06/05/2026
আপনি বলতে পারেন...
'আপনারা নিদিষ্ট সময়ের বাইরে ডাক্তারের চেম্বারে ভীড় করবেন না....রোগীদের বিরক্ত করবেন না...প্রেসক্রিপশন নিয়ে টানাটানি করবেন না..'
বা দিতে পারেন অন্য কোন পরামর্শ।
কিন্তু...
একজন মেডিকেলে রিপ্রেজেনটেটিভ (বর্তমানে পদবী মেডিকেল প্রমোশন অফিসার) সরাসরি দালাল সাব্যস্ত করে...হাত বেধে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া....মিডিয়া ট্রায়ালে অপদস্ত করা...সামাজিকভাবে হেয় করা....
খুবই অন্যায় কাজ...খুব ন্যাক্কারজনক কাজ।এই মানুষগুলো সবাই মিনিমাম গ্রাজুয়েট পাশ করা...সারাদিন হাড়ভাংগা পরিশ্রম করে শুধুমাত্র পেটের তাগিদে। একদিন তাদের পরিবারের কাছে গেলেই বুঝবেন...পরিপাটি পোশাকের আড়ালে কতটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হয় তাদের।
কখনো কি ভেবেছেন...তারাও রোগী সেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ!
১.
তাঁরা ঔষধ সম্পর্কিত সবশেষ আপডেট তথ্য চিকিৎসকদের প্রদান করে থাকে।
নতুন ওষুধ, গবেষণা এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে ডাক্তারদের নিয়মিত আপডেট দেন।
২.
ওষুধের ডোজ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ব্যবহারবিধি—এসব বিষয়ে তারা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন, যা রোগীর নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩.
নতুন প্রযুক্তি ও চিকিৎসা পদ্ধতি দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৪.
অনেক সময় তারা ক্যাম্পেইন, সেমিনার, বা প্রোগ্রামের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৫.
বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছাতে ফিল্ড লেভেল কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৬. বাংলাদেশ বিশ্বে বৃহত্তর ঔষধ রপ্তানীকারক দেশ। এই অর্জনের পিছনে বিক্রয় প্রতিনিধিদের অবদান একেবারে কম নয়।
এভাবেই তারা শুধু চিকিৎসককে সাহায্য করেনা...মূল উপকার করে রোগীদেরই।এমনকি চিকিৎসকদের অনুরোধে অনেক সময় দরিদ্র রোগীদের সরাসরি কোম্পানি রেইটে ঔষধ সরবরাহ করে।
বি:দ্র:
আমি কোন ঔষধ কোম্পানির কাছে দায়বদ্ধ না। কোন ব্যাক্তিগত সম্পর্ক কারো সাথে নেই। আমার নিজের ও পরিবারের ঔষধ নিজে কিনে খাই। এমনকি আমি ঔষধ স্যাম্পলিং নিরুৎসাহিত করি।
বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা হলো।
ছবি:এআই
Copy post.