Remedial Astrology

Remedial Astrology Creating birth chart , horoscope consultant, marriage jobs education related query consultant , vast

08/09/2021

September 9, 2021

JYOTIRVID
ACHARYA ACHINTYA KUMAR

( K.P. & VEDIC ASTROLOGER )

Ph. D. in Astrology, Palmist, Ta**ra
Bastu Consultant & Gem Therapist

আজকের বিষয় :---. গণেশ চতুর্থীর মাহাত্ম্য

" এক দনতাং মহাকয়অং লম্বোদর গজান নং
বিঘ্ন বিনাশকরঙ দেবঙ হেরম্ব প্রণমাময়হম "

(শুদ্ধ সংস্কৃতি ভাষায় লিখতে না পারার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী )

অর্থাৎ যিনি "একদন্ত মহাকায় লম্বোদর
গজাননম " এবং " বিঘ্নবিনাশকারী " --- সেই "হেরম্ব
দেবকে " আমরা প্রণাম করি।

" গণেশ চতুর্থী " আসলে কি এবং কেন ----- বাংলার " পয়লা বৈশাখ ছাড়াও এই সময়ে ও আবারও হয় " গণপতি বাপ্পা " অর্থাৎ গণেশজীর বন্দনা -- তার ব্যাখ্যা " পুরাণে " উল্লেখ
আছে।। --- সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করা হলো --------

একবার " চন্দ্রদেব " ও তাঁর ২৭ তম স্ত্রী র
মধ্যে " দ্বিতীয় প্রিয় স্ত্রী " " রোহিনী দেবী " পুষ্পক রথে চড়ে - গগন মন্ডলীতে মনের আনন্দে ঘুরছিলেন আর এমত অবস্থায় ঠিক তখনই দেবাদি দেবের " মহাদেব পুত্ৰ গনেশজীর দিকে" নজর পড়ে গেল --- চন্দ্রদেব ও রোহিনী দেবী - গনেশজী-
কে দেখে তাঁরা খুবই হাস্যকৌতুক ভাবে জিগ্যেস
করেছিলেন -- " কে তুমি? " তোমাকে তো আগে কখনো দেখেনি এখানে। "

উত্তরে " গনেশজী " বললেন , --- আমি
" শিব - পার্বতীর পুত্র - গনেশ। - তৎক্ষণাৎ ' চন্দ্রদেব ও দেবী রোহিনী - একে অপরের মুখপানে
চেয়ে হাসাহাসি করে রসিকতা করে " গনেশজীকে"
বললেন - " মহাদেব ও পার্বতীর পুত্র কিনা এরকম
এক অদ্ভুত প্রাণী ? " আর সেই সঙ্গে তাঁদের বিদ্রুপের হাসি।

গনেশজী রেগে গিয়ে চন্দ্রদেব - কে অভিশপ্ত করলেন এই বলে যে - " এতো তোমার
রূপের অহংকার ? তাই আজকের দিনে তোমাকে এই সময়ে তুমি তোমার সুন্দর রূপ হারাবে অর্থাৎ --- প্রত্যেকবার তোমার জ্যোতি নষ্ট হয়ে যাবে ---
অর্থাৎ বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তোমাকে " নষ্ট চন্দ্র " হিসেবে জানবে -- আর সেই সঙ্গে " এই দিন যে তোমার মুখ
দর্শন করবে - তাঁর জীবন কলঙ্কিত হবে ------------।

সেই থেকে " ছন্দদেব " " গনেশজীর
অভিশাপে প্রতিবার এই সময়ে অর্থাৎ - তাঁর জ্যোতি হারিয়ে " নষ্ট চন্দ্র হয় " - তাই এই সময়ে
" চন্দ্রদেবের মুখ দর্শন নিষিদ্ধ আর গনেশজীকে
----- আহ্বান জানিয়ে তাঁর পূজা ও আরাধনা করা
হয়। ------

বি: দ্র: --- গনেশ চতুর্থীর সন্ধ্যায় ও রাতে ভুল
করেও " চাঁদ " দেখবেন না।

লেখাটি পড়ুন এবং অন্যকে পড়ান, ভুল থাকলে বা নতুন কোনো তথ্য জানা থাকলে জানান উপকৃত হব।

জন্ম কুন্ডলীর বিচার , হস্ত রেখা বিচার, তন্ত্র
ঠিকুজী কোষ্ঠী প্রস্তুত ও বিচার
বস্তু সমস্যার সমাধান
এবং
যে কোনো জটিল সমস্যার স্থায়ী সমাধান, পরামর্শ
প্রতিকরের জন্য

যোগাযোগ ::------ চেম্বার

কলকাতা : ৮৭৭৭৩ ২৭৬৮৩ , ৮৯০২৬ ৮৯২৯৪
কৃষ্ণনগর : ৮২৫০৮ ১১৭০১, ৮২৫০৮ ৩৭৮৮৬

20/06/2021

June 20, 2021

JYOTIRVID
ACHARYA ACHINTYA KUMAR

( K.P. & VEDIC ASTROLOGER )

Ph. D. in Astrology , Palmist , Ta**ra
Vastu Consultant. & Gem Therapist

আজকের বিষয় : -- অম্বুবাচী কি ?

হিন্দু ধর্মে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক ক্রিয়া, ধর্ম কৃত্য, লৌকিক আচার বা বিভিন্ন ব্রত উৎযাপিত হয় -- " অম্বুবাচী " তাদের মধ্যে একটি। অম্বুবাচী
বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় " অমাবতি " নামেও
পরিচিত।

আমাদের হিন্দু শাস্ত্রে পৃথিবীকে মাতৃস্থানীয়
বলা হয়। পৌরাণিক যুগেও পৃথিবীকে " ধরিত্রী মাতা " বলা হত। সুতরাং পৃথিবী আমাদের " মা " ,
কারণ আমাদের জন্ম এখানেই , শুধু আমাদের কেন -- ফুল , পাখী , প্রকৃতি এক কথায় সবাই
আমরা এই পৃথিবীরই সন্তান।

আমরা জানি মেয়েদের " ঋতুকাল " বা
রজস্বলা ( Menstruating ) হয় এবং একজন নারী - তারপরই " সন্তান ধারণে সক্ষম হন "। ঠিক
তেমনি প্রতিবছর " অম্বুবাচী র " এই তিন দিনকে
( আষাঢ় মাস এর ৭ তারিখ থেকে ১০ তারিখ পর্য্যন্ত ) " পৃথিবীর ঋতুকাল ধরা হয় "। এই তিন
দিন জমিতে কোন চাষ করা হয় না। বর্ষায় সিক্ত
পৃথিবী " নতুন বছরে নতুন ফসল উৎপাদনের
উপযোগী হয় " ।

আমাদের " প্রচলিত বিশ্বাস " অনুযায়ী
" ঋতুকালে মেয়েরা অশুচি থাকেন " এবং " সেই
সময় তারা মাঙ্গলিক কর্ম থেকেও বিরত থাকেন।
একইভাবে " পৃথিবী " এই " অম্বুবাচী " বা " "অমাবতী র" তিন দিন অশুচি থাকে বলে চিন্তা
করা হয়ে থাকে। এই সময় -- ব্রহ্মচারী , সাধু ,
সন্ন্যাসী , যোগীপুরুষ , বিধবা মহিলা ( যারা
ব্রহ্ম চার্য পালন করেন / আমিষ গ্রহণ করেন না )
এরা কেউই " রজস্বলা পৃথিবীর উপর আগুনের রান্না কিছু খান না। এই তিন (৩) দিন বিভিন্ন ফলমূল খেয়ে থাকেন। প্রতি বছর " আষাঢ় মাস
এর ৭ তারিখে এটি শুরু হয় এবং ১০ তারিখে
শেষ হয়। এটি আসলে হিন্দুদের একটা লৌকিক
আচার।

হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে এমন কিছু কাজ আছে
যা এই সময় মেনে চলা উচিত।

১. ধরিত্রী মাতা ঋতুমতী হন ; তাই অম্বাবুচি র
সময়ে " ভুমিকর্ষন ও বৃক্ষরোপণ করা
নিষেধ।

২. উক্ত তিন (৩) দিন ( আষাঢ় মাসের ৭ থেকে
১০ তারিখ ) গৃহপ্রবেশ , বিবাহ ও অন্যান্য
শুভ কাজ করা উচিত নয়।

৩. কোন বিশেষ পূজার আয়োজন না করাই
ভাল , তবে " রথযাত্রা র উৎসব পড়লে --"
তা নিয়ম মেনেই করা যেতে পারে , কারণ
" রথযাত্রা কে নিত্য কর্ম হিসাবেই ধরা হয়।

৪. যাঁরা " আদি শক্তি র " বিভিন্ন রূপ পুজো
করেন , যেমন - মা কালী , দেবী দুর্গা ,
দেবী জগৎধাত্রি , মা বিপত্তারিণী, মা শীতলা
দেবী চণ্ডী র মূর্তি বা পট পূজা করেন , তাঁরা
এই সময়ে " মূর্তি বা পট " লাল কাপড় দিয়ে
ঢেকে রাখবেন।

৫. " অম্বাবুচি " র দিনগুলিতে -- পূজোর সময়ে
- কোন মন্ত্র পাঠ করবেন না , কেবল ধূপ ও
দ্বীপ সহযোগে - ঠাকুর প্রণাম করবেন।

৬. দেবীর মূর্তি বা পট -- হিন্দু শাস্ত্র মতে -----
কখনই স্পর্শ করা উচিত নয় বলেই মনে
করা হয়।

৭. " গুরু " র পূজা এবং গুরু যদি " নারী " হন
অর্থাৎ " গুরু মা " হন , তাহলেও পূজা
চলতে পারে - এতে দোষের কারণ হয় না।

৮. যাঁরা - শাক্ত মন্ত্রে দীক্ষিত , তাঁরা এই সময়ে
গুরুমন্ত্র জপ করতে পারবেন। হিন্দু শাস্ত্র
মতে " জপ " এ কোন দোষ নেই বলে মনে
করা হয়।

আজ এখানেই শেষ করলাম " জয় গুরু "।

লেখাটি নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়ার জন্য বেশি করে share এবং like করুন।
ভুল কিছু থাকলে লিখে জানান।

আপনার - জন্মকুন্ডলীর বিচার , হস্ত রেখা বিচার
তন্ত্র , ঠিকুজি কোষ্ঠী প্রস্তুত ও বিচার
বাস্তু সমস্যার সমাধান
এবং
যে কোনো জটিল সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং
পরামর্শ ও প্রতিকারের জন্য

চেম্বার : ---

কলকাতা - ৮৭৭৭৩ ২৭৬৩৮, ৮৯০২৬ ৮৯২৯৪
কৃষ্ণনগর - ৮২৫০৮ ১১৭০১, ৮২৫০৮ ৩৭৮৮৬

24/05/2021

MAY 24, 2021

JYOTIRVID
ACHARYA ACHINTYA KUMAR

( K. P. &. VEDIC ASTROLOGER )

Ph. D. in Astrology, Palmist, Ta**ra
Bastu Consultant &. Gem Therapist

আজকের বিষয় : চন্দ্রগ্রহণ এ কি করবেন না
কি করবেন
---------/// -----////-------///------

এর আগেও এই বিষয়ে বিশদে আলোচনা করা হয়েছিল কিন্তু অনেকের অনুরোধে
আজ কেবলমাত্র চন্দ্রগ্রহণ এ কি করবেন না আর কি করবেন কেবলমাত্র এই টুকুই আলোচনা।

আগামী ২৬শে মে এই বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ। উঃ পূর্ব ভারত, প: ব: , বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন স্থান থেকে দেখা যাবে ( যদিও ওই সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলবে সুতরাং গ্রহণ দেখার কোন সুযোগ থাকছে না ) । ঐ দিনই " বৈশাখী পূর্ণিমা " পালিত হবে।

এই গ্রহণ শুরু হবে দুপুর ২. ১৭ মিনিটে চলবে
সন্ধ্যা ৭. ১৯ মিনিট পর্য্যন্ত।

এবার আসি " গ্রহণের সময় " কি করবেন না : ---

১. শারীরিক ভাবে মিলিত হওয়া উচিত নয় ,
কারণ, এর ফলে যে সন্তান জন্মগ্রহণ করবে
তার " চারিত্রিক দোষ থাকবে "।

২. গর্ভবতী মহিলাদের সতর্কতা অবলম্বন করা
উচিত। কারণ , এই সময় পরিবেশে ক্ষতি -
কারক কিছু " তরঙ্গ " খুব সক্রিয় থাকে যার
প্রভাবে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হতে পারে।

৩. " গ্রহণের সময় " রান্না করা খাবার খাওয়া
উচিত নয়। তবে রান্না করা খাবারে "তুলসী
পাতা " ছড়িয়ে দিন। ফলে " গ্রহণের " ক্ষতি-
কারক প্রভাব পড়বে না।

৪. " গহনা " বা " সেপ্টিপিন " পড়বেন না। কারণ
এর ফলে নাকি বিপদ বাড়তে পারে।

৫. দেবতার মূর্তি স্পর্শ করবেন না , তবে মনে
মনে স্মরণ করতে পারেন।

৬. " গ্রহণের সময় " চাঁদের দিকে তাকাবেন না,
চোখ খারাপ হতে পারে।

৭. নতুন কোনো শুভ কাজ আরম্ভ করবেন না।

৮. " তুলসী গাছ " স্পর্শ করবেন না।

৯. চুল , দাড়ি কাটবেন না।

১০. নির্জন স্থানে বা শ্মশানে যাবেন না , এই
সময় অশুভ শক্তির ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

১১. " গ্রহন " চলাকালীন সময়ে -- রান্না করা,
চুল বাঁধা , চুলে তেল মাখা , খাবার খাওয়া,
কাপড় ধোয়া এবং ঘুমান উচিত নয়।

" গ্রহণ " এর সময় কি করলে " শুভ " ফল পাবেন --

১. " গ্রহণ " স্পর্শ করার সময় স্নান করলে - -
গঙ্গা স্নান করবার সমতুল্য ফল পাওয়া যায়।

২. " গ্রহণ " ' মধ্যম সময়ে ' -- দেব পূজা, জপ
ধ্যান , হোম করতে হয়।

৩. " গ্রহণ " এর শেষে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পরে
গরীব অথবা ব্রাহ্মণ কে দান করবেন।

৪. লক্ষ্মী ও বিষ্ণু পূজা করা উচিৎ এবং
উপকরণ হিসেবে - কাঁচা হলুদ, আতপ চাল
ও পঞ্চমমৃত অবশ্যই রাখুন।

আজকের আলোচ্য বিষয় এইখানেই শেষ
করলাম। পারলে মেনে চলার চেষ্টা করবেন।

লেখাটি পড়ে আপনাদের মতামত জানান।
ভুল থাকলে সংশোধন করার সুযোগ দেবেন। নতুন
তথ্য থাকলে লিখে পাঠিয়ে দিন।

" জন্ম কুন্ডলীর বিচার , হস্ত রেখা বিচার, তন্ত্র,
ঠিকুজি কোষ্ঠী প্রস্তুত ও বিচার
বাস্তু সমস্যার সমাধান
এবং
যে কোনো জটিল সমস্যার স্থায়ী সমাধান
পরামর্শ ও প্রতিকারের জন্য

যোগাযোগ করুন : ----

চেম্বার কলকাতা -- ৮৭৭৭৩ ২৭৬৮৩,
৮৯০২৬ ৮৯২৯৪
কৃষ্ণনগর -- ৮২৫০৮ ১১৭০১, ৮২৫০৮ ৩৭৮৮৬

20/04/2021

21st April 2021

JYOTIRVID
ACHARYA ACHINTYA KUMAR

( K. P. & VEDIC ASTROLOGER )

Ph. D. in Astrology , Palmist , Ta**ra
Vastu Consultant & Gem Therapist

আজকের বিষয় : মহামারী কাদের হয় ?

আজকের এই বিষয়টি অনেকের মধ্যে
আগ্রহ এবং একই সঙ্গে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে ,
বিশেষ করে বেশ কিছুদিন হলো COVID 19 আমাদের দেশে নতুন ভাবে , নতুন রূপে এবং আরো বেশি শক্তি সঞ্চয় করে আবির্ভাব ঘটেছে।
অবশ্য অনেক আগেই পৃথিবীর অন্যান্য দেশে ফিরে এসেছে , ফল -- আগের চেয়ে ও বড় ঘাতক।

অনেকের এই জিজ্ঞাসার উত্তর দেবার চেষ্টা করছি মাত্র। তবে এই প্রসঙ্গে আমার অনুরোধ , যাঁরা আজ জ্যোতিষ শিক্ষকতা করছেন
এবং আমার জ্যোতিষ বন্ধুরা - তাঁরা একমত না ও
হতে পারেন , তবে তাদের অভিমত বা বিশ্লেষণ share করতে পারলে ভালো লাগবে।

এবার প্রসঙ্গে আসি ::

আসলে যে কোনো মহামারী , প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা আকর্ষিক দুর্ঘটনা - যেমন - ভূমিকম্প
বন্যা, অগ্নিদুর্যোগ , নৌকা ডুবি , যে কোনো রকম দুর্ঘটনা ( গাড়ি , জাহাজ , উড়োজাহাজ ) যখন আসে তখন - স্থান , কাল , ভেদে এর প্রভাব কম বেশি প্রায় সকলেই অনুভব করে থাকেন। বিজ্ঞান
বা অন্য কোনো আগাম সতর্কবার্তা এই বিষয়টিকে
প্রতিরোধ করতে পারে না।

জ্যোতিষ পেশার সঙ্গে যুক্ত ছোট বড় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ ই তাঁদের মতামত দিয়ে
থাকেন। তবে এ বিষয়ে অনেকেই একমত যে -----
" যাদের জন্ম ছক বা জন্ম কুন্ডলীতে - ' রবি ' গ্রহ
অথবা ' চন্দ্র ' গ্রহ এবং ' জন্ম লগ্ন ' যদি একত্রে বা
আলাদা আলাদা ( শনি , রাহু , কেতু , ইউরেনাস ,
নেপচুন ) গ্রহ দ্বারা " যুক্ত বা দৃষ্ট হয় এবং লগ্ন
সাপেক্ষে 6th , 8th and 12th Lord এর সঙ্গে কোন সম্পর্ক তৈরী করে তাহলে ঐ জাতক বা জাতিকার এই ধরণের " ভাইরাস " জনিত - যে কোন রোগ সহ জটিল কোনো রোগের সম্ভাবনা বেশি থাকবে। কিছু রোগ থাকতে পারে যা তাদের
সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে।

তবে , এই সব জাতক / জাতিকাকে সাবধানে থাকতে হবে , সতর্ক থাকতে হবে এবং
প্রয়োজনে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে।

** এই বিশ্লেষনের সঙ্গে সকলেই একমত হবেন নিদিষ্ট করে তেমন কিছু দাবি করা হচ্ছে না,
তবে সিদ্ধান্ত নেবার আগে জন্ম কুন্ডলীর বিচার আপনার বিশ্বাস যোগ্য কোন জ্যোতিষী র সাহায্যে করিয়ে নেবেন।

এই " মহামারী " বিশ্লেষণ -এ আমার ভুল ত্রুটি থাকলে জানাবেন এবং আপনাদের নতুন কোন তথ্য জানা থাকলে জানাবেন , সম্মানের সঙ্গে গ্রহন করা হবে।

***** জন্ম কুন্ডলীর বিচার , হস্ত রেখা বিচার , তন্ত্র
বাস্তু সমস্যার সমাধান , ঠিকুজি কোষ্ঠী
প্রস্তুত ও বিচার
এবং
যে কোনো জটিল সমস্যার স্থায়ী সমাধান
পরামর্শ ও প্রতিকারের জন্য
যোগাযোগ :

চেম্বার - কলকাতা - 87773 27683,
89026 89294
কৃষ্ণনগর - 82508 37886, 82508 11701

।।।।। জয় গুরু ।।।।

সকলে সুস্থ থাকুন , ভালো থাকুন, সাবধানে থাকুন
COVID বিধি মেনে চলুন।

08/03/2021

... 09.03.2021

JYOTIRVID
ACHARYA ACHINTYA KUMAR

( K.P. & VEDIC ASTROLOGY )

Ph.D. in Astrology , Palmist , Ta**ra
Vastu Consultant & Gem Therapist

আজকের বিষয় : ---
কোন কোন " পাতায় " সন্তুষ্ট হন " শিব ঠাকুর "

সম্প্রতি আমাদের " মা " ও " বোনেরা " প্রচণ্ড
নিস্টার সঙ্গে " শিব রাত্রির ব্রত " প্রতিবারের মত
এবারও পালন করতে চলেছেন । এই ব্রত তাঁরা
দীর্ঘদিন যাবৎ পালন করে চলেছেন তাই এই
বিষয়ে নতুনভাবে কিছু বলার নেই , আমি শুধু
তাদের সম্পর্কে জানাতে চাই যারা এই ব্রত প্রথম
বার পালন করতে চলেছেন এবং যাদের কাছে এই বিষয়টি অজানা থেকে গেছে ----- সেই বিষয়টি হল " কোন কোন পাতায় সন্তুষ্ট হন " শিব ঠাকুর"।

এবার আলোচনায় আসি : ---

" শিব " এর পুজো প্রায় সব বাড়িতেই হয়।
ফুল - বেলপাতায় সাজানো হয় " শিবলিঙ্গ "। কিন্তু,
ঠিক কোন " ফুল " আর কোন " পাতায় " - সন্তুষ্ট
হন " ভগবান শিব "।

১. অশ্বথ গাছের পাতা দেওয়া উচিৎ " শিব
ঠাকুরকে " । " স্কন্দ পুরাণ " এ বলা হয় ' ব্রহ্মা',
"বিষ্ণু" ও " শিব" এই গাছের পাশে থাকতেন।
প্রত্যেকের আলদা আলাদা জায়গা ছিল। তাই
" বেলপাতা " ছাড়া " অশ্বত্থ " পাতা দিলেও
একই রকম সন্তুষ্ট হন " শিব "।

২. শুধুমাত্র এই কারনেই নয়। বলা হয় " শিব "
ঠাকুরকে " অশ্বথ্য পাতা " দিলে " শনি -র "
দোষ কেটে যায়।

৩. হিন্দু শাস্ত্র মতে " বটগাছ " অমরত্বের প্রতীক।
কিন্তু জন্ম বা পুনর্জন্মের প্রতীক নয়। বলা
হয় " বটগাছ " এর তলায় বসতেন "ভগবান
শিব " । মৃত্যুভয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতেন।
তাই " শিব ঠাকুর - কে " বটপাতা "
দিলে দীর্ঘায়ু লাভ করা যায়।

৪. " অশোক পাতা " হিন্দু ধর্মে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
Positive Energy নিয়ে আসে-এই "অশোক
পাতা "। এই পাতা " শিব ঠাকুর- কে দিলে
" বন্ধ্যাত্ব " থেকে মুক্তি পাওয়া যায় আর
সমাজে খ্যাতি পাওয়া যায়।

৫. সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে " দরজার সামনে
রাখা হয় ' আম পাতা ' " । যার উল্লেখ রয়েছে
' রামায়ন - মহাভারতে - ও। শিব ঠাকুর - কে
" আম পাতা " দিয়ে পুজো করলে - সমৃদ্ধি
হয়।

৬. " আকন্দ " - শিব ঠাকুর -এর খুব প্রিয়।
মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে - " আকন্দ
পাতা " দিন ' শিব ঠাকুর - কে।

৭. " বেদনা গাছের পাতা " দিতে পারেন " শিব
ঠাকুর - কে। কোনও দুঃখ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি
পেতে -- এই পাতা দিয়ে " শিব ঠাকুর - কে
পুজো করুন।

আশাকরি লেখাটি আপনাদের সাহায্য করবে।
তবে আপনাদের মতামত জানান । নতুন
কোন তথ্য জানা থাকলে অথবা কোন ভুল থাকলে
লিখে পাঠিয়ে দিন , তাহলে আমি নিজেকে পরিবর্তন করার সুযোগ পাবো।

আর আপনাদের যদি এই লেখা ভালো লেগে থাকে অনেক বেশি লাইক করুন , বেশি বেশি করে
শেয়ার করুন - অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন
সকালের জন্য বলি ----

জন্মকুন্ডলীর প্রস্তুত এবং বিচার , হস্ত রেখা বিচার
তন্ত্র ও বস্তু শাস্ত্র বিচার
এবং
যে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান , পরামর্শ ও
প্রতিকারের জন্য

যোগাযোগ করুন :: ----

কলকাতা - আলাপ - 87773 27683 ,
এবং 89026 89294

কৃষ্ণনগর -- আলাপ -- 82508 37886

জয় গুরু।

সকলের সুস্থ এবং মঙ্গলময় জীবন কামনা করি।

11/02/2021

JYOTIRVID
ACHARYA ACHINTYA KUMAR

( K.P & VEDIC ASTROLOGY )

11.02. 2021

Ph. D. in Astrology , Palmist , Ta**ra
Vastu Consultant & Gem Therapist

আগের দিনের লেখায় " শাঁখা , সিঁদুর , লোহা বা নোয়া " পরার কারণ এবং কেন পরা উচিত বিভিন্ন দৃষ্টি কোন থেকে তার ব্যবহারের কারণ সম্বন্ধে লেখা পোস্ট করা হয়েছিল। ওই
লেখাটি পাঠক সমাজ খুব ভালো ভাবে গ্রহণ
করেছিলেন , কারণ অনেকই জানতে চেয়েছেন
যে " সিঁদুর পরার কোন নিয়ম বা মন্ত্র আছে কিনা ? " থাকলে যেন লিখে জানাই।

প্রথমেই , আমি আপনাদের সকলকে আমার
কৃতজ্ঞতা জানাই। জানাই তাদেরকে আমার শুভ কামনা , আন্তরিক অভিনন্দন যারা আমার এই লেখাটি লাইক দিয়েছেন , শেয়ার করেছেন এবং পরবর্তী লেখার জন্য অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

আমি আরও বেশি নিজেকে আনন্দিত বোধ
করছি এই জন্য যে অনেক মা বোনেরা জানতে চেয়েছেন " বিয়ের কনে কে ' মেহেন্দি ' লাগানো হয় কেন ? "

আজ এই দুটি বিষয়ে উত্তর দেবার চেষ্টা করছি।

প্রথমে জেনে নিই " সিঁদুর ধারণ - এর মন্ত্র " -----

শুভ বিজয়াতে বা বিভিন্ন পূজা পার্বণে
মায়েরা দেবী দুর্গা কে সিঁদুর ছোঁয়ান বা একে
অন্যকে সিঁদুর পড়ান -- কেন ?
দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেন -----
সিঁথির সিঁদুর যেন অক্ষয় থাকে -- এই বাসনা
নিয়েই একে অপরকে সিঁদুর পড়ান।

এবার আসি " মন্ত্র -এ " --

সিঁথিতে সিঁদুর ধারণ মন্ত্র -- ওম কৃষ্ণায় নমঃ

কপালে সিঁদুর ধারণ মন্ত্র - ওম কেশবায় নমঃ

কণ্ঠে সিঁদুর ধারণ মন্ত্র --- ওম গোবিন্দায় নমঃ

শাঁখায় সিঁদুর ধারণ মন্ত্র -- ওম মধুসূদনায় নমঃ

বস্ত্রে সিঁদুর ধারণ মন্ত্র --- ওম মাধবায় নমঃ
-------// ---------/// --//// --------

এবার জানবার চেষ্টা করি " মেহেন্দি কেন
লাগানো হয় " -------

" মেহেন্দি " -- খুবই শক্তিশালী ঔষধী। -
বিয়ের সময় -- মানসিক চাপ ও চিন্তা বেড়ে যায়।
যার ফলে মাথাব্যথা , এমনকি জ্বর পর্যন্ত হওয়ার
সম্ভাবনা থাকে। " মেহেন্দি " -- শরীর ঠান্ডা করে।
ফলে মানসিক চাপ থেকে অনেকটা মুক্ত থাকে এবং স্নায়ু - কে চিন্তাগ্রস্থ হতে দেয় না। -- তাই
বিবাহের সময় হাতে এবং পা - এ " মেহেন্দি " -
লাগানোর প্রথা প্রচলিত আছে।

আজ এই পর্যন্ত।
অনুরোধ করি - আপনারা পড়ুন , লাইক করুন , অনেক অনেক শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন। ভুল থাকলে আমাকে
জানান , পরিবর্তনের সুযোগ করে দিন।

নমস্কার। সকলেই ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন।
জয় গুরু।

জন্মকুন্ডলীর প্রস্তুত এবং বিচার , হস্ত রেখা বিচার
তন্ত্র ও বাস্তু শাস্ত্র বিচার
এবং
যে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান , পরামর্শ ও
প্রতিকারের জন্য
যোগাযোগ :---

আলাপ ( কলকাতা ) - ৮৭৭৭৩ ২৭৬৮৩ এবং
৮৯০২৬ ৮৯২৯৪

আলাপ ( কৃষ্ণনগর ) -- ৮২৫০৮ ৩৭৮৮৬

বি: দ্র: -- আগেও বলেছি , আবার ও বলছি ,
পরেও বলবো। online -এ জ্যোতিষ
শিক্ষার পিছনে যে সব ভাই - বোন , দাদা
দিদি এবং বন্ধুরা ছুটছেন , তাদের বলি এই ফাঁদে পা দেবেন না। এইটি " গুরুমুখী বিদ্যা " । একটু
অপেক্ষা করুন , গুরু র সন্ধান করুন । গুরুর কাছে বসে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারলে , কিছুটা হলেও শিক্ষা পেতে পারেন কিন্তু online এড়িয়ে চলুন।

কারো কোনো কাজে বিঘ্ন ঘটে থাকলে - দুঃখিত।






.

11. 02. 2021


Ph.D . in Astrology ,

03/02/2021

REMEDIAL ASTROLOGY
.... .03.02.2021

JYOTIRVID
ACHARYA ACHINTYA KUMAR
( K.P. & VEDIC ASTROLOGY )

Ph.D. in Astrology , Palmist , Ta**ra
Vastu Consultant & Gem Therapist

আজকের আলোচনার বিষয়
" শাঁখা , সিঁদুর , লোহা বা নোয়া পরার কারণ আর
কেন পরা উচিত ? "

শাঁখা , সিঁদুর এবং লোহা বা নোয়া -- ব্যবহারের
তিনটি কারণ -----
আধ্যাত্মিক , সামাজিক এবং বৈজ্ঞানিক

আধ্যাত্মিক কারণ -- শাঁখা-র রং সাদা অর্থাৎ "সত্ত্ব"
সিঁদুর-এর রং লাল অর্থাৎ " রজ: " এবং
লোহা বা নোয়া-র রং কালো অর্থাৎ " তম "
গুনের প্রতীক।
সংসারী লোকেরা এই তিনটি গুনের অধীন হয়ে সংসার ধর্ম পালন করেন।

সামাজিক কারণ - উপরোক্ত তিনটি জিনিষ
পরিধান করলে -- প্রথম দৃষ্টিতে জানিয়ে দেওয়া যে -ঐ রমণী একজন পুরুষের অভিভাবকত্বের অধীনে আছেন , সেই কারণেই অন্য পুরুষের লোভাতুর , লোলুপ দৃষ্টি প্রতিহত হয়। স্বামীর মঙ্গল
চিহ্ন তো অবশ্যই। সেই কারণেই- আমাদের সমাজ
ব্যবস্থায় - স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা করে বলা হয়ে থাকে -- " হাতের নোয়া অক্ষয় হউক ( to have
One's husband living till one's death ).

বৈজ্ঞানিক কারণ -- রক্তের এটি উপাদান --
শাঁখায় - ক্যালসিয়াম
সিঁদুরে। -- Pb ( Lead ). এবং
লোহা বা নোয়ায় -- Iron আছে

রক্তের তিনটি উপাদান -- মায়েদের মাসিক
রজ: স্রাবের সাথে বের হয়ে যায়। এই তিনটি
জিনিষ নিয়মিত পরিধানে রক্তের সে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে।

হিন্দু বিবাহিত মহিলারা সিঁদুর এবং শাঁখা -
পলা ব্যবহার করেন , কারণ এই চিহ্নগুলি ছাড়া
বিবাহ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। যদিও আধুনিক সমাজ এই সিঁদুর এবং শাঁখা - পলা - র ব্যবহার
বাধ্যতামূলক বলে মনে করে না।
মহাভারতের সময় কাল থেকে অর্থাৎ প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে এই " শাঁখা -র ব্যবহার
শুরু হয়।

কপালে " সিঁদুর " ব্যবহারের কিছু বিধি আছে -- শাস্ত্র মতে - " তর্জনি " দিয়ে সিঁদুর
পরলে - মানসিক শান্তি বৃদ্ধি পায়। ---------
" মধ্যমা " ব্যবহার করলে -- আয়ু বৃদ্ধি পায়।

শাস্ত্র মতে -- " লাল " -- শক্তির প্রতীক।
কপালে অধিষ্ঠান করেন - ঈশ্বর " ব্রহ্মা "।
তাই " ব্রহ্মা " - কে সন্তুষ্ট করার জন্য হিন্দু
মহিলারা " শক্তির প্রতীক " এবং " প্রসাধনী "
হিসাবে সিঁদুরের ব্যবহার করে থাকেন।

শাঁখা -- পরার পৌরাণিক কাহিনী হল -------

' শঙ্খাশুর ' নামে এক অত্যাচারী অসুরের তান্ডবে দেবলোক অশান্ত হয়ে উঠে , সেই সময় সকল দেবতারা মিলে ' ভগবান নারায়ণ ' - এর
দ্বারস্থ হন।
' নারায়ণ ' সেই সময় শঙ্খাশুর - কে বধ
করে দেবতাদের রক্ষা করেন। এদিকে 'শঙ্খাশুর'-এর স্ত্রী " তুলসী " স্বামীকে ফিরে পাওয়ার আশায় প্রার্থনা শুরু করেন।
" তুলসী "-র প্রার্থনায় সন্তুষ্ট হয়ে " নারায়ণ"
শঙ্খাশুর - এর হাড় দিয়ে " শাঁখা " তৈরি করেন। -
সেই থেকেই হিন্দু বিবাহিত মহিলাদের স্বামীর
মঙ্গলকামনায় - এই শাঁখা পড়ার প্রচলন শুরু
হয়েছে বলে মনে করা হয়।

লেখাটি পড়ে আপনাদের মতামত জানান
নতুন কোনো তথ্য জানা থাকলে অথবা কোন ভুল
থাকলে লিখে জানান , তাহলে আমি পরিবর্তনের
সুযোগ পাবো।
--------- : : : ---------
জন্মকুন্ডলী প্রস্তুত এবং বিচার , হস্ত রেখা বিচার
তন্ত্র ও বস্তু শাস্ত্র বিচার
এবং
যে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান , পরামর্শ ও
প্রতিকারের জন্য।

যোগাযোগ করুন : ---

আলাপ ( কলকাতা ) - ৮৭৭৭৩ ২৭৬৮৩ এবং
৮৯০২৬ ৮৯২৯৪
আলাপ ( কৃষ্ণনগর ) - ৮২৫০৮ ৩৭৮৮৬

বি: দ্র: - সম্প্রতি জ্যোতিষ শিক্ষার জন্য বিভিন্ন
ধরণের প্রচার এমনকি Facebook - এও
On line - এ শিক্ষা দানের বিজ্ঞাপন --
চলছে। এ ব্যাপারে অনেকেই ইচ্ছা প্রকাশ করছেন।
তাদের জন্য বলি , on line -এ আর যাই
হউক জ্যোতিষ শিক্ষা হয় বলে মনে হয় না। কারণ ,
এটি শুধুমাত্র " গুরুমুখী বিদ্যা " । তাই মুখরোচক
বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দিয়ে নিজেদের সর্বনাশ
করবেন না। ওদের পয়সা দিয়ে জ্যোতিষ শিক্ষার
Certificate জোগাড় করতে পারেন কিন্তু জ্যোতিষ শিক্ষা হয় না।
বর্তমানে , স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা একটি
ব্যবসাহিক প্রতিষ্টানে রূপান্তরিত হয়েছে। যাদের
ঘরে বাচ্চারা এই Online শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে
যুক্ত , তাঁরা নিশ্চিতরূপে জানেন যে শিক্ষার দ্বারা
শিক্ষার কি উন্নতি হয়েছে বা হচ্ছে , আর কেনোই বা এই ব্যবস্থা কাদের উদ্দেশে গ্রহণ করা হয়েছে।
সুতরাং , যারা Online -এ জ্যোতিষী হতে যাচ্ছেন তারা যাবার আগে একবার ভাবুন গুরুর
কাছে বসে শিক্ষা নিয়ে জ্যোতিষ হতে চান , নাকি
Online -এ ব্যবসায়ীদের সেবা করতে চান।

কাউকে আঘাত দেবার জন্য বা ব্যবসায় ক্ষতি
করার জন্য নয় , কেবলমাত্র আগ্রহী ছাত্র / ছাত্রীদের জ্যোতিষ বিষয়টির সম্পর্কে কিছু মাত্র
ধারণা দেবার চেষ্টা করলাম।

তবে কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে মার্জনা করবেন।
জয় গুরু।

12/11/2020

ACHARYA ACHINTYA KUMAR

13 Nov. 2020

Ph. D. in ASTROLOGY , PALMIST , TA**RA
&
BASTU CONSULTANT

বিষয় :- ধনতেরাস উৎসব

ধনত্রয়োদশীর দিনকে " ধনতেরাস " বলা হয়। এই তিথিতে ভগবান ধন্বন্তরি অমৃত কলস নিয়ে উঠে এসেছিলেন।

সময়ের অভাবে ধনতেরাসের কাহিনী সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

দুর্বাসা মুনির শাপে ইন্দ্রদেৱতা শ্রীহীন
হয়ে পড়লে , লক্ষ্মী দেবী সাগরে প্রবেশ করলে
ত্রিদেবের পরামর্শ অনুযায়ী সমুদ্র মন্থন শুরু হয়
এবং এই মন্থন থেকেই , এই তিথিতে ভগবান
ধন্বন্তরি অমৃত কলস নিয়ে উঠে এসেছিলেন। ইনি
আয়ুর্বেদিক দেবতা এবং ভগবান বিষ্ণুর অবতার।
ইনি চতুর্ভুজ। শঙ্ক , চক্র , ভেষজ ঔষধ এবং অমৃত
কলস ধারণ করে থাকেন। পিতল ধাতু এনার খুব প্রিয়। বলা হয় " ব্রহ্মা " প্রথম আয়ুর্বেদ রচনা করেন।

ধনলক্ষ্মীর পূজো দিয়ে অনেকেই নতুন কিছু ধাতু বাড়িতে কিনে আনতে চান। ধাতুর মধ্যে
সবার উপরে "সোনা " এরপর " রূপ "। ------গনেশ
বালগোপাল , দূর্গা , রাধামাধব , লক্ষ্মী , যে কোনো দেবদেবীর রূপোর মূর্তি। পুজোর উপাচার যেমন ,--
রূপোর সিংহাসন , সিঁদুর কৌটো , চাবির গোছা ,
মঙ্গল ঘট , ধূপদানি , প্রদীপ , আম্রপল্লব বা বিল্লপত্র , ঠাকুরের মূর্তির নতুন পোশাক , রূপোর
বাসন , থালা, চামচ , বাটি , গ্লাস ইত্যাদি। এছাড়া
কাঁসা বা পিতলের বাসন , কলসি বা জল রাখার পাত্র কেনা অতি শুভ।

এছাড়া Electric item , যেমন - TV ,
Refrigerator , Mobile , Laptop ইত্যাদি।
লেখক হলে ---- কলম , Artist -- হলে-
রং , তুলি বা আঁকার কোন item কেনা ভালো।

ঝাঁটা :------
ধনতেরাসে - ঝাঁটা কেনা খুবই শুভ। কারণ , বলা হয় , ধনতেরাসে - ঝাঁটা কিনলে সমস্ত
দুঃখ - দারিদ্র বাড়ি থেকে দূর করে দেওয়া যায়। ---
মৎস্যপুরাণ অনুসারে , " ঝাঁটা " লক্ষ্মীর প্রতীক। এই দিন বাড়িতে " নতুন ঝাঁটা দিয়ে ঘর পরিষ্কার করলে ঋণ মুক্তি সম্ভব। " ঝাঁটা " সুখ শান্তি বৃদ্ধি করে এবং দুষ্ট শক্তি বিনাশ করে।

" ধনতেরাসা " র দিন লক্ষ্মী পূজো করা
অত্যন্ত ভালো বলে মনে করা হয়। এই দিন " লক্ষ্মী"
দেবীর সামনে " লাল চেলি রাখুন , তার উপর
১ টাকা বা ৫ টাকা র ১ টি কয়েন ও কিছুটা দুর্বা
রাখুন , তারপর ১ টি ঘি এর প্রদীপ ধরিয়ে দিয়ে "
" মা " এর কাছে মনের কামনা নিবেদন করুন।

রোগ মুক্তি : ------
এই দিনটি রোগ ব্যাধি মুক্ত দীর্ঘ আয়ু যুক্ত জীবন প্রাপ্তির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ।

কথিত আছে, " যমরাজ "এর কাছে তাঁর
কিংকরেরা প্রশ্ন করেছিলেন -- " মানুষের অকাল মৃত্যু এবং দীর্ঘ রোগ ব্যাধি থেকে জীবন কিভাবে মুক্ত হতে পারে " -- " ধর্মরাজ যম " - প্রসন্ন হয়ে
তাদের বলেছিলেন - " ধন্বত রি ভগবানের --
আবির্ভাবের দিন " অর্থাৎ " ধনতেরাসে " যদি " " " কোন মানুষ বাড়ির দক্ষিণ দিকে প্রদীপ প্রজ্বলিত
করেন , তবে সেই বাড়ির মানুষদের অকাল মৃত্যু
আসে না এবং তাঁরা রোগ মুক্ত দীর্ঘ আয়ু যুক্ত জীবন প্রাপ্ত হবেন এবং সকল সংকট থেকে অচিরেই মুক্তি লাভ হবে "।

" ধনতেরাসে " কেনাকাটার জন্য উপযুক্ত সময় -----

শুক্রবার - সকাল ৭- ১৯ মি: থেকে ৯ - ৩১ মিঃ
দিবা ১১-৪৩ মিঃ থেকে ২ - ৩৮ মিঃ
বিকেল ৩ - ২২ মিঃ থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত

বি: দ্র: --- অবশ্যই মনে রাখবেন , এই দিন কাউকে
কোন ধরনের উপহার দেওয়া উচিত নয় ,
কারণ , মনে করা হয় - এই দিন যদি
উপহার দেওয়া হয় তাহলে নিজের ----
সমৃদ্ধি অন্যের হাতে তুলে দেওয়া হয় ।
উপহার দিতে হলে " ধনতেরাস " - এর
আগে বা পরে দেওয়া উপযুক্ত।

বিষয়টি পড়ুন এবং অন্যান্যদের পড়ান ও মতামত দিন। ভালো - মন্দ যে কোনো মন্তব্য সাদরে গ্রহণ করা হবে। আপনাদের অমূল্য মতামত আমায় নতুন ভাবনার সুযোগ করে দেবে। নিচের মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

কোষ্ঠী প্রস্তুত ও বিচার , জন্মকুন্ডলীর বিচার
হস্তরেখা বিচার , বাস্তু শাস্ত্র বিচার
এবং
যে কোনো জটিল সমস্যার পরামর্শ

প্রতিকারের জন্য

আলাপ ( কলকাতা ) ---- ৮৭৭৭৩২৭৬৮৩
আলাপ ( কৃষ্ণনগর ) ----- ৮২৫০৮৩৭৮৮৬

সকলের জন্য রইলো দীপাবলী র আন্তরিক
প্রীতি , শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
জয় গুরু।

12/11/2020

ACHARYA ACHINTYA KUMAR

12th. Nov. 2020

Ph. D. in ASTROLOGY , PALMIST , TA**RA
&
BASTU CONSULTANT

আজকের বিষয় : ----

" মা কালী-র " পা-এর নিচে " শিব " থাকেন কেন ?

পৌরাণিক কারণ : -----

অসুর কূলের আক্রমনের ফলে 'সংকটে পড়েন দেবতারা । তাঁদের তাড়িয়ে "স্বর্গ রাজ্যের "
অধিকার নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন অসুররা -------
অসুরদের প্রধান ছিলেন " রক্তবীজ "। - ব্রহ্মা - র
বরে " রক্তবীজ " - এর -- " এক ফোঁটা রক্ত থেকে
জন্ম নিচ্ছিলো আরো হাজার ' রক্তবীজ ' "। ------
একফোঁটা রক্ত ভূমিতে পড়লেই -- আবির্ভুত হচ্ছিলেন " অসুরবাহিনী "। --- অসুর নিধন করতে
অবতীর্ণ হন -- " দেবী দূর্গা "। --- সব অসুর নিহত
হলেও বেঁচে থাকেন --- " রক্তবীজ "। কিন্তু সেই
যুদ্ধেও " ব্রহ্মা র বরে অপরাজেয় থাকেন ---" "রক্তবীজ" "। --- এই অবস্থায় " দূর্গা র " ভীষণ ক্রোধে -- " তাঁর দুই ভ্রু- এর মাঝখান থেকে জন্ম
নেন ' দেবী কালী ' "। "কালী" র ভয়াল দৃষ্টিতেই
নিহত হন বহু " অসুর " --- এরপর দেবীর চিৎকারে
প্রাণহানি হয় আরও অনেক অসুরের -- রক্ত বরণ
লকলকে জিব বের করে -- " কালী " - " গ্রাস করে
নেন হাতি ও অশ্বারোহী অসুর বাহিনীকে "।তারপরও টিকে থাকেন -- " রক্তবীজ "।

এই অবস্থায় " দেবী কালী " তাঁকে অস্ত্র
বিদ্ধ করে " তাঁর রক্ত পান করতে থাকেন " , যাতে
" রক্তবীজ " -এর একফোঁটা রক্ত ও ভূমিতে না পড়ে " --- সেই কারণে " রক্তবীজ "- এর দেহ শূন্যে
তুলে নেন - " দেবী কালী "। --- এই অবস্থায়
" রক্তবীজ " এর দেহের সবটুকু রক্ত পান করেন
" দেবী কালী " । শেষ বিন্দু রক্ত পান করার পর ---
নিথর রক্ত শূণ্য " রক্তবীজ " এর দেহ ছুঁড়ে ফেলে
দেন " মাতা কালী "। --- আকন্ঠ রক্ত পান করে
বিজয়নৃত্য শুরু করেন " মাতা কালী " --- নিহত
" অসুর " এর " হাত " দিয়ে তিনি " কোমর বন্ধনী "
এবং " মাথা " দিয়ে " মালিকা " -- বানিয়ে পরিধান
করেন। " কালী " র -- উন্মাদিনী নাচ দেখে -----
প্রমোদ গোনেন দেবতারা। --- কারণ এই নাচে ---
" আসন্ন হচ্ছিল সৃষ্টির লয় "। " পৃথিবীকে " ধ্বংস -
এর হাত থেকে বাঁচাবার জন্য দেবতারা - " শিব " এর শরণাগত হলেন। --- " শিব " এর একাধিক
মৌখিক অনুরোধ শুনতে পাননি " মাতা কালী " ---
কারণ , " তখন তিনি উন্মাদিনী-র মত নেচে চলেছেন " ।

আর কোন উপায় না দেখে " নৃত্যরতা
কালী - র --- পা এর তলায় নিজেকে ছুঁড়ে দিলেন
' মহাদেব ' "। --- এর পরই সম্বিৎ ফেরে " মাতা
কালী " র। থেমে যায় নাচ। পা- এর নিচে স্বামীকে
দেখে লজ্জায় জিভ কাটেন " দেবী কালী "। ------এই পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বন করেই ------" যুগ
যুগ ধরেই পূজিত হয়ে আসছে " মা " আর এই
প্রতিমা "। ---- " দূর্গা " র পাশে " শিব " কে নানা
ভাবে দেখা যায়। তার মধ্যে " হরগৌরী " রূপ বিখ্যাত।

" মাতা কালী - র সঙ্গে " শিব " থাকলে --
তাঁর জায়গা সব সময় - " দেবী র পদযুগল - এর
নিচে। ---- এই বিগ্রহে --- " কালী-র ডান পা যদি
এগিয়ে থাকে " -- তবে তিনি " দক্ষিণাকালী " ---
আবার --- " বাম পা এগিয়ে থাকলে " -- তা "মা" এর -- বামাখ্যাপা রূপ।

আধ্যাত্মিক কারণ : ---

" কালী " -- শব রূপী শিব- এর বুকে
দণ্ডায়মানা। শিব - স্থির , কালী -- গতিময়। -- গতি
ঠিক রাখতে হলে - " স্থির " এর উপর তার প্রতিষ্ঠা
প্রয়োজন। " শিব " - শুভ্র বর্ন , " কালী " -- কালো
বর্ন। সাধক - কূটস্থ দর্শন কালে -- এই শুভ্র রং
বেষ্টিত --- কালো রং ---" সাধনায় " দেখে থাকেন।

পন্ডিত গণ বিভিন্ন ভাবে এর ব্যাখ্যা করে থাকেন। এটি আমার বিভিন্ন ভাবে সংগৃহিত ,
তাই ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন এবং আপনাদের
অমূল্য মতামত দিয়ে সাহায্য করবেন।

কোষ্ঠী প্রস্তুত ও বিচার , জন্ম কুন্ডলী র বিচার
হস্তরেখা বিচার , বাস্তু শাস্ত্র বিচার

যে কোনো জটিল সমস্যার পরামর্শ
ও প্রতিকারের জন্য।

আলাপ ( কলকাতা ) ৮৭৭৭৩২৭৬৮৩
আলাপ (কৃষ্ণনগর ) ৮২৫০৮৩৭৮৮৬

Address

Dum Dum

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Remedial Astrology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Remedial Astrology:

Share