Dr Ajay Mandal

Dr Ajay Mandal Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr Ajay Mandal, boarding para, Dinhata.
(405)

National corona warrior award- 2020
ইন্ডিয়ান আইকন 2022
বঙ্গ গৌরব সম্মান 2022
রাষ্ট্রীয় সমাজ সেবা রত্ন 2022
ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস 2023
কোভিড যোদ্ধা ( Zee 24 Ghonta News )- 2022
Covid Yodhdha ( Times of india ) -2023
The Real Super heroes Award - 2022

11/01/2026

দিনহাটা শহরের যেকোনো ৭৫+ বয়স্ক অসুস্থ রোগী যদি কোনো কারনে কোনো ডাক্তারের চেম্বারে দেখাতে আসতে না পারেন। তাহলে বাড়িতে গিয়ে দেখার জন‍্য আমার চেম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন।দেখে দেবো।

বিড়ি vs সিগারেট              কোনটা বেশি ক্ষতিকারক ? ১. বিড়ি তৈরি হয় তেন্দু পাতা থেকে আর সিগারেট তৈরি হয় কাগজ থেকে।২....
07/01/2026

বিড়ি vs সিগারেট
কোনটা বেশি ক্ষতিকারক ?

১. বিড়ি তৈরি হয় তেন্দু পাতা থেকে আর সিগারেট তৈরি হয় কাগজ থেকে।
২. বিড়ি তে ফিল্টার থাকেনা কিন্তু সিগারেটে থাকে।
৩. বিড়িতে নিকোটিন বেশি থাকে সিগারেটের তুলনায়।
৪. বিড়িতে টার কার্বন মনোক্সাইড কারসিনোজেন বেশি থাকে সিগারেটের তুলনায়।
৫. বিড়ি বেশি তাড়াতাড়ি নিভে যায় সিগারেটের তুলনায়।

ফলাফলঃ

১. পাতা থেকে তৈরি হয় বলে বিড়ি তাড়াতাড়ি নিভে যায় তাই বারবার গভির ভাবে লম্বা টান দিতে হয় সেটাকে জ্বালিয়ে রাখার জন্য। স্বভাবতই বেশি রাসায়নিক এর সংস্পর্শে আশা যায় বিড়ি সেবনের মাধ্যমে।
২. বিড়ি তে ফিল্টার না থাকার কারণে এক্সপোজার আরও বেশি হয়।
৩. আবার বিড়ি তে নিকোটিন বেশি থাকে বলে বিড়ির প্রতি আসক্তি ও বেশি হয় যার ফলস্বরূপ এক্সপোজার আবারও বেশি হয়।
৪. বিড়ি তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় বলে বিড়ি সেবনের সংখ্যাও বেশি হয়।
- এই সব কারণ গুলিই সেই বিষাক্ত রাসায়নিক এক্সপোজার বাড়ায় বিড়ি সেবনের মাধ্যমে। তাই আমার মতে বিড়ি একটু বেশীই খারাপ। তবে ভাবেননা আমি সিগারেট কে promote করছি।
Theoretically সিগারেট বিড়ির থেকে কম ক্ষতিকারক। কিন্তু বাস্তবে দুটোই সমান ক্ষতিকারক। সিগারেটের ফিল্টার যে কতটা প্রোটেকটিভ এ নিয়ে নানামুনির নানামত আছে। সেই তর্কে গিয়ে লাভ নেই। তবে কিছু স্টাডি দেখিয়ে দিয়েছে ফিল্টার এর খুব একটা protective role নেই।
দুটোই বর্জন করুন নিজের কথা ভেবে, পরিবারের কথা ভেবে।
তাহলে আজ থেকে বন্ধ করে দিন ধুমপান।

দেখুন তো আমাদের বস্তির মেয়েটা কি অসাধ‍্য সাধন করে ফেলেছে। যা হয়তো এলিট বাবুদের হজম হবেনা। সহ‍্য না হলেও হজম করতেই হবে। ব...
06/01/2026

দেখুন তো আমাদের বস্তির মেয়েটা কি অসাধ‍্য সাধন করে ফেলেছে। যা হয়তো এলিট বাবুদের হজম হবেনা।
সহ‍্য না হলেও হজম করতেই হবে। বাংলাকে বারে বারে শ্রেষ্ট আসনে তো এই বস্তির মেয়েটাই নিয়ে যেতে পারে। কারন বস্তির মেয়েটা যে আমাদের খুব আপন।

একটা মেয়ে ছিল । বদ্ধ উন্মাদ মেয়ে । ভারতবর্ষের এক শহরে আদিগঙ্গার কোলে জন্ম নিয়েছিল সেই বালিকা..বেড়ে উঠেছিল টালির চালের ছ...
05/01/2026

একটা মেয়ে ছিল । বদ্ধ উন্মাদ মেয়ে । ভারতবর্ষের এক শহরে আদিগঙ্গার কোলে জন্ম নিয়েছিল সেই বালিকা..বেড়ে উঠেছিল টালির চালের ছোট্ট বাড়িটায় । খুব ছোট বয়সে বাপ হারায় পাগলিটা । কালক্রমে সেই মেয়েরই রাজনীতিতে প্রবেশ আর ভয়ানক যুদ্ধের ইতিহাস.. সে এখন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী । জানেন তো, অনেক দিন ধরে লক্ষ করছি। তবে এই বদ্ধ উন্মাদটা যে এভাবে মানুষগুলোকে আপন করে নেবে, স্বপ্নেও ভাবিনি..

পেটেই মেয়ে গুলোকে মেরে ফেলা হত । সৌভাগ্যবসতও যেই কজন গর্ভগুহার বহির্বিশ্ব দেখতে সক্ষম হত তাদের মধ্যেও কিছু কন্যা হয় স্বশুরবাড়ির অত্যাচার কিংবা নিজ মা-বাবার দ্বারা পাচার হয়ে জীবনে দাঁড়ি কাটত । এখন এত কিছু প্রতিকূলতার পরেও যে কজন কন্যা সাধারন জীবনযাপন করতেন তাদের মধ্যেও অধিকাংশকেই প্রাথমিক শিক্ষার গন্ডির বাইরেই রাখা হত । সোজা ভাষায় মেয়েরা ছিল এক একটা "loss" । জন্মের পরবর্তী খরচ,বিয়ের খরচ তার উপর আবার পড়াশোনা ? ভাবলেই ভিমড়ি খেতেন মা বাবারা !

ব্রহ্মদেবাশিষে প্রতিষ্ঠিত হল বস্তির মেয়েটার সরকার। হাওয়াই চটির খট খট শব্দে মুখরিত হয়ে উঠল মহাকরনের "chief Minister's office' । সেই প্রথম, যখন বিকালের মহাকরনে স্যুপ,স্যান্ডউইচের গন্ধ মুছে মুরি বেগুনী ম ম করতে লাগল । রাত অবধী আলো জ্বলতে লাগল প্রশাসনিক প্রধানের কক্ষে। মহাকরনে ঘর মুছত,ঝাড় দিত ছেলেটা বলছিল, বস্তির মেয়েটা নাকি স্বভাবসিদ্ধভাবেই গদির কেদারায় বসে না ! ও যে দোকানে চুল কাটতে যায়, সেই বুড়োদার কাঠের চেয়ারটাও নাকি "ছোটলোক" টার চেয়ারের চেয়ে আরামদায়ক ! একদিন নাকি ছেলেটার গ্যাসের যন্ত্রনা উঠেছিল, ছোটলোকটা নাকি নিজের ব্যাগ থেকে একটা rantac tablet বার করে খাইয়ে দিয়েছিল ! এও হয় ? শুনে বিশ্বাস হয়নি.. সেই প্রথম হয়ত, Designation -এ Chief minister কোনও ব্যক্তি পাতি একটা চারচাকায় উঠে যাওয়া আসা করত ! একদিন দেখলাম,মহাকরনের সি গ্রেড কর্মীর গাড়িটাও ওর টার চেয়ে ঝাঁ চকচকে ! সত্যিই ! বস্তির মেয়েই বটে !

এসেই ঝপাত করে একটা decision..কন্যাশ্রী না কী যেন নাম,একটা প্রকল্পের কেঁচো মাথায় গিজগিজ করছিল, উগরে দিল খাতায়-কলমে-মাটিতে। গগনে বিরাজমান বিমান-সূর্য্যিদেবরা ব্যঙ্গ করতে ছাড়লেন না । যতই হোক, কোথায় বস্তির মেয়ে আর কোথায় তেনারা ! একটা ছোটলোকের বুদ্ধির কীইবা জোর আছে শুনি ? Bu****it প্রকল্প !

যাই হোক, ছোটলোকের brain child মেঠো পথ পেরিয়ে ছুটে চলল চাষি কন্যার কাছে, শ্রমীক কন্যার কাছে । আগলে ধরল এদের । চাষির মেয়ে টুম্পা কনাশ্রীকে জিজ্ঞেস করল, "কে তুই ? কে তোকে পাঠাল ? কি কাজ তোর ?" কন্যাশ্রী উত্তর দিল, "সারে সাতশ বছরে দেব,আঠারোয় পঁচিশ হাজার । বাপকে বল পড়িয়ে যেতে । বস্তির মেয়ে পাশে আছে ।" টুম্পা বলল, "কে বস্তির মেয়ে ? কার কথা বলছ ?" কন্যাশ্রী বলল, "ও সে এক আছে । বড় ছোটলোক গো । সে সব নয় পরে জানবে, এখন পড়তে বসো দেখি.. ও হ্যাঁ, শুনলাম বাপ নাকি বিয়ে দেবে ? কাল তোমায় দেখতে ছেলে আসছে ? বাপকে না বলে দাও আজই । বুঝলে ?" ঘাড় নেরে সন্মতি জানাল টুম্পা ।

তখন সালটা ছিল ২০১২ । আজ পাঁচ বছর পর টুম্পা ম্যাথামেটিক্সে MSc করছে । মেধাবী মেয়েটার পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই হাতের মুঠোয় চাকরির অফার। আজও টুম্পা ভাবে, সব তেমনই চললে আজ হয়ত ওর দুই সন্তানের মা' হয়ে যাওয়ার কথা ছিল..কারোর ঘরে নিজের মায়ের মতই শখ,আল্হাদের গলা টিপে,গতর ঝড়িয়ে একটু একটু করে মরে যেতে হত ওকে।

মধ্যশিক্ষা পর্ষদের হিসাব দেখলাম,গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় হারে বেড়েছে মহিলা মাধ্যমিক পরিক্ষার্থীর সংখ্যা..বাপ মা আজ মেয়ের বিয়ের চিন্তা করছে না.. পঁচিশ হাজারের লোভে হোক কিংবা চেতনার উন্মেষে, বস্তির মেয়েটা revolution এনে দিল দেখছি !

যাই হোক, আবার সেই সময়ে ফিরে যাই ছোটলোকটার গল্পে । ২০১১র পর কীভাবে জানিনা, গোটা লালবাড়িটাই বাবুয়ানার পর্বতপ্রমান উচ্চতা ছেড়ে মাটিতে নেমে এসেছিল ! বস্তির মেয়ের কি আর মার্বেল পাথর সুট করে ?!
এরপরেই হঠাৎ খেয়াল করল, রাজ্যের দুটো জায়গা বড় গরম হয়ে উঠেছে। দার্জিলিং এ রাজ্য ভাগের দাবীতে বন্ধ,হরতাল সীমানা ছাড়িয়েছে, এদিকে জঙ্গলমহলে রোজ দু'টো করে লাশ, বোম-গুলি । গামছা ঢাকা মুখের শাসনে বেসামাল বাঁকুরা থেকে মেদিনীপুর । স্যুট,বুট,পাঞ্জাবি পরা বাবুরা টনটনে ফোঁড়া রেখে পালিয়েছেন। দায়টা এখন ছোটলোকের । কী করা যায় ? এই ভেবে আরও কয়েকটা বেগুনীতে কামড় দিল বদ্ধ উন্মাদটা।

সব কাজ কি মেরে ধরে হয় ? মা বলত, আমরা নাকি যখন ছোট ছিলাম,অনেক কাজ আদর করে করিয়ে নিত আমাদের দিয়ে । পাগলিটাও যে মায়ের মত ভাবছে কে জানত ? লক্ষ্য করলাম, গামছা ঢাকা মুখ সৃষ্টির কারন খুঁজে ও বলল, "পেটে ভাত পড়লে বন্দুক ফেলে দেবে ওরা, শীতে মোটা কম্বল পেলে আর বোম বাঁধবে না.." । সত্যিই তো ! এই সরল ভাবনাটা বাবুদের মাথায় আসেনি কেন ? ঠিকই তো ! অন্নের দাবীতেই তো হাতে বন্দুক উঠেছে ওদের । পিঁপড়ের ডিম খাইয়ে বউ,বাচ্ছাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে ওই ইংলিশ মিডিয়ামের বাবুরা বুঝত হাতে বন্দুক কেন ওঠে !

ছোটলোকটা গাঁমছা সরিয়ে মুখে অন্ন তুলে দিল । স্বাস্থ্যের জন্য হাসপাতাল গড়ে দিল। সন্তানদের স্কুল,বুট,সাইকেল দিল। তারপর একদিন বীরদর্পে ঘোষনা করল, সে পথ ছেড়ে যারা মূলস্রোতে ফিরতে চাইবে, আমরা তাদের পাশে আছি ।

ব্যাস । কাজ শেষ । এখন ওখানে আর লাশ মেলে না । বোম মেলে না, used bullet মেলে না.. গামছার কাজ শুধু গা মোছাতেই ফিরে এসেছে ! কি অদ্ভুত ! ভাবলেও অবাক লাগে ! বদ্ধ উন্মাদটার মাথায় এত বুদ্ধি ?

এরপর এল দার্জিলিং । ওষুধ একই প্রয়োগ হল । বঞ্চিত পাহাড় উন্নয়নের স্বাদ পেল। 'সমতল বনাম পাহাড়'-এর চেনা বাক্য গুঁড়িয়ে তিনি বললেন, "পাহাড় এবং সমতল" । আচ্ছা, এত সরল কথা বলেই কি জটিল ব্যক্তিরা এতদিন আসল রোগটা ধরে উঠতে পারেননি ? যা কিনা বস্তির মেয়েটা ধরে ফেলল ? ছ্যা ছ্যা..ছ্যাঃ !

এভাবেই সময়ের চাকা গড়াতে লাগল। একসময়ে নাগাল না পাওয়া ক্যাবিনেট নেমে এল ঘাসের উপর। উন্মাদটা কলকাতাকে বগলদাবা করে নিয়ে পৌঁছে গেল বীরভূম,পুরুলিয়া কিংবা জলপাইগুড়ির বস্তি,কলোনী,গ্রামে।ভগ্ন পথ মসৃন হল। হাতের কাছে উঠে এল কলেজ, হাসপাতাল কিংবা পানীয় জলের স্বচ্ছ ধারা। রোগা,জীর্ণ মানুষগুলো বিনামূল্যে চিকিৎসা পেয়ে সজীব হয়ে উঠল। স্বাধীনোত্তর অন্ধকার গ্রামে আলো জ্বলে উঠল..

আর কত বলব ? সে বিশাল পরিবর্তন.. প্রথম দিন মহাকরনের আলো অত রাত অবধী জ্বলতে দেখেই টের পেয়েছিলাম এমন কিছু একটা হবে....আজ বুঝি,ভাবনা একদমই ভূল ছিলনা । আজকের সালটা ২০২৬। গত বারে ছোটলোক উন্মাদটাকে সর্বহারার দল আবার ফিরিয়ে এনেছে তাদের সেবা করাতে। আরও বেশি আশীর্ব্বাদ করে..কিন্তু এটা কি উপায় সম্ভব !

মাঝে মধ্যে আবার লক্ষ্য করতাম, ওর ছোট ছোট ভূল গুলোকে নিয়ে বেশ রঙ্গ তামাশায় মেতে যেত elite-কূল। কয়েকদিন আগেই দেখলাম, মুখ ফষ্কে দেড় হাজার গ্রামের শিশুকে দেড় হাজার কিলো বলে ফেলেছিল ! আমিও মিচকে হেসেছিলাম, তবে তা নিয়ে ব্যঙ্গ করার কথা ভেবেও দেখিনি। কত 'কাঁধে ঝোলা-লাল পোলা' ফেসবুকে স্ট্যটাস মারল, এই সাধারনজ্ঞান নিয়ে রাজ্য চালাচ্ছে ! রাজ্যটা নাকি রসাতলে যাবে ! ভাবলাম ওদের জীজ্ঞেস করি, হ্যাঁ রে ? যে ন্যয্যমূল্যের দোকানে লাইন লাগাস সেটা কার সাধারনজ্ঞানের অভাব থেকে সৃষ্টি বলতে পারিস ? তোদের বাড়ির মেয়েটা এক ঘন্টা চল্লিশ মিনিট হেঁটে স্কুল যেত, আজ শুধু চল্লিশ মিনিটে যায়..শীতকালে আলো থাকতেই ঘরে ফিরে আসে,তা এই নীল সাদা বিশ্বকর্মা সাইকেলটা কার সাধারনজ্ঞানের অভাব থেকে সৃষ্টি রে ভাই ? যে গাঁয়ের বাড়ি থেকে ফেসবুকে বাতেলা মারছিস, এই উন্মাদটা না চাইলে দু হাজার বারো সালে তোর ঘরে ইলেকট্রিকের তার পৌঁছত ? চার্জের প্ল্যাগটা কোথায় গুঁজতি 'সাধারনজ্ঞান' apply করে ভেবে রেখেছিলি তো ??

প্রতি মূহুর্তে যখন এসব দেখি,বুকে বড় ব্যথা হয়। তার পর মূহূর্তেই আবার ভাবি, এই দু পাঁচ জনের কথায় কীই বা এসে গেল ? আপামর সর্বহারার বুকে তো ছোটলোকটাই বিরাজ করে আছে। চিন্তা কিসের ? হরি যদি জনগন, মারে কে ?

এদিকে কিছু লোকের গুনগুন শুনতে পাচ্ছি । বস্তির মেয়েটা নাকি বড় বার বেরেছে।
বাড়ুক মেয়েটির স্পর্ধা , কর্মের পরিধি।
আজ সেই বস্তির মেয়েটির জন্মদিন। শুভ জন্মদিন অগ্নিকন‍্যা।

কলমে- দেবাংশু

02/01/2026

বিগত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকা মাসিক প্রথম শনিবারের ফ্রি স্বাস্থ‍্য ক‍্যাম্প কাল দুপুর ২ টায় শুরু হবে আমার চেম্বারে।
সকল আর্থিকভাবে পিছিয়ে পরা প্রিয় রোগীদের স্বাগতম।

01/01/2026

Online consultation e last week e jader ke samoi dite parini, tara kal 10pm phn korben with report..
Report age whatsapp e pathiye rakhben with details history...

১ লা জানুয়ারী তৃনমুলের প্রতিষ্ঠা দিবসে আমার রাজনৈতিক স্মৃতিচারনা                                                        ...
01/01/2026

১ লা জানুয়ারী তৃনমুলের প্রতিষ্ঠা দিবসে আমার রাজনৈতিক স্মৃতিচারনা

ডাঃ অজয় মন্ডল

আমাদের ছেলেবেলাতে বাবা কাকারা যে রাজনীতি করতো তা এখনকার রাজনীতির সাথে অনেক ফারাক। আগের রাজনীতিতে ভোটে কেউ দাঁড়াতে চাইতোনা অনুরোধ করে করে ভোটের প্রার্থী ঠিক করা হতো। আর এখন টিকিট পাওয়ার জন্য লম্বা লাইন। আমাদের পরিবার ছিলো বরাবর ডানপন্থী, ও রাজীবপন্থী ছিলো। আগে বাবা কাকারা কংগ্রেস করতো। ছেলেবেলা তখন বয়স কত হবে ৭-৮ বছর বাড়িতে দেখতাম শ্রদ্ধেয় রাজীব গান্ধী , শ্রদ্ধেয়া সোনিয়া গান্ধি, শ্রদ্ধেয়া মমতা ব্যানার্জীর বড় বড় ফ্লেক্স , ব্যানার। কিন্তু তারমধ্যে আমার কেনো জানিনা শ্রদ্ধেয়া মমতা ব্যানার্জীর প্রতি একটা আলাদা টান অনুভব করতাম। তারপর যখন শ্রদ্ধেয়া মমতা ব্যানার্জী ১৯৯৮ সালের ১ লা জানুয়ারী কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে নতুন দল তৃনমুল কংগ্রেস গঠন করে সেইদিন বাবার হাত ধরে গেছিলাম আমাদের গ্রামের বাড়ির পাশে বাজারের যাওয়ার আগে রাস্তার পাশে মাটির দেওয়ালে ঘেরা জলধর কাকার খড়ের ছাওনির বাড়ি তথা নতুন পার্টী অফিসে। শ্রদ্ধেয়া মমতা ব্যানার্জীর পেল্লাই ছবি লাগানো হোর্ডিং এর সামনে দাঁড়িয়ে অবাক চোখে দেখতাম হোর্ডিং এর শ্রদ্ধেয়া মমতা ব্যানার্জীকে। বাবা বলতো এই ভদ্রমহিলাকে দিদি বলে সবাই চেনে। খুব ভালো মানুষ। তুই এনাকে মমতা দিদি বলবি। সম্মান করবি। কখনো দেখা হলে প্রনাম করবি। আমি বলতাম বাবা তুমিতো দিদি বলো তাহলে আমার পিসি কেনো হবেনা ? শুনে বাবা হাসতো আর বলতো দিদিই বলিস। ১৯৯৮ সালের পয়লা জানুয়ারীতে জীবনের প্রথম আমার ৯ বছর বয়সে মমতা ব্যানার্জী জিন্দাবাদ নিজের অজান্তে বাবাদের সাথে গলা মিলিয়ে বলেছিলাম। বললে হয় আমাদের ব্লকে তৃনমুলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলতে আমার বাবা, গোপাল কাকু, মহাদেব কাকুরাই ছিলো। তখন ছিলো বামফ্রন্টের মধ্যগগন।তৃনমুল দল বলতে আমাদের গুটি কয়েক পরিবার। তারপর আসতে আসতে শ্রদ্ধেয়া মমতা ব্যানার্জীর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে দলের কর্মী সংখ্যা বাড়তে থাকে। আমার বাবা ছিলো সুবক্তা, মিশুকে ও পরোপকারী। বড় বড় জনসভাতে বাবার ভাষন ছিলো শোনার মতো। ফলে খুব সহজে বাবা সকল কর্মীদের সাথে মিশে যেতো। যেকোনো ভোট সে ত্রিস্তরীয় পন্চায়েত বা বিধানসভা বা লোকসভা যেকোনো ভোটে আমাদের বাড়িতে ও বাড়ির পাশের মাঠে চলতো উৎসব।শত শত কর্মীদের জন্য থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা। সাথে বাড়ির পাশের মাঠে গননার দিন তাবু খাটিয়ে আমরা সবাই প্রতি রাউন্ডের গননার ঘোষনা শুনতাম।সেই দিনগুলি ভোলা যায়না। বাবার কোনোদিন ও পদের লোভ ছিলোনা। তাই বাবাকে যখন কোনো না কোনো পদের জন্য বলা হতো বাবা বলতো যে সাধারন কর্মী হিসাবে থাকতে চাই। বাবাকে কুলতলী ব্লক তৃনমুলের সভাপতি করতে চাইলে বাবা রাজী না হয়ে গোপাল কাকুকে ব্লক সভাপতি করে। আমাদের ব্লকে গোপাল কাকুই দলটা চালাতো বাবা পিছন থেকে কর্মীদের সাথে মিশে দলীয় কাজ করতো সাধারন কর্মী হিসাবে। গোপালকাকু দলীয় যেকোনো সিদ্ধান্তের পরামর্শ বাবার কাছ থেকে নিয়ে করতো। দলীয় কোনো কর্মসুচি হলে কিভাবে সব ব্যবস্থা হবে তাই নিয়ে ব্যস্ত থাকতো সবসময়। বাবা ছিলো একাধারে জামতলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক ( প্রায় ১৫ বছর) সাথে স্কুলের পরিচালন সমিতির সম্পাদক ( প্রায় ১০ বছর ) । আমাদের স্থানীয় ডাঃ বি আর আম্বেদকর কলেজে রাজ্যপাল দ্বারা নির্বাচিত গভর্নমেন্ট নমিনি ছিলো প্রায় ৫ বছর। কিন্তু কোনোদিন বাবাকে দেখিনি পার্টি থেকে কোনো সুবিধা নিতে। বরং নিজে গরীব ছিলো তা সত্ত্বেও পকেট থেকে যেমন কর্মীদের গাড়ী ভাড়া, খাওয়ার টাকা ইত্যাদী দেওয়ার চেষ্টা করতো। বাবা বলতো দলের কর্মীরা হলো আসল সম্পদ। কর্মী থাকলে দল ও নেতা থাকবে। কর্মীরা যদি বেঁকে বসে তখন না থাকবে নেতা না থাকবে দল। তাই বাবা সময় নিজেকে সাধারন কর্মী হিসাবে সকল পার্টি কর্মীদের সাথে মিশে দলটা করতো।তাই তখন দলে ছিলোনা কোনো বিরুদ্ধ লবি বা গোষ্ঠীবাজি। তারপর ২০১৫ সালে বাবার ক্যানসার ধরা পড়ে। তারপর ২০১৬ থেকে বাবা রাজনীতি থেকে পুরোপুরি নিজেকে সরিয়ে নেয় । বাবা যতদিন রাজনীতি করেছে সততার সাথে করেছিলো। কোনোদিন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি। ন্যায়ের পথে থাকতে বহুবার দলীয় সিদ্ধান্তের বিপরীতে গেছে কিন্তু ন্যায় পথ ছাড়েনি। যতদিন বাবা রাজনীতি করেছিলো মাথা উঁচু করে রাজনীতি করেছিলো। বাবার কাছে বামফ্রন্ট , কংগ্রেস , বিজেপি , এস ইউ সি আই সকল দলের কর্মীরা আসতো পরামর্শ নিতে। বাবা সকলের পাশে থাকতো। বাবা দরিদ্র ও সৎ ছিলো কিন্তু সর্বদলের কাছে বাবার সম্মান ছিলো আকাশছোঁয়া। সর্ব দলের কাছে বাবার গ্রহনযোগ্যতা ছিলো প্রশ্নাতীত। সকলের বিপদে বাবা ঝাঁপিয়ে পড়তো। যেটার সমাধান নিজে পারতো করতো। নাহলে রাস্তা দেখিয়ে দিতো। ফলে বাবার শত্রু বলতে কারোর নাম আমার মনে পড়েনা। তবে বাবা মারা যাওয়ার আগে পর্যন্ত আমাদের ব্লক তথা জেলা তৃনমুল দলের পদাধিকারী যারা ছিলো তারা বাবার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতো। যেকোনো কর্মসুচি রূপায়নে বাবার কাছে আসতো দেখতাম। আমি ছেলেবেলা থেকে ভোটার হওয়া পর্যন্ত তৃনমুল দল করেছি পরোক্ষ ভাবে। এবং ২০০৭ সালে ভোটার হওয়ার পর থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাবার সাথে প্রত্যক্ষ তৃনমুল দলটা করেছিলাম নিষ্ঠার সাথে। অনেক অফার এসছিলো বিভিন্ন মহল থেকে কিন্তু বাবা সবটাতে না করে দিয়েছিলো। বাবা রাজনীতি ছাড়ার আগে আমাকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিয়েছিলো যে আমি যেনো কোনোদিন প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে না নামি। আর একান্ত যদি নামি তাহলে বাবার মতো সৎ ভাবে মাথা উঁচু করে রাজনীতি করতে হবে।বাবা বলতো যদি রাজনীতিতে নামিস তাহলে সব দলের পদাধিকারী ও কর্মকর্তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করবি। বন্ধুর মতো মিশবি। কারোর সাথে শত্রুতা করবিনা। কারন রাজনীতি রাজনীতির জায়গায় দিনের শেষে রাজনীতি ভুলে সবাই সবার বন্ধু। আমার কয়েকটি ঘটনা মনে পড়ে তার মধ্যে একটি হলো কোনো এক নির্বাচনে বাবা প্রার্থী হয়েছিলো। গিয়ে দেখি বাবা( তৃনমুল প্রার্থী) সিপিএম প্রার্থী, কংগ্রেস প্রার্থী, এস ইউ সি প্রার্থী, সিপিএম প্রার্থী একসাথে বসে চা খাচ্ছে আর খোশ মেজাজে গল্প করছে। দেখে ভালো লাগতো। এটাকেই হয়তো বলে রাজনৈতির সৌজন্যতার বিরাট নিদর্শন। বাবা বলতো রাজনীতিতে হার জিত আছে। কিন্তু রাজনীতিতে শত্রু বানাতে নেই। পাশের বাড়ির ছেলেটা যদি বিরুদ্ধ দল করে তাও তার বিপদে সবসময় পাশে থাকার জন্য তৈরী থাকতে হবে। ভালো লাগতো বাবার রাজনীতির মতাদর্শ। সেটা আমি যতদিন রাজনীতি করেছি মেনে এসছিলাম। তারপর চাকরীর তাগিদে ও পেশার তাগিদে রাজনীতি ছেড়ে দি। কারন সরকারী চাকরী করলে রাজনীতি করা উচিত নয়। বাবা বলতো রাজনীতি করলে শুধু রাজনীতিটা মন দিয়ে করতে হয়। অন্যকাজ করলে রাজনীতিটা করা হয়ে ওঠেনা। বাবার কথা মতো চাকরীতে যুক্ত হওয়ার পর আর রাজনীতি প্রত্যক্ষ ভাবে করিনি। কারন আমার কাছে সব দল সমান। চিকিৎসকদের রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে হয় এটা বাবা আমাকে শিখিয়েছিলো।রাজনীতি আর চিকিৎসকতা দুটোর মধ্যে চিকিৎসকতা কে বেছে নিয়েছিলাম। তাই এখন রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে চিকিৎসা পরিষেবা আর একটু আধটু সমাজসেবা করার চেষ্টা করে যায় প্রতিনিয়ত। যখন প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতাম রাজনৈতিক মহলে বাবার সুত্রে ও কলেজে তৃনমুল ছাত্র পরিষদ করার দৌলতে তৎকালীন প্রচুর দলীয় পদাধিকারীদের সাথে পরিচয় হয়েছিলো। হৃদ্যতা তৈরী হয়েছিলো। তা এখনো বিদ্যমান। তাদের অনেকেই এখন দলের বহু গুরুত্বপূর্ন পদে আসীন। কোলকাতা গেলে দেখা হয়। তারা ফোন করে বলে অজয় তুই রাজনীতি ছাড়লি কেনো ? তোর যা পরিচিতি মহল ছিলো তুই রাজনীতিতে থাকলে অনেক বড় জায়গায় যেতে পারতিস আমাদের মতো।এখনো সময় আছে। চলে আয় আমরা বলে দিচ্ছি। উত্তরে বলি আমি যে রাজনীতিতে বিশ্বাসী বা আমার বাবা আমাকে যা শিখিয়ে গেছে সেই আদর্শে চলতে গেলে রাজনীতি আমার দ্বারা হবেনা।তার উত্তরে বন্ধুরা বলে রাজনীতি করলে কি তুই বদলে যাবি নাকি ? তুই যেমন ভাবে কাজ করছিস সেই কাজটা রাজনীতি করতে করতে করবি। তুই প্রচুর সমাজসেবার কাজ করিস। কিন্তু যদি দলীয় গুরুত্বপূর্ন পদে থেকে রাজনীতি করিস তাহলে আরো বৃহত্তর ভাবে মানুষের পাশে থাকতে পারবি। তখন বহু মানুষকে একসাথে পাবি। আর রাজনীতিতে তোর মতো মানুষ খুব দরকার। রাজনীতি করলেই যে তুই খারাপ হয়ে যাবি এটা ভুল কথা। যদি তুই রাজনীতি করতে এসে ভুল কাজ করিস তাহলে মানুষ খারাপ বলবে। যেমন দেখ তোর বাবা মানে আমাদের জ্যাঠু কে কেউ কখনো খারাপ কথা বলতে পারে। সবাই জ্যাঠুকে সম্মান করে। তুই ও ভালো কাজটাই করবি। দেখবি জ্যাঠুর মতো তুই ও সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য হতে পারবি আর সম্মানীয় হতে পারবি। উত্তরে আমি বলি সময়ে সব ঠিক হবে। এখনকার মতো আপাতত না।

অনেক কথা লিখলাম কারন ১৯৯৮ এর আজকের দিন আর ২০২৫ এর আজকের দিনের মাঝের ২৭ বছরে অনেক কিছু বদলেছে কিন্তু সেই ১৯৯৮ এর ১ লা জানুয়ারী আমার ৯ বছরের শিশু মনের সেই স্মৃতি এখনো অমলিন যা সবসময় নাড়া দেয়। দলের ইতিহাসের প্রতিটা পর্ব মুখস্থ হয়ে গেছে। দলের শুরুর দিন গুলির কঠিন সময়ের ইতিহাস এখনো স্মৃতিতে ভাসে। কি দিন ছিলো সেসব। মনে পড়লে বুক কেঁপে ওঠে এখনো। তখন তৃনমুল করতে গেলে দম লাগতো। ঝান্ড ধরার লোক পাওয়া যেতোনা।

এখন তো দলীয় কর্মীদের সুখের সময়। এখন কর্মীদের অতটা চাপ নেই দল করার জন‍্য।

আজকে র এই দলীয় অনকুলে ভালো সময়ের দিনটার অপেক্ষায় হয়তো ১৯৯৮ সালের ১ লা জানুয়ারী তে শিশু মনে হয়তো প্রতিজ্ঞা করেছিলাম বাবাদের সাথে।

বছর শেষে আমাদের জন্য একটা লাইন হয়ে যাক।Dr Ajay Mandal
31/12/2025

বছর শেষে আমাদের জন্য একটা লাইন হয়ে যাক।
Dr Ajay Mandal

30/12/2025

মুত্রনালীর পাথর বের হওয়ার পর আমার এক রোগীর মজার বক্তব‍্য " স‍্যার পাথর বের করে দিয়ে ওজন তো অনেক কমিয়ে দিলেন , এখন কি হবে 😜😜 ? "
হাসবো না কাঁদবো বুঝলাম না।

28/12/2025

৬৫০+ সুগারের রোগীর সুগার ১৫০ তে নামার পর রোগী বলে স‍্যার গত ২০ দিন একটাও মিষ্টি খাইনি। রাধাকৃষ্ণের রসগোল্লা স্বপ্নে আসে। খাবো স‍্যার ?
কি উত্তর দি বলুন তো ? 😂😂

Address

Boarding Para
Dinhata
736135

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Ajay Mandal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Ajay Mandal:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram