে যদি লোকিয়াস্রাব বন্ধ বা লুপ্ত হয়, তবে কখনই একোনাইট দেওয়া চলবে না। (ডা. জেমস টেইলার কেন্ট)

 এম্ব্রা গ্রিসিয়া সন্ধ্যায় প্রয়োগ করা অনুচিৎ কারণ এতে রোগের বৃদ্ধি হয়। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 কেটে গেলে রক্ত সাথে সাথে জমাট বাঁধে এমন রোগীতে এনাকার্ডিয়াম দেওয়া চলবে না। (ই.এফ ফ্যারিংটন)

 টাইফয়েড রোগীতে সুস্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট না হয়ে আর্সেনিক প্রযোজ্য হলে অপূরণীয় ক্ষতি করে। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 বেলেডোনা বারে বারে প্রয়োগ অনুচিৎ। উচ্চশক্তির বেলেডোনার বারে বারে প্রয়োগে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। (ডা. কেইস)

 ডিজিটালিস দিয়ে রোগীর প্রস্রাবের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি প্রস্রাব কমে যায় তবে তৎক্ষণাৎ ডিজিটালিস প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। (ডা. এইচ. সি এলেন)

 মেয়েদের ঋতুস্রাবের নির্দিষ্ট সময়ের ঠিক আগে আগে গ্লোনয়িন প্রয়োগ করতে নেই; প্রায়ক্ষেত্রেই ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 যদি খুব তাড়া না থাকে তবে ইগ্নেশিয়া সকালে প্রয়োগ করাই ভাল, কারণ রাত্রে ঘুমের আগে দিলে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিতে পারে। (হ্যানিম্যান)

 কোষ্ঠকাঠিন্য অবস্থায় রাস টক্স সায়েটিকা ব্যথা সারাতে পারে না। (ডা. এইচ.সি মুরো)

 স্যান্টোনাইন নিম্নক্রমে বিষময় ফল দিতে পারে। জ¦র অবস্থায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে শিশুকে কখনই স্যান্টোনাইন দেবে না। ( ডা. উইলিয়াম বোরিক)

 যে সকল বালকদের নিম্নাঙ্গ পক্ষাঘাত হয়, তাদের পক্ষে রাসটক্স উচ্চ শক্তি বিশেষ ফলপ্রদ। মাঝে মাঝে ২/১ মাত্রা সালফার প্রয়োগে দ্রুত আরোগ্য হয়। (হ্যানিম্যান)

 কানের সকল প্রকার যন্ত্রণায় পালসেটিলা ৩০ অথবা ক্যামোমিলা ১২ বা ৩০ শক্তির যে কোন একটি দিয়ে অত্যাশ্চর্য ফল পেয়েছি। (ডা. কেন্ট)

 গনোরিয়া রোগের তরুণ অবস্থায় গনোক্কাস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার ব্যবহার্য। তবে ভেসিকেরিয়া কমিড ø ১০ ফোঁটা মাত্রায় জলসহ প্রত্যহ ৩বার বেশ কিছু দিন ব্যবহারে অব্যর্থ ফলপ্রদ। (ডা. বোরিক)

 প্রসূতির দুধ জ¦রে ব্রায়োনিয়া ২০০ দিনে ৩/৪বার প্রয়োগে আশ্চর্য ফল প্রদ। ( ই.এফ ফ্যারিংটন)

 গর্ভাবস্থায় প্রাতঃকালীন বমি এমগভেলাস পার্সিকা ø- ৫ ফোঁটা মাত্রায় দিনে ২/৩ বার ঠান্ডা জলসহ সেবন উত্তম ফলদায়ক। (ডা. এডমন্ড)

 শিশুদের পুরাতন বা জটিল চিকিৎসা শুরু করার প্রথমে আর্ণিকা ২০০শক্তি ১মাত্রা প্রয়োগ করার কথা স্মরণ রাখবেন। (ডা. এন.এম চৌধুরী)

 রোগীর প্রস্রাবে খুবই কষ্ট, প্রস্রাবের পরিমাণ অল্প, ক্যাথিটার প্রয়োগেও প্রস্রাব না হলে সলিডেগো ভিরগিউরা ø ৫-১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ৩/৪ বার সেবনে আশ্চর্য ফল পাওয়া যায়। (ডা. গ্যালভার্ডিন)

 আঙ্গুলহাড়ার প্রথম অবস্থায় লোবালিয়া ø তুলা ভিজিয়ে আক্রান্ত স্থানে দিনে ৩বার লাগাবেন এবং ফেরাম ফস ৬শক্তি ও সাইলিশিয়া ৬ শক্তি ৩টি ট্যাবলেট মাত্রায় গরম জলসহ ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে রোগ তাড়াতাড়ি উপশম হয়। (ডা. টেসি জোন্স)

 ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগীর একবার শীত, একবার গরম, তৎসহ পিঠের দিকে অত্যাধিক শীত অনুভূত হলে আর্স আয়োড ৩ শক্তি এবং জেলসিমিয়াম ৩শক্তি এক মাত্রা করে ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে রোগ তাড়াতাড়ি উপশম হয়। (ডা. হেল)

 যে কোন বাতের রোগে আমি অন্য সকল ঔষধ ছাড়াই সালফার, কষ্টিকাম ও রাস টক্সেও উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করতে পারি। ( ডা. ই.বি ন্যাশ)

 কোন প্রকার প্রদাহ জনিত পীড়ায় কফিয়া ও একোনাইট সমশক্তি সম্পন্ন পর্যায়ক্রমে ব্যবহার্য। উদরাময়ের বেদনার কোনও লেশমাত্র না থাকলে কফিয়া উপকারী (এসিড ফস, পডো, রিসিনাস)। (ডা. হেরিং)

 যে কোন চর্ম রোগে স্পাঞ্জিয়া ø ৫ ফোঁটা একমাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ৩বার সেবনে শীঘ্রই রোগ আরোগ্য লাভ করে। (ডা. পার্স)

 উপদংশ জনিত নাসিকা ক্ষতের অনেক রোগীকে হিপার সালফ ২০০ শক্তি প্রয়োগ করে আরোগ্য করেছি। (ডা. উইলিয়াম কেন্ট)

 শরীর থেকে প্রমেহ বিষ সম্পূর্ণ রুপে দূর করতে হলে থুজা ৩০ একমাত্রা করে প্রতিদিন শয়নের পূর্বে বেশ কিছু দিন সেবন করতে হবে। (ডা. ই. জোন্স)

 এপেন্ডিসাইটিসের রোগীকে বেলেডোনা ৬ এবং মার্কসল ৬ শক্তি একমাত্রা করে এক ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে প্রয়োগ করে অতি আশ্চর্য ফল পাইয়াছি। (ডা. হেল)

 হুপিং কাশিতে বেলেডোনা ৩ এবং ড্রসেরা ৩ শক্তি একমাত্রা করে ১ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে অনেক রোগীকে আরোগ্য করেছি। (ডা. এডমন্ড)

 পায়ের একজিমায় রাসভেন ৬ ও লিডাম পাল ৬ শক্তি একমাত্রা করে দিনে ৩বার প্রয়োগ উত্তম ফলপ্রদ। (ডা. স্পেসি)

 মাথা ঘোরার ঔষধ সমূহের মধ্যে ফসফরাস সর্বশ্রেষ্ট ঔষধ। (ডা. জার)

 শিরঃঘূর্ণের উৎকৃষ্ট ঔষধ হচ্ছে ককুলাস ৩০। ( ডা. হিউজেস)

 বয়স্কদের ডান পাশের অন্ত্র (হার্ণিয়া) বৃদ্ধিতে লাইকো একমাত্র ঔষধ। (ডা. জে.কে.এফ বেকার)

 বহুমূত্র রোগে এসিড ফস ২ ও ইউরোনিয়াম নাইট্রিকাম ৩ শক্তি পর্যায়ক্রমে প্রয়োগেই মহৌষধ। (ডা. আর বিশ্বাস)

 পিত্ত পাথরীতে খুব ব্যথা অনুভব করলে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ৩০ একমাত্রা করে ৩০ মিনিট অন্তর ব্যবহার্য। কিন্তু ৩/৪ ঘন্টার মধ্যে উপকার না পেলে বার্ব্বেরিস ø ৫ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলে সহ ৩০ মিনিট অন্তর প্রয়োগ অব্যর্থ ফলদায়ক। (ডা. হিউজেস)

 কলেরা বা উদরাময়িক কলেরায় কেলি ফস ৬ শক্তি অব্যর্থ ঔষধ। (ডা. সুসলার)

 পুরুষ বা মহিলাদের সঙ্গমেচ্ছা সম্পূর্ণরুপে নষ্ট হয়ে গেলে, বিশেষতঃ পুরুষদের ধ্বজভঙ্গ রোগে অসমোডিয়াম ৩ শক্তি একমাত্রা দৈনিক ৩/৪ বার সেবন করাই শ্রেয়। ( ডা. আর বিশ্বাস)

 প্রমেহ সহ বাতের রোগে ক্যালি বাইক্রম উচ্চশক্তি উপকারী। (ই.এফ ফ্যারিংটন)

 উদরাময় বা অন্য কোন কঠিন পীড়ায় ভোগার পর আহারান্তেই পাকস্থলীতে শূণ্যতা বোধ, দেহজীর্ণ, মল কঠিন, ও কালচে রঙের হয়, এই অবস্থায় সেনা নি¤œ শক্তি বলকারক টনিকের ন্যায় কাজ করে। (ডা. ক্লার্ক)

 রাস টক্সে ১- ৩০ শক্তি ক্রমশ প্রয়োগ করে আমি ৭৫% বালকের একজিমা আরোগ্য হবেই। (ডা. হিউজেস)

 বৃদ্ধদের নিউমোনিয়া ও প্লুরিসি রোগে সেনেগা ৩০ শক্তি বেশী দিন ব্যবহারে উত্তম ফল পাওয়া যায়। (ডা. গ্যারেসি)

 চাপ প্রয়োগে, সঞ্চালনে, শব্দে ও আলোর মধ্যে থাকলে যে সমস্ত রোগীর শিরঃপীড়া বৃদ্ধি হয় এবং বস্ত্রাদি দ্বারা ঢেকে রাখলে উপশম হয়, সে সকল রোগীকে সাইলিশিয়া প্রয়োগ করলে শীঘ্র রোগ আরোগ্য হয়। (ডা. ডানহাম)

 ষ্ট্যানাম ৩ শক্তি সেবনের পর লম্বা কৃমি ও সূতা কৃমি নির্গত হয়। কিন্তু মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেন, ষ্ট্যানাম ৩ শক্তি বিচূর্ণ সেবনে কৃমি গুলো অচৈতন্য হয়ে পড়ে। (ডা. টেষ্টি)

 যদি কথা বললে স্বরভঙ্গ কমে, তবে কষ্টিকাম। আর কথা বলার যদি স্বরভঙ্গ বাড়ে, তাহলে ফসফরাস প্রয়োগ বিধেয়। (ডা. জি. সেলটান)

 দুর্বলতা হোক, আর রক্তহীনতাই হউক অথবা যে কোন পীড়ায় হোক না কেন, যদি সামান্য কারণে প্রচুর ঘাম হয়, কোমরে প্রচন্ড ব্যথা এবং অতিশয় দুর্বলতা থাকে তবে কেলি কার্ব এক মাত্রা ঔষধ স্বরণ কর। ( ই. এফ ফ্যারিংটন)

 শ^াসকষ্ট ও পেটের যন্ত্রণার সাথে যকৃত পুরাতন রক্তাধিক্য বর্তমান থাকে, আবার যকৃতের রক্তাধিক্য বশতঃ যদি রোগের অর্শরোগ জন্মে, তবে হিপার সালফ ব্যবস্থা করিবেন। (ডা. বেইস)

 যেখানে ক্রমাগত বাহ্য বমির সাথে শিশুরা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীর ও হাত ঠান্ডা হয়ে যায়, অনবরত ছটফট করতে থাকে, সেখানে কেলি ব্রোম ৩ বা ৬ শক্তি ফলপ্রদ। (ডা. কেরো)

 ঋতুস্রাব বন্ধ, স্নায়ুবিক দুর্বলতা বশতঃ ঋতুলোপ, তৎসহ মুর্চ্ছাভাব প্রভৃতি রোগে জ্যাস্থক জাইলাম ৩ শক্তি বিশেষ ফলপ্রদ। (ডা. কলিন্স)

 শিরায় স্ফীতিতে বিশেষতঃ পুরাতন স্ফীতিতে জিঙ্কাম মেট উপযোগী। (ডা. এলেন)

 জরায়ুর নানাবিধ পীড়া, ডিম্বাশয় প্রদাহ, ডিম্বাশয়ে তীব্র বেদনা, রজঃস্রাব প্রভৃতি পীড়ায় অষ্টিলেগো মেডিউস ৬ বা ৩০ শক্তি চমৎকার ফলপ্রদ। (ডা. বার্ট)

 টার্ণেরা অ্যাফ্রা ø ঔষধটি স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েরই জননেন্দ্রিয়ের উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। ইহা ধ্বজভঙ্গ রোগের একটি বিশিষ্ট ঔষধ। (ডা. হেল)

 মেরুমজ্জার উত্তেজনায় নাক্স ভম ও সালফার শ্রেষ্ঠ ঔষধ। (ডা. জার)

 কলিক রোগ বা শূলবেদনা ম্যাগ ফস ৩০ শক্তি গরম জলে মিশিয়ে সেবন করবেন। (ডা. জি.সি মর্গান)

 ক্যাল্কে ফস ১ এবং সাইলিশিয়া ৩ শক্তি রোগ ৩বার এক সপ্তাহ অন্তর পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করলে ভগন্দর রোগ আরোগ্য হয়। (ডা. সি.আর ফ্লুরি)

 শিশুদের নাক দিয়ে রক্তপড়া, নাভি দিয়ে রস রক্তপড়া, অন্ডকোষ ফোলা, তৎসহ দেহ শুকিয়ে যেতে থাকলে এব্রাটেনাম ৬ বা ৩০ শক্তি ভাল ফলপ্রদ। (ডা. কেন্ট)

 যখন কোনও শুষ্ক বা ক্ষীণ দেহ, ক্ষয়িত মাংস, চোপসান মুখ, কোঠরাগত এবং বৃদ্ধের অবয়বের মত ব্যক্তি দর্শন করবেন, তখনই একবার আর্জেন্ট নাইট স্মরণ করবেন। (ডা. এলেন)

 মাথায় বাম দিকের শিরঃপীড়ায় সিপিয়া উপকারী। (ডা. লিলি)

মন্ত্রের মত কাজ করে

 অতিরিক্ত লবণ খাইবার ইচ্ছা কমাতে এবং শিশুদের ঘাড় – গলা সরু ও মেজাজ খিটখিটে হলে নেট্রাম মিউর ২০০ শক্তি একমাত্রা করে একদিন অন্তর একদিন ২বার অথবা নেট্রাম মিউর ৬শক্তি ২/৩টি ট্যাবলেট গরম জলসহ দিনে ৩বার কিছু দিন প্রয়োগ করবেন।

 অবরুদ্ধ ঋতুস্রাব ঘটাতে (গর্ভপাত নয়) প্রথমে নেট্রাম মিউর ১এম একমাত্রা করে দৈনিক ১বার কয়েক মাত্রা প্রয়োগে উপকার না হলে, কেলি কার্ব ১এম একমাত্রা করে প্রত্যহ ১বার কয়েক দিন সেবনে ঋতুস্রাব ঘটাতে অব্যর্থ।

 অর্শ রোগে লাল বর্ণের রক্তস্রাব মিলিফোলিয়াম ø (কালো রক্তস্রাব হেমামেলিস ø) এবং রক্তকাশে ট্রিলিয়াম ø ১০- ১৫ ফোঁটা ঠান্ডা জলসহ দিনে ৩/৪ বার সেবনে অদ্ভুদ ফলদায়ক।

 অনবরত টক গন্ধযুক্ত ও বুক জ¦ালাসহ বমি হলে (গ্যাষ্টিক), বমির পরেও বুক জ¦ালা করে তাহলে আইরির্স ভার্স ৩০ এক ফোঁটা করে ও নেট্রাম ফস ৩ বা ৬ শক্তি ৩টি ট্যাবলেট গরম জলসহ ২ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে কয়েক মাত্রা সেব্য।

 অত্যন্ত অসহনীয় প্রসব বেদনায় রোগিনী বলে, “আমি প্রসব করিতে পারিবো না” তৎসহ আধ কপালে পেরেক বেঁধার প্রচন্ড ব্যথা থাকলে কফিয়া ৩০ এক বা আধ ঘন্টা অন্তর ২/৪ মাত্রা প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গেই সহজে প্রসব হয়ে যাবে।

 আঁচিলের ঔষধ গুলোর মধ্যে থুজা অক্সি ২০০ অন্যতম ঔষধ। এছাড়াও লক্ষণানুসারে কষ্টিকাম, এসিট নাইট কার্যকরী ১ মাত্রা করে দৈনিক একবার কয়েকদিন সেবনীয়। থুজা ø তুলা দিয়ে বাহ্যিক প্রয়োগে অতি দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

 ঋতুস্রাবের পূর্বে স্তনে বেদনা হলে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ২০০ বা কোনিয়াম ২০০ অথবা ল্যাক ক্যান ২০০ শক্তি সপ্তাহে ২/৩ মাত্রা সেবনের কথা মনে রাখবেন।

 ঋতুস্রাবের পূর্বে বা পরে উদরাময় হলে পালসেটিলা ৩০ একমাত্রা করে দিনে ২/৩ বার সেবনে ফলপ্রদ।

 ঋতুস্রাব শুরু হলেই দাঁতের ব্যথা শুরু হয়, এই অবস্থায় ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া ৩০ একমাত্রা করে রোজ ৩বার সেবনীয়।

 কানে অবুর্দ বা পলিপাস হলে, এই রোগের প্রধান ঔষধ থুজা অক্সি ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার কিছু দিন সেবনে অতিশয় সুফল পাওয়া যায়।

 কথা বললে যদি হাঁপানির টান বাড়ে, তাহলে ড্রসেরা ø বয়সানুসারে ৩ থেকে ৮ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ একঘন্টা পর পর কয়েক মাত্রা সেবনে অব্যর্থ।

 গর্ভাবস্থায় হাত পা ফোলায় বোবেভিয়া ø – ৫/৭ ফোঁটা মাত্রায় জলসহ প্রত্যহ ৩বার কয়েক দিন সেবনীয়। এই অবস্থায় লবণ খাওয়া নিষেধ।

 গর্ভাবস্থায় কোন জিনিসের গন্ধ সহ্য না হলে বা খাদ্য দ্রব্যের গন্ধে গা বমি বমি করলে এবং ভ্রমণকালে বমি বা গা বমি বমি হলে ককুলাস ইন্ডিকা ৬ শক্তি একমাত্রা করে ২ঘন্টা অন্তর সেবনে অব্যর্থ ফলদায়ক। রোগ কঠিন হলে থেরিডিয়ন ৩০ ব্যবহার্য।

 গাত্র ত্বক খুব চুলকায়, চর্ম বিবর্ণ, সর্বাঙ্গ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্ভেদ, বিশেষতঃ গুহ্যদ্বারে ও জননেন্দ্রিয়ে অসহ্য চুলকানি হলে রেডিয়াম ব্রোমাইড ৩০ একমাত্রা করে দিনে দুবার সেবনীয়।

 গলগন্ড বা থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধিতে ঔষধের লক্ষণুসারে আর্স আয়োড, ক্যাল্কেরিয়া আয়োড ৩০ অথবা বারাইটা আয়োড ৩০শক্তি মহৌষধ। একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার কিছু দিন সেবনীয়।

 চর্মে অত্যন্ত চুলকানি, চুলকাতে চুলকাতে রক্ত বের করে ফেলে এলুমিনা ৬ বা ৩০ শক্তি একমাত্রা করে ৩/৪ ফোঁটা ৩ ঘন্টা অন্তর কয়েক মাত্রা প্রয়োগের পর সালফার ৩০ একমাত্রা করে রোজ ২বার দিবেন।

 চুলকানির পুরাতন অবস্থায় লোবেলিয়া ৬ এবং ক্রোটন টিগ ৬ একমাত্রা করে ২ ঘন্টা অন্তর পর্যায়ক্রমে সেবনে অব্যর্থ।

 চোখের উভয় পাতায় শোথে বা ফোলায় ফসফরাস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার কয়েক দিন সেবনে অব্যর্থ ফলপ্রদ।

 চোখের ভ্রু উপর পাতায় মধ্যস্থল ফোলায় বা শোথে কেলি কার্ব ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনে অব্যর্থ ফলপ্রদ।

 চোখের নীচের পাতায় শোথ বা পাতা ফুলে পুটলির মত হলে এপিস মেল ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনে উপকারী।

 চোখের পাতা ঝুলে পড়লে জেলসিমিয়াম ৩ শক্তি প্রধান ঔষধ। একমাত্রা তিন ঘন্টা অন্তর সেবনীয় মনে রাখবেন।

 ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার সময়ে খুব ঘুম পেলে, ঘুম তাড়াবার জন্য স্ক্রুফুলেরিয়া নোডেসা ø ৮/১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ দৈনিক ২বার সকাল- সন্ধ্যায় বা ইহার ৩০ শক্তি রোজ ২বার অথবা ফেরাম ফস ১২ শক্তি ৬/৭টি ট্যাবলেট মাত্রায় উঞ্চ জলসহ সকাল- সন্ধ্যায় সেবনে উৎকৃষ্ট ফলদায়ক।

 ছুরি বা তীক্ষè ধারাল যন্ত্রে কেটে যাবার পর অথবা অস্ত্রোপচার করার পর কোন প্রকার সমস্যা উপসর্গ দেখা দিলে ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার সেবনে সকল সমস্যা দুরীকরণে অব্যর্থ।

 জন্ডিস রোগের প্রধান ঔষধ হচ্ছে চেলিডোনিয়াম ø ও হাইড্রাষ্টিস ø প্রত্যেক ঔষধের ৮/১০ ফোঁটা মাত্রায় ঠান্ডা জলসহ একত্রে বা পর্যায়ক্রমে দৈনিক ৩বার সেবনে অব্যর্থ।

 জন্ডিস রোগে রোগীর মলের রং সাদা হলে ডলিকস ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩বার সেবনে ২/৩ দিনের মধ্যেই মলের রং স্বাভাবিক হয়, মনে রাখবেন।

 জরায়ুর স্থানচ্যুতির অমূল্য ঔষধ হলে সিপিয়া ১২ বা ৩০ শক্তি একমাত্রা করে দৈনিক ২/৩ বার সেবনীয়। জরায়ু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অব্যর্থ।

 জিহ্বার পক্ষাঘাতে বা কথা বলতে কষ্ট হলে কষ্টিকাম ২০০ শক্তি শ্রেষ্ট ঔষধ।

 জিহ্বা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেলে ক্লোরাম ৬ বা ৩০ একমাত্রা করে দৈনিক ৩/৪ বার সেবনে অব্যর্থ।

 ট্রেনে বা বাসে চলাকালীন সময়ে চোখে ধূলা বালি পড়লে প্রথমে সালফার ৩০ এক ঘন্টা অন্তর ২/৪ মাত্রা সেবনের পর, সাইলিসিয়া ২০০ দুই/এক মাত্রা প্রয়োগ করবেন।

 অসাড়ে মলত্যাগ, মলদ্বার ফাঁকা বা খোলা থাকে, সর্বদাই মল গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ায় এলো ২০০ ও ৩০ খুবই উপকারী।

 অর্শ, অর্শের রক্তস্রাব, ভগন্দর, মলদ্বারে ফাঁটা ঘা, ক্ষত প্রভৃতি পীড়ায় পিওনিয়া ø খুবই উপকারী।

 অচৈতন্য রোগের পর বৃদ্ধদের স্মরণশক্তি হ্রাসে এনাকার্ডিয়াম ২০০ অপেক্ষা ব্যারাইটা কার্ব ২০০ অধিক উপকারী।

 আঘাত লাগা হেতু কোন পুরাতন পীড়ায় আর্ণিকার পর কোনিয়াম ২০০ বা ১এম খুবই উপকারী।

 এ্যালোপ্যাথিক এ.টি.এস এর মত হোমিওপ্যাথিতে লিডাম ২০০ বা আর্সেনিক ২০০ বা হাইপেরিকাম ২০০ শক্তি একই কার্যকরী। এছাড়াও কোরামিনের মত মস্কাস ø অথবা কার্বো ভেজ ২০০ একই কাজ করে।

 কোন স্থানে মচকানো বা থেঁৎলানোর ব্যথায় আর্ণিকা অপেক্ষা বেলিস পিরেনিস ø খুবই উপকারী।

 নাক দিয়ে রক্তস্রাব, মূত্রনালী দিয়ে রক্ত নির্গত হলে নেট্রাম নাইট্রি অব্যর্থ মহৌষধ।

 পায়ের তলায় ভীষণ জালা থাকলে সালফার, স্যানিকিউলা ২০০ শক্তি খুবই ফলদায়ক।

 প্রতি বছর শীতকালে যাদের কাশি, বুকে ও নাসিকায় পুরাতন সর্দিতে এন্টিমোনিয়াম সালফ কার্যকরী।

 বংশগত বাত রোগে মেডোরিনাম ও সাইলিসিয়া অধিক উপযোগী।

 মাথার পশ্চাৎ ভাগেই অধিক ব্যথা, তৎসহ বমি বা গা বমি বমি থাকলে- ককুলাস ইন্ডিকা।

 রোগীর প্রস্রাব ঘোলা, পাত্রে রাখলে খুব ঘন পুরু তলানী জমালে- অরাম মেটালিকাম উপযোগী।

 রাত্রে পা অত্যন্ত চুলকায়, অস্থির বোধ করে, এপাশ ওপাশ, ঠান্ডায় বৃদ্ধিতে রাস টক্স।

 শরীরের কোন স্থান মচকে যাবার পর বাত আক্রমণে এবং হাতের কবজী ও জানুসন্ধির প্রদাহে – রুটা।

 হাত পা অত্যন্ত ঠান্ডা। শরীর কিংবা নিম্নের অর্ধাঙ্গ সাংঘাতিক রকম ঠান্ডা হয়ে গেলে নেট্রাম মিউর অত্যন্ত কার্যকরী।

ক্রনিক ডিজিজ রোগ লক্ষণে কোন তাড়াহুড়া করে প্রেসক্রিপশসন করিবেন না। সম্পূর্ণ রোগলিপি নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ না করে কোন ঔষধ প্রয়োগ করিবেন না। আমি বহু গ্রন্থ থেকে, বহু জার্নাল হতে এই সমস্ত মণিমুক্তা সংগ্রহ করেছি। ভবিষ্যতে আরও বেশী করে ঝুড়ি ভর্তি করে আপনাদের সামনে উপস্থাপ পরিকল্পনা রয়েছে। অবহেলা না করে সযত্ননে রেখে দিবেন, আশা করি আপনাদের চিকিৎসা জীবনে সুচিকিৎসার ক্ষেত্রে পরম উপকারী বন্ধুর মত কাজ করবে।

Medical & health

Address

Dilip Giri, Vill-Gadadharpur, P. O/uttar Asda, Dist/pashchim Medinipur, Pin/721443
Contai
721401

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Disease and homoeopathic medicine posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Disease and homoeopathic medicine:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram