Nayabazar Homeo Hall

Nayabazar Homeo Hall Homoeo Treatment

 #শ্বেতী_বা_ধবল (  Vitiligo /leucoderma)  রোগ কী? শ্বেতী ত্বকের একটি রোগ। আমাদের ত্বকের মধ্যে মেলানোসাইট কোষে থাকে মেলা...
29/05/2022

#শ্বেতী_বা_ধবল ( Vitiligo /leucoderma) রোগ কী?

শ্বেতী ত্বকের একটি রোগ।

আমাদের ত্বকের মধ্যে মেলানোসাইট কোষে থাকে মেলানিন, যা ত্বকের স্বাভাবিক রঙে ( pigment) র ভারসাম্য রক্ষা করে। মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্য নষ্ট হলে দেখা দেয় শ্বেতী। অথাৎ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গোলযোগের জন্য
রক্তে এক ধরনের শ্বেত কণিকা টি-লিম্ফোসাইট বেড়ে যায়, এরাই মেলানোসাইট কোষ কে ধ্বংস করে।

মেলানিন শরীরে কী কাজ করে?

আপনার চুল, ত্বক এবং চোখের রঙ নির্ধারণে মেলানিন একটি বড় ভূমিকা পালন করে। আপনার জিনগুলি, আপনার পিতামাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত, আপনি কতটা মেলানিন তৈরি করেন তা মূলত নির্ধারণ করে; ফর্সা (হালকা বর্ণের) ত্বকের লোকের চেয়ে কালো ত্বকের লোকেরা বেশি মেলানিন পান।

মেলানোজেনেসিস নামে পরিচিত বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে দেহ মেলানিন তৈরি করে।

বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ শ্বেতীতে আক্রান্ত। প্রয়াত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনও এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাই প্রতি বছর ২৬ জুন তাঁর প্রয়াণ দিবসে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘ওয়ার্ল্ড ভিটিলিগো ডে’ বা বিশ্ব শ্বেতী দিবস হিসেবে।

সাধারণত মুখমণ্ডল, কনুই, বুকের ত্বক প্রথমে আক্রান্ত হতে শুরু করে। কখনো কখনো শ্বেতী চোখের পাশ দিয়ে, নাকের দুই পাশে বা ঠোঁটের কোণ বা ওপরের ত্বকেও শুরু হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে শ্বেতী খুব একটা ছড়ায় না, একটা বিশেষ জায়গাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। আবার কারও এমনভাবে মুখে, বুকে, হাতে, পায়ে ছড়িয়ে পড়ে যে বোঝাই যায় না একসময় শরীরের রং কী ছিল।

সাধারণত দেখা যায় ১০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম শুরু হয়,আবার মহিলাদের মেনোপজের সময়ও দেখা দিতে পারে।

এই রোগ কেন হয় ঃ-

একটাই উত্তর অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার।

এখন প্রশ্ন অটোইমিউন ডিজঅর্ডার কি

যেখানে একজন লোকের ইমিউন সিস্টেম ভুলবশত তার শরীরকে আক্রমণ করে। আরো সহজ ভাবে বললে, বাইরের কোনো ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর প্রভাব ছাড়াই রোগ সৃষ্টি হয় কারণ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কোনো সুস্থ কোষকে ক্ষতিকর মনে করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

সাধারণত ইমিউন সিস্টেম ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মতো জীবাণু থেকে আমাদেরকে সুরক্ষা দেয়- যখন ইমিউন সিস্টেম বুঝতে পারে যে শরীরে আক্রমণকারী প্রবেশ করেছে, তখন এটি এসব শত্রুকে আক্রমণ করতে অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে। সাধারণত ইমিউন সিস্টেম শত্রু কোষ ও সুস্থ কোষের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে।

কিন্তু অটোইমিউন রোগের ক্ষেত্রে ইমিউন সিস্টেম শরীরের কোনো অংশকে শত্রু ভেবে ভুল করে এবং অটোঅ্যান্টিবডি নামক প্রোটিন নিঃসরণের মাধ্যমে সুস্থ কোষকে আক্রমণ করে।

ইমিউন সিস্টেম সেনাবাহিনীর মতো

ইমিউন সিস্টেম অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব থেকে আমাদেরকে সুরক্ষিত রাখে। অ্যান্টিবডি হলো রক্তের প্রোটিন যা আক্রমণকারীকে নিষ্ক্রিয় করে। এটিকে বলা হয় ইমিউন রেসপন্স। সুস্থ কোষের ওপর এ আক্রমণ শরীরের যেকোনো স্থানে হতে পারে । শ্বেতির ক্ষেত্রে ত্বকের মেলানোসাইট কোষ নিস্ক্রিয় হয়ে গিয়ে মেলানিন তৈরি হতে বাধা সৃষ্টি করে। তাই ত্বকের স্বাভাবিক রঙ ( pigment) না হয়ে সাদা দেখায়।

অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার কেন হয়?

আধুনিক বিশ্বে যে আহার করি তা অধিকাংশ কেমিক্যাল যুক্ত এমনকি বহুল প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি র ঔষধগুলো কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি। পরিবেশ দূষণকারী পদার্থের সংস্পর্শে আসা, জীবন শৈলী সঠিক ভাবে পালন না করা।

শ্বেতি র ক্ষেত্রে দেখা যায় প্লাস্টিকের জুতো পড়ার জন্য, কোমরে জোড়ে বেল্ট বা দড়ি বাঁধার জন্য বা কেটে যাওয়ার জায়গা বা পুড়ে যাওয়ার বা কেমিক্যাল যুক্ত সিঁদুর পড়া, গলা ও হাতে খারাপ রাসায়নিকের দিয়ে গহনা পড়ার জায়গায় মেলামিন তৈরি হচ্ছে না। এগুলো থেকে বিরত থাকলে কোন ঔষধ ছাড়াই ঠিক হয়ে যায়। এটা করে শরীরের ইমিউন সিস্টেম। আবার দেখা যায় বিছিন্ন ভাবে কয়েকটি জায়গায় হলো কিন্তু আর বাড়ছে না, আবার কিছু লোকের ক্ষেত্রে ত্বকের দুই একটি জায়গায় প্রথমে দেখা দিয়ে আস্তে আস্তে সমস্ত শরীরের ছরিয়ে পরলো।
এর কারন ইমিউন সিস্টেম ঠিক ঠাক কাজ করছে না।

প্রথমে ইমিউন সিস্টেম কে ঠিক করতে হবে।

*★*★*★হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমন্ধে বলার আগে করনীয় পরামর্শ ঃ-★*★*

১).আপনার আহারে পরিবর্তন করতে হবে মাছ,মাংস, ডিম সহ দুধ বা দুধের তৈরি কোন খাবার বন্ধ করতে হবে। যেমন টক দই,ছানা বা পনির। যে সব্জিতে আপনার এলার্জেন আছে তা বন্ধ করতে হবে। এলার্জেন মানে, যে সব্জিতে আপনার এলার্জি হয়, তা বন্ধ করবেন।

২). প্রচুর পরিমানে সতেজ শাকসব্জী, পাকা ফল খেতে হবে।

৩). কোন রকম সংরক্ষণ করা খাবার বা কেমিক্যাল যুক্ত খাবার আহার করা উচিত নয়।

৪). খাবার সময় এবং ঘুমানোর সময় নির্দিষ্ট করতে হবে।

৫). প্রতিদিন ১২ ঘন্টা উপবাস ( Firsting) দরকার

৬) মাসে এক বার পূর্ণ দিবস উপবাস দরকার যাতে।যাতে শরীর নিজের শরীর কে মেরামত করতে পারে।

৭).শ্বেতি রোগীরা কখনও কোন সবান, পেট্রোলিয়াম জেলি, কসমেটিক ব্যবহার করবেন না, প্রয়োজনে নিম পাতা জলে ফুটিয়ে, জলের মিশিয়ে স্থান করুন।

৮) টমেটো সহ কোন টক জাতীয় ফল বা টক কোন খাবার খাবেন না।

৯).মানসিক কোন উৎকন্ঠা রাখবেন না

১০). নিজেকে নিজে বেশি বেশি করে ভালোবাসতে হবে।নিজেকে গর্বিত মনে করুন,এটা কোন সংক্রমণ রোগ নয়।একজন থেকে আরেক জনের আক্রান্ত হবে।

১১). পানীয়জল ১২ ঘন্টা কোন তাপার পাত্রে রেখে সারাদিন জল পান করবেন।

১২).যে খাবার গুলো প্রতি দিন খাদ্য তালিকায় রাখবেন ঃ-
ক). ৫০ গ্রাম ছোলা ( চানা বা বুট) আগের দিন রাতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খাবেন। অঙ্কুরত হলে আরো ভালো।

খ). ৫-৬ কাঠ বাদাম ( Almond) খাবেন।

গ). ৫-৬ মিষ্টিকুমড়ার বিচি,তা কাচা বা অল্প ভেজে খাবেন।

ঘ). পাকা পেঁপে ২০০ গ্রামের মতো খাবেন, বা জুস করেও খেতে পারেন। অথবা কাঁচা লাউের ২০০ গ্রাম জুস খেতে পারেন।

১৩). শ্বেতি একটি চর্মরোগ। আর চর্ম, শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় দেখা যায়, শরীরের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা সম্পুর্ণ ভাবে এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে থেকে। সারা জীবনের আর আক্রান্ত হয় না।

★*★★*বিশেষ কথা জেনে রাখা ভালো। ★* ★★* ঃ-

শরীর কে রোগ মুক্ত করতে প্রতিদিন আহারে ৫০% খাবার ফল এবং স্যালাট খান অথাৎ কাঁচা পাকা ফল কাঁচা সব্জি খান এতে শরীরে পটাসিয়াম ও সোডিয়াম পরিমাণের সমতা বজায় রাখে। পটাসিয়াম ও সোডিয়াম ১ঃ১ থাকলে কোন রোগ আক্রান্তের হওয়া র সম্ভাবনা কম থাকে ।
★★নযাবাজার হোমিও হল★★

10/05/2022

সুস্থ থাকতে চান? দুঃখকষ্ট থেকে দূরে থাকতে চান?
মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকতে চান?.....

তাহলে শুনুন আর মেনে চলুনঃ-----

[ক] ★ মানসিক শান্তি বা সুখী হতে আটটি জিনিস সবসময় সাথে রাখার চেষ্টা করুনঃ
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু।
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার।
৩) সবসময় সুচিন্তা।
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়।
৫) অল্পতে খুশি হওয়ার চেষ্টা।
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া।
৮) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময় মতো পড়া।

[খ]🔸চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যানঃ
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা,
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হয়ে থাকা,
৪) মানসিক উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ।

[গ]🔸পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যতো পারুন
এড়িয়ে চলুন ও অতি ভোজন পরিহার করুনঃ
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবা।
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।
৬) অতি ভোজন।

[ঘ]🔸পাঁচটি জিনিস খাবারে যতো পারুন বাড়িয়ে নিনঃ
১) সব রকমের সবুজ শাক।
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি।
৩) ফলমূল।
৪) বাদাম।
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।

[ঙ]🔸 বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করবেনঃ
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।

[চ]🔸ছয়টি জিনিষের চর্চা রাখুনঃ
১) অহংকার না করা।
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা।
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা।
৪) প্রতিদিন একই সময়ে নিয়মিত শরীর চর্চা করা ও ৪৫ মিনিট হাঁটা।
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপ।

[ছ]🔸সাতটি জিনিস এড়িয়ে চলুনঃ
১) কর্য বা ধার-দেনা করা।
২) লোভ/লোভে পড়ে যে কোন কাজ করা।
৩) আলস্য/শুয়ে-বসে সময় কাটানো।
৪) ঘৃণা/কারও প্রতি বা কোন নিষয়ে ঘৃণা।
৫) সময়ের অপচয়।
৬) পরচর্চা ও পরনিন্দা।
৭) কোনো রূপ নেশা বা আসক্তি।

[জ]🔸পাঁচটি জিনিষ কখনোই করবেন নাঃ
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া।
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে পানি পান করা।
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া।
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেওয়া।
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া।

'সবসময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন-
নিজে সুস্থ্য থাকুন - নিজে ভালো থাকুন - সকলে ভালো রাখুন।'

সংগ্রহে ও সংকলনেঃ Dr-Ahmed Moqbul.

এই সময়ে হাঁপানি, শ্বাসকষ্টহাঁপানি রোগীদের জন্য এই সময়টা সবচেয়ে খারাপ। খুব বেশী শীত করছে, বাতাসে উড়ছে প্রচুর ধুলাবালু...
22/01/2022

এই সময়ে হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট

হাঁপানি রোগীদের জন্য এই সময়টা সবচেয়ে খারাপ। খুব বেশী শীত করছে, বাতাসে উড়ছে প্রচুর ধুলাবালু, পরিবেশের তাপমাত্রা পাল্টাচ্ছে ঘন ঘন আর চারদিকে বাড়ছে ভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ—এই সব কটিই হাঁপানির আকস্মিক আক্রমণের জন্য আদর্শ।

হাঁপানি কেন হয়?

বিশেষ কোনো পদার্থের প্রতি শ্বাসতন্ত্রের অতি সংবেদনশীলতা হলো হাঁপানির মূল কারণ। এটি হতে পারে ঠান্ডা হাওয়া, ধুলাবালু, সামান্য পরিশ্রম, জীবাণু, পোষা প্রাণীর লোম, ওষুধপত্র, এমনকি বাতাসে উড়তে থাকা ফুলের রেণু, তুলার কণা যেকোনো কিছু। এ ধরনের জিনিসের সংস্পর্শে এলে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসতন্ত্রের পেশিগুলো সংকুচিত হয়ে যায়, নিঃসৃত হতে থাকে নানা রাসায়নিক। শ্বাসনালি সরু হয়ে আসে, শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। যাঁদের পরিবারে হাঁপানির ইতিহাস আছে, অথবা নানা ধরনের অ্যালার্জি আছে, তাঁদের হাঁপানি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

কীভাবে বুঝবেন?

বছরে দু-তিনবার বা তার বেশিবার শ্বাসকষ্ট, সঙ্গে কাশি, দম বন্ধ হয়ে আসা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে বুকে শব্দ—এই হলো হাঁপানির লক্ষণ। ঠান্ডা আবহাওয়ায় ও ভোরের দিকে উপসর্গ বাড়ে।

করণীয়

হাঁপানির রোগীরা আক্রমণকারী অ্যালার্জেনকে সাধারণত ভালো করেই চেনেন। এগুলো যথাসম্ভব এড়িয়ে চলবেন। ধুলাবালিতে নাক ঢেকে রাখবেন, ঝুল বা বিছানা বা কার্পেট ঝাড়ার মতো কাজ করবেন না। পোষা প্রাণী থেকে দূরে থাকুন। যাঁদের ফুলের রেণুতে অ্যালার্জি তাঁরা পার্কে বা বাগানে যেতে সাবধান। ঠান্ডা লাগাবেন না। ভোরে ও রাতে এই সময় গায়ে হালকা গরম কাপড় রাখুন। গোসলে হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন। ধূমপান বাদ দিন। এ সময় আক্রমণ বেড়ে যেতে পারে বলে আগে থেকেই আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

Spondylitis(স্পন্ডিলাইটিস):-সাধারন ভাবে বলা যায় যে, শির দাড়ার গঠন ভঙ্গিমার ত্রুটির ফলে যে রোগের সৃষ্টি হয় তাকে স্পন্ড...
21/01/2022

Spondylitis(স্পন্ডিলাইটিস):-
সাধারন ভাবে বলা যায় যে, শির দাড়ার গঠন ভঙ্গিমার ত্রুটির ফলে যে রোগের সৃষ্টি হয় তাকে স্পন্ডিলাইটিস নামে অভিহিত করা যায়।spondylosis কথাটির অর্থ ভার্টিব্রা।কোমর হতে ঘাড় পর্যন্ত যে শির দাড়াটি রয়েছে তা স্পাইন নামে অনেক গুলো চাকতি দিয়ে তৈরি। স্পাইনগুলো পরস্পরের সঙ্গে ডিক্সের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।এই ফাপা নলের মত পথটিকে বলে স্পাইনাল ক্যানাল। এর মধ্যে থাকে স্নাইনাল কর্ড।শির দঁাড়ার এই গঠন সজ্জাকে মজবুত ভাবে ধরে রাখে বাইরের পেশী।কোন কারনে এই গঠন সজ্জার ত্রুটি হলে যন্ত্রনা শুরু হয়।শুধু পিঠে ও ঘাড়ে নয়, যেহেতু শির দাঁড়ার বিভিন্ন নার্ভ সাজানো থাকে,সেই জন্য স্পাইনের ত্রুটি দেখা দিলে চাপ পড়ে নার্ভের উপর ইহার ফলে শরীরের যে কোন অংশে যন্ত্রনা দেখা দিতে পারে।
বিভিন্ন কারনে এই রোগ হতে পারে।
1:- জন্ম থেকেই স্পাইনের অস্বাভিক গঠনের ফলে স্পন্ডেলাইটিস রোগ সৃষ্টি হতে পারে
2:- দীর্ঘদিনের পুরানো আঘাতের ফলে এই ধরনের রোগ হতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে পড়ে যাওয়া। সজোরে ধাক্কা খাওয়ার ফলে স্পাইনের স্বাভাবিক অবস্তান ও অবস্তার পরিবর্তন ঘটলে এই রোগ দেখা দিতে পারে।
3:-অতিরিক্ত ঠাণ্ডা,স্যাতসেঁতে বা জলাভূমিতে বসবাসের ফলে এই রোগ হতে পারে।
4:-অনেক সময় দীর্ঘ দিনের আমাশয় রোগ ইহার কারন হতে পারে।
5:-শরীরের কোন আভ্যন্তরীন কঠিন রোগ হতে ইহার সৃস্টি হতে পারে যেমন বাত,গনোরিয়া, T.B. বা পয়েজনিক ইনফেকশন।
6:-পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের মধ্যেই এই রোগের প্রকোপ বেশী। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মহিলাদের অপুষ্টির দরুন এই জাতীয় রোগ দেখা দেয়।
রোগ লক্ষন :- পিঠে ও ঘাড়ে ব্যাথ্যা,হঠাৎ মাথা ঘোরা,কোমরে ব্যাথা, মেরুদন্ডের সন্দিগুলো শক্ত হওয়া ইত্যাদি।

থাইরয়েড/নিরবঘাতক (Silent killer) চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি। >প্রথমে আসি থাইরয়েড কি? এবং এর কারনঃ থাইরয়েড একটি বৃহৎ গ্ল্যান্ড ...
14/08/2021

থাইরয়েড/
নিরবঘাতক (Silent killer) চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি।

>প্রথমে আসি থাইরয়েড কি? এবং এর কারনঃ

থাইরয়েড একটি বৃহৎ গ্ল্যান্ড যা আমাদের গলার মাঝামাঝি ও নিচের অংশে থাকে। এই অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নামের হরমোন নিঃসৃত হয়।থাইরয়েড হরমোন তৈরীর জন্য আয়োডিন লাগে, এবং সারা দুনিয়ার পরিসংখ্যানে আয়োডিনের অভাবই হাইপোথাইরয়েডিজমের সর্বপ্রধান কারণ। এমন একটি কারণ যা দূর করা কঠিন নয়। অথচ এখনো এই দূরণীয় কারণের প্রকোপ পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ শিশুর মানসিক জড়তা ঘটিয়ে চলেছে। আয়োডিনের অভাবই প্রধান কারণ হলেও হাইপোথাইরয়েডিজমের একমাত্র কারণ নয়। নানান কারণে থাইরয়েড গ্রন্থিতে হর্মোন উৎপাদনের অভাব হতে পারে, যার পরিণাম সাময়িক অথবা স্থায়ী হতে পারে।

থাইরয়েড গন্থি থেকে ২ ধরনের হরমোন বের হয়।

T3, T4,

থাইরয়েড আমাদের গলায় অবস্থিত ছোট্ট একটি গ্রন্থি যা আমাদের দেহে থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে। থাইরয়েড হরমোন দুই ধরণের হয়ে থাকে। একটি হলো T3(০.১%) এবং অপরটি T4(৯৯.৯%)। এই হরমোন দুটি আমাদের শরীরের অনেক গুরত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে।কোন কারনে ঐই গ্রন্থি থেকে হরমোন উৎপাদন কমে গেলেই আমরা সাধারণত রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ি।

প্যাথলজিকেল পরীক্ষার মাধ্যমেই সাধারণত থাইরয়েড হরমোন সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া যায়।

থাইরয়েডের লক্ষন সমূহঃ

মেজাজ খিটমিটে থাকা, খুব সহজে রাগান্বিত হওয়া, মাথা হালকা বোধ হওয়া, মাথা ঘোরানো বা মাথাব্যথা, সব কিছুকে স্নায়ু রোগের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শারীরিক দুর্বলতা, শারীরিক অক্ষমতা, শক্তি প্রয়োগের কাজ করতে অপারগতা ইত্যাদি হলো শারীরিক কাঠামোগত অসুস্থতার লক্ষণ। বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া, প্রস্রাব করার পরও পেটে প্রস্রাব জমা থাকার মতো ভাব হওয়া ইত্যাদি মূত্ররোগের লক্ষণ। চর্ম রোগের লক্ষণ হিসেবে চামড়া পাতলা হয়ে যাওয়া, খসখসে হয়ে যাওয়া, পশম ঝরে পড়া, চামড়ায় দাগ পড়া, চুলকানি হওয়া লক্ষ করা যায়। স্ত্রীরোগের লক্ষণ যেমন, ঋতুস্রাবের সমস্যা, পিরিয়ডের সময় অত্যধিক ব্যথা অনুভূত হওয়া, অত্যধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হওয়া, বন্ধ্যত্ব দেখা দেওয়া। উল্লেখিত লক্ষণসমূহ যদিও বিভিন্ন শারীরিক সিস্টেমের (তন্ত্রের) সমস্যা কিন্তু একটি মাত্র কারণে কোনো ব্যক্তির শরীরে এগুলো পর্যায়ক্রমে বা এলোমেলোভাবে পরিলক্ষিত হতে পারে এবং তা হলো থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা। থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যায় আরও অনেক উপসর্গ দেখা দিতে পারে যেমন- অত্যধিক গরম বা অত্যধিক ঠাণ্ডা অনুভূত হওয়া, শারীরিক ওজন কমে যাওয়া বা শারীরিক ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকা।

চিকিৎসাঃ থাইরয়েড চিকিৎসায় যেখানে অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে আজীবন চিকিৎসা নিতে হয়/ঔষধ সেবন করে যেতে হয় সেখানে সঠিক হোমিও চিকিৎসায় মাত্র কয়েক মাস চিকিৎসা নিলেই আল্লাহর রহমতে সম্পূর্ন রোগ মুক্ত হওয়া সম্ভব।

সিদ্ধান্ত আপনার, আজীবন ঔষধ খাবেন? নাকি কয়েক মাস ঔষধ খাবেন?

Dr.Abdul Quddus
Nayabazar Homeo Hall
Nayabazar, Kurikhala
Mob: 7086490438

সেবা নিন, সুস্থ থাকুন প্রতিদিন।

হোমিওপ্যাথিক নিয়ে কিছু কথা।রোগ আল্লাহ প্রদত্ত।  আবার কিছু কিছু রোগ নিজেদের দ্বারা সৃষ্টি। আমরা অনেকেই সঠিক কারণ জানি না ...
28/07/2021

হোমিওপ্যাথিক নিয়ে কিছু কথা।
রোগ আল্লাহ প্রদত্ত। আবার কিছু কিছু রোগ নিজেদের দ্বারা সৃষ্টি। আমরা অনেকেই সঠিক কারণ জানি না বলে নিজেদের অজান্তেই নিজের শরীরে বিভিন্ন রোগ তৈরিতে সহায়তা করি।
ছোটবেলায় সবারই কম বেশি চর্মরোগ হয়।
আমরা দ্রুত ভালো হওয়ার জন্য বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক সহ বিভিন্ন মলম, ইনজেকশন পুশ করে থাকি। যার ফলে তাৎক্ষনিক ভালো হয়ে গেলেও ভবিষ্যতে এর জন্য কঠিন রোগ তৈরীতে সহায়ক করে দিলাম শরীরকে!
পরবর্তীতে শ্বাসকষ্ট, টিউমারসহ আরো বিভিন্ন রোগের উৎপত্তি হবে।
অনেকেই বলে আমার ত শ্বাসকষ্ট ছিল না হঠাৎই হলো। এটা হঠাৎ করে নয়। নিজেদের ভুলের জন্যই এরকম মাশুল দিতে হচ্ছে।
আবার অনেকে সারাবছরই সর্দি লেগে থাকে। এটাও চর্মরোগ বা অন্য কোন রোগকে চাপা দেয়ার ফল।
শরীরে যে কোন লক্ষণ প্রকাশ পেলেই এটা চাপা না দিয়ে হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন সেবন করে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নির্মূল করতে পারলে ভবিষ্যতে আর এর মাশুল দিতে হবে না।
সুতরাং ছোটবেলা থেকেই নিজেদের সন্তানদের সঠিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ থাকার প্রয়াস করাই উত্তম।
আপনাদের জন্য এবং আপনাদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করব।
ধন্যবাদান্তে
ডা: আব্দুল কাইয়ূম
MD(H) & B.D.D
ডাঃ আব্দুল কুদ্দুছ
R.M.P.(H)& A.l.B.D.A
রেজি:নং- B4251
Nayabazar Homeo Hall
P.O- Kurikhala
Mob:- 7086490438
6900851463

হাড্ডির উপর টিউমার এই রোগের অন্যান্য চিকিৎসায় আপনি surgery করতে হবে, রক্ত ক্ষয় হতে হবে, সেলাই ও লাগতে পারে, সুগার test ক...
24/07/2021

হাড্ডির উপর টিউমার
এই রোগের অন্যান্য চিকিৎসায় আপনি surgery করতে হবে, রক্ত ক্ষয় হতে হবে, সেলাই ও লাগতে পারে, সুগার test করতে হবে,সময় ও ১৫/২০ দিন লেগে যেথে পারে, কষ্ট ও পেতে হবে এর পর টাকা ১০ থেকে ২০ হাজার খরছ হবে, আর surgery এর দাগ থাকবে ৬ মাস।
অন্যতায় হোমিওপ্যথিতে surgery লাগবে না,রক্ত ক্ষয় ও হবে না, টাকা ও সামান্য খরছ হবে কিন্তুু সময় লাগবে ২/৩ মাস, কোন দাগ হবে না। কষ্ট ও হবে না।
সিদ্ধান্ত আপনার কোনটা করবেন?

23/07/2021

রোগের নয় রোগীর সেবা করাই হচ্ছে হোমিও জগতের মূল লক্ষ্য

22/07/2021

হোমিও ঔষধ কি ভাবে তৈরী হয় দেখে নিন

সাইনাস কী, জেনে নিন এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিকারসাইনাস দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ ন...
17/07/2021

সাইনাস কী, জেনে নিন এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিকার

সাইনাস দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ
এই সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন
এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া প্রতিকার
যে কোনও ধরণের স্প্রে থেকে দূরে থাকুন।

সাইনাস দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। শরীরের এই অঙ্গ মূলত বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। নাকের হাড় বাঁকা থাকলে এই সমস্যা হয়। আবার অ্যালার্জির কারণেও সাইনোসাইটিস হয়। এক্স-রে করলে সাইনাসের অঞ্চলটি ঘোলাটে দেখালেই চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন এই সমস্যা। এই ধরনের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে মাথাব্যথা মানেই সাইনোসাইটিস নয়। সাইনোসাইটিসের ব্যথাটা একটু আলাদা ধরনের। অন্যান্য ব্যথার থেকে সহজেই আলাদা করা যায় সাইনোসাইটিসকে।
এই সমস্যায় সারাক্ষণ মাথায় অস্বস্তি, নাকের ভিতরে ভারী লাগা-সহ আরও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে সাইনোসাইটিস। মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া যে ফাঁপা বায়ুপূর্ন জায়গা আছে তাকে সাইনাস বলা হয়। যখন সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে জ্বালা শুরু হয় তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। এ বার জেনে নেওয়া যাক, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া প্রতিকার। ধুলোবালি, সিগারেটের ধোয়া, যে কোনও ধরণের স্প্রে থেকে দূরে থাকুন। এই ধরণের জিনিসগুলো নাসিকা পথে ঢুকে সাইনোসাইটিস সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাই যাদের এই সমস্যা রয়েছে তারা বাইরে বেরোলেই মাস্ক ব্যবহার করুন।
এ ছাড়া ভালো Homeopathic Doctor দেখান। সটিক চিকিৎসা নিলে সুস্ত হয়ে যাবেন।সাইনাস কী, জেনে নিন এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিকার

সাইনাস দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ
এই সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন
এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া প্রতিকার
যে কোনও ধরণের স্প্রে থেকে দূরে থাকুন।

সাইনাস দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। শরীরের এই অঙ্গ মূলত বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। নাকের হাড় বাঁকা থাকলে এই সমস্যা হয়। আবার অ্যালার্জির কারণেও সাইনোসাইটিস হয়। এক্স-রে করলে সাইনাসের অঞ্চলটি ঘোলাটে দেখালেই চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন এই সমস্যা। এই ধরনের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে মাথাব্যথা মানেই সাইনোসাইটিস নয়। সাইনোসাইটিসের ব্যথাটা একটু আলাদা ধরনের। অন্যান্য ব্যথার থেকে সহজেই আলাদা করা যায় সাইনোসাইটিসকে।
এই সমস্যায় সারাক্ষণ মাথায় অস্বস্তি, নাকের ভিতরে ভারী লাগা-সহ আরও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে সাইনোসাইটিস। মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া যে ফাঁপা বায়ুপূর্ন জায়গা আছে তাকে সাইনাস বলা হয়। যখন সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে জ্বালা শুরু হয় তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। এ বার জেনে নেওয়া যাক, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া প্রতিকার। ধুলোবালি, সিগারেটের ধোয়া, যে কোনও ধরণের স্প্রে থেকে দূরে থাকুন। এই ধরণের জিনিসগুলো নাসিকা পথে ঢুকে সাইনোসাইটিস সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাই যাদের এই সমস্যা রয়েছে তারা বাইরে বেরোলেই মাস্ক ব্যবহার করুন।
এ ছাড়া ভালো Homeopathic Doctor দেখান। সটিক চিকিৎসা নিলে সুস্ত হয়ে যাবেন।সাইনাস কী, জেনে নিন এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিকার

সাইনাস দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ
এই সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন
এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া প্রতিকার
যে কোনও ধরণের স্প্রে থেকে দূরে থাকুন।

সাইনাস দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। শরীরের এই অঙ্গ মূলত বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। নাকের হাড় বাঁকা থাকলে এই সমস্যা হয়। আবার অ্যালার্জির কারণেও সাইনোসাইটিস হয়। এক্স-রে করলে সাইনাসের অঞ্চলটি ঘোলাটে দেখালেই চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন এই সমস্যা। এই ধরনের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে মাথাব্যথা মানেই সাইনোসাইটিস নয়। সাইনোসাইটিসের ব্যথাটা একটু আলাদা ধরনের। অন্যান্য ব্যথার থেকে সহজেই আলাদা করা যায় সাইনোসাইটিসকে।
এই সমস্যায় সারাক্ষণ মাথায় অস্বস্তি, নাকের ভিতরে ভারী লাগা-সহ আরও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে সাইনোসাইটিস। মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া যে ফাঁপা বায়ুপূর্ন জায়গা আছে তাকে সাইনাস বলা হয়। যখন সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে জ্বালা শুরু হয় তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। এ বার জেনে নেওয়া যাক, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া প্রতিকার। ধুলোবালি, সিগারেটের ধোয়া, যে কোনও ধরণের স্প্রে থেকে দূরে থাকুন। এই ধরণের জিনিসগুলো নাসিকা পথে ঢুকে সাইনোসাইটিস সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাই যাদের এই সমস্যা রয়েছে তারা বাইরে বেরোলেই মাস্ক ব্যবহার করুন।
এ ছাড়া ভালো Homeopathic Doctor দেখান। সটিক চিকিৎসা নিলে সুস্ত হয়ে যাবেন।

Address

Karimganj
788711

Telephone

+917086490438

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nayabazar Homeo Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nayabazar Homeo Hall:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram